Category: রাজণীতি

  • ১০ বছরে বরিশালবাসী নানা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন: খোকন সেরনিয়াবাত

    ১০ বছরে বরিশালবাসী নানা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন: খোকন সেরনিয়াবাত

    আসন্ন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেছেন সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের যে কর্মযজ্ঞ চালাছেন তা থেকে বরিশালবাসী বঞ্চিত। বিগত ১০ বছরে বরিশালবাসী নানা বঞ্চনার শিকার হয়েছেন। এখানকার মানুষের রয়েছে ট্যাক্সের বিরম্বনা।

    এখানে রাস্তাঘাটের যেরকম খারাপ অবস্থা তেমনি রয়েছে পানি সরবারহে সংকোট। এই সংকোট থেকে উত্তরনের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বরিশালের মানুষের জন্য কাজ করতে পাঠিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ মে) দুপুর ১২ টায় নগরের বগুড়া রোড ক্রাউন কনভেশন হলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কেন্দ্রীয় ও ব জেলা-মহানগরের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি ‍এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন মুক্তিযুদ্ধ বার বার হয়। একেক সময় একেক রকম মুক্তিযুদ্ধ হয়। এখন আমাদের সময় বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে সকল অনিয়ম দুর করে উন্নয়নের যুদ্ধ করা। বরিশাল মানুষ যেমনিভাবে দীর্ঘদিন নিগৃহীত ছিলো আমিও তেমনি ১৫ আগষ্টের পরে দূর্বীসহ, নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছি। ১৫ আগষ্ট আমি আমার চোখের সামনে ভাই বোনকে নিহত হতে দেখেছি। আমি মানুষের কষ্ট, যন্ত্রনা অনুভব করতে পারি। সুযোগ পেলে সততার সাথে বরিশাল নগরীকে পুনঃগঠিত করবো। সিটি কর্পোরেশন চলবে সচ্ছতার মধ্য দিয়ে। তাই আগামী ১২ জুন ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করে আপনারা সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিবেন।

    মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড জেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মেজবাহ উদ্দিন শাহিনের সভাপতিত্বে ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব এহসান রাব্বীর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মেহেদী হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম রেজা। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এ্যাডভোকেট আফজালুুুুুুল করিম, এ্যাডভোকেট আনিচ উদ্দিন শহিদ, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা আমিন উদ্দিন মোহন, জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান হাওলাদার, এবিএম মহিউদ্দিন মানিক বীরপ্রতিক, মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক এমজি কবির ভুলু, বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি মঈন তুষারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা বলেন, আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর ভাই ও শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছেলে। অথচ তাকে বরিশালবাসী সবাই চেনেন না। এর অর্থ দ্বারায় তিনি নিতান্তই একজন ভদ্র মানুষ। তিনি কোথাও ক্ষমতার প্রয়োগ করেননা। মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন খোকন সেরনিযাবাত। তিনি একজন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। এরকম একজন ব্যাক্তিকে নির্বাচিত করতে না পারলে নগরী আবারো ড্রাগনের হাতে পরবে। খোকন সেরনিয়াবাত নির্বাচিত না হলে আমরা নগরবাসী ক্ষতিগ্রস্থ হবো। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড খোকন সেরনিয়াবাতের নির্বাচনে একাত্বতা প্রকাশ করেছেন।

  • বিএনপি নেতা চাঁদের বিরুদ্ধে মামলা: যে কোনো সময় গ্রেপ্তার

    বিএনপি নেতা চাঁদের বিরুদ্ধে মামলা: যে কোনো সময় গ্রেপ্তার

    প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা হয়েছে। রোববার (২০ মে) রাতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে পুঠিয়া থানায় মামলাটি করেন।

    এ বিষয়ে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি আব্দুল বাতেন জানান, এ ঘটনায় সন্ত্রাস দমন আইনে পুঠিয়া থানায় মামলা হয়েছে। আসামি আবু সাঈদ চাঁদকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে।

    এদিকে ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কবরে পাঠানোর’ হুমকি দিয়েছেন রাজশাহী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ। শুক্রবার (১৯ মে) বিকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার শিবপুর হাইস্কুল মাঠে রাজশাহী মহানগর এবং জেলা বিএনপির জনসমাবেশে তিনি এ হুমকি দেন। এ সংক্রান্ত বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

    ওই ভিডিওর বক্তব্যে আবু সাঈদ চাঁদকে বলতে শোনা যায়, আর ২৭ দফা ১০ দফার মধ্যে আমরা নাই। এক দফা শেখ হাসিনাকে কবরস্থানে পাঠাতে হবে। শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করার জন্য যা যা করার দরকার আমরা করব।

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদ এবং বিএনপি নেতা আবু সাঈদ চাঁদকে গ্রেফতারের দাবিতে সোমবার রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এর আগেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে বক্তব্য দেওয়ায় মামলার শিকার হয়েছেন রাজশাহীর এ বিএনপি নেতা। রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ডাবলু সরকারের করা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। কয়েক মাস আগেই জামিনে ছাড়া পেয়েছেন সাঈদ।’

  • মেয়র হলে নগর ভবন সবার জন্য উম্মুক্ত হবে- খোকন সেরনিয়াবাত

    মেয়র হলে নগর ভবন সবার জন্য উম্মুক্ত হবে- খোকন সেরনিয়াবাত

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেছেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই, তিনি আপনাদের সেবা করার জন্য আমাকে পাঠিয়েছেন। তাই আমাকে একবার সুযোগ দিন, আমি মেয়র হলে নগর ভবনকে উম্মুক্ত করা হবে। আপনাদের সকলের প্রত্যাশা পুরণে সর্বদাই চেষ্টা করবো।

    শনিবার সন্ধ্যায় আধুনিক বরিশাল নগর বিনির্মাণে অগ্রাধিকার ও প্রত্যাশা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর ফুফাতো ভাই ও শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের পুত্র মেয়র প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাত এ কথা বলেন।

    নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক অধ্যক্ষ নুরে আলম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আবু বকর সিদ্দিক সোহেল, আজিজ শাহিন ও দোলন দে।

    এসময় আগামী ১২ জুন নৌকায় নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে, আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আবুল কায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত বলেন, ‘বরিশালে তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। আগামীর বরিশাল হবে নতুন বরিশাল। এখানে কোন বৈষম্য থাকবেনা। এই শহরকে সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতায় সুন্দর ও বসবাস উপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

    মতবিনিময় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন- নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট কেবিএস আহমেদ কবির, আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বলরাম পোদ্দার, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য আনিস উদ্দিন আহমেদ সহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহেল আহম্মদ শেলী, ডা. শাহ্ আলম তালুকদার।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সংগঠক এনায়েত হোসেন শিবলু। এছাড়াও আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সাবেক সদস্য সৈয়দ মনির, মহানগর যুবলীগের সদস্য ফরহাদ বিন আলম জাকির প্রমুখ।

    এর আগে শনিবার সকালে নগরীর বর্ধিত এলাকা টিয়াখালী সড়কে ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নির্বাচনী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের মেয়রপ্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত। পরে নগরীর সাগরদী বাজারে ব্যবসায়ী এবং পথচারীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৌকায় ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেন তিনি।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় যুবলীগের টিম গঠন

    বরিশাল সিটি নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনায় যুবলীগের টিম গঠন

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ (খোকন সেরনিয়াবাত)-এর পক্ষে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের টিম গঠন করেছে। আওয়ামী যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের নির্দেশে নির্বাচনী পরিচালনা ও সমন্বয়ক টিম গঠন করা হয়েছে।

    শনিবার আওয়ামী যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবু আহমেদ নাসিম পাভেলকে আহ্বায়ক করে নির্বাচনী পরিচালনা টিম করা হয়েছে। বাকি সদস্যরা হলেন, যুগ্ম-আহ্বায়ক বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বদিউল আলম, যুগ্ম-আহ্বায়ক যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সুভাষ চন্দ্র হাওলাদার, যুগ্ম-আহ্বায়ক যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য তাজ উদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-আহ্বায়ক যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মো. জসিম মাতুব্বর ও বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মো. মাজহারুল ইসলামকে সদস্য সচিব করা হয়েছে এবং যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুর রহমান সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মুনির মো. শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান চপল, দপ্তর সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক ব্যারিস্টার আলী আসিফ খান রাজীব, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. সাদ্দাম হোসেন পাভেল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মীর মো. মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. ফরিদ রায়হান, ক্রীড়া সম্পাদক নিজাম উদ্দিন চৌধুরী পারভেজ, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. হেমায়েত উদ্দিন মোল্লা, ধর্ম সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান সরদার, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুক্তা আক্তার, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, বরিশাল মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক নিজামুল হক নিজাম, বরিশাল জেলা যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, বরিশাল মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মেজবাহ উদ্দিন জুয়েল ও বরিশাল জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীনকে সমন্বয়ক করে সমন্বয়ক টিম গঠন করা হয়েছে।

  • নৌকার নির্বাচনী প্রচারনার ১১ নং ওয়ার্ড কার্যালয় উদ্ভোধন ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    নৌকার নির্বাচনী প্রচারনার ১১ নং ওয়ার্ড কার্যালয় উদ্ভোধন ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত এর নির্বাচনী প্রচারনায় ১১ নং ওয়ার্ড কার্যালয় উদ্ভোধন ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মিলাদ এ ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাবেক সাধারন সম্পাদক মুজিবল হক স্বপন এর সভাপতিত্বে,উক্ত সভায় দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ সভাপতি এ্যাড;আফজালুল করিম,সহ-সভাপতি এ্যাড কে বি এস আহমেদ কবির,জেলা শ্রমিকলীগ এর সভাপতি শাজাহান হাওলাদার,অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,,১৪ নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর নাসির আহমেদ,মহানগর যুবলীগ সদস্য ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মারুফ আহমেদ জিয়া,যুবলীগ সদস্য শহিদুল্লাহ রেজভি,সোহান মাইদুল,মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি মুহাঃপলাশ চৌধুরী, ১১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি হাবিব শরীফ সাধারন সম্পাদক আসিফ ইকবাল শাওন,মহানগর ছাত্রলীগ নেতা বাপ্পি ও রাসেল বাবুনী সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উক্ত সভা পরিচালনা করেন জেলা যুবলীগ নেতা সাইফুল্লাহ খান লাবু।

    আফজালুল করিম তার বক্তব্যে সকল নেতাকর্মী কে আগামী ১২ই জুন সিটি মেয়র নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত কে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে তৃনমুল নেতাকর্মীদের একযোগে কাজ করার জন্য আহবান করেন।

  • খোকন সেরনিয়াবাত এর নির্বাচনী প্রচারনার ১১ নং ওয়ার্ড কার্যালয় উদ্ভোদন

    খোকন সেরনিয়াবাত এর নির্বাচনী প্রচারনার ১১ নং ওয়ার্ড কার্যালয় উদ্ভোদন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত এর নির্বাচনী প্রচারনায় ১১ নং ওয়ার্ড কার্যালয় উদ্ভোধন ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মিলাদ এ ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাবেক সাধারন সম্পাদক মুজিবল হক স্বপন এর সভাপতিত্বে,উক্ত সভায় দিক নির্দেশনামুলক বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র সহ সভাপতি এ্যাড;আফজালুল করিম,সহ-সভাপতি এ্যাড কে বি এস আহমেদ কবির,জেলা শ্রমিকলীগ এর সভাপতি শাজাহান হাওলাদার,অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,,১৪ নং ওয়ার্ড সাবেক কাউন্সিলর নাসির আহমেদ,মহানগর যুবলীগ সদস্য ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মারুফ আহমেদ জিয়া,যুবলীগ সদস্য শহিদুল্লাহ রেজভি,সোহান মাইদুল,মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি মুহাঃপলাশ চৌধুরী, ১১ নং ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি হাবিব শরীফ সাধারন সম্পাদক আসিফ ইকবাল শাওন,মহানগর ছাত্রলীগ নেতা বাপ্পি ও রাসেল বাবুনী সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, উক্ত সভা পরিচালনা করেন জেলা যুবলীগ নেতা সাইফুল্লাহ খান লাবু।

    আফজালুল করিম তার বক্তব্যে সকল নেতাকর্মী কে আগামী ১২ই জুন সিটি মেয়র নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত কে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার জন্য সকল ভেদাভেদ ভুলে তৃনমুল নেতাকর্মীদের একযোগে কাজ করার জন্য আহবান করেন।

  • বরিশালে নৌকার পক্ষে কাজ করতে আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ

    বরিশালে নৌকার পক্ষে কাজ করতে আ’লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ

    মান-অভিমান ভুলে নৌকার প্রার্থীকে জেতাতে দলের মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহকে নির্দেশ দিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সব দ্বন্দ্ব ও কোন্দল ভুলে বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও দলের সিনিয়র নেতাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে বলেছেন তিনি। এ উপলক্ষে কার্যনির্বাহী সংসদের এক নম্বর সদস্য হাসানাত আবদুল্লাহকে প্রধান করে একটি টিম গঠন করেছে আওয়ামী লীগ।

    গতকাল বুধবার দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার ৪৩তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় নেতারা গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গেলে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

    বরিশাল বিভাগের সিনিয়র নেতা দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমীর হোসেন আমু ও ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য হাসানাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেনসহ কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই বৈঠকেই দলীয় টিম গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। একই বৈঠকে হাসানাত আবদুল্লাহর সঙ্গে পৃথকভাবে কিছুক্ষণ কথা বলেন দলের সভাপতি।

    আওয়ামী লীগ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে জেতাতে ৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় টিম গঠন করা হয়েছে। টিমের প্রধান হাসানাত আবদুল্লাহ। এ ছাড়া টিম সমন্বয়ক আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও যুগ্ম সমন্বয়ক করা হয়েছে দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেনকে।

    সদস্য হিসেবে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনিসুর রহমান ও গোলাম কবীর রাব্বানী চিনু। নির্বাচন কমিশনের তপশিল অনুযায়ী আগামী ১২ জুন বরিশাল সিটি করপোরেশনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গত ১৫ এপ্রিল বরিশাল সিটির বর্তমান মেয়র ও হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে বাদ দিয়ে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ।

  • মোটরসাইকেল চালক থেকে কোটিপতি ছাত্রলীগ নেতা মান্না

    মোটরসাইকেল চালক থেকে কোটিপতি ছাত্রলীগ নেতা মান্না

    বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সদ্যবিলুপ্ত কমিটির আহ্বায়ক রইচ আহমেদ মান্নার গ্রেফতারের পর বেরিয়ে আসছে তার অনিয়ম-দুর্নীতির ফিরিস্তি। এতদিন নগরবাসী তার ভয়ে মুখ না খুললেও এখন একে একে সবাই তুলে ধরছেন মান্নার দুর্নীতির আমলনামা।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর ছত্রচ্ছায়ায় থেকে নগর ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ পদ পেয়ে মান্না গড়ে তুলেছেন অনিয়ম-দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য। কিন্তু নৌকার মনোনীত প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতের নির্বাচনী কর্মীদের পিস্তল ঠেকিয়ে মারধর ও কুপিয়ে জখমের মামলায় গ্রেফতারের একদিনের মাথায় ধস নামে মান্নার স্বর্গরাজ্যে।

    গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টা না যেতেই বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সোমবার (১৫ মে) রাত সোয়া ১০টায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এদিকে, মান্না গ্রেফতারের পর থেকেই বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে তার অনিয়ম-দুর্নীতির নানান তথ্য। গত ১০ বছরে জিরো থেকে কোটিপতি বনে গেছেন মান্না। সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর একনিষ্ঠ কর্মী হওয়ার সুবাদে বরিশাল নগরীতে সর্বস্তরে একক আধিপত্য ছিল তার। বর্তমানে তিনি কোটি টাকার সম্পদের মালিক। তবে তার আয়ের প্রধান উৎসই ছিল নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে চাঁদাবাজি ও বিরোধপূর্ণ জমি দখল।
    আসন্ন বরিশাল সিটি নির্বাচনে আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর নগরীতে সাদিকের অনুসারী অন্যরা ধীরে ধীরে চুপসে গেলেও মান্না ছিলেন অপ্রতিরোধ্য। গত কয়েকদিনে নৌকার কর্মী-সমর্থকদের ওপর একাধিক হামলা হয় মান্নার নেতৃত্বে।

    দলীয় সূত্র জানায়, ১০ বছর আগেও মান্না শুধু ছাত্রলীগের একজন সাধারণ কর্মী ছিলেন। মহানগর ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ানের মোটরসাইকেল চালক হিসেবেই তাকে চিনতেন সবাই। ২০১৪ সালে সাদিক আবদুল্লাহর সঙ্গে অসীম দেওয়ানের বিরোধ শুরু হয়। এরপর অসীমকে দমনে সাদিকের হাতিয়ার হয়ে ওঠেন মান্না। বাড়িতে একের পর এক হামলা-গুলিবর্ষণসহ নানামুখী প্রতিরোধের মুখে ওই বছরের শেষ দিকে অসীম বরিশাল ছেড়ে ঢাকায় আশ্রয় নেন। এরপর থেকেই সাদিকের আস্থাভাজন হয়ে ওঠেন মান্না।

    মান্নার নির্যাতন নিপীড়নের শিকার বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, কয়েক বছর আগে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর (৪ জানুয়ারি) দিন নগরীর নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে সাদিকবিরোধীরা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সন্ধ্যার পর মান্না বিশাল মোটরসাইকেলবহর নিয়ে গুলিবর্ষণ ও বোমা মেরে অনুষ্ঠান পণ্ড করে। এছাড়াও সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজ তার মালিকানাধীন প্লানেট ওয়ার্ল্ড শিশুপার্কে কর্মিসভা করার সময় মান্না সীমানা প্রাচীরের বাইরে থেকে বোমা নিক্ষেপ করে।

    মান্নার নিপীড়নের শিকার মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অসীম দেওয়ান বলেন, মান্নার নেতৃত্বে কয়েকবার তার বাসায় হামলা-ভাঙচুর ও গুলি করা হয়েছে। ২০১৪ সালের শেষ দিকে প্রাণভয়ে বরিশাল ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি জমাই। খোকন সেরনিয়াবাত মনোনয়ন পাওয়ার পর বরিশালে ফিরেছি।

    এছাড়া ২০২১ সালের আগস্টে মান্নার নেতৃত্বে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে হামলা, একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিসিক শিল্পনগরীতে জুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ফরচুনে দফায় দফায় হামলা এবং ঘটনার জেরে কাউনিয়া থানা ঘেরাওয়ের নায়ক ছিলেন তিনি। এসব মামলায় আসামি করা হয় তাকে।

    এতকিছুর পরও এসব ঘটনার পুরস্কার হিসেবে দুই স্ত্রী ও তিন সন্তানের জনক মান্নাকে ২০২২ সালের জুলাইয়ে মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়কের পদ পাইয়ে দেন সাদিক আবদুল্লাহ। মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর একনিষ্ঠ কর্মী হওয়ার সুবাদে ২০১৮ সাল থেকে নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নিয়ন্ত্রণসহ ‘আহমেদ পরিবহন’ নামে তিনটি বাসের মালিক মান্না।

    টার্মিনালে চাঁদাবাজি ও অবৈধ ব্যবসার নিয়ন্ত্রণসহ জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া সদর উপজেলায় মেরিন একাডেমির পাশে ১০ শতাংশ জমির ওপর বিশাল পাঁচতলা ভবনের মালিকসহ বিত্তশালীতে পরিণত হন তিনি। একসময় অন্যের মোটরসাইকেল চালালেও এখন চলাচল করেন নিজের নোহা গাড়িতে।

    জানা যায়, সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের মেয়াদে তার অনুসারী যুবদল নেতা মো. শাহিন সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিয়ে বাস টার্মিনালসংলগ্ন সড়ক ও জনপথের (সওজ) জমিতে দোতলা ভবন নির্মাণ করেন। সেখানে রয়েছে ১২০০ স্কয়ার ফুটের ‘নিউ বাঙ্গালী’ নামের খাবার হোটেল। হোটেলের পেছনে সওজের জমি দখল করে দ্বিতল ভবনের নিচতলায় ১৩টি স্টল ও দোতলায় আবাসিক হোটেল করেছিলেন তখনকার পরিবহন শ্রমিক নেতা নুরে আলম। মান্না টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সব দখল করে নেন। আবাসিক হোটেল বন্ধ করে সেখানে তার ব্যক্তিগত কার্যালয় বানান। নিজেই পরিচালনা করেন ‘বাঙ্গালী হোটেল’।

    এছাড়া অন্যের বিরোধপূর্ণ জমি একপক্ষের থেকে অল্প মূল্যে বায়না করে দখল করাই ছিল মান্নার কাজ।

    নগরীর কেএমসি হাসপাতালের পরিচালক এস এম কাওছার হোসেন জানান, কাউনিয়ায় মান্নার বাসার অদূরে ৩৯ শতক জমি নিয়ে স্থানীয় জাহাঙ্গীরদের সঙ্গে মামলা চলছিল। নিম্ন আদালত থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত রায় পেয়েছিলাম। তবে মান্না সেই জমির ৮ শতক জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে ৫৬ লাখ টাকায় বায়না করেন। গত ১৬ ডিসেম্বর দলবল নিয়ে মান্না জমি দখলে নেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মান্নাকে দেখে নীরবে চলে যায়। পরে কাউনিয়া থানা পুলিশ মামলাও নেয়নি।

    রোববার (১৪ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর বাশেরহাট খোলা এলাকা থেকে নৌকা মার্কার প্রধান কার্যালয়ে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী খোকন সেরনিয়াবাতের তিন সমর্থকের পথরোধ করেন ছাত্রলীগ নেতা মান্না ও তার অনুসারীরা। এ সময় মান্না তাদের ওপর পিস্তল ঠেকান বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করেন।

    এ সময় হামলায় আহত হন নৌকার কর্মী হালিম, মনা ও জাহিদুল। পরে স্থানীয়রা আহতদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    এ ঘটনায় আহত মনা ওই রাতেই বাদী হয়ে মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রইচ আহমেদ মান্নাসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০ জনকে আসামি করে কাউনিয়া থানায় মামলা করেন। মামলার পরপরই কাউনিয়া থানা পুলিশ গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মান্নাসহ ১৩ জনকে আটক করে কারাগারে পাঠায়।

  • বরিশাল সিটি মেয়র পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, বাতিল ৪

    বরিশাল সিটি মেয়র পদে ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ, বাতিল ৪

    আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে চার মেয়রপ্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া ছয়জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৮ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ের শেষদিনে চার মেয়রপ্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

    মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, জাতীয় পার্টির মো. ইকবাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু, স্বতন্ত্র কামরুল আহসান ও আলী হোসেন।

    এছাড়া মনোনয়ন বাতিল হওয়া মেয়রপ্রার্থীরা সবাই স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন।

    তারা হলেন লুৎফুল কবির, সৈয়দ এসাহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের, মো. আসাদুজ্জামান ও নেছার উদ্দিন। মনোনয়ন বৈধ হওয়া প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ, জাতীয় পার্টির মো. ইকবাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম, জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু, স্বতন্ত্র কামরুল আহসান ও আলী হোসেন।

  • হাসানাতকে ‘মাথায়’ রেখে খোকনের নির্বাচন পরিচালনায় কমিটি কেন্দ্রের

    হাসানাতকে ‘মাথায়’ রেখে খোকনের নির্বাচন পরিচালনায় কমিটি কেন্দ্রের

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত নিজের নির্বাচন পরিচালনা জন্য যে কমিটি করেছেন সেখানে বড় ভাই সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ‘প্রধান উপদেষ্টা’ হিসেবে রেখেছিলেন।

    এবার আওয়ামী লীগ কেন্দ্র থেকে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে ‘টিম লিডার’ করে কমিটি গঠন করে দিয়েছে। যদিও এ ধরনের কমিটি অনুষ্ঠেয় অন্য চার সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের জন্য করা হয়নি।

    দুই ভাইয়ের ‘রাজনৈতিক ও পরিবারিক বিরোধের’ বিষয় নিয়ে বরিশালের নির্বাচনী মাঠে আলোচনার মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় ঘোষিত নয় সদস্যের এ টিমের তালিকায় সমন্বয়ক হিসেবে রাখা হয়েছে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ফ. ম বাহাউদ্দিন নাছিম এবং যুগ্ম-সমন্বয়ক হিসেবে আছেন সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন।

    আফজাল হোসেনের স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে- টিমে সদস্য হিসেবে রয়েছেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমান, কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য আনিসুর রহমান এবং মো. গোলাম কবীর রাব্বানী চিনু।

    এই টিমের কাজ কী হবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে সমন্বয়ক বাহাউদ্দিন নাছিম রাতে বলেন, “আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয়ভাবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করেছে। আমরা সেখানে দায়িত্ব পালন করব।

    “বরিশালের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনটা যেন সুন্দরভাবে করা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করব। নৌকা মার্কাকে জয়ী করতে আমরা কাজ করছি। নতুন কমিটির মাধ্যমে এই কার্যক্রমের গতিশীলতা আরও বাড়বে।

    সবাই নিয়ে একযোগে কাজ করাই কমিটির মূল লক্ষ্য হবে বলেও জানালেন এ আওয়ামী লীগ নেতা।

    তবে এ টিম কী কাজ করবে তা জানে না খোকন সেরনিয়াবাতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

    কমিটির সদস্য ও মিডিয়া সেলের প্রধান লস্কর নুরুল হক বলেন, “ফেইসবুকের মাধ্যমে নতুন টিম গঠনের বিষয়টি আমরা দেখেছি। কেন্দ্রীয় কমিটির বিরুদ্ধে কিছু বলার ধৃষ্টতা দেখাব না। তবে এ টিম কী কাজ করবে, তা আমাদের বোধগম্য নয়।”

    ১২ জুন অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর বড় ছেলে বর্তমান মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দল বেছে নেয় চাচা খোকন সেরনিয়াবাতকে।

    এরপর ৯ মে নির্বাচন পরিচালনায় উপদেষ্টা কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন খোকন সেরনিয়াবাত। সেই কমিটিতে প্রধান করেন বড় ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহকে। তবে তাদের অনুসারী কাউকে কমিটিতে রাখা হয়নি।

    এর মধ্যে বরিশাল নগরীতে ভোটের প্রচার চালাতে গিয়ে দুই দফায় হামলার শিকার হয়েছে নৌকার সমর্থকরা। খোকন সেরনিয়াবাতের অনুসারীদের অভিযোগ, যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তারা সবাই সাদিক আব্দুল্লাহর অনুসারী।

    এসব হামলার ঘটনায় থানায় মামলা ও সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। মামলায় মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়কসহ ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। যার প্রতিবাদ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করে মহানগর আওয়ামী লীগ; যে কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ।

    এরপরই বিলুপ্ত করা হয়েছে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কমিটিও।

    তফসিল অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ভোট কেন্দ্র ১২৩টি। মোট ভোটার ২ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৭ জন।