Category: ফুটবল

  • আবারও বাংলাদেশে আসছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা?

    আবারও বাংলাদেশে আসছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা?

    আজ থেকে ৮ বছর আগে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকাবাসীকে আনন্দের জোয়ারে ভাসিয়েছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। ঢাকার মাটিতে ‘সুপার ঈগলস’ খ্যাত নাইজেরিয়ার বিপক্ষে মেসিদের মনোমুগ্ধকর জাদুকরী ফুটবল নিজ চোখে দেখেছিল বাংলাদেশের মানুষ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছর আবারও বাংলাদেশের মাটিতে দেখা যেতে পারে ‘ভিন গ্রহের ফুটবলার’ লিওনেল মেসি এবং তার দলকে!

    খবরটি মোটেও গুঞ্জন নয়; তবে একেবারে নিশ্চিতও নয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে ২০২১ সালে তাদেরকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছর একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে বাংলাদেশ সফর করতে পারে দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

    ভারতের নয়াদিল্লির আর্জেন্টাইন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ড্যানিয়েল চুবুরু আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সেই সাক্ষাতকালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আর্জেন্টিনাকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আর্জেন্টিনার জাতীয় দলে আবারও ফিরেছেন মেসি। সুতরাং তাকে চর্মচক্ষে আরেকবার দেখার আশা করতেই পারে বাংলাদেশি সমর্থকেরা।

  • প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাইলেন ফুটবল সম্রাট পেলে

    প্রধানমন্ত্রীর সাহায্য চাইলেন ফুটবল সম্রাট পেলে

    কিংবদন্তী ফুটবলার পেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহায্য চেয়েছেন। জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে সারা বিশ্বে। সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়ােজনের পরিকল্পনা করছেন। টুর্নামেন্টটির নাম ভাবা হয়েছে ‘পেলে আর্থ কাপ’। বৈশ্বিক এই টুর্নামেন্টের বিষয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তা চেয়েছেন তিনি।

    পেলে ফাউন্ডেশনের বিশেষ প্রতিনিধি সাইফুল আলম ভূঁইয়ার মাধ্যমে পেলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি এবং ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছেন। সেখানেই তিনি তার ফুটবল টুর্নামেন্টের বিশেষ বাের্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন

    ৭৮ বছর বয়সী ফুটবল সম্রাট সে টুর্নামেন্টটি আয়ােজনের পরিকল্পনা করছেন সেখানে তিনি সারাবিশ্বের ফুটবলারপ্রেমীদের সম্পৃক্ত করতে চাচ্ছেন। জলবায়ু পরিবর্তন ইস্যুতে সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি সারা বিশ্বে শান্তি ফেরাতে ফুটবলের স্পিরিটকে কাজে লাগানােই তার লক্ষ্য বলে জানানাে হয়েছে।

  • মন চাইত, সব ছেড়ে বিবাগী হয়ে যাই : মেসি

    মন চাইত, সব ছেড়ে বিবাগী হয়ে যাই : মেসি

    একটি সাক্ষাতকার- আর তাতেই বের হয়ে এল অনেক অজানা গল্প; অনেক প্রশ্নের জবাব। ইকার্দির সঙ্গে শত্রুতা, চিরশত্রু রোনালদোকে মিস করাসহ এসেছে রাশিয়া বিশ্বকাপ প্রসঙ্গও। রাশিয়া বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়ার পর জাতীয় দলের সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ রাখেননি আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। তবে তিনি অবসরের পথেও হাঁটেননি। তাহলে ওই সময়ে তার মনে কী ভাবনা কাজ করছিল? এবার মেসি নিজেই প্রকাশ করলেন অজানা সেইসব গল্প।

    ডিয়েগো ম্যারাডোনার পর মেসিকে ঘিরেই আর্জেন্টিনা স্বপ্ন বুনেছে। ক্লাবের হয়ে সব জেতা এই ফরোয়ার্ড জাতীয় দলকে কোনো শিরোপা এনে দিতে পারেননি। বারবার ব্যর্থ হওয়ায় এবার হতাশ হয়ে পড়েছিলেন মেসি। একটি এফএম রেডিওতে দেওয়া সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলা বেশ কঠিন আমার জন্য। প্রথম থেকেই বেশ কিছু জিনিস ভুল করেছি আমরা। প্রথম ম্যাচে জিততে না পারা, পেনাল্টি মিস করা। দ্বিতীয় ম্যাচে আমরা বেশ ভালোই শুরু করলাম। কিন্তু প্রথম গোল খাওয়ার পর থেকেই কী যেন হয়ে গেল। সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেল। পরিকল্পনাহীনভাবে খেলা শুরু করলাম আমরা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘একেবারে শেষ ম্যাচে জিতে আমরা পরের রাউন্ডে উঠলাম। এরপর ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে ২-২ ব্যবধানের পর তারা একটা গোল দিয়ে দিল। যেখান থেকে ভালো খেলে আমরা আর ফিরতে পারলাম না। আবার আমাদের নতুন করে শুরু করতে হলো, পিছিয়ে পড়লাম আমরা। বিশ্বকাপটা একদম ভালো কাটেনি আমাদের। এমনকি বাছাইপর্বও আমাদের জন্য অনেক কঠিন ছিল। সবকিছুই কঠিন ছিল।

    এরপর আবারও সেই স্বপ্নভঙ্গ। বিশ্বকাপ থেকে দলের বিদায়ের পর মেসির দিনগুলো খুব খারাপ কেটেছে। বিশ্বকাপ যেন তার জন্য এক দুঃসহ স্মৃতি। তার ভাষায়, ‘বিশ্বকাপের পর কারও সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছা হতো না। মনে হতো, ঘরদোর বন্ধ করে নিজের পরিবারের সঙ্গে চুপচাপ বসে থাকি। নিজের যন্ত্রণা নিজেই ভোগ করি। সবকিছু ছেড়েছুড়ে পালিয়ে যেতে মন চাইত। ভালো খেলা সত্ত্বেও বছরের পর বছর আমাদের দিকে আঙুল তোলা হয়েছে, আমাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ, আমরা কোনো ট্রফি জিতিনি। তিনবার ফাইনাল পর্যন্ত গিয়ে থেমে গেছি।

    শিরোপা জয়ের কাছাকাছি গিয়েও হেরে বসা সেইসব ম্যাচ মেসি এখন একা একা দেখেন। অন্যের খেলা নয়, খুঁজতে থাকেন নিজের ভুল, ‘আপনি কি জানেন, আমাদের খেলা ফাইনালগুলো কতবার ঘরে বসে দেখেছি? অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম গোল করার জন্য, সেগুলো দেখেছি একাকী। ওই সুযোগগুলোর কয়েকটা কাজে লাগাতে পারলেও হয়ে যেত। আমি জানি, এরপরেও যারা আমাকে ভালোবাসে, তাদের সংখ্যাই বেশি। যারা আমাকে সমর্থন দেয় না, সারাক্ষণ দোষারোপ করে, তারা সংখ্যায় অনেক কম। আমি শুধু জানি, দলের জন্য অবদান রাখতে হবে। ১০ নম্বর জার্সি আমার জন্য বোঝা নয়।

  • হিগুয়েইনের জন্য যতগুলো শিরোপা মিস করেছে আর্জেন্টিনা

    হিগুয়েইনের জন্য যতগুলো শিরোপা মিস করেছে আর্জেন্টিনা

    অবসরের ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ফুটবলার গঞ্জালো হিগুয়েইন। ২০০৯ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেক হয় ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া হিগুয়েইনের। এক দশকের ক্যারিয়ারে দেশের জার্সিতে খেলেছেন ৭৫ ম্যাচ, করেছেন ৩১ গোল। খেলেছেন তিন-তিনটি বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপে করেছেন ৫ গোল। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবশেষ হ্যাটট্রিকও তার। কিন্তু লোকে ব্যর্থতার জন্যই তাঁকে বেশি মনে রাখবে, কারণ তার জন্যই বেশকিছু শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে আর্জেন্টিনার।

    হিগুয়েইনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় আক্ষেপ ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল। ফাইনালে জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল আর্জেন্টিনা। এ ম্যাচে গোলের নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট করেন এই স্ট্রাইকার। ম্যাচের ৪ মিনিটের মাথায় গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও তা নষ্ট করেন তিনি! ২০তম মিনিটে আরও একটি দারুণ সুযোগ এল; কিন্তু হিগুয়েইন তালগোল পাকিয়ে সেটাও নষ্ট করেন। খুব কাছে গিয়েও বিশ্বকাপ জেতা হলো না আর্জেন্টিনার; বিশ্বকাপ জেতা হলো না মেসির।

    আর্জেন্টিনার জার্সিতে ষষ্ঠ সর্বোচ্চ গোলদাতা হিগুয়েইন জাতীয় দলের ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করার জন্য ব্যাপক সমালোচিত। যেমন ২০১৫ কোপা আমেরিকার ফাইনাল। বিশ্বকাপ ব্যর্থতা ভুলে আরও একটি আন্তর্জাতিক শিরোপার দ্বারপ্রান্তে আর্জেন্টিনা। কিন্তু বাগড়া দিলেন সেই হিগুয়েইন! নির্ধারিত সময়ের খেলা গোলশূন্য ব্যবধানে শেষ হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। শট নিতে এসে গোলপোস্টের বদলে বল আকাশে মারলেন গঞ্জালো হিগুয়েইন! তার সেই ভুলের সুযোগ নিয়ে কোপার শিরোপা জিতে নিল চিলি।

    পরের বছর কোপা আমেরিকার শতবর্ষী আসরে আবারও শিরোপার দ্বারপ্রান্তে আর্জেন্টিনা। কিন্তু একাদশে আছেন হিগুয়েইন; গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি গোল মিস করবেনই! ম্যাচের শুরুতেই চিলির গোলকিপার ক্লদিও ব্রাভোকে একা পেয়ে ফাঁকা গোলপোস্টে বল পাঠাতে পারলেন না এই স্ট্রাইকার। গোলশূন্য ম্যাচ গড়াল পেনাল্টি শ্যুটআউটে। সেই ম্যাচ অবশেষে জিততে পারেনি লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। এছাড়া গত রাশিয়া বিশ্বকাপে একটি গোলও করতে পারেননি হিগুয়েইন। বরং গোলপোস্টের ওপর দিয়ে বল মারার ঘটনা ঘটিয়ে সমালোচিত হয়েছেন। আর্জেন্টিনা বিদায় নিয়েছে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে।

    এসব কারণে তার ওপর যে আর্জেন্টিনার ফুটবল ভক্তরা বেজায় ক্ষিপ্ত সেটা ভালো করেই জানেন হিগুয়েইন। তার কারণে দেশের সবচেয়ে বড় তারকা লিওনেল মেসি যে বারবার আন্তর্জাতিক শিরোপা বঞ্চিত হয়েছেন, সেটাও জানেন তিনি। যে কারণে অবসর ঘোষণার সময় হিগুয়েইন বলেছেন, ‘আর্জেন্টিনার জার্সিতে আমার সময় শেষ। গভীরভাবে ভেবে দেখলাম সময় শেষ হয়েছে। এখন জাতীয় দলের বাইরে থেকে সব দেখব। এতে অনেকেই খুশি হবেন। অনেক মানুষ সমর্থন দেওয়ার চেয়ে সমালোচনা করতেই বেশি পছন্দ করে। আমি মনে করি দেশের জার্সিতে নিজের যথাসাধ্য চেষ্টাই করেছি। অনেকে খুশি হবেন, আবার অনেকে নাও হতে পারেন, কিন্তু আমার সময় শেষ।

  • ব্রাজিলের পরবর্তী তারকা : কে এই রদ্রিগো?

    ব্রাজিলের পরবর্তী তারকা : কে এই রদ্রিগো?

    ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর একটা বিশেষ ডিপার্টমেন্ট থাকে। যেটার নাম স্কাউটিং। বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিভা বের করে আনাই এই স্কাউটিংয়ের দায়িত্ব। লিওনেল মেসি থেকে শুরু করে বিশ্বখ্যাত ফুটবলাররা কিন্তু এসব স্কাউটিংয়ের মাধ্যমেই আবিস্কার হয়েছেন এবং এই পর্যায়ে উঠে আসার সুযোগ পেয়েছেন।

    রিয়াল মাদ্রিদেরও তেমন একটা ডিপার্টমেন্ট রয়েছে। যার সভাপতি হুনি ক্যালাফাত। গত এক বছরে এই ব্যক্তি ব্রাজিলের ভিয়া বেলমিরোয় বেশ কয়েকবার যাতায়াত করেছেন। ব্রাজিলের বিখ্যাত ক্লাব সান্তোসে যে তিনি এক হিরক খণ্ডের সন্ধান পেয়ে গেলেন! আগামী দিনের বিশ্ব তারকা হওয়ার সবগুলো উপাদানই রয়েছে সেই হিরক খন্ডের মধ্যে।

    ব্রাজিলের পরবর্তী নেইমার ভাবা হচ্ছে সেই হিরক খণ্ডকে। নাম তার রদ্রিগো। পুরো নাম রদ্রিগো সিলভা ডি গোয়েজ। বয়স মাত্র ১৮। আগামী দিনের ফুটবল বিশ্ব কাঁপবে তার পায়ের জাদুতে- এমনটাই ভাবা হচ্ছে এই তরুণ তারকাকে।

    বয়স ১৮ হওয়ার আগেই এই হিরক খণ্ডের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলেছে স্পেনের বিশ্বসেরা ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। সেই চুক্তি অনুযায়ী চলতি মৌসুম শেষ হলেই মাদ্রিদে এসে বার্নব্যুতে যোগ দেবেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা।

    আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখনও অভিষেক হয়নি ব্রাজিলিয়ান এই নতুন তারকার। খেলেছেন অনুর্ধ্ব-১৭ এবং অনুর্ধ্ব-২০ দলের হয়ে। নিয়মিত খেলে যাচ্ছেন, পেলে-নেইমারদের ক্লাব সান্তোসের হয়ে। রদ্রিগোকে পেতে তাই রিয়াল মাদ্রিদকে প্রথমে চুক্তি করতে হয়েছে সান্তোসের সঙ্গেই।

    ২০০১ সালে সাও পাওলোর ওসাসকো এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০০২ সালে ব্রাজিল সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয় করে। সেবার রদ্রিগোর বয়স ছিল মাত্র এক বছর। ফুটবল কি জিনিস তখনও হয়তো তার জানার কথা নয়। কিন্তু বাড়ি ব্রাজিলে আর ফুটবল হাতে নিয়ে জন্ম হয় না, এমটা পাওয়া দুষ্কর। ব্রাজিলিয়ানদের রক্তেই মিশে থাকে ফুটবল।

    সে কারণে, ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি অনুরক্ত। ১০ বছর বয়সেই যোগ দেন ব্রাজিলের বিখ্যাত ক্লাব সান্তোসের একাডেমিতে। প্রথমেই রদ্রিগো সুযোগ পেলেন ফুটসাল টিমে। ২০১৭ সালে এসে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে রদ্রিগো ডাক পেলেন সান্তোসের সিনিয়র দলে। পেরুতে অনুষ্ঠিত কোপা লিবারতোদেরেসে স্পোর্টিং ক্রিস্টাল ক্লাবের বিপক্ষে। যদিও তখন খেলা হয়নি তার।

    Rodrigo

    ২০১৭ সালেই সান্তোসের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হন এবং উন্নীত হন ক্লাবের সিনিয়র দলে। এরপর শুধুই এগিয়ে যাওয়া। কম্পেনাতো পওলিস্টার বিপক্ষে পন্তেপ্রেতা স্টেডিয়ামে পেলেন প্রথম গোলের দেখা। কোপা লিবারতোদেরেসে অভিষেক হয় তার ১৭ বছর ৫০ দিনে। সান্তোসের ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সী হিসেবে খেললেন লাতিন আমেরিকার এই সেরা ক্লাব টুর্নামেন্টে।

    ১৭ বছর দুই মাস ৬ দিনের মাথায় কোপা লিবারতোদেরেসে করলেন প্রথম গোল। প্রতিপক্ষ ন্যাসিওনেল। সে সঙ্গে সর্ব কনিষ্ট ব্রাজিলিয়ান হিসেবে লাতিন আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হিসেবে খ্যাত এই টুর্নামেন্টে গোল করলেন তিনি। সান্তোসে এখন ১১ নম্বর জার্সি পরিধান করেন তিনি। যেটা এক সময় ছিল নেইমারের।

    ২০১৮ সালের ১৫ জুন সান্তোসের সঙ্গে চুক্তি করে রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৯ সালের জুনে রদ্রিগো যোগ দেবেন মাদ্রিদে। চুক্তি ২০২৫ সাল পর্যন্ত। প্রকাশ করা না হলেও জানা গেছে, ৪৫ মিলিয়ন ইউরোয় রদ্রিগোর ট্রান্সফার চুক্তি করা হয়। যার মধ্যে ৪০ মিলিয়ন ইউরো পাবে সান্তোস এবং বাকি ৫ মিলিয়ন ইউরো পাবে তার এজেন্ট।

    প্রচুর সম্ভাবনা দেখে রদ্রিগোকে নিয়ে এখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। জিনেদিন জিদান পূনরায় কোচ হয়ে আসার পর রিয়ালের পরিকল্পনা, আরেক ব্রাজিলিয়ান ভিনিসিয়াসের সঙ্গে জুটি তৈরি করা হবে রদ্রিগোর। জিনেদিন জিদানই জানবেন কিভাবে রদ্রিগোকে দিয়ে মাদ্রিদের ভবিষ্যৎ তৈরি করা যায়।

    ইতিমধ্যেই রদ্রিগো বরণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছে রিয়াল মাদ্রিদ। তার জন্য তৈরি করা হয়েছে ট্রেনিং প্ল্যান। কারণ, সান্তোসে একেবারে শেষ মুহূর্তে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান এই নিউ সেনসেশন। বয়স হয়তো খুব কম, তবুও রিয়াল মাদ্রিদ আশাবাদী, ২০১৯-২০ মৌসুমের শুরু থেকেই নিয়মিত খেলে যেতে পারবেন রদ্রিগো।

    Rodrygo-2

    অন্যদিকে রিয়ালের ইন্টারন্যাশনাল স্কাউটিং ডিপার্টমেন্টের প্রধান হুনি ক্যালাফাতকে বার বার যেতে হচ্ছে সাও পাওলোয়। মাদ্রিদে এসে কি ধরনের খাবারের সঙ্গে অভ্যস্ত হতে হবে, সে প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। তাকে মাদ্রিদে উড়িয়ে আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে।

    যদিও সান্তোসের পক্ষ থেকে নাকি রিয়াল মাদ্রিদের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে, জুনে নয়, পুরো বছরটা রদ্রিগো কাটাক সান্তোসে। এরপর সে রিয়ালে আসুক। কিন্তু রিয়াল চায়, চুক্তি অনুযায়ী আগামী জুনেই রদ্রিগোকে বার্নাব্যুতে উড়িয়ে আনতে।

  • কেন মেসি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার?

    কেন মেসি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার?

    শীর্ষস্থানীয় ক্রীড়াবিজ্ঞানী সিমোন ব্রান্ডিশকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এই গ্রহের সেরা ফুটবল খেলোয়াড় কে? তিনি বললেন, ‘যদি জীবিত কেউ হন তবে তিনি মেসি’।

    এমনিতেই মেসিকে ফুটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে গ্রেটেস্টদের একজন ধরা হয়। মেসি সম্পর্কে এ কথা বলা হলে তা মোটেও চমকপ্রদ তথ্য নয়। কিন্তু সেরাদের সেরা নির্ণয়ে অনেকের মনে বিতর্ক থাকতেই পারে। বেশ কিছু পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এ বিতর্কের অবসান ঘটবে বলেই বিশ্বাস করেন ব্রান্ডিশ।

    তিনি বলেন, ‘বর্তমান হিসেবে প্রতি ৪৮ মিনিটে মেসি নিজে একটা গোল করেছেন কিংবা গোল করিয়েছেন। মাথায় রাখতে হবে যে, প্রতিটা গেম প্রায় ৯৫ মিনিট ধরে খেলা হয় (ইনজুরি সময় যোগ করে)। তারমানে প্রতিটা গেমে তিনি অন্তত দুবার করে বল জালে পাঠাতে অবদান রেখেছেন’।

    খুব অল্প সংখ্যক খেলোয়াড় এ হিসেবের ধারেকাছে আসতে পেরেছেন। ক্রিশ্চিয়ানো রোদালদোকে তুলনা করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে গোল করার হারে তিনি হয়তো এগিয়েও গেছেন। সর্বসাম্প্রতিক সময়ে লুইস স্যুয়ারেজ, নেইমার, কাইলিয়ান, এমবাপ্পে এবং মোহামেদ সালাহ তাদের ক্লাব এবং দেশের হয়ে গোল স্কোরিংয়ের হার দারুণভাবে বাড়িয়েছেন।

    ব্রান্ডিশের মতে, মেসির শ্রেষ্ঠত্বের বিষয়টি কেবল গোল স্কোরিংয়ের ওপর নির্ভর করে না। বরং ‘এক্সজি-বিল্ড’ নামের এক পরিসংখ্যানে তার স্কোরিংয়ের হারে কতটা ত্বরণ রয়েছে তাও বিবেচ্য। গোল করার সুযোগ আর্শীবাদ হয়ে বর্ষিত হয় গোলের প্রচেষ্টারত প্রতিটা খেলোয়াড়ের ওপর। অ্যাওয়ার্ড পয়েন্ট জোটে যিনি গোলের আগে শেষ পাসটি দিচ্ছেন এবং যিনি গোল করছেন সবার ভাগ্যে।

    উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, কোনো ডিফেন্ডারকে বল পাস দেয়ার মাধ্যমে যদি গোলকিপার প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, তবে ওই বলটি জালমুখী হওয়ার আগে কে ওটাকে উইঙ্গারের কাছে পাঠিয়ে দেবে? এ পরিস্থিতিতে ‘এক্সজি-বিল্ড’ পদ্ধতিতে গোলকিপার এবং ডিফেন্ডার দুজনই পরিসংখ্যানগত পয়েন্ট লাভ করবেন।

    অনেকের কাছে মেসির গোল স্কোরিং এবং গোল দেয়ার সুযোগ সৃষ্টির হার অন্যান্য খেলোয়াড়ের চেয়ে যৌক্তিকভাবে কম মনে হতে পারে। কারণ, অন্য খেলোয়াড়দের মাঠ চষে বেড়িয়ে গোলের সুযোগ সৃষ্টির প্রাথমিক প্রচেষ্টা আরো বেশি বিস্তৃত বলে মনে হতে পারে।

    কিন্তু ব্রান্ডিশের মতে ঘটনা তা নয়।

    ফুটবলের পরিসংখ্যান বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে ২০১৭-১৮ পুরো সেশনের তথ্য-উপাত্ত নিয়েছেন ব্রান্ডিশ। সেখানে দেখা গেছে, ‘এক্সজি-বিল্ড’-এ মেসির স্কোর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্ধর্ষ খেলোয়াড়দের চেয়ে এগিয়ে। এই দুর্ধর্ষ খেলোয়াড়দের তালিকায় রয়েছে চেলসির এডেন হাজার্ড, আর্সেনালের মেসুত ওজিল এবং টটেনহামের ক্রিশ্চিয়ান এরিকসেন। একই হিসেবে তিনি রোনালদো, সালাহ এংব নেইমারের মতো খেলোয়াড়কেও ছাড়িয়ে গেছেন।

    এরকম অনেকে হিসেব-নিকেশে মেসির স্কোরকৃত গোল, গোলের সুযোগ করে দেয়া এবং ‘এক্সজি-বিল্ড’ স্কোরের কথা উল্লেখ করে ব্রান্ডিশ মেসির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। আর সন্দেহবাতিকদের প্রতি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘তাহলে বিতর্কটা কোথায়?’

  • আড়াই হাজার কোটির বিনিময়ে এমবাপেকে চান জিদান

    আড়াই হাজার কোটির বিনিময়ে এমবাপেকে চান জিদান

    এই তো কিছুদিন আগেই ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমারকে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) থেকে ভাগিয়ে আনার জন্য কত রকমই না পরিকল্পনা করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ক্লাবটির সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ বহুবার প্রকাশ্যে নেইমারকে পাওয়ার আকাঙ্খা ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে ছাড়তে মোটেও রাজী নয় পিএসজি। এদিকে নেইমারকে নিয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে রিয়ালের দায়িত্ব নেওয়া জিনেদিন জিদানের কোনো আগ্রহ নেই। তার সমস্ত পরিকল্পনা এখন আরেক পিএসজি তারকা এমবাপেকে ঘিরে!

    রাশিয়া বিশ্বকাপে দুর্দান্ত খেলা এমবাপেকে ফুটবলবোদ্ধারা ইতিমধ্যেই বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যত মহাতারকা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। বিশ্বকাপ জয়ী ফরোয়ার্ডকে পাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ মূল দিতেও রাজী আছেন জিদান। ফরাসি ফুটবল ম্যাগাজিন ফ্রান্স ফুটবল জানিয়েছে, পিএসজি থেকে এমবাপেকে রিয়াল মাদ্রিদে আনতে নাকি জিদান ২৮০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে রাজী! বাংলাদেশি মুদ্রায় যে অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা!

    এমবাপের বয়স যখন ১৪ বছর; তখন থেকেই তাকে কেনার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। এরপর ২০১৭ সালে জিদানের প্রথম জামানায় তার জন্য ১৮০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে চেয়েছিল স্পেনের জায়ান্ট ক্লাবটি। কিন্তু এমবাপে অধরাই থেকে গেছেন। এবার ফ্রান্স ফুটবল আরও দাবি করেছে যে, এবার নাকি এমবাপেকে কেনার জন্য ২৮০ মিলিয়ন ইউরো আলাদা করে রাখা হচ্ছে।

    এর আগে আরেক স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা থেকে ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে পিএসজিতে গিয়েছিলেন নেইমার। তার সেই ট্রান্সফার রেকর্ড কি এবার তবে ভাঙতে যাচ্ছেন এমবাপে?

  • লড়াই করেও ফিলিস্তিনের কাছে হারলো বাংলাদেশ

    লড়াই করেও ফিলিস্তিনের কাছে হারলো বাংলাদেশ

    আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের চেয়ে ৯২ ধাপ এগিয়ে ফিলিস্তিন; কিন্তু রোববার বাহরাইনে দুই দেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের লড়াইয়ের চিত্র ছিল ভীন্ন। ফিফা র্যাংকিংয়ে ৯২ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটির বিরুদ্ধে মাঠে বুক চিতিয়েই লড়লো লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ১-০ গোলে হারলেও জেমি ডে’র শিষ্যরা কোনো ছাড় দেয়নি মধ্যপ্রাচ্যের দলটিকে। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিয়েই মাঠ ছেড়েছে পরাজয় নিয়ে।

    প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক বাহরাইনের কাছেও ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। তবে ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেও ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ৭০ মিনিটে বদলী মতিন মিয়া ফাঁকা পোস্টে বল পাঠাতে না পারায় অন্তত ড্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

    ২২ মিনিটে যে গোলে এগিয়ে যায় ফিলিস্তিন তা ছিল একটি পরিকল্পিত আক্রমণের ফল। এক এক করে ১১টি পাস দিয়ে বাংলাদেশের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেছেন হানি আবদুল্লাহ। প্রায় ৩৫ গজ দুর থেকে নেয়া তার শট বা দিকে ঝাঁপিয়েও আটকাতে পারেননি বাংলাদেশের গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো।

    Football

    প্রথমার্ধে রক্ষণাত্মক খেলা বাংলাদেশ বদলে যায় দ্বিতীয়ার্ধে। রক্ষণ আগলে প্রতিপক্ষের উপর বারবার চড়াও হয়েছে। ৬৪ মিনিটে ডান দিক থেকে সুফিলের নেয়া কর্নার ফিলিস্তিনের এক ডিফেন্ডারের পা হয়ে ডান পাশে গেলে ক্রস নিয়েছিলেন রবিউল। মাসুক মিয়া জনি হেডও নিয়েছিলেন। কিন্তু সে হেড চলে যায় পোস্ট ঘোঁষে বাইরে।

    ম্যাচে ফেরার ম্যাচের সহজ সুযোগ ছিল ৭০ মিনিটে। সুফিলের বাড়ানো বল ধরে বক্সে ঢুকেছিলেন মতিন মিয়া। গোলরক্ষক এগিয়ে এলে তাকে কাটিয়ে ফাঁকা পোস্ট পেয়েছিলেন মতিন। কিন্তু তার বা পায়ের দূর্বল শট পেছন থেকে এসে ক্লিয়ার কারেন ফিলিস্তিনের এক ডিফেন্ডার।

    দুই ম্যাচ হেরে অলিম্পিক বাছাইয়ের প্রথম পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো বাংলাদেশের। মঙ্গলবার বাংলাদেশ শেষ ম্যাচ খেলবে শ্রীলাংকার বিরুদ্ধে।

  • আট মাস পর ফিরে পুনরায় দলের বাইরে মেসি

    আট মাস পর ফিরে পুনরায় দলের বাইরে মেসি

    শুক্রবার রাতে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘ আট মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসি। কিন্তু ম্যাচে ১-৩ গোলে হেরে যাওয়ায় ফেরাটা সুখবর হয়নি তার।

    ম্যাচ শেষে পেয়েছেন আরও এক ধাক্কা। অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মাঠ ওয়ান্দা মেট্রোপলিটনে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচটিতে পুরো ৯০ মিনিটই খেলেছেন মেসি।

    কিন্তু ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে পুনরায় মাঠের বাইরে ছিটকে গিয়েছেন দলের অধিনায়ক মেসি। কুচকির ইনজুরির কারণে মরক্কোর বিপক্ষে মঙ্গলবারের প্রীতি ম্যাচটি খেলা হবে না মেসির।

    এদিকে মেসি ছাড়াও ইনজুরির কারণে দল থেকে ছিটকে পড়েছেন দলের মিডফিল্ডার গঞ্জালো মার্টিনেজ। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচে বাম ঊরুর পেশিতে চোট পেয়েছেন তিনি।

  • নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

    নেপালকে হারিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়ন ভারত

    মেয়েদের ফুটবলে দক্ষিণ এশিয়ার লড়াই মানেই ভারতের আধিপত্য। এ অঞ্চলের শক্তিশালী দেশটি তা আরেকবার প্রমাণ করলো সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা ধরে রেখে।

    শুক্রবার নেপালের বিরাটনগরে পঞ্চম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক মেয়েদের ৩-১ গোলে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো শিরোপা জিতলো ভারত।

    এ নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের এই ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালে ৪ বার মুখোমুখি হয়ে চারবারই হারলো নেপাল। গত আসরের ফাইনালে উঠেছিল বাংলাদেশ। এবার বাংলাদেশ বিদায় নিয়েছে সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরে।

    ফাইনালে ২৬ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ভারত। ৩৩ মিনিটে নেপাল ম্যাচ ফিরলেও শেষ রক্ষা করতে পারেনি। বিরতির পর ভারত আরো ২ গোল দিয়ে মাঠ ছাড়ে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে।