Category: বরিশাল

  • বিএম কলেজের ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ

    বিএম কলেজের ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ

    বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের ডা. বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসে আবাসিক বাসিন্দা ৬ ছাত্রলীগ কর্মীকে হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান সিকদার শুক্রবার সকালের মধ্যে ওই ছাত্রীদের হলত্যাগের নির্দেশ দেন। এ ঘটনায় অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    ডা. বনমালী গাঙ্গুলী ছাত্রী নিবাসের আবাসিক বাসিন্দা কথিত ছাত্রলীগ নেতা ফারজানা আক্তার ঝুমুর। ছাত্রী নিবাস সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীদের উপর মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করতো সে। অনেককে অনৈতিক কাজে প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব ঘটনায় হয়ে সাধারণ আবাসিক শিক্ষার্থীরা গত ২১ এপ্রিল কলেজ অধ্যক্ষের কাছে ঝুমুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে। লিখিত অভিযোগ দেওয়ায় আরও ক্ষিপ্ত হয় ঝুমুর। এ ঘটনায় সব শেষ ২২ এপ্রিল সাধারণ শিক্ষার্থীরা কর্তৃপক্ষের কাছে দ্বিতীয় দফায় ঝুমুরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেয় এবং তাকে হল থেকে বহিস্কারের দাবি জানায়। এ ঘটনা নিয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথে দ্বন্ধে জড়িয়ে পড়ে ঝুমুর। এক পর্যায়ে অন্যান্য আবাসিক শিক্ষার্থীরা একজোট হয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় ঝুমুরকে বেদম মারধর করে এবং তার বিছানাপত্র পুড়িয়ে দেয়। ওই ঘটনার পর থেকে ঝুমুর হলের বাইরে রয়েছে।

    এ ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কমিটির কাজে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে দুই পক্ষের বিরুদ্ধে। এ কারণে কর্তৃপক্ষ ঝুমুরকে হলে ফিরতে নিষেধ করে। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে কর্তৃপক্ষ প্রতিপক্ষের আবাসিক ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসি, রহিমা আফরোজ ইভা, ফাতিমা শিমু, শাকিলা আক্তার, তানজিলা আক্তার মিষ্টি ও শারমিন আক্তারকে হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়।

    ফাতেমা শিমু জানান, তদন্তের স্বার্থে হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের আদেশ মেনে নিয়েছেন।

    তানজিলা আক্তার মিষ্টি জানান, অধ্যক্ষ তদন্তের স্বার্থে তাদের ছয় জনকে কয়েক দিনের জন্য হল ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তারা সুষ্ঠু তদন্তের জন্য হল ছেড়ে দিয়েছেন।

    বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. শফিকুর রহমান সিকদার জানান, শিক্ষক কাউন্সিলের সভায় ওই মারামারির ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে জড়িতদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • অনুসন্ধান কেন্দ্র যখন বিজ্ঞাপন বিলবোর্ড

    অনুসন্ধান কেন্দ্র যখন বিজ্ঞাপন বিলবোর্ড

    তানজীল শুভ

    শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একমাত্র অনুসন্ধান কেন্দ্রটি এখন ব্যবহার হচ্ছে বিজ্ঞানের বিলবোর্ড ও মোটর সাইকেল গ্যারেজ হিসেবে। অনুসন্ধান কেন্দ্রের রোগী এবং স্বজনদের সেবা বন্ধ থাকলেও সেটিকে আড়াল করে টানানো হচ্ছে বিশাল বিশাল সাইন বোর্ড। এসব কারনে অনুসন্ধান কেন্দ্রে সেবা থেকে বঞ্ছিত হচ্ছে হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। জানাগেছে, শেবাচিম হাসপাতালে মাঝের ব্লকে নিচ তলায় বেশ কয়েক বছর পূর্বে নির্মান করা হয় একটি তথ্য ও অনুসন্ধান কেন্দ্র। কেন্দ্রের সামনের অংশে থাই গ্লাস লাগানো হয়। ওই গ্লাসের উপরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং বিভাগের চিত্র লিখনের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। সেই সাথে হাসপাতালে রোগীর সেবা সমুহ সোভা পায় অনুসন্ধান কেন্দ্রের গ্লাসে।

    এদিকে লেখুনি ছাড়াও অনুসন্ধান কেন্দ্রে রোগী ও স্বজনদের সুবিধার জন্য সার্বক্ষনিক লোক থাকার ব্যবস্থা ছিলো। কেন্দ্রটি চালুর পরে বেশ ভালো ভাবেই এর কার্যক্রম হয়। কিন্তু হঠাৎ করেই অনুসন্ধান কেন্দ্রটির কার্যক্রম পুরোপুরি ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। কেন্দ্রটি থেকে এখন আর সেবা পাচ্ছেনা দুর দুরন্ত থেকে আসা রোগীরা। কেন্দ্রটি এখন ব্যবহার হচ্ছে বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ড হিসেবে। সরেজমিনে দেখাগেছে, অনুসন্ধান কেন্দ্রে লাগানো গ্লাসের উপরে বিশাল আকারের একটি ব্যানার লাগানো রয়েছে। হাসপাতালে সদ্য যোগদানকারী তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারীদের অভিনন্দন জানানো হয়েছে ব্যানারটির মাধ্যমে।

    চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী কল্যান সমিতির নামে ব্যনারটি লাগানো হয়েছে। এছাড়াও গ্লাসের উপর বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিজ্ঞাপনী স্টিকার লাগানো। লেখনির মাধ্যমে তুলে ধরা হাসপাতালের সেবা সমুহ ঢেকে দেয়া হয়েছে ব্যানার ও বিজ্ঞাপন দিয়ে। অনুসন্ধান কেন্দ্রের ভেতরে দু-একটি চেয়ার টেবিল জরাজির্ন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। হাসপাতালের বহু কর্মচারী জানিয়েছেন, অনুসন্ধান কেন্দ্রের মাধ্যমে দুর দুরন্ত থেকে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের অনেক উপকার হতো। কিন্তু এর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সেবাও বন্ধ হয়ে গেছে।

    বিজ্ঞানের বিলবোর্ড হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে অনুসন্ধান কেন্দ্রটি। তাছাড়া শুধু কর্মচারীদের শুভেচ্ছা জানানো ব্যানারই নয়। কারোর মৃত্যু হলে শোকের ব্যনার, রাজনৈতিক ব্যানার এবং বিভিন্ন দিবসের ব্যনার টানিয়ে বিজ্ঞান প্রচার করা হচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে এমন কার্যক্রম চলে আসলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিষয়টি নজরে আসছে না। তাই সেবা থেকেও বঞ্ছিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ তবে বিজ্ঞান বুথ হিসেবে ব্যবহার হওয়া অনুসন্ধান কেন্দ্রের কার্যক্রম পুনরায় চালুর দাবী জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বরিশাল জেলা ওমহানগর রেস্তোরা হোটেল সুইটমিট শ্রমিক ইউনিয়ন এর সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল জেলা ওমহানগর রেস্তোরা হোটেল সুইটমিট শ্রমিক ইউনিয়ন এর সংবাদ সম্মেলন

    নুরই মাহাবুব :

    বরিশাল জেলা ও মহানগর হোটেল,রেস্তোরা, সুইটমিট শ্রমিক ইউনিয়ন এর সংবাদ সম্মেলন বরিশাল রিপোর্টাস ইউনিটি অনুষ্ঠিত হয়।এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করছেন মোঃ নান্না মিয়া সভাপতি বরিশাল জেলা হোটেল,রেস্তোরা, সুইটমিট শ্রমিক ইউনিয়ন।

    সংবাদ সম্মেলনে তারা হোটেল শ্রমিকদের প্রকাশিত গেজেট বাস্তবায়ন করার দাবী জানান।তাদের দাবীগুলো হচ্ছে ২০১৭ সালের ঘোষিত নিম্নতম মজুরী বাস্তবায়ন করতে হবে।সকল শ্রমিকের মজুরী ১০০০০/-টাকা, চিকিৎসা ভাতা ১৫০০/- টাকা, এবং ঘর ভাড়া সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৬০%জেলা শহরে ৫৫%থানা শহরে ৫০% প্রদান করতে হবে। সাপ্তাহিক ছুটি দেড় দিন, ১০ দিন নৈমিত্তিক,১৪ দিন অসুস্থ জনিত ছুটি এবং ১১দিন মজুরি সহ উৎসাহ ছুটি দিতে হবে।এছাড়াও বছরে ২ টি উৎসব বোনাস, দৈনিক ৮ ঘন্টা সপ্তাহে ৪৮ ঘন্টা এর অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি দিতে হবে।রেশনিং ব্যাবস্থা চালু করতে হবে।

    বর্তমান শ্রম আইন ২০০৬ সংশোধিত২০১৩ শ্রমিক স্বার্থবিরোধী ধারা সমূহ বাতিল গনতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রনয়ন ও অবাধ ট্রেড ইউনিয়ন করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারন সম্পাদক আজিজুল আলম সাইদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক মঞ্জুরুল আহসান এবং ঢাকা ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক মঞ্জুরুল আহসান এবং ঢাকা ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

    কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক মঞ্জুরুল আহসান ফেরদৌস এবং ঢাকা ব্যাংকের দুই কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

    বুধবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথার বাসা থেকে কীর্তনখোলা লঞ্চের মালিক ফেরদৌস এবং নগরীর বটতলা থেকে ঢাকা ব্যাংকের ম্যানেজার কাজী জাফর হাসান ও ক্রেডিট ইনচার্জ মো. হাসান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক আবু সাঈদ জানান, মঞ্জুরুল আহসান তার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মঞ্জুরুল আহসান অ্যান্ড কোংয়ের নামে ৬ বছর আগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে ঢাকা ব্যাংক বরিশাল শাখা থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ এর সত্যতা পাওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।তাদের কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

  • বিসিসির প্রকৌশলী লাঞ্ছিত : যুবদল নেতা মোনেমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    বিসিসির প্রকৌশলী লাঞ্ছিত : যুবদল নেতা মোনেমের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলীকে গুলি করে হত্যার হুমকিসহ লাঞ্ছিত করার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিচুজ্জামান বাদী হয়ে যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আহসান হাবিব কামালের আস্থাভাজন ‘মেসার্স মিতুসী ট্রেডার্স’র সত্ত্বাধিকারী ঠিকাদার মোমেন সিকদারসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে এই ডায়েরি করা হয়েছে।’

    এর আগে নির্বাহী প্রকৌশলী আনিচুজ্জামানকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে নগর ভবনে প্রতিবাদ সভা করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাছাড়া ঘটনার বিচার দাবিতে বিকাল গতকাল ৪টায় নগর ভবনের সামনে মানববন্ধনও করেছে তারা। বিসিসি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান বলেন, নগরীর আমির কুটির ও কাউনিয়া জানুকি সিংহ রোডের হরিজন কলোনীতে ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকায় পুকুরের ঘাটলা ও প্রাচীর নির্মাণ এবং সড়ক পাকাকরণ কাজের ঠিকাদার মোমেন সিকদার। ৩৩ পার্সেন্ট লেস দিয়ে মোমেন সিকদার ওই কাজটি নিয়ে নেন। প্রথম দফায় কাজ শুরুর আগেই চার লাখ টাকা অগ্রিম বিল দাবি করেন মোমেন সিকদার। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী আনিচুজ্জামান তাকে ফিরিয়ে দেন।

    এর পর বেশ কিছুদিন কাজ বন্ধ থাকার পর সম্প্রতি তিনি ফের কাজ শুরু করেন। ওই কাজের এখন পর্যন্ত ২০ ভাগও সম্পন্ন হয়নি। তার মধ্যেই মোমেন সিকদার ১ কোটি টাকা বিল দাবি করেন। কিন্তু নির্বাহী প্রকৌশলী কাজের অতিরিক্ত কোন বিল দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এনিয়ে সোমবার (২৩ এপ্রিল) সকালে মোমেন সিকদার নগর ভবনে গিয়ে প্রথমে সহকারী প্রকৌশলী মামুনর রশিদের সঙ্গে বাতবিতান্ডায় লিপ্ত হন। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী আনিচুজ্জামানের কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে বাকবিতান্ডার একপর্যায়ে মোমেন সিকদার উত্তেজিত হয়ে তাকে গালিগালাস করেন। তিনি একাধিকবার তাকে মারতে তেড়ে যান এবং গুলি করে আনিচুজ্জামানকে হত্যার হুমকি দেন। একই সময় তিনি তার সহোদর মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাহিন সিকদারকে নগর ভবনে ডেকে নেন। তিনিও সেখানে ভাইয়ের পক্ষ নিয়ে বিকবিতন্ডায় লিপ্ত হন।

    বিসিসি’র সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ বলেন, ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকার কাজটি ৩৩ ভাগ লেস দিয়ে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকায় নেন মোমেন সিকদার। এ কাজে নিশ্চিত লোকসান বুঝতে পেরে তিনি আগাম বিল তুলে নিতে তৎপর হন। সম্প্রতি বিসিসিতে সোয়া ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছে। তা জানতে পেরে মোমেন সিকদার হরিজন পল্লীর কাজের বিপরীতে ১ কোটি টাকা বিল দেওয়ার জন্য প্রকৌশল বিভাগে চাপ প্রয়োগ শুরু করে। নগর ভবন ত্যাগ করার পর পরই মোমেন সিকদার মুঠোফোন বন্ধ করে দেয়। যে কারনে বহু চেষ্টা করেও তার বক্তব্য জানা যায়নি।

    বিসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াজিদুজ্জামান জানান, নির্বাহী প্রকৌশলী আনিচুজ্জামান তার কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে ঠিকাদার মোমেন সিকদার তাকে লাঞ্ছিত করেছে বলে উল্লেখ্য করেছে। অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিধি মোতাবেক এই বিষয়ে প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।’

  • বরিশাল  বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী বহিষ্কার

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) তিন শিক্ষার্থীকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের সভায় ‘উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ’ এর অভিযোগে অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বুধবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক (চ.দা.) মো. ফয়সাল মাহমুদ রুমি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত শনিবার (২১ এপ্রিল) ববির ঢাকাস্থ লিয়াজোঁ অফিসে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৪তম সভা উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম ইমামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় “র্যাগিং” শব্দটি পরিহার করে এর বাংলা প্রতিশব্দ “উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ” শব্দ ব্যবহার এবং এ জাতীয় হয়রানি ও উৎপীড়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে “জিরো টলারেন্স” নীতি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীদের একই বিভাগের ২য় বর্ষের তিন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে করা “উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ” এর অভিযোগে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটি ও ডিনের সমন্বয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা সভা হয়।

    সভাশেষে ববি সিন্ডিকেট “উত্যক্ত ও উৎপীড়ণ” এর অভিযোগে অভিযুক্ত কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের তিন শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান শিফা,কল্যাণ হালদার ও মো. নাজমুল হাসানকে এক বছরের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যে বিষয়টি সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে সতর্ক করার জন্য অভিযুক্তদের শাস্তির বিষয়টি নোটিশবোর্ডে টাঙিয়ে দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নেন। আর এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওই তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।

  • বরিশালে স্ত্রী’র ইটের আঘাতে দুই সন্তানের জনক নিহত

    বরিশালে স্ত্রী’র ইটের আঘাতে দুই সন্তানের জনক নিহত

    শেখ সুমন :

    বরিশাল নগরীর কালুশাহ্ সড়কের খান বাড়িতে স্ত্রী’র ইটের আঘাতে মো. আনোয়ার খান (৫০) নামে দুই সন্তানের জনকের মৃত্যু হয়েছে।
    বুধবার সকাল ৯টার দিকে এই ঘটনার পরপরই ঘাতক স্ত্রী লিজা বেগম পালিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত আনোয়ার ওই এলাকার আফতাব আলী খানের ছেলে। তার নাইমা এবং নাইম নামে দুটি সন্তান রয়েছে।

    পুলিশ জানায়, পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে আনোয়ার ও লিজার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলে আসছিলো। সব শেষ আজ সকালে তাদের মধ্যে ফের ঝগড়া হয়।

    নিহতের শিশু কন্যা নাইমা জানান, সকালে তার ছোট ভাই নাইম নাস্তা কিনে এনে দেওয়ার জন্য বায়না ধরে। এছাড়া নাইমা নিজেও খাতা কেনার জন্য টাকা চায়। কিন্তু তাদের বাবা টাকা না দিয়ে উল্টো বকাঝকা করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয় নাইমার মা লিজা বেগম। এ নিয়ে তাদের বাবা-মা ঝগড়ায় লিপ্ত হলে তারা তাদের নানা শাহজাহান খানকে খবর দেয়। শাজাহান খান ওই বাসায় গেলে তার সাথেও বাদানুবাদে লিপ্ত হয় তার বাবা আনোয়ার। এ সময় আনোয়ার ইট নিয়ে তার নানা শাজাহান খানকে মারতে যায়। লিজা স্বামীর হাতের ইট নিয়ে ধস্তাধস্তির সময় ইটটি সিটকে আনোয়ারের মাথায় আঘাত লাগে। এতে আনোয়ার রক্তাক্ত জখম হয়ে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শের-ই বাংলা মেডিকেলে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আনোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী কোতয়ালী মডেল থানার এসআই শামীম আহম্মেদ জানান, ময়না তদন্তের জন্য নিহত আনোয়ারের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত লিজা আত্মগোপন করেছে। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক কোতয়ালী থানায় অপমৃত্যু হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে নিয়মিত মামলা দায়ের সহ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন এসআই শামীম।

  • খালেদা জিয়াসহ কারান্তরীণ সকল নেতার মুক্তি দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন

    খালেদা জিয়াসহ কারান্তরীণ সকল নেতার মুক্তি দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন

    শেখ সুমন :

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানসহ সকল নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মামলায় ‘সাজানো রায়’ এর প্রতিবাদে বরিশালে পুলিশের কঠোর বেস্টনীতে পৃথক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মহানগর বিএনপি এবং সকাল সাড়ে ১০টায় একই স্থানে একই দাবিতে মানববন্ধন করে উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

    মহানগর বিএনপি আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল হক নান্নু, মহানগর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন ও মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা খানম নাসরিন প্রমুখ।

    বক্তারা আদালতের রায় বাতিল করে বিএনপি চেয়ারপার্সনসহ কারাবন্দি সকল নেতার মুক্তির দাবি জানান।

    এর আগে দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবায়েদুল হক চাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন উত্তর জেলা বিএনপি’র সভাপতি সাবেক এমপি মেজবাউদ্দিন ফরহাদ, দক্ষিণ জেলা যুবদলের সভাপতি পারভেজ আকন বিপ্লবসহ অন্যান্যরা।

    বিএনপি’র পৃথক মানববন্ধন উপলক্ষ্যে অশ্বিনী কুমার হলসহ আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল।

  • নির্বাহী প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত ও হত্যার হুমকিতে বিক্ষোভ-আল্টিমেটাম

    নির্বাহী প্রকৌশলীকে লাঞ্ছিত ও হত্যার হুমকিতে বিক্ষোভ-আল্টিমেটাম

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামানকে লাঞ্ছিত ও গুলি করে হত্যার হুমকি দিয়েছেন ঠিকদার ও যুবদল নেতা মো. মোমেন সিকদার। কাজ না করেই অগ্রীম বিল চেয়ে না পেয়ে গতকাল সোমবার বেলা ২টায় নির্বাহী প্রকৌশলীকে তার দপ্তরে লাঞ্ছিত করা হয়। এক পর্যায়ে বিসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিরোধের মুখে ঠিকাদার মোমেন সিকদার পালিয়ে যান। মোমেন সিকদার যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য।

    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগর ভবনে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কাজ বন্ধ রেখে রাস্তায় নেমে আসেন কর্মকর্তারা। বেলা ৩টায় নগর ভবনে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জরুরী সভা এবং বিকাল ৪টায় নগর ভবন সংলগ্ন সড়কে মানবন্ধন করে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিচার না পেলে তারা কঠোর আন্দোলন করার কথাও জানিয়েছেন। ঠিকাদার মোমেন সিকদার মেয়র আহসান হাবিব কামালের ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত। বিসিসির উন্নয়ন কাজের বেশীরভাগের ঠিকাদার হলেন তিনি। গতকাল নগর ভবনে এ ঘটনার সময় মেয়র কামাল ঢাকায় অবস্থান করছিলেন।

    নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুজ্জামান জানান, নগরীর আমির কুটির ও কাউনিয়া জানসিংহ সড়কে হরিজন কলোনীতে ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকায় পুকুরের ঘাটলা, প্রাচীর ও সিসি সড়কের নির্মান কাজের ঠিকাদার হলেন মোমেন সিকদার। ওই কাজের ২০ ভাগও এখন পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি। এমনাবস্থায় মোমেন সিকদার ১ কোটি টাকা বিল দাবী করেন। তিনি (নির্বাহী প্রকৌশলী) যতটুকু কাজ হয়েছে ততটুকুর বিল দিতে রাজী ছিলেন।

    এনিয়ে গতকাল দুপুরে মোমেন সিকদার নগর ভবনে গিয়ে প্রথমে সহকারী প্রকৌশলী মামুনর রশিদের সঙ্গে বাকবিতন্ডা করেন। পরে নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজ্জামানের কক্ষে গিয়ে তার সঙ্গে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে মোমেন সিকদার উত্তেজিত হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও একাধিকবার তাকে মারতে তেড়ে যান এবং গুলি করার হুমকি দেন। উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তারা তাকে নিবৃর্ত্ত করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। প্রায় আধাঘন্টা সেখানে হুলুস্থুল পরিস্থিতি চলার পর অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জড়ো হন। এ সময় মোমেন সিকদার দ্রুত সেখান থেকে সটকে পড়েন।

    সহকারী প্রকৌশলী মামুনুর রশিদ বলেন, ৩ কোটি ৬২ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হলেও মোমেন সিকদার ৩৩ ভাগ লেস দিয়ে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকায় উন্নয়ন কাজটি নিয়েছেন। ফলে এ কাজে নিশ্চিত লোকসান হবে বুঝতে পেরে তিনি আগাম বিল তুলে নিতে তৎপর হন। সম্প্রতি বিসিসিতে সোয়া ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছে জানতে পেরে মোমেন সিকদার হরিজন পল্লীর কাজের বিপরীতে ১ কোটি টাকা বিল দেওয়ার জন্য প্রকোশল বিভাগে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। নগর ভবন ত্যাগ করার পর মুঠোফোন বন্ধ করে ফেলায় মোমেন সিকদারের বক্তব্য জানা যায়নি। নির্বাহী প্রকৌশলী আনিসুজজামান বলেন, তিনি এ ঘটনার বিচার চেয়ে মেয়রের কাছে লিখিত আবেদন করবেন।

    বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াহেদুজ্জামান বলেন, ঘটনার সময় আমি নগর ভবনে ছিলাম না। তবে শুনেছি দুই পক্ষের মধ্যে কিছু একটা হয়েছে। কোন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে ঠিকাদার অশালীন আচরন করে থাকলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

     

  • বরিশালে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে মাহমূদিয়া মাদ্রাসার জমি রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন

    বরিশালে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে মাহমূদিয়া মাদ্রাসার জমি রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন

    স্টাফ রিপোর্টার॥ ভূমিদস্যুর হাত থেকে মাহমূদিয়া মাদ্রাসার জমি রক্ষার্থে সংবাদ সম্মেলন করেছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। সোমবার দুপুর ২টায় নগরীর বেলতলায় অবস্থিত মাদ্রাসার সভাকক্ষে ওবাইদুর রহমান মাহবুব এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, বিসিসি ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ ইউনুস মিয়া, জামে ইবায়েদুল্লাহ মসজিদের খতিব আলহাজ্ব নুরুর রহমান বেগ, দৈনিক আজকের বরিশাল পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান সহ গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

    সংবাদ সম্মেলনে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও সেক্রেটারি ওবাইদুর রহমান মাহবুব বলেন নগরীর বগুড়া আলেকান্দা মৌজার এস এ খতিয়ান ৪৩০০ দাগ নং ৫৬৮৬ এর ৩৪ শতাংশ ভূমি দান পত্র দলিল মূলে জামি’আ ইসলামিয়া মাহমূদিয়া মাদ্রাসা মালিক। উক্ত জমির অবস্থান দক্ষিণ আলেকান্দার ডাঃ খাদেম হোসেন সড়কে। ঐএলাকার মোঃ আলি আহম্মদ সরদার তার পূত্র মোঃ জাহিদ হোসেন ও জাকির হোসেন কে নিয়ে অবৈধ ভাবে দখল করে ভোগ দখল করার পায়তারা চালাচ্ছে।

    উক্ত জমিতে মাদ্রাসার নামে লটকানো সাইনবোর্ড জাহিদ ও জাকির হোসেন ভেঙ্গে ফেলেছে। বিএস রেকর্ডে উক্ত জমি মাদ্রাসার নামে রেকর্ড ভুক্ত হয়েছে। অপর দিকে মাদ্রাসার জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে আলি আহম্মদ সরদার ডাঃ আবদুল মোনয়েম এর নিকট কিছু জমি বিক্রি করলে সে বিসিসি’র অনুমোদন ছাড়া স্থাপনা নির্মানের কাজ শুরু করলে মাদ্রাসার কতৃপক্ষ অভিযোগ করলে বিসিসি কতৃপক্ষ নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়। যেহেতু জমির মালিক মাদ্রাসা সেহেতু উক্তজমি অন্যকেউ ক্রয় বিক্রয়ের ক্ষমতা রাখেনা। মাদ্রাসার জমি ভূমি খেকোর হাত হতে রক্ষার্থে সরকার, প্রশাসন, মিডিয়া কর্মি, মানবধিকার সংগঠন সহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছে মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ।