Category: রাজণীতি

  • বরিশাল সিটি মেয়রের সাথে পৌর মেয়রদের মতবিনিময়

    বরিশাল সিটি মেয়রের সাথে পৌর মেয়রদের মতবিনিময়

    মহান স্বাধীনতা দিবস-২০২২ উপলক্ষে বরিশাল সিটি মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন বিভাগের সকল পৌরসভার মেয়র।

    সোমবার বিকেলে নগরীর কালিবাড়ি রোডের সেরনিয়াবাত ভবনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয। সভায় পৌর মেয়র মহিউদ্দিন আহমেদ, মোঃ শফিকউজ্জামান রুবেল, মোঃ জিয়াউল হক জুয়েল, এমদাদুল ইসলাম তুহিন, গোলাম কবির, মতিউর রহমান, আনোয়ার হাওলাদার, বিপুল চন্দ্র হাওলাদার, এ.বি.এম. গোলাম কবির, কামাল উদ্দিন খান, মোঃ আঃ হাই হাওলাদার, সুভাষ চন্দ্র শীল, মোঃ আনোয়ার হোসেন আকন, আহসানুল হক তুহিন এবং প্যানেল মেয়র আঃ ওয়াহেদ খান সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ পৌর মেয়রদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করে জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করার আহবান জানান। আওয়ামী নেতৃত্ব, নৌকা ও প্রধানমন্ত্রীকে সম্মানীত করার জন্য সকলকে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করার জন্য পৌর মেয়রদের পরামর্শ দেন মেয়র সাদিক।

  • জয় বাংলা’ আমাদের মাথা উঁচু করে চলার স্লোগান: প্রধানমন্ত্রী

    জয় বাংলা’ আমাদের মাথা উঁচু করে চলার স্লোগান: প্রধানমন্ত্রী

    জয় বাংলা’ বিজয়ী জাতির, বাঙালি জাতির মাথা উঁচু করে চলার স্লোগান বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    তিনি বলেন, দেশের সব অর্জনের মূলে থাকা ‘জয় বাংলা’কে তার সরকার জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বকে আমরা এই বার্তাই পৌঁছে দিতে চেয়েছি যে, বাঙালি মাথা নিচু করে নয় বরং মাথা উঁচু করেই চলবে।

    সোমবার (১৪ মার্চ) রাতে ‘জয় বাংলা উৎসব’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মূল উদ্দীপক স্লোগান ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর হোটেল শেরাটনে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

    শেখ হাসিনা বলেন, এই জয় বাংলা স্লোগানটা আজ সবার হয়েছে এবং এই স্লোগানের মধ্য দিয়ে আমরা এটাই বিশ্বের মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাই- আমরা বিজয়ী জাতি, আমরা বিজয় অর্জন করেছি। মাথা নত করে আমরা চলি না, মাথা নত করে চলবো না। বিশ্ব দরবারে বাঙালি মাথা উঁচু করেই চলবে।

    প্রধানমন্ত্রী তার একমাত্র ছোটবোন শেখ রেহানার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমরা দুজনেই আজ সব থেকে বেশি খুশি। কারণ এই জয় বাংলা স্লোগান এদেশের মানুষকে নিজের জীবনটা বিলিয়ে দিয়ে দেশকে বিজয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। যে স্লোগান দিয়ে এদেশের মানুষ রক্তের অক্ষরে লিখে গেছে- আমি বিজয় আনতে চাই। বাংলাদেশের জয় হবে। আজ সেই জয় বাংলা আমাদের সবার, এদেশের মানুষের। বিজয়ী জাতির-বাঙালি জাতির, আমাদের মাথা উঁচু করে চলার এ স্লোগান।

    এই স্লোগান ধারণে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কোনো ত্যাগ যে বৃথা যায় না আজ সেটাই প্রমাণ হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান এবং বিএবি চেয়ারম্যার মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

    প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ‘মুক্তিদাতা শেখ মুজিব’ নামের একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রদত্ত তার ঐতিহাসিক কালোত্তীর্ণ ভাষণ সমাপ্ত করেছিলেন ‘জয় বাংলা’ উচ্চারণ করে। সেই থেকে এটি মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিকামী কোটি কোটি জনতার প্রাণের স্লোগানে পরিণত হয়। নিরস্ত্র বাঙালি অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে আনার অনুপ্রেরণা হয়ে যায় ‘জয় বাংলা’।

    বঙ্গবন্ধু কন্যা এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা থেকেই বঙ্গবন্ধু এই ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি নিয়েছিলেন।

    এক রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ১০ মার্চ ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হিসেবে গ্রহণের জন্য হাইকোর্ট রায় প্রদান করেন। ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পরে ২০২২ সালের ২ মার্চ ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জয় বাংলা স্লোগান এক সময় বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল যেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। তবে, হ্যাঁ আমরা আওয়ামী লীগ যারা করি আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ যারা ধরে রেখেছি, যারা এদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে এবং মুক্তিযোদ্ধারা- তারা এটা ধরে রেখেছিলেন। বাধা এসেছে, অনেক সময় অনেক কটুক্তি -সমালোচনা শুনতে হয়েছে। কিন্তু তারপরেও আমরা এই সত্যটাকে ধরে রাখতে পেরেছিলাম বলেই আজ এটা জাতীয় ভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

    তিনি বলেন, জয় বাংলা স্লোগান আমাদের মুক্তি সংগ্রামের স্লোগান। জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। জয় বাংলা আত্মত্যাগের স্লোগান। জয় বাংলা আমাদের অর্জনের স্লোগান। যে স্লোগানের মধ্যদিয়েই আমরা বিজয় অর্জন করেছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বাংলাদেশের মানুষের জন্য। যে মানুষগুলো ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের কষাঘাতে জর্জরিত ছিল।

    তিনি বলেন, জাতির পিতা যখন ৬ দফা দিলেন ঠিক তার আগেই ছাত্রলীগকে এই জয়বাংলা স্লোগানটাকে মাঠে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এর অন্তর্নিহিত অর্থ একটাই ছিল- সংগ্রামের মধ্যদিয়ে মানুষের মধ্যে স্বাধীনতার চেতনাটা জাগ্রত করা। এই স্লোগানের মধ্য দিয়েই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ এবং সবশেষে বিজয় অর্জন। যার প্রতিটি পদক্ষেপ জাতির পিতা নিয়েছিলেন অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে।

    স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার ৭ মার্চের যে ভাষণ, সেই ভাষণও তিনি শেষ করেন ‘জয় বাংলা’ বলে। অর্থাৎ বাঙালির যে বিজয় হবে সে সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ নিশ্চিত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা শত্রুর মোকাবিলা করতো এই জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে। এই স্লোগান প্রতিটি মুক্তকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করতো।

    শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতার পর মাত্র সাড়ে ৩ বছর সময় পেয়েছিলেন। সে সময়ে একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে তিনি গড়ে তুলে স্বল্পোন্নত দেশের পর্যায়ে এনে রেখে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো আমাদের মুক্তি সংগ্রামের সময় যে অপপ্রচার ছিল স্বাধীনতা অর্জনের পরও সেটা থেমে থাকেনি। অর্থাৎ স্বাধীনতা বিরোধীদের চক্রান্ত সবসময় ছিল। যখন অনেক ষড়যন্ত্র করেও মানুষের হৃদয় থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছতে পারেনি তখনই চরম আঘাত এলো ৭৫ এর ১৫ আগস্ট।

