Category: রাজণীতি

  • রিফাত হত্যা, আওয়ামী লীগের বিভক্তির কারণেই সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা

    রিফাত হত্যা, আওয়ামী লীগের বিভক্তির কারণেই সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা

    বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। দুই যুগের বেশি সময় ধরে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। স্ত্রী মাধবী দেবনাথ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তাঁদের একমাত্র ছেলে সুনাম দেবনাথ জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক। ছেলের শ্বশুর নন্দ তালুকদার জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ। আর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাঁর ভায়রা সিদ্দিকুর রহমান। দলীয় পদে শম্ভু পরিবারের সদস্যদের এই তালিকাই বলে দেয় বরগুনার রাজনীতি এখন পরিবারটির কবজায়। তাঁদের কবজা থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে ‘মুক্ত’ করতে দলের অন্য নেতারা শম্ভুর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন। এই কারণে বরগুনা আওয়ামী লীগের রাজনীতি দুই ভাগে বিভক্ত। সেই বিভক্তির কারণেই সন্ত্রাসী আর অপরাধীরা সুযোগ নিচ্ছে। তারা দুই পক্ষের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ সহযোগিতায় অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে, প্রকাশ্যে অপরাধ করেও পার পেয়ে যাচ্ছে।

    স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রিফাত শরীফ খুনের প্রধান আসামি সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজীরা অপকর্ম করত। তাদের মধ্যে নয়ন পরোক্ষভাবে এমপিপুত্রের মদদপুষ্ট। পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গেও তার ছিল সখ্য। নিজেকে পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচয় দিত নয়ন। রিফাত ও রিশান আওয়ামী লীগের অন্য অংশের নেতৃত্বে থাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের আত্মীয়।

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলছে, আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সঙ্গে নয়ন-রিশানদের প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে যোগাযোগ থাকায় তারা অপরাধ করে সহজেই পার পেয়ে যেত। এভাবেই তারা রাজনৈতিক প্রশ্রয়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ফলে কোনো ধরনের প্রতিরোধ ছাড়াই প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে তারা শহর ছেড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

    এ প্রসঙ্গে সচেতন নাগরিক কমিটি, ঝালকাঠি শাখার সহসভাপতি মনির হোসেন কামাল বলেন, ‘রাজনৈতিক বিভক্তির সুযোগ নিয়ে নয়ন বাহিনী একের পর এক অপরাধ করে যাচ্ছিল। যখনই তারা পুলিশ প্রশাসনের হাতে ধরা পড়েছে, তখনই রাজনৈতিক সহযোগিতায় খুব অল্প সময়ে জেল থেকে বেরিয়ে এসেছে। আবার নতুন করে অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। এভাবেই একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে অপরাধীদের সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। তাতেই অপরাধীরা বড় ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। বরগুনার ঘটনাটি ঠিক সেভাবেই ঘটেছে।’

    আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে বিরোধ এবং অপরাধীরা এর সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে দলটির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি জুবায়ের আদনান অনিক বলেন, ‘কমিটি গঠনের সময় সুনাম দেবনাথ পাল্টা একটি কমিটির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। যাঁকে সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করেছিলেন, তিনি ছিলেন চিহ্নিত মাদকসেবী। ফলে আমাদের কমিটি অনুমোদন পায়। কমিটির পরও সুনামের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। কিন্তু তাঁর সঙ্গে যাঁরা ওঠাবসা করত, তাদের বেশির ভাগই মাদকসেবী ছিল। সময়ের ব্যবধানে দেখেছি, সুনামও মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত।’

    সুনামের মাদক কারবারের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিবাদ করেছেন জানিয়ে এই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, কলেজ পড়ুয়া নেতাকর্মীরাও সুনামের কাছে ঘেঁষত না। কর্মী না থাকায় তাঁর পাশে জায়গা করে নিয়েছে মাদকসেবীরা।

    জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মশিউর রহমান সিহাব বলেন, ‘দলীয় ফোরামে এমপি শম্ভুর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করেছি। তাঁর পুত্র সুনাম দেবনাথের মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণের সমালোচনা করেছি। এ কারণেই শম্ভু পরিবারবিরোধী আওয়ামী লীগের বড় অংশ আমার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। তাদের নিয়েই প্রাধানমন্ত্রীর কাছে এমপির দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেছিলাম। তখন শম্ভু জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীশূন্য হয়ে পড়েন। দুর্নীতির কারণে তাঁকে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করা হয়।’ তিনি দাবি করেন, মূলত দল ভারী করার জন্য তখন শম্ভুর ছেলে শহরের চিহ্নিত মাদক কারবারিদের দলে টানেন। তাদের নিয়ে শহর দাবড়িয়ে বেড়িয়েছিলেন সুনাম, যারা রিফাতের মতো একটি ছেলেকে নির্মমভাবে খুন করেছে।

    রিফাত খুনের ঘটনায় আওয়ামী লীগের ইমেজ দেশবাসীর কাছে প্রশ্নবিদ্ধ—এমন মন্তব্য করেছেন সিহাব। কথিত গডফাদারের নির্দেশে তিনি হামলার শিকার হয়েছেন দাবি করে বলেন, ‘আমরা রিফাত হত্যাকারী সন্ত্রাসীদের ফাঁসি চাচ্ছি। একই সঙ্গে গডফাদারকেও আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

    বরগুনা জেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল আহসান মহারাজ বলেন, ‘২০১৫ সালের পৌরসভা নির্বাচনে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। তখন এমপি শম্ভু প্রকাশ্যে নৌকার বিরোধিতা করেছিলেন। শম্ভু শাহদাত হোসেনের মতো একজন ঠিকাদারের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে নৌকা ডুবিয়েছেন। শুধু তা-ই নয়, এমপির নির্দেশে মাদক কারবারিরা আমার ওপর হামলা চালিয়েছিল। তাদেরই নির্দেশে দলীয় কর্মীদের গুলিও করা হয়েছিল।’ তিনি আরো বলেন, ‘মূলত বরগুনা পৌরসভা নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগে প্রকাশ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীরা শম্ভুকে বয়কট করে। তখন থেকেই শম্ভুর আশপাশে তাঁর ছেলের মাধ্যমে মাদকসেবী আর সন্ত্রাসীরা ভিড় করে। ওই সন্ত্রাসীরাই শহরে সন্ধ্যার পর মোটরসাইকেল মহড়া দিত। মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায় করত। মাদক ছড়িয়ে দিত।’

    মহারাজ দাবি করেন, দু-একটি ঘটনায় মামলা হলে গ্রেপ্তারকৃতরা তদবিরের জোরে অল্প দিনেই জেল থেকে বেরিয়ে আসত। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘নয়ন বন্ডের যারা জামিন করিয়েছিলেন, তাঁরা শম্ভুর খুব কাছের লোক।’

    জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর বলেন, ‘এমপিপুত্র যখন কোনো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন তখন শুধু দলীয় নেতাকর্মী নন, প্রশাসনের বিরোধিতাও কাজে আসে না।’ কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘জেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে গত বছর সংবাদ সম্মেলনে মাদক কারবারি নয়ন বন্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তখন সংবাদ সম্মেলনে মাদক কারবারিদের গডফাদার এমপিপুত্রের ব্যাপারে অনেক তথ্য দেওয়া হয়। ওই ঘটনার পর পুলিশ নয়ন কিংবা তার গডফাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। আমরাও প্রতিরোধ করতে পারিনি রাজনৈতিক বিভক্তির কারণে। রাজনৈতিক বিরোধের কারণেই নয়নরা দিন দিন ক্ষমতাধর হয়েছে।’ তিনি দাবি করেন, যারা মাদক কারবারিদের প্রশ্রয় দিয়েছে, তারাই প্রতিপক্ষকে দাবাতে তাদের ব্যবহার করেছে।

    সুনাম দেবনাথ বলেন, ‘একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমার বাবার বিরুদ্ধে কতিপয় নেতা জোট বেঁধেছিলেন। তাঁরা দলীয় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছিলেন। এমনকি আমার বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের হাতে গোনা কয়েকজন মাদকের ভুয়া অভিযোগ তুলেছিল। যাতে আমার বাবা মনোনয়ন বঞ্চিত হন। কিন্তু তাদের সব চেষ্টাই ব্যর্থ হয়ে যায়। আমার বাবা বিপুল ভোটে আবারও নির্বাচিত হন। সেই গ্রুপটিই আবার আমার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

    জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘রিফাত ও রিশানের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক নেই। আমি রিফাত হত্যার বিচার চাইছি। একই সঙ্গে রিফাত ও রিশানের শাস্তি দাবি করছি।’ সুনাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আসামিরা নয়নের নেতৃত্বে অপকর্ম করত। আমাদের অনুসারী দলীয় নেতাকর্মীদের মারার জন্য কে নয়নকে ব্যবহার করত, তা সবারই জানা। মূলত সুনামের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে নয়নরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে।’

    তবে সুনাম বলছেন, আওয়ামী লীগকর্মী রিফাত শরীফকে হত্যার পর তাঁদের বিরোধী পক্ষ বলছে, মাদক কারবারি নয়ন বন্ডের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল। পুলিশের তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

    সুনাম আরো বলেন, ‘জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দুই আত্মীয় খুনের সঙ্গে জড়িত। তারাও চিহ্নিত মাদক কারবারি। মূলত নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করেছে।’ দেলোয়ারের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একাধিকবার দলীয় মনোনয়ন চেয়ে দেলোয়ার পাননি। সেই থেকেই আমাদের পরিবারের বিরোধিতা করে আসছেন তিনি। এটা নতুন কোনো বিষয় নয়।’

  • সিএমএইচের সামনে জাপার উদ্বিগ্ন নেতা-কর্মীরা

    সিএমএইচের সামনে জাপার উদ্বিগ্ন নেতা-কর্মীরা

    জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে পার্টির কর্মীদের উদ্বিগ্ন সময় কাটছে। স্বাস্থ্যের বিষয়ে কোনো খবর নেই তাদের কাছে।

    আইসিইউ লাউঞ্জে স্থাপিত মনিটরটিও এখন বন্ধ। ২৬ জুন ভর্তির পর সব সময় মনিটরে এরশাদকে দেখানো হতো। কিন্তু রোববার (৩০ জুন) বিকাল থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয় মনিটর। আগে দুর থেকে মনিটরে দেখে স্বস্থি বোধ করতেন কর্মী ও পরিবারের লোকজন, এখন সেটিও নেই।

    সোমবার সকাল দশটায় এরশাদের ডেপুটি প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী এ তথ্য জানান।

    এরশাদের সর্বশেষ খবর জানার জন্য হাসপাতালে অবস্থান কনরছেন দলের অনেক সিনিয়র নেতা। সকাল হতেই একে একে অনেকেই হাজির হতে থাকেন হাসপাতালে। সবার মুখই মলিন। এ মুহুর্তে সেখানে উপস্থিত রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট নুরুল ইসলাম নুরু, যুগ্ম মহাসচিব হাসিবুল ইসলাম জয়, মনিরুল ইসলাম মিলন, মহিলা এমপি নাজমা আক্তার, রওশন আরা মান্নান, এরশাদের ডেপুটি প্রেস সচিব খন্দকার দেলোয়ার জালালী।

  • হংকংয়ে সরকারি সদর দপ্তরের দখল নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা

    হংকংয়ে সরকারি সদর দপ্তরের দখল নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা

    হংকংয়ে পুলিশি প্রতিরোধ ভেঙে সরকারের সদর দপ্তরে ঢুকে পড়েছে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী। এর আগে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ মরিচের গুঁড়ো ছিটায় এবং ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। সিএনএন।

    সোমবার হংকং’কে চীনের কাছে হস্তান্তরের বার্ষির্কী পালন উপলক্ষে গণতন্ত্রপন্থী বিশাল এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

    এ সময় তারা বিভিন্ন রাস্তা দখল করলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে।

    বিক্ষোভকারীদের ছোট একটি গ্রুপ জনগণের যাতায়াতের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা দখল করার পর সোমবার হংকংয়ে আবারো চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    এ গ্রুপের অধিকাংশই যুবক ও মুখোশ পরা ছিল।আধা-স্বায়ত্তশাসিত এ নগরীতে বিগত তিন সপ্তাহ ধরে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। এসব বিক্ষোভ থেকে হংকং’কে চীনের মূল ভূখন্ডের সঙ্গে একীভূত করার সুযোগ দেবে এমন আইন প্রত্যাহারের দাবি জানানো হচ্ছে।

    নগরীর অ্যাডমিরাল্টি ও ওয়ানচাই এলাকার রাস্তা দখল করে থাকা এসব বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দাঙ্গা পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের মাথায় হেলমেট ও হাতে ঢাল ছিল।

    এএফপি’র এক প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, হস্তান্তর বার্ষিকী পালন উপলক্ষে পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের স্বল্প সময় আগে পুলিশ রাস্তা অবরোধ করে থাকা বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়।

    এতে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে গেলে এক নারী বিক্ষোভকারী আহত হয়। পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত ওই নারীর মাথা থেকে রক্ত ঝরতে দেখা যায়।

    হংকংয়ের বেইজিংপন্থী নেতাদের সহযোগিতায় এখানকার স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির ওপর চীনের নগ্ন হস্তক্ষেপের প্রতিবাদ জানাতেই এসব বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই হংকং ব্রিটেনের হাত থেকে চীনা শাসনে ফিরে গেলেও একটি বিশেষ বন্দোবস্তের আওতায় নগরীটি এখনো পৃথকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এটি ‘এক দেশ, দুই ব্যবস্থা’ নামে পরিচিত।

  • গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ৭ জুলাই হরতাল

    গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ৭ জুলাই হরতাল

    অনলাইন ডেস্ক:

    গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ৭ জুলাই, রবিবার দেশব্যাপী আধা বেলা (সকাল ৬টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত) হরতালের ডাক দিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট।

    আজ সোমবার রাজধানীর কমরেড মণি সিংহ সড়কের মুক্তি ভবনে বাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পর্ষদের এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বাম গণতান্ত্রিক জোটের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন জোটের সমন্বয়ক ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন নান্নু।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদের (মার্কসবাদী) শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক হামিদুল হক, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির মমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বজলুর রশীদ ফিরোজ, সাজ্জাদ জহির চন্দন, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, রুহিন হোসেন প্রিন্স, মানস নন্দী, ফখরুদ্দিন কবীর আতিক, বাচ্চু ভূঁইয়া, জুলহাসনাইন বাবু।

    বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম গতকাল বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে বাসাবাড়িসহ সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্য গ্যাসের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেন, যা আজ সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে।

    গ্যাসের নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে আবাসিক গ্রাহকদের রান্নাঘরে যাদের এক চুলা আছে, তাদের ৭৫০ টাকার পরিবর্তে প্রতি মাসে দিতে হবে ৯২৫ টাকা। দুই চুলার গ্রাহকদের প্রতি মাসে ৮০০ টাকার পরিবর্তে দিতে হবে ৯৭৫ টাকা। গৃহস্থালিতে যাদের গ্যাসের মিটার রয়েছে, তাদের প্রতি ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহারের জন্য ৯ টাকা ১০ পয়সার পরিবর্তে ১২ টাকা ৬০ পয়সা দিতে হবে। মিটারে ৩৮.৪৬ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে।

  • ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগে নতুনরা প্রাধান্য পাবেন

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগে নতুনরা প্রাধান্য পাবেন

    আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, শিগগিরই রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা হিসেবে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হবে এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে নতুনরা বেশি প্রাধান্য পাবেন।

    আজ সোমবার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে যুগ্ম-জেলা ও দায়রা জজ এবং সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ১৪২তম রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

    বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক বিচারপতি খোন্দকার মূসা খালেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হকও বক্তৃতা করেন।

    আনিসুল হক বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত যারা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আছেন আমি তাদেরকে পদত্যাগ করতে বলেছিলাম। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমার কাছে এখন পর্যন্ত ৮৭ জনের পদত্যাগপত্র পৌঁছে গেছে।

    হলি আর্টিজানের মামলার বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী এই জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। হলি আর্টিজানের ঘটনায় যারা নিহত হয়েছে আমি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

    মন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে এটা নিতান্তই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এই ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে এই মামলার তদন্ত ও বিচার কাজ অত্যন্ত দ্রুত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

  • বরিশালে প্রতিবন্ধী সন্তানের পিতার আবেদনে গৃহকর কমিয়ে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশালে প্রতিবন্ধী সন্তানের পিতার আবেদনে গৃহকর কমিয়ে দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    এক প্রতিবন্ধী সন্তানের পিতার আবেদন বিবেচনায় নিয়ে তাদের গৃহকর কমিয়ে দিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    রোববার কর পুনঃ নির্ধারনী শুনানীতে এ কর কমিয়ে দেয়া হয়

    জানা গেছে- নগরীর ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জনৈক আবদুল আজিজ খান পূর্বে ৪০ হাজার টাকা মূল্যায়নে তার গৃহকর ১০ হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধ করে আসছিল। কিন্তু তার স্থাপনা পরিবর্তন হওয়ায় তাকে কর পুনঃ নির্ধারেনর জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়। যেখানে তার মূল্যায়ন ৬৪ হাজার টাকা এবং কর ১৭ হাজার ২৮০ টাকা করার প্রস্তাব দেয়া হয়।

    এ সংক্রান্ত নোটিশ পাওয়ার পর আজিজ খান বিসিসিতে আপত্তি জমা দেন। এতে তিনি তার এক পুত্র শারিরীক প্রতিবন্ধী উল্লেখ করে তার কর কমানোর আবেদন করেন। বিষয়টি বিসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও সচিব ইসরা্ইল হোসেন মেয়র সেরনিয়া বাত সাদিক আবদুল্লাহকে অবগত করেন। মেয়র বিষয়টি জেনে মানবিক বিবেচনায় কর কমানোর জন্য নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী অনুষ্ঠিত শুনানীতে আজিজ খানের প্রস্তাবিত করের পাশাপাশি ২০১৬ সালে নির্ধারিত ১০ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮ হাজার টাকা পুনঃ নির্ধারন করা হয়।

    মেয়রের নেয়া সিদ্ধান্তের ফলে কর কমে যাওয়ায় তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আজিজ মেয়রকে ধন্যবাদ জানয়ে বলেন হোল্ডিং কর বাড়ার যে কথা শুনতাম তা আজ মিথ্যা প্রমানিত হলো।

  • জলবায়ু বিষয়ে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে

    জলবায়ু বিষয়ে জাপান-বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে

    কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ঠে পানি সম্পদ সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন, দ্য বেঙ্গল ডেল্টা ইন্টারন্যাশনাল হাইড্রলিক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্স ইনস্টিটিউটের মতো স্টেট অব দ্য আর্ট প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নে জাপান ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

    রোববার সকালে জাপানের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী মিনোরো কিউচি সচিবালয়ে বাংলাদেশের পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে এলে উভয় প্রতিমন্ত্রী ওই বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করেন।

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও তার প্রভাব মোকাবিলায় আমরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছি। যেহেতু বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ এবং পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা নদী এবং তাদের উপ ও শাখা নদীর সম্মিলিত সবচেয়ে বড় ‘ডেল্টয়িক প্লেইন’-এর নিম্ন অববাহিকায় বাংলাদেশ অবস্থিত, তাই জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও বাংলাদেশে মারাত্মক।

    জাহিদ ফারুক বলেন, বাংলাদেশ এরই মধ্যে এ ধরনের বেশ কিছু দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবিলাও করেছে। আমাদের সরকার দীর্ঘ মেয়াদে এ ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ জনগোষ্ঠী সৃষ্টিতে আন্তর্জাতিক মানের একটি ইনস্টিটিউট গড়ে তুলতে কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

    জাপানকে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের ‘পরীক্ষিত উন্নয়ন অংশীদার’ অভিহিত করে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এ সময় বাংলাদেশের পানিসম্পদ উন্নয়নের সংশ্লিষ্ট সব সেক্টরে জাপানের সহযোগিতা কামনা করেন।

    জবাবে জাপানি প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য ফলপ্রসূ যেকোনো উদ্যোগে অতীতের মতো তাঁর দেশ পাশে থাকবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

    এ সময় জাপানি প্রতিমন্ত্রী মিনোরো কিউচি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় অভিযোজন ও প্রশমনে দুই দেশের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও সর্বোত্তম চর্চা বিনিময়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রশস্ত করতে পারলে জাপান আনন্দিত হবে বলেও উল্লেখ করেন।

    টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি নিশ্চিতকরণে জাপান সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও এ সময় জাপানি প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন।

    জাপানি প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল এই আলোচনায় অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলে জাপানি প্রতিমন্ত্রীর সচিব হিরোআকি মুরাই, গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ব্যুরোর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রাটেজি ডিভিশনের পরিচালক ফুমিও ইতো, ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অফিসের সেকশন চিফ হিশাতো হায়াসাকা, ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন অ্যান্ড সাসটেইনেবল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অফিসের গবেষক মাহোয়ো ইয়ামামোতো, বাংলাদেশে জাপানের কাউন্সেলর ইয়াশুহারো শিনতো এবং বাংলাদেশে জাপানের দ্বিতীয় সচিব মাশাতোশি হিগোচি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুল ইসলাম এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব নূর আলম উক্ত আলোচনায় অংশ নেন।

  • বিনামূল্যের পাঠ্যবই প্রস্তুতকারীদের শিক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

    বিনামূল্যের পাঠ্যবই প্রস্তুতকারীদের শিক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

    বিনামূল্যের পাঠ্যবই প্রস্তুতকারীদের হুঁশিয়ার করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। নিজেদের স্বার্থকে সামনে রেখে যে সব মুদ্রণকারী নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    সোমবার জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) আয়োজিত একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের এনসিটিবি অনুমোদিত তিনটি বই বাজারজাতের জন্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

    দীপু মনি বলেন, ‘কতিপয় অসাধু ব্যক্তি বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক তৈরিতে নানা ধরনের অনিয়ম করে বাধা সৃষ্টি করছেন। তাদের কারণে নির্ধারিত সময়ে পাঠ্যপুস্তক পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হয়। এসব বন্ধ করতে হবে, যদি এসব অনিয়ম বন্ধ না হয় তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যারা পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন এবং পাঠ্যক্রম নির্বাচন করেন তাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের সন্তানদের ৪র্থ বিপ্লবের জন্য তৈরি করতে হবে। তাই পাঠ্যক্রম নির্বাচন করার আগে ক্রমাগত ভাবতে হবে। আনন্দ পাঠের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান তৈরি করতে হবে। এ জন্য প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে পাঠ্যক্রম নির্বাচন করা যেতে পারে। এনসিটিবি সরকারি অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মতো নয়, এটি একটি জ্ঞান তৈরি করার কারখানা, তাই এ প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাদের পদায়ন ও বদলির ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদের প্রাধান্য দিতে হবে। স্বজনপ্রীতি করে অযোগ্য ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেয়া যাবে না।’

    dipu-moni-inner.jpg

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘যুবসমাজের মধ্যে মাদক একটি বড় থাবা হিসেবে কাজ করছে। যারা অন্যায় করছে তাদের অধিকাংশই মাদকাশক্ত বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ থেকে আমাদের শিক্ষার্থীদের সচেতন করতে তাদের পাঠ্যপুস্তকে এর ভয়াভহতা ও মাদকমুক্ত থাকার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এসব বিষয়ে কী কী করণীয় সহশিক্ষায় সেসব বিষয় তুলে ধরতে হবে।’ এ ছাড়া মূল্যবোধ তৈরিতে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বেশি গুরুত্ব দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘বর্তমানে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক তৈরির জন্য মুদ্রণ শিল্প সমিতি একটি বড় শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে। কেউ কেউ সরকারের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম বিতর্কিত করতে নানা ধরনের সমস্যা তৈরি করছে। নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থের জন্য নানা অনিয়ম করছে। জাতীয় স্বার্থের কথা চিন্তা করে এসব বন্ধ করতে হবে। শুধু নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থের কারণে বাজারে নকল বই বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এনসিটিবির অনুমোদিত ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা সাহিত্যপাঠ, বাংলা সহপাঠ ও ইংলিশ ফর টুডে এ তিনটি বই উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ছয়জন শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বই তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী।

    অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. সোহরাব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ, এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ন চন্দ্র সাহা। এ ছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয়-মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদফতরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন বোর্ড চেয়ারম্যান, এনসিটিবি কর্মকর্তা, মুদ্রণকারী, প্রকাশক, শিক্ষার্থী-অভিভাবক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে গুলিবর্ষণের মামলার রায় বুধবার

    শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে গুলিবর্ষণের মামলার রায় বুধবার

    পাবনার ঈশ্বরদীতে বহুল আলোচিত তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার ট্রেনবহরে গুলিবর্ষণের মামলার রায় ঘোষণার জন্য বুধবার (৩ জুলাই) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    আজ সোমবার সকালে পাবনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক রুস্তম আলী এ দিন ধার্য করেন।

    ফলে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে চলা বহুল আলোচিত মামলাটি অবশেষে সমাপ্ত হতে চলছে।

    আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন পাবনার পিপি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান মুক্তা ও অ্যাডভোকেট গোলাম হাসনাইন। আসামি পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম গেদা ও অ্যাডভোকেট সনৎ কুমার সরকার। পলাতক আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এ কে এম শামসুল হুদা।

    পরে পিপি অ্যাডভোকেট আক্তারুজ্জামান মুক্তা জানান, আদালত ৩ জুলাই বহুল আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন।

    তিনি বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল রোববার সাফাই সাক্ষীর দিন ধার্য ছিল। কিন্তু আসামি পক্ষ কোনো সাফাই সাক্ষী না দিয়ে সময় প্রার্থনা করে আবেদন জানান। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক রুস্তম আলী সময়ের আবেদন বাতিল করে আজ সোমবার সকাল ১০টায় এ মামলায় যুক্তিতর্ক শুরুর দিন ধার্য করেন। সেই সঙ্গে হাজির হওয়া ৩০ আসামির জামিন বাতিল করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

    জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় কর্মসূচিতে ট্রেনবহর নিয়ে খুলনা থেকে সৈয়দপুর যাচ্ছিলেন। পথে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশনে তাকে বহনকারী ট্রেনবহর যাত্রাবিরতি করলে ওই ট্রেন ও শেখ হাসিনার কামরা লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় দলীয় কর্মসূচি সংক্ষিপ্ত করে শেখ হাসিনা দ্রুত ঈশ্বরদী ত্যাগ করেন।

    পরে রেলওয়ে পুলিশ বাদী হয়ে তৎকালীন ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টুসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করে।

    ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর মামলাটি পুনঃতদন্ত করে পুলিশ। তদন্ত শেষে নতুনভাবে বিএনপি নেতাকর্মীসহ ৫২ জনকে এ মামলার আসামি করা হয়। মামলাটি দায়ের করার বছরে এ মামলায় পুলিশ কোনো সাক্ষী না পেয়ে আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্টও দাখিল করে। কিন্তু আদালত সে রিপোর্ট গ্রহণ না করে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি সিআইডিতে পাঠান। পরে সিআইডি তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

    প্রথম চার্জশিটের সাত আসামির বাইরেও এ মামলায় যাদের নতুনভাবে যুক্ত করা হয় তাদের মধ্যে রয়েছেন ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মকলেছুর রহমান বাবলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র শামসুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন বিশ্বাস, পাবনা জেলা বিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক কে এম আক্তারুজ্জামান আক্তার, পাকশীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, সাহাপুরের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নেফাউর রহমান রাজু, সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ, সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন, যুবদল নেতা আজিজুর রহমান শাহীন, সেলিম আহমেদ, পৌরসভার কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি, বিএনপি নেতা ইসলাম হোসেন জুয়েল, শহীদুল ইসলাম অটল, আব্দুল জব্বার প্রমুখ।

    pabna.jpg

    আসামিদের মধ্যে গত ২৫ বছরে ওসিয়া, আলী আজগর, খোকন, তুহিন ও আলমগীর মৃত্যুবরণ করেন।

    হাজতে পাঠানো আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি একেএম আক্তারুজ্জামান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন বিশ্বাস, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান নেফাউর রহমান রাজু, সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন, বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন আলম, আজমল হোসেন ডাবলু, মাহাবুবুর রহমান পলাশ, ইসলাম হোসেন জুয়েল, নুরুল ইসলাম আক্কেল, যুবদল নেতা আজিজুর রহমান শাহীন, সাবেক ছাত্রনেতা আনোয়ার হোসেন জনি, সেলিম আহমেদ, শহিদুল ইসলাম অটল, আব্দুল জব্বার, শাহ আলম, বরকত হোসেন, এনামুল কবীর, হাফিজুর রহমান মুকুল, মুক্তার হোসেন, লিটন, রিপন, সিমুয়া প্রমুখ।

    এছাড়া চাঞ্চল্যকর এ মামলার প্রধান আসামি ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু, ঈশ্বরদী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মকলেছুর রহমান বাবলু, হুমায়ুন কবীর দুলালসহ আরও কয়েকজন আদালতে হাজির না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

  • চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    চীনের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রধানমন্ত্রী লী কেকিয়াংয়ের আমন্ত্রণে পাঁচদিনের সরকারি সফরে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চীনের উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

    সফরকালে তিনি বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেবেন এবং বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লী কেকিয়াং ও প্রেসিডেন্ট শি জিংপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

    আজ চীনের দালিয়ানে তিন দিনব্যাপী ‘ডব্লিইএফ অ্যানুয়েল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস-২০১৯’ শুরু হবে, যা ডব্লিউইএফ সামার দাভোস নামেও পরিচিত।

    সম্মেলনের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘লিডারশিপ ৪.০- সাকসিডিং ইন এ নিউ এরা অব গ্লোবালাইজেশন।

    লিয়াওডং রাজ্যের দালিয়ান উত্তর পূর্ব এশিয়ার ব্যবসা এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্র এবং উত্তর চীনের হংকং হিসেবেও সুপরিচিত।

    প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি বিশেষ ফ্লাইট (বিজি১৭২০) আজ বিকেলে দালিয়ানের উদ্দেশে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

    বিমানটি ২ জুলাই স্থানীয় সময় সকাল ১২টা ২৫ মিনিটে লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানের দালিয়ান ঝৌশুজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

    বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা শেষে আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে শাংগ্রি-লা হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। দালিয়ান সফরকালে তিনি এ হোটেলেই অবস্থান করবেন।

    ২ জুলাই সকালে প্রধানমন্ত্রী দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠেয় ডব্লিউইএফ সামার দাভোস সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন।

    শেখ হাসিনা দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা এবং নির্বাহী চেয়ারম্যান ক্লস শোয়াবের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং বিকেলে ‘কো-অপারেশন ইন দ্য প্যাসিফিক রিম’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন।

    বিকেলে দালিয়ান ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে শোয়াবের দফতরে অনুষ্ঠেয় ‘কো-অপারেশন ইন দ্য প্যাসিফিক রিম’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

    আগামী ৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী চীন সরকারের সরবরাহকৃত একটি বিশেষ ভাড়া করা বিমানে স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় বেইজিংয়ের উদ্দেশে দালিয়ান ত্যাগ করবেন।

    একই দিন বিমানটি স্থানীয় সময় বেলা ১২টা ২৫ মিনিটে বেইজিং ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল বিমানবন্দরে পৌঁছবে।

    বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে প্রধানমন্ত্রীকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে দিয়ায়োতাই স্টেট গেস্ট হাউজে নিয়ে যাওয়া হবে। চীনের রাজধানীতে সফরকালে শেখ হাসিনা এ হোটেলেই অবস্থান করবেন।

    বিকেলে তিনি বেইজিংয়ের লিজেনডাল হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সংবর্ধনা ও নৈশভোজে যোগ দেবেন।

    ৪ জুলাই সকালে শেখ হাসিনা স্বাগত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বীরদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

    পরে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াংয়ের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন এবং গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

    প্রধানমন্ত্রী গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত এক ভোজসভায় অংশ নেবেন।

    একই দিন বিকেলে শেখ হাসিনার সিসিপিআইটিতে চীনা ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে একটি বিজনেস গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেবেন।

    ৫ জুলাই সকালে প্রধানমন্ত্রীর চাইনিজ থিংক ট্যাংক ‘পাঙ্গোয়াল ইনস্টিটিউশন’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

    চীনের বিভিন্ন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে তার হোটেল স্যুটে দেখা করার কথা রয়েছে এবং এনপিসি’র চেয়ারম্যান লি ঝাংশুর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

    বিকেলে শেখ হাসিনা চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দিয়াওইয়ুতাই রাষ্ট্রীয় অতিথিশালায় এক বৈঠকে মিলিত হবেন।

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একই স্থানে চীনা প্রেসিডেন্ট আয়োজিত এক ভোজসভায় অংশ নেবেন।

    চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় ৬ জুলাই বেলা ১১টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং একইদিন বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ৩৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (এইচএসআইএ) পৌঁছাবেন।

    চীন সফরকালে বাংলাদেশ এবং চীন অর্থনৈতিক, বিদ্যুৎ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং পর্যটনসহ বিভিন্ন খাতে আটটি চুক্তি স্বাক্ষর করবে।

    এগুলো হচ্ছে-

    ১. ডিপিডিসি এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্প্রসারণ এবং শক্তিশালীকরণে ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি।

    ২. গভর্মেন্ট কনসেশনাল লোন এগ্রিমেন্ট অব এক্সপানশন অ্যান্ড স্ট্রেন্দেনিং অব পাওয়ার সিস্টেম নেটওয়ার্ক আন্ডার ডিডিডিসি এরিয়া প্রজেক্ট।

    ৩. প্রেফারেন্সিয়াল বাইয়ার্স ক্রেডিট লোন এগ্রিমেন্ট অব এক্সপানশন অ্যান্ড স্ট্রেন্দেনিং অব পাওয়ার সিস্টেম আন্ডার ডিপিডিসি এরিয়া প্রজেক্ট।

    ৪. ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট অব পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেন্দেনিং প্রজেক্ট আন্ডার পিজিসিবি প্রজেক্ট।

    ৫. এগ্রিমেন্ট অন ইকোনমিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল কোঅপারেশন বিটুইন দি গভর্নমেন্ট অব দি পিপল’স রিপাবলিক অব বাংলাদেশ অ্যান্ড গভর্নমেন্ট অব দি পিপল’স রিপাবলিক অব চায়না।

    ৬. মেমোর্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং (এমওইউ) অন দি ইস্ট্যাবলিশমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট কোঅপারেশন ওয়ার্কিং গ্রুপ।

    ৭. এমওইউ অ্যান্ড ইটস ইমপ্লিমেন্টেশন প্ল্যান অন হাইড্রোলজিক্যাল ইনফরমেশন শেয়ারিং অব ইয়েলো জাংবো/ব্রহ্মপুত্র রিভার।

    ৮. সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং পর্যটন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক।