Category: প্রশাসন

  • ভোটে টাকা ছড়ানোর অভিযোগে হাওয়া ভবনের সাবেক কর্মচারীসহ গ্রেফতার ৩

    ভোটে টাকা ছড়ানোর অভিযোগে হাওয়া ভবনের সাবেক কর্মচারীসহ গ্রেফতার ৩

    একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৪০ কোটি কালো টাকা হুন্ডির মাধ্যমে দুবাই থেকে বাংলাদেশে এসেছে। এসব কলো টাকা একটি গোষ্ঠীর পক্ষে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    এই চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে হাওয়া ভবনের সাবেক কর্মচারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার দুপুরে মতিঝিলের সিটি সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব) এর মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মতিঝিলের ইউনাইটেড কর্পোরেশনের এমডি আলী হায়দার, গুলশানের আমেনা এন্টারপ্রাইজের জয়নাল ও ইউনাইটেড কর্পোরেশনের অফিস ব্যবস্থাপক আলমগীর হোসেন।

    এদের মধ্যে জয়নাল একসময় হাওয়া ভবনের কর্মচারী ছিলেন।

    বেনজীর আহমেদ বলেন, তাদের কাছ থেকে নগদ আট কোটি টাকা ও ১০ কোটি টাকার চেক জব্দ করা হয়েছে। তাদের অফিসের নথিপত্র প্রাথমিকভাবে বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এরই মধ্যে তারা ১৪ কোটি কালো টাকা সারাদেশে পাঠিয়েছে।

    র‌্যাব মহাপরিচালক আরও বলেন, সর্বশেষ শরীপুতপুর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুউদ্দিন অপুকে সাড়ে তিন কোটি টাকা পাঠানো হয়েছে। তাকে টাকা পাঠানোর তথ্যপ্রমাণ পেয়েছে র‌্যাব। চট্টগ্রামসহ আরও কয়েকটি জেলায় টাকা পাঠানো হয়েছে।

  • বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতারনা, ইতু আটক

    বিসিসি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতারনা, ইতু আটক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নাম ভাঙিয়ে টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন স্কুলের ভর্তিতে চান্স পাইয়ে দেয়ার কথা বলে, প্রতারনার মাধ্যমে টাকা দাবী করার সময় পুলিশ এক নারীকে আটক করেছে।

    গতকাল ২৩ ডিসেম্বর রাতে গোরস্থান রোডের ভাড়া বাসা থেকে ইতু (২৬) নামের ওই মহিলাকে আটক করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ। রিয়াজ হোসেন নামের এক ব্যাক্তির স্ত্রী ইতু।

    পুলিশ জানান,বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্বনাম ধন্য স্কুলের ভর্তি পরিক্ষার সময় এই চক্রটি প্রতারনার মাধ্যমে টাকা পয়সার লেনদেন করে থাকে।

    এরই সূত্র ধরে চক্রটি বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নাম ভাঙিয়ে বরিশাল সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেনীতে ভর্তির জন্য লেনদেন করতে যাওয়া এক স্বজনের তথ্যের ভিত্তিতে,গতকাল ওই মহিলাকে তার গোরস্থান রোডের ভাড়া বাসা থেকে আটক করে পুলিশ।

    ইতু নামের ওই মহিলা জানান- তার বাড়ী উজিরপুরের ধামুড়া এলাকায়। তিনি তার এলাকার সানোয়ার হোসেন সুমন নামের বিদেশ ফেরত এক বন্ধুর মাধ্যমে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন স্কুলে ভর্তি করার কথা বলে লেনদেন করেন।

    এ ব্যাপারে তার বন্ধু সুমনের ফোন নম্বরে( ০১৯১১৬২৩৮৩৪) ফোন করলে তিনি বলেন আমি টাকার মাধ্যমে স্কুলে ভর্তি করে থাকি। এক লক্ষ বিশ হাজার টাকার মধ্যে ষাট হাজার টাকা মেয়রকে আর ষাট হাজার টাকা ডিসিকে দেয়া লাগবে বলে ফোন কেটে দেন।

  • সেনা বাহিনী সঠিক দ্বায়িত্ব পালন করবে বলে বিশ্বাস করি: সরোয়ার

    সেনা বাহিনী সঠিক দ্বায়িত্ব পালন করবে বলে বিশ্বাস করি: সরোয়ার

    বরিশাল সদর (৫) আসনের বিএনপি সহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ধানের শীষ প্রার্থী এ্যাড,মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, বর্তমান সরকার এদেশ থেকে ভোটারের ভোটের রাজনীতি ধ্বংশ করে দিচ্ছে।আমি একজন প্রার্থী হয়েও ভোটারের কাছে গিয়ে মত প্রকাশ করতে পারছিনা পুলিশের বাধার কারনে কোন স্থানে গিয়ে ভোট চাইতে পারছিনা।

    ইতিমধ্যে পুলিশ দিন-রাত বাসাবাড়িতে দলীয় নেতা কর্মীদের হানা দিয়ে গনগ্রেপতার অব্যাহত রেখেছে।আমরা জানতে পারছি না এটা কি সরকারের নির্দেশে করছে নাকি নৌকা প্রার্থীর নির্দেশে পুলিশ প্রশাসন করছে বুজতে পারছি না।আমরা রিটানিং অবিসার (জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কাংখিত কোন ফলাফল পাছনি না।এভাবে চলতে থাকলে ৩০ইডিসেম্বর সাধারন জনগন কোন ভোটার কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারবে তানিয়ে তিনি শংসয় প্রকাশ করেছেন।

    (২৩ই ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন।

    এসময় তার সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড.বিলকিস জাহান শিরিন, বরিশাল আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এ্যাড. সাদিকুর রহমান লিংকন,এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ,এ্যাড.নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না,এ্যাড. অসিম কুমার বাড়ৈ,এ্যাড,আকতার হোসেন মেবুল,এ্যাড. মামুন হোসেন।

    এসময় সরোয়ার আরো অভিযোগ করে বলেন,ইতি মধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে বিএনপি নেতা কর্মীদের একদিকে গন গ্রেপতার চালিয়ে যাচ্ছে অন্যদিকে হুমকি ভয়ভীতি দেখিয়ে নেতা কর্মীদের এলাকা ছাড়া করছে যাতে করে ভোটের দিন কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাররা যাতে ভোট দিতে না পারে।
    প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কথা আর মাঠের কাজের কোন মিল খুজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    সরোয়ার আরো অভিযোগ করে বলেন আমরা এই সরকারের অধিনে সুষ্ট নির্বাচন হবে তা জেনেও নির্বাচনে অংশ নিয়েছি এখন দেখছি মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীকে পুলিশ সহ বিভিন্ন লোকদের দিয়ে বাধা গ্রস্থ করা হচ্ছে।
    একটি জাতীয় নির্বাচনে জনগনের উৎসবমূখর পরিবেশ থাকার কথা সেখানে বিভিন্ন গায়েবী মামলা দিয়ে বিএনপির নেতা কর্মীদের গ্রেপতার করা হচ্ছে।এভাবে চলতে থাকলে অবাধ সুষ্ট নির্বাচনের কোন পরিবেশ সৃষ্টি হবে না।নির্বাচনে সরকার ও তার পুলিশ বাহিনী যে পক্ষ পাতিত্ব করছে তাতে দেশে নির্বাচনের পরিবেশ আলো থেকে অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

    তিনি সেনা বাহিনী মাঠে নামা প্রসঙ্গে এক উত্তরে বলেন সেনা বাহিনী দেশ রক্ষা একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী এদর প্রতি সাধারন মানুষের বিশ্বাষ রয়েছে তিনি মনে করেন সেনা বাহিনী মাঠে সঠিক দায়ীত্ব পালন করলে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে বলে তার বিশ্বাষ।

    তিনি বলেন, একজন প্রার্থীর বাসার চারপাশে পুলিশ মোতায়েন করা থাকলে কিভাবে কর্মীরা আসবে আবার যারা সাহস করে আসছেন তাদের গ্রেপতার করে নিয়ে বিভিন্ন মামলায় আসামী করে চালান দিচ্ছে।পরে সরোয়ার আবারো জেলা প্রশাসক দপ্তরে গিয়ে রিটানিং অবিসার এস এম অজিউর রহমানের সাথে দেখা করে পুনরায় নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য আহবান জানান।

    ধানের শীর্ষ প্রার্থী সরোয়ার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করতে আসছেন এসংবাদ পেয়ে কোতয়ালী মডেল থানার একাধিক পুলিশ সদস্যরা পোষাকী ও সাদা ড্রেসে প্রেস ক্লাবের চার পাশে অবস্থান নেয় এসময় নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডের শাহিন নামের এক কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এসংবাদ পেয়ে দলীয় ও নির্বাচন পরিচালনাকারী সদস্যরা গ্রেপতার হওয়ার আশংকায় প্রার্থীর সাথে কেহ প্রেস ক্লাবে আসেনি যার ফলে ৫/৬ জন আইনজীবীদের সাথে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে আসেন।

    পরে তিনি আইনজীবীদের সাথে নিয়ে সদর রোড.গির্জা মহল্লা আদালতপাড়া এলাকায় গনসংযোগ ও ভোট প্রার্থনা করেন।
    অপরদিকে বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. বিলকিস জাহান শিরিন বলেন,বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে ভোলার তিনটি আসনের ধানে শীর্ষের প্রার্থীরা অবরুদ্ব হয়ে আছেন।অন্যদিকে ঝালকাঠী,পিরোজপুর,পটুয়াখালী এলাকায় সরকারী বাহিনীর হামলা-মামলা আর পুলিশের গ্রেপতারের মুখে ধানের শীর্ষের কর্মীরা ঘড় ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে এপর্যন্ত বরিশাল সহ বিভাগের অন্য জেলায় তিন শতাধিক নেতা কর্মী গ্রেপতার করা হয়েছে।

  • টাকা বিতরণের সময়’ মির্জা আব্বাসের দুই কর্মী আটক

    টাকা বিতরণের সময়’ মির্জা আব্বাসের দুই কর্মী আটক

    ঢাকা- রাজধানীর শাহজাহানপুর এলাকায় টাকা বিলির সময় বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসের দুই কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    এ সময় তাদের কাছ থেকে চার লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

    সোমবার বেলা আড়াইটার দিকে মহিদ ও শহিদ নামে এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারা ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর ভাই মির্জা খোকনের বন্ধু বলেও জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।

    পুলিশ বলছে, ভোটারদেরকে প্রলুব্ধ করতে এই টাকা বিতরণ করছিলেন এই দুই জন।

    ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার আতিকুল ইসলাম দাবি করেন, আমাদের কাছে বিদেশি টাকায় ভোট কেনা-বেচার তথ্য ছিল। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা দুজন ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণ করতেছিল। এসময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

  • বরিশালে বিএনপি প্রার্থীর নেতৃত্বে গুলি ও হামলায় যুব ও ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মী আহত

    বরিশালে বিএনপি প্রার্থীর নেতৃত্বে গুলি ও হামলায় যুব ও ছাত্রলীগের ১০ নেতাকর্মী আহত

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরিশাল-২ আসনে (বানারীপাড়া- উজিরপুর) বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর নেতৃত্বে অর্তকিত গুলি ও হামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। এদের মধ্যে উপজেলা যুবলীগ নেতা শফিকুল ইসলাম দুলাল তালুকদার(৪০),মশিউর রহমান সুমন(৩৫),সবুজ খান (৪০),রাজু খান (২৮) ও ছাত্রলীগ কর্মী ইব্রাহিম(২৪)কে আশংকাজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত অন্যরা হলেন যুবলীগ নেতা শাহিন সরদার(৩৩), ছাত্রলীগ নেতা রাহাত মাল(২৬),যুবলীগ কর্মী সুজন খান,আনোয়ার হোসেন(৩৩) ও সুমন মোল্লা(৩০)।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতরা জানান সোমবার বিকাল ৪টার দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু দু’টি মাইক্রোবাস ও ৪/৫ টি মাহেন্দ্র-আলফা গাড়িতে ৪০/৫০ জন বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও ক্যাডারদের নিয়ে বানারীপাড়া পৌর শহরের বাসষ্ট্যান্ড থেকে বন্দর বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাহমুদ মাহাবুব মাষ্টারের বাসষ্ট্যান্ড সংলগ্ন বাড়ির সামনের সড়কে বিপরীত দিক থেকে আসা ২০/২৫ জন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের দেখতে পেয়ে এস.সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু রিভলবার দিয়ে ৪/৫ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এক পর্যায়ে তার গাড়ি বহরে থাকা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী ও ক্যাডাররা নেমে রড ও লাঠি সোটা নিয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বেধরক পিটিয়ে জখম করে।

    এসময় সেখানে রাস্তার পাশে থাকা নৌকার প্রতিক ভাংচুরও করে তারা। পরে তারা উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের নারায়ণপুর বাজারে গিয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয় ভাংচুর করে দু’জন কর্মীকে বেদম মারধর করে। আহতদের প্রথমে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয় পরে সেখান থেকে গুরুতর আহত ৫ জনকে বরিশালে শেবাচিম হাসপাতালে রেফার করা হয়।

    এদিকে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের ওপর গুলি ও হামলার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে হাজার হাজার নেতা-কর্মী হাসপাতালের সামনে এসে জড়ো হয়ে সান্টু ও তার লোকজনকে গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ প্রদর্শণ করতে থাকে।

    হামলার খবর পেয়ে সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা ও ইউএনও শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ এবং ওসি খলিলুর রহমানসহ বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে যান। পৌর শহরে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ জানান,নৌকার পক্ষে গণজোয়ার দেখে নিজের পরাজয় আচ করতে পেরে বিএনপি প্রার্থী সন্ত্রাস ও সহিংসতার পথ বেছে নিয়ে নির্বাচন ভন্ডুল করার পায়তারা চালাচ্ছেন।

    বিএনপি প্রার্থী এস সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুর মোবাইল ফোন (০১৭১৩১১১১০৮) নম্বর বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    এদিকে হামলার প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরা পৌর শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

  • ‘সেনাবাহিনী দেখে উল্লাসের কিছু নেই: কাদের

    ‘সেনাবাহিনী দেখে উল্লাসের কিছু নেই: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সেনাবাহিনী কোন দল বা জোটের নয়। কেউ কেউ সেনাবাহিনী দেখে উল্লাস করছে। সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবে, উল্লাসের কিছু নেই।

    আজ সোমবার দুপুরে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা সদরে কামাল আতাতুর্ক হাইস্কুল মাঠে ফেনী-৩ আসনের মহাজোট প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকের লে. জেনারেল (অব:) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ, পুলিশ, প্রশাসনসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিতর্কিত করেছে। সেনাবাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ বা বিতর্কিত না করতে সকলের প্রতি আহব্বন জানান তিনি।

    তিনি বলেন, বিএনপি কথার লোক,  কাজ করে না, বছরের পর প্রতারনা করেছে, কলা দেখাচ্ছে,  মূলা  ঝুলাচ্ছে। যে কাজ করে তাকে ভোট দিবেন। যারা কাজ করে না তাদের ভোট দিবেন না।

    সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী নাসিম,  ফেনী-২ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি, ফেনী-৩ মহাজোটের মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী লে. জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, দিদারুল কবির রতন প্রমুখ।

  • বরগুনায় খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    বরগুনায় খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    বরগুনা সদর উপজেলার ৮ নম্বর সদর ইউনিয়নের বাঁশবুনিয়া খাল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    সোমবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবির মোহাম্মদ হোসেন জানান, সকালে স্থানীয়রা ওই খালে এক যুবকের মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

  • আগৈলঝাড়ায় যুবদলের সভাপতিসহ আটক-৩

    আগৈলঝাড়ায় যুবদলের সভাপতিসহ আটক-৩

    অনলাইন ডেস্ক:

    প্রবাসীর ঘরে আগুন লাগিয়ে পুরিয়ে দেওয়ার মামলায় জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা যুবদলের একাংশের সভাপতিসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

    আগৈলঝাড়া থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, গত ২২ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার পশ্চিম বাগধা গ্রামের প্রবাসী নুর মোহম্মদ মিয়ার ঘরে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী সান্তনা বেগম ওই রাতেই অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

    রবিবার রাতে ওই মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে উপজেলা যুবদলের একাংশের সভাপতি আলী হোসেন ভুইয়া স্বপন, খুলনার কুখ্যাত খুনী এরশাদ শিকদারের ঘনিষ্ট সহযোগী ও বিএনপি নেতা সেলিম সরদার ও জামাত কর্মী মামুন আকনকে গ্রেফতার করা হয়।

    ওসি আরো জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনেও মামলা রয়েছে।

    সোমবার দুপুরে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া ওয়েবসাইট–ফেসবুক পেজ–ইউটিউব চ্যানেলের বিষয়ে সতর্কবার্তা

    সেনাবাহিনীর নামে ভুয়া ওয়েবসাইট–ফেসবুক পেজ–ইউটিউব চ্যানেলের বিষয়ে সতর্কবার্তা

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন সংস্থার নামে ভুয়া (Fake) ওয়েবসাইট, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, ইউটিউব চ্যানেল ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ও প্রোপাগান্ডা প্রচারের মাধ্যমে সেনাবাহিনীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চলছে।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) ওয়েবসাইটে আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের নাম: Bangladesh Army, লিংক: https://www.army.mil.bd এবং Join Bangladesh Army লিংক: https://joinbangladesharmy.army.mil.bd। সেনাবাহিনীর ফেসবুক পেজের নাম: Bangladesh Army, লিংক: https://www.facebook.com/bdarmy.army.mil.bd ও ইউটিউব চ্যানেলের নাম: Bangladesh Army, লিংক: https://www.youtube.com/channel/UCpkg5 RjtYqjRbxwL9 Gf5 Tfw। এগুলো ব্যতীত অন্যান্য সকল ভুয়া (Fake) ওয়েবসাইট/ফেসবুক পেজ/ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ও প্রোপাগান্ডার ব্যাপারে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    একই সঙ্গে সর্বসাধারণকে সেনাবাহিনী সম্পর্কে ভুয়া তথ্য সংবলিত পোস্ট শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার জন্যও অনুরোধ করা হলো।

  • জামায়াতকে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখার আইন নেই’

    জামায়াতকে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখার আইন নেই’

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করাটা চ্যালেঞ্জ ছিল। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট শেষ মুহূর্তে নির্বাচনে আসে। তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন দাখিল করেন জোটটির প্রার্থীরা। রিটার্নিং অফিসারের কাছে বাছাইয়ে বাদ পড়ে এই জোটের শতাধিক প্রার্থী। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে লড়াইয়ে ফেরেন বেশির ভাগ প্রার্থী।

    এবার নির্বাচনের মাত্র সাতদিন আগে নতুন চ্যালেঞ্জে পড়েছে ইসি। আদালতের আদেশে প্রার্থিতা বাতিল বা স্থগিত হয়েছে প্রায় ১৫ প্রার্থীর।
    বিএনপি’র মনোনয়নে একাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে আজ।

    এর আগে চার ব্যক্তি জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেছিলেন। হাইকোর্ট এ নিয়ে রুল জারি করে। একই সঙ্গে জামায়াত নেতাদের প্রার্থিতায় আপত্তি জানিয়ে ইসিতে দাখিল করা আবেদন নিষ্পত্তিরও নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন থেকে আগেই বলা হয়েছে জামায়াত নেতাদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখার কোনো আইন নেই। ইসি’র ওই অবস্থান আজ বদলাবে কি না সেদিকে নজর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। যেসব আসনে প্রার্থিতা বাতিল হচ্ছে ওইসব আসনে পুনঃতফসিলের দাবি উত্থাপন করা হয়েছে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে। সেক্ষেত্রে আজ নির্বাচন কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেবে তাও দেখার বিষয়।

    গত ২৩শে অক্টোবর সিইসি’র সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জামায়াতকে নির্বাচন থেকে দূরে বিরত রাখার দাবি জানায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা নির্মূল কমিটির নেতাদের বলেছেন, জামায়াতের সদস্য বা যুদ্ধাপরাধীদের উত্তরসূরিদের স্বতন্ত্র বা জোটগতভাবে নির্বাচন করা থেকে বিরত রাখতে প্রয়োজনীয় আইন নেই। বিদ্যমান আইনে কী করা সম্ভব তা কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে বসে পর্যালোচনা করা হবে। বৈঠক শেষে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের সিইসি’র বক্তব্যের কথা জানান।

    গত ৯ই নভেম্বর ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, জোটগতভাবে নির্বাচন করতে চাইলে তিনদিনের মধ্যে কমিশনকে জানাতে হবে। অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতারা নিবন্ধিত দলের সঙ্গে জোটগতভাবে নির্বাচন করতে পারবেন কি না জানতে চাইলে সচিব বলেন, এটি আইনে নেই। কিন্তু কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল যদি অনিবন্ধিত দলের প্রার্থীকে নমিনেশন দেয়, তাহলে তো আমরা বাধা দিতে পারবো না। এ বিষয়ে আইনে কোনো ব্যাখ্যাও নেই।