Category: ফুটবল

  • ভিক্টোরিয়ার সহজ জয় চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে

    ভিক্টোরিয়ার সহজ জয় চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে

    বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ ফুটবলে সহজ জয় পেয়েছে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব।

    বৃহস্পতিবার কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ভিক্টোরিয়া ৩-১ গোলে হারিয়েছে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘকে। প্রথমার্ধে ২-১ গোলে এগিয়েছিল ভিক্টোরিয়া।

    হারের ম্যাচে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘ এগিয়েছিল ১৪ মিনিটের গোলে। মুর্শেদের সেই গোল ধরে রাখতে তো পারেইনি, উল্টো তিন গোল হজম করে ম্যাচ হেরেই ঘরে ফিরেছে তারা। ৩৩ মিনিটে হাবিবের গোলে ম্যাচে ফেরে ভিক্টোরিয়া। ৪৪ মিনিটে এগিয়ে দেন রানা। ৫৫ মিনিটে রনির গোল জয় নিশ্চিত করে ভিক্টোরিয়ার।

    দিনের অন্য ম্যাচে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব ১-০ গোলে হারিয়েছে ওয়ারি ক্লাবকে। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেছেন জিল্লুর ৮২ মিনিটে।

  • জানতাম ওরা আমাকে অপমান করবে: ডি মারিয়া

    জানতাম ওরা আমাকে অপমান করবে: ডি মারিয়া

    ২০১৪ সালে লুইস ফন গালের অধীনে ম্যানইউতে খেলেছিলেন আর্জেন্টাইন উইঙ্গার অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। তখন ফন গাল তার স্বাভাবিক খেলাটাই নষ্ট করে দিয়েছিলেন। ৩২ ম্যাচে মাত্র ৪ গোল করতে পেরেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কোচের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি ঘটিয়ে ৬৩ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে তিনি পাড়ি জমান পিএসজিতে।

    ম্যানইউ থেকে ডি মারিয়ার চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পারেনি ক্লাবটির সমর্থকরা। যে কারণে ডি মারিয়াকে এক প্রকার ঘৃণাই করতে শুরু করে ম্যানইউ সমর্থকরা। মঙ্গলবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ম্যানইউর মুখোমুখি হতে আসে যখন পিএসজি, তখন পুরনো ক্লাবের মাঠে আবারও ফিরে আসতে হয় ডি মারিয়াকে। শুধু ফিরে আসাই নয়, এখানে এসে যে অপমান আর অসম্মানের মুখোমুখি হবেন, সেটা আগে থেকেই ধরে নিয়েছিলেন তিনি।

    বাস্তবতার সঙ্গেও মিলে গেলো তার ধারণা। ম্যানচেস্টারে এসে টিম বাসে ওঠার সময় থেকেই দুয়ো ধ্বনি শুনতে হয়েছে ডি মারিয়াকে। সেটা অব্যাহত ছিল ম্যাচের সময় ৮১ মিনিট পর্যন্ত। ওই সময় কোচ থমাচ টুখেল ডি মারিয়াকে মাঠ থেকে তুলে নেন। তার আগে অবশ্য ম্যানইউর জালে দুই গোল দেয়ার পেছনে প্রত্যক্ষ অবদান ছিল ডি মারিয়ার।

    ম্যাচের ৫৩ মিনিটে প্রেসনেল কিম্বাপ্পেকে দিয়ে কর্ণার কিক থেকে করিয়েছেন প্রথম গোল। এর ৭ মিনিট পর কাইলিয়ান এমবাপেকে উদ্দেশ্য করে দুর্দান্ত এক ক্রস করেছিলেন ডি মারিয়া। যেখান থেকে গোল আদায় করে নেন পিএসজির বিশ্বকাপজয়ী তারকা।

    কিন্তু এরই মধ্যে মাঠেই চরম অসম্মানজনক কথা-বার্তা শুনতে হয়েছে ডি মারিয়াকে। তাকে উদ্দেশ্য করে দেয়া দুয়ো ধ্বনি সহ্য করেই খেলে যাচ্ছিলেন ডি মারিয়া। কিন্তু বিষয়টা যদি সেখানেই থেমে থাকতো, তাহলে সমস্যা ছিল না। ম্যানইউ সমর্থকরা ডি মারিয়ার উদ্দেশ্যে পানির বোতল এমনকি বিয়ারের বোতল পর্যন্ত ছুঁড়ে মারে।

    পিএসজির দ্বিতীয় গোলের ঠিক আগ মুহূর্তে কর্নার কিক করতে যাওয়ার সময় ডি মারিয়াকে উদ্দেশ্য করে পানির বোতল ছুঁড়ে মারা হয়। এর একটু পরই মারা হয় বিয়ারের বোতল। ডি মারিয়া আবার হেসে সেই বোতল কুড়িয়ে সেখান থেকে বিয়ার পান করে উল্টো জবাব দিয়ে দেন প্রতিপক্ষ সমর্থকদের।

    ডি মারিয়া জানিয়ে দেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে গেলে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন। তিনি বলেন, ‘প্রথম মিনিট থেকেই আমার জন্য মাঠে নেমে খেলা ছিল কঠিন। কিন্তু আমি তো আগে থেকেই জানতাম, এমন কিছু ঘটতে পারে (এ কারণে আমি মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম)।’

    তবে ডি মারিয়া মাঠের সেই স্মৃতি ভুলে যেতে চান। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘এগুলো এখন অতীত। আমি আবারও বলছি, এগুলো পার হয়ে এসেছি। আমি ক্লাব নিয়ে এবং তাদের সমর্থকদের নিয়ে কখনোই কোনো বাজে মন্তব্য করিনি। এই ক্লাবে আমার সঙ্গে কিছু ঘটনা ঘটেছিল এবং মানুষ সেগুলোকে বাজেভাবে নিয়েছে। অথচ, আমার সমস্যা ছিল কেবল কোচের (লুই ফন গাল) সঙ্গেই।’

    জানা গেছে, ডি মারিয়ার সঙ্গে মাঠে সমর্থকদের এমন বাজে আচরণের বিষয়ে তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করেছে ম্যানইউ। এ ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি দিতে চায় ক্লাবটি। অন্যদিকে উয়েফা ম্যানইউ এবং পিএসজি- উভয় ক্লাবকেই জরিমানা করেছে। ম্যানইউকে জরিমানা করা হয়েছে, দলটির সমর্থকদের মাঠে বোতল নিক্ষেপ করার অপরাধে। পিএসজিকে জরিমানা করা হয়েছে গ্যালারিতে আতশবাজি ফোটানো, বোতল নিক্ষেপ এবং দর্শকদের বিরক্তিকর আচরণের জন্য।

  • পিএসজি এখন আর নেইমারের নয়, এমবাপের

    পিএসজি এখন আর নেইমারের নয়, এমবাপের

    নেইমারকে দিয়েই তাদের উচ্চস্তরে পথচলা শুরু। এরপর সেটা হয়ে গেলো নেইমার-কাভানি-এমবাপের দল। কিন্তু মঙ্গলবার রাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে কাইলিয়ান এমবাপে যা দেখালেন, তাতে প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) আর অন্য কারো নয়, এমবাপের দল হিসেবেই পরিচিত হতে হবে। ফুটবল বোদ্ধারা অন্তত সেটাই বলে যাচ্ছেন এখন। মাদ্রিদ ভিত্তিক দৈনিক মার্কার এক রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনটা।

    চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের প্রথম লেগে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে খেলতে এসেছিল পিএসজি। ইংলিশ জায়ান্টদের মাঠে খেলতে গিয়ে তাদেরকেই ২-০ গোলে হারিয়ে এসেছে পিএসজি। ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে এটা তাদের জন্য বিরল এক জয়।

    আর্জেন্টাইন উইঙ্গার অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার সহযোগিতায় গোলদুটি এলেও দুর্দান্ত খেলেছেন কাইলিয়ান এমবাপে। পুরো ম্যাচেই বলতে গেলে একা তিনি ম্যানইউর ডিফেন্সকে তটস্থ করে রেখেছিলেন। নিজে একটি গোলও করেছেন অসাধারণ ক্ষিপ্রতায়।

    বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার ইতিমধ্যেই নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা হিসেবে প্রমাণ করে ফেলেছেন। এবার একে একে অন্যদের ছাড়িয়ে যাওয়ার পালা। নিজ ক্লাবের ব্রাজিলিয়ান সুপার স্টার নেইমারকে তো ইতিমধ্যেই নিজের ছায়ার মধ্যে ঢেকে ফেলেছেন তিনি। এবার প্রমাণ করে দিলেন পিএসজি শুধুই এমবাপের ক্লাব।

    ইনজুরির কারণে ম্যানইউর বিপক্ষে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি পিএসজির অন্যতম দুই সেরা তারকা নেইমার এবং এডিনসন কাভানি। দুই তারকার অনুপস্থিতিতে পিএসজি যে দুর্বল হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, তা নয়। তারা বরং, একা এক এমবাপের ওপর নির্ভর করেই জিতে এসেছে ম্যানইউর মত ক্লাবকে।

    পুরো ম্যাচে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া ছিলেন ম্যানইউ সমর্থকদের কেন্দ্রবিন্দুতে। তারা ডি মারিয়াকে দুয়ো ধ্বনি দিয়েছে, তাকে উদ্দেশ্য করে বাজিয়েছে হুইসেল। এমনকি বার বার তাকে অপমান করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু ডি মারিয়া হাসিমুখে সব কিছুরই জবাব দিলেন। দুই গোলে অবদান রেখে হারিয়েছেন ম্যানইউকে। এমনকি তাকে লক্ষ্য করে ছুঁড়ে মারা বোতল থেকে পানি খেয়ে নীরব প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    ম্যাচের শেষের দিকে এসে অ্যাসলে ইয়ং হলুদ কার্ড দেখেছেন এবং দু’বার লাল কার্ড দেখে মাঠ থেকে বহিস্কার হয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী আরেক তারকা পল পগবা।

  • ফেনী সকারের জয় শাওনের গোলে

    ফেনী সকারের জয় শাওনের গোলে

    অনলাইন ডেস্ক:

    শাওনের একমাত্র গোলে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে উত্তর বারিধারা ক্লাবকে হারিয়েছে ফেনীর সকার ক্লাব। মঙ্গলবার কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের একমাত্র গোলটি হয় ৪৭ মিনিটে।

    দুই দলই এক সময় ছিলো ঘরোয়া ফুটবলের শীর্ষ আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে। অবনমন হয়ে তারা এখন খেলছে পেশাদার ফুটবলের দ্বিতীয় স্তরে। আবার প্রিমিয়ার ফিরে আসার লক্ষ্যে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ খেলছে দুই দলই। তবে লিগের শুরুতে উত্তর বারিধারাকে হারিয়ে একটা বাধা অতিক্রম করলো ফেনীর ক্লাবটি।

    দিনের প্রথম ম্যাচে জিতেনি কেউ। অগ্রণী ব্যাংক স্পোর্টিং ক্লাব ও মতিঝিল টিঅ্যান্ডটি ক্লাবের মধ্যেকার ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হয়েছে।

  • সালাকে শ্রদ্ধা জানাতে নঁতের ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে

    সালাকে শ্রদ্ধা জানাতে নঁতের ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে

    এমিলিয়ানো সালাবিমান দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া এমিলিয়ানো সালার শোকে স্তব্দ ফরাসি ক্লাব নঁতে। এই ক্লাবের জার্সিতেই শেষবার খেলছেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। ক্লাবটি গভীরভাবে স্মরণ করছে সালাকে। তার পরা ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে পাঠিয়ে বিশেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে নঁতে।

    ফরাসি ক্লাবটি ছেড়ে ব্রিটিশ ক্লাব কার্ডিফে যোগ দিয়েছিলেন সালা। সেখানেই যাওয়ার সময় বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। গোটা বিশ্বের শোকবার্তার সঙ্গে সাবেক ক্লাব নঁতে গভীর শ্রদ্ধা জানিায়েছে তাকে। নঁতে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে পাঠিয়ে দিয়েছে, যে জার্সি পরে চার বছর খেলেছেন সালা।

    ২০১৫ সালে বোর্দে থেকে নঁতেতে যোগ দিয়েছিলেন সালা। ক্লাবটির খেলা তিন মৌসুমে তিনি ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। নঁতে ছেড়ে অন্য ক্লাবে নাম লেখালেও সালা ছিলেন তাদের সমর্থকদের মনে। ক্লাবও গভীরভাবে স্মরণ করছে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকারকে। এক বিবৃতিতে নঁতে জানিয়েছে, এমিলিয়ানো সালার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছে এফসি নঁতে। এমিলিয়ানো সবসময়ই অন্যতম কিংবদন্তি হয়ে থাকবেন, যিনি নঁতের জার্সিতে লিখেছেন ইতিহাস।

    ওই বিবৃতির পরের অংশে যোগ করা হয়েছে ক্লাব সভাপতি ওলদেমার কিতার বক্তব্য। তিনিই ঘোষণা করেছেন ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে যাওয়ার। নঁতে সভাপতির বক্তব্য, “আমার কোনও ভাষা নেই। এটা মর্মান্তিক এক ঘটনা। এমিলিয়ানো তার চিহ্ন এঁকে গেছেন। যে কারণে অনেক ভক্তদের মতো, আমিও তাকে সম্মান জানাচ্ছি ‘৯ নম্বর’ জার্সি অবসরে পাঠিয়ে।

  • কোপা আমেরিকার সময়সূচি প্রকাশ

    কোপা আমেরিকার সময়সূচি প্রকাশ

    বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে পুরনো প্রতিযোগিতা হচ্ছে কোপা আমেরিকা। ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার আগে এ টুর্নামেন্ট চালু হয়। ১৯১০ সালে এ প্রতিযোগিতা পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। পরে ১৯১৬ সালে (সাউথ আমেরিকান চ্যাম্পিয়নশিপ) হিসেবে টুর্নামেন্টটি শুরু হয়। পরে ১৯৭৫ সালে বর্তমান নাম কোপা আমেরিকা ধারণ করে। বর্তমানে বারোটি দেশের অংশগ্রহণে এই ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

    এবার নিয়ে পঞ্চমবারের মতো সাম্বার দেশ ব্রাজিলে কোপা আমেরিকার ৪৬তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।গত বৃহস্পতিবার (২৪ জানুয়ারি) হয়ে গেল কোপা আমেরিকার ড্র।এ আসরের সর্বোচ্চ চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ১৫ বার। বর্তমান চ্যাম্পিয় চিলি সর্বশেষ দুটি আসরের চ্যাম্পিয়ন। তারা শেষ দুটি আসরে দুই বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে পরাজিত করে শিরোপা ঘরে তোলে।

    এবারের আসরে তিনটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে মোট ১২ দল। দক্ষিণ আমেরিকার ১০ দেশের সঙ্গে এবার আমন্ত্রিত হয়ে খেলবে কাতার ও জাপান। এর আগে ১৯৯৯ সালে জাপান খেললেও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ কাতার এবারই প্রথম আমন্ত্রণ পেয়েছে।ব্রাজিলের পাঁচটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসর।

    ১৪ জুন সাওপাওলোতে হবে উদ্বোধন। ৭ জুলাই রিও ডি জেনেরিওর মারাকানা স্টেডিয়ামে ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এ টুর্নামেন্ট। এ ছাড়াও পোর্তো আলেগ্রি, বেলো হরিজন্তো এবং সালভাদরেও খেলা হবে।

    কোপা আমেরিকার গ্রুপ:
    গ্রুপ ‘এ’: ব্রাজিল, বলিভিয়া, ভেনিজুয়েলা এবং পেরু।
    গ্রুপ ‘বি’: আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, প্যারাগুয়ে এবং কাতার।
    গ্রুপ ‘সি’: উরুগুয়ে, ইকুয়েডর, জাপান এবং চিলি।

    কোপা আমেরিকার সূচি:
    তারিখ                ভেন্যু                           ম্যাচ
    গ্রুপ ‘এ’:

    ১৪ জুন         সাও পাওলো                ব্রাজিল-বলিভিয়া
    ১৫ জুন        পোর্তো অ্যালেগ্রি             ভেনিজুয়েলা-পেরু
    ১৮ জুন        রিও ডি জেনেইরো           বলিভিয়া-পেরু
    ১৮ জুন        সালভাদোর                  ব্রাজিল-ভেনিজুয়েলা
    ২২ জুন        বেলো হরিজন্তে             বলিভিয়া-ভেনিজুয়েলা
    ২২ জুন        সাও পাওলো                  পেরু-ব্রাজিলগ্রুপ ‘বি’:
    ১৫ জুন        সালভাদর                   আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া
    ১৬ জুন        রিও ডি জেনেইরো    ‍     প্যারাগুয়ে-কাতার
    ১৯ জুন        বেলো হরিজোন্তে          আর্জেন্টিনা-প্যারাগুয়ে
    ১৯ জুন        সাও পাওলো               কলম্বিয়া-কাতার
    ২৩ জুন        পোর্তো অ্যালেগ্রি           কাতার-আর্জেন্টিনা
    ২৩ জুন        সালভাদর                   কলম্বিয়া-প্যারাগুয়েগ্রুপ ‘সি’:
    ১৬ জুন            বেলো হরিজন্তে          উরুগুয়ে-ইকুয়েডর
    ১৭ জুন            সাও পাওলো             জাপান-চিলি
    ২০ জুন            পোর্তো অ্যালেগ্রি         উরুগুয়ে-জাপান
    ২১ জুন            সালভাদর                 ইকুয়েডর-চিলি
    ২৪ জুন            বেলো হরিজন্তে          ইকুয়েডর-জাপান
    ২৪ জুন            রিও ডি জেনেইরো      চিলি-উরুগুয়েকোয়ার্টার ফাইনাল: ২৭

    জুন থেকে ২৯ জুন।
    সেমিফাইনাল: ২ জুলাই এবং ৩ জুলাই।
    তৃতীয় স্থান নির্ধারণী প্লে অফ: ৬ জুলাই।

    ফাইনাল: ৭ জুলাই।

  • রিয়াল সতীর্থরা রোনালদোকে ভুলেই গেছেন!

    রিয়াল সতীর্থরা রোনালদোকে ভুলেই গেছেন!

    দুইবার করে স্প্যানিশ লিগ, কোপা দেল রে, স্প্যানিশ সুপার কাপ, উয়েফা সুপার কাপ, চারবার চ্যাম্পিয়নস লিগ, তিনবার ক্লাব বিশ্বকাপ—রিয়ালের হয়ে এত শত শিরোপা যে সতীর্থদের সঙ্গে জিতেছেন, তাদের জীবনেই এখন পর্তুগিজ তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর কোনো মূল্য নেই। ড্রেসিংরুমে কেউ ভুলেও রিয়ালের সাবেক এই তারকাকে নিয়ে টুঁ শব্দও করে না। এমনটাই দাবি করেছেন রিয়ালের বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।

    রোনালদোর রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাসে যাওয়ার কিছুদিন পরই ইংলিশ ক্লাব চেলসি থেকে রিয়ালে নাম লিখিয়েছেন কোর্তোয়া। ফলে সরাসরি রোনালদোকে সতীর্থ হিসেবে পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। রোনালদো না থাকলেও, সতীর্থ হিসেবে রোনালদো কেমন, কী কী করতেন, এসব সম্পর্কে হয়তো কোর্তোয়ার জানার আগ্রহ ছিল। কিন্তু সে আগ্রহ থাকলেও সার্জিও রামোস, মার্সেলো, লুকা মদরিচ বা গ্যারেথ বেলরা আগ্রহ পূরণ করছেন কই? রিয়ালের বর্তমান কোনো খেলোয়াড়ই রোনালদোকে নিয়ে কোনো কথা বলে না, বেলজিয়ামের পত্রিকা হেট নিউজব্লেডকে এমনটাই জানিয়েছেন এই বেলজিয়ান গোলপ্রহরী, ‘রোনালদোকে নিয়ে লকার রুমে কেউই কথা বলে না। কারওরই ওকে নিয়ে কোনো মাথাব্যথা নেই। মূলত সংবাদমাধ্যমগুলোই এ কাজটা করে (রোনালদোকে নিয়ে হাহাকার করা)। আর এটা তখনই হয় যখন আমরা কোনো ম্যাচ হেরে যাই, বা দশটা সুযোগ পেয়েও যেদিন গোল করতে পারি না, সে দিন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ করা হয় যে আমরা হয়তো রোনালদোকে মিস করছি। ধরুন আমরা একদিন গোল করতে পারলাম না, কিন্তু ওদিকে রোনালদোর জোড়া গোলে জুভেন্টাস জিতে গেল—তখন রোনালদোকে নিয়ে হাহাকার করার কাজটা আরও সহজ হয়ে যায় সংবাদমাধ্যমগুলোর জন্য।’

    তবে কোর্তোয়া এটাও স্বীকার করেছেন রোনালদো না থাকার কারণে গোল করতে কষ্ট হচ্ছে তাদের, ‘রোনালদোর মতো স্ট্রাইকার না থাকার অর্থ মৌসুমে ৫০টা গোল কমে যাওয়া। রোনালদোর পর যেহেতু অন্য কোনো বিশ্বমানের স্ট্রাইকারকে আনা হয়নি, সেহেতু গোল করার ক্ষেত্রে একটু কষ্ট তো হচ্ছেই। এটা আমাদের জন্য কঠিন একটা মৌসুম, বেল-বেনজেমারা তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছে। হয়তো এটা আমাদের জন্য একটা পরিবর্তনের বছর।’

    রিয়াল যে রোনালদোকে আস্তে আস্তে মুছে দিতে চাচ্ছে এর নজির কিন্তু এটাই প্রথম নয়। পর্তুগিজ তারকাকে নিজেদের ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে ধীরে ধীরে যেন মুছে দিচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়াল মাদ্রিদের ওয়েবসাইটের হোমপেজেই সেটির আঁচ আছে। কদিন আগে উয়েফার ঘোষিত ২০১৮ সালের বর্ষসেরা দলে রিয়ালের বর্তমান দলের চারজন খেলোয়াড় আছেন—রাফায়েল ভারান, সার্জিও রামোস, লুকা মদরিচ ও মার্সেলো। সেই চারজনকে নিয়ে উচ্ছ্বাস থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু দলে যে রোনালদোও আছেন, সেটি সামনেই আনছে না রিয়াল। এখন ‘পর’ হয়ে যাওয়া রোনালদোকে নিয়ে উচ্ছ্বাস না-ই থাকতে পারে, তাই বলে তাঁর নামটাও বর্ষসেরা দলের অন্য ক্লাবের খেলোয়াড়দের মতো সাদামাটাভাবে দিতে হবে! টের স্টেগেন, ফন ডাইক, কান্তে, হ্যাজার্ড, মেসি, এমবাপ্পে—সবার নামের পাশে ব্র্যাকেটে ক্লাবের নাম লেখা, সেভাবেই রোনালদোর পাশেও লেখা (জুভেন্টাস ও রিয়াল মাদ্রিদ।) আলাদা কদর সেখানে রোনালদো পাননি। রোনালদো জুভেন্টাসে যাওয়ার পরপরই ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে রোনালদোকে ‘আনফলো’ করে দেয় রিয়াল। রোনালদোও পরে ‘শোধ’ নিয়েছেন। অথচ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ‘প্রেম’ রোনালদোর এখনো ঠিকই আছে। রিয়ালের ওয়েবসাইটে ক্লাবের লেজেন্ড ও ক্লাবের ইতিহাস নামে দুটি ভাগে আলফ্রেডো ডি স্টেফানো ও জিনেদিন জিদান থাকলেও রোনালদো নেই। সর্বশেষ কয়েক বছরে রিয়ালের জেতা ট্রফিগুলোর ছবির বেশির ভাগেও রোনালদো সামনের সারিতে নেই, কয়েকটিতে একেবারেই নেই!

    রোনালদোকে সম্ভব সব জায়গা থেকে মুছে ফেলতে রিয়ালের এই চেষ্টা যে খুব ভেবেচিন্তেই করা হচ্ছে, সেটি ইংলিশ দৈনিক ডেইলি মেইলকে বলেছে রোনালদোর এক ঘনিষ্ঠ সূত্র। এভাবে মুছে দিলেও, এক রোনালদো জন্যই তারা যেসব শিরোপা জিতেছে, সেগুলোর কথা কি রামোসরা চাইলেও অস্বীকার করতে পারবেন?

  • উট দৌড়ে প্রথম হলেন নেইমার!

    উট দৌড়ে প্রথম হলেন নেইমার!

    ফ্রেঞ্চ লিগে নিশ্চিন্তেই আছেন নেইমার-এমবাপ্পেরা। ১৬ জয় আর ২ ড্রয়ে শীর্ষে পিএসজি। শুধু শীর্ষে নয়, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে পার্থক্য ১৩ পয়েন্টের। ১৯ তারিখ আবার লিগ ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে মৌসুমের বাকি অর্ধেকটার। বধ্যবর্তী বিরতিতে বসে ছিলেন তাও কিন্তু নয়। কাতারে গিয়ে নতুন এক পেশার সন্ধান খুঁজেছেন নেইমার ও তাঁর সঙ্গীরা।

    কাতারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দারুণ এক উটের দৌড় প্রতিযোগিতা। সেখানে প্রতিযোগী পিএসজির সবাই। নতুন খেলায় অনভিজ্ঞ সবাই। তাই খেলা শুরু হওয়ার আগে প্রতিযোগীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণাদায়ী এক জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিলেন পিএসজি কোচ টমাস টুখেল। তারপর ছুটল উট আর উটচালকেরা। দৌড়ে কিন্তু ঠিকই জিতলেন গুরু আর তাঁর প্রিয় এক শিষ্য।

    ১৩জন বিজয়ীর মাঝে জয়ের হাসি হাসলেন নেইমার এবং টুখেল। পুরস্কার হিসেবে দুজনই পেয়েছেন ২৫০০০ হাজার ইউরো। প্রতিযোগিতা শেষে মজা করতে ভোলেননি কাটখোট্টা স্বভাবের টুখেল, ‘প্রতিযোগিতায় জয়ের টেকনিক আমি প্রকাশ করব না, আমি জানি আমার জয় খেলোয়াড়দের জন্য মেনে নেওয়া কঠিন। তবে এটা খুবই ট্যাকটিক্যাল ছিল। জেতাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি গর্বিত যে আমি এই জয়ে যেই অর্থ অর্জন করেছি সেটি চ্যারিটিতে দান করার সুযোগ পেলাম। এটা আমার জন্য বড় একটি সফলতা।’ নেইমারও জয়ের আনন্দ প্রকাশ করেছেন শিশুদের আনন্দ নিয়ে, ‘আমি খুব খুশি। আমাদের গ্রুপ সেরা হয়েছে। আমি প্রথম হয়েছি আর দানি (দানি আলভেজ) তৃতীয়। আমি জিতেছি আমি জিতেছি।’

    উট দৌড় কাতার এবং আরব আমিরাতে বেশ জনপ্রিয় একটি খেলা। এক সপ্তাহের সফরে কাতার ভ্রমণ করেছেন নেইমাররা। ভ্রমণ শেষে পিএসজি ফ্রান্সে ফিরেছে আজ।

  • যে কারণে বিমানবন্দরে আটক হয়েছিলেন রুনি

    যে কারণে বিমানবন্দরে আটক হয়েছিলেন রুনি

    ইংলিশ তারকা ফুটবলার ওয়েন রুনিকে ১৬ ডিসেম্বর আটক করেছিল ওয়াশিংটন পুলিশ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও এভারটনের সাবেক এই ফরোয়ার্ড ডুলস বিমান বন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল।

    যদিও অর্থের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। বিবিসি জানাচ্ছে, সৌদি আরবে একটি প্রোমোশনাল ট্রিপ সেরে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছিলেন রুনি। বিমান বন্দরে নামার পর তিনি নাকি মদ্যপ অবস্থায় বিমানবন্দরে থাকা যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। এর পর টাকার বিনিময়ে তাকে ছাড়া হয়। বর্তমানে তিনি মেজর সকার লিগের (এমএলএস) দল ডিসি ইউনাইটেডের হয়ে খেলছেন।

    এর আগেও মদ্যপ অবস্থায় তিনি আটক হয়েছিলেন। যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে রুনির মুখপাত্র দাবি করেছে, মদ্যপ ছিলেন না তিনি, ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় এমন ঘটনা ঘটে।মুখপাত্র আরও বলেন, বিমানে ডাক্তারের দেয়া ঘুমের ওষুধ অ্যালকোহলের সঙ্গে খেয়েছিলেন রুনি। নামার পরও তার প্রভাব ছিল। আটক করার সময় পুলিশ তাকে সামান্য কিছু অভিযোগের কথাই বলেছিল।জরিমানা দিয়ে বিমান বন্দরেই তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। বিষয়টি মিটে গিয়েছে।ওয়েন রুনিও পুলিশের ব্যবহারের প্রশংসা করেছেন ইউএস সংবাদ মাধ্যমে।

    রুনির ক্লাব ডিসি ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আমরা বুঝতে পারছি সংবাদ মাধ্যমের আগ্রহের কারণ। কিন্তু এটা ওয়েনের ব্যাক্তিগত বিষয় এবং ক্লাব সেটা মিটিয়ে নেবে।২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ওয়েন রুনি। এর পর তাকে দুই বছরের জন্য নির্বাসিত করা হয় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর উপর।গেল বছর জুলাইয়ে ডিসি ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছিলেন ৩৩ বছর বয়সী এই তারকা। মেজর লিগ সকারে ভাল জায়গায় শেষ করতে পারেনি দল। ২০২০ পর্যন্ত ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়কের। এই মৌসুমের এমএলএস-এ রুনির দল প্রথম খেলতে নামবে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৩ মার্চ।গেল নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে ‘গুড বাই’ বলেন রুনি।

  • পেলে-ম্যারাডোনার সমান নন মেসি: জিকো

    পেলে-ম্যারাডোনার সমান নন মেসি: জিকো

    বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়ের খেতাব জিতেছেন পাঁচ-পাঁচবার। নিজের ক্লাব বার্সেলোনার হয়ে প্রতিনিয়ত গড়ে যাচ্ছেন নতুন নতুন ইতিহাস। কিন্তু আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে নামলেই লিওনেল মেসির সব অর্জন যেন ফিকে হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার মূল দলের হয়ে এখনো যে কিছুই জেতেননি তিনি! সেই ব্যর্থতার দিকে আঙুল তুলেই ব্রাজিল কিংবদন্তি জিকো জানালেন, পেলে-ম্যারাডোনা হতে এখনো অনেকটুকু পথ পাড়ি দিতে হবে মেসিকে।

    ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হওয়ার দৌড়ে ম্যারাডোনার কাছাকাছি থাকলেও পেলেকে এখনো ধরতে পারেননি মেসি, এমনটাই ভাবছেন জিকো, ‘মেসিকে বড়জোর ম্যারাডোনার কাছাকাছি বলা যায়। তার মানে পেলের সঙ্গে মেসির তুলনা হওয়ার প্রশ্নই আসে না। কেননা আমার মতে পেলে সবার চেয়ে সেরা।

    একজন সফল ও সম্পূর্ণ ফুটবলারের যেসব গুণাবলি থাকা দরকার, তার সবকিছুই পেলের ছিল মনে অভিমত জিকোর, ‘একজন সম্পূর্ণ ফুটবলারের সকল বৈশিষ্ট্য ও গুণ পেলের ছিল। ঈশ্বর যখন পেলেকে বানিয়েছিলেন, তাঁর মধ্যে একজন পরিপূর্ণ ফুটবলারের সকল গুণাবলিই দিয়ে দিয়েছিলেন— গতি, ড্রিবলিং করার ক্ষমতা, শট নেওয়ার দক্ষতা, হেড করার ক্ষমতা, শক্তি, যেকোনো পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরতে পারার যোগ্যতা, সবকিছু। বিশ্বের খুব কম ফুটবলারই আছে যে পেলের মতো হেড করতে পারত। তিনি ছিলেন ১৭০ সেন্টিমিটার লম্বা, অর্থাৎ ভালোভাবে হেড করতে তাঁর কোনো সমস্যাই হতো না। বল নিয়ে কারিকুরি করতে পারা বা দলকে নিজের কাঁধে বয়ে নিয়ে যাওয়া— সম্ভাব্য সব দিকেই পেলে নিজেকে উন্নত করেছিলেন।

    মেসির মধ্যেও এসব গুণ কমবেশি আছে মানলেও মেসিকে পেলে-ম্যারাডোনার সমান ভাবতে নারাজ জিকো, ‘হ্যাঁ, মেসিও ভালো, তবে পেলের মতো নয়। সে এখনো আর্জেন্টিনার হয়ে একটা বিশ্বকাপও জিততে পারেনি, এটাই অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেয়।

    এই এক ক্ষেত্রে ব্যর্থ হওয়ার কারণে মেসি ম্যারাডোনার সমানও নাকি হতে পারেননি, ‘মেসি এখন যেমন ক্লাব পর্যায়ে সবকিছু জিতছে, ম্যারাডোনার তেমন জিতেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের হিসাব করলে ম্যারাডোনা একজন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন যেটা এখনো মেসি হতে পারেনি। ম্যারাডোনা সব সময় জাতীয় দলের হয়ে খেলতে এসে নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিত। আন্তর্জাতিক যেকোনো প্রতিযোগিতায় সব সময় নিজের সেরাটা ঢেলে দিত। এমনকি ভালো দল না নিয়েও সে নিজে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ত। মেসি তো তাও সতীর্থ হিসেবে ইনিয়েস্তা, জাভি, নেইমার, সুয়ারেজ, পিকেদের পেয়েছে।

    সত্তর-আশির দশকে ব্রাজিলের হয়ে মাঠ কাঁপিয়েছিলেন ‘সাদা পেলে জিকো। জিকোর এই বক্তব্য মেসিকে তাতিয়ে দিতে বাধ্য, আর এর মধ্যেই লিগের ১৫ ম্যাচে ১৫ গোল করা মেসি যদি আরও খেপে যান, তা আর্জেন্টিনা আর বার্সেলোনা, দুই দলের জন্যই ভালো!