Category: রাজণীতি

  • বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকার জাহিদ ফারুক শামীম জয়ী

    বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকার জাহিদ ফারুক শামীম জয়ী

    বরিশাল-৫ সদর আসনে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী জাহিদ ফারুক শামীম। রোববার দিনভর ভোট শেষে রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম এই আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন।

    ফলাফল অনুযায়ী, ১৭৬টি কেন্দ্রে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৯৭ হাজার ৭০৬। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাহ উদ্দিন রিপন ট্রাক প্রতীকে পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৩৭০ ভোট।

    জাহিদ ফারুক প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৬২ হাজার ৩৩৬ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

  • এই বিজয় জনগণের বিজয়: শেখ হাসিনা

    এই বিজয় জনগণের বিজয়: শেখ হাসিনা

    আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন, জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেছেন, এই বিজয় জনগণের বিজয়।

    সোমবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে গণভবনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন

    শেখ হাসিনা বলেন, আটবার নির্বাচন করেছি।, এবার আবার। এবার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ মানুষ দরিদ্র ছিল। বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষ উন্নত জীবনের অধিকারী হবে। বাবা যে আদর্শ নিয়ে কাজ করেছেন, আমাকে সেই কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

    তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট। আমার পরিবারের ১৮ জন সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। আমার ছোট বোন শেখ রেহানা আর আমি বেঁচে যাই। ছয় বছর আমরা রিফিউজি ছিলাম। খুব কষ্টকর জীবন। ১৯৮১ সালে দেশের মানুষ আমাকে দেশে আনে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিলিটারি ডিক্টেটররা আমার দলকে রাজনীতি করতে দেয়নি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে তাদের ক্ষমতায় বসায়। ওই অবস্থায় আমি দেশে ফিরি। আমার লক্ষ্য ছিল, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। আমার চলার পথ সহজ ছিল না।

    মৃত্যুকে বারবার কাছ থেকে দেখেছি। বাবার আদর্শ নিয়ে কাজ করছি। মানুষের খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। ২১ বছর পর সরকার গঠন করে মানুষের জন্য কাজ শুরু করি।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য। এবারের নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী মনোনয়ন করার পাশাপাশি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছি। মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়েছেন। এ বিজয় জনগণের বিজয়।

    তিনি বলেন, একটি দল নির্বাচন বর্জন করেছে। মিলিটারি ডিক্টেটর থেকে যে দল সৃষ্টি তারা নির্বাচন ভয় পায়, কারণ তাদের জনসমর্থন থাকে না।

    বিদেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের বাংলাদেশে আসার জন্য তিনি নিজের, পরিবার ও দেশের মানুষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আপনারা নিজ নিজ দেশে ফিরে যাবেন, আমাদের দেশের কথা বলবেন। আমাদের দেশটা অনেক সুন্দর।

    এসময় দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক, সাংবাদিক, বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে পুতুলসহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের স্ত্রীর ইন্তেকাল

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের স্ত্রীর ইন্তেকাল

    পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুকের সহধর্মিণী লায়লা শামীম আরা মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) ভোরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে জানিয়েছেন জাহিদ ফারুকের ঘনিষ্ঠজন ও বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন।

    তিনি বলেন, লায়লা শামীম আরা ভাবী দীর্ঘদিন লিভার সিরোসিস রোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যান স্বজনরা।

    সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে, শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে তার মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাবে, এর পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানাজা ও দাফন কোথায় করা হবে। বরিশালে মরদেহ নিয়ে আসা হবে কি না সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

    এদিকে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের স্ত্রী লায়লা শামীম আরার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর ভাগনে ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত, তার স্ত্রী লুনা আব্দুল্লাহ, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দারসহ বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

    পাশাপাশি তারা মরহুমার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

  • মির্জা ফখরুলের জামিন নিয়ে হাইকোর্টের রুল শুনানি ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ

    মির্জা ফখরুলের জামিন নিয়ে হাইকোর্টের রুল শুনানি ১৭ ডিসেম্বর নির্ধারণ

    গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে জামিন প্রশ্নে রুলের শুনানি আগামী রোববার (১৭ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হবে।

    বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

    এর আগে গত ৭ ডিসেম্বর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি শাহেদ নূরউদ্দিনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। এক সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

    আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। এসময় আদালতে মির্জা ফখরুলের পক্ষে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান খান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ব্যারিস্টার কায়সার, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল ও অ্যাডভোকেট সগির হোসেন লিওন। অন্যদিকে, রাষ্ট্র পক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বি এম রাফেল।

    গত ৩ ডিসেম্বর এই মামলায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তার আগে ২২ নভেম্বর তার জামিন নামঞ্জুর করেন নিম্ন আদালত। এছাড়া ২ নভেম্বর একই আদালতে জামিন আবেদন দাখিল করেন মির্জা ফখরুলের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।

    ২৮ অক্টোবরের ওই ঘটনায় রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে করা মামলায় মির্জা ফখরুল ছাড়াও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ ৫৯ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।

    ফখরুল-আব্বাস ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, আব্দুল আওয়াল মিন্টু, আহমেদ খান, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, শামসুজ্জামান দুদু, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ভিপি জয়নাল, মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম ডোনার ও সদস্য সচিব আমিনুল হক।

  • ১০ বছরে বরিশালে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি: আবুল খায়ের

    ১০ বছরে বরিশালে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি: আবুল খায়ের

    বরিশাল সিটি কপোরেশনের নবনবর্বাচিত মেয়ে আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত) বলেছেন, ‘বিগত ১০ বছরে বরিশালে অবকাঠামোগত কোনো উন্নয়ন হয়নি। বিশেষ করে বরিশাল সিটি কপোরেশনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। এটা পুনর্গঠন করা আমাদের দায়িত্ব। সিটি কপোরেশনে সচিব, সিও, ম্যাজিষ্ট্রেট নেই।

    এখানে দায়িত্বশীল নেতৃত্বের অভাব ছিল, যার ফলে বরিশাল অগ্রসর হতে পারেনি। তাই বরিশালকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে।

    আগামী ১৪ নভেম্বর অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষে নগরীর কালুশাহ সড়কের বাসভবনে আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১ টায় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    এ সময় আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বরিশালবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে বরাদ্দ দিয়েছে তা দিয়েই নগরীর জলাবদ্ধতা, সড়ক সংস্কার, বর্জ্যব্যাবস্থাপনা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। বরিশালকে একটি শিল্পবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার অঙ্গীকার।

    বরিশালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে নবনির্বাচতি মেয়র বলেন, ‘বরিশাল শের–ই–বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের অব্যবস্থাপনার বিষয়ে মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করে নতুন ভবনসহ সমস্যার সামাধান করা হবে।

    এ ছাড়াও বরিশালের দুটি বাস টার্মিনালের উন্নয়নে দ্রুত প্রজেক্ট পাঠানো হবে বলে জানান তিনি। এ জন্য তিনি বরিশালের সর্বস্তরের সাংবাদিকদের সহযোগীতা এবং দায়িত্বশীল আচারণ কামনা করেছেন।

    মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা মাহমুদুল হক খান মামুন উপস্থিত ছিলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন, ফেরদাউস সোহাগসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা ।

    উল্লেখ্য, আগামী ১৪ নভেম্বর নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়র আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত) বরিশাল সিটি কপোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

  • সমস্যার জঞ্জাল নিয়ে মেয়রের চেয়ারে বসছেন খোকন

    সমস্যার জঞ্জাল নিয়ে মেয়রের চেয়ারে বসছেন খোকন

    আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ২০১৮ সালে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। মেয়রের চেয়ারে বসতে না বসতেই তিনি জড়িয়ে পড়েন নানামুখী বিতর্কে।

    নির্বাচনের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও নগরে সমস্যা সৃষ্টি ছাড়া আর তেমন কিছুই করতে পারেননি সাদিক আব্দুল্লাহ- এমন অভিযোগ নগরবাসীর। তার মেয়াদে ৫৭ বর্গকিলোমিটারের বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকার সড়ক বাতি ওজোপাডিকো বন্ধ করে দেয় একাধিকবার। সিটি করপোরেশন বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় এমন অবস্থার মধ্যে পড়তে হয় নগরবাসীকে।

    পাশাপাশি তার মেয়াদকালের শেষ সময়ে অপরিকল্পিতভাবে পাঁচ হাজার ব্যাটারীচালিত অটোরিকশার অনুমোদন আর কাউনিয়ায় অবৈধভাবে প্লট বিতরণ করে বিতর্কের শীর্ষে পৌঁছে যান মেয়র সাদিক।

    এমনটা বলছেন বরিশালের সচেতন সমাজ। তারা বলছেন, ১৪ নভেম্বর মেয়রের চেয়ারে বসতে যাওয়া আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে নগর ভবনে চেইন অফ কমান্ড ফিরিয়ে আনা এবং মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী নগরী ঢেলে সাজানো।

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত ও শপথ গ্রহণের দীর্ঘ সময় পর ১৪ নভেম্বর মেয়র পদের দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছেন আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। তবে তার সামনে শত চ্যালেঞ্জ আর সমস্যার জঞ্জাল রয়েছে, যা দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাধান করতে বেশ বেগ পেতে হবে তাকে।

    সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য সচিব কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু বলেন, ‘নগরবাসীর মধ্যে নানা ধরনের সংশয়-দ্বিধা রয়েছে। নতুন মেয়রকে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সেগুলো দূর করতে হবে। কেননা তার কাছে বরিশালবাসীর বিশাল আশা।

    ‘বিদায়ী মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ বরিশাল নগরীর তেমন কোনো উন্নয়ন করতে পারেননি। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর সিটি করপোরেশনের চেইন অফ কমান্ড ভেঙে পড়েছে। নগর ভবনের যে বেহাল দশা তাতে করে নগর ভবনকে সুন্দর করে না সাজালে নগরবাসী সুবিধা নেবে কোন জায়গা থেকে?

    মানুষ জানেই না বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কে! সব জায়গায় অব্যবস্থাপনা আর খামখেয়ালিপনা। এসব নিয়মের মধ্যে আনতে হবে নতুন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতকে।’

    বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদের বাসচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সাদিক আব্দুল্লাহ এক সময় বলেছেন যে বাস টার্মিনাল বড় করবেন। তা অন্য জায়গায় নেবেন। আসলে তিনি কিছুই করতে পারেন নাই। টার্মিনালের মধ্যে বাস নিয়ে ঢুকলে কিভাবে বের হওয়া যায় সেই চিন্তায় থাকা লাগে সবার আগে। জায়গার তুলনায় বাসের সংখ্যা অনেক বেশি।

    ‘তাছাড়া বাস টার্মিনাল ভবনেরও বেহাল দশা। অন্যত্র সরানোটা অনেক দীর্ঘ ব্যাপার। তবে বাস টার্মিনালের ভেতরের সড়ক সংস্কার করে একটা নিয়মের মধ্যে সবকিছু আনা গেলে বেশ ভালো হতো। বিশেষ করে চাঁদাবাজি যদি নতুন মেয়র বন্ধ করতে পারেন তাহলে শ্রমিকরা খুশি হবে।’

    বরিশালের রূপাতলী বাস টার্মিনালের শ্রমিক ইদ্রিস মিয়া বলেন, ‘হালকা বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানির জমে যায় পুরো টার্মিনাল এলাকায়। এ কারণে অনেক বাস বাধ্য হয়ে মূল সড়কে থাকে। এতে করে সাধারণ মানুষের বেশ সমস্যা হয়। শুধু তাই নয়, টার্মিনাল ভবনের অবস্থাও বেহাল। রূপাতলী ও নথুল্লাবাদ এই দুই বাস টার্মিনালের দিকে মেয়রকে বিশেষ নজরে আনতে হবে।’

    বরিশাল নগরীর একটি স্কুলের শিক্ষক অশোক মৈনাক বলেন, ‘বরিশাল সিটি করপোরেশনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি রয়েছে। এটা নগরবাসীর কাছে পরিষ্কার। নতুন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক। তবে তিনি কতটুকু পূরণ করতে পারেন সেটা তার বিচক্ষণতার ওপর নির্ভর করবে।

    ‘নতুন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতকে শক্তিশালী বলয় গড়ে তুলতে হবে। তা না হলে বিদায়ী মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ করপোরেশনে যে বলয় তৈরি করেছেন তা ভাঙা কষ্টকর হয়ে যাবে। মূল সড়কগুলো ঠিক করেই কাজ সেরেছেন সাদিক আব্দুল্লাহ। নগরীর অলিগলির দিকে তিনি কোনো নজর দেননি। সেই অলিগলি তথা রাস্তাঘাট, ড্রেন আর খাল সংস্কারের দিকে খোকন সেরনিয়াবাতকে খেয়াল রাখতে হবে।’

    আব্দুর রশিদ নামে অবসরপ্রাপ্ত এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ‘বরিশাল সিটি করপোরেশনে অযোগ্য লোকবল নিয়োগ দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজ করিয়েছেন সাদিক আব্দুল্লাহ। হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি করে মানুষকে প্রথম বড় ধরনের হয়রানির মধ্যে ফেলেছিলেন এই মেয়র।

    ‘তিনি ৩/৪টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দিয়েই সব কাজ করাতেন। কোনো ওপেন টেন্ডার ছাড়াই নিজের লোকজন দিয়ে খেয়ালখুশিমতো সব কাজ করাতেন সাদিক। আর কাজ শেষ না করেই নিজের ঠিকাদারদের বিলও দিয়ে দিতেন তিনি। যে কারণে অনেক এলাকাতেই অসম্পন্ন কাজ থাকায় মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।’

    কলেজ শিক্ষক সোহরাব মৃধা বলেন, ‘নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথাসহ বেশ কয়েকটি এলাকার ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন মেয়র সাদিকের অনুসারীরা। খোদ নগর ভবনের সামনেই ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চলতো।’

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল আলম স্বপন বলেন, ‘যান্ত্রিক শাখায় অনেক গাড়ি মালামালের অভাবে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে। শুধু তাই নয়, খোদ মেয়রের জন্য বরাদ্দকৃত গাড়িটিও অকেজো অবস্থায় রয়েছে। তবে কোথায় রয়েছে তা জানি না।

    ‘শেষ সময়ে বিধিবহির্ভূত প্ল্যান পাস করা শুরু হয়েছে। বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে প্ল্যান পাসের নামে। নগরীতে পাঁচ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোর অনুমোদন দেয়া হয়েছে কোনো কারণ ছাড়াই। নগরীতে এতে কী পরিমাণ যানজটের সৃষ্টি হবে তার কোনো ধারণা নেই করপোরেশনের। এই অটো দিয়েও বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেছে অনেকে।’

    সুশাসনের জন্য নাগরিক বরিশালের সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, ‘নতুন মেয়র ১৪ নভেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। তার প্রথম কাজ হবে নগর প্রশাসন ঠিক করা। কেননা বর্তমানে যে অবস্থা করে রাখা হয়েছে তা ঠিক করতে হবে। ট্যাক্স পুনঃনির্ধারণ করার পাশাপাশি জনবল কমাতে হবে।

    ‘সবাইকে দেখানোর জন্য নয়, নতুন মেয়রকে পরিকল্পিত উন্নয়ন করতে হবে। জলাবদ্ধতা, ড্রেনেজ ও রাস্তা ঠিক করতে মাস্টার প্ল্যান করতে হবে। প্রথমেই খাল ও জলাশয়গুলোকে উদ্ধার করতে হবে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আগের মেয়রের সমর্থক কাউন্সিলররা নতুন মেয়রকে নানাভাবে ডিস্টার্ব করবেন। সেগুলো মাথায় রাখতে হবে। বাস টার্মিনাল দুটিকে আপাতত সংস্কার করতে হবে। প্রাথমিকভাবে যদি এসব সমস্যার সমাধান করা যায় তাহলে বাকিটা পথ মসৃণ হবে বলে আশা করছি।’

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান বিপ্লব বলেন, ‘নবনির্বাচিত মেয়র যাতে করপোরেশনে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারেন তার সব ব্যবস্থাই করছেন বিদায়ী মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ। পুরো প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছেন তিনি। মাস্টার রোলের কর্মচারী প্রকৌশলীকে তুই-তোকারি করে কথা বলেন। তার অনুসারীদের সিটি করপোরেশনে চাকরি দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাজ করিয়েছেন।

    ‘জনগণের টাকা লুটপাট করেছেন সাদিক আব্দুল্লাহ। সাধারণ মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করে চাঁদাবাজি করা হয়েছে নগরজুড়ে। সারা জীবনের সঞ্চয় দিয়ে যারা একটি ভবন নির্মাণের উদ্যেগ নিয়েছেন তাদের কাছ থেকেই চাঁদা নেয়া হয়েছে।’

    এই কাউন্সিলর আরও বলেন, ‘মানুষের কান্নার ওপর টাকা নিয়েছেন সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারীরা। এখন ব্যাক ডেটে চিঠি ও চেক সাইন করে অর্থ আত্মসাতের মিশনে নেমেছেন বিদায়ী মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ। বিরুদ্ধে কথা বললেই তার বাহিনী দিয়ে নির্যাতন করা হতো। আমরা নতুন মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতের নেতৃত্বে নতুন বরিশাল উপহার দেবো সবাইকে।’

    এসব বিষয়ে বরিশাল সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘আমি জানি শত সমস্যার জঞ্জাল মাথায় নিয়ে আমাকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হচ্ছে। তবে এই জঞ্জাল আমি পরিষ্কার করবো বরিশালবাসীকে সঙ্গে নিয়ে।

    ‘নগরীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সব মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী করবো। দায়িত্ব গ্রহণের পর অর্থনৈতিক হিসাবের দিকে প্রথমে নজরে দেবো। অডিট করানো হবে। আর হিসাবে কোনো গরমিল পাওয়া গেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। সিটি করপোরেশনের টাকা ইচ্ছামতো খরচ করা যায় না। কারণ এটা জনগণের, কারও ব্যক্তিগত নয়।’

  • প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছেন: প্রতিমন্ত্রী ফারুক

    প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছেন: প্রতিমন্ত্রী ফারুক

    পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে অর্থাৎ ক্ষমতায় এলে এদেশের উন্নয়ন হয়। যা দেশের সব মানুষের কাছে দৃশ্যমান।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ও মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বে উন্নয়নের মাধ্যমে আজ দেশ বিশ্বের বুকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

    বরিশাল সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় ১ নম্বর রায়পাশা ইসলামিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে দশটি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় সরকারি ভাতাভোগীদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন তিনি।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, টানা ১৪ বছরের উন্নয়নের গোটা দেশের সাথে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনমান পাল্টে গেছে। পদ্মা সেতু, পায়রা সেতু, পায়রা বন্দর, তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ নানা স্থাপনা নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করে দিয়েছেন দৃশ্যমান উন্নয়ন মূলক কাজের মাধ্যমে।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। তার সুদৃঢ় নেতৃত্বে উন্নয়নের সবগুলো সূচক অর্জিত হওয়ার কারণে বাংলাদেশ ইতোমধ্যেই স্বল্প উন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে। দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। আপনারা আপনাদের নিজেদের স্বার্থে নৌকা প্রতীকের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সরকার গঠনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আমি আশাবাদী।

    বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট আফজালুল করীম, রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফজলুল হক সরদার প্রমুখ।

  • এ্যাড. লস্কর নুরুল হক এর জন্মদিন উৎযাপন

    এ্যাড. লস্কর নুরুল হক এর জন্মদিন উৎযাপন

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি, সম্পাদক, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক দপ্তর সম্পাদক, সদালাপী লস্কর নুরুল হকের জন্মদিন আজ। নবনির্বাচিত সিটি কর্পোরেশন মেয়র আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ’র প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে কেক কেটে এ জন্মদিন উদযাপন করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা কেবিএস আহমেদ কবির,মহানগর যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন,কেন্দ্রীয় যুবলীগ সদস্য ও বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক অসীম দেওয়ান, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম রেজভী,ও সিটি মেয়র নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা মন্জুরুল আহসান শাওন,মহানগর যুবলীগ সদস্য বিপ্লব,রিয়াজ ভুইয়া,ফয়সাল আহমেদ মুন্না,জোনায়েদ হোসেন জনি,বাবলু জোমাদ্দার,জুবলি ও ছাত্রলীগ নেতা মাহাদ সহ শতাধিক নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

    তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ, বরিশাল মহানগর শাখার সভাপতি, সাবেক বাকসু সদস্য, বাংলার মুখ ২৪ ডট কম ও দৈনিক বরিশাল সংবাদের প্রকাশক ও সম্পাদক মোঃ পলাশ চৌধুরী।

    এড, লস্কর নুরুল হক বরিশাল জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সম্পাদক ও সভাপতি এবং দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালের পি পি। বরিশাল ক্লাবের পরিচালক। রাজনৈতিক জীবনে একজন নির্লোভ ও আদর্শিক নেতা। বরিশাল মহানগর আওয়ামীলিগের সিনিয়র এই নেতা দলের দুর্দিনে লড়াই সংগ্রামে ছিলেন অবিচল। নম্র ভদ্র এই নেতার সাংগঠনিক দক্ষতা ও বিচক্ষনতা বরিশাল মহানগর আওয়ামীলিগ কে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রেখেছে। বরিশাল শহরের বহু সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত এড, লস্কর নুরুল হক।

  • বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি ঘোষনা

    বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি ঘোষনা

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর ১৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১৮ ই সেপ্টেম্বর নানা কর্মসূচি ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৃহত্তর সংগঠন টি সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দুর্জয় এক বিবৃতিতে কর্মসূচির কথা নিশ্চিত করেন।

    কর্মসূচিগুলো হলো সকাল ৭ টায় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার ও দলীয় সংগীত পরিবেশন। সকাল ৮ টায় ধানমন্ডি ৩২ নং এ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। সকাল দশটায় বঙ্গবন্ধু ২৩ এভিনিউ থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র‍্যালী। সকাল ১০ঃ৩০ এ জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা।

    এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সাবেক মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলী সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ এমপি, সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান দুর্জয়। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা

  • এডিসি হারুন সাময়িক বরখাস্ত

    এডিসি হারুন সাময়িক বরখাস্ত

    শাহবাগ থানায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে মারধরের ঘটনায় ডিএমপির রমনা বিভাগ থেকে প্রত্যাহার হওয়া অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

    সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদকে জনস্বার্থে সরকারি কর্ম থেকে বিরত রাখা আবশ্যক ও সমীচীন।

    হারুন অর রশিদকে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ (২০১৮ সালের ৫৭ নং আইন) এর ৩৯ (১) ধারার বিধান মোতাবেক ১১/৯/২০২৩ তারিখ থেকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

    সাময়িক বরখাস্তকালীন তিনি পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত থাকবেন এবং বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো।

    এদিকে সোমবার ডিএমপি কার্যালয়ে ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের সঙ্গে বৈঠক করেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। বৈঠক শেষে তিনি সংবাদিকদের বলেন, দুই নেতাকে মারধরের ঘটনায় হারুন অর রশিদসহ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবে না ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) বিভাগীয় তদন্তের প্রতি আস্থা রাখতে চায় সংগঠনটি।

    গত শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে শাহবাগ থানায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্যাতন করেন এডিসি হারুন। তারা হলেন- ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবির শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ মুনিম এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম।

    ওই ঘটনায় রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) তাকে প্রথমে প্রত্যাহার করা হয়। পরে এপিবিএন-এ বদলি করা হয়।