Category: ফুটবল

  • রোনালদো না থাকাতেই রিয়ালের এই করুণ অবস্থা

    রোনালদো না থাকাতেই রিয়ালের এই করুণ অবস্থা

    মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে দুটি এল ক্ল্যাসিকো। তাও আবার ঘরের মাঠে। রিয়াল মাদ্রিদ খেলেছে নিজেদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে। কিন্তু লজ্জাজনকভাবে দুটি এল ক্ল্যাসিকোতেই হারতে হয়েছে লজ ব্লাঙ্কোজদের।

    এল ক্ল্যাসিকোয় না হয় প্রতিপক্ষ ছিল বার্সেলোনা। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের পুঁচকে ক্লাব আয়াক্সের কাছে হেরে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের, সেটা হয়তো কল্পনাও করতে পারেনি কেউ।

    মঙ্গলবার রাতে নিজেদের মাঠেই আয়াক্সের কাছ থেকে চার গোল হজম করতে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-৫ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিতে হয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সবচেয়ে বেশি সফল হওয়া দলকে।

    আয়াক্সের কাছে এমন পরাজয়ের পর এখন বিশ্বজুড়ে মাতম চলছে মাদ্রিদিস্তাদের মধ্যে। সবাই খোঁজার চেষ্টা করছে, কেন এমন হলো? কি সমস্যা ছিল রিয়াল মাদ্রিদের? ঘরের মাঠে বার্সার মত দলের কাছে না হয় হার মেনে নেয়া যায়, কিন্তু টানা তিনটি হার, যার মধ্যে আয়াক্সের মত দলের কাছেও ৪ গোল হজম করতে হয়! রীতিমত অবিশ্বাস্য।

    মাদ্রিদ সমর্থকরা যখন এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন, তখন বিশ্বখ্যাত সাবেক দুই ফুটবলার হল্যান্ডের রুদ খুলিত এবং ফ্রান্সের মার্সেল দেশাই দিয়েছেন এর দারুণ উত্তর। তাদের দু’জনের চোখেই, রিয়াল মাদ্রিদের এমন করুণ দশার একমাত্র কারণ, রোনালদোর না থাকা।

    বেইন স্পোটর্সে রিয়াল মাদ্রিদের পরাজয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এক আলোচনায় অংশ নেন দু’জন। সেখানেই তাদের দু’জনের আলোচনায় উঠে এসেছে, কোচ জিদান এবং ফুটবলার রোনালদোর অনুপস্থিতিই রিয়াল মাদ্রিদের এতন শোচনীয় অবস্থার সবচেয়ে বড় কারণ।

    রুদ খুলিত এবং মার্সেল দেশাই বলেন, ‘যখন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে বেচে দেয়া হচ্ছে, জানতে পেরে রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে দারুণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন জিনেদিন জিদান। সোলারির (রিয়ালের বর্তমান কোচ) হাতে কি একজন ক্রিশ্চিয়ানো রয়েছে? না, নেই।’

    সাবেক এই দুই তারকা ফুটবলারের মতে, রোনালদো তো অন্তত মৌসুমে ৫০টি গোল করতেন। সেখান থেকেই তো অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল। তারা বলেন, ‘জিদানের হাতে এমন একজন ছিলেন, যে কি না আপনাকে মৌসুম শেষে ৫০টি গোলের নিশ্চয়তা দিচ্ছে। এটা ছিল রোনালদো। এখন রোনালদো নেই, সেই ৫০ গোলও নেই।’

    এরপর তারা দু’জন বলেন, ‘৫০ গোল? আসুন, দেখে নেয়া যাক- রিয়াল মাদ্রিদ এখন এই ৫০ গোল পেছনে। যে কি না সব সময়ই দলটাকে একটা জেলখানা থেকে বের করে আনতেন। যখন জিনেদিন জিদানের কোনো পরিকল্পনাই কাজে লাগতো না, তখন স্কোর করে জিদান পার্থক্য তৈরি করে দিতেন। এটা সবসময়ই করতেন কেবলমাত্র রোনালদো! রোনালদো! রোনালদো! এমনটি সেটা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও।

