Category: প্রশাসন

  • বরিশালে ববির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হতে পেরে ছাত্রীর আত্মহত্যা

    বরিশালে ববির ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হতে পেরে ছাত্রীর আত্মহত্যা

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    বরিশালের ঝালকাঠি নলছিটির সুগন্ধা নদী থেকে অন্তুন্নাহার মিম (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রীর নিখোঁজের ছয়দিন পরে লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার দপদপিয়া পুরাতন ফেরিঘাট এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় মিমের লাশ উদ্ধার করা হয়।

    মিম বরিশাল মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করেছিল। তার পরিবার জানিয়েছেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পেরে সে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হালিম তালুকদার জানায়, রাতে দপদপিয়ার পুরাতন ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে এক তরুণীর লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীরা। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে লাশ শনাক্ত করেন।

    মিমের বাবা শাহআলম মিজি বরিশালে এনএসআইর ফিল্ড অফিসার পদে চাকরি করেন। তিনি জানান, মিম বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হয়। এতে তার মনমানসিকতা খারাপ ছিল। গত ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় সে বরিশাল চাঁদমারী এলাকার ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

    এরপর থেকেই সে নিখোঁজ থাকে।সে নিজেই নদীতে ঝাঁপ দিয়েই আত্মহত্যা করেছে। কেউ হত্যা করেনি বলেও দাবি করেন তিনি।

    নলছিটি থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হালিম তালুকদার জানান, এ ঘটনায় নলছিটি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

  • ৩ কনস্টেবল প্রত্যাহার পিরোজপুরে আদালত থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ায়

    ৩ কনস্টেবল প্রত্যাহার পিরোজপুরে আদালত থেকে আসামি পালিয়ে যাওয়ায়

    পিরোজপুর আদালত থেকে হত্যা মামলার আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশের তিন কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। পালিয়ে যাওয়া আসামিকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

    প্রত্যাহার করা তিন কনস্টেবল হলেন- মো. আবুল কালাম, মো. সাজ্জাদ আলী ও মো. শাহ আলম। মঙ্গলবার তাদেরকে প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির।

    সোমবার দুপুরে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আদালতের সিঁড়ি থেকে পালিয়ে যায় হত্যা মামলার আসামি আমান উল্লাহ (১৮)। কাউখালী উপজেলার নাঙ্গুলি গ্রামের ইউনুছ খানের ছেলে আমান ।

    কাউখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, উপজেলার সদর ইউনিয়নের নাঙ্গুলি গ্রামে গত ২৬ আগস্ট জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের বরিশাল শাখায় কর্মরত মফিজ উল্লাহ মাহফুজ খুন হন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই আলামিন বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

    কাউখালী থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক আলতাফ হোসেন বলেন, ১ সেপ্টেম্বর আমান উল্লাহকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে হাজির করলে হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

    আসামি পক্ষের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন স্বপন বলেন, আমান উল্লাহ কারাগারে ছিল। মামলার তারিখ থাকায় সোমবার তাকে আদালতে আনা হয়। সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় আমান।

    পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ বলেন, পালিয়ে যাওয়া আমানকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। প্রত্যাহার করা তিন কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • টঙ্গীতে বন্য প্রাণী জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    টঙ্গীতে বন্য প্রাণী জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

    গাজীপুরের টঙ্গীতে বন্যপ্রাণী অবৈধ কেনাবেচা ও পাচারের দায়ে এক দোকানদারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় বেশকিছু বন্য প্রাণী জব্দ করা হয়। আজ মঙ্গলবার সকালে টঙ্গী বাজারে র‍্যাব ও বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের যৌথ অভিযানে বন্য প্রাণী জব্দ করা হয়।

    বন্য প্রাণী পরিদর্শক অসীম মল্লিক বলেন, টঙ্গী বাজারে আল হাদী নামে এক ব্যক্তির দোকান থেকে এসব প্রাণী জব্দ করা হয়। অবৈধ কেনাবেচা ও পাচারের দায়ে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলম।

    অসীম মল্লিক জানান, জব্দ হওয়া এসব প্রাণীর মধ্যে রয়েছে, একটি বানর, ১৯টি বালিহাঁস, পাঁচটি প্যাঁচা, ১৫টি শালিক, পাঁচটি ঘুঘু, একটি কালিম, দুটি কাঠবিড়ালি ও সাতটি টিয়া। তিনি জানান, জব্দ হওয়া এসব প্রাণীর বাজারমূল্য প্রায় দুই লাখ টাকা।

    অসীম মল্লিক বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাদী জানিয়েছেন, পাখিগুলো শেরপুরের হাওরাঞ্চল থেকে আর বানর-কাঠবিড়ালি গাজীপুরের বন থেকে ধরা হয়। পরে বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিচালক মিহির কুমার দের নেতৃত্বে এসব প্রাণী গাজীপুর ন্যাশনাল পার্কে অবমুক্ত করা হয়।

  • বরিশালে চাদপুরা ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

    বরিশালে চাদপুরা ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

    গরিবের চাল আত্মসাতের মামলায় বরিশালের সদর উপজেলার চাদপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আমানুল্লাহ আমান ও মেম্বার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খানকে ১০ দিনের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান ও মেম্বার সশরীরে হাজির হয়ে আগাম জামিন আবেদন করলে আদালত তা খারিজ করে দেন।

    মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

    চেয়ারম্যান ও মেম্বারের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে ছিলেন একেএম ফারহান।

    ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আসামিরা ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বরিশাল সদর উপজেলার চাদপুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আমানুল্লাহ আমান ও মেম্বার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ভিজিডি কার্ডধারী ২৫১ জনের মধ্যে এক লাখ ৮২ হাজার ৪২৬ টাকা মূল্যমানের ৫ মেট্রিক টন চাল বিতরণ না করে আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৭ নভেম্বর বরিশাল মেট্রোপলিটনের বন্দর থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় দুইজন হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন।

  • বরিশালে ইয়ুথ কগনিশনের উদ্যোগে এবং পুলিশের সহযোগিতায় ইভটিজিং বিরোধী অভিযান

    বরিশালে ইয়ুথ কগনিশনের উদ্যোগে এবং পুলিশের সহযোগিতায় ইভটিজিং বিরোধী অভিযান

    হুজাইফা রহমান:

    আজ বরিশালের স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ইয়ুথ কগনিশনের উদ্যোগে ইভটিজিং বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। এবছরের মে মাসে প্রতিটি বিদ্যালয়ে ইভটিজিং বিরোধী ক্যাম্পেইন ও জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা করে ইয়ুথ কগনিশন ইভটিজিংয়ের শিকার হলে কি করণীয় তা জানানো হয়।

    ছাত্রীদের এবং যে সমস্ত স্থানে স্কুল ছাত্রীরা ইভটিজিংয়ের শিকার হতো, সেসব স্থানের নাম উল্লেখ করা হয় উক্ত জরিপে। পরে তা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে জমা দেওয়া হয়।

    পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নির্দেশে আজ দুপুর সাড়ে ১২ টায় আমতলার মোড় এ.আর.এস মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় এলাকা ও স্বাধীনতা পার্কে ওসি কোতোয়ালি মডেল থানা এ অভিযান পরিচালনা করে এবং ইয়ুথ কগনিশনের সদস্যরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় উক্ত বালিকা বিদ্যালয় এলাকা থেকে দুই বখাটে যুবক কে মোটরসাইকেল সহ আটক করা হয়, এছাড়াও স্বাধীনতা পার্কে স্কুল ফাঁকি দিয়ে স্কুল ড্রেস পরিহিত প্রেমিক – প্রেমিকা জুটিদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করে ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার কথা বলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল পুলিশ।

  • স্টেনো সেলিমের কাছে পরিচালকও অসহায়

    স্টেনো সেলিমের কাছে পরিচালকও অসহায়

    সিনিয়র রিপোর্টার/বিপ্লব আহমেদ:

    বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দুর্নীতিবাজ স্টেনো টাইপিষ্ট মোঃ সেলিম হোসেনকে ঝালকাঠী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে শাস্তিমূলক বদলি করা হয় গত ৭ নভেম্বর ।

    কিন্তু প্রায় এক মাস অতিবাহিত হলেও সেলিম নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি। স্বাস্থ্য বিভাগের বরিশালের পরিচালক ডাঃ মাহাবুবুর রহমানও সেলিমের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন। পরিচালকের আদেশ না মেনে, এখনো বরিশাল অবস্থান করছেন সেলিম।

    বদলি আদেশে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের কথা উল্লেখ রয়েছে। অথচ বদলি আদেশের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি। বদলি ঠেকাতে তিনি বিভিন্ন দপ্তরে লবিং করছেন। এমনকি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছেন। বদলির আদেশ ঠেকাতে গত ১৩ নভেম্বর সেলিম হোসেন পরিচালক বরাবরে লিখিত আবেদন করেন। এতে সেলিম হোসেন উল্লেখ করেন ‘২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল তাকে বরগুনায় বদলি করা হয়।

    বদলির আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ৫ জুলাই বরিশাল আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে বদলি আদেশ স্থগিত করা হয়। ওই বদলির আদেশ স্থগিত রয়েছে বলে দাবী করেন সেলিম হোসেন’। সেলিমের এ ধরনের আবেদন পাওয়ার পরে পরিচালক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের সরকারী আইনজীবীর কাছে মতামত চেয়ে চিঠি প্রেরণ করেন।

    পরিচালকের চিঠি পেয়ে সরকারী কৌশলী শামসুন্নাহার মুক্তি, পরিচালক বরাবরে আইনী মতামত প্রদান করেন। এতে বলা হয় ‘ সেলিম হোসেন ৯ বছরে তার আনীত এ.টি ১২/২০০৯ মামলা নিষ্পত্তি করার কোন প্রয়োজন মনে করেননি। এমনকি বদলির কার্যক্রম স্থগিত আদেশও বর্ধিত করেননি। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, তার কার্য সিদ্ধ হওয়ায় ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিলের বদলির আদেশ ২০১০ সালের ৭ জানুয়ারী পর্যন্ত স্থগিত করায়, পরবর্তীতে এর ফল দীর্ঘ ৯ বছর পর্যন্ত বদলির আদেশ স্থগিত করায়, পরবর্তীতে তার ফল ৯ বছর পর্যন্ত উপভোগ করেছেন বিধায় উহার অগ্রগতির কোন প্রচেষ্টা করেননি।

    ২০০৯ সালের ৫ জুলাইয়ের ট্রাইব্যুনালের আদেশ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত বদলির আদেশের কার্যকারিতা ২০১০ সালের ৭ জানুয়ারী পর্যন্তই স্থগিত ছিল। এমতাবস্থায় সেলিম হোসেনকে ৭ নভেম্বর ঝালকাঠী সিভিল সার্জন অফিসে বদলি করে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে বলা হয়। ওই বদলি আদেশের ফলে কোন বেআইনী কার্যক্রম হয়নি। সুতরাং সেলিম হোসেনকে ঝালকাঠী সিভিল সার্জন অফিসে বদলির আদেশ বহাল রাখতে, আইনি কোন সমস্যা নেই”।

    এ ধরনের মতামত পেয়ে পরিচালক মোঃ মাহাবুবুর রহমান, ১৮ নভেম্বর সেলিম হোসেনকে চিঠি দেন। এতে পরিচালক উল্লেখ করেন ‘সরকারী কৌশুলী, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের মতামত অনুযায়ী বদলি আদেশ বাতিলের আবেদন পত্র বিবেচনা করা গেল না’। কিন্তু তার পরেও সেলিম হোসেন নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেননি।

    তিনি একটি ভুয়া চিকিৎসাপত্র নিয়ে বিশ্রামে রয়েছেন। বরিশাল সদর হাসপাতাল থেকে দেয়া ব্যবস্থাপত্রে কোন সিল-স্বাক্ষর এমনকি তারিখ নেই। এটা সেলিমের বানানো। এ ব্যাপারে বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন, আমিও শুনছি সে নাকি বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে যোগদান করবে। কিন্তু কোন ক্ষমতাবলে সে যোগদান করবে সেটা আমাদের দেখতে হবে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত চলছে। তার পরেও কোন কাগজের ক্ষমতায় আসবে সেটা কাগজপত্র দেখি তার পরে বলা যাবে।

    স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে বদলি ঠেকাতে জোর তদ্বির চালাচ্ছেন দুর্নীতিবাজ সেলিম হোসেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বদলি হওয়ার পরেও তিনি বরিশাল সিভিল সার্জন কার্যালয়ে গিয়ে বসছেন। প্রশ্ন উঠেছে একজন কর্মচারীর খুটির জোর কোথায়?
    দুর্নীতির অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় গত ৭ নভেম্বর সেলিমকে ঝালকাঠী সিভিল সার্জন কার্যালয়ে বদলি করা হয়। এতে বলা হয় আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের কথা। কিন্তু এখনো নতুন অফিসে যোগদান করেনি সেলিম।

    বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরে দুর্নীতিবাজ কর্মচারী সেলিমের বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি নজরে আসে বর্তমান বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের । এর পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বরিশাল থেকে গত মাসে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তিন সদস্য বিশিষ্ট ওই কমিটির প্রধান করা হয় বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডাঃ বাসুদেব কুমার দাসকে। কমিটিতে আরো ছিলেন, সহকারি পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রক) ডাঃ আব্দুর জব্বার হাওলাদার এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফরিদউদ্দিন মৃধা।

    তারা তদন্ত করে সেলিমের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পান। তদন্ত কমিটির সুপারিশ ক্রমেই স্টেনো সেলিমকে বদলির সুপারিশ করা হয়।টানা দুই যুগ একই কর্মস্থলে কর্মরত থেকে সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা নিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছিল, সিভিল সার্জন দপ্তরের স্টেনো টাইপিষ্ট মোঃ সেলিম হোসেন। তার যন্ত্রনায় অফিসের কর্মকর্তা থেকে অনেকেই অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। চিকিৎসকদের বদলি করা, দাপ্তরিক কাজে বিভিন্ন সুপারিশ, অসুস্থতাজনিত কারন দেখিয়ে কর্মচারীদের বাধ্যতামূলক অবসরে যাবার সময়, ডায়াগনোস্টিক এবং ক্লিনিকের অনুমোদন ও নবায়ন করাসহ বিভিন্ন কাজে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে সেলিমের বিরুদ্ধে।

    তার এইসব অনিয়মের ফলে বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকও বিব্রত ছিলেন।বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসে স্বাস্থ্য সহকারি পদে প্রথম চাকুরীতে যোগদান করেন সেলিম। ১৯৯২ সালে ষ্টেনো টাইপিষ্ট হিসাবে বরিশাল সিভিল সার্জন অফিসে যোগদান করেন। সেই থেকে অদ্যাবধি তার কোন বদলি হয়নি। দীর্ঘ বছর একই দপ্তরে চাকুরী করার সুবাধে বিভিন্ন ডায়াগনোস্টিক, ক্লিনিকের মালিকদের সাথে তার একটি সখ্যতা গড়ে ওঠে। ওইসব প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র নবায়ন, নতুন রেজিষ্ট্রেশন, সার্ভে সনদসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখভালের দায়িত্ব পায় ষ্টেনো সেলিম। আর এতেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে উঠেছেন তিনি।

    জেলায় ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়ন করার সরকারী ফি নতুন ১১‘শ টাকা ভ্যাটসহ। সেখানে ষ্টেনো সেলিম বিশ হাজার টাকা আদায় করেন। ক্লিনিকে ভ্যাটসহ নবায়ন ফির সরকারি ধার্য্য ৭ হাজার ৫শ’টাকা। এক্ষেত্রে ষ্টেনো সেলিম কম করে হলেও বিশ হাজার টাকার নির্ধারণ করে দেন। যারা তার কথামত চলে না তাদের পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। বিভিন্ন অজুহাতে তাদের কাগজপত্র আটকে দেয়া হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে গৌরনদী-আগৈলঝড়া উপজেলার কয়েকটি ক্লিনিক ও ডায়াগনোষ্টিক থেকে এ ধরনের অর্থ উত্তোলন করেন। যার মধ্যে মৌরি ক্লিনিক গৌরনদী,আগৈলঝাড়ায় আদর্শ জেনারেল হাসপাতাল, একই এলাকার দুস্থ্য মানবতা হাসপাতাল থেকে নবায়ন বাবদ বিশ হাজার টাকা নিয়েছেনন বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন ডায়াগনোস্টিক সেন্টার থেকে মাসিক মাসোহারা আদায় করে বলেও সূত্র নিশ্চিত করেছে। নগরীর এমন ১০/১৫ ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টার রয়েছে যাদের কোন লাইসেন্স বা কাগজপত্র নেই। ওইসব প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মাসিক মাসোহারা আদায় করা হয় বলেও জানা গেছে। এমনকি যে সব চিকিৎসক সিভিল সার্জন অফিসে কর্মরত আছেন তাদের বদলি বা পদায়ন অথবা যেকোন অফিস আদেশ লেখার জন্য তাকে (সেলিম) দাবীকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে কাজ সমাপ্ত করতে গড়িমসি করে বলে সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। বরিশাল সিভিল সার্জন দপ্তরে সাবেক এক চিকিৎসকের পদোন্নতি হওয়ার ফরোয়াডিং লিখে দেয়ার জন্য জোরপূবক অর্থ আদায় করেছিল যা ওই চিকিৎসক নিয়ে অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছিলেন। সম্প্রতি যে সকল কর্মচারীরা স্বেচ্ছায় অবসরে গিয়েছে তাদের কাগজপত্র ঠিক করে দেয়ার কথা বলে অর্থ আদায় করেছে।

    স্টেনো সেলিম তার এই সকল অবৈধ কর্মকান্ডকে বৈধতার ছোঁয়া লাগাতে অগোচরে বুঝিয়ে দেন এই বলে যে ‘বরিশাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ও অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এই আদায়কৃত অর্থের ভাগ দিতে হয়। সবচেয়ে বড় দান মারার সুজোগটি হচ্ছে ক্লিনিকের নতুন লাইসেন্স অনুমোদনের ক্ষেত্রে। এই লাইসেন্স দেয়া হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে। আর তাই ষ্টেনো সেলিম ক্লিনিক মালিকদের এই বলে বোঝাবার চেষ্টা করেন যে ‘যেহেতু ঢাকা থেকে অনুমোদন করিয়ে আনতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন তাই কমপক্ষে ৭০/৮০ হাজার টাকা। অনেক ক্ষেত্রে লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। অথচ নিয়ম মাফিক লাইসেন্স করলে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা প্রয়োজন হয়। যার বড় অংশ জমা হয় সরকারি কোষাগারে।

  • আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলি, নিহত ২

    আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলি, নিহত ২

    পাবনার ভারাড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আজ সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের আরঙ্গবাদ খয়েরবাগান গ্রামের মৃত জাহেদ আলী শেখের ছেলে আব্দুল মালেক ও মৃত গহের আলী খানের ছেলে লষ্কর আলী খান।

    পাবনা সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবনে মিজান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে এ বিষয়ে পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জালাল উদ্দিনও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি ঘটনাস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছি। পৌঁছালে বিস্তারিত বলতে পারবো।

    স্থানীয়রা জানান,আধিপত্য নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিশেষ করে পদ্মা নদীর চর এলাকা হওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে ব্যাপক বালি উত্তেলন হয় ওই এলাকায়। একটি চক্র প্রতিদিনই শতশত ট্রাক বালি উত্তোলন করে। আর এই বালি উত্তোলনকে কেন্দ্র করেই দুই গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা চলে আসছিল।

    ওই দুই গ্রুপের একটির নেতৃত্ব দেন পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ ও অপরটির নেতৃত্ব দেন সুলতান আহমেদ। তবে এই ঘটনায় তাদের কারোর সাথেই কথা বলা সম্ভব হয়নি।

    গুলিবিদ্ধদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির চেষ্টা চলছে বলেও জানান এলাকাবাসী।

  • ফেক নিউজ হলে ডিজিটাল আইনে মামলা : ইসি

    ফেক নিউজ হলে ডিজিটাল আইনে মামলা : ইসি

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ফেক বা ভুয়া নিউজ ও অপপ্রচার ঠেকাতে আরও কঠোর হচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে ফেক নিউজ হলে বা অপপ্রচার হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা দায়েরসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রবিবার নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

    তিনি বলেন, প্রশাসন ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং শুরু করেছে। আমরাও আগামীকাল থেকে মনিটরিং করবো। এজন্য আমাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শাখার (আইসিটি) কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি নিজস্ব মনিটরিং টিম করা হবে। এই টিমও প্রশাসনের টিমের পাশপাশি কাজ করবে। এছাড়া থাকবে গোয়েন্দা নজরদারিও।

    অপপ্রচার ও ফেক নিউজ রুখতে করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ইসি সচিবের বৈঠক তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার যেন নির্বাচন কেন্দ্রিক অপব্যবহার না হয়, কোনো প্রোপাগান্ডা যেন কেউ না চালাতে পারে, সে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে।

    ‘কেউ যদি প্রোপাগান্ডা চালায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আমরাও দেখবো, তারাও দেখবে। ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন ও অন্যান্য আইনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসব বিষয় না করতে সচেতনতা সৃষ্টির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আমরা বিজ্ঞাপনও প্রচার করবো।

    হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কেউ যেন নির্বাচন নিয়ে কোনো ফেক নিউজ না করতে পারে। জাতীয় –আন্তর্জাতিকভাবে কেউ যেন ফেক নিউজ না করে। ফেক নিউজের বিরুদ্ধেও আমরা ব্যবস্থা নেবো।

  • বরিশালের আগৈলঝাড়া, ইয়াবা সুন্দরী লিনা গ্রেফতার

    বরিশালের আগৈলঝাড়া, ইয়াবা সুন্দরী লিনা গ্রেফতার

    স্টাফ রিপোর্টার/শামীম ইসলাম:

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার, ফুল্লশ্রী থেকে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, ইয়াবা সুন্দরী লিনা ইসলামকে ১৫ পিচ ইয়াবা সহ আটক করে। এসময় ঐ গ্রামের মৃত কালাম হোসেন পাইকের পুত্র রফিকুল ইসলামকে ৫ পিচসহ পুলিশ গ্রেফতার করে।

    স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, ইয়াবা সুন্দরী লিনা হরিনাহাটি গ্রামের ওসমান খান শাকিল এর স্ত্রী, দীর্ঘদিন যাবত ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত লিনা। ঐ এলাকা থেকে বিতরিত হয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রামের নতুন ভাবে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল বলে আগৈলঝাড়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফজাল হোসেন,সাংবাদিকদের বলেন এ চক্রটি দীর্ঘদিন আমাদের নজরে ছিল।

    গত শুক্রবার রাতে একদল চৌকোষ পুলিশ অফিসারদের নেতৃত্বে ইয়াবা সুন্দরী লিনা ও আরিফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে এবং মাদক দ্রব্য আইনী মামলায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ে করে। মামলা নং- ১, আজ  বরিশাল আদালতে লিনাকে প্রেরণ করে।

  • রাজশাহীতে আ.লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা নিহত

    রাজশাহীতে আ.লীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা নিহত

    রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) এনামুল হক ও দলের মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। এসময় অাহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।
    শনিবার দুপুরে তাহেরপুরের হরিতলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানান বাগমারা থানার ওসি নাছিম আহমেদ। এ ঘটনায় পুলিশ তিন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আটক করেছে। সংঘর্ষের ঘটনায় আহত দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
    নিহত যুবলীগ নেতার নাম চঞ্চল চন্দ্র। তিনি তাহেরপুর পৌরসভার হলদারপাড়ার নরেন চন্দ্রের ছেলে। চঞ্চল চন্দ্র পৌরসভা যুবলীগের নির্বাহী কমিটির সদস্য। বিকাল সোয়া ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান চঞ্চল। তার পিঠে একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা যায়।
    বাগমারা থানার ওসি নাছিম আহমেদ জানান, বেলা সাড়ে ১০টার দিকে মেয়র আবুল কালাম আজাদের সমর্থকরা জামগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক ও এমপির সমর্থক গুলবার রহমানকে মারপিট করে জখম করে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনার জের ধরে বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তাহেরপুর হরিতলা এলাকায় দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
    তিনি আরও জানান, আহতদের মধ্যে এমপির সমর্থক গুলবার ও কাওসার আলী এবং মেয়রের সমর্থক চঞ্চল চন্দ্রকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবলীগ নেতা চঞ্চল মারা যান। এ ঘটনায় তাহেরপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তাহেরপুর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মাহাবুর রহমান বিপ্লবসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।