Category: ফটো ফিচার

  • ফেসবুকে প্রেম শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন কলেজছাত্র

    ফেসবুকে প্রেম শিক্ষিকাকে বিয়ে করলেন কলেজছাত্র

    নিউজ ডেস্কঃ ভালোবাসা মানে না কোনো বাধা। তার বাস্তব উদাহরণ মামুন (২২) ও খাইরুন নাহার (৪০) দম্পতি। ৬ মাস প্রেমের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তারা। নাটোরের গুরুদাসপুরে তাদের বাড়ি। তবে বর্তমানে তারা নাটোর শহরের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।

    জানা গেছে, গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছা. খাইরুন নাহার। প্রথমে বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। সেখানে তার এক সন্তানও রয়েছে। তবে পারিবারিক কলহে সে সংসার বেশি দিন টিকেনি। তারপর কেটে যায় অনেক দিন। এরই মাঝে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। তিনি নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র
    ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। সপ্তাহ খানেক আগে তাদের বিয়ের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে।

    সাংবাদিক দের এক প্রশ্নের জবাবে খাইরুন নাহার বলেন, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। আত্মহত্যা করারও সিদ্ধান্ত নেই। সে সময় ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুন আমার খারাপ সময় পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছে এবং নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছে। পরে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। বিয়ের পর মামুনের পরিবার মেনে নিলেও আমার পরিবার মেনে নেয়নি।
    তিনি বলেন, ‘সামাজিকভাবে বিভিন্ন মহলে নানা কুৎসিত মন্তব্য থাকলেও সেসব তোয়াক্কা না করে নতুন সংসারে সুখেই দিন কাটাচ্ছি। আজীবন মামুনের সঙ্গে সংসার করে যেতে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চাই।’

    মামুন হোসেন বলেন, ‘মানুষের মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। কে কি বললো সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছি।’

    ধারাবারিষা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, মামুন নাটোরে থেকে এনএস কলেজে পড়ালেখা করে জানি। আজ ফেসবুকে দেখলাম কলেজশিক্ষিকাকে বিয়ে করেছে। শুনেছি ওই মেয়েটাও (খায়রুন নাহার) নাটোরে বাসা নিয়ে থাকে। সেখান থেকেই কলেজ করে। তারা বিয়ে করলেও এতদিন ঘটনা জানাজানি হয়নি।

    খুবজীপুর মোজাম্মেল হক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আবু সাইদ বলেন, ‘খায়রুন নাহার আমার প্রতিষ্ঠানের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। রোববার ফেসবুকের এই খবর দেখে প্রথমে ঘটনা জানলাম। ওই শিক্ষিকা বছর খানেক আগে বলেছিলেন, তিনি নাটোর শহরে বাসা নেবেন। এতটুকুই জানতাম। কলেজে আসলে ওই শিক্ষিকার সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানা যাবে।’

  • জনবিচ্ছিন্ন হয়েও দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে শতভাগ নিশ্চয়তা দিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ

    জনবিচ্ছিন্ন হয়েও দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রে শতভাগ নিশ্চয়তা দিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ

    বরিশাল জেলার মধ্যে সদর-৫ আসনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন। এই আসনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চলছে মনোনয়ন যুদ্ধ। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের একডজন নেতা মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছেন। এর মধ্যে বর্তমান সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজ দলীয় মনোনয়ন পেতে জোর তদবির চালাচ্ছেন। যদিও স্থানীয় নেতা-কর্মী কিংবা জনগনের সাথে তার যোগাযোগ নেই বললেই চলে। তার পরেও তিনি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছেন।
    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, একডজন নেতা মনোনয়নপত্র ক্রয় করলেও ২ জনের বিষয়ে কেন্দ্রে সুপারিশ করছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ। তবে কে মনোনয়ন পাবে তা নির্ভর করছে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার উপর ।
    স্থানীয় আওয়ামী লীগ জানিয়েছে এ আসনে মনোনয়ন সংগ্রহকারীরা হলেন বীর বিক্রম মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, বর্তমান সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর হোসেন, সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট আলতাফ হোসেন ভুলু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, মোরশেদা বেগম লিপি, কর্নেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক শামীম, আমিনুল হক তোতা, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য মশিউর রহমান খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য মোঃ আরিফিন মোল¬া ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা উপ-কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন রিপন।
    সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানের ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে কয়েকটি পত্রিকার পৃষ্ঠপোষকতা ও ব্যানার ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রচারনা চালিয়ে নিজেকে আলোচনার পাত্র করে রেখেছেন আরিফিন মোল্লা। আর দরিদ্রদের জন্য কিছু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় রয়েছেন সালাউদ্দিন রিপন। তবে সুনজরে তাদের দু’জনের মধ্যে কেউ নেই।
    বরিশাল আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ এবং একাধিক ভোটারের সাথে কথা বলে জানা যায় উভয় স্তরেই মনোনয়ন প্রাপ্তির সম্ভাবনার আলোচনায় রয়েছেন বীর বিক্রম মাহবুব উদ্দিন আহমেদ ও বর্তমান সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। রাজনৈতিক মাঠে জনবিচ্ছিন্ন এই সংসদ সদস্য কেন্দ্রে শক্ত অবস্থানে থাকায় মনোনয়ন পেতে পারেন বলে অনেকেই ধারনা করছেন। কিন্তু স্থানীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সাথে তার কোন যোগাযোগ নেই। স্থানীয় অনেকেই তাকে জনবিচ্ছিন্ন সংসদ সদস্যও বলে থাকেন। সাবেক সংসদ সদস্য জনপ্রিয় মেয়র শওকত হোসেন হিরনের সহধর্মিনী হওয়ায় সংসদীয় আসনে ভোটারদের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে না পারলেও হিরনের স্ত্রী হিসেবে বিশেষ করুনা পাবে বলে মতামত ভোটারদের।
    তবে কেন্দ্রে কেন্দ্রে একটি বড় অবস্থান ধরে রেখেছেন বীর বিক্রম মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। যে কারণে অনেকেই তাকে নিয়ে আলোচনায় মশগুল। দলের সব অবস্থায় সাথে থাকায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সফট্কর্নার রয়েছে।
    বীর বিক্রম মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বলেন ১২ জন মনোনয়ন ক্রয় করেছেন। তারা সবাই যোগ্য। তাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাতে পারবো না। বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে জ্ঞানী হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার কাছে সকল তথ্য আছে। তার সিদ্ধান্তই সর্বশ্রেষ্ঠ সিদ্ধান্ত। আমি একচোখা আমার ভালো আমি বলবো। সভানেত্রীর সিদ্ধান্ত আমার পক্ষে আসলে ভালো।
    নির্বাচন নিয়ে মনোনয়ন কেন্দ্রীক প্রাক্ককালীন এই রাজনীতির অবসান হবে দলীয় সভানেত্রীর হাত ধরে। সেই অপেক্ষায় রয়েছেন মনোনয়ন প্রত্যাশি এই ১ডজন নেতা। ১ আসনে ১২জনের মনোনয়ন সংগ্রহ রাজনৈতিক কোন বিভাজন নয় বলে মনে করেন মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল। তিনি জানান আওয়ামীগের যিনি সমর্থক তিনি মনোনয়ন ক্রয় করতে পারেন। কিন্তু কে মনোনয়ন পাবে সেই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর। বরিশাল-৫ আসনে যতজন মনোনয়ন সংগ্রহ করুক আমি মনে করি না এদের মধ্যে কোন বিরোধ রয়েছে। দল যাকে মনোনয়ন দিবে আমরা সবাই তার হয়ে কাজ করবো।
    বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ বলেন আমি শতভাগ নিশ্চিত মনোনয়ন পাবো। এর বেশি কিছু বলতে পারবো না।

  • বরিশাল নগরীতে রাতে বে-রশিক পুলিশের হানা ৫০ প্রেমিক জুটি আটক

    বরিশাল নগরীতে রাতে বে-রশিক পুলিশের হানা ৫০ প্রেমিক জুটি আটক

    প্রাইভেট ও কোচিং এর কথা বলে নগরীর বিভিন্ন নিরিবিলি বিনোদন কেন্দ্রে প্রেম নিবেদনের মুহুর্তে কোতয়ালী পুলিশের বে-রশিক সদস্যরা হানা দিয়ে কমপক্ষে ৫০ জোড়া প্রেমিক জুটি আটক করেছে।

    অভিভাবকদের থানায় ডেকে এনে ভবিষ্যতে ছেলে মেয়েদের খোজ খবর ঠিক মত রাখবে এই শর্তে বন্ড রেখে অভিভাবকদের জিম্মায় রাতেই ছেড়ে দেয়া হয়। নগরীতে বিভিন্ন কোচিং ও প্রাইভেট পড়ার কথা বলে প্রতিদিনই প্রেমিক জুটি মিলিত হয় বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে। তাদের প্রেম নিবেদন চলে অনেক রাত অবদি।

    এতে করে একদিকে আইনশৃঙ্খলার যেমন অবনতি সম্ভবনা থাকে তেমনি সামাজিক অবক্ষয় বেড়ে চলছিলো। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অভিভাবকদের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রেম নিবেদন চালিয়ে যাচ্ছিল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এর মাত্রা বেড়ে যাওয়ার পেছনে নগরীতে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হোস্টেলে থাকা ছেলে মেয়েরাই বেশি দায়ী।

    তবে উঠতি বয়সি শিক্ষার্থীরাও পিছিয়ে ছিলো না প্রেম নিবেদনে। গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, শিশুপার্ক, বেলস্ পার্ক, ত্রিশ গোডাউন, স্বাধীনতা পার্ক, কাঞ্চন পার্কসহ একাধিক স্থানে কোতয়ালী পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালিয়ে স্কুল-কলেজ ও কোচিং ফাঁকি দিয়ে সামাজিক পরিবেশ দূষনের অপরাধে প্রায় ৫০ প্রেমিক জুটিকে আটক করে।

     আটককৃতদের নিয়ে আসার পরে রাতে কোতয়ালী থানায় অভিভাবকদের মিলন মেলার মত সৃষ্টি হয়। এসময় নাম প্রকাশে অনুইচ্ছুক এক অভিভাবক বলে ওঠেন আমার মেয়ের আজ রাতে আক্দ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে যদি এমন সংবাদ তারা পায় তাহলে কি হবে আমার মেয়ের ভাগ্যে আল্লাহই জানে। পরে সেই মেয়ের মুখোমুখি করে তার অভিভাবককে। পুলিশ সদস্যরা জানতে চায় আজ তোমার আক্দ অনুষ্ঠান তুমি কেন বাইরে বেড়িয়েছো। তখন মেয়েটি বলে ওঠে স্যার আমার বয় ফ্রেন্ডের সাথে শেষ বারের মত দেখা করতে এসেছিলাম।

    এমন আর ঘটনার জম্ম দিলো অন্য অভিভাবক মেয়েকে জুতা পেটা করতে চাইলে পুলিশ বাধা প্রদান করে। তবে অনেকের মুখেই ছিলো এমন ঘটনা কেন ঘটায় এর বিচার বাসায় গিয়েই করবো। তবে অভিভাবকদের ভূমিকা পালন করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। কারন পুলিশের এই কাজ করার কথা ছিলো অভিভাবকদের।

    সর্বশেষ কোতয়ালী পুলিশের অফিসার ইনজার্চ নুরুল ইসলাম পিপিএম সকল অভিভাবকদের থানায় আসতে বলেন এবং তাদের সচেতন হওয়ার আহবান জানান। পরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার(এসি) মোঃ রাসেল আহম্মেদ অভিভাবক ও আটক প্রেমিক জুটিদের সামনে নিয়ে অভিভাভকদের আরো সচেতন ও ছেলে মেয়ে কে কোথায় যায় সেদিকে খেয়াল রাখার পরার্মশ দেন।

    তিনি আরো বলেন, এ অভিযান চলমান থাকবে। যাতে করে কোন স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী সন্ধ্যার পরে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া আর বাইরে বের না হয়। তবে অনেক অভিভাবক ধন্যবাদ জানান কোতয়ালী থানা পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের। তাদের কারনে আমরা আমাদের ছেলে মেয়েদের প্রতি আরো নজরদারী করবো।

  • বরিশাল নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিনব কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ!

    বরিশাল নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিনব কৌশলে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ!

    নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে বরিশালের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে অভিনব কায়দায় অতিরিক্ত অর্থ আদায় করার অভিযোগ তোলা হয়েছে নগরীর নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন কোচিংয়ের নামে অথবা বিভিন্ন খাত দেখিয়ে জোড় পূর্বক অগ্রীম অর্থ আদায় করা হচ্ছে। এবার শিক্ষা মন্ত্রানালয় নির্ধারিত শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ফি এর বাইরে অতিরিক্ত ফি কোনক্রমেই নেওয়া যাবে না বলে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। জনপ্রতি বোর্ডের নির্ধারিত ফিঃ ১) মানবিকঃ নিয়মিত- ১৬৩০ টাকা, অনিয়মিত-১৭৩০ টাকা। ২) বিজ্ঞানঃ নিয়মিত-১৭২০ টাকা, অনিয়মিতঃ ১৮২০ টাকা। ৩) ব্যবসায় শিক্ষাঃ নিয়মিত- ১৬৩০ টাকা, অনিয়মিত- ১৭৩০ টাকা। এছাড়া ব্যবহারিক ফি বাবদ ২৫ টাকা আদায় করা যাবে বলা হলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে তার উল্টো চিত্র। বরিশালে বিভিন্ন স্কুলে কোচিংয়ের অযুহাত দিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে স্কুলগুলো, কোন কোন স্কুলে নোটিশ দিয়ে আবার কোথাও নোটিশ ছাড়াই আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত এ অর্থ। নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কোচিংয়ের দোহাই দিয়ে অগ্রিম টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন একাধিক শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন কোচিং ফি বা বিশেষ ক্লাস এর নাম করে মাসিক ফি ১০০০ টাকা করে সর্বোমোট ২০০০ টাকা এবং বোর্ড ফি সহ বিজ্ঞান বিভাগ-৩৭৪৫ টাকা, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা ৩৬৫৫ টাকা ধার্য করা হয়েছে। আর এই টাকা আদায় করা হচ্ছে বোর্ড ফি এর সঙ্গে। কোচিং ফি না দিলে ফর্ম ফিলাপ করতে দিচ্ছে না স্কুল কর্তৃপক্ষ এমনটা জানিয়েছেন অনেকেই। এবং রসিদ চাইলে তা দিতেও নারাজ স্কুল কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা জানায় তাদের দ্বারা জোড়পূর্বক অতিরিক্ত ক্লাস অর্থ্যাৎ কোচিংয়ের জন্য আবেদন করিয়ে কোচিং চালু করা হয়। আইনি বাধা পেরোনোর জন্য এমন অভিনব কৌশল করেছে নূরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় বলে দাবী করেন তারা। অভিভাবকরা এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন প্রতি বছর স্কুল কর্তৃপক্ষ নানা কৌশলে তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করেন, এতে তাদেরকে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাড়তি ফি আদায় নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলেও কোন লাভ হয়নি উক্ত বিদ্যালয়ে। এবিষয়ে জানতে চেয়ে নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন আমরা সরকার নির্ধারিত ফি’র বাইরে কোনো টাকা নিচ্ছি না। কোচিং বা বিশেষ ক্লাসের নামকরে টাকা নেয়া যাবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রানালয়ের নীতিমালায় বলা হয়েছে, দূর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল সময়ের বাইরে বা সময় থাকলে স্কুলের সময়ের মধ্যেই বিশেষ ক্লাস নেয়ার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর মো: ইউনুস জানান, কোন প্রতিষ্ঠান যদি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায় করে এবং অভিযোগ প্রমানিত হয় তবে প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  • শেবাচিম পরিচালকের নির্দেশে, ওয়ার্ড মাস্টার গরুটিকে আটকে রেখে এ কি করলেন !

    শেবাচিম পরিচালকের নির্দেশে, ওয়ার্ড মাস্টার গরুটিকে আটকে রেখে এ কি করলেন !

    শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম আজাদের এ কি অমানবিক কান্ড। একটি গরু হাসপাতাল চত্তরে প্রবেশ করায় রাতভর আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতনে মারা গেলো দরিদ্র স্থানীয় হানিফ ফকির (নয়ন)’র ভরন্ত গাভী গরুটি । এ নিয়ে এলাকায় তোলপার সৃষ্টি হয়েছে।

    নয়ন জানায়, গত ৭দিন পূর্বে মেডিকেল কলেজের চতুর্থ শ্রেনী কর্মচারী নয়নের গাভী গরুটি হাসপাতাল চত্তরে প্রবেশ করে। এ সময় হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম আজাদ গরুটিকে ধরে নিয়ে হাসপাতালের পরিত্যক্ত একটি রুমে রাত ভর আটকে রেখে মারধর করে। নয়ন গরুটি আনার জন্য হাসপাতালে গেলে আবুল কালাম আজাদ পরের দিন গরুটি দেয়। পরে ১৭ নভেম্বর (শনিবার ) দুপুর আড়াইটায় গরুটি মারা যায়।

    ভূক্তভোগী নয়ন আরো জানায় গরুটি ৬ মাসের ভরন্ত ছিলো। পেটে আঘাত করার কারনে মারা গেছে। তিনি আরো বলেন, কিছুদিন আগে গরুটি হাসপাতাল চত্তরে প্রবেশ করলে পরিচালক বাকীর হোসেন স্যার আমাকে কান ধরিয়ে উঠবস করায়। সেই ভয়তে পূনরায় কালামের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবনা। তাছাড়া আমিও মেডিকেল কলেজের একজন সরকারী কর্মচারী।

    এ ব্যাপারে কালামের মোবাইল ফোনে ফোন করলে বিষয়টি অস্বিকার করে বলেন, পরিচালকের নির্দেশে কর্মচারি মামুন গরুটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। এ ব্যাপারে হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মোঃ বাকির হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনার খাস গল্প শুনতে পারবো না। যা বলার অফিসে এসে বলবেন এবং তিনি আরো বলেন গরুটিকে মেরে ফেলেছে ভালো করেছে।

  • ‘এক কন্যার গল্প’

    ‘এক কন্যার গল্প’

    শেখ ‍সুমন:

    ‘হাসিনা : এ ডটার’স টেল’। এই হাসিনা শুধুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নন। তিনি কখনো বঙ্গবন্ধুর কন্যা, কখনো বা কারো বোন, কখনো একজন নেতা, কখনো বা পুরো দেশ তথা ১৬ কোটি মানুষের ‘আপা’। আর এসব পরিচয় ছাড়িয়ে প্রতিফলিত হয় একজন সফল ও সংগ্রামী মানুষের ব্যক্তিসত্তা। ৭০ মিনিটের অসামান্য এই ডকুড্রামা তথা তথ্যচিত্রটি মুক্তি পাওয়ার পরপরই সাড়া ফেলে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে ফিল্মটির প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শুক্রবার রাজধানী ঢাকার তিনটি ও চট্টগ্রামের একটি সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে। ৭০ মিনিটের তথ্যচিত্রে উঠে এসেছে শেখ হাসিনার সাধারণ জীবনের অসাধারণ কিছু মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও তাঁর পরিবারের সদস্যরা এসেছেন তথ্যচিত্রে।

    সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) পাঁচ বছরে নির্মাণ করেছে ‘হাসিনা : এ ডটারস টেল’ ডকুফিল্ম। সিআরআইয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার স্টার সিনেপ্লেক্সে সকাল ১১.৩০টা, দুপুর ১টা, বিকেল ৪.৫০টা, সন্ধ্যা ৬.৩০টা আর রাত ৮.১০টায় ফিল্মটি দেখানো হয়। আজ শনিবারও একই সময় সিনেমাটি দেখানো হবে। যমুনা ব্লকবাস্টারে রবিবার ক্লাব রয়ালে বিকেল ৩টায় কূটনীতিকদের জন্য একটি শো হবে। এখানে রাত ৮.০৫টায় দ্বিতীয় শো হবে সাধারণ দর্শকদের জন্য। এ ছাড়া অন্যান্য দিন বিকেল ৫টা ও সন্ধ্যা ৭.১৫টায় ক্লাব রয়ালে দেখানো হবে এই শো। ঢাকার মধুমিতা সিনেমা হলে শুক্রবার মোট চারটি শো দেখানো হয়। অন্যান্য দিন এখানে সকাল ১১টা, বিকেল ৩টা ও সন্ধ্যা ৬.৪৫টায় তিনটি শো দেখানো হবে। চট্টগ্রামের সিলভার স্ক্রিনে থিয়েটার প্লাটিনামে প্রতিদিন সকাল ১১টা আর থিয়েটার টাইটানিয়ামে মুভিটি প্রতিদিন রাত ৯টায় দেখা যাবে।

    অসামান্য এই তথ্যচিত্রে শেখ হাসিনা কখনো মেয়ে, কখনো মা, কখনো বোন, আবার কখনো আমজনতার নেত্রী। ভাষা আন্দোলনের সংগ্রামী দিনগুলোতে ঢাকায় এসে পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে তিনি দেখেছেন সংগ্রামে আর জেলে। নতুন দেশ গঠনের পর আশপাশের মানুষদের ষড়যন্ত্রে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শহীদ হন বঙ্গবন্ধু। দৈবক্রমে বেঁচে যাওয়া তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা মুখোমুখি হন এক কঠিন বাস্তবতার। পিতা-মাতা কেউ বেঁচে নেই, তবু দুই কন্যা এগিয়ে যাচ্ছেন; ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে পিতার দেখানো পথে অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করছেন।

    সব কিছু হারিয়ে এক সফল সংগ্রামের নায়ক, মানবিক ও স্বরূপে উঠে আসা শেখ হাসিনা তরুণ প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবেন এমন মন্তব্য দর্শকদের। দর্শকরা বলছে, একজন রাষ্ট্র পরিচালক পরিচয়ের পাশাপাশি ব্যক্তি জীবনের নানা অজানা তথ্যে পরিপূর্ণতা পেয়েছে ফিল্মের শেখ হাসিনা চরিত্রটি।

    পরিচালক পিপলু খান ৭০ মিনিট দীর্ঘ এই ফিল্মটি নির্মাণ করতে সময় নিয়েছেন পাঁচ বছর। সংগীতায়োজন করেন দেবজ্যোতি মিস্ত্র, সিমোটোগ্রাফিতে ছিলেন সাদিক আহমেদ ও সম্পাদনা করেন নবনিতা সেন। সিনেমাটির প্রযোজক সিআরআই ট্রাস্টি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ও নসরুল হামিদ বিপু।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফিল্মটির প্রিমিয়ারে স্টার সিনেপ্লেক্সে সমবেত হয়েছিলেন রাজনীতি, অর্থনীতি, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা। পৌনে ৭টায় শীর্ষ দেশের গণ্যমান্য ও বিশিষ্টজনদের প্রথমে দেখানো হয় ফিল্মটি। এরপর রাত ৯টায় চলচ্চিত্র অঙ্গনের শিল্পী, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। গতকাল শুক্রবার বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স, যমুনা ফিউচার পার্কের ব্লকবাস্টার ও মতিঝিলের মধুমিতা ও চট্টগ্রামের সিলবার স্ক্রিনেও প্রদর্শিত হয়। প্রতিটি হলেই ছিল দর্শকদের উপচে পড়া ভিড়।

    ফিল্মটির শুরুতে আন্দোলন সংগ্রামের বাইরে পরিবারের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর সময় কাটানো ও জেলে থাকা পরিস্থিতির চিত্রায়ণ করা হয়েছে। ভাষা আন্দোলন চলার সময় তিন মাল্লার নৌকায় করে ঢাকায় আসে বঙ্গবন্ধুর পরিবার। স্বাধীনতা আনতে গিয়ে নানা সংগ্রামের মধ্যে পড়েন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়। স্বামীর সঙ্গে বেলজিয়ামে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা, সঙ্গে ছিলেন ছোট বোন শেখ রেহানাও। বিদেশে থাকার সুবাদেই বেঁচে যান দুই বোন। পিতাকে হত্যার পরই তাঁদের জীবনে নেমে আসে কঠিন বাস্তবতা। বেলজিয়ামেও থাকার সুযোগ হয়নি। জার্মানিতে আশ্রয় হওয়ার কথা চললেও ভারতে আশ্রয় নেন দুই বোন। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আওয়ামী লীগের হাল ধরেন শেখ হাসিনা। ঘাত-প্রতিঘাতে এগিয়ে চলা সেই শেখ হাসিনা এখন একজন সফল রাষ্ট্রপ্রধান।

    ফিল্মটিতে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনের পর বিরোধীদের ষড়যন্ত্র, বঙ্গবন্ধুর দেশে ফিরে আসা ও পরিবারের সদস্যদের অপেক্ষা, ’৭৫ সালে পরিবারের সবাইকে হত্যা, বেলজিয়ামে দুই বোনের নিঃস্বতা, ভারতে আশ্রয় ও নাম পরিবর্তন করে ঘরে অবস্থান, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার দেশে ফেরা, পিতা হত্যার বিচার চাওয়া, ’৯৬ সালের নির্বাচনে সরকার গঠন করে পিতৃ হত্যার বিচারে অডিন্যান্স বাতিল ও মামলা এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনার বেঁচে যাওয়ার অসাধারণ সব ঘটনা স্থান পেয়েছে ডকুড্রামায়। চলচ্চিত্রে দেখা যায়, পিতা-মাতা ও পরিবারের সদস্যদের হারালেও দুই বোনের একজন শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করে দেশ ও জনগণের সেবা করছেন, আর সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ছোট বোন শেখ রেহানা। দুই বোনের বর্ণনায় উঠে এসেছে তাঁদের জীবনের বেদনাবিধুর কাহিনি। ধরা পড়েছে জন্মস্থানের প্রতি শেখ হাসিনার অসামান্য টানও। ফিল্মের এক স্থানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘টুঙ্গিপাড়া আসলে আমার খুবই ভালো লাগে। মনে হয় আমি আমার মায়ের কাছে, মাটির কাছে ফিরে এসেছি। আমার তো মনে হয়, পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর জায়গা টুঙ্গিপাড়া।’

    গতকাল সকাল ১১টায় বসুন্ধরা সিটিতে দিনের প্রথম শো অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে দর্শকরা হলে ঢোকে। এক ঘণ্টা ১০ মিনিট দীর্ঘ ফিল্ম। এর পরও দেখতে কোনো ক্লান্তি বা বিরক্তি ছিল না। পিনপতন নীরবতার মধ্য দিয়ে দর্শকরা উপভোগ করেছে। বাঙালির ইতিহাসের অনেক বড় বড় ঘটনার দৃশ্যায়ন থাকায় অধীর আগ্রহে দেখেছে দর্শকরা।

    বৃহস্পতিবার ফিল্মটির প্রথম দর্শনের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবুল মুহিত বলেন, ‘অসাধারণ একটি মুভি। কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই নয়, একজন মানুষের জীবনের নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৮৪ সাল থেকেই দেখছি। জানার তো শেষ নেই। নতুন অনেক কিছুই জানলাম।’ তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, ‘প্রত্যেকের উচিত এটা দেখা, একজন মা কিভাবে ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছেন।

    প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘এটি তরুণ প্রজন্মের কাছে সংগ্রামী জীবনের অনুপ্রেরণা হিসেবে থাকবে। এটার মাধ্যমে তাঁর সংগ্রামীজীবন, ব্যক্তিজীবনের নানা লড়াই উঠে এসেছে, যা আগামী প্রজন্মকে সাহস ও অনুপ্রেরণা জোগাবে।’ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রের সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের অন্যতম উদাহরণ এ চলচ্চিত্রটি। এতে শেখ হাসিনার ব্যক্তিসত্তার সঙ্গে যেমন পরিচিত হয়েছি, তেমনি দেখেছি তাঁর অনুপ্রেরণা হিসেবে শেখ রেহানাকে। এর গল্প অত্যন্ত প্রাঞ্জল, অত্যন্ত সাবলীল।

    ত্বোয়াহা ফারুকী নামে এক দর্শক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডকো-ফিকশনধর্মী এই ফিল্মটিতে অনেকগুলো ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। যেগুলো নিয়ে একেকটা মুভি হওয়ার উপাদান রয়েছে। পাশাপাশি ইতিহাসের অনেক বড় ঘটনার বর্ণনা রয়েছে, যেগুলো অনেকেরই অজানা। কাজেই দীর্ঘসময় হলেও কোনো বিরক্তি ছিল না। পিনপতন নীরবতার মধ্য দিয়ে সবাই উপভোগ করেছেন। শেখ হাসিনার জীবনে নানা প্রতিকূলতা ও ভাঙা-গড়ার উদাহরণ রয়েছে। শেখ হাসিনার জীবনী নিয়ে একটা বড় সিনেমাও হতে পারে।’

  • স্বর্ণের চেইন, লেপ-তোশক নিয়ে রিকশাচালকের বাড়িতে পুলিশ সুপার

    স্বর্ণের চেইন, লেপ-তোশক নিয়ে রিকশাচালকের বাড়িতে পুলিশ সুপার

    স্বর্ণের চেইন, লেপ-তোশক নিয়ে সেই রিকশাচালক আবুল কালামের বাড়িতে হাজির হলেন ফেনীর পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

    রিকশাচালক আবুল কালামের মেয়ের বিয়েতে উপস্থিত থেকে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে কনে জাহেদাকে স্বামীর হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে সোনাগাজী উপজেলার চরচান্দিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ সুপারকে মেয়ের বিয়েতে দেখে কেঁদে ফেলেন রিকশাচালক আবুল কালাম।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, আবুল কালামের বড় মেয়ে বিবি জাহেদার বিয়ের দিন ঠিক হয় বৃহস্পতিবার। বুধবার ছিল গায়ে হলুদ। মেয়ের বিয়ের জন্য মানুষের কাছে হাত পেতে ৪০ হাজার টাকা সংগ্রহ করেন পিতা। বুধবার সকালে বিয়ের বাজার করতে গিয়ে ১০ হাজার টাকা দিয়ে একটি স্বর্ণের চেইন ও আসবাবপত্র কিনেন। দুপুরে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার হোনারবাপের দোকানের সামনে পৌঁছালে তিন যুবক কৌশলে স্বর্ণের চেইন, আসবাবপত্রসহ বাকি টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। পরে খালি হাতে কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফেরেন তিনি। বাড়ি গিয়ে বিষয়টি জানালে সবাই কালামকে বকাঝকা করেন। পরিবারের সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।

    খবরটি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকারের নজরে পড়ে। তাৎক্ষণিক ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বর্ণের চেইন, লেপ-তোশক নিয়ে রিকশাচালক আবুল কালামের বাড়ি হাজির হন পুলিশ সুপার এসএম জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

    এ সময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন বলেন, চুরির ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বর্ণের চেইন, লেপ-তোশক নিয়ে রিকশাচালক আবুল কালামের বাড়ি যান পুলিশ সুপার। রিকশাচালকের মেয়ের বিয়ের যাবতীয় খরচ বহন করেন পুলিশ সুপার।

  • প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ : ১৯ লাখ আবেদন

    প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ : ১৯ লাখ আবেদন

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সঙ্কট নিরসনে নতুন করে আরও ১২ হাজার ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ দেয়া হবে। গত ৩০ আগস্ট অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। এসব পদের বিপরীতে সারা দেশে প্রায় ১৯ লাখ প্রার্থীর আবেদন জমা পড়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে।

    এ বিষয়ে ডিপিই মহাপরিচালক আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল জাগো নিউজকে বলেন, সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শেষ হয়েছে। টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে আবেদন কার্যক্রম পরিচালিত হয়। গত ১ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত এ আবেদন প্রক্রিয়া চলে।

    মহাপরিচালক আবু হেনা বলেন, ১২ হাজার সরকারী শিক্ষক নেয়া হলেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনেকের আগ্রহ থাকায় সারা দেশে ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৯২৭ আবেদন জমা পড়ে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে লিখিত পরীক্ষার সময় ঘোষণা করা হবে। এ সময়ের মধ্যে প্রার্থীদের প্রবেশপত্র ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজ শেষ করা হবে। ডিপিই ওয়েবসাইটে dpe.teletalk.com.bdপ্রবেশপত্র ও যাবতীয় নির্দেশনা দেয়া হবে।

    জানা গেছে, দেশের ৬৩ জেলার সরকারি বিদ্যালয়ে ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগে গত ৩০ জুলাই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ডিপিই। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চাকরিবিধি অনুযায়ী আবেদনের ক্ষেত্রে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এতে পুরুষদের জন্য স্নাতক বা সমমানের দ্বিতীয়/বিভাগ বা শ্রেণিতে পাস থাকতে হবে। আর নারীদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম দ্বিতীয়/বিভাগ/সমমানে পাস হতে হবে।

    ডিপিই সূত্র জানায়, বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬৪ হাজার ৮২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক শূন্য রয়েছে। এ কারণে নতুন করে রাজস্বখাতভুক্ত আরও ১২ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুরনো নিয়োগ বিধিমালা অনুসরণ করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে নারী আবেদনকারীদের ৬০ শতাংশ কোটায় এইচএসসি বা সমমান পাস এবং পুরুষের জন্য ৪০ শতাংশ কোটায় স্নাতক বা সমমান পাস রাখা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় আসন প্রতি তিনজনকে (একজন পুরুষ ও দুইজন নারী) নির্বাচন করা হবে।

    ডিপিই’র নিয়োগ শাখার এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৪ সালের স্থগিত নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। বর্তমানে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের অপেক্ষায় রয়েছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ ফল প্রকাশ হতে পারে।

  • ভালবাসার রাখি পরালেন সাদিক আব্দুল্লাহর হাতে

    ভালবাসার রাখি পরালেন সাদিক আব্দুল্লাহর হাতে

    শেখ সুমন:

    জীবনান্দ দাসকে খুজতে ভারতের দীঘা থেকে সাইকেল চালিয়ে বরিশালে পৌছেছেন কৃষ্ণেন্দু রেরা।

    এসময় তিনি বরিশাল সিটিকর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।

    এবং সাদিক আব্দুল্লাহ সহ তার পুত্রদের হাতে ভালবাসার  রাখি পরিয়ে দেন ।

  • হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

    হেলিকপ্টারে পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

    ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাতবার্ষিকীতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখান থেকে ঢাকা ফিরছিলেন। পথে তিনি স্বপ্নের পদ্মা সেতুর অগ্রগতি দেখেন। এ সময় তার মুখাবয়বে ফুটে ওঠে আত্মবিশ্বাসের ছাপ। আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।
    হেলিকপ্টারে বসা প্রধানমন্ত্রীর ওই ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ইলিয়াস রাসেল। আর ছবিটি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেন ফটো সাংবাদিক ইয়াসিন কবির জয়।
    তিনি ফেসবুকে লিখেন, বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু। দেশি-বিদেশি কুচক্রী মহলের হাজারো কূটপরিকল্পনা পায়ে দ’লে ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে স্বপ্নের এই সেতু। যেন প্রমত্তা পদ্মায় মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে দুরন্ত এক বাংলাদেশ। আর তাই দেখে আবেগে আপ্লুত বঙ্গবন্ধুকন্যা।
    উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জাজিরা প্রান্তের ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যানটি বসানো হয়। এরপর চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি ৩৮ ও ৩৯ নম্বর পিয়ারে বসে দ্বিতীয় স্প্যান।
    ১১ মার্চ ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিয়ারের ওপর তৃতীয় স্প্যান স্থাপন করা হয়। সবশেষে ১৩ মে ৪০ ও ৪১ নম্বর খুঁটির ওপর চতুর্থ স্প্যান বসানো হয়।