Category: প্রশাসন

  • উপকূলে ৪০ প্লাটুন কোস্ট গার্ড মোতায়েন নির্বাচন উপলক্ষে

    উপকূলে ৪০ প্লাটুন কোস্ট গার্ড মোতায়েন নির্বাচন উপলক্ষে

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ডের ৪০ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা ২২ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন।

    শনিবার (২২ ডিসেম্বর) কোস্ট গাডের্র সহকারী গোয়েন্দা পরিচালক লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মারুফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মোতায়েনকৃত এলাকাগুলোর মধ্যে- ভোলা সদরে ১৮ প্লাটুন সদস্য নির্বাচন এলাকায় মোবাইল/স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্বপূর্ণ এলাকাগুলো হলো: ভোলা-১ আসনের ভোলা সদর উপজেলার ১ নং রাজাপুর ও ৪ নং কাচিয়া, ভোলা-২ আসনের দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ও হাজিপুর, ভোলা-৩ আসনের তজুমুদ্দিন উপজেলার ১ নং মলংচরা ও ২ নং সোনাপুর, ভোলা-৪ আসনের মনপুরা উপজেলার মনপুরা ও উত্তর সাকুচিয়া এবং চরফ্যাশন উপজেলার ১৯ নং ঢালচর, ১২ নং চর কুকরীমুকরী ও ১৬ নং মুজিবনগর, বরিশাল-৪ আসনের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ১৪ নং শ্রীপুর, ৯ নং জাঙ্গালীয়া, ১২ নং দড়িরচর খাজুরিয়া, ১৩ নং গোবিন্দপুর, নোয়াখালী-৪ আসনের হাতিয়া উপজেলার হরনী ও চান্দনী, পটুয়াখালী-৪ আসনের রাঙ্গাবালী উপজেলার ২ নং বড় বাইসদিয়া ইউনিয়ন।

    চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ প্লাটুন সদস্য নির্বাচনী এলাকায় মোবাইল/স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর মধ্যে কক্সবাজার-৪ আসনের টেকনাফ ইউনিয়নের সেন্টমার্টিন্স, সাবরাং, বাহারছড়া, হ্নীলা, হোয়াইক্যং, টেকনাফ সদর কক্সবাজার-২ আসনের কুতুবদিয়া ইউনিয়নের আলী আকবর ডেইল, উত্তর ধুরুং, দক্ষিণ ধুরুং, কৈয়ারবিল, বড়ঘোপ, লেমসিখালী, চট্টগ্রাম-৩ আসনের সন্দ্বীপের ১৪টি ইউনিয়নে।

    এছাড়াও খুলনা বিভাগে- ১০ প্লাটুন সদস্য নির্বাচন এলাকায় মোবাইল/স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্বপূর্ণ এলাকা হলো: খুলনা-১ আসনের দাকোপে ৯টি ইউনিয়নে।

    এ বিষয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার প্রদান ও সহিংসতা দমনে তৎপর রয়েছে।

  • বরিশালের ১২৬টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

    বরিশালের ১২৬টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ

    অনলাইন ডেস্ক:

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের ৬৪ ভাগ ভোটকেন্দ্রঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশজুড়ে সকল ভোটকেন্দ্রগুলোর তালিকা করে পর্যালোচনা সম্পন্ন করেছে পুলিশ।

    সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থায় বাড়তি অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আখ্যায়িত করেছে পুলিশ। সংস্থাটির তালিকা অনুযায়ী, ভোটকেন্দ্রগুলোকে ‘সমতল এলাকা’ ও ‘বিশেষ এলাকা’ হিসেবে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এরপর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দুই এলাকাতেই আলাদাভাবে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘সাধারণ’ ভোটকেন্দ্র চিহ্নিত করা হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের মতে ৩০ ডিসেম্বর ভোটাররা সারা দেশে ৪০ হাজার ২৭৩টি ভোটকেন্দ্রে ভোট দেবে ভোটাররা।

    পুলিশ সদর দফতর বলছে, এরমধ্যে ২৫ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    বাকি ১৪ হাজার ৪৪৬টি কেন্দ্রকে সাধারণ কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ হিসেবে মোট ভোটকেন্দ্রের প্রায় ৬৪ ভাগ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ এবং বাকি প্রায় ৩৬ ভাগ সাধারণ কেন্দ্র।

    পুলিশ বলছে- যেসব ভোটকেন্দ্রের কাছাকাছি প্রার্থীর বাড়ি রয়েছে এবং যেসব কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা রয়েছে সেসব কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকায় রাখা হয়েছে।

    পাশাপাশি বিশেষ এলাকার মধ্যে পাহাড়ি এলাকা, চরাঞ্চল ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে এমন কেন্দ্রের তালিকাও করা হয়েছে।

