Category: ফুটবল

  • ম্যানইউতেই চুক্তির মেয়াদ বাড়াবেন রোনালদো

    ম্যানইউতেই চুক্তির মেয়াদ বাড়াবেন রোনালদো

    স্পোর্টস ডেস্কঃ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে যাওয়ার ইচ্ছা এবং অন্য ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগের খবর চাউর হওয়ার মধ্যেই নতুন তথ্য জানালেন ম্যানইউ কোচ এরিক টেন হাগ। তিনি জানিয়েছেন, রোনালদো শুধু ম্যানইউতে থাকাই নয়, চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোরও অপেক্ষায় রয়েছেন।

    ম্যানইউ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে না, এ কারণে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও ম্যানইউতে থাকতে চান না। ক্লাব ছাড়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যানইউ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু এরই মধ্যে কোচ এরিক টেন হাগ সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, রোনালদোকে ছাড়বেন না তারা।

    ম্যানইউ কোচ জানিয়েছেন, তার আগামী মৌসুমের পরিকল্পনায় রয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী এই উইঙ্গার। যখন তার কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, রোনালদো ক্লাবে থাকতে রাজি কি না। টেন হাগ বলেন, ‘এটা একটা সম্ভাবনা। বিশেষভাবে, সে আসলে একটা চাপের মধ্যে রয়েছে। তাৎক্ষণিক সাফল্য পাওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে।’

    ম্যানইউ কোচ আরও বলেন, ‘আমি ভালোভাবেই জানি যে, তার কাছে একটা অপশন হিসেবে রয়েছে (ম্যানইউর সঙ্গে ২০২৪ পর্যন্ত চুক্তি বাড়ানো), কিংবা হয়তো না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমি এখান নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছি তিন বছরের জন্য। ফুটবলে এটা খুবই নগন্য একটি সময়। আমাদেরকে প্রথম থেকেই জয়ের ধারায় থাকতে হবে। সুতরাং, আমি অনেক আগে থেকে কিছু দেখতে চাই না। আমার একটা পরিকল্পনা রয়েছে; এটা হচ্ছে একটা প্রসেস। এই প্রসেস বাস্তবায়ন হতে সময় লাগবে। একেবারে শেষ মুহূর্তে আমরা আমাদের জয়ী দল হিসেবে দেখতে চাই।’

    টেন হাগ দায়িত্ব নেয়ার পর দল নিয়ে এখন সফর করছেন থাইল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায়। প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি পর্বে টেন হাগের দলে নেই রোনালদো। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই সফর থেকে বিরত রয়েছেন।

    টেন হাগ জানেন না কখন রোনালদো তার কাছে এসে রিপোর্ট করবেন এবং ম্যানইউর হয়ে অনুশীলন শুরু করবেন। তবে, তিনি আশাবাদী সিআর সেভেনকে ৭ আগস্ট ব্রাইটনের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দলের সঙ্গে পাবেন।

  • ৫২০ কোটি টাকায় রোনালদোর দলে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার

    ৫২০ কোটি টাকায় রোনালদোর দলে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার

    আয়াক্স থেকে আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে দলে ভেড়াচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বিখ্যাত ইতালিয়ান ক্রীড়া সাংবাদিক এবং ট্রান্সফার বিশেষজ্ঞ ফ্যাবরিজিও রোমেনো এক টুইটে নিশ্চিত করেছেন এই খবর।

    রোমেনো জানিয়েছেন, ৫৫ মিলিয়ন ইউরোতে (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫২০ কোটি টাকা) আয়াক্স থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দিতে সম্মত হয়েছেন মার্টিনেজ। ২০২৭ সাল পর্যন্ত তার সঙ্গে চুক্তি হচ্ছে ইউনাইটেডের।

    ২০১৭ থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেওয়ার আগ পর্যন্ত আয়াক্সেই ছিলেন এরিক টেন হাগ। ইউনাইটেডের দায়িত্ব নেওয়া এই কোচই যে লিসান্দ্রো মার্টিনেজকে দলে ভেড়াতে ক্লাবকে রাজি করিয়েছেন, বোঝাই যাচ্ছে।

    এর আগে মার্টিনেজ নিজেও বলেছিলেন, তিনি প্রিমিয়ার লিগে সাবেক কোচ এরিক টেন হাগের সঙ্গে যোগ দিতে আগ্রহী। আরেক ইংলিশ ক্লাব আর্সেনালও তাকে চেয়েছিল, কিন্তু মার্টিনেজের পছন্দ ছিল ইউনাইটেডই।

    শুরুতে মার্টিনেজের জন্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ ৪৫ মিলিয়ন ইউরো প্রস্তাব করেছিল ইউনাইটেড। কিন্তু আয়াক্স তাতে রাজি হয়নি। শেষ পর্যন্ত আরও ১০ মিলিয়ন বাড়িয়ে চুক্তি করেছে রেড ডেভিলরা। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার অপেক্ষা।

  • রক্তাক্ত রোনালদো মেজাজ হারিয়ে ভাঙলেন ভক্তের মোবাইল

    রক্তাক্ত রোনালদো মেজাজ হারিয়ে ভাঙলেন ভক্তের মোবাইল

    সেরা চারে থাকতে হলে এভার্টনের বিপক্ষে জয়ই ছিল সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কিন্তু এমন ম্যাচেই কি না ১-০ গোলে হেরে বসে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড! পুরো ম্যাচে একের পর এক চেষ্টা করে গেছেন রোনালদোরা, কিন্তু গোলের দেখাটাই পেলেন না তারা।

    উল্টো ম্যাচ শেষে দেখা গেলো রক্তাক্ত রোনালদো। ম্যাচে শেষে রোনালদো যখন তার পায়ের গার্ড খোলেন, তখন দেখতে পান, সেখানে আঘাতের চিহ্নের সঙ্গে রক্ত মাখামাখি হয়ে আছে। পরাজয়ের কারণে তার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পা থেকেও রক্তক্ষরণ হচ্ছিল সিআর সেভেনের।

    একে তো হারের কারণে মেজাজ হারিয়ে বসে আছেন, তারওপর পা রক্তাক্ত। মাঠ থেকে বের হওয়ার পথে দেখা যায় তাকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে। এ সময় একটি অনাকাংখিত ঘটনাও ঘটিয়ে বসেন রোনালদো। মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় টানেলের মুখে এক তরুণ ভক্তের মোবাইল আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে দেন তিনি।

    এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার শিকার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। শেষমেষ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এ ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি। সেই ভক্তের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। তবে ম্যানইউ বলছে, তারা এই ঘটনার তদন্ত করে দেখবে।

    গোডিসন পার্কে এভার্টনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর টানেল থেকে বের হওয়ার সময় রোনালদোর ভক্তের হাত থেকে মোবাইল আছাড়া ফেলে দেয়ার ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ৩৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার ভক্তের হাতে থাকা মোবাইলকে আছাড়া মেরে নিচে ফেলে দেন।

    পরে ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক পোস্টে রোনালদো বলেন, ‘কঠিন সময়ে মেজাজ ঠিক রাখা সত্যিই খুব কঠিন। এই কঠিন মুহূর্তটারই আমরা মুখোমুখি হয়েছি। তবুও আমাদের সব সময়ই সম্মানজনক আচরণ করতে হবে। ধৈর্য্য ধরতে হবে। একই সঙ্গে সকল তরুণদের জন্যই আমাদেরকে উদাহরণ সৃষ্টি করতে হবে, যারা এই সুন্দর খেলাটাকে পছন্দ করেন।’

    ‘আমি এই বাজে ঘটনায় ক্ষমাপ্রার্থনা করতে চাই এবং যদি সম্ভব হয়, আমি চাই এই সমর্থককে আমন্ত্রণ জানাতে। ফেয়ার প্লে এবং স্পোর্টসম্যানশিপ দেখাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তাকে একটি ম্যাচ দেখাতে চাই আমি।’

    ১৪ বছর বয়সী সেই ফুটবল সমর্থকের নাম জ্যাক হার্ডিং। তার মা সারাহ কেলি মিডিয়াকে বলেন, ‘খেলা শেষ হওয়ার পর ম্যানইউ ফুটবলাররা যখন মাঠ ছেড়ে যাচ্ছিল, তখন আমার ছেলে তাদের ভিডিও করছিল। প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ভিডিও করছিলো, এ সময় রোনালদো পার হচ্ছিল। আমার ছেলেও অনেকটা ঝুঁকে গিয়ে ভিডিও করছিল। কারণ, ওই সময় রোনালদো নিচের দিকে ঝুঁকে গিয়ে নিজের মোজার গার্ড হাতে নিয়ে হাঁটতে শুরু করেন। ওই সময় দেখা যায় তার পা রক্তাক্ত। আমার ছেলে সেটাকেই ভিডিও করার চেষ্টা করছিল। সে কোনো কথাই কিন্তু বলেনি। রোনালদো দ্রুত হেঁটে যাচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ করেই মেজাজ গরম করে ফেলেন এবং মোবাইলটাকে আছাড় মেরে ফেলে দেন আমার ছেলের হাত থেকে।’

  • বিশ্বকাপ শেষ ইতালির

    বিশ্বকাপ শেষ ইতালির

    বাছাই পর্বেই শেষ হয়ে গেল ইউরো চ‍্যাম্পিয়নদের কাতার ২০২২ বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টানা দুই আসরে খেলা হবে না ইতালির।

    প্লে-অফ সেমি-ফাইনালে বৃহস্পতিবার শেষ মুহূর্তে গোল খেয়ে নর্থ মেসিডোনিয়ার কাছে ১-০ ব্যবধানে হেরেছে ইতালি। ফলে ঘরের মাঠ থেকেই বিদায় হয়ে গেছে তাদের।

  • ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ জয়ে কোয়ার্টারে বার্সেলোনা

    ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ জয়ে কোয়ার্টারে বার্সেলোনা

    তুরস্কের ক্লাব গ্যালাতাসারাইয়ের ঘরের মাঠ যেকোনো দলের জন্য এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। ম্যাচের আগে কিংবা ম্যাচ চলাকালীন মাঠে রীতিমতো ভৌতিক পরিবেশ সৃষ্টি করে রাখেন গ্যালাতাসারাই দর্শকরা। এর মধ্য থেকেই জিতে আসতে হয় সফরকারী দলগুলোকে। যা এবার করে দেখালো বার্সেলোনা।

    বৃহস্পতিবার উয়েফা ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে গ্যালাতাসারাইয়ের মাঠ থেকে ২-১ গোলে জিতেছে জাভি হার্নান্দেজের শিষ্যরা। দুই লেগ মিলে ২-১ গোলে অগ্রগামিতায় কোয়ার্টারের টিকিট পেয়েছে তারা। বার্সার মাঠে প্রথম লেগের ম্যাচটি হয়েছিল গোলশূন্য ড্র।

    গ্যালাতাসারাইয়ের মাঠে আধিপত্য বিস্তার করেই খেলেছে বার্সেলোনা। পুরো ম্যাচে প্রায় ৭০ শতাংশ সময় বলের দখল রেখে গোলের জন্য ১৯টি শট করে তারা। যার মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্য বরাবর। অন্যদিকে ৯টি শট করে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে স্বাগতিক ক্লাবটি।

    অবশ্য প্রথম গোলটি করে স্বাগতিকরাই। ম্যাচের ২৮ মিনিটের মাথায় দলকে এগিয়ে দেন মার্কাও নসিমেন্তো টেক্সেইরা। তবে সমতা ফেরাতে সময় নেয়নি বার্সেলোনা। গোল হজমের ৯ মিনিটের মধ্যেই দলের পক্ষে প্রথম গোলটি করেন বার্সেলোনার ওয়ান্ডার বয় পেদ্রি রদ্রিগেজ।

    পরে দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে মাত্র ৪ মিনিটের মধ্যেই পিয়েরে এমেরিক আবেমেয়াং গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ডি-বক্সের বাইরে থেকে প্রথম শট নেন সার্জিও বুসকেটস, ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক। প্রতিহত হয় পেদ্রির প্রচেষ্টাও। তবে ডি ইয়ংয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে আবেমেয়াং খুঁজে নেন জালের ঠিকানা। যা নিশ্চিত করে বার্সার জয়।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় হবে ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ড্র। বার্সেলোনা ছাড়াও শেষ আটে ওঠা অন্য দলগুলো হলো আটলান্টা, রেঞ্জার্স, ব্রাগা, ফ্রাংকফুট, ওয়েস্ট হ্যাম ও অলিম্পিক লিওন।

  • সহজ জয়ের ম্যাচে ২ হাজারি ক্লাবে লিভারপুল

    সহজ জয়ের ম্যাচে ২ হাজারি ক্লাবে লিভারপুল

    একের পর এক আক্রমণের সুফল মিললো দুই অর্ধেই। একটি করে গোল দিয়ে ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়লো লিভারপুল। ব্রাইটনের বিপক্ষে এ জয়ের ম্যাচে প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে ২ হাজার গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছে অলরেডরা।

    শনিবার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে প্রতিপক্ষের মাঠে খেলতে নেমেছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। বল দখলের লড়াইয়ে স্বাগতিকরা এগিয়ে থাকলেও, গোটা ম্যাচে আক্রমণের আধিপত্য ছিল মোহামেদ সালাহ, সাদিও মানেদেরই।

    ম্যাচের ১৯ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠের কাছাকাছি থেকে লম্বা ক্রস দেন জোয়েল ম্যাটিপ। সেটিতে মাথা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে দেন লুইস ডিয়াজ। এরপর প্রথমার্ধে আর তেমন জোরালো আক্রমণ সাজাতে পারেনি লিভারপুল। ফলে স্কোরলাইন থেকে ১-০’ই।

    দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া দেখা যায় ক্লপের শিষ্যদের। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে ব্যর্থ হল সালাহর প্রচেষ্টা। তবে তিন মিনিট পর ব্রাইটন ডিফেন্ডারের হ্যান্ডবল হলে পেনাল্টি পায় লিভারপুল। স্পট কিক থেকে দলের সহজ জয় নিশ্চিত করেন সালাহ।

    এটি ছিল প্রিমিয়ার লিগে লিভারপুলের ২ হাজারতম গোল। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পর দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে ২ হাজার গোল করলো তারা। পাশাপাশি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির পর লিগে টানা ৮টি ম্যাচ জিতলো তারা।

    এ জয়ের পর ২৮ ম্যাচে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে লিভারপুল। সমান ম্যাচে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাইটন আছে ১৩ নম্বরে। শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সংগ্রহ ২৮ ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট।

  • রোনালদোর হ্যাটট্রিকে ইউনাইটেডের রোমাঞ্চকর জয়

    রোনালদোর হ্যাটট্রিকে ইউনাইটেডের রোমাঞ্চকর জয়

    শনিবার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে টটেনহ্যামের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোনালদো একাই করেছেন ইউনাইটেডের গোল তিনটি। যার সুবাদে ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন তিনি।

    আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে রোনালদোর জোড়া গোলে দুইবার পিছিয়ে পড়ে দুইবারই সমতায় ফিরেছিল টটেনহ্যাম। তবে ম্যাচের ৮১ মিনিটে গিয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণের পাশাপাশি দলের জয়ও নিশ্চিত করেন পর্তুগিজ সুপারস্টার।

    ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া বুলেট শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন রোনালদো। প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩৮ মিনিটে করেন দ্বিতীয় গোল। জেডন সানচোর পাস থেকে দলকে ফের এগিয়ে দেন তিনি।

    রোনালদোর এ দুই গোলের মাঝে ৩৫ মিনিটের সময় নিজেদের ডি-বক্সে হ্যান্ডবল করে বসেন ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার অ্যালেক্স তেলেস। ফলে পেনাল্টি পেয়ে যায় টটেনহ্যাম। সহজ সুযোগ পেয়ে স্কোরলাইন ১-১ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

    পরে আবারও নিজেদের ভুলে স্কোরলাইন ২-২ হতে দেখে রেড ডেভিলরা। এবার ম্যাচের ৭২তম মিনিটে হ্যারি মাগুইরের আত্মঘাতী গোলে দ্বিতীয়বারের মতো সমতায় ফেরে টটেনহ্যাম। সার্জিও রেগুইলনের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ইউনাইটেড ডিফেন্ডার।

    তবে দলকে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে দেননি রোনালদো। ম্যাচের ৮১ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে হেড করে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। পাশাপাশি প্রিমিয়ার লিগে টেডি শেরিংহামের পর দ্বিতীয় বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েন।

    এই হ্যাটট্রিকের পর ক্লাব ও আন্তর্জাতিক মিলে রোনালদোর গোলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০৭-এ। যার ফলে আনঅফিসিয়াল হিসেবে ৮০৫ গোল নিয়ে শীর্ষে থাকা জোসেফ বিকানকেও ছাড়িয়ে গেলেন তিনি। এখন তার সামনে নেই আর কেউ।

    রোনালদোর এই উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের দিন ইউনাইটেড পেয়েছে প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের ঘরের মাঠে ৪০০তম জয়। আর কোনো দল এখনও পর্যন্ত ঘরের মাঠে ৪০০ ম্যাচ জিততে পারেনি। এর মধ্যে ২৩টি ম্যাচ তারা জিতেছে টটেনহ্যামের বিপক্ষে।

    এ জয়ের পর ২৯ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে অবস্থান করছে ইউনাইটেড। দুই ম্যাচ কম খেলে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে রয়েছে টটেনহ্যাম। শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সংগ্রহ ২৮ ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট।

    চলতি বছরের শুরু থেকেই ঠিক নিজের চেনা ছন্দে ছিলেন না ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মনে হচ্ছিল বয়সের ছাপ পড়তে শুরু করছে মাঠের পারফরম্যান্সে। কিন্তু তিনি যে অদম্য, অনন্য- তার প্রমাণ দিলেন আরও একবার। করলেন অসাধারণ এক হ্যাটট্রিক।

    শনিবার রাতে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচে টটেনহ্যামের বিপক্ষে ৩-২ গোলের জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। রোনালদো একাই করেছেন ইউনাইটেডের গোল তিনটি। যার সুবাদে ফুটবল ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন তিনি।

    আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে রোনালদোর জোড়া গোলে দুইবার পিছিয়ে পড়ে দুইবারই সমতায় ফিরেছিল টটেনহ্যাম। তবে ম্যাচের ৮১ মিনিটে গিয়ে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণের পাশাপাশি দলের জয়ও নিশ্চিত করেন পর্তুগিজ সুপারস্টার।

    ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া বুলেট শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন রোনালদো। প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩৮ মিনিটে করেন দ্বিতীয় গোল। জেডন সানচোর পাস থেকে দলকে ফের এগিয়ে দেন তিনি।

    রোনালদোর এ দুই গোলের মাঝে ৩৫ মিনিটের সময় নিজেদের ডি-বক্সে হ্যান্ডবল করে বসেন ইউনাইটেডের ডিফেন্ডার অ্যালেক্স তেলেস। ফলে পেনাল্টি পেয়ে যায় টটেনহ্যাম। সহজ সুযোগ পেয়ে স্কোরলাইন ১-১ করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

    পরে আবারও নিজেদের ভুলে স্কোরলাইন ২-২ হতে দেখে রেড ডেভিলরা। এবার ম্যাচের ৭২তম মিনিটে হ্যারি মাগুইরের আত্মঘাতী গোলে দ্বিতীয়বারের মতো সমতায় ফেরে টটেনহ্যাম। সার্জিও রেগুইলনের ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ইউনাইটেড ডিফেন্ডার।

    তবে দলকে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে দেননি রোনালদো। ম্যাচের ৮১ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে হেড করে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। পাশাপাশি প্রিমিয়ার লিগে টেডি শেরিংহামের পর দ্বিতীয় বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিকের কীর্তি গড়েন।

    এই হ্যাটট্রিকের পর ক্লাব ও আন্তর্জাতিক মিলে রোনালদোর গোলসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০৭-এ। যার ফলে আনঅফিসিয়াল হিসেবে ৮০৫ গোল নিয়ে শীর্ষে থাকা জোসেফ বিকানকেও ছাড়িয়ে গেলেন তিনি। এখন তার সামনে নেই আর কেউ।

    রোনালদোর এই উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের দিন ইউনাইটেড পেয়েছে প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের ঘরের মাঠে ৪০০তম জয়। আর কোনো দল এখনও পর্যন্ত ঘরের মাঠে ৪০০ ম্যাচ জিততে পারেনি। এর মধ্যে ২৩টি ম্যাচ তারা জিতেছে টটেনহ্যামের বিপক্ষে।

    এ জয়ের পর ২৯ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে অবস্থান করছে ইউনাইটেড। দুই ম্যাচ কম খেলে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে রয়েছে টটেনহ্যাম। শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সংগ্রহ ২৮ ম্যাচে ৬৯ পয়েন্ট।

  • ব্যালন ডি অরে ভোট দিতে পারবে না বাংলাদেশ

    ব্যালন ডি অরে ভোট দিতে পারবে না বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের কোনো ফুটবলার কিংবা কোচ কখনও ব্যালন ডি অর মঞ্চে উঠতে পারবেন কি না, সেটি ভবিষ্যতের ব্যাপার। তবে প্রতি বছরই ফুটবলের এই মর্যাদার পুরস্কারে অংশগ্রহণ থাকে বাংলাদেশের। ব্যালন ডি অর কে জিতবেন- সেই ভোট দিতে পারেন বাংলাদেশের নির্দিষ্ট সাংবাদিক।

    কিন্তু চলতি বছরের ব্যালন ডি অর থেকে আর ভোট দেওয়া হবে না বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধির। আন্তর্জাতিক ফুটবলে জাতীয় দলের নাজুক অবস্থানের কারণেই মূলত হারাতে হয়েছে এই অধিকার বা সম্মান। যা ফিরে পেতেও লেগে যাবে অনেক সময়।

    ফ্রান্সের ফুটবলভিত্তিক ম্যাগাজিন ফ্রান্স ফুটবল ১৯৫৬ সাল থেকে ব্যালন ডি অরের মাধ্যমে বছরের সেরা ফুটবলারকে পুরস্কৃত করে আসছে। তারাই এবার নিজেদের নিয়মে এনেছে চারটি পরিবর্তন। এর মধ্যে তিন নম্বর নিয়মটি হলো ভোটিং নিয়ে।

    ব্যালন ডি অরের প্রথম বছরে মাত্র ১৬ জন সাংবাদিক ভোট দিয়েছিলেন। যা বাড়তে বাড়তে সবশেষ বছরে হয়েছে ১৭০ জন। তবে এখন থেকে আর এতো বেশি সাংবাদিকের ভোটাধিকার রাখা হচ্ছে না। এই সংখ্যা কমিয়ে আনা হয়েছে ১০০-তে

    ২০২২ সালে পুরুষদের ব্যালন ডি অরে ভোট দিতে পারবেন ফিফা র‍্যাংকিংয়ের সেরা ১০০-তে থাকা দেশগুলোর সাংবাদিক। নারীদের ব্যালন ডি অরে সেরা ৫০ দেশের সাংবাদিকই শুধু প্রয়োগ করতে পারবেন নিজেদের ভোটাধিকার।

    এই নিয়মের কারণেই মূলত বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশের পক্ষে ব্যালন ডি অরে ভোট দেওয়া হবে না। কারণ ফিফা র‍্যাংকিংয়ের সবশেষ আপডেটে সেরা একশতে নেই দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশ। বাংলাদেশের অবস্থান ১৮৬তে।

    অবশ্য মৌসুম শেষ হতে হতে ১০৪ নম্বরে থাকা ভারত যদি সেরা একশতে ঢুকতে পারে, তাহলে তারাও পাবে ভোটাধিকার। কিন্তু ১৮৬ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের পক্ষে সহসাই সেরা একশতে ঢোকা সম্ভব হবে না, তা হলফ করে বলেই দেওয়া যায়।

    ব্যালন ডি অরে বদল আসা অন্য তিনটি নিয়ম হলো- বিবেচ্য সময়ের পরিবর্তন, সংক্ষিপ্ত তালিকায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পরিষ্কার নিয়ম।

    এতদিন ধরে ব্যালন ডি অর দেওয়া হতো বছরের হিসেবে। অর্থাৎ আগের মৌসুমের জানুয়ারি থেকে জুলাই এবং নতুন মৌসুমের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পারফরম্যান্স বিবেচনায় আনা হতো। এখন থেকে বিবেচনায় থাকে এক মৌসুমের পারফরম্যান্স। অর্থাৎ আগস্ট থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়।

    ব্যালন ডি অরের সংক্ষিপ্ত তালিকা করার কাজটি এতোদিন ধরে করতেন ফ্রান্স ফুটবলের সাংবাদিকরা। তবে এখন থেকে এই পুরস্কারের দূত হিসেবে কাজ করা দিদিয়ের দ্রগবা থাকবেন সংক্ষিপ্ত তালিকা বাছাইয়ের কাজে।

    পাশাপাশি গত কয়েক বছরে ভোটে ভালো পর্যবেক্ষণশক্তি দেখানোয় ছেলেদের ক্ষেত্রে ভিয়েতনামের সাংবাদিক থ্রুং আন এনগোচ এবং মেয়েদের ফুটবলে চেক প্রজাতন্ত্রের ক্যারোলিনা হ্লাভাচকোভার কাছ থেকে নেওয়া হবে নাম। সবার কাছ থেকে পাওয়া নাম থেকে চূড়ান্ত তালিকা দেওয়া হবে।

    সবশেষ নিয়মটি হলো পুরো বিষয়টি পুরস্কার করে জানানো। তা হলো, ব্যালন ডি অর একজন ফুটবলারের ব্যক্তিগত পুরস্কার। তাই প্রথমেই বিবেচ্য খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত অর্জন। এরপর পর্যায়ক্রমে দলীয় অর্জন, খেলোয়াড়ি স্পিরিট বিবেচনায় আনা হবে।

  • বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দল ঘোষণা ব্রাজিলের, ফিরলেন নেইমার

    বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দল ঘোষণা ব্রাজিলের, ফিরলেন নেইমার

    গোড়ালির চোটের কারণে দুই মাসেরও বেশি সময় ছিলেন মাঠের বাইরে। সম্প্রতি ফিরেছেন পিএসজি দলে। এবার জাতীয় দলেও ফিরলেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার।

    নেইমারকে রেখেই চলতি মাসে চিলি ও বলিভিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাই ম্যাচের জন্য ২৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিল কোচ তিতে।

    গত জানুয়ারির বাছাইয়ের দল থেকে বাদ পড়েছেন জুভেন্টাস ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো। দলে জায়গা হয়নি ম্যানচেস্টার সিটির তারকা ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুসেরও।

    দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে সবার আগে কাতার বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। আগামী ২৪ মার্চ ঘরের মাঠে চিলির বিপক্ষে এবং ২৯ মার্চ বলিভিয়ার মাঠে নিয়ম রক্ষার লড়াইয়ে নামবে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

    ব্রাজিল দল:

    গোলরক্ষক: আলিসন (লিভারপুল), এডেরসন (ম্যানচেস্টার সিটি), ওয়েভেরতন (পালমেইরাস)

    ডিফেন্ডার: দানিলো (ইউভেন্তুস), দানি আলভেস (বার্সেলোনা), আলেক্স তেলস (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), গিলের্মে আরানা (অ্যাটলেটিকো মিনেইরো), চিয়াগো সিলভা (চেলসি), মার্কিনহোস (পিএসজি), গাব্রিয়েল (আর্সেনাল), এদের মিলিতাও (রিয়াল মাদ্রিদ), আর্থার (জুভেন্টাস)

    মিডফিল্ডার: কাসেমিরো (রিয়াল মাদ্রিদ), ফাবিনিয়ো (লিভারপুল), ফ্রেড (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), লুকাস পাকেতা (অলিম্পিক লিওঁ), ফিলিপে কৌতিনহো (অ্যাস্টন ভিলা), ব্রুনো গিমারেস (লিওঁ), আন্তোনি (আয়াক্স)।

    ফরোয়ার্ড: রাফিনহা (লিডস ইউনাইটেড), রিচার্লিসন (এভারটন), নেইমার (পিএসজি), রদ্রিগো (রিয়াল মাদ্রিদ), ভিনিসিউস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ), গাব্রিয়েল মার্তিনেলি (আর্সেনাল)।

  • বার্সাকে রুখে দিলো ‘তাদেরই’ গোলরক্ষক

    বার্সাকে রুখে দিলো ‘তাদেরই’ গোলরক্ষক

    বৃহস্পতিবার রাতে উয়েফা ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে তুরস্কের ক্লাব গ্যালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে জিততে পারেনি বার্সেলোনা। নিজেদের ঘরের মাঠের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করেছে তারা। তাদের রুখে দেওয়ার নায়ক গ্যালাতাসারাইয়ের গোলরক্ষক ইনাকি পেনা

    বর্তমানে তুরস্কের ক্লাবটিতে খেললেও, পেনা মূলত বার্সেলোনার খেলোয়াড়। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারিতে মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য লোনে বার্সেলোনা ছেড়ে গ্যালাতাসারাইয়ে পাড়ি জমিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এ গোলরক্ষক। তিনি প্রায় ৪ বছর ছিলেন বার্সেলোনা শিবিরে।

    নিজের আসল ক্লাবের মুখোমুখি হয়ে যেনো সামর্থ্যের সর্বোচ্চটাই নিংড়ে দিয়েছেন পেনা। পুরো ম্যাচে ১৬টি শট নিয়েছে বার্সেলোনা। যার মধ্যে চারটিই ছিল লক্ষ্য বরাবর। কিন্তু একবারের জন্যও পিনাকে পরাস্ত করতে পারেননি ফেররান তোরেস, মেমফিস ডিপাইরা।

    ম্যাচের ২৬ মিনিটের সময় ফ্রি কিকে দারুণ শট নিয়েছিলেন মেমফিস। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে নিজের জাল অক্ষত রাখেন পেনা। বিরতির আগে আরও একবার দলের ত্রাতা তিনি। এবার বাম পাশ থেকে নেওয়া মেমফিসের শট বামে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন এ তরুণ গোলরক্ষক।

    দ্বিতীয়ার্ধেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে পেনাকে। মেমফিসের ক্রস থেকে দারুণ জায়গায় দাঁড়িয়ে হেড করেছিলেন সার্জিও বুসকেটস। তবে সেটি এক হাতে কোনোমতে ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন পেনা। পরে ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের শটও ফেরান তিনি।

    পাশাপাশি ভাগ্যের সহায়তাও পেয়েছে গ্যালাতাসারাই। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে পিয়েরে এমেরিক আউবেমেয়াংয়ের ওভার হেড কিকে পাওয়া বলে খুব কাছ থেকে গোলের প্রচেষ্টা চালান ডি ইয়ং। কিন্তু বল বাধা পায় পোস্টে। ফলে বেঁচে যায় গ্যালাতাসারাই।

    শেষ দিকে অবশ্য একবার বল জালে জড়ান গ্যালাতাসারাইয়ের বদলি খেলোয়াড় বাফেতিমবে গমিস। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেই গোল। পরে আর কোনো দলই তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচ শেষ হয় অমীমাংসিত অবস্থায়।

    আগামী ১৭ মার্চ ফল নির্ধারণী দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দুই দল।

    মৌসুমের শুরুর দিকের হতাশা কাটিয়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছিল স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। টানা চার ম্যাচ জিতে পুরোনো ছন্দ ফিরিয়ে আনার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন দলের নতুন কোচ জাভি হার্নান্দেজও। কিন্তু এর মাঝেই ফের হোঁচট খেলো কাতালান ক্লাবটি।

    বৃহস্পতিবার রাতে উয়েফা ইউরোপা লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগের ম্যাচে তুরস্কের ক্লাব গ্যালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে জিততে পারেনি বার্সেলোনা। নিজেদের ঘরের মাঠের ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র করেছে তারা। তাদের রুখে দেওয়ার নায়ক গ্যালাতাসারাইয়ের গোলরক্ষক ইনাকি পেনা

    বর্তমানে তুরস্কের ক্লাবটিতে খেললেও, পেনা মূলত বার্সেলোনার খেলোয়াড়। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারিতে মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য লোনে বার্সেলোনা ছেড়ে গ্যালাতাসারাইয়ে পাড়ি জমিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী এ গোলরক্ষক। তিনি প্রায় ৪ বছর ছিলেন বার্সেলোনা শিবিরে।

    নিজের আসল ক্লাবের মুখোমুখি হয়ে যেনো সামর্থ্যের সর্বোচ্চটাই নিংড়ে দিয়েছেন পেনা। পুরো ম্যাচে ১৬টি শট নিয়েছে বার্সেলোনা। যার মধ্যে চারটিই ছিল লক্ষ্য বরাবর। কিন্তু একবারের জন্যও পিনাকে পরাস্ত করতে পারেননি ফেররান তোরেস, মেমফিস ডিপাইরা।

    ম্যাচের ২৬ মিনিটের সময় ফ্রি কিকে দারুণ শট নিয়েছিলেন মেমফিস। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে নিজের জাল অক্ষত রাখেন পেনা। বিরতির আগে আরও একবার দলের ত্রাতা তিনি। এবার বাম পাশ থেকে নেওয়া মেমফিসের শট বামে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন এ তরুণ গোলরক্ষক।

    দ্বিতীয়ার্ধেও কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে পেনাকে। মেমফিসের ক্রস থেকে দারুণ জায়গায় দাঁড়িয়ে হেড করেছিলেন সার্জিও বুসকেটস। তবে সেটি এক হাতে কোনোমতে ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন পেনা। পরে ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের শটও ফেরান তিনি।

    পাশাপাশি ভাগ্যের সহায়তাও পেয়েছে গ্যালাতাসারাই। ম্যাচের ৭৫ মিনিটে পিয়েরে এমেরিক আউবেমেয়াংয়ের ওভার হেড কিকে পাওয়া বলে খুব কাছ থেকে গোলের প্রচেষ্টা চালান ডি ইয়ং। কিন্তু বল বাধা পায় পোস্টে। ফলে বেঁচে যায় গ্যালাতাসারাই।

    শেষ দিকে অবশ্য একবার বল জালে জড়ান গ্যালাতাসারাইয়ের বদলি খেলোয়াড় বাফেতিমবে গমিস। কিন্তু অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেই গোল। পরে আর কোনো দলই তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচ শেষ হয় অমীমাংসিত অবস্থায়।

    আগামী ১৭ মার্চ ফল নির্ধারণী দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি হবে দুই দল।