Category: ফুটবল

  • কাজানের পর আবার মেসি

    কাজানের পর আবার মেসি

    রাশিয়া বিশ্বকাপের পর প্রথম মেসিকে দেখা গেল আর্জেন্টিনার জার্সিতে। যে পোশাকে তাঁকে শিরোপা হাতে দেখতে উদ্গ্রীব পৃথিবীর জনসংখ্যার একটা বড় অংশ।

    কাজান অ্যারেনায় আলিরেজা ফঘিনি শেষ বাঁশিটা বাজানোর পর আকাশি নীলে লিওনেল মেসির শেষ দেখে ফেলেছিল অনেকেই। কোপা আমেরিকার শতবর্ষী স্মারক টুর্নামেন্টের ফাইনালে টাইব্রেকার মিস করার পর অভিমানে অবসর নিয়েছিলেন মেসি। এরপর বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব থেকে আর্জেন্টিনা যখন বিদায় নেয় নেয় অবস্থা, তখন অনেক সাধ্য-সাধনা করে ফিরিয়ে আনা হলো মেসাইয়াকে। অসম্ভব এক সমীকরণকে সম্ভব করে শেষ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে দলকে বিশ্বকাপের টিকিট পাইয়ে দিয়েছিলেন মেসি। সেই দলটাকেই কি না ভুলভাল কৌশল আর খেলোয়াড় বাছাইয়ের ফাঁদে ফেলে শেষ করে দিয়েছিলেন হোর্হে সাম্পাওলি। ফরাসি তারুণ্যের গতির কাছে পারেনি আর্জেন্টিনার দম ফুরিয়ে যাওয়া দলটি। এরপর মেসি অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় দলের বাইরে। সরাসরি কোনো ঘোষণা দেননি, তাই মেলতে শুরু করেছিল কল্পনার ডালপালা। মেসি কি তাহলে বিদায়ই বলে ফেললেন?

    সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে কোপা আমেরিকার আগে জাতীয় দলে ফিরলেন মেসি। ভেনিজুয়েলা ও মরক্কোর বিপক্ষে দুটো প্রীতি ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা, এর মধ্যে ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচটা মাদ্রিদেই। অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের মাঠ ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানোতে হবে ম্যাচটি। শুক্রবার ২২ মার্চ হতে যাওয়া এই ম্যাচটির জন্য অনুশীলন শুরু করেছে লিওনেল স্ক্যালোনির আর্জেন্টিনা দল, অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন মেসি।

    বার্সেলোনার হয়ে ফর্মের তুঙ্গেই আছেন এই আর্জেন্টাইন। টানা তিন ম্যাচে গোলের দেখা পেয়েই নীল-মেরুনটা বদলে আকাশি নীল গায়ে চড়াচ্ছেন তিনি। সব শেষ ম্যাচে রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক, তার আগের ম্যাচে চ্যাম্পিয়নস লিগে লিওঁর বিপক্ষে জোড়া গোল ও জোড়া অ্যাসিস্ট। নতুন একটা আর্জেন্টিনা দলই গঠন করছেন স্ক্যালোনি। হাভিয়ের মাসচেরানোর জায়গায় লিয়ান্দ্রো পারাদেসের নামটাই শোনা যাচ্ছে জোরেশোরে। সান্তিয়াগো আস্কেবিয়ার, রদরিগো বাত্তাগ্লিয়া, ইভান মারকোনেদের নিয়ে নতুন চেহারার আর্জেন্টিনা দলেই দেখা যাবে মেসিকে।

    ভেনিজুয়েলা ম্যাচের পর মরোক্কোর বিপক্ষেও প্রীতি ম্যাচ আছে আর্জেন্টিনার। সেই ম্যাচটিতে মেসির না খেলার কথাই শোনা গেছে। এএফএর অনেক শর্তের বেড়াজালের সঙ্গে বার্সেলোনা ক্লাবের চাপ এবং সামনে লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ থাকাতেই নাকি মেসিকে মরক্কো ম্যাচের জন্য ছাড়তে নারাজ ক্লাব। যদিও স্ক্যালোনি পরিষ্কার করে কিছু জানাচ্ছেন না, ‘সে একটা ম্যাচ খেলবে না দুইটা, সেটা পরে সিদ্ধান্ত নেব।’ অনুশীলনে দলের সবার সঙ্গেই গা গরম করাসহ সব ড্রিলগুলোতে অংশ নিয়েছেন মেসি। রাশিয়া বিশ্বকাপের পর প্রথম তাকে দেখা গেল আর্জেন্টিনার জার্সিতে। যে পোশাকে তাঁকে শিরোপা হাতে দেখতে উদগ্রীব পৃথিবীর জনসংখ্যার একটা বড় অংশ। মেইল, টিওয়াইসি

  • সেমিতে বাংলাদেশের সামনে ভারত

    সেমিতে বাংলাদেশের সামনে ভারত

    বয়সভিত্তিক দলে একাধিক সাফল্য বাংলাদেশ দলের। কিন্তু ভারতের মূল দলের বিপক্ষে কখনোই জয় পায়নি বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সেই শঙ্কা থেকেই সাফের সবচেয়ে সফল দলটাকে এড়াতে চেয়েছিল গোলাম রব্বানী ছোটনের দল। কিন্তু স্বাগতিক নেপালের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণের পর সেমিফাইনালে ভারতের সামনে পড়ার শঙ্কা জেগেছে বাংলাদেশের।

    শনিবার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতিক নেপালের কাছে ৩-০ গোলে হেরে গ্রুপ ‘এ’তে রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ। সেমিতে খেলবে গ্রুপ ‘বি’র সেরা দলের বিপক্ষে।

    অন্যদিকে গ্রুপ ‘বি’তে সেরা হওয়ার লড়াইয়ে অনেকটাই এগিয়ে ভারত। রবিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় কিংবা ড্র করলেও সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাবে সাফের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

    ভারতকে এড়াতে শনিবারের নেপাল ম্যাচই ছিল সাবিনা খাতুনদের ভরসা। ভারতের মতো নেপালের বিপক্ষেও কখনোই জয় না পাওয়া লাল-সবুজদের লক্ষ্য ছিল প্রথমবারের মতো ইতিহাসকে ভাঙার।

    কিন্তু রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে শনিবারের ম্যাচটা শুরুই হয়েছে বাংলাদেশের হোঁচট দিয়ে। ম্যাচের ছয় মিনিটের সময় বাংলাদেশের এক ডিফেন্ডারের হেডে বল নিজেদের জালেই জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় নেপাল। সেই গোল তো শোধ করা হয়নি, উল্টো ২১ মিনিটে নেপালি কড়া আক্রমণের মুখে দ্বিতীয়বার গোল খেয়ে বসেন সাবিনা খাতুনরা। এর ঠিক পাঁচ মিনিট পর তৃতীয় গোল হজম করে প্রথমার্ধেই ছিটকে যায় বাংলাদেশ।

    দ্বিতীয়ার্ধে নেপালি ফুটবলাররা বারকয়েক সুযোগ হাতছাড়া করায় হারের ব্যবধানটা আর বাড়েনি বাংলাদেশের।

  • ভুটানের বিরুদ্ধে জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলাদেশের

    ভুটানের বিরুদ্ধে জয়ের হ্যাটট্রিক বাংলাদেশের

    নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভুটানের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবারের জয়টি বাংলাদেশের টানা তিন। দক্ষিণ এশিয়ার মেয়েদের ফুটবলে সবচেয়ে বড় এ টুর্নামেন্টে আগে দুইবার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-ভুটান। দুইবারই জয় লাল-সবুজের দেশের।

    তবে প্রথম আসরের মতো আর গোল বন্যায় ভুটানকে ভাসাতে পারছে না সাবিনারা। ২০১০ সালে কক্সবাজারে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরে গ্রুপ পর্বে ভুটানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জয় ছিল ৯-০ গোলের।দুই বছর পর কলোম্বয় বাংলাদেশ জিতেছিল কোনোমতে ১-০ ব্যবধান। বৃহস্পতিবারের জয় ২-০ গোলে।

    নেপালের বিরাটনগরে এ ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশ-ভুটানের জন্য দুই রকম গুরুত্বের। জিতলেই সেমিফাইনাল। ড্র করলে বা হারলেও টিকে থাকতো সম্ভাবনা; কিন্তু ভুটানের জন্য ছিল বাঁচা-মরার লড়াই। নেপালের কাছে ৩-০ গোলে হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করায় এ ম্যাচে জয়ের বিকল্প ছিলনা ভুটানি মেয়েদের। তারা হার এড়াতে পারেনি।

    দুই ম্যাচের দুটিতে হেরে ৬ জাতির এ টুর্নামেন্ট থেকে সবার আগে বিদায় নিয়েছে ভুটান। আর বাংলাদেশের সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়ায় নেপালেরও নিশ্চিত হয়ে যায় শেষ চারে খেলা।

    দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলে বড় মুখ বাংলাদেশের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। সর্বশেষ আসরে ৭ গোল করা সাবিনা এ নিয়ে খেলছেন পঞ্চম সাফ। গোল করেছেন প্রথম ম্যাচেই। ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলটি করেছেন সাবিনা। দুর্দান্ত গোলে নিজের জাতটাও যে চিনিয়েছেন দেশের সবচেয়ে সিনিয়র এই নারী ফুটবলার।

  • রোনালদোকে প্রশংসায় ভাসালেন মেসি

    রোনালদোকে প্রশংসায় ভাসালেন মেসি

    ঘরের মাঠে অলিম্পিক লিওঁ’র বিপক্ষে রীতিমত গোল উৎসব করলো কাতালানরা। তবে ম্যাচের আসল নায়ক অবশ্যই আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসি। নিজে ২ গোল করলেন, সতীর্থদের দিয়ে করালেন ২ গোল। আর তাতেই দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ গোলের ব্যবধান নিয়ে কোয়ার্টারে পা রাখলো কাতালান জায়ান্টরা।

    এ ম্যাচ শেষে আসরটির শেষ আটে বার্সা যোগ দিল লিভারপুল, ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, টটেনহ্যাম, জুভেন্টাস, আয়াক্স ও পোর্তোর সঙ্গে। আর এই দলগুলোর ভিতর ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাসের খেলা মেসিকে অবাক করেছে। যেখানে আবার খেলেন তার ফুটবল জীবনে সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

    শেষ ষোলোর প্রথম লেগে জুভিরা অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের ঘরের মাঠে ২-০ গোলে হেরে এসেছিল। ফলে ফিরতি লেগে নিজেদের মাঠে বড় কিছুই করতে হতো ম্যাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির শিষ্যরাদের। আর এই দায়িত্বটা কাঁধে তুলে নেন রোনালদোই। হ্যাটট্রিক করে দলকে ৩-০ গোলে জিতিয়ে নিয়ে যান কোয়ার্টারে।

    বুধবার ম্যাচ জিতে মেসি জুভেন্টাস ও রোনালদো সম্পর্কে বলেন, ‘এটা বেশ অবাক করার মতো বিষয়, কেননা আমি ভেবেছিলাম অ্যাতলেটিকো কঠিন দল হবে। তবে জুভেন্টাস তাদের হটিয়ে দিল। আর ক্রিস্টিয়ানোর জন্য রাতটি ছিল জাদুকরী, সে তিনটি গোল করেছে।

  • এজন্যই আমাকে কিনেছে জুভেন্টাস : রোনালদো

    এজন্যই আমাকে কিনেছে জুভেন্টাস : রোনালদো

    উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের মাঠ থেকে ০-২ গোলে হেরে বাড়ি ফিরেছিল ইতালিয়ান ক্লাব জুভেন্টাস। অনেকেই ধরে নিয়েছিল অ্যাতলেটিকোর জমাট ডিফেন্স ভেঙে দ্বিতীয় লেগে জিততে পারবে না তুরিনোর বুড়িরা।

    কিন্তু নিন্দুক-সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করে দিয়ে ঘরের মাঠে ৩-০ গোলের জয় দিয়েই শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইতালিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের তিন গোল একাই করেছেন চলতি মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে নাম লেখানো পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

    ম্যাচ শেষে দলকে শেষ আটের টিকিট পাইয়ে দেয়ার তৃপ্তি দেখা গিয়েছে রোনালদোর চোখে মুখে। তবে নিজে হ্যাটট্রিক করে ম্যাচ জেতানোয় নেই বাড়তি দাম্ভিকতা। তার মতে ঠিক এ কাজের জন্যই জুভেন্টাস তাকে দলে ভিড়িয়েছে।

    নিজের হ্যাটট্রিকের প্রসঙ্গে রোনালদো বলেন, ‘ঠিক এ কারনেই তো জুভেন্টাস আমাকে দলে নিয়েছে। যাতে করে এতদিন ধরে তারা যা করতে পারেনি তা করতে আমি সাহায্য করতে পারি। আসলে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে আপনার এমন মানসিকতাই প্রয়োজন। অন্যথায় (শিরোপা জেতা) সম্ভব নয়।

    এসময় ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব দলের প্রত্যেক খেলোয়াড়ের মাঝে ছড়িয়ে দেন রোনালদো। তিনি বলেন, ‘আমি শুধু আমার কাজটা করেছি এবং তা করতে পেরে আমি খুব খুশি। আজকের রাতটা জাদুকরী। অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ সবসময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ। তবে আমরাও যে শক্তিশালী সেটিই প্রমাণ করে দিয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাচ্ছিলাম যাতে বিশেষ একটি রাত উদযাপন করতে পারি এবং সেটিই হয়েছে মাঠে। শুধু আমার গোলগুলোর জন্য নয়, পুরো দলই দুর্দান্ত খেলেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলতে হলে এমন মানসিকতাই প্রয়োজন। তাই আমরা গর্ববোধ করতেই পারি।

  • প্রতি বছরের শুরুতে বঙ্গমাতা শেষে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ

    প্রতি বছরের শুরুতে বঙ্গমাতা শেষে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ

    কাজটি চ্যালেঞ্জের। তারপরও প্রতি বছর দু’টি আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি কাজী মো. সালাউদ্দিন।

    মঙ্গলবার প্রথম বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপের লোগো উন্মোচন ও ড্র অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে বাফুফে সভাপতি বলেছেন, ‘আমরা প্রতিবছর বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ করে আসছি। এখন থেকে পুরুষদের এ টুর্নামেন্টের পাশপাশি নারীদের যে বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ শুরু করছি এটাও হবে প্রতি বছর।

    তিনি দু’টি টুর্নামেন্টের সময়ও ঠিক করেছেন ইতিমধ্যে। বঙ্গমাতা টুর্নামেন্ট আয়োজন করবেন বছরের শুরুর দিকে আর বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ বছরের শেষের দিকে। বাংলাদেশের মেয়েদের ফুটবল মানেই বয়সভিত্তিক খেলোয়াড়দের প্রাধান্য। জাতীয় দল এখনো পরিপক্ক হয়ে উঠেনি।

    যে কারণে এ অঞ্চলের নতুন এ টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে বয়সভিত্তিক। কয়েক বছর পর নারীদের এ টুর্নামেন্ট জাতীয় দল নিয়ে করবে বাফুফে।

    ‘আজকের দিনটা আমার জন্য খুবই স্মরণীয়। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপের পর আমরা বঙ্গমাতা আন্তর্জাতিক গোল্ডকাপ করতে যাচ্ছি। এএফসি ও ফিফার ব্যস্ত সূচির মধ্যে টুর্নামেন্ট আয়োজনের দল ও শিডিউল পাওয়া কঠিন। অনেক দেশই এখন আর নিজেদের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট করতে পারছে না। নেহেরু ও মারদেকা কাপের মতো টুর্নামেন্টও অনিয়মিত। কিন্তু আমরা প্রতি বছর দুটি টুর্নামেন্ট করবো। একটি ছেলেদের ও একটি মেয়েদের’- বলেছেন বাফুফে সভাপতি।

    বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ সম্প্রচার করবে সেরকারী টিভি চ্যানেল আরটিভি ও নাগরিক টিভি। টুর্নামেন্টের থিমসংয়ে কন্ঠ দিয়েছেন মমতাজ। ড্র অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে মমতাজ ও তার সঙ্গীদের কন্ঠে ‘এগিয়ে যাওয়ার নেই মানা’ থিমসং পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। টুর্নামেন্টের মিডিয়া পার্টনার আরটিভির সিইও সৈয়দ আশিক রহমান ও নাগরিক টিভির সিইও আব্দুন নূর তুষার উপস্থিত ছিলেন।

  • নেইমার-এমবাপে দু’জনকেই চায় রিয়াল

    নেইমার-এমবাপে দু’জনকেই চায় রিয়াল

    আগেই খবর প্রকাশিত, রিয়ালে ফেরার জন্য ৬টি শর্ত দিয়েছিলেন জিনেদিন জিদান। যার মধ্যে একটি অন্যতম শর্ত হচ্ছে, নেইমারকে আনা যাবে না বার্নাব্যুতে। তবে আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে নেইমারের সতীর্থ কাইলিয়ান এমবাপেকে।

    কিন্তু দ্বিতীয় দফায় রিয়াল মাদ্রিদের দায়িত্ব নেয়ার পর জিদানকে নিয়ে যে সংবাদ সম্মেলন করলেন ফ্লোরন্তিনো পেরেজ, সেখানেই এক প্রশ্নের জবাবে নেইমার এবং এমবাপে- দু’জনকেই রিয়ালে চান বলে জানালেন ক্লাবটির প্রেসিডেন্ট। যদিও তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, যেভাবেই হোক এমবাপেকে নতুন গ্যালাক্টিকো হিসেবে চান তিনি।

    কিয়েভে লিভারপুলকে হারিয়ে টানা তৃতীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের পরদিনই রিয়াল ছাড়ার ঘোষণা দেন জিদান। এর মধ্যে দুইজন কোচ বদল করলো রিয়াল। হুলেন লোপেতেগুই এবং সান্তিয়াগো সোলারি। ৯ মাস পর আবারও বার্নাব্যুতে ফিরে এলেন তিনি। চলতি মৌসুমের এখনও ৩ মাস বাকি। ম্যাচ বাকি ১১টা। এরই মধ্যে তৃতীয় কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জিদান।

    সোমবার সন্ধ্যায় জিদানকে কোচ হিসেবে ঘোষণার পর দ্বিতীয় মেয়াদে তাকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য আয়োজিত প্রেস কনফারেন্সে কাইলিয়ান এমবাপে সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় রিয়াল প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজকে। তখন হাসি দিয়েই তিনি উত্তর দেন, ‘জিদান হচ্ছেন একজন ফরাসি। সুতরাং, আমার মনে হয় আরেকজন ফরাসি কাইলিয়ান এমবাপের সঙ্গে জিদান ভালো কিছু একটা করতে পারবেন (অথ্যাৎ, এমবাপেকে নিয়ে আসতে পারবেন)।

    এমবাপেকে কিনতে হলে অন্তত আগামী মৌসুম পর্যন্ত তো অপেক্ষা করতে হবে। এরই মধ্যে মৌসুমের বাকি এখনও লম্বা একটা সময়। এই সময়টার দিকেও তাকাতে চান পেরেজ। তিনি বলেন, ‘এখনও মৌসুমের অনেক সময় বাকি। আমরা সবাই মৌসুম শেষ করার দিকেই নজর দিচ্ছি। এরপরই আগামী মৌসুমের জন্য প্রস্তুতি নেবো।’

    জিদান দ্বিতীয় মেয়াদে কোচ হয়ে আসার আগেই মিডিয়ায় রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে, গুঞ্জন শুরু হয়েছে যে, নেইমারকে পিএসজি থেকে কিনতে রেকর্ড পরিমান ট্রান্সফার ফি’র প্রস্তাব দেবে রিয়াল মাদ্রিদ। এমনকি সেটা ৩৫০ মিলিয়ন ইউরো পর্যন্তও।

    পেরেজের কাছে জানতে চাওয়া হয়, দুই পিএসজি তারকা নেইমার-এমবাপের কথা শোনা যাচ্ছে। কাকে দলে নিতে চান তারা? জবাবে ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ এক কথায় উত্তর দেন, ‘দু’জনকেই চাই।’

    জিদান দ্বিতীয় মেয়াদে রিয়ালে যোগ দেয়ার পর শোনা যাচ্ছে, অন্তত ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ডের ট্রান্সফারের স্বাধীনতা এই মৌসুমে তাকে দেয়া হচ্ছে। কারণ, ক্লাবকে পরিপূর্ণভাবে ঢেলে সাজাতে চান তিনি। এ কারণে একজন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার, দুইজন মিডফিল্ডার এবং একজন স্ট্রাইকারকে নতুন করে দলে ফেরাতে চান তিনি।

    এরই মধ্যে খবর রটে গেছে, চেলসির বেলজিয়ান তারকা ইডেন হ্যাজার্ডকে রিয়াল মাদ্রিদ দলে পেতে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দিয়ে ফেলেছে। যদিও চেলসির ওপর ট্রান্সফার বিষয়ক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবুও, রিয়াল মাদ্রিদ তাদের মিডফিল্ডকে শক্তিশালী করার জন্য হ্যাজার্ডকেই এখন পেতে চাইছে সবচেয়ে বেশি।

  • বেনজেমার জোড়া গোলে জয়ের মুখ দেখল রিয়াল

    বেনজেমার জোড়া গোলে জয়ের মুখ দেখল রিয়াল

    করিম বেনজেমার জোড়া গোলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তিন হারের পর জয়ের দেখা পেল লা লিগার রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। লিগটির অখ্যাত দল রিয়াল ভাইয়াদলিদের বিপক্ষে শুরুতে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বীতায় পড়েছিল সান্তিয়াগো সোলারির শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা থেকে প্রায় ছিটকে যাওয়া দলটি। এই জয়ে অন্য দুই গোলদাতা রাফায়েল ভারানে ও লুকা মদ্রিচ।

    ম্যাচের ১২তম মিনিটে ডি-বক্সে স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড সের্হিও গার্দিওলাকে ডিফেন্ডার আলভারো ওদ্রিওসোলা ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ভাইয়াদলিদ। স্পট কিকে বল অনেক উপর দিয়ে উড়িয়ে মারেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রুবেন আলকারাস। ৩ মিনিট পর গার্দিওলা জালে বল পাঠালেও ভিএআরের সাহায্যে তা অফসাইড প্রমাণিত হয়। অবশেষে ২৯তম মিনিটে গার্দিওলার পাস থেকে ১৩ ম্যাচে একটি জয় পাওয়া ভাইয়াদলিদকে একমাত্র গোল এনে দেন মিডফিল্ডার মোহামেদ তুহামি।

    ৩৪তম মিনিটে প্রতিপক্ষ গোলকিপারের ভুলে সমতায় ফেরে রিয়াল। জর্দি মাসিপ বল ফিস্ট করে ফেরাতে গিয়ে ব্যর্থ হলে গোলমুখে পেয়ে যান রাফায়েল ভারানে। টোকা দিয়ে বল জালে ঠেলে দেন ফরাসি এই ডিফেন্ডার। দ্বিতীয়ার্ধের ৫১তম মিনিটে বেনজেমার সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় রিয়াল। ওদ্রিওসোলা ডি-বক্সে ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টিটি পায় তারা। আর ৫৯তম মিনিটে টনি ক্রুসের কর্নারে হেডে ব্যবধান বাড়ান ফরাসি ফরোয়ার্ড। চলতি লিগে এই নিয়ে ১৩ গোল করলেন বেনজেমা।

    ৭৭তম মিনিটে আবারও গোলবঞ্চিত হয় ভাইয়াদলিদ। গার্দিওলার ভলি গোলকিপারকে পরাস্ত করলেও পোস্টে লেগে ফিরে যায়। ৩ মিনিট পর প্রতিপক্ষকে ফ্রি-কিক নিতে বাধা দিয়ে কাসেমিরো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দল হয়ে যায় রিয়াল। ৮৫তম মিনিটে বেনজেমার পাস পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে একজনকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে মাদ্রিদের জয় নিশ্চিত করেন ক্রোয়েশিয়ান তারকা লুকা মদ্রিচ। ২৭ ম্যাচে ১৬ জয় ও তিন ড্রয়ে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ।

  • পাঁচ মাস পর মাঠে নেমেই দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

    পাঁচ মাস পর মাঠে নেমেই দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

    ফিফা র‌্যাংকিং, প্রচণ্ড গরম, ঘাসের মাঠ আর গ্যালারির দর্শক- সবকিছুই প্রতিকূলে। এত প্রতিকূলতার বিপক্ষে লড়াই করে বাংলাদেশ জিততে পারবে, এমন প্রত্যাশা মুখে বললেও অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করা কঠিন। মুখে বলেছিলেন কোচ জেমি ডে। কম্বোডিয়া যাওয়ার আগেই বলেছিলেন, ম্যাচটা জিততে চাই। অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া বলেছিলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে খেলছি। একটা জয় আশা করতেই পারি।

    কথা রাখলেন কোচ, অধিনায়ক এবং বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা। নমপেনের পনম পেন অলিম্পিক স্টেডিয়ামে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে স্বাগতিক কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে জয়সূচক অসাধারণ গোলটি করেন পরিবর্তিত খেলোয়াড় রবিউল হাসান।

    ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ২০ ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশ। সর্বশেষ প্রকাশিত র‌্যাংকিং অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ১৯২ এবং কম্বোডিয়ার অবস্থান ১৭২তম স্থানে। র‌্যাংকিং হিসেব করলেন নিশ্চিত এগিয়ে কম্বোডিয়ানরা।

    তারওপর, তারা খেলেছে নিজেদের মাঠে। বাংলাদেশে এখনও শীত পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। সকাল-সন্ধ্যা শীত শীত একটা পরিবেশ। এখান থেকে নমপেনে গিয়ে বাংলাদেশের ফুটবলাররা পড়েছে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। নমপেনের তাপমাত্রা ৩৫-৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। মাঠটাও আর্টিফিসিয়াল টার্ফের।

    আগের দিনও বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের নমপেনে অনুশীলন করতে বেশ কষ্ট করতে হয়েছে। আজও প্রচণ্ড গরমের মধ্যে খেলতে হয়েছে জামাল ভূঁইয়াদের। কিন্তু ৫ মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমে নিজেদের যেভাবে উজ্জীবিত করে তুলেছিল বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা, তা ছিল অসাধারণ।

    ম্যাচের প্রথম থেকেই কম্বোডিয়ার জালে ছিল বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণের পসরা। বার বার আক্রমণ করেও অবশ্য গোল পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। কম্বোডিয়ার গোলরক্ষকই ছিল যেন বাংলাদেশের সামনে বড় প্রতিপক্ষ। কিন্তু ৮৩ মিনিটে আর দলকে রক্ষা করতে পারেননি স্বাগতিকদের গোলরক্ষক।

    পাল্টা আক্রমণে মাঝ মাঠ থেকে লেফট উইংয়ে বল পান ১৬ নম্বর জার্সিধারী, পরিবর্তিত ফুটবলার মাহবুবুর রহমান সুফিল। নাবীব নেওয়াজ জীবনের পরিবর্তে তাকে মাঠে নামান কোচ জেমি ডে। লেফট উইং ধরে বল নিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসেন সুফিল। কম্বোডিয়ান এক ডিফেন্ডার তাকে থামানোর জন্য শরীরের সাথে লেগে থাকলেও সুফিল দারুণ দক্ষতায় বক্সের বাম পাশে এগিয়ে আসা মাহবুবুর রহমানকে পাস দেন।

    চলমান বলে বাম পায়ের টোকা দেন মাহবুবুর রহমান। সেটিই শেষ পর্যন্ত ফাঁকি দিলো কম্বোডিয়ার গোলরক্ষককে। তার মাথা এবং কাঁধের ফাঁক দিয়ে বল গিয়ে প্রবেশ করল কম্বোডিয়ার জালে। এই গোলটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে রইল জয় নির্ধারক হিসেবে।

    কম্বোডিয়ার সঙ্গে আগের তিন সাক্ষাতে দুবারই জিতেছে বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ জেতে ২-১ গোলে। পরের বছর দিল্লিতে নেহরু কাপে ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচ। আর ২০০৯ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে বাংলাদেশ জিতেছিল ১-০ গোলে। এবার নিয়ে চার সাক্ষাতে ৩বারই জিতল বাংলাদেশ।

  • রেফারিই বাদ করেছেন পিএসজিকে : নেইমার

    রেফারিই বাদ করেছেন পিএসজিকে : নেইমার

    চ্যাম্পিয়নস লিগে আবারও স্বপ্ন ভাঙলো প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি)। নিজেদের মাঠ পার্ক ডি প্রিন্সেসে ম্যাচের ইনজুরি সময়ে, তথা ৯৪ মিনিট পর্যন্তও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-১ গোলে পিছিয়ে ছিল পিএসজি। তাতেও সমস্যা ছিল না, গোল গড়ে তারাই কোয়ার্টার ফাইনালে চলে যেত।

    কিন্তু সর্বনাশটা ঘটে গেলো ইনজুরি সময়ে। হঠাৎই পেনাল্টি পেয়ে গেলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে পুরো পার্ক ডি প্রিন্সেসকে স্তব্ধ করে দিলেন মার্কাস রাশফোর্ড। ওই এক গোলেই যে পিএসজিকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড!

    স্বভাবতই ম্যাচ শেষেও কথা হচ্ছে শেষ মুহূর্তের ওই পেনাল্টি নিয়ে। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নিয়েও অনেকটা সময় সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি মাঠের রেফারিরা। পরে পেনাল্টিই দেয়া হয়। যেটি নিয়ে ভীষণ ক্ষেপেছেন নেইমার। চোটের কারণে মাঠের বাইরে থাকা পিএসজির এই ব্রাজিলিয়ান তারকা দলের বিদায়ের জন্য পুরো দায়ই দেখছেন রেফারির।

    ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে নেইমার ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘এটা আসলেই লজ্জাজনক! উয়েফা এমন চারজনকে নিয়োগ দিয়েছে, যারা স্লো মোশনে ভিআরের সিদ্ধান্ত কিভাবে নিতে হয় তার কিছুই জানে না। এটা কোনোভাবেই হ্যান্ডবল ছিল না। পেছনে আপনি কিভাবে হ্যান্ডবল দেন? আহ।’

    নকআউটের প্রথম লেগে ২-০ ব্যবধানে হারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অবিশ্বাস্যভাবে প্রতিপক্ষের মাঠ থেকে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছে। চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে ঘরের মাঠে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর কোনো দলের ঘুরে দাঁড়ানোর ঘটনা এবারই প্রথম।