Category: বরিশাল

  • বরিশাল নগরীতে আনসার বাহিনীর নেতৃত্বে জমি দখল

    বরিশাল নগরীতে আনসার বাহিনীর নেতৃত্বে জমি দখল

    স্টাফ রিপোর্টার:

    দু’দিনের সফরে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মহাপরিদর্শক যখন বরিশালে অবস্থান করছেন ঠিক সেই মুহূর্তে বাংলাদেশ আনসার বাহিনীর অর্ধশত সদস্যের নেতৃত্বে রাতের আঁধারে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি দখলে নিয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডের কাজিপাড়া এলাকায় গভীর রাতের ওই দখলের ঘটনায় গতকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা শুরু হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিরোধীয় জমিতে টিন দিয়ে অস্থায়ী নিরাপত্তা ঘর নির্মাণ করে সেখানে আনসার সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থান নিয়ে আছে। পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত না করে আনসার বাহিনী কর্তৃক জমি দখলের খবরে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও হতবাক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরিশাল মেট্রো পুলিশের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, নিরাপত্তার অজুহাতে আনসার কর্তৃক জমি দখল করতে গিয়ে তারা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে।

    এদিকে যে প্রতিষ্ঠানের দোহাই দিয়ে আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দাবি তুলছে তার স্বপক্ষে বাহিনীর কর্মকর্তা কোন প্রমাণপত্র গণমাধ্যমকে দেখাতে পারেনি। একইসাথে তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়া গণমাধ্যম কর্মীদের দখলের চিত্র ও তথ্য সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন।

    সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বরিশাল নগরীর বগুড়া আলেকান্দা মৌজার জে.এল নং ৫০, খতিয়ান নং- ১৪৯৪, ১৪৯৫, ৩৮৫৬, ৩৮৫৭ দাগ এস.এ- ৪০৪, ১১০২ বি.এস- ২৫৩২, ডিপি- ১১৩৫২ এর ১ একর ১২ শতাংশ জমি ২০১১, ১২ ও ১৩ সালের বিভিন্ন সময় স্থানীয় মৃত: মোসা: আনোয়ারা বেগমের ওয়ারিশ মোঃ হাবিবুর রহমান মল্লিক গংদের কাছ থেকে ক্রয় করেন একই এলাকার পশ্চিম বগুড়া রোডের বাসিন্দা এসাহাক মুন্সীর ছেলে আমিনুল ইসলাম মুন্সী।

    পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বর স্থানীয় কাজী মাহাতাব হোসেন জমির মালিকানা দাবি করে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুই ভাই কাজী মাহাতাব হোসেন ও কাজী আলতাফ হোসেন পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। যার নং এমপি-১২৪/১৭ এবং ১৭৬/১৭। আদালত ওই মামলা দুটির সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ প্রদান করা হলে উভয় মামলার তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদন বিবাদী আমিনুল ইসলাম মুন্সীর পক্ষে যায়।

    এদিকে আদালতের রায়ের বিষয়টি বাদীরা উপেক্ষা করে দখলের পায়তারায় লিপ্ত হয়। পরবর্তীতে তার অপর ভাই আনসার ভিডিপির রংপুর জেলা কমান্ড্যান্ট কাজী শাখাওয়াত হোসেন টুলুর প্রভাব খাটিয়ে বরিশাল আনসার ক্যাম্পের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সহায়তায় ১০ সদস্যের আনসার টিম নিয়ে জমি দখল করে বৃহস্পতিবার রাতে। তারা বিরোধীয় জমিতে টিন দিয়ে অস্থায়ী নিরাপত্তা কক্ষ তৈরী করে সেখানে অস্ত্রসহ অবস্থান নেয়।

    আনসার ভিডিপির উপজেলা অফিসার আফজাল হোসেন জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমরা এখানে অবস্থান নিয়েছি। ওই জমি সরকারি কিনা তা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। সরকারি জমি হলে তার স্বপক্ষে প্রমাণপত্র দেখতে চাইলে তিনি আল হাদী ট্রেডিং নামক প্রতিষ্ঠানের আবেদন দেখান। তিনি আরো জানান, শাখাওয়াত হোসেন টুলুর নির্দেশ, অপরদিকে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বরিশাল জেলা কমান্ড্যান্টের কার্যালয় থেকে গত ১০ মে করা এক অফিস আদেশ সংবাদকর্মীদের দেখানো হয়। আদেশে উল্লেখ আছে, সৈনিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এবং ক্যাম্পের মান-সমুন্নত রাখার স্বার্থে বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলার নিম্ন বর্ণিত সংস্থার ১০ জন অঙ্গীভুত আনসার সদস্যকে বদলী করে আনসার ক্যাম্পে বদলী করা হলো। উল্লেখিত বিরোধীয় জমি আনসার ক্যাম্প কিনা জানতে চাইলে তার কোন সদুত্তর উপস্থিত আনসার কর্মকর্তারা দিতে পারেননি। এদিকে অফিস আদেশে আনসার ক্যাম্পে বদলী লেখা হলেও আনসার সদস্যরা জানান, ওই জমির নিরাপত্তায় তাদের নিয়োজিত করা হয়েছে।

    জমির মালিক আমিনুল ইসলাম মুন্সী জানান, এ জমি আমার ক্রয়কৃত। বিবাদী পক্ষ জমি দখল দিতে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করলেও আদালতের রায় আমার পক্ষে আসে। তারা আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে আনসারের ক্ষমতা ব্যবহার করে জোরপূর্বক জমি দখলে নিয়েছে।

    স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা কবির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জমিটি আনসার সদস্যরা দখলে নিয়েছে। তারা সেখানে কাউকে প্রবেশ করতেও দিচ্ছে না।

    এ বিষয়ে স্থানীয় ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহীদুল ইসলাম তালুকদার বলেন, জমিটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তবে ক্রয় সূত্রে জমির মালিক আমিনুল ইসলাম মুন্সী। তবে আনসার সদস্যরা এ জমিতে অবস্থান করার বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ।

  • বাবুগঞ্জে বিউটি পার্লারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

    বাবুগঞ্জে বিউটি পার্লারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা

    বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:

    বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় বিউটি পার্লারের আড়ালে চলছে রমরমা দেহব্যবসা। যার ফলে স্থানীয় যুব সমাজসহ স্কুল, কলেজগামী শিক্ষার্থীরা ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে এসে দাড়িয়েছে । উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলা চত্ত্বর সংলগ্ন বেনামী একটি বিউটি পার্লার ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবৎ চলছে এ অনৈতিক কার্যকলাপ। বুধবার রাতে সাড়ে এগারটার দিকে বিউটি পার্লারের মালিক পপি আক্তার (২৭)কে খরিদ্দার পাশের দোকান মালিক সোহান (২৭)কে সহ হাতেনাতে আটক করে এলাকার জাফর আকন, আবদুল বারেক আকন, আলমগীর হোসেন খান, রফিকুল ইসলাম খান, মনির হোসেন খান, আসলাম খান, ওমর ফারুক, রোকেয়া বেগম, তাসলিমা আক্তার, রেশমা আক্তার, সালমা আক্তার, নুরভানু বেগমসহ দুইশতাধিক নারীপুরুষ।

    খরিদ্দার সোহান একই উপজেলার খানপুরা গ্রামের আবদুল হালিমের ছেলে। একাধিক বিবাহ বন্ধন আর বিচ্ছেদের সমীকরনের খেলায় মত্ত, বিউটি পার্লারের মালিক পপি আক্তারও খানপুরা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য সুলতান আহম্মেদের মেয়ে। দিনের বেলায় মৃদু আলোর ছোয়ায় বিউটি পার্লারে আর রাতের আধারে বিউটি পার্লারের সন্নিকটে সুলতান আহম্মেদের বাসায় খরিদ্দার নিয়ে এসে অবাধে মিনি পতিতালয় বানিয়ে রমরমা দেহব্যবসা চালিয়ে নেওয়াটা যেন এই ব্যবসার নতুন একটি মাত্রায় যোগ হয়েছে ।

    স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার অবৈধ প্রভাবসহ নানা ফাঁকফোকর ব্যবহার করে পপি আক্তার খরিদ্দারদের নিয়েই একটি আধুনিক ব্যবসা দাড় করিয়েছে, নির্দ্বিধায় চালিয়ে যাচ্ছে ভদ্র সমাজে রমরমা পতিতা ব্যবসা । আর এই পতিতালয়ের ভোক্তারা হচ্ছে স্থানীয় যুবক, স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ ভদ্র পরিবারের সন্তানেরা। যারা সম্পূর্ণ নিরাপদে, নির্ভয়ে মিটাচ্ছেন তাদের যৌন ক্ষুধা।

    পপি আক্তার বলেন, আমার ৬ বছরের ছেলে আকিল রাতে দরজা খুলে প্রসাব করতে গিয়েছিল, তখন সোহান এসে আমাদের ঘরে ঘুমিয়ে থাকে। স্থানীয় লোকজনের সাথে দীর্ঘদিনের শত্রুতা থাকায় তারা এসব কান্ড ঘটিয়েছে। পপি আক্তারের বাবা সুলতান আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি আমার মেয়েকে কোন কথা শুনিয়ে রাখতে পারি না, সে তার ইচ্ছা মতো চলে।

