Category: ফুটবল

  • বরিশালে পরিকল্পনা সচিবের নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন

    বরিশালে পরিকল্পনা সচিবের নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদীর দুই কিলোমিটার ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (ভারপ্রাপ্ত সচিব) মোঃ জাকির হোসেন আকন্দ।

    শনিবার বিকেলে স্পিডবোড যোগে উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত আড়িয়াল খাঁ নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন শেষে নদী ভাঙ্গন রোধে বরিশাল পানী উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসরাত জাহান, পরিসংখ্যান ব্যুরোর উপ-পরিচালক লিজেন শাহ নাইম, পানী উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ সফিউদ্দীন, নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু সাঈদ, সরিকল ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মোল্লা প্রমুখ। উলে­খ্য আড়িয়াল খাঁ নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে ইতিমধ্যে বসতবাড়ি, সরকারী রাস্তাসহ একাধিক স্থাপনা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

  • ফিফার বর্ষসেরার দৌড়েও মেসি-রোনালদোর সঙ্গে ফন ডিক

    ফিফার বর্ষসেরার দৌড়েও মেসি-রোনালদোর সঙ্গে ফন ডিক

    গত সপ্তাহেই ইউরোপের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন গ্রহের সেরা দুই খেলোয়াড় লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলে। ফ্রান্সের মোনাকোয় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ড্র অনুষ্ঠানেই উয়েফা বর্ষসেরার পুরস্কার উঠলো লিভারপুলের ডাচ ডিফেন্ডার ভিরগিল ফন ডিকের হাতে।

    এবার হয়তো বা আরও একটি পুরস্কার জিততে যাচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের এই ডিফেন্ডার। ফুটবলারদের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত অর্জনের স্বীকৃতি ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার। লিওনেল মেসি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে যে তৃতীয়জন হিসেবে সংক্ষিপ্ত তালিকায় উঠে এসেছে ফন ডিকের নামও!

    ইংলিশ ক্লাব লিভারপুলকে গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাতে সবচেয়ে বড় ভূমিকাই পালন করেন এই ডিফেন্ডার। ফন ডিককে ফাঁকি দিয়ে কেউ লিভারপুলের জালে বল প্রবেশ করাবে- এটা যেন স্বপ্নেও চিন্তা করা যায় না। যে কারণে, ইউরোপের সর্বোচ্চ টুর্নামেন্টটির শিরোপা দীর্ঘদিন পর উঠেছে লিভারপুলের হাতে।

    গত মৌসুমে বার্সার জার্সি পরে ৫০ ম্যাচে ৫১ গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। বার্সার লা লিগা জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন তিনিই। অন্যদিকে পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন নতুন ক্লাব জুভেন্টাসকে সিরি ‘এ’ শিরোপা জেতাতে। শুধু তাই নয়, দেশের জার্সিতে তিনি জয় করেছেন উয়েফা নেশনস লিগও।

    এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বর্ষসেরা ফুটবলারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় এই দুই মহা তারকার নাম যেন অবধারিতভাবেই থাকছে। পাশাপাশি তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে আসে অন্য কারো নাম। এবার বর্ষসেরার দৌড়ে মেসি-রোনালদোর সঙ্গে জায়গা করে নিলেন ২০১৮-১৯ লিভারপুলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের অন্যতম নায়ক ফন ডিক।

    গত বছর মেসি-রোনালদোকে পেছনে ফেলে ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন রিয়ালের ক্রোয়েশিয়ান তারকা লুকা মদ্রিচ। বিশ্বকাপে নিজ দেশকে তুলেছিলেন ফাইনালে। এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে ২০১৭-১৮ চ্যম্পিয়ন্স লিগে অনবদ্য পারফরম্যান্সের জন্যই তাকে বর্ষসেরার পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

    কিন্তু গত মৌসুমে খুবই বাজে খেলার কারণে এবার প্রথম দশেও জায়গা করে নিতে পারেননি মদ্রিচ। সেরা তিনজনের নাম থেকে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ঘোষণা করা হবে বর্ষসেরার নাম। মেসি-রোনালদোকে পেছনে ফেলে এবারও কি তবে বাজিমাত করবেন ডাচ ডিফেন্ডার ফন ডিক? অপেক্ষা আর কয়েকদিনের। জাতীয় দলের কোচ-অধিনায়কদের ভোট, পাশাপাশি নির্বাচিত কিছু মিডিয়া ও সমর্থকদের অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হবে এ বছরের সেরা ফুটবলারকে।

    সেরা ফুটবলারের পাশাপাশি সেরা কোচের দৌড়ে রয়েছেন প্রিমিয়র লিগের তিনজন। তালিকায় রয়েছেন লিভারপুলকে ইউরোপ সেরা করা ইয়ুর্গেন ক্লুপ, গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটিকে ত্রিমুকুট এনে দেওয়া পেপ গার্দিওলা এবং টটেনহ্যাম কোচ মৌরিসিও পোচেত্তিনো।

    সেরা গোলরক্ষকের দৌড়ে লিভারপুলের অ্যালিসন বেকারের সঙ্গে রয়েছেন ম্যানসিটির এডারসন ও বার্সেলোনার টার স্টেগান। সতীর্থ অ্যালেক্স মরগ্যান, ইংলিশ ফরোয়ার্ড লুসি ব্রোঞ্জের সঙ্গে বর্ষসেরা নারী ফুটবলার হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেগান র‌্যাপিনো।

  • মেসি নেই তো কি হয়েছে, গ্রিজম্যান আছে না!

    মেসি নেই তো কি হয়েছে, গ্রিজম্যান আছে না!

    ইনজুরির কারণে প্রথম ম্যাচে অ্যাটলেটিকো বিলবাওয়ের বিপক্ষে খেলতে পারেননি। দ্বিতীয় ম্যাচে মাঠে নামবেন, আশা ছিল সবার। লিওনেল মেসির অনুশীলন করা দেখেই আশাটা বড় হয়েছিল। কিন্তু গোড়ালির ব্যথা পুরোপুরি সেরে না যাওয়ায় আর ঝুঁকি নিতে চাইলেন না কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে। মেসিকে বসিয়েই রেখেছিলেন ঘরের মাঠে রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে।

    অন্যদিকে ইনজুরির কারণে ন্যু ক্যাম্পে দর্শক সারিতেই বসতে হয়েছিল বার্সার আক্রমণভাগের আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় লুইস সুয়ারেজ এবং ওসমান ডেম্বেলেকে। কোচের হাতে আক্রমণভাগের ভরসা বলতে ন্যু ক্যাম্পে ছিলেন কেবল সদ্য অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ থেকে নিয়ে আসা ফরাসী তারকা আন্তোনিও গ্রিজম্যান।

    কোচের সেই ভরসারই প্রতিদান দিলেন বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। লিওনেল মেসি কিংবা লুইস সুয়ারেজদের অভাব একদমই বুঝতে দিলেন না তিনি। ন্যু ক্যাম্পে খেলতে আসা রিয়াল বেটিসকে ৫-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে স্বাগতিক বার্সা। জোড়া গোল করলেন গ্রিজম্যান। একটি করে গোল করলেন চার্লস পেরেজ, জর্দি আলবা এবং আর্তুরো ভিদাল।

    মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই হেরে গিয়েছিল বার্সা। অ্যাথলেটিকো বিলবাওয়ের মাঠে গিয়ে ১-০ গোলে পরাজয় বরণ করে আসতে হয়েছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের। ওই ম্যাচেই ইনজুরির শিকার হন সুয়ারেজ।

    রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে মেসি-সুয়ারেজরা না থাকার কারণে কোচ আর্নেস্তো ভালভার্দে আন্তোনিও গ্রিজম্যান এবং রাফিনহার সঙ্গে একাদশে খেলান বার্সা ‘বি’ টিমের উইঙ্গার চার্লস পেরেজকে। লা লিগায় এটাই অভিষেক পেরেজের। শুধু তাই নয়, ১৬ বছর বয়সী আনসু পাতিকেও অভিষেক ঘটিয়েছে বার্সা।

    ন্যু ক্যাম্পে কিন্তু শুরুতেই গোল হজম করে বসেছিল বার্সা। বার্সেলোনা সমর্থকদের স্তব্ধ করে দিয়ে ১৫ মিনিটেই গোল করে বসেন রিয়াল বেটিসের ফরাসি স্টাইকার নাবিল ফেকির। ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে যখন আবারও বার্সার পরাজয়ের শঙ্কা দেখা দিল, তখন ম্যাচের ৪১তম মিনিটে গোল করে বার্সাকে সমতায় ফিরিয়ে আনেন গ্রিজম্যান।

    সার্জি রবের্তোর পাস থেকে ভেসে আসা চলন্ত বলে বাঁ-পা বাড়িয়ে দিয়ে গোল করেন ফরাসী এই তারকা। ম্যাচ শেষে গ্রিজম্যান জানিয়েছেন, লিওনেল মেসিকে অনুশীলনে প্রায়ই এমন গোল করতে দেখেছেন তিনি এবং মাঠে গিয়ে মেসিকেই কপি করার চেষ্টা করেছেন।

    শুধু তাই নয়, গোল করার পর বিখ্যান মার্কিন এনবিএ তারকা লিবর্ন জেমসের মত করেই উদযাপন করেন গ্রিজম্যান। তিনি নিজেই জানিয়েছেন এ রহস্য। গ্রিজম্যান বলেন, ‘আমি লিবর্নের এমন উদযাপনকে খুব পছন্দ করি এবং তাকে অনুসরণ করারও চেষ্টা করি। এটাকে কপি করার চেষ্টা করি। আমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসেই ইন্টারনেটে আমি তার উদযাপনকে উপভোগ করি।’

    নিজের দ্বিতীয় গোল করার পর একেবারে গ্যালারির সামনে গিয়ে উদযাপন করেন তিনি। একই সঙ্গে মেসিকে অনুকরণ করা নিয়ে গ্রিজম্যান বলেন, ‘ট্রেনিং সেশনে মেসিকে দেখেছি এ ধরনের গোল করতে। এটা আমার ভালো লাগে এবং আমি চেষ্টা করেছি এই স্টাইলটাকে কপি করতে।’

    দ্বিতীয়ার্ধের ৫ মিনিট পর (ম্যাচের ৫০ মিনিটে) আবারও গোল করেন গ্রিজম্যান। আবারও পাস দেন সার্জি রবের্তো। এবার বাম পায়ের দুর্দান্ত এক শটে রিয়াল বেটিসের জালে বল জড়িয়ে দেন গ্রিজম্যান। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে লা লিগায় নিজের প্রথম ম্যাচেই গোল পেয়ে যান চার্লস পেরেজ।

    এর চার মিনিট পর আবারও গোল। এবার গোল করেন জর্দি আলবা। বক্সের ডান প্রায় মাঝামাঝি থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত এক শটে রিয়াল বেটিসের জাল কাঁপান আলবা। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে বার্সার হয়ে ৫ম গোলটি করেন চিলিয়ান তারকা আর্তুরো ভিদাল। গ্রিজম্যানের বাড়িয়ে দেয়া বল থেকেই ডান পায়ের শটে বেটিসের জালে বল জড়ান তিনি। ম্যাচের ৭৯তম মিনিটে একটি গোল শোধ করেন বেটিসের লোরেনজো মোরোন।

    দুই ম্যাচ থেকে বার্সার পয়েন্ট হলো ৩। সেভিয়া এবং অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ পূর্ণ ৬ পয়েন্ট করে নিয়ে প্রথম এবং দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ ৪ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

  • ফ্রি-কিকে করা মেসির সেই গোলটিই চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা

    ফ্রি-কিকে করা মেসির সেই গোলটিই চ্যাম্পিয়নস লিগের সেরা

    চোখ ধাঁধানো এক ফ্রি-কিক। গোলরক্ষকের কিছুই করা ছিল না। লিওনেল মেসির ফ্রি-কিকে তো এমন গোল এসেছে কতই। তবে গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে লিভারপুলের বিপক্ষে করা ফ্রি-কিকটি ছিল চোখে আটকে থাকার মতো। যে গোলটিকে মৌসুম সেরা হিসেবে নির্বাচিত করেছে উয়েফা ডটকম।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ওই ম্যাচের ৮২ মিনিটের ঘটনা। বক্সের বাইরে লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ফাবিনহোর ভুলে ফ্রি-কিক পেয়েছিল বার্সেলোনা। দলের সেরা তারকা মেসিই ফ্রি-কিকটি নিতে যান। সবাই প্রস্তুত ছিল। কিন্তু কোনো কিছুই আটকে রাখতে পারেনি মেসি-জাদু। বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে গোলপোস্টের ডানদিকের ওপর দিয়ে কোনাকুনিভাবে বলটা জালে জড়িয়ে দেন আর্জেন্টাইন খুদেরাজ।

    বলটি আটকাতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন লিভারপুলের ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার। কিন্তু কাজ হয়নি। ঘুরতে ঘুরতে বল জড়িয়ে যায় জালে। অ্যালিসনের নীরব দর্শক হয়ে থাকা ছাড়া উপায় ছিল না। এমন এক গোল সেরার স্বীকৃতি না পেয়ে আর যায় কোথায়!

    তবে সেরা গোলের মালিক হওয়ার জন্য মেসিকে অবশ্য লড়তে হয়েছে অনেকজনের সাথে। তার সতীর্থ ইভান রাকিতিচও ছিলেন মনোনীতদের তালিকায়। ছিলেন জুভেন্টাসে খেলা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

    এছাড়া মনোনীত হয়েছিল সার, ফাওপালা, পেদ্রো, মিলট, ক্যাটেরিনা সভিতকোভা, নানি এবং দানিলোর গোল। সবাইকে পেছনে ফেলে পুরস্কারটি জিতেছেন মেসি।

  • ৩ মাসের জন্য নিষিদ্ধ মেসি, ৫০ হাজার ডলার জরিমানা

    ৩ মাসের জন্য নিষিদ্ধ মেসি, ৫০ হাজার ডলার জরিমানা

    অনলাইন ডেস্ক :

    আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে আগামী তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলার ও অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমিবল এই নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করেছে। সেইসঙ্গে জরিমানা করা হয়েছে ৫০ হাজার ডলার ইউএস ডলার।

    বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোপা আমেরিকার তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচে কনবিলমকে দুর্নীতিগ্রস্থ বলে মন্তব্য করায় এই শাস্তি পাচ্ছেন মেসি। তবে কনবিলমের এ রায়ের বিরুদ্ধে ৭ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন মেসি। এর আগে মেসিকে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানা করেছিল কনমিবল।

    এই নিষেধাজ্ঞার ফলে মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে আগামী সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে চিলি, জার্মানি ও মেক্সিকোর বিপক্ষে তিনটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে পারছেন না।

  • এএফসি কাপের জন্য মিশর ও কোরিয়ান ফুটবলার আনছে আবাহনী

    এএফসি কাপের জন্য মিশর ও কোরিয়ান ফুটবলার আনছে আবাহনী

    প্রথমবারের মতো এএফসি কাপের দ্বিতীয় পর্বে (ইন্টার জোন সেমিফাইনাল) ওঠা আবাহনী দলের শক্তি বাড়াতে আনছে নতুন দুই বিদেশি ফুটবলার। এর মধ্যে একজন মিশরের স্টপার, আরেকজন দক্ষিণ কোরিয়ার মিডফিল্ডার। আগামী ২/৩ দিনের মধ্যেই তাদের ঢাকায় এসে ক্যাম্পে যোগ দেয়ার কথা।

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা হারানো আবাহনী তাদের এএফসি কাপের প্রস্তুতি শুরু করবে শুক্রবার। ইন্টার জোন সেমিফাইনালে আবাহনীর প্রতিপক্ষ উত্তর কোরিয়ার এপ্রিল টোয়েন্টি ফাইভ স্পোর্টস ক্লাব (৪.২৫ এসসি)। হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিক এই সেমিফাইনালে প্রথমেই ঘরের মাঠে খেলবে আবাহনী ২১ আগস্ট।

    এএফসি কাপে আবাহনীর এই ইতিহাস গড়ার অন্যতম নায়ক ছিলেন তাদের আফগানিস্তানের ডিফেন্ডার মাসিহ সাইঘানি; কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে তাকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় আকাশি-হলুদরা। কারণ, এ আফগান ডিফেন্ডার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন ইন্ডিয়া সুপার লিগে (আইএসএল)। তিনি খেলবেন চেন্নাইন এফসিতে।

    আবাহনী অবশ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইন্টার জোন সেমিফাইনালের ম্যাচ দুটিতে মাসিহ সাইঘানিকে পেতে। এ জন্য তারা চেন্নাইন এএফসির সঙ্গে আলোচনা করছে। সমস্যা হচ্ছে আবাহনীর ম্যাচের আগেই চেন্নাইন এফসি শুরু করবে তাদের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি।

    এমনিতেই আবাহনীর তাদের সব বিদেশি খেলোয়াড় পায়নি লিগের শেষ দিকে। আফগানিস্তানের মাসিহ সাইঘানি, নাইজেরিয়ান সানডে এবং হাইতির বেলফোর্টকে দিয়েই চালিয়েছে ৬ বারের চ্যাম্পিয়নরা।

    ব্রাজিলের ওয়েলিংটন চলে গিয়েছিলেন ঈদের পরপরই। মাসিহ শেষ ম্যাচ খেলতে পারেননি সাইফের বিরুদ্ধে ম্যাচে লালকার্ড পাওয়ায়। এএফসি কাপে এশিয়ান কোটার একজনসহ চার বিদেশি খেলতে পারেন। সাইঘানির অনিশ্চয়তার কারণেই আবাহনী আনছে দক্ষিণ কোরিয়ার মিডফিন্ডারকে।

    ২১ আগস্ট ঢাকায় ম্যাচ খেলে আবাহনী অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে তার ৭ দিন পর উত্তর কোরিয়ার পিয়ংইয়ংয়ের কিম ইল সুং স্টেডিয়ামে। জিতলে আবাহনী খেলবে ইন্টার জোন ফাইনালে।

    ২৫ জুলাই লিগ শেষ করার পর আবাহনীর ফুটবলাররা ছুটিতে গেছেন। এক সপ্তাহ বিশ্রামের পর শুক্রবার থেকে আবার শুরু হবে তাদের এএফসি কাপের মিশন। দ্বিতীয়বার প্রিমিয়ার লিগের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গের পর আবাহনীর লক্ষ্য এখন এএফসি কাপে নিজেদের আরো উচ্চতায় নেয়া।

  • আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি নিষিদ্ধ

    আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি নিষিদ্ধ

    খেলোয়াড়দের কিছু বাধকতা থাকে। তারা চাইলেই যে কোনো মন্তব্য করতে পারেন না। তবে ব্রাজিলের মাঠে কোপা আমেরিকায় সেমিফাইনাল থেকে আর্জেন্টিনা ছিটকে পড়ার পর নিজের ক্ষোভ আর ধরে রাখতে পারেননি লিওনেল মেসি। আয়োজক ব্রাজিল এবং ম্যাচ রেফারিদের ‘দুর্নীতিপরায়ণ’ হিসেবে অভিযুক্ত করেন তিনি।

    আর্জেন্টাইন অধিনায়ক ধুয়ে দেন ল্যাটিন আমেরিকার ফুটবল কর্তৃপক্ষ কনমেবলকেও। যার ফলশ্রুতিতে তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে, আন্দাজ করা যাচ্ছিল আগেই। এবার সেই শাস্তির ঘোষণা আসলো।

    গুঞ্জন ছিল, যেমনভাবে মুখ খুলেছেন, তাতে দুই বছরের জন্যও নিষিদ্ধ হতে পারেন মেসি। তবে পাঁচবারের ‘ব্যালন ডি’অর’ জয়ী খেলোয়াড়ের ওপর এতটা কঠোর হয়নি কনমেবল। এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে তাকে, সঙ্গে ১৫০০ ডলার জরিমানা।

    এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সম্ভবত ২০২২ বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে পারবেন না মেসি।

    মঙ্গলবার আর্জেন্টিনা ফুটবলে আরেকটি দুঃসংবাদ দিয়েছে কনবেবল। তারা ফিফার অফিসিয়াল প্রতিনিধি পদ থেকে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান ক্লদিও তাপিয়াকে সরিয়ে দিয়েছে। তাপিয়াও কোপা আমেরিকা চলার সময় কনমেবলের সমালোচনাও মেতে উঠেছিলেন।

    প্রসঙ্গত, ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচে হারের পর আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি দাবি করেন, ফাইনাল খেলার যোগ্য ছিল আর্জেন্টিনাই। মেসিও বাজে রেফারিং নিয়ে অভিযোগ তুলেন। এসব আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে নামে আর্জেন্টিনা। সেখানে ঘটে আরেক বিপত্তি।

    করিন্থিয়াস এরেনায় চিলির বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের ৩৭ মিনিটের মাথায় পাওলো দিবালার বাড়ানো বল মাঠের মধ্যে রাখতে গিয়ে চিলির ডিফেন্ডার গ্যারি মেডেলের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায় মেসির। মেডেল বারবার ধাক্কা মারতে থাকলেও মেসি ছিলেন নির্লিপ্ত।

    তবু মেডেলকে ফাউল করতে উৎসাহিত করার অপরাধে এবং মাথা দিয়ে আঘাত করার ইঙ্গিত করায় মেডেলের সঙ্গে মেসিকেও লাল কার্ড দেখান রেফারি। ওই ম্যাচে আর্জেন্টিনা জিতলেও রাগে ক্ষোভে তৃতীয় হওয়া দলের সদস্য হিসেবে পদক নিতে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চেই উঠেননি আর্জেন্টাইন খুদে জাদুকর।

    সেখানেই শেষ হয়নি। ক্ষুব্ধ মেসি এরপর করেন বিস্ফোরক এক মন্তব্য। যে মন্তব্যের কারণেই শাস্তির মুখোমুখি হলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। মেসি দাবি করেন, এই আসরে ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন করার জন্য আগে থেকেই সবকিছু ঠিক করা।

  • চিলিকে হারিয়ে কোপায় তৃতীয় আর্জেন্টিনা

    চিলিকে হারিয়ে কোপায় তৃতীয় আর্জেন্টিনা

    দক্ষিণ আমেরিকান শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকার গত দুই আসরের ফাইনাল খেলেছিল আর্জেন্টিনা ও চিলি। যেখানে দুবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল চিলি, রানারআপ থেকেই শেষ করতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।

    সে দুই দলই এবারের কোপায় বাদ পড়ে গিয়েছে সেমিফাইনাল থেকে। ফলে তারা মুখোমুখি হয়েছিল তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। যেখানে চিলির বিপক্ষে আগের দুই ফাইনালের প্রতিশোধ নিয়ে ২-১ গোলের জয়ে তৃতীয় হয়ে কোপা শেষ করেছে আর্জেন্টিনা।

    দলের জয়ে আর্জেন্টিনার পক্ষে গোল দুইটি করেছেন সার্জিও আগুয়েরো ও পাওলো দিবালা। চিলির পক্ষে একটি গোল শোধ করেছেন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় লিওনেল মেসির সতীর্থ আর্তুরো ভিদাল।

    এদিকে শিরোপা জেতার স্বপ্ন শেষ হওয়ার পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে নেমে হতাশার এক অর্জনই হলো আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির। প্রায় ১৪ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো লাল কার্ড দেখতে হয়েছে তাকে। ২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে নিজের অভিষেক ম্যাচেই প্রথম লাল কার্ড দেখেছিলেন মেসি।

    Red

    করিন্থিয়াস এরেনায় ম্যাচের ৩৭ মিনিটের মাথায় পাওলো দিবালার বাড়ানো বল মাঠের মধ্যে রাখতে গিয়ে চিলির ডিফেন্ডার গ্যারি মেডেলের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায় মেসির। মেডেল বারবার ধাক্কা মারতে থাকলেও মেসি ছিলেন নির্লিপ্ত।

    তবু মেডেলকে ফাউল করতে উৎসাহিত করার অপরাধে এবং মাথা দিয়ে আঘাত করার ইঙ্গিত করায় মেডেলের সঙ্গে মেসিকেও লাল কার্ড দেখান মেসি। ফলে দুই দলই পরিণত হয় দশ জনে।

    এদিকে মেসি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লেও প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকে আর্জেন্টিনাই। তৃতীয় হওয়ার মিশনে ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটেই জোড়া গোল করে ফেলে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

    agu

    ম্যাচের ১২ মিনিটের মাথায় মাঝ মাঠ থেকে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি-কিক ধরে প্রায় একার নৈপুণ্যে ম্যাচের প্রথম গোলটি করেন সার্জিও আগুয়েরো। এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। মাঝমাঠে ফাউল করা হয়েছিল মেসিকে। সেখান থেকে তড়িঘড়ি ফ্রি-কিক নিয়ে তিনি বল বাড়িয়ে দেন আগুয়েরোর উদ্দেশ্যে। যেটি ধরে গোল করতে ভুল করেননি আগুয়েরো।

    লিড দ্বিগুণ করতে খুব বেশি সময় নেননি পাওলো দিবালা। মিনিট দশেক পরে জিওভানি লো সেলসোর কাছ থেকে দারুণ এক পাস পেয়ে যান তিনি। পরে প্রথম ছোঁয়ায় ডিফেন্ডার এবং দ্বিতীয় ছোঁয়ায় পরাস্ত করেন গোলরক্ষককে। এ দুই গোলের লিড নিয়েই প্রথমার্ধ শেষ করেছে আর্জেন্টিনা।

    dybala

    দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে আর নিজেদের খেলার ছন্দটা ধরে রাখতে পারেননি আগুয়েরো-দিবালারা। সুন্দর ফুটবলের চেয়ে শরীরনির্ভর কুৎসিত খেলার প্রদর্শনী চলতে থাকে পুরো দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে। যেখানে ছাড় দেননি কেউ কাউকে। তাই তো মেসি-মেডেলের লাল কার্ড ছাড়াও দুই দল মিলে হলুদ কার্ড দেখেছে আরও ৮টি।

    এরই মাঝে ম্যাচের ৫৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে এক গোল শোধ করে চিলি। বিতর্কিত এক সিদ্ধান্তে পেনাল্টি পায় গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়নরা। রিপ্লেতে দেখা যাচ্ছিলো লো সেলসোর করা ফাউলটি হয়েছে ডি-বক্সের বাইরে। তবু চিলির পক্ষে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। সহজ সুযোগ পেয়ে গোল করেন ভিদাল।

    তবে ম্যাচের বাকি সময়ে আর কোনো গোল করতে পারেনি কোনো দল। যার ফলে ২-১ গোলের জয়েই তৃতীয় স্থান পেয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

  • অনলাইনে সরাসরি দেখুন ব্রাজিলের শিরোপা জেতার লড়াই

    অনলাইনে সরাসরি দেখুন ব্রাজিলের শিরোপা জেতার লড়াই

    বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের আসর কোপা আমেরিকার ফাইনালে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল এবং পেরু। দুই দলের এই ধ্রুপদী লড়াইটি বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকরা সরাসরি টিভিতে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন না।

    কারণ, বাংলাদেশে প্রচারিত স্পোর্টস চ্যানেলগুলোর কোনোটিতেই দেখা যাচ্ছে না এবারের কোপা আমেরিকার খেলা। লাতিন আমেরিকার জমজমাট এই লড়াইয়ের খেলাগুলো দেখানো হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক স্পোর্টস চ্যানেল বেইন স্পোর্টসে। এছাড়া পিপিটিভি নামক একটি চ্যানেলেও সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে কোপা আমেরিকার ম্যাচ।

    তবে বাংলাদেশের ফুটবল ভক্তরা অনলাইনে বসে সরাসরি ব্রাজিল-পেরুর এ ম্যাচটি দেখতে পারবেন। কারণ, বেইন স্পোর্টসের সার্ভার ব্যবহার করে অনলাইনে সরাসরি ফুটবলের এই দ্বৈরথটি দেখানো হচ্ছে। এছাড়া মোবাইল ব্যবহারকারীরাও অ্যাপস ব্যবহার করে দেখতে পারবেন কোপার ফাইনাল ম্যাচটি। এমনকি রয়েছে অনলাইন লাইভ স্ট্রিমিং।

    tv.bdixsports.com এই লিংকে প্রবেশ করলে পাওয়া যাবে দেশি-বিদেশি চ্যানেলগুলো তালিকা। সেখানে তিন নম্বর সারিতে রয়েছে ফুটবল চ্যানেল। তার শুরুতেই দেখা যাবে বেইন স্পোর্টস।

    এই চ্যানেলের ৩, ৪, ৬ এবং ১০- এই চারটি চ্যানেলেই দেখা যাবে ব্রাজিল-পেরু ম্যাচ। মোট চারটি ভাষা- ইংলিশ, স্প্যানিশ, পর্তুগিজ এবং আরবিতে সম্প্রচার করা হবে এই ম্যাচটি। সার্ভার থেকেই অনলাইনে সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচার করবে টিভি চ্যানেলটি।

    navixsport.en.softonic.com এই লিংকটিতে পাওয়া যাবে মোবাইল অ্যাপস। যেটা ডাউনলোড করে মোবাইলেও দেখা যাবে এ ফাইনাল ম্যাচটি।

    bdtv.live এই লিংকে প্রবেশ করলে অনলাইনে সরাসরি কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিল আর পেরুর ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে। এছাড়া totalsportek.com এই লিংকেও লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে কোপা আমেরিকা ফাইনালের।

  • রেফারির ‘চুরি’র বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আর্জেন্টিনার

    রেফারির ‘চুরি’র বিষয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আর্জেন্টিনার

    চিরপ্রতিদ্বন্দী ব্রাজিলের কাছে হেরে এরই মধ্যে কোপা আমেরিকা থেকে বিদায় নিয়েছে আর্জেন্টিনা।

    ২-০ ব্যবধানে ওই ম্যাচে হারের পরই রেফারিকে নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। নিজেদের পাওনা দুইটি পেনাল্টি দেননি বলে রেফারির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো তার।

    এবার ওই একই অভিযোগে দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবল আ্যসোসিয়েশনের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল আ্যসোসিয়েশন। পুরো ম্যাচেই তারা পক্ষপাতিত্বের স্বীকার হয়েছেন বলে দাবি তাদের।

    এক বিবৃতিতে তারা বলে, ‘আমরা যেই অভিযোগটা করছি সেটা ম্যাচের পরপরই করা হয়েছে। আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে রেফারি পুরো ম্যাচেই আমাদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। ম্যাচে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের সময় ভিএআর ব্যবহার করা হয়নি। যা অবশ্যই ম্যাচের সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকার রেখেছে।

    এতো বড় ম্যাচ পরিচালনা করার মতো সক্ষমতা রেফারি রড্ডি জেমব্রানোর ছিলো না বলে মনে করে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। বড় ম্যাচের চাপ সামলাতে না পেরেই এমন ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঐ ইকোয়েডিরেয়িান রেফারি, এমনটাই দাবি তাদের।

    ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘এমন বড় ম্যাচের ট্যাকনিকাল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা রেফারির ছিলো না। তার ভুলগুলো মাঠের খেলোয়াড়, অফিশিয়াল, দর্শক কারোই চোখ এড়িয়ে যায় নি। এখানে কিছু রাজনৈতিক বিষয় কাজ করেছে। হাফ টাইমে রেফারিকে ব্রাজিলিয়ান দর্শকদের কাছে ল্যাপ অফ অনারে তাকে দেখা যায়।