    পুলিশের তালিকা অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ২ হাজার ১১২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ২৬৭টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫৯১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২১০টি গুরুত্বপূর্ণ, রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৬টির মধ্যে ১৬৮টি গুরুত্বপূর্ণ, বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৭টির মধ্যে ১২৬টি গুরুত্বপূর্ণ, সিলেট মেট্রোপলিটন এলাকার ২৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ২০২টি, রংপুর মেট্রোপলিটন এলাকার ১৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১৮টি গুরুত্বপূর্ণ এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকার ৪২৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩৮টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    এ ছাড়া ঢাকা রেঞ্জের মধ্যে মোট ৭ হাজার ৩৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪ হাজার ৭৪টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    চট্টগ্রাম রেঞ্জের ৫ হাজার ৭৯৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩ হাজার ৮৮১টি গুরুত্বপূর্ণ, রাজশাহী রেঞ্জের ৪ হাজার ৮৯৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৮০৭টি গুরুত্বপূর্ণ, ময়মনসিংহ রেঞ্জের ২ হাজার ৭১১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৭৫৩টি গুরুত্বপূর্ণ, রংপুর রেঞ্জের ৪ হাজার ১৪৮টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৯০৭টি গুরুত্বপূর্ণ, খুলনা রেঞ্জের ৪ হাজার ৫২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ২ হাজার ৮৪৯টি গুরুত্বপূর্ণ, বরিশাল রেঞ্জের ২ হাজার ৩৩১টি কেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৬৯৭টিই গুরুত্বপূর্ণ, সিলেট রেঞ্জের ২ হাজার ১৮৩টি কেন্দ্রের ১ হাজার ২৯৩টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা সাংবাদিকদের বলেন- সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সাধারণ কেন্দ্রের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বাড়তি পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে।

    সাধারণ এলাকার ভোট কেন্দ্রের পাহারায় একজন পুলিশসহ ১৪ জন, মেট্রোপলিটন এলাকার ভোট কেন্দ্রে তিনজন পুলিশসহ ১৫ জন এবং দুর্গম ও উপকূলীয় এলাকার ভোট কেন্দ্রে দুইজন পুলিশসহ ১৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। এবারই প্রথমবার গ্রামপুলিশ সদস্যদের ভোট কেন্দ্রের পাহারায় নিয়োগ দেয়া হচ্ছে।

    ভোট কেন্দ্রের বাইরে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে টহল দেবেন।

    তারা ভোট কেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষে ঢুকতে পারবেন না। অবশ্য রিটার্নিং বা প্রিসাইডিং কর্মকর্তা চাইলে স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিমের সদস্যরা ভোট কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করবেন।

    এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আচরণবিধি প্রতিপালনে দেড় হাজারের বেশি জুডিশিয়াল ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে থাকবেন। সবমিলিয়ে ভোটের মাঠের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ছয় লাখের বেশি সদস্য মাঠে নামছেন। নির্বাচন কমিশনের একাধিক সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।

    ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মোট ভোটার ১০ কোটি ৪২ লাখ ৩৮ হাজার ৬৭৩ জন এবং ৩০০ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ৪০ হাজার ১৮৩টি।

    ইসির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম গোপন রাখার শর্তে জানান, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আদলে এবারের ভোটের নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তবে সেনা ও অন্যান্য বাহিনী মোতায়েনে সংখ্যার ক্ষেত্রে কিছুটা তারতম্য আনা হচ্ছে।

    তারা বলেন, এবার ভোট বর্জনে রাজনৈতিক কর্মসূচি না থাকায় সহিংসতা কম হবে ধরে নিয়েই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে।

    নির্বাচনে সার্বিক নিরাপত্তা : সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভোট গ্রহণের আগে ও পরে ভিন্ন মেয়াদের জন্য সেনা, র‌্যাব ও পুলিশসহ অন্য বাহিনী মোতায়েন করতে যাচ্ছে ইসি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সেনা ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ২৪ ডিসেম্বর মাঠে নামবেন। ২ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা নির্বাচনী এলাকায় থাকবেন।

    বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‌্যাব ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন সদস্যরা স্ট্রাইকিং ও মোবাইল টিম হিসেবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। ২৯ ডিসেম্বর ৩০০ আসনে সবমিলে ৬৪০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নামবেন। তারা ভোটের পর দুই দিনসহ সবমিলে চারদিন মাঠে থাকবেন।

    ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা : পরিকল্পনা অনুযায়ী, মেট্রোপলিটন এলাকায় প্রতি ভোট কেন্দ্রের পাহারায় থাকবেন ১৬ জন সদস্য। এর মধ্যে অস্ত্রসহ পুলিশ সদস্য তিনজন, অঙ্গীভূত আনসার ১২ জন ও একজন গ্রামপুলিশ। এসব এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্রগুলোয় পুলিশের সংখ্যা দুইজন বাড়িয়ে মোট ১৮ জন রাখা হবে।

    অপরদিকে মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের ভোট কেন্দ্রগুলোয় একজন পুলিশ সদস্যসহ ১৪ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দুইজন পুলিশ সদস্যসহ ১৫ জন সদস্য রাখা হবে। পার্বত্য এলাকা, দুর্গম ও দ্বীপাঞ্চলের ভোট কেন্দ্রগুলোয় দুইজন অস্ত্রধারী পুলিশসহ ১৫ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্য একজন বাড়িয়ে ১৬ জন মোতায়েন করা হবে।

    ভোট কেন্দ্রে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা ভোট গ্রহণের দুইদিন আগে এবং ভোটের দিন ও ভোটের পরের দিনসহ চারদিন মাঠে থাকবেন। আর অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা ভোট গ্রহণের তিন দিন আগে মাঠে নেমে থাকবেন পরের দিন পর্যন্ত।

    বেসরকারি প্রশাসনকে সহায়তায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’র আওতায় সারা দেশে সেনাসদস্য মোতায়েন করা হবে। তবে উপকূলবর্তী এলাকায় মোতায়েন থাকবে নৌবাহিনীর সদস্যরা।

    ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা জেলা, উপজেলা ও মেট্রোপলিটন এলাকার নোডাল পয়েন্ট (সংযোগস্থল) এবং সুবিধাজনক জায়গায় অবস্থান করবেন। রিটার্নিং অফিসার সহায়তা কামনা করলে তারা অন্য প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা প্রদান করবে। রিটার্নিং বা প্রিসাইডিং অফিসার না চাইলে তারা ভোট কেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনা কক্ষে যাবেন না।

    ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনেও একইভাবে সশস্ত্রবাহিনী মোতায়েন করেছিল ইসি। তবে ২০০৮ সালে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে সেনা মোতায়েন করা হয়।

  • বিয়ের চাপ, প্রেমিকার মাথা কেটে জঙ্গলে ফেলল প্রেমিক

    বিয়ের চাপ, প্রেমিকার মাথা কেটে জঙ্গলে ফেলল প্রেমিক

    প্রেমিকার বিয়ের চাপ সইতে না পেরে তাকে হত্যার পর তার মাথা কেটে আলাদা করে জঙ্গলে ফেলে দিল প্রেমিক।

    ভারতের কলকাতার ভূবনেশ্বরে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটেছে।

    সইন নামের অভিযুক্ত ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা স্বীকার প্রেমিক সইন।

    খবরে প্রকাশ, সশমিতা বিসওয়াল নামের তরুণী সম্প্রতি সইনকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সইন এখন বিয়ে করতে রাজি নয়। প্রেমিকার জোরাজুতে এক পর্যায়ে তাকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রেমিকাকে স্থানীয় মালিপাড়া এলাকায় ঘুরতে নিয়ে যায় সইন। সেখানে একটি বনের মধ্যে নিয়ে সশমিতা হত্যা করে সইন। হত্যার পর তার মাথা কেটে আলাদা করে জঙ্গলে ফেলে দেয়। ঘটনার তদন্তে নেমে সশমিতার কাটা মাথা ও দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

  • তুমি সুখে থাকিও’ বলেই স্ত্রীকে ফোনে রেখে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ

    তুমি সুখে থাকিও’ বলেই স্ত্রীকে ফোনে রেখে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ

    আর মাত্র ২ মিনিট পরে আমি চিরদিনের জন্য চলে যাচ্ছি। তুমি সুখে থাকিও।’ এ কথা বলেই মোবাইল ফোনকলে স্ত্রীকে সংযোগে রেখে স্বামী ভুলন দাস (৩২) ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দেন। এরপর খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায় তার দেহ। ২-৪ মিনিটের ব্যবধানে স্ত্রী আবার ফোন করেন স্বামীর মোবাইলে। জানতে চান তার স্বামী কোথায়? স্বামীর এই নির্মম পরিণতি শুনে মোবাইলের অপরপ্রান্তে থাকা স্ত্রীও মূর্ছা যান।

    গতকাল (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৪টায় এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পৌর এলাকার বিহালা গ্রামের কাছে ট্রেন লাইনে।

    জানা যায়, সিলেট জেলার বিয়ানী বাজার উপজেলার বাসিন্দা মৃত খোকন দাসের পুত্র ভুলন দাস। তিনি পেশায় একজন পল্লীচিকিৎসক। বর্তমানে বিয়ানী বাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের দুবাগ বাজারে ডক্টর্স চেম্বার নামে তার একটি নিজস্ব ফার্মেসি রয়েছে। যেখানে বসে তিনি রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিতেন। বিয়ে করেছেন বছর দুয়েক আগে। স্ত্রী স্কুলশিক্ষিকা।

    এদিকে ঘটনার পর মোবাইল নম্বরের সূত্র ধরে রেলওয়ে পুলিশ পরিবারের লোকজনের কাছে খবর দেয়। রাত ৮টায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে কুলাউড়া রেলওয়ে থানায় নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে নিহত ভুলনের স্ত্রী জেলা প্রশাসকের অনুমতি নিয়ে আসলে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করে রেলওয়ে পুলিশ।

    রেলওয়ে থানার ওসি আবদুল মালেক জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রেন লম্বা হুইসেল বাজালেও ভুলন দাস রেললাইন থেকে সরেননি। লাইনের পাশে চাদরের ওপরে নিজের মোবাইল ও সঙ্গে থাকা টাকা আলগা করে রাখা ছিল।

  • জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে: র‌্যাব মহাপরিচালক

    জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে: র‌্যাব মহাপরিচালক

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনে ভোটাররা সবাই শান্তিপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এবং নতুন সরকার গঠন করবেন।

    শুক্রবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) বার্ষিক সাধারণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেনজীর আহমেদ বলেন, এক সপ্তাহ পরই জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচনে ভোটাররা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন এবং সরকার গঠন করবেন। নির্বাচনে অতীতের মতো সাংবাদিক ও আমরা একসঙ্গে কাজ করব।

    তিনি বলেন, অপরাধ কমলেও নতুন নতুন অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। এ বিষয়টি ক্রাইম রিপোর্টাররা তুলে আনতে পারেন। ফিন্যান্সিয়াল ও সাইবার ক্রাইম বাড়ছে। মিথ্যে কথা ও প্রপাগান্ডা ছড়ানো হয়েছে।

    বেনজীর আহমেদ বলেন, ২০ বছর আগের পুলিশ আর এখনকার পুলিশ এক নয়। অনেক পরিবর্তন এসেছে। মিডিয়া জগতে দাপট ক্রাইম রিপোর্টারদের বেশি।

    ‘মিডিয়ার প্রাণ বলা যায় ক্রাইম রিপোর্টারদের। দারিদ্র্যের সঙ্গে অপরাধের সম্পর্ক রয়েছে। দারিদ্র্য কমায় অপরাধও কমেছে দেশে।

    সাবেক এ ডিএমপি কমিশনার বলেন, আগে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাংবাদিকদের ছিল ব্যক্তিগত সম্পর্ক। সেটি ভেঙে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক গড়ার কাজ শুরু করে দিয়েছি।

    অনুষ্ঠানে পুলিশ সদর দফতরের এআইজি সোহেল রানা বক্তব্য দেন। সমাপনী বক্তব্য দেন ক্র্যাবের সভাপতি আবু সালেহ আকন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার আলম।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ম্যাক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান ইঞ্জি. গোলাম মো. আলমগীর হোসেন, র‌্যাবের এডিজি (অপস) কর্নেল জাহাঙ্গীর আলম ও এডিজি অ্যাডমিন ডিআইজি জামিল আহমেদ।

  • সেনাবাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ আচরণের প্রত্যাশা ফখরুলের

    সেনাবাহিনীর কাছে নিরপেক্ষ আচরণের প্রত্যাশা ফখরুলের

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর কাছে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মুখপাত্র ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    শুক্রবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি সেনাবাহিনীকে এ দেশের মানুষ সব সময় অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখেন এবং মনে করেন দেশের যে কোনো সঙ্কটময় মুহূর্তে তারা দায়িত্ব পালন করেন। আজকে নির্বাচনে যখন তাদেরকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, আমরা আশা করবো সম্পূর্ণ নির্ভয়ে নিরপেক্ষভাবে তারা দায়িত্ব পালন করবেন। জনগণের আশা আকাঙ্খার যে গণতন্ত্র তারা তা রক্ষা করবেন।

    তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ২৪ তারিখ থেকে। এখন বিজিবি মোতায়েন হয়ে গেছে। প্রশাসনসহ সবার কাছে আমাদের একটি মাত্র আহ্বান, বাংলাদেশ আমাদের সবার দেশ, জনগণ এই দেশের মালিক, মুক্তিযুদ্ধের অনেক ত্যাগ তিতীক্ষার মাধ্যমে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। সেই গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য রাষ্ট্র ও জনগণ আপনাদের যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেই দায়িত্ব আপনারা পালন করবেন। আপনারা কোনো দল বা ব্যক্তির নন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

    সুতরাং আপনারা নিরপেক্ষভাবে নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন –আপনাদের কাছে এটাই জনগণের প্রত্যাশা। আশা করি সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের যে আস্থা আছে, নূন্যতম যে আস্থা বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের ওপরে আছে, তা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেবেন না।

    বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ এনে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আজকে মাত্র নির্বাচনের ৬/৭দিন বাকি । আমরা আশা করি শেষ মুহূর্তে হলেও এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন ও সরকার তার সম্বিৎ ফিরে পাবে। সবার মধ্যে দেশপ্রেম, দায়িত্ববোধ, কর্তব্যবোধ এবং তাদের চার্টারে যা বলা আছে সেইভাবে দায়িত্ব পালন করবে।

    বিএনপির ১৫ জন প্রার্থী কারাবন্দি আছেন জানিয়ে দলটির মহাসচিব বলেন, ‘ইতোমধ্যে ৭ জনের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, আরও ২৫ জনের বিরুদ্ধে কোর্টে ঝুলছে। আমরা ইসির কাছে গিয়ে বলেছি, যেসব আসনে আমাদের প্রার্থীদের বেআইনিভাবে শূন্য ঘোষণা করা হচ্ছে, অথবা বাতিল করা হচ্ছে, সেগুলোতে আবার প্রার্থী দেয়ার সুযোগ দেয়া হোক। অথবা সেই আসনে নির্বাচন স্থগিত রাখা হোক। পরে সিডিউল ঘোষণা করে আবার নির্বাচন দেয়া হোক।

    তিনি বলেন, ‘আমরা কার সঙ্গে লড়াই করছি বুঝতে পারছি না। আমাদের প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ। কিন্তু কেন? কারণ কি? মিটিং ভেঙে দেয়া, অ্যারেস্ট করা নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন নতুন খেলা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগের রোকজন নিজেরাই তাদের অফিস ভাঙচুর করছে, একটা পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করছে।

    ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমরা যখন সংলাপে যাই, সেখানে দীর্ঘ আলোচনার পরে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তফসিল ঘোষণার পরে আর কোনো রাজনৈতিক গ্রেফতার হবে না। অথচ এখনও একজনের পর একজনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, এমনকি আমাদের প্রার্থীরাও পর্যন্ত বাদ পড়ছেন না।

    তিনি বলেন, ‘দেশে যেন এখন অন্য কোনো ক্রাইম নেই, দেশে একমাত্র ক্রাইম হচ্ছে বিএনপির ইলেকশনে নামা। তারপরেও মানুষ বেরিয়ে আসছে, মানুষ পরিবর্তন চায়, মানুষ এই দানবীয় সরকার থেকে মুক্তি চায়।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ, নির্বাচন কমিশন ভূয়া ব্যালট পেপার ছাপানো শুরু করেছে বলে শুনতে পাচ্ছি এবং আগের রাতেই ব্যালট বাক্সে বোঝাই করে রাখা হবে এই পরিকল্পনার কথা আমরা শুনতে পাচ্ছি না, অথেনটিক সোর্স থেকে জানতে পারছি। এগুলো করার জন্য আমরা শুনতে পাচ্ছি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকটা জোন তৈরি করা হয়েছে। সেই জোনে বিশেষ বিশেষ কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তারা ছক করছে, এই ছকে কোনো লাভ হবে না। মানুষ এতো বেশি জেগে উঠেছে, জাগরণ ঘটেছে যে সব ছককে তারা নস্যাৎ করে দেবে।

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ইসির প্রতি দাবি জানিয়ে ফখরুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিএনপির টাকা নিন, নৌকায় ভোট দিন, বিএনপির টাকা কোথায়? আমরা তো নিজেরা যারা নির্বাচন করছি, আমাদের কর্মীরা যারা নির্বাচন করছেন আমরা আমাদের নিজেদের জমি জমা বাড়ি ঘর বিক্রি করে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী একথা কি করে বলতে পারেন এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক। এর চেয়ে অনৈতিক আর কি হতে পারে? এর আগে শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ভুয়া ব্যালট পেপার ছাপাচ্ছি, গুজন ছড়াচ্ছেন উনি। অনৈতিক পরামর্শ দেয়ার জন্য ইসির উচিত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া। আমি দাবি করবো, ইসি এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘লন্ডন থেকে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পুলিশ অফিসারকে হত্যা করে নির্বাচনের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হবে। এটা মারাতœক ভয়াবহ একটা মিথ্যা অপবাদ। এটার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বিএনপি নাকি মুজিক কোর্ট বানাচ্ছে, ওনারা পুলিশের ইউনিফরম বানাতে দিয়েছেন আমরা শুনেছি, পত্র পত্রিকায় এসেছে সেটার কাউন্টার করার জন্য উনি এটা বললেন কিনা জানি না।’

    ফখরুল আরও বলেন, ‘ইসির কাছে আমরা বহু অভিযোগ দিয়েছি। প্রত্যেক নির্বাচন কমিশনের কাছে এখনও পর্যন্ত একটা অভিযোগের কোনো সুরাহা হয়নি। আমরা নির্বাচন করতে চাই বলেই নির্বাচনে এসেছি। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক করার জন্যই আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। আমরা উচ্চ আদালতের কাছে আপিল করছি, দয়া করে আপনারা ন্যায় বিচার করুন, একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের বেআইনিভাবে বাতিল করা যায় না। আমরা ইসিকে আবারও বলতে চাই আপনারা নিরদের দায়িত্বটা নির্ভয়ে পালন করুন। এই রাষ্ট্র, সংবিধান আপনাদেরকে যে অধিকার দিয়েছে সে অধিকার প্রয়োগ করুন।

    সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে নির্বাচন কমিশন অভিমুখে পদযাত্রার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ফখরুল বলেন, ‘সেটা আপনারা জানতে পারবেন, ওইটা হবে কিনা জানি না। তবে ২৫/২৬ তারিখে পরবর্তীতে জানানো হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, নির্বাহী সদস্য তাবিথ আউয়াল, প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার, শায়রুল কবীর খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে নৌকা প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামিমের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন

    বরিশালে নৌকা প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামিমের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন

    বরিশাল সদর ৫ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী কর্নেল (অব:) জাহিদ ফারুক শামিমের একটি অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১২ টার দিকে শহরের উত্তর পশ্চিমপ্রান্ত গণপাড়া আবেদ খাঁ মাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

    খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ। কিন্তু এই ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি কে বা কারা আগুন দিয়েছে তাও নিশ্চিত হতে পারছে না।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশেরর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান মুকুল জানিয়েছেন,কার্যালয়টিতে আগুন জ্বলতে দেখে থানায় খবর দেয় পথচারীরা। পরবর্তীতে পুলিশ গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। কিন্তু কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    তবে এই ঘটনায় একটি মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি গাড়ি

    ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি গাড়ি

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি গাড়ি ব্যবহার করা হয়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার নোয়াখালী-৫ আসনে প্রচারণার সময় তাঁর বহরের চারটি গাড়িই ছিল সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পের।

    কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত নোয়াখালী-৫ আসনের বর্তমান সাংসদ ওবায়দুল কাদের। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মওদুদ আহমদ অধিকাংশ সময় তাঁর কোম্পানীগঞ্জের বাড়িতেই থাকছেন। আট দিন পর গতকাল তিনি ঘণ্টা তিনেকের জন্য প্রচারণা চালান। তিনি বলেন, ‘রক্তপাত ঠেকাতেই আমি চুপচাপ বসে আছি।

    ওবায়দুল কাদের গতকাল গণসংযোগ করেন কোম্পানীগঞ্জের কদমতলা, বটতলী, ১৬ নং বেড়ী, ভূমিহীন বাজার, গুচ্ছগ্রাম, মৌলভীবাজার, চৌধুরীবাজার, মুছাপুর ছোটধলী, যোগিদিয়া, মিরের পোল, সিরাজ মিয়ার বাজার ও হাবীবপুরে। তিনি যখন বেলা দেড়টার দিকে চৌধুরী বাজারে পৌঁছান, তখন তাঁর গাড়িবহরে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়াও নয়টি গাড়ি ছিল।

    চৌধুরীবাজারে গণসংযোগ চালানোর সময় ওবায়দুল কাদের তাঁর গাড়িতে দাঁড়িয়ে স্থানীয় ভাষায় বলেন, ‘দে-ন, আঁর গাড়িত পতাকা আছেনি?’ লোকজন সমস্বরে বলেন, ‘না।’ কাদের বলেন, ‘হে মিয়া (মওদুদ) কয়, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নাই। আঁই সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছি? এই ড্রাইভার, কাগজপত্র দেখাও গাড়ি ইয়ান সরকারি কি না? আঁই থাই (থাকি) বেসরকারি বাড়িতে। সরকারি বাড়িতে থাকি না। লেভের প্লেয়িং ফিল্ড কাকে বলে? এডাই তো।

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িবহরে থাকা সরকারি চারটি গাড়ি। গতকাল বিকেলে উপজেলার মুছাপুর বাংলাবাজারে।  ছবি: প্রথম আলোওবায়দুল কাদের যখন এই বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন তাঁর গাড়ির পেছনে ছিল বিকন বাতি লাগানো একটি ডাবল কেবিন পিকআপ (ঢাকা মেট্রো ঠ ১৩-৩০৫৪)। নম্বরটি দিয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ঢাকার মিরপুরের কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর নামে নিবন্ধন করা। ঠিকানা সড়ক ভবন, তেজগাঁও। বহরে থাকা ঢাকা মেট্রো ঠ ১৩-২৯৮৭, ঢাকা মেট্রো ঘ ১৭-১১০১ এবং ঢাকা মেট্রো ঠ ১৩-২৯২৭ গাড়ি তিনটি প্রজেক্ট ডিরেক্টর (প্রকল্প পরিচালক) নামে নিবন্ধন করা এবং এগুলো পদ্মা মাল্টিপারপাস ব্রিজ প্রজেক্টের।