    এলাকার একাধিক নারী পুরুষ জানান, বিউটি পার্লারের মালিক পপি আক্তার ওয়াকর্স পার্টির নেতা গোলাম হোসেনের আত্মীয় হওয়ায় বেপরোয়া, কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে হামলা মামলা হয়রানীর শিকার হতে হয়। স্থানীয় যুবক, স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীদের বিপদগামী পথ থেকে ফেরাতে অতিদ্রুত দেহব্যবসা বন্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

  • বরিশালে ইয়াবা ও মরফিন সহ কমিশনারের মেয়ে আটক

    বরিশালে ইয়াবা ও মরফিন সহ কমিশনারের মেয়ে আটক

    বরিশালে ইয়াবা,মরফিন সহ সাবেক কাউন্সিলর হান্নুর মেয়ে ফাবিহা মিনহা বর্ষ কে আটক করেছে পুলিশ।

    আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে নগরীর ফলপট্টি মোড় থেকে ১০ পিচ ইয়াবা ও ২ টি মরফিন ইনজেকশন সহ বর্ষ কে আটক করে কোতয়ালি মডেল থানার এস আই মহিউদ্দিন (পিপিএম)।

    এস আই মহিউদ্দিন জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালালে বর্ষ ‘র ব্যাগে ইয়াবা ও মরফিন পাওয়া যায়। এর আগেও একাধিক বার মাদক সহ আটক হয় বর্ষ ও হান্নু কমিশনারের অপর দুই কন্যা।

    এ ঘটনায় এস আই মহিউদ্দিন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

  • বরিশালে মাদক মামলায় ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী’র কারাদণ্ড

    বরিশালে মাদক মামলায় ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী’র কারাদণ্ড

    মাদক বিক্রির দায়ে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের এক নেতার স্ত্রীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড ও ২ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামীম আহম্মেদ আসামি লাবনী বেগমের উপস্থিতিতে এই দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন। দণ্ডিত লাবনী বেগম বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক জনি জমাদ্দারের স্ত্রী।

    আদালত সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল নগরীর বান্দ রোড প্লানেট পার্ক শিশু পার্কের সামনে থেকে লাবনী বেগমকে প্রায় এককেজি গাঁজা সহ আটক করে নগর গোয়েন্দা পুলিশের তৎকালীন উপ পরিদর্শক চিন্ময় মিত্র। এ ঘটনায় মামলা দায়ের হলে একই বছরের ১০ মে লাবনীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা। ওই মামলা সাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামিকে দণ্ড দেন আদালত।

    জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক জানান, জনি জমাদ্দার জেলা ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক পদে আছেন। তবে তার স্ত্রী মাদক মামলায় আদালতে দন্ডিত হয়েছেন কিনা তা তিনি জানেন না।

  • সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে মাহে রমজানের ক্যালেন্ডার বিতরন

    সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে মাহে রমজানের ক্যালেন্ডার বিতরন

    বরিশাল মহানগরীর ১১ নং ওয়ার্ডে যুবরত্ন  সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে ,পবিত্র মাহে রমজান এর ইফতার,ও সেহরীর সময়সূচী সম্বলীত (হাদিয়া) ক্যালেন্ডার বিতরন করা হয়।

    ক্যালেন্ডার বিতরন কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের সভাপতি মুহা: পলাশ চৌধুরী সহ ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠন এর নেতাকর্মীরা।

    এসময় যুবরত্ন  সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে যেন বিসিসি নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন দেয়া হয় সেজন্য সকলের নিকট দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করা হয়।

  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    আমি মো: হারুন বেপারি, সাধারন সম্পাদক বরিশাল জেলা লৌহ শ্রমিক ইউনিয়ন।গত ৮ই মে বরিশালের অনলাইন নিউজ সকালের সংবাদ সহ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় ‘‘লৌহ শ্রমিক নেতার সরকারি খাল দখলে নতুন কৌশল “ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, আমি এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ যানাচ্ছি।

    উল্লেখিত শিরোনামের সংবাদের সাথে আমার কোনও সম্পর্ক নাই।এটা একটি ভিত্তিহীন,ভূয়া এবং অসত্য সংবাদ।আমাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করার উদ্দ্যেশে একদল কুচক্রি মহল আমার প্রতি ইর্ষান্বীত হয়েেএই ধরনের সংবাদ প্রকাশ করেছে।  আমি এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ যানাচ্ছি।

  • জাগদীশ সারস্বত বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নিজামসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    জাগদীশ সারস্বত বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নিজামসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    এসএসসির ফলাফল বিপর্যয়, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে জাগদীশ সারস্বত বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি নিজামুল ইসলাম নিজামসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সোমবার বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে জাগদীশ সারস্বত বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গনিত শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য রেখে দেন।

    মামলায় অন্যান্য বিবাদীরা হলেন, জাগদীশ সারস্বত বালিকা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সম্পাদক, দাতা সদস্য বিজয় কৃষ্ণ দে, অভিভাবক সদস্য কৃষ্ণ চন্দ্র শীল, ধীরেন কর্মকার, এস.আলাল মিয়া, রতন দাস গুপ্ত, কাওসার হোসেন, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, কলেজ পরির্দশকসহ ১৫ জন।

    মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী আজাদ রহমান জানান, গভর্নিং বডির মেয়াদ শেষে। গত বছর অক্টোবর মাসে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবৃদ্ধি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও ভবিষ্যৎ তহবিলের ২ লাখ ৯২ হাজার ৭৪৪ টাকার স্থলে ২ লাখ ৫ হাজার ২৯০ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক অধিকহারে ২০ হাজার ৩শ টাকা গ্রহণ করে।

    এ নিয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। প্রধান শিক্ষক গভর্নিং বডির কোন সিধান্ত ছাড়াই লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের অদক্ষতার কারণে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় ৩৭ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়।

    গত ৬ মে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রবৃদ্ধি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও ভবিষ্যৎ তহবিলের প্রতিষ্ঠানের টাকা প্রদাণের জন্য বললে টাকা প্রদানের কথা অস্বীকার করে। এ ঘটনায় সোমবার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।

  • ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে :মোহাম্মদ নাসিম

    ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে :মোহাম্মদ নাসিম

    ভোলা প্রতিনিধি  : আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, আগামী ২০১৯ সালে নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনেই হবে। ওই নির্বাচনে বিএনপি আসতে বাধ্য হবে এবং হারবে। কারণ, শেখ হাসিনার উন্নয়ন দেখে মানুষ আবারো আওয়ামী লীগকেই ভোট দেবে।

    মঙ্গলবার (৮ মে) দুপুরে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৫ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, আগামী বছরের ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে। খেলা হবে দু’দলের মধ্যে আর মাঠে রেফারির দায়িত্বে থাকবে নির্বাচন কমিশন। আমরা খালি মাঠে গোল দিতে চাই না।

    এসময় শেখ হাসিনা উন্নয়নের নেত্রী উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্ব বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসা করছে। ছিটমহল উদ্ধার, পদ্মাসেতু নির্মাণ, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নের মডেল এখন বাংলাদেশ।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি।

    চরফ্যাশনের ব্রজগোপাল টাউন হলে আয়োজিত সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ভোলার সিভিল সার্জন ডা. রথীন্দ্রনাথ মজুমদার।

    সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল হক খাঁন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম এ মাহী। চরফ্যাশন উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম ভিপি প্রমুখ।

    দুপুরে মধ্যাহ্ন ভোজ ও বিশ্রাম শেষে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সু-উচ্চ জ্যাকব টাওয়ার ও বিনোদন পার্ক পরিদর্শন, চরফ্যাশন-মনপুরার সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম অধ্যক্ষ মিয়া মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের কবর জিয়ারত করেন।

  • আশানুরূপ ফলাফল না হওয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

    আশানুরূপ ফলাফল না হওয়ায় স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

    সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল না হওয়ায় বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বিষপানে একস্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (০৮ মে) দুপুরে তার মরদেহের ময়নাতদন্ত বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে সম্পন্ন করা হয়।

    এরআগে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন ওয়ার্ড মাষ্টার আবুল কালাম। মৃত মিতু ঢালী (১৫) আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের আমবাড়ি গ্রামের বিমল চন্দ্র ঢালীর মেয়ে ও ডুমুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী। মৃতের স্বজনরা জানান, মিতু ঢালী(১৫) সদ্য প্রকাশিত এসএসসি পরীক্ষায় (এ-) পেয়ে পাশ করে।

    ওই ফলাফলে সন্তুস্ট না হওয়ায় মিতু সোমবার বিকেলে বিষপান করে। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিলে গেলে সেখানকার চিকিৎসকরা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করে।

  • গণ মানুষের বন্ধু সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    গণ মানুষের বন্ধু সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    শেখ সুমন:

    কাশিপুর থেকে রসুলপুর,রূপাতলি থেকে তালতলি,পলাশপূর থেকে মহম্মদপুর প্রত্যেকটি যায়গায় সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে ছুটে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষের পাশে।আগুনে ক্ষতি গ্রস্থ হলে,অসুস্থ হলে সব যায়গায় পৌছে যান মানব প্রেমি এই মানুষটি। শুধু তাই নয়, মাদ্রাসার ছাত্রদের সাথে সময় কাটানো,বৃদ্ধাশ্রমে বাবা মায়েদের সাথে খাবার খাওয়া ,পথ শিশুদের সাথে খেলা করা এভাবেই মানুষের সাথে মিশে থাকতে পছন্দ করেন সাদিক আব্দুল্লাহ।

    জীবে প্রেম করে যেই জন,সে জন  সেবিছে ঈশ্বর।মানব জাতীকে ভালো বাসার মধ্যে পরম শান্তি।সবাই মানুষের ভালবাসা পেতে পারে না।মানুষের ভালোবাসা পেতে হলে মানুষকে ভালবাসতে হয়। আর সেই মানব জাতীকে ভালবাসতে পারে যার মন ভালো । সেরকমই একজন মানুষ যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    বরিশালবাসী যাকে নিজেদের সন্তান,ভাই বা পরম আত্মীয়ের চোখে দেখে ।যাকে আত্মার বন্ধনে বেধে রেখেছে সবাই।কে এই সাদিক আব্দুল্লাহ ?

    দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা, পার্বত্য শান্তি চুক্তির রূপকার,মাননীয় মন্ত্রী জনাব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বড় পুত্র ,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগরীর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।ইতোমধ্যে নামটির খ্যাতি বরিশাল’র পাড়া-মহল্লা, নগর ছাড়িয়ে এখন দেশও সমধিক উচ্চারিত।

    ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে দক্ষিণবঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এর পর ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক।বেশ কয়েক বছর ধরে টালমাটাল বরিশাল আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যের বাধনে গেঁথেছেন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। সাদিক আবদুল্লাহর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী।

    বর্তমানে বরিশালের রাজনীতিতে ইতিহাস সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।সাদিক সবার কথা শোনেন, সাধ্যমতো সহযোগিতা করেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন থেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন কিছুতেই বাদ পড়ছেন না সাদিকের। তাকে ছাড়া যেন নগরবাসীর কোনো অনুষ্ঠানই পূর্ণতা পায় না। সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ড ,শেষে মধ্যরাতে যখন সাদিক ফেরেন তখনো মানুষের আনাগোনা থাকে নগরীর কালীবাড়িস্থ বাসায়।

    মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর এখন সকাল-সন্ধ্যা কাটে সাধারণ মানুষকে নিয়ে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বাসার নিচতলার ড্রইংরুমে দেখতে পান অপেক্ষমাণ মানুষের জটলা। কেউ এসেছেন সমস্যা নিয়ে, আবার কেউ বিচারপ্রার্থী হতে।

    বরিশালের রাজনীতিবিদরা মনে করেন যাদের জীবন শুধু সংগ্রামের, ত্যাগের, যারা দিতে জানে বিনিময়ে কিছু নিতে জানে না প্রকৃত অর্থে তারাই মানুষ। যাদের অনুসরণ করলে প্রকৃত মানুষ হওয় যায়। সে রকম একজন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশালের বর্তমানে খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ। নানা ঝড়ঝাপ্টার মাঝেও দলীয় আদর্শে তিনি অবিচল থাকেন। তাইতো দলীয় নেতা কর্মীদের নিকট হয়ে উঠেন বড় অবলম্বন। নগরভবন ঠিকানা না হলেও বর্তমানে মহানগরীর মানুষ এখন তাকে ‘ভবিষৎ মেয়র’ বলেই সম্বোধন করে। সুখে-দুঃখে, আপদে-বিপদে ছুটে যায় তার কাছে। সাদিকও নিরাশ করেন না বিপদে পড়া তার প্রিয় নগরবাসীকে।

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলেন বর্তমান সময়ে মহানগর আওয়ামী লীগ যে কোন সময়ের চেয়ে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী। এর কারন সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধা।

    যুবরত্ন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন,  আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। আমার দাদা, বাবা সবাই বরিশালের মাটিতে রাজনীতি করেছে। আমিও তাদের বাইরে নই। আমি কোন কুট রাজনীতি বুঝি না। ওই রাজনীতি করতেও চাই না। দেশ ও বরিশালের উন্নয়নের জন্য কোন কাজই আমি ভয় পাই না। আমি জনগনের মাঝেই থাকতে চাই। জনগনের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা নিয়েই রাজনীতিতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। মানুষের ভালোবাসাকে জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মেনে নিয়ে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চাই মানুষের কল্যাণে, দলের কল্যাণে।