Category: ফুটবল

  • জঙ্গির ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে আফগানিস্তানের ‘লিটল মেসি’!

    জঙ্গির ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে আফগানিস্তানের ‘লিটল মেসি’!

    আর্জেন্টাইন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির ভক্ত হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোরগোল ফেলেছিল এক আফগান বালক। ২০১৬ সালে প্লাস্টিক ব্যাগ দিয়ে মেসির জার্সি বানিয়ে তা পরিধান করে মুরতাজা আহমাদীর ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। সেই ৭ বছর বয়সী মুর্তজাকে এখন প্রাণ বাঁচাতে দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তান নিজের বাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছে!

    আফগানিস্তানের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলীয় গজনী প্রদেশে বসবাস করছিল মুরতাজার পরিবার। কিন্তু পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে তারা এখন পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে কাবুলে। এর আগে ২০১৬ সালেও তারা পাকিস্তানে স্বল্পমেয়াদে শরণার্থী সুবিধা পেতে আবেদন করেছিল।কিন্তু পরে অর্থ শেষ হয়ে পড়ায় দেশে ফিরে আসে তার পরিবার। আর এবার পরিস্থিতি কেমন হয় সেটা এখনি কিছু বলা যাচ্ছেনা।

    আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির মহাভক্ত এই মুরতাজা। জার্সি কেনার সামর্থ্য নেই, তাই পলিথিন কেটে জার্সি বানিয়ে তার ওপর মেসির নাম ও জার্সি নাম্বার লিখে পরিধান করেছিল মাত্র পাঁচ বছর বয়সে। পরে সেই জার্সি পরা তার ছবি কেউ একজন পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে। এরপর সেটি ভাইরাল হয়ে পড়ে আর লোকজনও তাকে ‘লিটল মেসি’ ডাকতে শুরু করে।

    এই খবর পৌঁছায় স্বয়ং লিওনেল মেসি পর্যন্ত। ইউনিসেফের মাধ্যমে তিনি নিজের স্বাক্ষর করা জার্সি পাঠান তাকে। পরে বার্সা তারকা যখন ২০১৬ সালে দোহাতে যান প্রীতি ম্যাচ খেলতে তখন মুরতাজাকে মেসির সাথে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ করা হয়। সেখানে প্রিয় তারকার সাথে কিছুটা হাটার সুযোগও পায় এই বালক। মুরতাজার পরিবার বলছে এই বিখ্যাত হওয়ার কারণেই তালেবান জঙ্গিদের টার্গেটে পরিণত হয়েছে মুরতাজা।

    তার মা শাফিকা বলেছেন, বাড়ি থেকে পালিয়ে আসার সময় তারা কিছুই সাথে নিতে পারেননি। এমনকি মেসির কাছ থেকে পাওয়া জার্সিটাও আনা হয়নি। তার ভাষায়, ‘ওরা (তালেবান জঙ্গি) বলছে, তোমরা তো এখন ধনী হয়ে গেছ। মেসির কাছ থেকে যা টাকা পেয়েছ তা আমাদের দাও। নাইলে তোমার ছেলেকে তুলে নিয়ে যাব।

  • চট্টগ্রাম বিভাগে ইয়েস কার্ড পেলেন ৩০ ফুটবলার

    চট্টগ্রাম বিভাগে ইয়েস কার্ড পেলেন ৩০ ফুটবলার

    বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিডিএফএ) উদ্যোগে প্রস্তাবিত শেখ কামাল অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবলের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগের আবাসিক ক্যাম্পের জন্য ইয়েস কার্ড পেয়েছেন ৩০ জন।

    সোমবার চট্টগ্রাম এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের সভাকক্ষে খেলোয়াড়ের হাতে ইয়েস কার্ড তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছিরউদ্দীন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিডিডিএফএ সহ-সভাপতি সিরাজউদ্দীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    সাইফ পাওয়ার ব্যাটারির পৃষ্ঠপোষকতায় ৪৫ দিনের আবাসিক ক্যাম্পে বাছাইকৃত খেলোয়াড়রা প্রশিক্ষণ নেবেন। বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে আগামীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার আহবান জানিয়ে আ জ ম নাছিরউদ্দীন বলেছেন, ‘তোমাদের মাঝে লুকিয়ে আছে ফুটবলের নতুন সম্ভাবনা। সেরা নৈপুণ্যের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিজেদের প্রস্তুত হতে হবে তোমাদের।’

    চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার ১০০ জন খেলোয়াড় থেকে ১১ সদস্যের একটি নির্বাচক প্যানেল এই ৩০ জনকে বাছাই করেছেন।

    ইয়েস কার্ড পাওয়া ৩০ ফুটবলার

    গোলরক্ষক-সিয়াম বকাউল (চাঁদপুর), আবদুল্লাহ আল নোমান (ফেনী), মো. জহিরউদ্দিন (কক্সবাজার), শওকত হোসেন (চট্টগ্রাম)।

    ডিফেন্ডার-নিক্সন চাকমা (রাঙ্গামাটি), রাফাতুল আলম (ব্রাম্মনবাড়িয়া), ইউনুস নবী মিশুক (নোয়াখালী), আতিকুর রহমান (কুমিল্লা),মো. শান্ত (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া), ইমরান হোসেন (লক্ষীপুর), তানভির আয়াজ (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া), রাকিবুল হোসেন, বিনোদ চাকমা (রাঙামাটি)।

    মিডফিল্ডার-দিদারুল ইসলাম (চট্টগ্রাম), মো. ইবরাহিম (কুমিল্লা), আবুল হাসনাত শাওন (কুমিল্লা), জামাল হোসেন (চট্টগ্রাম), সমরজয় চাকমা (রাঙামটি), মো. সাকিব (খাগড়াছড়ি), তামিম হাসান অনীক (ফেনী), শফিউল্লাহ (ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া), ফখরুল ইসলাম (চট্টগ্রাম)।

    ফরোয়ার্ড-আবিদ হাসান (ফেনী), মো. রাজিব (কক্সবাজার), রোয়াজান (খাগড়াছড়ি), তারিকুল ইসলাম আনন্দ (চট্টগ্রাম), জুবায়ের হোসেন (কুমিল্লা), মনজুরুল ইসলাম পারভেজ (চট্টগ্রাম), মো: শাকিল (খাগড়াছড়ি), আশিকুুর রহমান (খাগড়াছড়ি)।

  • মাঠে গড়ানোর আগেই রেকর্ড গড়লো বার্সার ম্যাচ

    মাঠে গড়ানোর আগেই রেকর্ড গড়লো বার্সার ম্যাচ

    আট বছর পর নিজেদের মাঠে লিওনেল মেসির ক্লাব বার্সেলোনাকে আতিথেয়তা দেয়ার জন্য প্রস্তুত ইতালিয়ান জায়ান্ট ইন্টার মিলান। নিজেদের মাঠে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ২টায় বার্সাকে মোকাবেলা করতে নামবে ইন্টারের ফুটবলাররা। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগেই কিন্তু রেকর্ড গড়ে বসে আছে। ইতালিয়ান ফুটবলের ইতিহাসে এই একটি ম্যাচকে ঘিরেই টিকিট বিক্রি হয়েছে রেকর্ড পরিমাণে।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে নিজেদের মাঠে ইন্টার মিলানকে ২-০ গোলে হারিয়েছিল বার্সেলোনা। ফিরতি ম্যাচে আজ মুখোমুখি হচ্ছে দু’দল। এস্টাডিও গুইসেপ্পে মায়েজ্জায় যদি আজ জিততে পারে, তাহলে বার্সার সঙ্গে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করে ফেলবে ইন্টারও। সে লক্ষ্য নিয়েই মিলানের দলটি মাঠে নামবে।

    বার্সার বিপক্ষে এই ম্যাচটি ঘিরে ইন্টার মিলান সমর্থকদের এত বেশি আগ্রহ যে, তাদের তুমুল সাড়া পড়ার কারণে ইন্টারের টিকিট বিক্রি হয়েছে ৫.৮ মিলিয়ন ইউরো। অর্থ্যাৎ প্রায় ৫ কোটি টাকা। ইতালিয়ান ঘরোয়া ফুটবলের ইতিহাসে কিংবা মহাদেশীয় কোনো টুর্নামেন্টেও এত বেশি টাকার টিকিট কখনো বিক্রি হয়নি।

    মিলানের ফুটবল সমর্থকরা তাদের দলকে সর্বাত্মক সমর্থন জানাতে প্রস্তুত। ইতালিয়ান সিরি-এ’তে টানা সাতটি জয় এবং সর্বশেষ জেনোয়াকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করার পর এবার তাদের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা বার্সাকেও হারিয়ে দেবে লুসিয়ানো স্পালেত্তির শিষ্যরা।

  • কোয়ার্টার ফাইনালে বসুন্ধরা কিংস

    কোয়ার্টার ফাইনালে বসুন্ধরা কিংস

    ফেডারেশন কাপে নোফেল স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বসুন্ধরা কিংস। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার দুর্দান্ত খেলেও ১-১ সমতায় মাঠ ছাড়ে কিংস। তিন ম্যাচে এক জয় ও দুই ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট নিয়ে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে সেরা আট নিশ্চিত করলো বসুন্ধরা কিংস।

    খেলার ৩৬ মিনিটে মোহাম্মদ ইব্রাহিমের বাঁ প্রান্তের ক্রসে ফাঁকায় থাকা মাশুক মিয়া জনি দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস। তবে ৬১তম মিনিটে মিডফিল্ডার আশরাফুল ইসলামের গোলে সমতায় ফেরে নোফেল। পরে কোনো দলই আর গোলের দেখা না পেলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে বসুন্ধরা কিংস।

    এর আগে, নিজেদের প্রথম ম্যাচে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে ৫-২ গোলে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের সঙ্গে ১-১ ড্র করেছিল বসুন্ধরা। নোফেল স্পোর্টিংয়ের সঙ্গে ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল বসুন্ধরা কিংস।

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    এক আসর পর দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব ফিরিয়ে আনলো বাংলাদেশের কিশোররা। শনিবার নেপালের কাঠমান্ডুতে সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ টাইব্রেকারে ৩-২ গোলে হারিয়েছে পাকিস্তানকে। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে অমীমাংসিত থাকলে ফাইনালের ভাগ্য নির্ধারণ হয় টাইব্রেকারে।

    সেমিফাইনালে ভারতকেও টাইব্রেকারে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের নায়ক গোলরক্ষক মেহেদী হাসান ফাইনালেও ছিলেন সুপার হিরো। তিনি টাইব্রেকারে পাকিস্তানের তিনটি শট ঠেকিয়ে হয়ে যান ম্যাচসেরা পারফরমার।

    অথচ টাইব্রেকার পর্বের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। রাজন হাওলাদারের নেয়া প্রথম শট ক্রববারের উপর দিয়ে গেলে হতাশা নেমে আসে বাংলাদেশ শিবিরে। কিন্তু পাকিস্তানের জুনায়েদের নেয়া প্রথম শট বাম দিকে ঝাপিয়ে ঠেকিয়ে বাংলাদেশকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফিরিয়ে আনেন গোলরক্ষক মেহেদী হাসান।

    দ্বিতীয় শটে হৃদয় গোল করলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ১-০ গোলে। পাকিস্তানের আদনানের নেয়া দ্বিতীয় শট ডান দিকে ঝাপিয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক মেহেদী। মোদসসর নজরের নেয়া পাকিস্তানের পঞ্চম শট ঠেকিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মেহেদী হাসান।

    তার আগে বাংলাদেশের রবিউল নিজেদের পঞ্চম শট পাকিস্তানের গোলরক্ষকের হাতে তুলে দিয়ে চাপে ফেলেছিলেন দলকে। টাইব্রেকারে বাংলাদেশের ৩ গোল করেছেন হৃদয়, রাজা আনসারী ও রুস্তম। পাকিস্তানের গোল করেছেন মহিবুল্লাহ ও ওয়াসিফ।

    নির্ধারিত সময়ের ২৫ মিনিটে পাকিস্তানের আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। কর্নারের বল সেভ করতে গিয়ে পাকিস্তানের ডিফেন্ডার হাসিব হেড নিলে বল চলে যায় জালে।

    ৫৪ মিনিটে পেনাল্টি গোলে ম্যাচে ফেরে পাকিস্তান। পাকিস্তানের এক ফরোয়ার্ড বল নিয়ে বক্সে ঢুকলে ফেলে দেন বাংলাদেশের হেলাল। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে গোল করেন পাকিস্তানের মহিবুল্লাহ।

    দক্ষিণ এশিয়ার কিশোরদের লড়াইয়ে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় শিরোপা। লাল-সবুজ জার্সিধারীরা শিরোপা জয়ে ছুঁয়ে ফেললো ভারতকে। তারাও এ টুর্নামেন্টে দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

    এর আগে ২০১৫ সালে সিলেটে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে। সেবারও বাংলাদেশ ফাইনাল জিতেছিল টাইব্রেকারে। ফলাফল ছিল নির্ধারিত সময়ে ১-১ এবং টাইব্রেকারে ৩-২।

  • ভারতকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    ভারতকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    অনূর্ধ্ব–১৫ সাফ ফুটবলের সেমিফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে অল নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএনএফএ) কমপ্লেক্সে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মোস্তফা আনোয়ার পারভেজরা।

    ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে টুর্নামেন্টর শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ম্যাচের শুরুর দিকেই এগিয়ে যায়। ১৭ মিনিটের মাথায় দলকে এগিয়ে দেন পার্তে হারেশ সাইলেশ। এরপর গোল পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব–১৫ দল।

    প্রথমার্ধ ১-০তে পিছিয়ে থেকেই শেষ করে মোস্তফা আনোয়ার পারভেজ বাবুর শিষ্যরা। বিরতির পর মাঠে নেমে ফের চেষ্টা চালিয়ে যায় লাল-সবুজের দল। তবে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে কপাল খুলে যায় বাংলাদেশের কিশোরদের। শেষ মুহূর্তে পেনালটি পায়। দলের হয়ে নিহাত জামান শট নিলে এতে ১-১ গোলে সমতায় ফেরে তারা।

    টাইব্রেকারে ভারতের দুটি শট আটকে দেন বাংলাদেশের গোলকিপার মেহেদী হাসান। এতে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের কিশোররা।

    আগামী ৩ নভেম্বর শনিবার একই মাঠে ফাইনালে পাকিস্তান অথবা স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে লড়বে বাংলাদেশ।

  • ৪৮ দল নিয়ে কাতার বিশ্বকাপ!

    ৪৮ দল নিয়ে কাতার বিশ্বকাপ!

    রাশিয়া বিশ্বকাপের আগে থেকেই কাতারে ২০২২ সালের বিশ্বকাপে ৪৮ দলের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কখনো সেই সম্ভাবনা উজ্জ্বল হচ্ছিল, আবার কখনো শোনা যাচ্ছিল কাতার থেকে হচ্ছে না ৪৮ দলের বিশ্বকাপ। আগের বিশ্বকাপগুলোতে ৩২ দলের হলেও এই আসরে ৪৮ দলের অংশগ্রহণ দেখা যেতে পারে- গতকাল মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সভায় এমনই এক ইঙ্গিত দিলেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

    সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যদি এটা সম্ভব হয় তাহলে অবশ্যই বাস্তবায়ন হবে। আমরা এ বিষয়ে কাতারের ফুটবল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলছি। এছাড়া অন্যান্য দেশের ফুটবল সংস্থার সঙ্গেও কথা বলছি। আশা করছি এবারই এটা হতে পারে। যদি না হয় এর জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাব। কারণ আমরা চাই সব সময় ফুটবলে নতুন কিছু আনতে।

    এদিকে ৪৮ দলের অংশগ্রহণের বিষয়ে কাতার বিশ্বকাপের আয়োজক কমিটির প্রধান আহসান আল তাহওয়াদি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের আগেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবো। যদিও ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ৪৮ দলের অংশগ্রহণের বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করেছে ফিফা। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসবে ২০২৬ বিশ্বকাপের আসর।

  • ১০ জনের দল নিয়েও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    ১০ জনের দল নিয়েও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ

    সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ চ্যাম্পিয়নশিপে গ্রুপ ‘এ’ তে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে পূর্ণ ছয় পয়েন্টে নিয়েই সেমিফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। হয়েছে গ্রুপ সেরা। সেমিতে লাল-সবুজের যুবাদের প্রতিপক্ষ গ্রুপ বি রানার্সআপ ভারত।

    এদিকে, গত ম্যাচে মালদ্বীপকে ৯ গোলে উড়িয়ে দেয়ার আগের ম্যাচেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ।

    অপেক্ষা ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সুযোগ কাজে লাগানোর। লাল-সবুজের যুবারা সেটা কাজে লাগিয়েছে দুর্দান্ত ফুটবল খেলেই। আনোয়ার পারভেজের শিষ্যরা ১০ জনের দল নিয়ে খেলেছে ম্যাচের তিনভাগের দুভাগই, স্বাগতিক নেপাল তাতেও পাত্তা পায়নি। আজ নিজেদের মাঠে নেপাল নড়েচড়ে বসার আগেই তাদের জালে বল জড়িয়ে দেন ইবনে আহাদ শাকিল।

    আজ ম্যাচের দুই মিনিটের মাথায় অধিনায়ক মেহেদি হাসানের ফ্রি-কিকে মাথা ছুঁয়ে গোল করেন মিডফিল্ডার শাকিল। গোলটি অবশ্য প্রথমার্ধেই শোধ দিয়েছে নেপাল। ম্যাচের ৩২ মিনিটের গোল বাঁচাতে গিয়ে স্বাগতিক খেলোয়াড়কে ফাউল করে বসেন গোলরক্ষক মিতুল মারমা। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি তো বাজিয়েছেনই, সঙ্গে মিতুলকে দেখান লাল কার্ড।

    এদিকে স্পটকিকে স্বাগতিকদের সমতায় ফেরান ডিফেন্ডার জান উম্বু। ১০ জনের দল নিয়ে পরে পিছু হটেনি বাংলাদেশ, চালিয়ে গেছে লড়াই। তাতেই মিলেছে ফল। দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর বাঁশি বাজতে না বাজতেই আচমকা এক আক্রমণে স্বাগতিকদের চমকে দিয়ে গোল করেন মিডফিল্ডার রাজন হাওলাদার। সেই গোলেই নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের জয়। আগামী ১ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল ম্যাচ।

  • ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের অন্যরকম সেঞ্চুরি

    ব্রাজিলের হয়ে নেইমারের অন্যরকম সেঞ্চুরি

    ব্রাজিলিয়ান সুপার স্টার নেইমার ডি সিলভা জুনিয়রের নেয়া কর্নার কিক থেকেই মঙ্গলবার রাতে ম্যাচের ইনজুরি সময়ে আর্জেন্টিনার জালে হেড করে বল জড়ান মিরান্ডা। বাম পাশ থেকে নেয়া কর্নার কিকটি এতটাই নিখুঁত ছিল যে, সহজেই তা মিরান্ডার মাথা খুঁজে পায়। এর আগে ৯২ মিনিট ব্রাজিলের মুহূর্মুহু আক্রমণ ঠেকিয়ে রাখা আর্জেন্টিনা ডিফেন্স এবার আর পারেনি মিরান্ডাকে রুখতে। নেইমারের শট খুঁজে নিয়ে অসাধারণ হেড করলেন। মুহূর্তেই যায় জড়িয়ে যায় আর্জেন্টিনার জালে।

    মিরান্ডাকে গোল তৈরি করে দিয়ে ব্রাজিলের হয়ে অনন্য এক রেকর্ড গড়ে ফেললেন নেইমার। নাম লেখানে অন্যরকম এক সেঞ্চুরির খাতায়। এ নিয়ে ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দেশটির হয়ে মোট ১০০টি গোলে অবদান রাখার রেকর্ড গড়লেন পিএসজির এই তারকা ফুটবলার।

    আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচে সেরা খেলোয়াড়ও ছিলেন নেইমার। সবচেয়ে বেশি ১০৩বার বলে স্পর্শ করেছেন তিনি। গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন ৫টি। তাকে ফাউল করা হয়েছে ৮বার এবং মোট ৭টি ড্রিবলিং কমপ্লিট করেছেন তিনি।

    ক্লাব ফুটবলের ব্যস্ততার মাঝে আন্তর্জাতিক ফুটবলের বিরতিতে অন্তত তিন গোলে অবদান রাখেন নেইমার। সৌদি আরবের বিপক্ষে আগের ম্যাচে ব্রাজিল জিতেছিল ২-০ গোলের ব্যবধানে। ওই ম্যাচে নেইমার ২ গোলেরই ছিলেন জোগানদাতা। পরের ম্যাচে, মঙ্গলবার সুপার ক্ল্যাসিকোয় আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্রাজিলের করা একামাত্র গোলেও অ্যাসিস্ট ছিল নেইমারের।

    ব্রাজিলের হয়ে এখনও পর্যন্ত প্রতিপক্ষের জালে মোট ৫৯বার বল জড়িয়েছেন নেইমার। অথ্যাৎ তার কাছ থেকে প্রত্যক্ষ গোল এসেছে ৫৯টি। আর বাকি ৪১টি করেছেন সরাসরি গোলে সহযোগিতা। অন্যকে দিয়ে গোল করানো। অর্থ্যাৎ, পরোক্ষ গোল।

    শুধু ১০০টি গোলে অবদান রাখাই নয়, একই সঙ্গে ফুটবল সম্রাট পেলেকেও ছাড়িয়ে গেছেন নেইমার। অবশ্যই পেলেকে ছাড়িয়ে গেছেন, সৌদি আরবের বিপক্ষে খেলা আগের ম্যাচেই। ব্রাজিলের হয়ে ফুটবল সম্রাদ যখন জার্সিটা তুলে রাখার ঘোষণা দেন, তখন তিনি খেলেছিলেন ৯২টি ম্যাচ। নেইমার খেলে ফেলেছেন তার চেয়েও দুটি বেশি। অথ্যাৎ এখন তার নামের পাশে শোভা পাচ্ছে ৯৪টি ম্যাচ।

    যদিও ম্যাচ খেলার দিক থেকে ব্রাজিলের হয়ে এখনও শীর্ষস্থান থেকে অনেক দুরে রয়েছেন নেইমার। তিনি এখন রয়েছেন ১০ম স্থানে। তার আগে ১৪২ ম্যাচ খেলে ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ স্থানে অবস্থান করছেন সাবেক অধিনায়ক কাফু। যার নেতৃত্বে সর্বশেষ ২০০২ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিল ব্রাজিল। রবার্তো কার্লোস ১২৫, দানি আলভেজ ১০৭, লুসিও ১০৫, ক্লদিও তাফারেল ১০১, রবিনহো ১০০, ডালমা সান্তোস এবং রোনালদো ৯৮টি করে, রোনালদিনহো ৯৭টি করে ম্যাচ খেলেছেন। নেইমারের সমান ৯৪ ম্যাচ খেলেছেন গিলমারও।

    ১০০ গোলে অ্যাসিস্ট করলেও গোল করার দিক থেকে এখনও পেলে-রোনালদোদের পেছনে নেইমার। তিনি করেছেন ৫৯ গোল। যদিও তার অবস্থান এখন তিন নম্বরে। বিশ্বকাপজয়ী রোনালদো করেছেন ৬২টি। তিনি রয়েছেন দুই নম্বরে এবং কিংবদন্তি গ্রেট পেলে করেছেন ৭৭ গোল। ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা কিন্তু পেলে’ই।

  • খেলাধুলা যুবসমাজকে বিপথগামী থেকে রক্ষা করে : প্রধানমন্ত্রী

    খেলাধুলা যুবসমাজকে বিপথগামী থেকে রক্ষা করে : প্রধানমন্ত্রী

    বা/মু/প্র// শেখ

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে বিপথগামী থেকে রক্ষা করে। মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখে। আমার বিশ্বাস, যুবসমাজকে যদি আমরা ক্রীড়া কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সক্রিয় রাখতে পারি তাহলে সহজেই এদেশ থেকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ নির্মূল করতে পারব। যুবসমাজ এ দেশের সম্পদ। উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে এ যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।

    শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আন্তর্জাতিক ফুটবল প্রতিযোগিতা-২০১৮ এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শত ব্যস্ততার মাঝে আমি যখনই সুযোগ পাই, বাংলাদেশের খেলা দেখার জন্য স্টেডিয়ামে ছুটে যাই। আসলে খেলাধুলার প্রতি ভালোবাসা আমার রক্তের মধ্যেই রয়েছে। তিনি বলেন, জাতির পিতা খেলাধুলা করতেন। স্কুল জীবনে তিনি ছিলেন একজন সেরা ফুটবল খেলোয়াড়। আমার দাদাও ফুটবল খেলতেন। শেখ কামাল ও শেখ জামাল ভালো খেলোয়াড় ছিলেন। সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও তারা অনেক দক্ষতা দেখিয়েছেন। আমাদের পরিবারের আরেক সদস্য সুলতানা কামাল খুকুও ছিলেন বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ।

    শেখ হাসিনা বলেন, একটানা সাড়ে ৯ বছর জনসেবার সুযোগ পেয়েছি বলেই বাংলাদেশ উন্নত হচ্ছে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের ‘রোল মডেল’। দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, নারীর ক্ষমতায়নসহ নানা ক্ষেত্রে আমরা অনেক উন্নত দেশকেও ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছি। সম্প্রতি আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছি। বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচারের রায় কার্যকর করেছি। সব বাধা ও ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এগিয়ে চলেছে।

    তিনি বলেন, অতি সম্প্রতি ২১-এ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় হয়েছে। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদক নির্মূলে আমাদের সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো ক্ষুধা, দারিদ্র্য, নিরক্ষরতা, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার অভিশাপমুক্ত একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ন্যায়ভিত্তিক, জ্ঞান-নির্ভর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণ।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আগামী প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়, এ বিষয়ে সচেতন হয়ে সবাইকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবার আহ্বান জানাচ্ছি। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম-আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, ইনশাআল্লাহ। প্রতিষ্ঠিত হবে জাতির পিতার আজীবন লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ।