Category: প্রশাসন

  • সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান ফখরুলের

    সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণে সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান ফখরুলের

    নির্বাচনে সকল রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুয়োগ নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    একইসঙ্গে নির্বাচনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিয়োগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে দলটি।

    রোববার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে দলের সহ দফতর সম্পাদক মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

    বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি সেনাবাহিনী নিয়োগের ফলে নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ সৃষ্টি হবে। যা এতদিন মোটেও বিদ্যমান ছিল না।’আমরা আশা করি, আমাদের দেশের গর্বিত সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য জনগণের স্বার্থের পক্ষে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন এবং কোনভাবেই একজন ব্যক্তি বা একটি গোষ্ঠির পক্ষে কাজ করবেন না।’মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সব সময়ই দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত। কোন ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষার কারণে তাঁদের সুনাম ক্ষুণ্ন হতে পারে না।

  • সেনাবাহিনীকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি ঐক্যফ্রন্টের

    সেনাবাহিনীকে স্বাগত জানিয়ে বিবৃতি ঐক্যফ্রন্টের

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সোমবার মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনী নামানো হচ্ছে। আর এ ব্যাপারে রবিবার সেনবাহিনীর উদ্দেশে বিবৃতি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

    সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জন্য দেশের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা সশস্ত্র বাহিনীকে স্বাগত জানাই। আশা করছি সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনের ফলে নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করবে যা এতদিন ছিল না।

    ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আশা করছি সশস্ত্র বাহিনী জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে কিংবা কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করবে না। সশস্ত্র বাহিনীর ওপর দেশ ও দেশের ইমেজ নির্ভর করে।

    উল্লেখ্য, গত বুধবার সেনাবাহিনী নিয়ে পরিপত্র জারি করে নির্বাচন কমিশন। পরিপত্রে বলা হয়, ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী। অন্য কোনো উপায়ে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে সেক্ষেত্রে সশস্ত্র বাহিনীকে ডাকা হলে ঘটনাস্থলে থাকা সর্বোচ্চ পদের ম্যাজিস্ট্রেট তাদের শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারবেন। জরুরি পরিস্থিতিতে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে কমিশন্ড অফিসার সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিতে পারবেন।

  • নির্বাচন ঘিরে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত

    নির্বাচন ঘিরে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি প্রস্তুত

    নির্বাচনের পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে একটা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হবে। তবে নির্বাচন ঘিরে উদ্ভূত কোনো পরিস্থিতি হলে বিজিবি তা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক সাফিনুল ইসলাম।

    আজ রবিবার চট্টগ্রাম-১১ (পটিয়া) ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালন সম্পর্কে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যে দায়িত্ব দিয়েছে তা বিজিবি সঠিকভাবে পালন করতে পারব বলে মনে করি। নির্বাচনের পরিবেশ বিজিবির কাছে মোটেও চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে না।

    তিনি আরো বলেন, ‘১৮ তারিখ থেকে আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০ ডিসেম্বর থেকে মাঠে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা এখনও পরিস্থিতি খুব খারাপ দেখি নাই। দু-একটি জায়গায় বিশৃঙ্খলা ছিল পুলিশের পাশাপাশি আমরা গিয়ে সেটা নিয়ন্ত্রণে এনেছি।

    মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘সারাদেশে ১১১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হবে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১৪৫ প্লাটুন বিজিবি। প্রতিটি উপজেলায় ৪ থেকে ৬ প্লাটুন এবং মহানগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩-৪ প্লাটুন করে বিজিবি থাকবে।

  • এবার সাংবাদিকদের ওপর বিধিনিষেধ ইসির

    এবার সাংবাদিকদের ওপর বিধিনিষেধ ইসির

    নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এবার সাংবাদিকদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে নীতিমালা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    এতে সাংবাদিকরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করে সংবাদ সংগ্রহ করতে পারবেন না। সাংবাদিকদের মোটরসাইকেলের জন্য কোনো পাস (স্টিকার) ইস্যু করা হবে না। একই সঙ্গে একাধিক মিডিয়ার সাংবাদিক একই ভোটকক্ষে প্রবেশ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। শনিবার এ নীতিমালা জারি করে কমিশন।

    যদিও ইসির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বিগত নির্বাচনগুলোতে সাংবাদিকরা নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও রিটার্নিং কর্মকর্তার ইস্যু করা পাস ব্যবহার করে মোটরসাইকেল চালাতে পারতেন। এবার নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হল। এতে ভোটকক্ষ থেকে সরাসরি সম্প্রচার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সরাসরি প্রচার করার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হল।

    জানা গেছে, এ নীতিমালায় সাংবাদিকদের এক ডজনের বেশি দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যা অমান্য করলে বা ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন, বিধি ও কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে নীতিমালায়। এ নীতিমালা সব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

    নীতিমালায় বলা হয়েছে, রিটার্নিং কর্মকর্তারা তাদের সংশ্লিষ্ট এলাকার কার্ড দেবেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সংশ্লিষ্ট উপজেলার সাংবাদিকদের কার্ড দেয়ার ক্ষমতা দিতে পারবেন। এছাড়া ঢাকা থেকে যেসব সাংবাদিক দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী সংবাদ সংগ্রহ করতে যাবেন, তাদের কার্ড নির্বাচন কমিশন থেকে দেয়া হবে। সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত এবং অনুমোদন সূচক স্টিকারযুক্ত যানবাহন ব্যবহার করতে পারবেন। মোটরসাইকেল ব্যবহার করার জন্য কোনো স্টিকার ইস্যু করা হবে না।

    আরও জানা গেছে, এবারই প্রথম সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমোদন (স্টিকার) দেয়া হল না। তবে অন্য যানবাহন ব্যবহার করলে স্টিকার দেয়া হবে। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ভোটের সময় মোটরসাইকেল চালনার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এক্ষেত্রে ২৯ ডিসেম্বর মধ্যরাত থেকে ২ জানুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত ক্ষেত্র বিশেষ আরও অধিককাল মোটরসাইকেল বা অনুরূপ যান চলাচল বন্ধ থাকবে।

    নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রদত্ত বৈধ কার্ডধারী সাংবাদিক সরাসরি ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন। একই সঙ্গে একাধিক মিডিয়ার সাংবাদিক একই ভোটকক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন না। ভোটকক্ষের ভেতর থেকে কোনোভাবেই সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে না। ভোট কেন্দ্রের ভেতর থেকে সরাসরি সম্প্রচার করতে হলে ভোটকক্ষ থেকে নিরাপদ দূরত্বে গিয়ে তা করতে হবে। সাংবাদিকরা ভোট গণনা কক্ষে ভোট গণনা দেখতে পারবেন, তবে সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবেন না। ভোটকক্ষ থেকে ফেসবুকসহ কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি প্রচার করা যাবে না। কোনো প্রকার নির্বাচনী উপকরণ স্পর্শ বা অপসারণ করতে পারবেন না।

  • বরিশাল র‌্যাব-৮এর অভিযানে জেএমবি সদস্য আল-আমিন গ্রেফতার

    বরিশাল র‌্যাব-৮এর অভিযানে জেএমবি সদস্য আল-আমিন গ্রেফতার

    অনলাইন ডেস্ক:

    বরগুনা জেলা সদরে অভিযান চালিয়ে আল-আমিন (২৮) নামে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এক সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সদস্যরা।
    আল আমিন সদর থানার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া এলাকার মৃত আ. হামিদ মুসল্লির ছেলে।

    রোববার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে র‌্যাবের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে- প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আল-আমিন স্বীকার করেছে সে জেএমবির সক্রিয় সদস্য ও বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় এজাহার নামীয় আসামি।

    এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্য ও আটক করা অন্যান্য আসামিদের কাছ থেকে জানা গেছে- আল-আমিন মাদ্রাসার শিক্ষকতার পাশাপাশি উগ্রপন্থী বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়। দীর্ঘ দিন যাবৎ সে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জেএমবির প্রচারণার কাজ চালিয়ে আসছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার টাউন হল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন উকিলপট্টি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

  • বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

    বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

    বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় এনএজেড সহ দুটি তৈরি পোশাক কারখানায় শ্রমিকদের বিক্ষোভে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করেছে। এসময় ১০ জন শ্রমিক আহত হয়েছে।

    পুলিশ জানায়, রোববার সকালে এনএজেড সহ দুটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগদানের পর বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে।

    এসময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানার সামনে রক্ষিত কয়েকটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করে। স্থানীয়রা গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

    এসময় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানালেও তারা রাজি হয়নি। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ এবং লাঠিচার্জ করে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এসময় ১০ তৈরি পোশাক শ্রমিক আহত হয়।

  • সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে ভোটগণনা ও ফল ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে ভোটগণনা ও ফল ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান) সদস্যদের দিয়ে ভোটগ্রহণ, গণনা ও ফল ঘোষণা চেয়ে রিট হয়েছে।

    আজ রোববার হাইকোর্টে এ রিট আবেদন করা হয়েছে।

    রিট আবেদনটি করেছেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। তিনি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি জমা দিয়েছেন।

    এই রিট আবেদনে আইন সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, ১৪ দলের পক্ষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ২০ দলের পক্ষে বিএনপির মহাসচিব, মন্ত্রীপরিষদ সচিব, রাশেদ খান মেনন, মির্জা আব্বাস, স্বরাষ্ট্র সচিবসহ ১০ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

    রিটে নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় ব্যর্থতা কেন অসংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে।

    এছাড়া সারাদেশের সব কেন্দ্রে সেনাবাহিনী দিয়ে ভোট গ্রহণ, গণনা ও ফল প্রকাশের কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে এক দলের প্রার্থী অন্য দলের প্রতীক ব্যবহারের উপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

    রিটকারী ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েনের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

    পাশাপাশি ২০ দল বা ১৪ দলের নামে জোট গঠন করে নির্বাচন করার উপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

    পরে রিটকারী আইনজীবী জানান, সোমবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদনটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে।

  • বরিশাল কারাগারের কনডেম সেলে নেয়া হয়েছে বাবরকে

    বরিশাল কারাগারের কনডেম সেলে নেয়া হয়েছে বাবরকে

    একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরকে কাশিমপুর কারাগার থেকে বরিশাল কারাগারে নিয়ে আসা হয়েছে। শনিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বাবরকে বরিশাল কারাগারে আনা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে কারাগারের জেলার মো. ইউনুস বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরকে কাশিমপুর কারাগার থেকে বরিশাল কারাগারে নিয়ে আসা হয়েছে। তাকে বরিশাল কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। তবে কেন বাবরকে বরিশাল কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানাননি মো. ইউনুস।

    তিনি জানান, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় করা হত্যা মামলা, আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলাসহ ৩টি মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লুৎফুজ্জামান বাবর। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

    বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলটির সমাবেশ চলাকালে ওই গ্রেনেড হামলায় মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী আইভি রহমানসহ ২২ জন নিহত হন। এসময় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সেই সময়ের বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের কয়েকশ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।

    ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার আসামিরা হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ আরও অনেকে।

  • নির্বাচনে যে ভুমিকায় থাকবে সেনাবাহিনী

    নির্বাচনে যে ভুমিকায় থাকবে সেনাবাহিনী

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ২৪ ডিসেম্বর থেকে মাঠে থাকবে সেনাবাহিনী। ভোটের দিন সশস্ত্র বাহিনীর কর্মপরিধি কী হবে, তা নিয়ে পরিপত্র জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ।

    গত বুধবার এই পরিপত্র জারি করা হয়।

    ওই পরিপত্রে বলা হয়েছে- আসন্ন নির্বাচনে ‘ইনস্ট্রাকশন রিগার্ডিং ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ অনুযায়ী দায়িত্বপালন করবেন স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা।

    তারা মূলত জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকার সংযোগস্থলে (নডাল পয়েন্ট) অবস্থান করবেন এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় টহল ও অন্যান্য আভিযানিক দায়িত্বপালন করবেন।

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা সহায়তা চাইলে অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করবে স্বশস্ত্র বাহিনী। প্রয়োজনে থানা বা উপজেলা পর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ করা হবে।

    প্রিসাইডিং কর্মকর্তার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে স্বশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনাকক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করবেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে ইসির কাজে সব ধরনের সহায়তা দেবেন তারা।

    কর্মপরিধিতে আরও বলা হয়েছে- অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে সেনা সদস্যদের ডাকা হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী দায়িত্বপালন করবেন। এক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেট সামরিক শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন।

    ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব না হলে কমিশন্ড অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন। ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত নির্দেশেই সামরিক শক্তি প্রয়োগের বাধ্যবাধকতা নেই। তবে মৌখিক নির্দেশ দিলে পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে সেটি লিখিত আকারে দেবেন।

    এছাড়া উপকূলবর্তী এলাকায় নৌবাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী দায়িত্বপালন করবে।

  • ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারণার গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

    নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী প্রচারকালে দুইটি গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কবিরহাট উপজেলার বাটিয়া ইউনিয়নের উলালের টেক ও ধানশালিকের হাসপাতাল সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় গাড়িতে থাকা ৬ কর্মী আহত হন। এ ঘটনায় রাতে ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    আহতদের মধ্যে জহিরুল ইসলাম শুভ ও আনোয়ারুল ইসলামকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল, মাসুদ ও আরমানকে কবিরহাট এবং অপর দুই জনকে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

    কবিরহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র জহিরারল হক রায়হান জানান, বৃহস্পতিবার ৭টার দিকে বাটিয়ার উলালের টেক ও ৬টার দিকে ধানশালিকের হাসপাতাল সড়কে নির্বাচনী প্রচারকালে ব্যরিস্টার মওদুদ আহমদের সমর্থকরা মওদুদ আহমদ ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই- এমন শ্লোগান দিয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়।

    এ সময় তারা মাইক ও সিএজি অটোরিকশা ভাঙচুর চালায় এবং ৬ কর্মীকে মারধর করে আহত করে। এ হমালার বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং থানার ওসিকে জানানো হয়েছে।

    কবিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির্জা হাসান জানান, এ দুই ঘটনায় আহতরা ৮৩ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলে রাতে বাটিয়ায ১জন ও ধানশালিকের হামলার ঘটনায় ৪ জনসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। অন্য জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।