Category: বিনোদন

  • মরণোত্তর চক্ষুদান করবেন সানজিদা তন্ময়

    মরণোত্তর চক্ষুদান করবেন সানজিদা তন্ময়

    অভিনেত্রী সানজিদা তন্ময় মরণোত্তর চক্ষুদান করবেন। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুর ১২টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল অধিভুক্ত সন্ধানী আন্তর্জাতিক চক্ষুব্যাংকে গিয়ে মৃত্যুর পর নিজের দু’চোখ দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

    মূলত দেশের অন্ধত্ব দূর করতে সানজিদা তন্ময় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। স্বেচ্ছায় চক্ষুদান প্রসঙ্গে সানজিদা তন্ময় বলেন, ‘আমি এর আগে তিনবার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছি। আর মৃত্যুর পর স্বেচ্ছায় চোখ দান করব এই সিদ্ধান্ত অনেক আগে থেকেই ভাবছিলাম।’

    ‘বাপজানের বায়োস্কোপ’ ছবির এই নায়িকা বলেন, ‘বাবা-মা এবং আমার স্বামীর অনুমতি নিয়েই চক্ষুদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি অনেক বড়লোক নই। তাই বেশি টাকা-পয়সা দিয়ে মানুষকে সাহায্য করতে পারব না। আমার মনে হয়েছে আমি মারা গেলে আমার চোখ দিয়ে আরেকজন মানুষ দুনিয়াটা দেখতে পাবে। তার মাধ্যমেই আমার চোখ দুটো বেঁচে থাকবে।’

    এই ভিট তারকা মনে করেন, মানুষ অবিনশ্বর নয়। তাকে আজ হোক কিংবা কাল, থামতেই হবে। মৃত্যুর পর তার দুটি চোখ দিয়ে যদি কেউ এই সুন্দর পৃথিবীটা দেখতে পারে তবে কেন নয়! তাই তন্ময় মরণোত্তর চক্ষুদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    ২০১১ সালে ভিট-চ্যানেল আই টপ মডেল প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন সানজিদা তন্ময়। নাটক-বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে তন্ময় কাজ করেছেন চলচ্চিত্রেও। তার অভিনীত বাপজানের বায়োস্কোপ, শূন্য ও শেষ চুম্বন এই তিনটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। বর্তমানে তন্ময় ব্যস্ত আছেন ঈদ নাটকের শুটিং নিয়ে।

  • শাকিবের জন্য মধ্যরাতে অপুর পোলাও রান্না

    জিমে রীতিমতো ঘাম ঝরাচ্ছেন অপু বিশ্বাস। চলচ্চিত্রে আবার ব্যস্ত সময় কাটাবেন তিনি, উদ্দেশ্য তেমনই। তবে এবার পুরনো হিসাব-নিকাশ নয়, নতুন পরিকল্পনা নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করবেন অপু বিশ্বাস।

    মাছরাঙা টেলিভিশনের নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘রাঙা সকাল’-এর ঈদের আয়োজনে অপু বিশ্বাস অকপটে স্বীকার করেছেন অনেক না জানা কথা।

    অপু বলেন, পুরুষ শিল্পীরা ইচ্ছে করলে পুরোপুরি কাজে ব্যস্ত হতে পারেন। নারী তারকারা চাইলেও তা পারেন না।

    দুইবছর আগে মাছরাঙা টেলিভিশনে ঈদের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘কেমিস্ট্রি’ শেষ করে শাকিব খান-অপু বিশ্বাস একসঙ্গে বাড়ি ফিরে গেছেন ঠিকই, তবে রাত দুইটায় স্বামীর জন্য তাকে পোলাও রান্না করতে হয়েছে।

    স্বামীর জন্য রান্না করতে ভালো লাগে অপুর। নিজেকে নিয়ে একটি ভুল তথ্য সংশোধন করে দিয়ে বলেন, অনেকেই ভাবেন আমার নাম অবন্তী বিশ্বাস। কিন্তু অবন্তী আমার নাম নয়। আমি অপু বিশ্বাস। প্রয়াত নির্মাতা সুভাষ দত্ত ‘দাদু ও আমার ছেলে’ ছবির শুটিংয়ে আদর করে আমাকে অবন্তী নামে ডাকতেন। কিন্তু আমি বরাবরই অপু বিশ্বাস নামেই পরিচিত হতে চেয়েছি।

    অপু বিশ্বাস জানান, নায়িকা নন, ছোটবেলা থেকেই নৃত্যশিল্পী হতে চেয়েছিলেন তিনি। প্রথম ছবি ‘কাল সকালে’তে অতিথি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা শাবনূরের ভক্ত বলে। আর দ্বিতীয় ছবি ‘কোটি টাকার কাবিন’ করেছেন মায়ের অনুরোধে। কারণ সে ছবিতে অভিনয় করেছেন নায়ক রাজ রাজ্জাক।

    ‘কোটি টাকার কাবিন’ ছবির পর অপুকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। তবে দীর্ঘ এক যুগের ক্যরিয়ারে নানা বাধা পেরিয়েছেন তিনি। সব বাধা অতিক্রম করে অপুর বিজয়ী হবার গল্প জানা যাবে ঈদুল আজহার ‘রাঙা সকাল’- অনুষ্ঠানে।

    রুম্মান রশীদ খান ও নন্দিতা’র উপস্থাপনায় অপু বিশ্বাসকে নিয়ে এই বিশেষ পর্বটি প্রচারিত হবে ঈদের দ্বিতীয় দিন। সকাল ৮টা থেকে ৯টায়। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন রকিবুল আলম ও জোবায়ের ইকবাল।