Category: রাজণীতি

  • সেতু নির্মাণে ভুল নকশা, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ

    সেতু নির্মাণে ভুল নকশা, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভ

    সেতু নির্মাণে ভুল নকশা হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নড়াইল-কালিয়া জেলা মহাসড়কের ২১ কিলোমিটারে কালিয়া নামক স্থানে নবগঙ্গা নদীর ওপর কালিয়া সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদনের সময় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

    মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ১৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নড়াইলে কালিয়া সেতুতে কিছু কাজ করার পর দেখা গেল আমাদের ভুল হয়েছে। যার মধ্যে দিয়ে নৌকা পার হওয়া যায় না। এটার কারণে প্রধানমন্ত্রী বিরক্ত প্রকাশ করেছেন, এটা সবাই করবে, আমিও করতাম। আসলে এতো এতো কোটি টাকার কাজ হলো ডিজাইন করবো, কনসালটেন্ট আছে, ফিজিবিলিটি আছে, সিনিয়ররা আছেন। তারপরও দেখা যায় এর হাইট কম, যান চলাচল করতে হলে এর হাইট বাড়াতে হবে। জনগণের টাকা গেল, সময় গেল এজন্য তিনি বিরক্ত প্রকাশ করেছেন এবং বলেছেন আগামীতে আরও সাবধান হবেন। ভবিষ্যতে যেকোনো প্রকল্পের নকশা নির্ভুলভাবে তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এছাড়া সড়ক বা যেকোনো প্রকল্পের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে আগেভাগেই ওই এলাকার ছবি তুলে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যে স্থান অধিগ্রহণ করা হবে সেখানে যাতে কেউ হঠাৎ করে বাড়ি, ঘর, বাস বা টিন দিয়ে কিছু নির্মাণ করতে না পারে। এর মাধ্যমে বাড়তি টাকা যাতে কেউ নিতে না পারে। এ ছাড়া সোলার প্যানেল তৈরির ক্ষেত্রে সঠিক উচ্চতা রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কারণ, সেখানে নিচে যাতে প্রচুর আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে। প্যানেলের নিচে যাতে ফসল চাষ করা যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    মন্ত্রী বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করায় একনেকের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছি। এসময় অন্যান্য বাকি কাজ যথাসময়ে শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

  • শ্রমিক লীগ নেতার বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    শ্রমিক লীগ নেতার বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

    জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলার আহ্বায়ক সিটি কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীনের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলার হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির নেতারা।

    সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ কে এম মোস্তফা লিখিত বক্তব্যে বলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পরপর পাঁচ বার নির্বাচিত কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন। তার ওপর রোববার (০৩ সেপ্টেম্বর) শ্রমিক লীগ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না ও তার সহযোগীরা পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে মুরতজা আবেদীনের লাইসেন্স করা পিস্তল ছিনতাই করতে অপপ্রয়াস চালায় যা ভিডিওতে পরিষ্কার।

    মুরতজা আবেদীনের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা করার পরও মান্না মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে প্রশাসনসহ বরিশাল বাসীকে বিভ্রান্ত করেছে।

    মান্নাকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় মুরতজা আবেদীন নগরীর পোর্ট রোড সেটেলমেন্ট অফিস থেকে অফিসিয়াল কাজ শেষে রাস্তায় বের হলেই পরিকল্পিতভাবে মান্না তার বাহিনী নিয়ে রাস্তার ওপর প্রকাশ্য দিবালোকে অশালীন ভাষায় গালাগালি করে।

    পরবর্তীতে অতর্কিত হামলা চালায় পেছন থেকে গলা জাপটে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যাচেষ্টা চালায়। সেইসঙ্গে মুরতজার বৈধ লাইসেন্সকৃত পিস্তল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে মান্নাসহ তার ২০/২৫ জন সহযোগী। অস্ত্র ছিনিয়ে নিতে না পেরে সন্ত্রাসী মান্না ও তার সহযোগীরা মুরতজাকে অস্ত্র ধরে রেখে গুলির নাটক সাজায় এবং পুলিশকে ফোন করে থানায় সোপর্দ করে।

