Category: প্রশাসন

  • নির্বাচিত না হলেও মানুষের পাশে থাকবেন মাশরাফি

    নির্বাচিত না হলেও মানুষের পাশে থাকবেন মাশরাফি

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী না হলেও মানুষের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি বলেছেন, ‘আমি সাংসদ নির্বাচিত না হলেও নড়াইলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে থাকব। নড়াইলের উন্নয়নের ব্যাপারে সচেষ্ট থাকব।

    গতকাল মঙ্গলবার রাতে নড়াইলে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মাশরাফি এ কথা বলেন। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময়ের অংশ হিসেবে এ সভার আয়োজন করা হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নড়াইল প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলমগীর সিদ্দিকী।

    মাশরাফি বলেন, ‘আমি খেলার মাঠের মানুষ।খেলাধুলা করাই আমার নেশা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা নড়াইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার জন্য আমাকে মনোনীত করেছেন। শেখ হাসিনার নৌকা প্রতীকের সম্মান রাখার দায়িত্ব আপনাদের। আপনাদের নৌকায় ভোট করার অনুরোধ করছি। সাংসদ নির্বাচিত হলে নড়াইলের উন্নয়নের ব্যাপারে আপনাদের সহযোগিতা চাই। আমার পাশে সব সময় আপনাদের পেতে চাই। আমার ভুলত্রুটি শুধরে দেওয়ার জন্য পরামর্শ চাই।

    গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে মাশরাফি বলেন, ‘আমি প্রতিহিংসার রাজনীতি পছন্দ করি না। নির্বাচনে জনগণ যে সিদ্ধান্ত নেবে, আমি সেই সিদ্ধান্ত মাথা পেতে নেব।

  • পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রচার চালায় বিএনপি

    পুলিশের অনুমতি নিয়ে প্রচার চালায় বিএনপি

    যশোর–বেনাপোল সড়কের পাশে কাগজপুর বাজার। এই বাজারে ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় নির্বাচনী পথসভা হচ্ছিল নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিনের। মঞ্চে তখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন ৪ নম্বর কাগজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবর আলী। একপর্যায়ে তিনি বললেন, ‘জামাত–বিএনপির লোকেরা কানাঘুষা করছে, আর্মি (সেনাবাহিনী) নামলে ওরাও মাঠে নামবে। আমি পরিষ্কার বলতে চাই, জামাত–বিএনপিকে আমরা মাঠে নামতে দেব না।

    মঞ্চে ছিলেন যশোর–১ আসনের সাংসদ ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ আফিল উদ্দিন। তিনিও বিএনপির নেতা–কর্মীদের হুঁশিয়ার করে বলেছিলেন, ‘আপনারা এক পা এগোলে আমি দশ পা এগোব।

    নির্বাচনী এলাকায় আফিল উদ্দিনের পোস্টার, ব্যানার আর মাইকের আওয়াজে মনে হয় ৩০ তারিখের সংসদ নির্বাচনে তিনি একাই প্রার্থী। প্রায় প্রতিদিন ছয়-সাতটি পথসভা করছেন। কোনো কোনোটি জনসভার চেহারা পাচ্ছে। ২২ ডিসেম্বর দুপুরের পর বেনাপোলে তাঁর একটি সভায় আসা কয়েক শ মানুষকে খাবারের প্যাকেট দেওয়া হয়।

    কেন মাঠে নেই বিএনপি

    আওয়ামী লীগের হুমকি, মারধর ও মামলার কারণে পথসভা বা জনসংযোগ করতে পারছেন না বলে জানান বিএনপির প্রার্থী মফিকুল হাসান তৃপ্তি। তিনি বলেন, ‘জেলা পুলিশ, থানা–পুলিশ ও শার্শার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে কথা বলে প্রচারে যেতে হয়। তাঁরা যদি বলেন পরিস্থিতি ভালো না, তাহলে আর যাওয়া হয় না।’ তাঁর দাবি, বিএনপির কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কর্মীরা। তাঁরা বলছেন, কেউ যেন ধানের শীষের পোস্টার না লাগান। কেউ যেন বিএনপির মিছিল–মিটিংয়ে না যান।

    শার্শার ইউএনও পুলক কুমার মণ্ডল বলেন, ‘মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি যে সময় নিরাপত্তা চাচ্ছেন, আমরা তাঁকে সে সময় নিরাপত্তা দিচ্ছি। নিরাপত্তা পেয়ে তিনি গত সোমবার বেনাপোল ও নাভারণে মিছিল করেছেন।

    তবে বিএনপির প্রার্থী বলেন, এত মামলা হচ্ছে যে নেতা-কর্মীদের পুলিশের কাছ থেকে ছাড়াতে গিয়ে দিনের প্রায় পুরোটা সময় চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘গত ২০ দিনে ৬০০ নেতা-কর্মীর জামিন করিয়েছি। ২০০ জনের জামিনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ পর্যন্ত প্রতিপক্ষের হামলায় ৯০ জন আহত হয়েছেন। ভেবেছিলাম সেনা মোতায়েনের পর পরিস্থিতি একটু ভালো হবে, কিন্তু তা হয়নি।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিউর রহমান বলেন, ‘প্রার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। আমরা তাঁকে (বিএনপির প্রার্থী) নিরাপত্তা দিয়েছি। পুলিশ ও বিজিবির নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী গণসংযোগ করেছেন।

    সরেজমিন শার্শা

    সীমান্তবর্তী শার্শা উপজেলা নিয়ে যশোর-১ আসন। ১১টি ইউনিয়ন, একটি পৌরসভাসহ দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল এই আসনের অন্তর্ভুক্ত। সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ার এখানকার অপরাধের ঘটনা বেশি বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। চোরাচালানের সঙ্গে এলাকার অনেক প্রভাবশালী জড়িত। খুন করে বা সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটিয়ে দুষ্কৃতকারীরা সহজে ভারতে পালিয়ে গেছে, এমন নজির অনেক বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, সীমান্তে চোরাচালান ও গরুর হাটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বে শর্শা উপজেলায় গত ৯ বছরে ৪১টি খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সাংবাদিকেরা জানান।

    উপজেলার সামটা গ্রাম একসময় আলোচিত হয়েছিল আর্সেনিকের প্রকোপের কারণে। প্রায় ২০ বছর আগে গ্রামের বহু মানুষ আর্সেনিকের বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হন, বেশ কয়েকজন মারা যান। এই গ্রামের ছোট বাজারের উন্মুক্ত স্থানে রয়েছে নৌকার একটি নির্বাচনী ক্যাম্প।২২ ডিসেম্বর বাজারে গিয়ে নৌকা ছাড়া অন্য কোনো প্রতীকের পোস্টার চোখে পড়েনি। বাজারের একটি চায়ের দোকানে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। চা–দোকানি বলেন, নৌকা প্রার্থীর কর্মীরা জামাত–বিএনপির সমর্থক বলে পরিচিত বাড়িগুলোতে গিয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেছেন। আপনি কি ভোট দিতে যাবেন এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘চিন্তায় আছি, এই বয়সে রাস্তায় যদি অপমান করে।

    সামটা গ্রাম থেকে বের হওয়ার পর জামতলা বাজার। দেশজুড়ে এই বাজারের মিষ্টির সুনাম রয়েছে। ২২ ডিসেম্বর দুপুরে পাঁচজন কর্মীকে নৌকার পোস্টার লাগাতে দেখা গেল। একটু দূরে নৌকার প্রচারের মাইকের আওয়াজ। স্থানীয় এক যুবক জানালেন, বিএনপির লোকেরা পোস্টার লাগাতে আসেননি।

    উপজেলার সীমান্তঘেঁষা একটি বাজারের নাম বারপোতা। দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, একটি দোকানে কে বা কারা রাতে ধানের শীষের পোস্টার লাগিয়েছিল। নৌকার সমর্থকের তা তুলে ফেলেছেন।

  • হাওরের মাঠ থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

    হাওরের মাঠ থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

    নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় হাওরের মাঠ থেকে এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    আজ বুধবার সকালে উপজেলার কাদিরপুর গ্রামের একটি হাওরের মাঠ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। লাশটি দীপু সরকার (১৫) নামের এক স্কুলছাত্রের।

    দীপু খালিয়াজুরীর কান্দিপুর গ্রামের মন্টু সরকারের ছেলে। স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল সে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোবিন্দ সরকার (২১) নামের প্রতিবেশী এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বাড়ির সামনের হাওর থেকে বীজধানের চারা উত্তোলন করে বাড়ি ফেরে দীপু সরকার। সন্ধ্যা সাতটার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁকে না পেয়ে ওই রাতেই থানা-পুলিশে খবর দেন পরিবারের লোকজন। আজ ভোরে বাড়ির সামনে হাওরে দীপুর লাশ দেখে লোকজন পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে সকালে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মৃতদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দীপুর প্রতিবেশী ধীরেন্দ্র সরকারের ছেলে গোবিন্দ সরকারকে (২১) আটক করেছে পুলিশ।

    ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খালিয়াজুরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হযরত আলী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে ওই স্কুলছাত্রকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আটক হওয়া যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

  • এই শিশুটির পরিচয় নিশ্চিতে বরিশাল পুলিশের তোড়জোড়!

    এই শিশুটির পরিচয় নিশ্চিতে বরিশাল পুলিশের তোড়জোড়!

    বরিশাল শহরের কাশিপুর গণপাড়া এলাকা থেকে ৪ বছরের (অনুমান) এই শিশুৃটিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার দিকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়েছে। সেই সাথে ২৫ বছর বয়সী এক নারীকে থানায় নিয়েছে পুলিশ।

    শিশুটি বা ওই নারীর নাম পরিচয় নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। তবে পরিচয় নিশ্চিত হতে তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাতটার দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ফেসবুক পেইজে শিশুটির ছবি পোস্ট করে পরিচয় জানতে চাওয়া হয়েছে।

    ওই নারী শিশুটিকে নিয়ে কোথায় যেতে চাইছিলেন। কিন্তু শিশুটি যেতে না চেয়ে কাঁদছিল। এই বিষয়টি এলাকার মানুষ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ পাঠিয়ে শিশুটিসহ নারীকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে নারী শিশুটিকে তার সন্তান দাবি করলেও আচরণ অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। এমনকি নারী নিজের নাম বা পরিচয়ও বলতে পারছেন না।

    পুলিশ ধারনা করছে নারী মানসিক ভারসাম্যহীন। যে কারণে তাদের উভয়কে থানায় রেখে পরিচয় নিশ্চিতে তোড়জোড় চলছে।

  • ভয়াবহ ষড়যন্ত্র বানচাল করা হয়েছে: বেনজীর আহমেদ

    ভয়াবহ ষড়যন্ত্র বানচাল করা হয়েছে: বেনজীর আহমেদ

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চার দিন আগে মতিঝিল থেকে আট কোটি টাকা উদ্ধারের পর এমন কোটি টাকার সঙ্গে তারেক রহমানের সাবেক এক ব্যক্তিগত কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়েছে র‌্যাব। এদিকে এ কাজের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে এখন পর্যন্ত তিন জনকে আটক করেছে। আটক তিন জনের মধ্যে একজন হাওয়া ভবনের সাবেক কর্মকর্তা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

    আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিলের সিটি সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ।

    বেনজীর আহমেদ জানান, একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ভোট কেনার জন্য দুবাই থেকে বাংলাদেশে এসব টাকা পাঠানো হয়েছিল।

    তিনি বলেন, একাদশ সংসদ নির্বাচনের চার দিন আগে ভয়াবহ ষড়যন্ত্র বানচাল করা হয়েছে। এর অধিকাংশ টাকাই হুন্ডির মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল, জাতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করা।

    ইউনাইটেড করপোরেশন, ইউনাইটেড এন্টারপ্রাইজ ও আমেনা এন্টারপ্রইজের মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ আনা হয়েছে বলে র‌্যাবের দাবি।

    তিনি আরো বলেন, গতকাল শরীয়তপুর ৩ আসনের মিয়া নূরুদ্দীন অপুকে ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছে। আমরা দেখেছি, ওই অঞ্চলে টাকা যাওয়ার পর ওখানকার দৃশ্যপট পরিবর্তন হয়েছে।

    তিনি বলেন, যেসব এলাকায় এই টাকা পাঠানো হবে বলে তালিকা পাওয়া গেছে, তালিকা ধরে সেসব স্থানে অভিযান চালানো হবে। নির্বাচনে এই টাকা যেন কোনো প্রভাব না ফেলতে পারে, সেজন্য সচেষ্টা থাকবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

  • সেনাবাহিনীর হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে: ঐক্যফ্রন্ট

    সেনাবাহিনীর হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে: ঐক্যফ্রন্ট

    ‘নির্বাচন মাঠের পরিবেশ ভয়ংকর খারাপ’ এমন কথা জানিয়ে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী সেলের সমন্বয়কারী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। তাদের (সেনাবাহিনী) হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে।’

    মঙ্গলবার আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন অফিসে প্রধান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বর্জন করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ঐক্যফ্রন্ট নেতারা।

    নির্বাচনের পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য সেনাবাহিনী মাঠে নামানোর দাবি জানায় ঐক্যফ্রন্ট। কিন্তু গতকাল সেনাবাহিনী মাঠে নামার পরেও কেন নির্বাচনের মাঠের পরিবেশ নিয়ে এতো অভিযোগ? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীকে ক্যাম্পে রেখে, নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করলে, তাদের (সেনাবাহিনী) সুনাম নষ্ট হবে।’

    ড. কামালের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে আসেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস ও ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ডা. জাফরুল্লাহ।

    বৈঠক থেকে বেরিয়ে গিয়ে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের প্রথমে জানান, বিএনপি কর্মীদের গ্রেফতার, আক্রমণ, আহত ও হত্যা করা হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। সারা দেশের পরিবেশ ধ্বংস করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির কোন গুরুত্ব দিচ্ছে না প্রধান নির্বাচন কমিশন এমন অভিযোগ এনে ফখরুল বলেন, সরকার ও কমিশন মিলে নির্বাচনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে।

    আর মাত্র ৩ দিন নির্বাচনের বাকি আছে এখনো গ্রেপ্তার, অত্যাচার, নির্যাতন বন্ধ না হলে ভোটাররা কিভাবে ভোট দিবে এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপি মহাসচিব। একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়ে গেছে মন্তব্য করে ফখরুল বলেন, কমিশন ও সরকার মিলে নির্বাচনকে প্রহসনের দিকে নিয়ে গেছে৷

    এ সময় ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আজ ঢাকা-৬ আসনের ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী সুব্রত চৌধুরী চার্চে গেছেন। সেখানেও লাঠি নিয়ে দাঁড়ানো ছিলো। একই বক্তব্যে তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, পুলিশ লাঠিয়াল বাহিনীর কাজ করছে। পুলিশ নিরাপত্তা না দিক। কিন্তু লাঠিয়াল বাহিনী হবে কেন? প্রশ্ন করেন ডা. জাফরুল্লাহ।

    মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন ঐক্যফ্রন্টকে বাধ্য করছে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য।

  • বরিশালে বিএনপির প্রার্থী সান্টুর পিস্তল জব্দ, ১০৩ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশালে বিএনপির প্রার্থী সান্টুর পিস্তল জব্দ, ১০৩ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

    বরিশাল-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সহ ১০৩ জন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বানারীপাড়ায় গুলি বর্ষণ ও হামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ১০ নেতা-কর্মী আহত হওয়ার ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে বানারীপাড়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নূরুল হুদা তালুকদার বাদী হয়ে বানারীপাড়া থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

    পুলিশ ওই দিন রাতেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিএনপির ১৪ নেতা-কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন আবুল কালাম আজাদ (৫৯), মো. রফিকুল ইসলাম সরদার(৪০), মো. আলমগীর হোসেন(৫৪), মো. বাবুল(৪০), মো. মাসুদ শেখ (৪৫), মো. মোজাম্মেল হোসেন গোমস্তা(৩০), মো. সহিদুল ইসলাম বেপারী(৪৫), মো. শরীফ বাহাদুর(৪৫), মো. সাইদুল ইসলাম (২৫), লিটন বেপারী (৪২), মো. আয়নাল হক(৫৬), মো. মোকাদ্দেস বেপারী(৬০), ফজলুল হক(৪৫) ও বাবুল মিয়া(৫৪)।

    আজ মঙ্গলবার সকালে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার অপর আসামীরা হলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টার,সহ-সভাপতি শাহ আলম মিঞা, পৌর বিএনপির সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর আহসান কবির নান্না হাওলাদার,সাধারণ সম্পাদক আ. সালাম, উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রহমান জুয়েল প্রমুখ। মামলায় বিএনপি প্রার্থী এস. সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু সহ নামধারী ৪৩ জন ও ৫০-৬০ জন অজ্ঞাত নামা বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের আসামী করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত সোমবার বিকাল ৪টার দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু দু’টি মাইক্রোবাস ও ৪/৫ টি মাহেন্দ্র-আলফা গাড়িতে ৪০/৫০ জন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও ক্যাডারদের নিয়ে বানারীপাড়া পৌর শহরের বাসষ্ট্যান্ড থেকে বন্দর বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টারের বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন বাড়ির সামনের সড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা ২০/২৫ জন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দেখতে পেয়ে এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু অতর্কিতভাবে তার পিস্তল দিয়ে ৪/৫ রাউন্ড গুলি ছোড়েন।

    এক পর্যায়ে তার গাড়ি বহরে থাকা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও ক্যাডাররা নেমে রড ও লাঠি সোটা নিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বেধরক পিটিয়ে জখম করে । এতে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ১০ নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হন। আহতদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে বরিশাল-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু যে পিস্তল দিয়ে গুলি বর্ষণ করেন সেটি উজিরপুর থানা পুলিশ জব্দ করেছে বলে জানা গেছে।

  • এখন আরো বেশি হামলা হচ্ছে: আফরোজা আব্বাস

    এখন আরো বেশি হামলা হচ্ছে: আফরোজা আব্বাস

    নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় মাঠে নামতে প্রশাসন নিষেধ করেছে এমন অভিযোগ করে ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আফরোজা আব্বাস বলেছেন, ভেবে ছিলাম সেনাবাহিনী মাঠে নামলে পরিস্থিতি ভালো হবে বরং উল্টো বেশি হামলা হচ্ছে।

    মঙ্গলবার নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

    আফরোজা আব্বাস বলেন, আমি প্রথম দিন থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় নামার আগে নির্বাচন কমিশনার ও সংশ্লিষ্ট থানায় জানাই নামি। কিন্তু প্রতিদিনিই হামলার শিকার হচ্ছি। আমাকে বাঁচাতে গিয়ে শতশত নেতাকর্মী আহত হচ্ছেন।

    তিনি বলেন, আজকে পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। আমি থানায় ও নির্বাচন কমিশনে জানিয়েছি। কিন্তু সকাল থেকে সবুজবাগ থানার পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে আজকে তারা কোনো দায়িত্ব নিতে পারবে না। আজকে নাকি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী এখানে প্রচারণা চালাবেন। যুবলীগের মিছিল হবে। আমি বললাম তাদের মিছিলের আগে কিংবা পরে আমরা প্রচারণায় নামি। পরে থানা থেকে বলা হলো আজকে নিরাপত্তা দিতে পারবে না। এখন প্রশাসন যদি নিরাপত্তা দিতে না পারে। তাহলে আমি কী করবো। এর আগে যতবার প্রশাসনকে আমি জানিয়েছি ততবারই প্রসাশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আপনি নামেন আমরা দেখব। তারপরও হামলা হয়েছে। আজকে প্রশাসনই নামতে মানা করছে।

    বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, আজকেও আমার নেতাকর্মীরা প্রচারণায় নামতে প্রস্তুত। কিন্তু আমি চাই না তাদের রক্ত ঝরুক। কারণ আজকে প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। আমি নামলে দেখা যেত প্রশাসন নিজেই হামলা করতো। সেই দায়িত্ব আমি নিতে চাই না।

    আমরা গণসংযোগে যদি নাও যাই এটি বড় বিষয় না উল্লেখ করে আফরোজা বলেন, আমরা পোস্টার লাগাতে পারছি না ব্যানার লাগাতে পারছি না। কোনো কিছুর দরকার নেই। জনগনের মনের ভিতর আমাদের পোস্টার, ব্যানার ও গণসংযোগ আছে। আমরা কিছুই চাই না শুধু ৩০ তারিখ জনগণ নির্বিঘ্নে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে, ভোট রক্ষা করতে পারে।

    ‘প্রশাসনের অনুমতি মিললে আমি বিকেলেও বের হতে পারি। কিন্তু আজকে যদি অনুমতি না দেয়; তাহলে কালকে থেকে আমি নামব। আমি বসে থাকব না।

    আফরোজা আব্বাস বলেন, আমি আচরণবিধি লঙ্ঘন করিনি। কিন্তু আমার ওপরই হামলা হচ্ছে। সারাদেশে ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। গতকালও সরাসরি প্রার্থীর ওপর হামলা করা হয়েছে।

    সেনাবাহিনী নামলে পরিবেশ উন্নতি হয়েছি কিনা জানতে চাইলে আফরোজা আব্বাস বলেন, আমরা ভেবে ছিলাম সেনাবাহিনী নামলে নিরাপদ থাকব। নিরাপদভাবেই কাজ করতে পারব। কিন্তু প্রেক্ষাপট চেঞ্জ হয়ে গেল। আজকে প্রশাসনই উল্টো প্রচারণায় নামতে মানা করে দিল।

    তিনি বলেন, এখনও নিজের চোখে সেনাবাহিনী দেখিনি। শুনেছি নেমেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভালো ফল পাইনি। উল্টো আরও বেশি হামলা হচ্ছে। কিন্তু আমরা আশা করছি আগামী দিনগুলোতে দেশ প্রেমিক সেনাবাহিনী আমাদের নিরাপত্তা দেবে।

    হামলার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অভিযোগ কিনা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে আফরোজা আব্বাস বলেন, নির্বাচন কমিশনে অনেক অভিযোগ দিয়েছি। কিন্তু এখনও কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখিনি। আমি নিরাপত্তা পাইনি। একজন নারী প্রার্থী হিসেবেও নিরাপত্তা পাইনি।

  • বয়কট নয়, ঐক্যফ্রন্ট নেতারা ইসির সঙ্গে মাস্তানি করে গেছেন: এইচ টি ইমাম

    বয়কট নয়, ঐক্যফ্রন্ট নেতারা ইসির সঙ্গে মাস্তানি করে গেছেন: এইচ টি ইমাম

    নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বয়কট নয়, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা ইসির সঙ্গে মাস্তানি করে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম।

    মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

    এইচ টি ইমাম জানান, বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা নারায়ণগঞ্জের এক পুলিশ কর্মকর্তাকে ‘জানোয়ার’ বলে সম্বোধন করেন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তাদের সংযত হয়ে কথা বলার অনুরোধ জানালে ড. কামাল হোসেন সিইসির সঙ্গে টেবিল চাপড়ে কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বৈঠকটি বয়কট নয়, ইসির সঙ্গে এক প্রকার মাস্তানি করে গেছেন।

    এর আগে দুপুর ১২টার দিকে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে এক্যফ্রন্টের শীর্ষ ১০ নেতা সিইসি কে এম নুরুল হুদাসহ নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। দেড় ঘণ্টার মধ্যে তারা বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে আসেন।

    বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সুব্রত চৌধুরী ও মোস্তফা মহসীন মন্টু। আর নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন, সিইসি কেএম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম ও ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ

    বৈঠক থেকে বের হয়ে বিএনপির মহাসচিব ও ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটেছে।

    গতকাল (সোমবার) থেকে অবস্থার বেশি অবনতি হতে শুরু করেছে। কিন্তু প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এই অভিযোগ আমলে নিচ্ছেন না। নির্বাচন কমিশন ও সরকার যৌথভাবে বিরোধী জোটের নির্বাচনী কার্যক্রমে বাধা দিচ্ছে। কিন্তু আমরা ফাঁকা মাঠে গোল দিতে দেবো না।

    তিনি আরও বলেন, সারাদেশে যেভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে, তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছি আমরা।সিইসির আচরনে অসন্তষ্ট হয়ে সভা বয়কট করেছেন বলেও এ সময় জানান মির্জা ফখরুল।

  • ধানের শীষ প্রার্থী জামায়াত নেতার স্ত্রী ও মেয়েসহ গ্রেপ্তার ৮০

    ধানের শীষ প্রার্থী জামায়াত নেতার স্ত্রী ও মেয়েসহ গ্রেপ্তার ৮০

    সাতক্ষীরা ৪ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী জামায়াত নেতা গাজী নজরুল ইসলামের স্ত্রী ও মেয়েকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

    মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে সাতক্ষীরা জেলা কারাগার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    আটককৃতরা হলেন গাজি নজরুল ইসলামের স্ত্রী মাকসুদা খানম ও তাদের মেয়ে শারমিন সুলতানা খুকু।

    জেলা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) আলি আহমেদ হাসেমী জানান, গাজী নজরুলের স্ত্রী ও মেয়ে নির্বাচনী প্রচারের আড়ালে নাশকতার লক্ষ্যে লোকজন সংগঠিত করছিলেন। এ সময় তাদের আটক করা হয়। গাজি নজরুল ইসলাম কারাগারে আটক রয়েছেন।

    এর আগে সোমবার সকাল থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলায় ৮টি থানায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ আরও ৭৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।