    নির্বাচনী আচরণবিধির ১৪ (২) ধারায় বলা হয়েছে, ‘সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাঁহার নিজের বা অন্যের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি যানবাহন ব্যবহার করিতে পারিবেন না।’

    ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণায় সরকারি প্রকল্পের গাড়ি ব্যবহারের বিষয়ে জানার জন্য পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক শফিকুল ইসলামকে ফোন করলে তিনি বলেন, ‘একটি পারিবারিক ঝামেলায় ব্যস্ত আছি। এখন কথা বলতে পারব না।

    তবে নোয়াখালীর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস বলেন, বিষয়গুলো তাঁদের নজরে পড়েনি। তাঁরা খতিয়ে দেখবেন।

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িবহরে থাকা সরকারি চারটি গাড়ি। গতকাল বিকেলে উপজেলার মুছাপুর বাংলাবাজারে।  ছবি: প্রথম আলো
    মওদুদের প্রচারণা
    সকাল সাড়ে ১০টায় কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর ইউনিয়নের মানিকপুরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, আঙিনায় মওদুদ আহমদ দাঁড়িয়ে আছেন; তাঁকে ঘিরে ২০ জনের মতো নেতা-কর্মী। সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কথা বললে মওদুদ অভিযোগ করেন,আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলা ও হুমকির কারণে আট দিন ধরে তিনি বাড়ি থেকে বের হননি।

    গতকাল সকাল ১০টায় বেরোবেন বলে পুলিশকে জানানো হয়। কিন্তু চৌধুরীর হাট এলাকা থেকে কর্মীরা তাঁকে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা সেখানে জড়ো হয়েছেন, তিনি গেলে ঝামেলা হবে।

    মওদুদ বলেন, বিষয়টি থানাকে জানালে পুলিশ সদস্যরা সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁকে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তিনিও অপেক্ষা করছিলেন। এমন সময় খবর আসে বাড়ির পেছনে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর ছোট ভাই ও সিরাজপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুর রহমানকে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা মাথা ফাটিয়ে দিয়েছেন।

    নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িবহরে থাকা সরকারি চারটি গাড়ি। গতকাল বিকেলে উপজেলার মুছাপুর বাংলাবাজারে।  ছবি: প্রথম আলো

    একটু পরই রক্তাক্ত আরিফুরকে গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়। পরে মওদুদ আহমদের বাড়িতেই আরিফের মাথায় সেলাই ও ব্যান্ডেজ করে দেন স্থানীয় এক চিকিৎসক।

    মওদুদ বলেন, তিনি চাইলে এক ঘণ্টার মধ্যেই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের তাড়িয়ে দিতে পারবেন। শুধু রক্তপাত এড়ানোর জন্যই চুপ করে আছেন।

    পুলিশ পৌঁছালে বেলা ১১টার দিকে মওদুদ বের হন এবং হাজিপাড়া, দাসের হাট, চৌধুরীর হাট, মৌলভীবাজার ও কদমতলা এলাকায় প্রচারণা চালান।

  • বরিশাল সার্কিট হাউসে অ্যাম্বুলেন্সে গিয়েও ইসির সাক্ষাত পেলেন না ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী

    বরিশাল সার্কিট হাউসে অ্যাম্বুলেন্সে গিয়েও ইসির সাক্ষাত পেলেন না ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী

    প্রচারের সময় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে পা ভেঙে যাওয়া বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দীগঞ্জ) আসনের ঐক্যফ্রন্টের সংসদ সদস্য প্রার্থী জেএম নুরুর রহমান জাহাঙ্গীরকে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) কবিতা খানমের সঙ্গে দেখা করতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে।

    সন্ত্রাসী হামলার শিকার ওই প্রার্থী দেখা করতে সার্কিট হাউসে গেলে সেখান থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয় বলে জানা যায়।

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় বরিশাল সার্কিট হাউসে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত সংসদ সদস্য প্রার্থী জেএম নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর অভিযোগ করেন, গত বুধবার আমার নির্বাচনী এলাকার মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা সদর পাতারহাট বন্দরে থানার ওসিকে জানিয়ে ধানের শীষের পক্ষে নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগে অংশ নিই। জোহরের আজানের পর নেতাকর্মীদের বিদায় দিয়ে আমি বন্দরের বিএনপি নেতা আফসার হোসেন আলমের বাসভবনে যাচ্ছিলাম। সেখানে প্রবেশের মুহূর্তে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শাকিলের নেতৃত্বে অর্ধশত স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও শ্রমিক লীগ ক্যাডার হকিস্টিক ও লাঠিসোটা নিয়ে আমার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    এ সময় মেহেন্দীগঞ্জ থানার ওসি শাহিন খানকে বিষয়টি জানানো হলেও থানা থেকে মাত্র ৫০০ গজ দূরত্বের ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়নি।
    ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী জানান, সন্ত্রাসীরা আমার বাঁ পায়ের হাঁটু থেকে গোড়ালি পর্যন্ত পিটিয়ে ভেঙে বীরদর্পে এলাকা ত্যাগ করার প্রায় দুঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। হামলায় আহত জাহাঙ্গীরকে বুধবার রাতে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    মেডিক্যালে ভর্তি অবস্থায় ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী জেএম নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর এবং বিএনপির স্থানীয় শীর্ষ নেতারা নির্বাচন কমিশনার (ইসি) কবিতা খানম বরিশাল সার্কিট হাউসে অবস্থান করছেন এ সংবাদ পাওয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। সার্কিট হাউসের দ্বিতীয় তলায় ১নং কক্ষে অবস্থানরত কবিতা খানমের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য নিচতলার সিঁড়ির সামনে স্ট্রেচারে শুয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। বিষয়টি নির্বাচন কমিশনারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা কবিতা খানমের রুমে অবস্থানরত জেলা রিটার্নিং অফিসার ও বরিশাল জেলা প্রশাসক অজিয়র রহমানকে জানালে তিনি নিচে নেমে আসেন এবং সাক্ষাতের বিষয় সম্পর্কে জানতে চান।

    নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে দেখা করা যাবে না এবং গতকালের ঘটনা তিনি কিছুই জানেন না বলে প্রার্থী এবং তার সঙ্গে থাকা বরিশাল বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিনের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম আসেন এবং জেলা প্রশাসকের সঙ্গে একই সুর মিলিয়ে আহতকে হাসাপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য বলেন।

    এ সময় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার আহত প্রার্থীকে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বললে প্রার্থীকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলতে বাধ্য হন তার সঙ্গে আসা নেতাকর্মীরা।

    এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার জেলা প্রশাসক অজিয়র রহমান স্বীকার করে বলেন, সার্কিট হাউসে দেখা করার জন্য বরিশাল-৪ আসনের ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী এসেছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনারের সময়স্বল্পতার কারণে দেখা করতে পারবেন না বলে তাকে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে পাঠিয়েছি।

    ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী নুরুর রহমান জাহাঙ্গীর বলেন, বরিশাল-৪ আসনে সরকারদলীয় প্রার্থী ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থী বা তার সমর্থকরা বর্তমানে অনিরাপদ। প্রশাসনের সহায়তায় সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হচ্ছে।
    এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সংসদ সদস্য প্রার্থীর নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে বরিশাল উওর জেলা বিএনপি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন, উওর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ, মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন দিপেন, হিজলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট নুরুল আলম রাজু ও অ্যাডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন প্রমুখ।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ রফিকুল ইসলাম লাবু।

  • নির্বাচনের চমৎকার পরিবেশ রয়েছে: আইজিপি

    নির্বাচনের চমৎকার পরিবেশ রয়েছে: আইজিপি

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে চমৎকার বলে মনে করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে এখন পর্যন্ত যে পরিবেশ আছে, সেরকম শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকলে জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারব।

    রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে দেখা করার পর এসব কথা বলেন আইজিপি।

    আইজিপি বলেন, আমরা মূলত নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের পরিকল্পনা, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে এসেছি। আমাদের সর্বশেষ অবস্থা-পরিস্থিতি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে পুলিশের নিজস্ব পরিকল্পনার কথা কমিশনের সঙ্গে বিনিময় করেছি। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎকে নিয়মিত বৈঠকের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন আইজিপি।

    পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে নেই—বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের এমন অভিযোগ অবাস্তব বলে উল্লেখ করেন আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি বলেন, শুধু পুলিশ নয়, সমস্ত প্রশাসনই এখন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে ঢালাও যে অভিযোগ এ রকম কিছু আমাদের কাছে নেই।

    জাতীয় এক্যফ্রন্টের প্রধান ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলা বিষয়ে জানতে চাইলে কোন মন্তব্য করেননি আইজিপি। পুলিশের এই প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন, অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান, পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের প্রধান শহীদুল ইসলাম, ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া, ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম ও স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের উপকমিশনার প্রলয় কুমার জোয়ারদার।