  • জয় সংখ্যায়ও এগিয়ে গেল বার্সেলোনা

    জয় সংখ্যায়ও এগিয়ে গেল বার্সেলোনা

    ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বার্সেলোনা, ১৯০২ সালে রিয়াল মাদ্রিদ। প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে দুই দলের দেখা ১৯১৬ সালের কোপা দেল রে’র সেমিফাইনালে। তখন অবশ্য এতটা রেষারেষি ছিল না দুইপক্ষে। তিন বছরের ছোট-বড় এই দুই ক্লাবের মধ্যে বৈরিতার শুরু ১৯৩০-এর দশকে।

    স্প্যানিশ স্বৈরশাসক জেনারেল ফ্রাংকো ক্যু করে ক্ষমতা দখল করার পর কমিউনিস্ট, বিচ্ছিন্নতাবাদী, স্বাধীনতাকামীসহ আর যাদের ওপর দমন-পীড়ন চালিয়েছিলেন, তাদের ভেতর কাতালানরাও ছিল। ফ্রাংকোর সেনাদের হাতে প্রাণ হারাতে হয়েছে বার্সেলোনা ক্লাবের প্রেসিডেন্টকেও। ১৯৩৬ সালের কোপা আমেরিকার ফাইনাল আর ১৯৪৩ সালের সেমিফাইনাল, এই দুটি ম্যাচকে ঘিরে ঘটে যাওয়া ঘটনাপ্রবাহই দল দুটিকে পরিণত করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীতে।

    সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরো অনেক কিছুই যোগ হয়েছে ইতিহাসের এই অধ্যায়ে, তবে একটি ব্যাপারে অনেক দিন ধরে এগিয়ে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। সেটা এল ক্লাসিকো জয়ের সংখ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক ‘এল ক্লাসিকো’ ম্যাচে ১৯৩২ সাল থেকে জয় সংখ্যায় এগিয়ে ছিল রিয়াল, ৮৭ বছর পর তাদের টপকে গেল বার্সেলোনা। রিয়ালের ৯৫ জয় ছাপিয়ে বার্সার জয় সংখ্যা এখন ৯৬। সবশেষ শনিবার রাতে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে ইভান রাকিটিচের একমাত্র গোলে রিয়ালকে হারাল বার্সা।

    সাম্প্রতিক অতীতে অবশ্য রিয়ালের চেয়ে বার্সার জয়ের পাল্লাই ভারী। ২০১৭ সালের স্প্যানিশ সুপার কাপের দুটি লেগেই জিতেছিল রিয়াল, এরপর মাদ্রিদের অভিজাতরা আর পেরে ওঠেনি কাতালানদের সঙ্গে। বর্তমান মৌসুমে লা লিগার দুটি ম্যাচের ফল যথাক্রমে ৫-১ এবং ১-০।

    কোপা দেল রে’তে সেমিফাইনালে দেখা হয় দুই দলের, ফল ১-১ এবং ৩-০। এল ক্লাসিকোয় ক্রমশ রং হারাতে থাকা রিয়াল তাই শেষ পর্যন্ত খুইয়েই ফেলে জয়ের সংখ্যায় এগিয়ে থাকার অতীত গৌরবের মুকুটটা। ৯৬ জয় নিয়ে রিয়ালকে পেছনে ফেলে দিল কাতালানরা। ফেব্রুয়ারির ৬ থেকে মার্চের ২—এই ২৪ দিনে তিনবার মুখোমুখি হয়েছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। রিয়াল জিততে পারেনি একবারও। সবশেষ ম্যাচের ২৬ মিনিটে রাকিটিচের করা একমাত্র গোলেরও কোনো জবাব ছিল না সান্তিয়াগো সোলারির দলের কাছে। সের্গি রবার্তোকে পাস দিয়ে সামনে ছোটেন রাকিতিচ, রবার্তো ফের পাস দেন তাঁকেই। অনেকটাই মেসিসুলভ ড্রিবলিংয়ে ডান প্রান্ত দিয়ে ঢুকে স্লাইড করে আসা ডিফেন্ডারের শরীরের ওপর দিয়ে বলটা জালে পাঠিয়ে দেন ক্রোয়াট তারকা।