    এ কে এম মোস্তফা বলেন, ওই ঘটনায় অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীনের মোবাইলসহ পোর্ট রোডের সিসিটিভি ফুটেজ থেকেই প্রকৃত ঘটনা পাওয়া যাবে। গতকালকের ঘটনায় বরিশালসহ পুরো দেশবাসী এরই মধ্যে সত্যটা জানতে পেরেছে। কিন্তু অপরাধীরা এখনও বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করছে, এদেরকে প্রতিহত করতে না পারলে মুরতজার মতো আগামীতে আপনি, বা আমরা তাদের শিকার, তাই আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

    তিনি বলেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিক কেন্দ্রীয় নেতারা জানতে পেরেছেন। তারা এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। আমরা এরই মধ্যে মামলা দায়েরের প্রস্তুতিও নিয়েছি। কিন্তু গতকাল থানা পুলিশ আমাদের পক্ষ থেকে মামলার কথা বলা হলেও তা নেয়নি।

    মুরতজার ওপর হামলাকারী বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না সহ তার সহযোগীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে জাতীয় পার্টি পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি দিয়ে এদের প্রতিহত করবে।

    সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির নেতা বশির আহম্মেদ ঝুনু বলেন, পুলিশ আমাদের সহযোগিতা করছে কিনা সেটা বলছি না। তবে তারা গতকাল মামলা নেয়নি। এমনকি মুরতজার লাইসেন্স করা পিস্তল রেখে দিয়ে তাকে নিরাপত্তাহীনভাবে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। আমরা আশা করেছিলাম তার নিরাপত্তার জন্য বাড়ি পর্যন্ত পুলিশ যাবে। আমরা এখন আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছি।

    সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির সাবেক ও বর্তমান নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এ বিষয়ে শ্রমিকলীগ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না বলেন, মুরতজা আবেদীন মিথ্যা কথা বলছে, আমি অস্ত্র ছিনিয়ে নিতে যাইনি, সে অস্ত্রের টিগারে হাতের আঙুল দেওয়া ছিল যা ছবিতে স্পষ্ট। যদি তার অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার পরিস্থিতি হতো তাহলে আমি বলতাম না অস্ত্রটা পুলিশের হাতে দে। যা ওখানে শত শত লোকের মধ্যে বলেছি এবং ভিডিওতেও প্রমাণ রয়েছে।

  • প্রবাসীদের পেশাগত ভুয়া সনদ, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    অনেকেই পেশাগত ভুয়া সনদ নিয়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাচ্ছেন। এসব ভুয়া সনদ দেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমাদের কাছে অভিযোগ আসছে যারা বিদেশে যাচ্ছেন অনেকেই ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছেন। অনেকেই ভুয়া চিকিৎসক ইঞ্জিনিয়ার- এ ধরনের সার্টিফিকেট নিয়ে যাচ্ছেন।

    তিনি বলেন, ‘কীভাবে তারা এ ভুয়া সার্টিফিকেট নেয়। এ ভুয়া সার্টিফিকেটসহ তারা যায়, তারা তাদের এ কাজে সহযোগিতা করে। যারা এ কাজটা করে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় তাদের সহযোগিতা করবে।’

    কেমন সংখ্যক এমন ভুয়া সনদ নিয়েছেন- জানতে চাইলে মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সংখ্যাটা নিয়ে আলোচনা হয়নি। অভিযোগ করা হয় যে এমন পাওয়া যাচ্ছে। দেখা গেল একটা ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে বিদেশে গেছে এবং ওই দেশে গিয়ে সে ধরা পড়েছে। তখন একটা বিব্রতকর অবস্থা তৈরি হয়ে যায়। ওখানে তারা একটা অস্বস্তির মধ্যে পড়ে যায়। এখন এ বিষয়টাকে শক্ত হাতে হ্যান্ডেল করার জন্য বলা হয়েছে।’

  • সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

    সবার সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

    সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব। রোববার (৩ সেপ্টেম্বর) নৌপ্রধানের সচিবালয় গ্যালাক্সিতে নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৩ এর সভায় তিনি এ কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করব না, সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখব। এটি কিন্তু আমরা রাখতে পেরেছ। পৃথিবীর কোনো দেশ এটি পারে কি না, আমি জানি না। আমাদের সঙ্গে কিন্তু প্রতিটি দেশের একটি সুসম্পর্ক আছে।

    সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখার কৌশল সম্পর্কে অনেকে প্রশ্ন করেন জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তারা জানতে চায়, আমরা এটি কীভাবে করি। আমি বলি, এটি আমাদের ওপর নির্ভর করে। আমরা যে নীতিতে বিশ্বাস করি, জাতির পিতা যে নীতি (বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি) দিয়ে গেছেন, সে নীতি নিয়ে আমরা চলি বলে সবার সঙ্গে আমাদের সমানভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের লক্ষ্য, দেশের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নতি, তাদের যেন কোনো কষ্ট না হয় সেটা দেখা, সেটা আমরা দেখি।

    সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সংশ্লিষ্ট প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশ যত এগিয়ে যাবে, সেই সঙ্গে আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করে এগিয়ে নিতে পারব।

    সশস্ত্র বাহিনীর প্রশংসা করে শেখ হাসিনা বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী মানুষের পাশে দাঁড়ায়। মানুষের কাছে থেকে একটি আস্থা-বিশ্বাস তারা অর্জন করতে পেরেছে।

    নেতৃত্ব নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীতে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়, তার প্রশংসা করেন তিনি।

    এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, বিচক্ষণতা ও নিরপেক্ষ বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে উচ্চ নৈতিক মনোবলের যোগ্যতাসম্পন্ন কর্মকর্তা, বিশেষ করে যারা বাস্তব কর্মক্ষেত্রে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে উপস্থিত বুদ্ধি দিয়ে কাজ করে সাফল্য অর্জন করতে পারেন, সেই ধরনের নেতৃত্বকে আপনারা বেছে নেবেন।

    শেখ হাসিনা বলেন, আমরা এটিই চাই, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের যে চেতনা, যে আদর্শ, যে লক্ষ্য নিয়ে জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছিলেন, সেই আদর্শে যারা দীক্ষিত, যাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধ আছে, তাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসা একান্তভাবে দরকার।

  • কামাল বেঁচে থাকলে এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না: শেখ হাসিনা

    কামাল বেঁচে থাকলে এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না: শেখ হাসিনা

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বড় ছেলে শেখ কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও বহুমুখী প্রতিভার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ভাইয়ের ব্যাপারে বলেছেন, তিনি বেঁচে থাকলে আমাকে হয়তো এত বড় দায়িত্ব নিতে হতো না।

    শনিবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার ২০২৩’ প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    ভাইয়ের প্রশংসায় শেখ হাসিনা বলেন, শেখ কামালের সাংগঠনিক দক্ষতা সেটা ছিল প্রবল। কিন্তু কখনো কোনো নেতা হওয়ার চেষ্টা বা কোনো পদে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। ব্যবসা-বাণিজ্য করে পয়সা বানানোর চিন্তা কখনো তার মাথায় ছিল না। বরং এ ব্যাপারে সে অত্যন্ত সতর্ক ছিল। পারিবারিক-সামাজিকভাবে সে অনেক দায়িত্বশীল ছিল। কারণ আমার আব্বা তো বেশির ভাগ সময় ছিলেন জেল খানায়। সেই ছোট্ট বয়স থেকে মায়ের পাশে থেকে সংসারের কাজে কামাল সব সময় পাশে থাকতো। তার মধ্যে দায়িত্ববোধ ছোট বেলা থেকে গড়ে উঠেছিল।

    শেখ কামাল পড়াশোনায়ও মনোযোগী ছিল জানিয়ে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, ও পড়াশোনার দিকে অত্যন্ত মনোনিবেশ করতো। আমাদের বাসায় তো সব সময় লোকজন ভরা থাকতো তারপরও তার পড়াশোনা সে চালিয়ে গেছে।

    খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ আজকে এগিয়ে যাচ্ছে, ক্রীড়াঙ্গন থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে আমরা যথেষ্ট অগ্রগামী। আজ খেলাধুলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গেছে। যার ভিত্তিটা তৈরি করে দিয়ে গিয়েছিল শেখ কামাল। এতে কোনো সন্দেহ নাই। তার যে বহুমুখী প্রতিভা, এই বহুমুখী প্রতিভাটা বিকশিত হওয়ার আগেই চলে গেল এই পৃথিবী থেকে।

    অনুষ্ঠানে শিল্পপতি, সমাজের বিত্তবানদের ক্রীড়া ক্ষেত্রে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানান সরকার প্রধান। একইসঙ্গে যারা খেলাধুলা থেকে অবসর নেবে তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিতে ও বিত্তশালীদের ক্রীড়াবিদদের কল্যাণ ফাউন্ডেশনে অনুদান দিতে আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে আটটি ক্যাটাগরিতে মোট ১০ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও দুটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শেখ হাসিনা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এসব পুরস্কার দেওয়া হয়।

    যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, স্বাগত বক্তব্য দেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মহিউদ্দিন আহমেদ। শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ পুরস্কার বিজয়ীদের পক্ষে বক্তব্য দেন আজীবন সম্মাননা প্রাপ্ত আবদুস সাদেক ও সাবিনা খাতুন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব।

    অনুষ্ঠানে শেখ কামালের জীবন ও কর্মের ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল প্রদর্শন করা হয়। এ অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী ‘শেখ কামাল: ক্ষণজন্মা এক নক্ষত্র’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

  • এ পর্যন্ত বিএনপির যত জন গ্রেফতার হয়েছে, সবাই ওয়ারেন্টভুক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এ পর্যন্ত বিএনপির যত জন গ্রেফতার হয়েছে, সবাই ওয়ারেন্টভুক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘এ পর্যন্ত বিএনপির যত নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে, সবার বিরুদ্ধেই ওয়ারেন্ট আছে। তারা কোনও না কোনও মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। এ কারণে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে।’

    রোববার (২৩ জুলাই) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইন না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা আইন লঙ্ঘন করবে, জনদুর্ভোগ তৈরি করবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এটাই স্বাভাবিক।’

    বিএনপির আন্দোলনে পুলিশ কোথাও কোনও বাধা দিচ্ছে না দাবি করে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সবসময় বলেন— তিনি এ দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক চর্চা যখন ঠিক থাকবে, তখন এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম হবে।’

    লক্ষ্মীপুরে এক ‘বিএনপি কর্মী’ নিহতের ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘গোয়েন্দা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে যতটুকু জানতে পেরেছি— সেখানে দুটি গ্রুপ বা ব্যক্তির মাঝে কর্তৃত্ব ও অংশীদারত্ব নিয়ে অনেকদিন থেকেই অসন্তোষ ছিল। এই দুই গ্রুপের সম্পর্কটা এমন জায়গায় গিয়েছিল যে, একজন নিহত হয়েছে। বিএনপি বলছে, এটা নাকি তাদের কর্মী। তাদের স্পষ্ট করে বলতে চাই– নিহত ব্যক্তি বিএনপির কর্মী নয়।’

    ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– র‌্যাবের মহাপরিচালক এম খুরশীদ হোসেন, হাইওয়ে পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন খান ও ক্র্যাব সেক্রেটারি মামুনুর রশিদসহ ক্র্যাব সদস্যরা।

  • জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

    জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

    জবাবদিহি থাকলে ২০৪১ সালে উন্নত দেশ গড়া এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করা সম্ভব। এমনটি বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    বুধবার (১৯ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং এপিএ ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ সালে আমরা সরকার গঠন করার পর থেকে ২০২৩ পর্যন্ত বিভিন্ন সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সুষ্ঠু দিক নির্দেশনা নিয়ে যে কাজ করে গেছি, যারা এই কাজে সহযোগিতা করেছেন এবং বাস্তবায়ন করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাই। এত অল্প সময়ের মধ্যে আমরা যে দেশের একটা বিশাল পরিবর্তন আনতে পেরেছি, তার জন্য আপনাদেরই অনেক অবদান রয়েছে।

    তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে যে যাত্রা শুরু করলাম বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির, তার কারণ জবাবদিহি নিশ্চিত করা। সবার সঙ্গে সবার যাতে যোগাযোগ থাকে, সুষ্ঠু পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ হয়, সেই চিন্তা থেকেই কিন্তু আমরা এই পদ্ধতিটা নিয়েছি। আমার কাছে সব সময়ই একটা বিষয় ছিল যে, কত দ্রুত বাংলাদেশের উন্নতিটা করা যেতে পারে। আপনাদের অনেক পরিশ্রম করিয়েছি এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার ফসলটা তো বাংলাদেশ পাচ্ছে। আপনারাও আজকে বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে অতি দ্রুত দেশকে এগিয়ে নিয়ে যান। ১২৬টি দেশের স্বীকৃতি তিনি আদায় করে দিয়ে গিয়েছিলেন। ৭৫ সালে ৯ ভাগ পর্যন্ত আমাদের প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়। কিন্তু এর পরই মিলিটারি ডিকটেটর, প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দেশ শাসন, ভোটের অধিকার হরণ করায় বহু বছর আমাদের জীবন থেকে হারিয়ে গিয়েছিল। প্রথমে ২১ বছর এরপর আরও ৮ বছর বলতে গেলে ২৯টা বছরই বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলা হয়েছে।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে, সব সময়ই আমরা চেষ্টা করেছি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে, নিজেদের ভাগ্যের না। সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি, যে কারণে একটা তাড়া আছে আমাদের। কারণ সময় তো ফুরিয়ে যায়, কিন্তু আমরা কতটুকু এগুতে পারলাম, সেই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলাই সবচেয়ে বড় কথা। সেই সঙ্গে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা, আজ আমরা বলতে পারি, বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার উপযুক্ত বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। সেটা আমরা করতে পেরেছি সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে পেরেছি বলেই।

  • দায়িত্ব গ্রহণের আগেই পরিকল্পিত নগরায়ন তদারকিতে নবনির্বাচিত মেয়র

    দায়িত্ব গ্রহণের আগেই পরিকল্পিত নগরায়ন তদারকিতে নবনির্বাচিত মেয়র

    দায়িত্ব গ্রহণের আগেই নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় ব্যস্ত সময় পার করছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। প্রতিদিনই তিনি নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সমস্যা-সম্ভাবনাগুলো চিহ্নিত করছেন। চলমান নগর উন্নয়ন কাজের তদারকি করছে। দায়িত্বগ্রহণের আগেই নগর উন্নয়ন পরিকল্পনায় নবনির্বাচিত মেয়রের এমন কর্মকা-কে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নগরবাসী।

    জানা গেছে, গত ১২ জুন বিপুল ভোটে বরিশাল সিটির মেয়র নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। এরপর গত ৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। বরিশালে ফিরে তিনি নির্বাচনকালীন নগর উন্নয়নে দেয়া ইশতেহারের প্রতিটি প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নের পুন:প্রতিশ্রুতি দেন।

    এদিকে, ‘শপথ গ্রহণ করলেও নবনির্বাচিত মেয়রকে বরিশাল সিটির দায়িত্ব গ্রহণে আরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হবে। কেননা মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৮ সালের ২৩ অক্টোবর সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। সে হিসেবে তাঁর পাঁচ বছর পূর্ণ মেয়াদ শেষ হবে ২২ অক্টোবর। বিধি মোতাবেক এরপর দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতকে।

    তবে দায়িত্ব গ্রহণে এখন অনেক সময় বাকি থাকলেও বসে নেই তিনি। প্রতিদিনই নগর উন্নয়ন এবং নগরবাসীর সেবামূলক কর্মকা-ে অংশ নিচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে বরিশাল নগর উন্নয়নে সিটি করপোরেশনের অধিনস্ত স্থাপনা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোতে খোঁজ খবর নিতে শুরু করেছেন।

    সবশেষ গতকাল শনিবার নগরীর নতুন বাজার, চৌমাথা বাজার, নথুল্লাবাদ বাজার, বটতলা বাজার, সিটি করপোরেশনের দক্ষিণ-পূর্বপাশ এবং নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন নবনির্বাচিত মেয়র।

    এসময় তার সাথে ছিলেন- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্কিটেকচার বিভাগের প্রধানসহ ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক এবং প্রকৌশলী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ।
    পরিদর্শনকালে নবনির্বাচিত মেয়র জানান, ‘উন্নয়নের মাধ্যমে একটি পরিকল্পিত বরিশাল নগরী গড়ে তোলা হবে। এজন্য অবকাঠামো এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার দৃশ্যমান পরিবর্তন প্রয়োজন। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের সহায়তা চেয়েছেন তিনি। যে কারণে খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী ও অধ্যাপকবৃন্দ তাকে এ বিষয়ে সহায়তার জন্য বরিশালে এসেছেন। তারা নগরীর বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেছেন।

    যত দ্রুত সম্ভব বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চান নবনির্বাচিত মেয়র আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। আর তাই দায়িত্ব গ্রহণ করে যাতে বসে থাকতে না হয় সেজন্যে আগে থেকেই পরিকল্পনা করে নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

  • বিসিসি’র নবনির্বাচিত মেয়রের সাথে বিএমপি পুলিশের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বিসিসি’র নবনির্বাচিত মেয়রের সাথে বিএমপি পুলিশের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন বিসিসি’র নবনির্বাচিন মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ বরিশালের চার থানার অফিসার্স ইনচার্জরা।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নব-নির্বাচিত মেয়র বঙ্গবন্ধু’র ভাগ্নে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে শুভেচ্ছা জানান বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সহ মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দরা।

    বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জ বৃন্দরাও এসময় বরিশালের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এসময় বরিশাল মহানগর আওয়ামী যুবলীগ এর যুগ্ম আহবায়ক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব মাহমুদুল হক খান মামুন উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর কাছে শপথ নিলেন খোকন সেরনিয়াবাতসহ তিন সিটি মেয়র

    প্রধানমন্ত্রীর কাছে শপথ নিলেন খোকন সেরনিয়াবাতসহ তিন সিটি মেয়র

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র খোকন সেরনিয়াবাতকে শপথ পাঠ করিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সময় গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেয়র জায়েদা খাতুন ও তালুকদার আবদুল খালেকও শপথ পড়েছেন।

    সোমবার (৩ জুলাই) সকাল ১০টায় গণভবনের শাপলা হলে এ শপথ অনুষ্ঠান হয়। অনুষ্ঠানে সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    এসময় তিন সিটির সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের নারী কাউন্সিলরদের শপথ পড়ান স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ ইবরাহিম।

    গত ২৫ মে গাজীপুর এবং ১২ জুন খুলনা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে ৫ জুন গাজীপুর এবং ২০ জুন বরিশাল ও খুলনা সিটির নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের গেজেট প্রকাশিত হয়।

    সিটি করপোরেশনের আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ পাঠ করানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে।