Category: প্রশাসন

  • ঝালকাঠিতে চেয়ারে বসায় ছাত্রের কব্জি কেটে দিলেন মাদ্রাসাশিক্ষক

    ঝালকাঠিতে চেয়ারে বসায় ছাত্রের কব্জি কেটে দিলেন মাদ্রাসাশিক্ষক

    অনলাইন ডেস্ক:

    ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় চেয়ারে বসায় এক মাদ্রাসাছাত্রের কব্জি কেটে দিলেন শিক্ষক। আহত ছাত্রের নাম মো. সাব্বির হোসেন (১৪) ।

    শনিবার বিকালে উপজেলার শুক্তাগড় ইউনিয়নের নারিকেলবাড়িয়া জাফরাবাদ নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. ফোরকান হোসেনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেছেন ওই মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণির আহত শিক্ষার্থী মো. সাব্বির হোসেনের মা তাসলিমা বেগম।

    আহত সাব্বির নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের অটোরিকশাচালক মো. আবদুল আলিমের ছেলে ও শিক্ষক ফোরকান হোসেন একই এলাকার মৃত আবদুল হাইয়ের ছেলে।

    জানা যায়, গত ১২ জুন (বুধবার) বেলা ১১টার দিকে জাফরাবাদ নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসার একটি শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

    বিষয়টি জানাজানি হওয়ার ভয়ে আহত শিক্ষার্থীকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন ওই শিক্ষক। এতে ঘটনার আট দিন পর শিক্ষার্থীর ক্ষতস্থানে সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে গত শুক্রবার রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আহত শিক্ষার্থী সাব্বিরকে ভর্তি করে তার পরিবার।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন সাব্বির হোসেন বলেন, হুজুরের (শিক্ষক) ও আমার বাড়ি মাদ্রাসার পাশেই। আমাদের মাদ্রাসার দরজা-জানালা না থাকায় ঘটনার দিন আমি দুই বন্ধুকে নিয়ে মাদ্রাসার একটি শ্রেণিকক্ষে চেয়ারে বসেছিলাম।

    এ সময় হুজুর এসে চেয়ারে বসার কারণে আমাদের গালমন্দ করেন।

    যখন আমরা মাদ্রাসা থেকে চলে যাচ্ছিলাম, হুজুর তখন আমাকে ধরে প্রথমে চড়থাপ্পড় মারেন। এর পর হুজুরের হাতে থাকা দা দিয়ে আমাকে কোপ দিতে গেলে আমি হাত দিয়ে তা থামাই। এ সময় আমার বামহাতের কব্জি কেটে যায়।

    আহত সাব্বিরের মা তাসলিমা বেগম বলেন, শিক্ষকের দায়ের কোপে আহত হওয়ার পর আমার ছেলেকে রাজাপুর হাসপাতালে না এনে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। ফলে ক্ষতস্থানে সংক্রমণ দেখা দেয়।

    তিনি বলেন, এ ঘটনার বিচার চাই। তবে তারা প্রভাবশালী হওয়ায় কোথাও কোনো অভিযোগ করতে পারিনি। অভিযোগ করলে গ্রামে থাকাটা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে যাবে।

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক ফোরকান হোসেন বলেন, আমি সাব্বিরকে কোপ দিইনি। ঘটনার দিন মাদ্রাসা বন্ধ ছিল। মাদ্রাসার পাশের একটি সবজি ক্ষেতে আমি কাজ করছিলাম। তখন মাদ্রাসার ভেতরে শিক্ষকদের চেয়ারে বসে টেবিল চাপড়ে গান-বাজনা করছিল সাব্বির ও তার বন্ধুরা। তখন আমি সেখানে গিয়ে সাব্বিরকে গালমন্দ করি ও চড়থাপ্পড় দিই।

    এ সময় আমার হাতে থাকা দায়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে সাব্বিরের হাত কেটে যায়। ওর চিকিৎসার যাবতীয় খরচ আমি বহন করছি।

  • বরিশালে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

    বরিশালে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

    বরিশালে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস পালন করা হয়েছে।

    ২৩ জুন (রোববার) এ দিবস উপলক্ষে জেলায় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এদিন সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় সার্কিট হাউজ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

    এরপর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার রাম চন্দ্র ও ডিআইজি শফিকুল ইসলামসহ আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শহীদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইকবাল আখতার ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

  • বরগুনায় কেরোসিন ঢেলে গায়ে আগুন দিলো কিশোর, রিক্সা কিনে না দেয়ায়

    বরগুনায় কেরোসিন ঢেলে গায়ে আগুন দিলো কিশোর, রিক্সা কিনে না দেয়ায়

    বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় রিক্সা কিনে না দেয়ায় গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে জাকির হোসেন (১৪) নামে এক কিশোর।

    রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাথরঘাটা পৌরসভার স্টেডিয়ামসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    আহত জাকির হোসেন পৌরসভার ৭-নম্বর ওয়ার্ডের পাথরঘাটা স্টেডিয়ামের পশ্চিম পাশের এলাকার মো. শামসুল হক মাঝির ছেলে।

    আহতের বড়ভাই ইমাম হোসেন জানান, জাকির কিছুদিন আগে রিক্সা কিনে দেয়ার কথা বলে আমাকে। জাকিরের ওপেন হার্ট সার্জারি করা, তাই তাকে বলেছিলাম রিকশা না কিনে দোকান করে দিই।

    দোকানের পাশাপাশি লেখাপড়াও চালিয়ে যাবে সে। রিক্সা কিনে না দেয়ায় আমাদের সঙ্গে অভিমান করে জাকির। বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গায়ে কেরোসিন দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায়।

    চিকিৎসক নিতাই কুমার ঘোষ জানান, জাকিরের শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে গেছে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য জাকিরকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) সাইদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তার অবস্থা গুরুতর।

  • সারাদেশের এজলাস কক্ষে এসি লাগাতে হাইকোর্টের রুল

    সারাদেশের এজলাস কক্ষে এসি লাগাতে হাইকোর্টের রুল

    সারা দেশে আদালতের এজলাস কক্ষগুলোতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) লাগানোর নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ রোববার রুল জারি করে।

    আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে আইনসচিব, বিদ্যুৎসচিব, অর্থসচিব, গণপূর্ত সচিবকে তা জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    আদালতে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না ও রিটকারী অ্যাডভোকেট মকছেদ আলী। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

    এর আগে গত ১১ এপ্রিল জনস্বার্থে অ্যাডভোকেট মকছেদ আলী আদালতের এজলাস কক্ষে এসি লাগানোর নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করেন।

    রিট দায়ের করার কারণ প্রসঙ্গে রিটকারী আইনজীবী বলেন, গ্রীষ্মকালে আদালতে বিচার কাজ পরিচালনার সময় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের অতিরিক্ত গরমে দুর্ভোগে পড়তে হয়। এতে বিচারকাজ বিঘ্ন ঘটে। এজলাস কক্ষগুলোতে যদি এসি লাগানো হয় তাহলে বিচারক, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীরা সাবলীলভাবে অবস্থান করতে পারবেন। এ ছাড়া এটা বিচার বিভাগের আধুনিকায়নেরও একটা অংশ।

  • অসুস্থ নারীর পেটে লাথি মারল কোতোয়ালি থানা পুলিশ!

    অসুস্থ নারীর পেটে লাথি মারল কোতোয়ালি থানা পুলিশ!

    পুলিশের বিরুদ্ধে সুফিয়া খাতুন (৫০) নামে অসুস্থ এক নারীর পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে যশোর শহরের খড়কি হাজামপাড়া এলাকায় শ্রাবণী নামে এক নারীকে ধরতে গিয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশের এসআই বিপ্লব ও ইকবাল এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

    আহত সুফিয়া খাতুন ওই এলাকার আবদুল হামিদের বাড়ির ভাড়াটিয়া ইনসার আলীর স্ত্রী। শুক্রবার তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কোতয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান। তিনি দাবি করেছেন, লাথি মারার কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

    আহত সুফিয়া খাতুন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে সাদা পোশাকে দুই পুলিশ আমাদের বাসায় গিয়ে প্রতিবেশী ভাড়াটিয়া আসাদের স্ত্রী শ্রাবণীকে খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে আমাকে জিজ্ঞেস করে সে কোথায়। আমি বলি জানি না। এরপর ওই নারীর স্বামীর নাম জিজ্ঞেস করে। আমি বলতে পারি নাই। এর মধ্যে আমার ছেলেকে সিগারেট কিনতে পাঠায় পুলিশ। আমার ছেলে ফিরে এসে দেখে পুলিশ আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছে। এ সময় ছেলে প্রতিবাদ করলে, তার হাতে হাতকড়া পরিয়ে দেয়া হয়। আমি এগিয়ে গিয়ে প্রতিবাদ করি। আমার ছেলেকে কেন ধরে নিয়ে যাচ্ছো। এ সময় একজন পুলিশ আমার তলপেটে জোরে লাথি মারেন। তখন আশপাশের আরও ভাড়াটিয়া জড়ো হয়ে যায়। এরপর পুলিশ চলে যায়।

    তিনি আরও বলেন, আমার পেটে টিউমার আছে। অপারেশন করতে হবে। বৃহস্পতিবার শরীরে রক্ত দেয়া হয়েছে। শুক্রবার আবার হাসপাতালে আসার কথা ছিল। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ পেটে লাথি মেরেছে। পেটে খুব ব্যথা। আমি কোনো অপরাধ করিনি। কিন্তু পুলিশ আমাকে এভাবে মারলো। আমরা কোনো ঝামেলার মধ্যে নেই। আমার ছেলে রিকশা চালায়। স্বামী দিনমজুর। আমি বাসায় থাকি।

    সুফিয়ার স্বামী ইনসার আলী বলেন, ওই সময় আমি ছিলাম না। পরে শুনছি সাদা পোশাকে দুই পুলিশ এসেছিল। তারা আমার স্ত্রীকে মারপিট করেছে।

    যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হুদা তুহিন জানান, শুক্রবার সকালে ওই নারীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই নারী জানিয়েছেন তার পেটে লাথি মেরেছে পুলিশ।

    এদিকে সুফিয়া খাতুন সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন। শুক্রবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনছার উদ্দিন, কোতয়ালি থানা পুলিশের ওসি অপূর্ব হাসান সুফিয়াকে দেখতে যান।

    জানতে চাইলে ওসি অপূর্ব হাসান বলেন, ওই নারীর সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। ভিডিও রেকর্ডও আছে। লাথি মারার কোনো ঘটনা ঘটেনি। এক নারী প্রতারণার মাধ্যকে এক যুবকের কাছ ল্যাপটপ বাগিয়ে নিয়েছে। পুলিশ তার খোঁজে গিয়েছিল। সেই নারী নাটক সাজিয়ে ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করছে।

  • মোবাইল ব্যবহার করায় ৬ জনের এক মাস করে কারাদণ্ড

    মোবাইল ব্যবহার করায় ৬ জনের এক মাস করে কারাদণ্ড

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার অপরাধে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তারা দোষ স্বীকার করায় মোবাইল কোর্টের আওতায় প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

    শুক্রবার কুড়িগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শহিদুল ইসলাম জানান, জেলার ৯ উপজেলার মধ্যে ৫ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ৩৩টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

    কুড়িগ্রাম সদর, উলিপুর, চিলমারী, ফুলবারী ও রাজিবপুর উপজেলার ২২ হাজার ৪৭০জন প্রার্থী এ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। দ্বিতীয় দফায় অপর ৪ উপজেলার নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৮ জুন।

    জেলা প্রশাসক মোছা. সুলতানা পারভীন জানান, অবাধ ও সুষ্ঠু পরিবেশে এবং কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষার হলে মোবাইল ব্যবহার করার অপরাধে সদরের নওরিন আক্তার ও আতিকা তাসমিন এবং ফুলবাড়ী উপজেলার শাহানা খাতুন, মকবুল হোসেন, আনিছুর রহমান ও গোলাম মোস্তফাকে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোবাইল কোর্ট বসিয়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

    তিনি আরও বলেন, নিরপেক্ষ ও দুর্নীতিমুক্ত ভাবে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে সরকারের। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই চাকরি হবে। কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন বা তদবির করে চাকরি পাবার সুযোগ নেই। কাজেই কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন করে প্রতারিত হবেন না।

  • ‘আইনের ফাঁক গলে পালাতে পারবেন না ডিআইজি মিজান’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ‘আইনের ফাঁক গলে পালাতে পারবেন না ডিআইজি মিজান’ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজান আইনের ফাঁক গলে পালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

    শনিবার রাজধানীর ধানমণ্ডিতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে। খুব শিগগিরই জানা যাবে তদন্ত প্রতিবেদন।

    আইনের ফাঁক গলে যাতে তিনি (ডিআইজি মিজান) বের হয়ে যেতে না পারেন সেজন্য সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    প্রসঙ্গত ‘তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার!’ শিরোনামে ৭ জানুয়ারি যুগান্তরে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে বহুল আলোচিত রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।

    ‘এক সংবাদ পাঠিকার জীবনও বিষিয়ে তুলেছেন ডিআইজি মিজান’ শিরোনামে পর দিন ৮ জানুয়ারি আরও একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইতে শুরু করে।

    এর পর নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে বিতর্কিত এই ডিআইজি মিজানকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

    এদিকে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপুল অঙ্কের অবৈধ সম্পদের খোঁজ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    অনুসন্ধান শেষে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে প্রতিবেদন দাখিল করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তা দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

    ডিআইজি মিজান ছাড়াও তার এক ভাই ও ভাগ্নের নামে করা সম্পদসহ ৪ কোটি ২ লাখ ৮৭ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য তুলে ধরা হয়।

    এদিকে প্রতিবেদন জমা দেয়ার পর দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির তার (মিজান) কাছ থেকে রিপোর্ট পরিবর্তনের জন্য ৪০ লাখ টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

    এছাড়া ‘ডিআইজি মিজানকে এখনও কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না’ মর্মে গত ১৬ জুন এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন আদালত।

  • ঝালকাঠিতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিলেন নবাগত এসপি

    ঝালকাঠিতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দিলেন নবাগত এসপি

    ঝালকাঠির নবাগত পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তিনি মাদক নির্মূলসহ জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা রাক্ষায় সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সন্মেলন কক্ষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে এক সুধী সমাবেশে এ কথা বলেন।

    এ সময় নবাগত পুলিশ সুপার, প্রতিটি পরিবারের সন্তানরা কে কোথায় যাচ্ছে, কাদের সাথে মিশছে, কখন ঘরে ফিরছে এসব বিষয়ে সকল পিতা-মাতাকে নজরদারী করার পরামর্শ দেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসারও আহবান জানান।

    সুধী সমাবেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (রাজাপুর সার্কেল) মো. শাখাওয়াত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

    সুধী সমাবেশের আলোচনায় অংশ নেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহআলম, পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মঈন তালুকদার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসরাত জাহান সোনালী, পৌর কাউন্সিলর তরুন কর্মকার, প্রেসক্লাব সভাপতি কাজী খলিলুর রহমান, সাংবাদিক এসএমএ রহমান কাজল, প্রথম আলোর জেলা প্রতিনিধি মাহামুদুর রহমান পারভেজ, ডিবিসি নিউজের জেলা প্রতিনিধি আল-আমিন তালুকদারসহ আরো অনেকে।

    পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন গত ২০ জুন ঝালকাঠিতে যোগদান করেন। এর আগে তিনি চট্রগ্রাম মেট্রো পলিটন পুলিশের উপকমিশনার ছিলেন। উল্লেখ্য, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলার মধ্যে প্রথম নারী পুলিশ সুপার পেলেন ঝালকাঠিবাসী।

  • ৯৯৯- এ ফোন, স্কুলছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করে দিল পুলিশ

    ৯৯৯- এ ফোন, স্কুলছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করে দিল পুলিশ

    অনলাইন ডেস্ক:

    নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পাওয়ার পর স্কুলছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

    শুক্রবার বিকেলে উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করে তার পরিবার। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় সাংবাদিকরা বাল্যবিয়ে বন্ধে ৯৯৯-এ ফোন করেন।

    অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ। পরে ধলামূলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল আমিনকে সঙ্গে নিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

    পূর্বধলা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ্ আল মোমেন জানান, বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে পুলিশ আসার খবরে পেয়ে বরসহ তার সঙ্গে আসা লোকজন দ্রুত পালিয়ে যায়।

  • বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

    বরিশালে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

    নিউজ ডেস্ক:

    বরিশালে নগরের রূপাতলীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মনির তালুকদার (৩৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার (২১ জুন) দিনগত রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাজমুল সাকিব তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    মনির তালুকদার নগরের ২৪নম্বর ওয়ার্ডের রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা আ. ছত্তার তালুকদারের ছেলে।

    স্বজনরা জানান, রূপাতলী সোনারগাঁ টেক্সটাইল সংলগ্ন এলাকার নিজ বাসায় বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন মনির। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরতরা জানান, মৃত ঘোষণার পর মনিরের মরদেহ নিয়মানুযায়ী হাসপাতালের মরদেহ রাখা কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছুক্ষণ পরে কতিপয় ব্যক্তি মনিরকে নড়েচড়ে উঠতে দেখেছেন বলে দাবি করলে হাসপাতালে হট্টগোল সৃষ্টি হয়।

    এরপর মরদেহ পুনরায় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও তাকে মৃতই ঘোষণা করা হয়। পরে স্বজনরা তার মরদেহ সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিয়ে যেতে চাইলে স্টাফদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডা হয়।

    এরপর পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে মনিরের মরদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। পরে মনিরের স্বজনরা পুলিশের উপস্থিতিতেই হাসপাতাল থেকে মরদেহ নিয়ে যায়।

    কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তানজিল জানান, সুরতহাল শেষে আইন অনুযায়ী নিহতের মরদেহ স্বজনদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।