    এল ক্লাসিকো মানেই উত্তেজনা, স্নায়ুর চাপ। রামোসের সঙ্গে মাঠে অনেকবারই লেগে গেছে মেসির। রামোস মেসির মুখে চাপ দিয়ে ধরেছেন, জেরার্দ পিকে তো বলেছেন নাক দিয়ে রক্ত বেরিয়ে এসেছিল মেসির। রামোস পরে বলেছেন, ‘খেলায় এমন হয়ই।’ পিকে খেপে গিয়ে বলেছেন, ‘লিওর মুখে রক্ত চলে এসেছিল। পরিষ্কার আগ্রাসী আক্রমণ।’

    গত বছরের শেষ দিকেই সান্তিয়াগো সোলারির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদটা বাড়িয়ে ২০২১ পর্যন্ত করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে দুটি ক্লাসিকোয় নখদন্তহীন পারফরম্যান্স হয়তো এই মৌসুম শেষেই এই আর্জেন্টাইনকে মাদ্রিদ ছাড়তে বাধ্য করবে। শুধু তা-ই নয়, আঙুল উঠছে রিয়ালের বেশ কজন জ্যেষ্ঠ ফুটবলারের দিকে। তাঁদের মধ্যে আছেন টোনি ক্রোস, গ্যারেথ বেল, করিম বেনজিমা। রিয়ালের অধিনায়ক সের্হিও রামোস দুষছেন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের, ‘আমাদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়তো নয়, তবে সত্যি কথাটা হচ্ছে আগের দিনের মতোই আমরা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারিনি। শেষ পর্যন্ত ফুটবল হচ্ছে গোলের খেলা। আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু গোল করতে না পারলে সব কিছু হাতছাড়া হতে থাকবে।

    স্প্যানিশ ফুটবল বিশেষজ্ঞ হোসে ফেলিক্স দিয়াসের বিশ্লেষণ, ‘রিয়ালের গোল করার মানুষ যদি হয় ভিনাসিয়াস আর রেগালো, তাহলে কোথাও একটা সমস্যা আছে। তাদের বয়স হচ্ছে ১৮ এবং ২২ বছর, তারা হচ্ছে সবচেয়ে কম বয়সী দুজন অথচ তারাই নাকি প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বড় হুমকি!’ ১৮০ মিনিট ধরে রিয়াল সমর্থকরা দেখলেন অক্ষম এক রিয়াল মাদ্রিদকে, যারা বার্সেলোনার জালে একবারও বল পাঠাতে পারেনি। ২০১৭ সালে সুপার কাপে বেনজিমার গোলের পর বার্নাব্যুতে আর গোল হয়নি ক্লাসিকোতে, সব মিলিয়ে ৩০০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে নিজ মাঠে বার্সার বিপক্ষে গোল করতে পারছে না রিয়াল। হারের পর সোলারির অকপট স্বীকারোক্তি, ‘আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছি, হাল ছেড়ে দিইনি। গোল না করলে জেতা যাবে না।’ জিতে রিয়ালের সঙ্গে ব্যবধানটা ১২ পয়েন্টের করে ফেলল বার্সেলোনা।

    ২৬ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে তারা শীর্ষে, সমান ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রিয়াল আর মাঝে ২৫ ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ।

  • বিশ্বকাপ বাছাইয়ের টিকিট নিয়ে রাতে ফিরছে নারী ফুটবলাররা

    বিশ্বকাপ বাছাইয়ের টিকিট নিয়ে রাতে ফিরছে নারী ফুটবলাররা

    শেষ ম্যাচে চীনের প্রাচীর ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে তার আগেই মারিয়া, তহুরা, মনিকারা নিশ্চিত করেছিলেন সেপ্টেম্বরে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপের বাছাইয়ের টিকিট। দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়ার সেরা আটে নাম লিখিয়ে সোমবার রাতে ফিরছেন মিয়ানমার মাতানো লাল-সবুজ জার্সিধারী কিশোরীরা।

    এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইয়ের প্রথম পর্বে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ও দ্বিতীয় পর্বে গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা এখন খেলবে উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে চূড়ান্ত পর্বে। যে পর্ব বিশ্বকাপেরও বাছাই। ৮ দেশের মধ্যে তিনটি খেলবে ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৭ নারী বিশ্বকাপে।

    মিয়ানমারে তিনটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। প্রথম ম্যাচে ১০-০ গোলে ফিলিপাইনকে উড়িয়ে দিয়ে দ্বিতীয় ম্যাচে ১-০ গোলে স্বাগতিক মিয়ানমারকে হারিয়ে চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ।

    শেষ ম্যাচে চীনকে হারাতে পারলে হতে পারতো গ্রুপসেরা। কিন্তু নারী ফুটবলে অনেক এগিয়ে থাকা চীনের কাছে বাংলাদেশ ৩-০ গোলে হেরেে রানার্সআপ হয়ে ফিরছে ঘরে।

    মিয়ানমারের এ মিশন শেষ হতে না হতেই মেয়েদের সামনে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। ১২ মার্চ নেপালের বিরাট নগরে শুরু হবে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। বিশ্রামের সময় নেই। ঢাকায় ফেরার পর রাত পোহালেই আবার সাবিনা, কৃষ্ণা, মারিয়াদের নেমে পড়তে হবে সাফের প্রস্তুতিতে। ১০ মার্চ সকালে নারী ফুটবল দল যাবে নেপাল।

  • নেইমারবিহীন ব্রাজিল দলে প্রথমবার ভিনিসিয়াস

    নেইমারবিহীন ব্রাজিল দলে প্রথমবার ভিনিসিয়াস

    মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন বটে, তবু নিজেকে খানিক দুর্ভাগা ভাবতেই পারেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড তরুণ তারকা ভিনিয়াস জুনিয়র। কেননা যার খেলা দেখে অনুপ্রাণিত হন, যাকে মানেন আইডল হিসেবে সেই নেইমার জুনিয়র যে নেই ব্রাজিলিয়ান দলে।

    নেইমারের না থাকাটা অবশ্য ইনজুরির কারণে। ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে পিএসজির হয়ে খেলতে নেমে প্রায় আড়াই মাসের জন্য মাঠের বাইরে রয়েছেন নেইমার। যে কারণে তাকে আসন্ন ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচের স্কোয়াডে রাখতে পারেননি ব্রাজিলের কোচ তিতে।

    এছাড়া দলে জায়গা পাননি রিয়াল মাদ্রিদের তারকা ডিফেন্ডার মার্সেলোও। তবু জাতীয় দলের প্রথমবারের মতো ডাক পেয়ে খুব একটা অস্বস্তিতে পড়তে হবে না ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে। কেননা রিয়ালে তার সতীর্থ ক্যাসেমিরোও যে রয়েছেন ব্রাজিলের স্কোয়াডে।

    ভিনিসিয়াস ছাড়া ব্রাজিল দলে নতুন মুখ এডের মিলিতাও। পোর্তোর হয়ে অভিষেক মৌসুমেই নজর কেড়েছেন এই ডিফেন্ডার। ফর্মের পরতি দেখা দিলেও বার্সেলোনার মিডফিল্ডার ফিলিপে কৌতিনহোর ওপর আস্থা রেখেছেন তিতে।

    চলতি মাসের ২৩ তারিখ এফসি পোর্তোর মাঠে এস্তাদিও ডো দ্রাগাওতে পানামার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। তিনদিন পর প্রাগ শহরে গিয়ে চেক রিপাবলিকের বিপক্ষে খেলবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    দুইটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচের জন্য ব্রাজিলের স্কোয়াড

    গোলরক্ষক: অ্যালিসন বেকার (লিভারপুল), এডারসন (ম্যানচেস্টার সিটি), ওভারটন (পালমেইরাস)

    ডিফেন্ডার: মিরান্ডা (ইন্টার মিলান), থিয়াগো সিলভা (পিএসজি), এডের মিলিতাও (পোর্তো), মারকুইনোস (পিএসজি), দানি আলভেজ (পিএসজি), দানিলো (ম্যানচেস্টার সিটি), ফিলিপে লুইস (অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ), অ্যালেক্স সান্দ্রো (জুভেন্টাস)।

    মিডফিল্ডার: ক্যাসেমিরো (রিয়াল মাদ্রিদ), আর্থুর মেলো (বার্সেলোনা), ফাবিনহো (লিভারপুল), এলান (নাপোলি), ফিলিপে কৌতিনহো (বার্সেলোনা), ফেলিপে অ্যান্ডারসন (ওয়েস্টহাম), লুকাস পাকুইতা (এসি মিলান),

    ফরোয়ার্ড: এভারটন (গ্রেমিও), রবার্তো ফিরমিনো (লিভারপুল), গ্যাব্রিয়েল হেসুস (ম্যানচেস্টার সিটি), রিচার্লিসন (এভারটন), ভিনিয়াস জুনিয়র (রিয়াল মাদ্রিদ)

  • মিয়ানমারকে হারিয়ে চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশের মেয়েরা

    মিয়ানমারকে হারিয়ে চূড়ান্ত পর্বে বাংলাদেশের মেয়েরা

    মিয়ানমারকে হারিয়ে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। শুক্রবার মিয়ানমারের মান্দালা থিরি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ১-০ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিকদের। গোল করেছেন মনিকা চাকমা।

    প্রথম ম্যাচে ফিলিপাইনকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দেয়ায় এ ম্যাচে জয় প্রয়োজন ছিল চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করতে।

    প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর ৬৭ মিনিটে কর্ণার থেকে গোল করেন মনিকা। তার কর্ণার মিয়ানমারের গোলরক্ষক হাতে লাগিয়ে থামাতে পারেননি। চলে যায় জালে।

    দিনের প্রথম ম্যাচে চীন ৭-০ গোলে হারিয়েছে ফিলিপাইনকে। বাংলাদেশের জয়ে চীনেরও চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত হলো। চীন প্রথম ম্যাচে মিয়ানমারকে হারিয়েছিল ৫-০ গোলে।

    গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে রবিবার এই চীনেরই মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের মেয়েরা।

  • দি মারিয়ার গোলে সেমিতে পিএসজি

    দি মারিয়ার গোলে সেমিতে পিএসজি

    নেইমার, এদিনসন কাভানি নেই চোটের কারণে। বিশ্রামে কিলিয়ান এমবাপ্পে। প্যারিস সেন্ত জার্মেইর তারকাত্রয়ীর অনুপস্থিতির দিনে জ্বলে উঠলেন আনহেল দি মারিয়া। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে শেষ ষোলোর প্রথম লেগটা প্যারিসবাসীরা জিতেছিল দি মারিয়ার দারুণ নৈপুণ্যেই।

    ফ্রেঞ্চ কাপেও কোয়ার্টার ফাইনালে দিজোঁর বিপক্ষে পিএসজির ৩-০ গোলের জয়ে জোড়া গোল দি মারিয়ার। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই দি মারিয়া গোল করে এগিয়ে দেন দলকে, ২৮ মিনিটে করেন দ্বিতীয় গোল। ৭৬ মিনিটে থোমাস ম্যুনিয়েরের গোলে স্কোরলাইন হয় ৩-০। পিএসজি কোচ টমাস ট্যুশেল পঞ্চমুখ দুই আর্জেন্টাইনের প্রশংসায়, তাঁরা হচ্ছেন দি মারিয়া ও লিয়ানদ্রো পারাদেস, ‘পারদেস প্রথমার্ধে দারুণ খেলেছে। সে এমন একজন যে নিখুঁত পাস দিতে পারে।’ আর দি মারিয়াকে নিয়ে কোচের মন্তব্য, ‘দি মারিয়া ফুটবলের জন্য একটা উপহার। রিয়ালকে সে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতিয়েছে, সেই খেলা আমি দেখেছি। তখন থেকেই আমি তার ভক্ত।

    ইংল্যান্ডে, প্রিমিয়ার লিগে লিস্টারশায়ার ২-১ গোলে হারিয়েছে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিওনকে। লিস্টার নতুন কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে ব্রেন্ডন রজার্সকে। সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোচ গ্যালারি থেকে দেখেছেন নতুন শিষ্যদের জয়। স্কটিশ ক্লাব গ্লাসগো রেঞ্জার্সের কোচ ছিলেন রজার্স, তার আগে তিন মৌসুম ছিলেন লিভারপুলের কোচের দায়িত্বে। গিলফি সিগুর্ডসনের জোড়া গোলে এভারটন ৩-০ গোলে হারিয়েছে কার্ডিফ সিটিকে। নিউক্যাসল ২-০ গোলে হারিয়েছে বার্নলিকে আর হাডার্সফিল্ড ১-০ গোলে জিতেছে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে। ইতালিয়ান কাপে গোলশূন্য ড্র করেছে লািসও-এসি মিলান।

  • বৃষ্টির কারণে হয়নি মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচ

    বৃষ্টির কারণে হয়নি মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচ

    প্রবল বৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের মাঠে পানি জমে যাওয়ায় স্থগিত করা হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের মোহামেডান-আবাহনী ম্যাচটি। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দেশের দুই জনপ্রিয় দলের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

    রেফারি ও ম্যাচ কমিশনাররা এক ঘন্টা অপেক্ষা করে ম্যাচ স্থগিতের সিন্ধান্ত জানায়। ম্যাচটি কবে কখন পূনরায় অনুষ্ঠিত হবে তা দুই ঘণ্টার মধ্যে জানাবে বাফুফের প্রফেশনাল লিগ কমিটি।

    দিনের প্রথম ম্যাচের সময় বৃষ্টি হলেও খেলা ভালোভাবেই শেষ হয়েছে। ওই ম্যাচে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব ৩-০ গোলে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবকে।

  • দুই পেনাল্টিতে রিয়াল মাদ্রিদ এর রক্ষা

    দুই পেনাল্টিতে রিয়াল মাদ্রিদ এর রক্ষা

    ভাগ্য যেন মাথার উপর ছায়া দিয়ে যাচ্ছিল রিয়াল মাদ্রিদকে। লেভান্তের মাঠে আরেকটু হলে হোঁচট খেতে বসেছিল সান্তিয়াগো সোলারির দল। শেষ পর্যন্ত দুই পেনাল্টিতে কষ্টের এক (২-১) জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে তারা। গত অক্টোবরে নিজেদেরই মাঠে লেভান্তের কাছে একই ব্যবধানে হেরেছিল রিয়াল।

    কপাল ভালো থাকলে এই ম্যাচটাও জিততে পারতো লেভান্তে। তাদের দুটি প্রচেষ্টা বাধা পায় পোস্টে। একবার তো রেফারি পেনাল্টির একটি জোড়ালো আবেদন এড়িয়েই যান।

    সেটা ম্যাচের ২০তম মিনিটের ঘটনা। দানি কারভাহেল কাঁধে হাত দিয়ে ডি-বক্সের মধ্যে ফেলে দেন লেভান্তের লুইস মোরালেসকে। কিন্তু রেফারি ভিআর দেখার প্রয়োজন বোধ করেননি।

    ৪২তম মিনিটে লুকা মডরিচের শট হাতে লেগে যায় লেভান্তের লুনার। পেনাল্টি পায় রিয়াল। করিম বেনজেমা গোল করতে ভুল করেননি। ওই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় সোলারির দল।

    দ্বিতীয়ার্ধে ৬০ মিনিটের মাথায় রজার মার্টির গোলে সমতায় ফেরে লেভান্তে। ৭৪ মিনিটে বেনজেমাকে তুলে গ্যারেথ বেলকে নামান রিয়াল কোচ। এর মিনিট চারেক পরেই আরেকটি গোল পেয়ে যায় রিয়াল, গোল করেন বদলি হিসেবে নামা ওয়েলস তারকাই। এবারেরটিও পেনাল্টিতে, ক্যাসিমিরোকে ফাউল করার মাশুল দিয়ে ম্যাচ থেকেই ছিটকে পড়ে লেভান্তে।

    এই জয়ে ২৫ ম্যাচে ১৫ জয় ও তিন ড্রয়ে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার পয়েন্ট তালিকার তৃতীয় স্থানে আছে রিয়াল মাদ্রিদ। ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে লিওনেল মেসির বার্সেলোনা।

  • নেইমার-এমবাপে থাকছেনই, পিএসজিতে যোগ দেবে আরও বড় তারকা

    নেইমার-এমবাপে থাকছেনই, পিএসজিতে যোগ দেবে আরও বড় তারকা

    ফাইনানসিয়াল ফেয়ার প্লে রেগুলেশন’ তথা ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের আর্থিক সঙ্গতির নিয়মের কারণে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) খেলোয়াড় বিক্রি করে দিতে হবে- এমন খবর চাউর হয়েছিল ইউরোপিয়ান ফুটবল পাড়ায়। গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল দলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার জুনিয়র কিংবা তরুণ কাইলিয়ান এমবাপেকে হয়তো ছেড়ে দেবে ক্লাবটি।

    তবে পিএসজির মালিক নাসের আল খেলাইফি সাফ জানিয়েছেন তার দল থেকে বিক্রি করা হবে না কাউকে। উল্টো দলে আরও বড় তারকাদের নেয়ার কথা বলেন খেলাইফি।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে পিএসজির মালিক বলেন, ‘এটা ১০০ ভাগ নয়, ২০০০ ভাগ নিশ্চিত যে নেইমার ও এমবাপ্রে প্যারিসেই থাকছে। অনেক সংবাদমাধ্যম বিশেষ করে ফ্রান্সভিত্তিক সংবাদমাধ্যমগুলো প্রচার করছে যে আমাদের হয়তো নেইমার বা এমবাপেকে বিক্রি করতে হবে। তবে আমি নিশ্চিত করতে চাই তারা দুজনই এখানে থাকবে।’

    এসময় দলে আরও বড় তারকা নেয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়ে খেলাইফি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই আরও বড় তারকা নিতে চাই। তবে সেটা নিশ্চিতভাবেই ফাইনানসিয়াল ফেয়ার প্লে নিয়ম মেনে। আমরা আত্মবিশ্বাসী। খুব শীঘ্রই দলে বড় তারকা নিতে পারবো আমরা।

  • ম্যান ইউতে কোচ হয়ে ফিরছেন স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন

    ম্যান ইউতে কোচ হয়ে ফিরছেন স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন

    ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবা ইংলিশ ফুটবল কিংবা ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে সেরা কোচ কে? – তিনটি প্রশ্নের উত্তরেই প্রায় সবাই এক বাক্যে বলে দেবেন ম্যান ইউর সাবেক কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের নাম। দীর্ঘ ২৬ মৌসুম রেড ডেভিলদের ডাগআউট সামলে তিনি অবসরে গিয়েছেন ২০১২-১৩ মৌসুম শেষে।

    তবে ম্যান ইউর ভক্ত-সমর্থকদের জন্য খুশির সংবাদ হলো চলতি মৌসুমে আবারও ‘লাল শয়তান’দের কোচ হয়ে ওল্ড ট্রাফোর্ডের ডাগআউটে দাঁড়াবেন স্যুট-টাই পরা ফার্গুসন। এ খবরটি নিশ্চিত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে বর্তমান দলের দায়িত্ব নিয়ে নয়, বিশেষ এক প্রদর্শনীমূলক ম্যাচে কোচের দায়িত্ব থাকবেন তিনি।

    চলতি বছরের ২৬ মে তারিখে ম্যান ইউর বিখ্যাত উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল জেতার ২০ বছর পূর্ণ হবে। ১৯৯৯ সালের ২৬ মে তারিখেই বায়ার্ন মিউনিখকে অতিরিক্ত সময়ের দুই গোলে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমের ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরিধান করেছিল ম্যান ইউ।

    সে ম্যাচের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে ২৬ মে তারিখে ওল্ড ট্রাফোর্ডে বিশেষ এক প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করতে যাচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কর্তৃপক্ষ। যে ম্যাচে লড়বে ‘লিজেন্ডস অব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড’ এবং ‘লিজেন্ডস অব বায়ার্ন মিউনিখ’। এই ম্যাচের আকর্ষণ বাড়াতে ম্যান ইউর কিংবদন্তিদের নিয়ে গড়া দলের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন।

    ১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে প্রথমবারের মতো লাল শয়তানদের শান্ত করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন স্কটিশ নাগরিক অ্যালেক্স ফার্গুসন। এরপর একটানা ২৬ বছর আধিপত্য বিস্তার করেছেন নিজ দলকে নিয়ে। ২০১২-১৩ মৌসুমে অবসর নেয়ার আগে ১৩টি প্রিমিয়ার লিগ, ৫টি এফএ কাপ, ১০টি কমিউনিটি শিল্ড, ২টি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং ১টি ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছেন ফার্গুসন।

    ২০১২-১৩ মৌসুমে ফার্গুসনের বিদায়ী আসরেই সবশেষবারের মতো ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ জিতেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। তাকে পুনরায় ডাগআউটে ফেরানো প্রদর্শনী ম্যাচ থেকে পাওয়া সমস্ত লভ্যাংশ তুলে দেয়া হবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের দাতব্য সংস্থা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফাউন্ডেশনের কাছে।