    তিনি বলেন, যে স্লোগান একদিন এদেশের মানুষকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করেছিল, একটি গেরিলা যুদ্ধে অনুপ্রাণিত করেছিল, পাকিস্তানিদের বর্বর নির্যাতনও যে স্লোগানকে একদিন থামাতে পারেনি; সেই স্লোগান নিষিদ্ধ হয়ে গেল। ১৫ আগস্ট আমরা আপনজন হারিয়েছি, আর দেশের জনগণ তাদের সব সম্ভাবনাকেই হারিয়ে ফেললো।

    সরকার প্রধান বলেন, আমাদের কাজটা হচ্ছে জনগণের সেবা করা। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প সবকিছু যেন সহজভাবে চলতে পারে সে সুযোগটা করে দেওয়া, সেটাই আমরা করে দিচ্ছি। আমরা ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চল করে দিচ্ছি যেখানে দেশি বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এতে অর্থনীতি আরও শক্তিশালী ও মজবুত হয়ে উঠবে এবং মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও বাড়বে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার তৃণমূলকে লক্ষ্য ধরেই দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছে। তিনি ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগণের ক্রয় ক্ষমতা যত বাড়বে ততই আপনাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত হবে।

    এ সময় বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করতে তার সরকারের পদক্ষেপের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক আমাকে বলেছিল এতগুলো বেসরকারি ব্যাংক দিয়ে কী হবে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতো খুব ছোট। কিন্তু এটা ছোট থাকবে না বরং একদিন যে বড় হবে সে আশাবাদই আমি তখন ব্যক্ত করেছিলাম।

    তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থা থেকে বেসরকারি ব্যাংকের আর শাখা খোলার সুযোগ না দিয়ে সরকারি ব্যাংকের অনেক শাখা বন্ধ করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি আমাদের সরকারি বাস চলাচল করবে সেখানেও বাধা দেওয়া এবং সেটাও বন্ধ করার প্রচেষ্টা হয়েছিল।

    শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ পরবর্তী সরকারগুলো এতই দুর্বল ছিল যে আন্তর্জাতিক সংস্থা যে পরামর্শ দিতো তাই তারা মেনে চলতো। নিজেদের কোনো চিন্তা-চেতনা বা পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু আমি সরকারে আসার পর থেকে ওইসব পরামর্শ শুনি নাই।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি শুধু একটা কথা বলেছি, এই দেশ আমাদের। আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। এদেশের মানুষের মঙ্গল কিসে হবে আমরাই তা সবথেকে ভালো জানি। যেটা দেশের জন্য মঙ্গলজনক সেটাই আমরা করবো।

    শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ব্যাংক, বিমা থেকে শুরু করে বেসরকারি টেলিভিশন, বেসরকারি রেডিও, সবার হাতে মোবাইল ফোন, ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড পৌঁছে দেওয়া সহ ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলেছি। আমরা ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে সক্ষম হয়েছি।

    ব্যাংক ব্যবস্থাকে তৃণমূলে মানুষের দোরগোড়ায় নিয়ে যেতে তার সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ মাত্র ১০ টাকায় একজন কৃষক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। ভতুর্কির টাকাটাও ব্যাংকের মাধ্যমেই তাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য কোনো মানুষ ক্ষুধার্ত বা গৃহহীন আর থাকবে না।

  • হঠাৎ অসুস্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, হাসপাতালে ভর্তি

    হঠাৎ অসুস্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রী, হাসপাতালে ভর্তি

    হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়েছে।

    রোববার (১৩ মার্চ) তুরস্ক থেকে বাংলাদেশে আসার পথে প্লেনের ভেতর তিনি অসুস্থবোধ করেন।

    পরে বিকেল তিনটার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সম্প্রতি ডিপ্লোম্যাসি ফোরাম ২০২২-এ যোগ দিতে তুরস্ক সফরে গিয়েছিলেন ড. মোমেন।


    গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শফিউল আলম জুয়েল বলেন, তুরস্ক থেকে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসার পর তাকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।

    তিনি আরও জানান, তুরস্ক থেকে আসার পথে ফ্লাইটের শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তার নিয়মিত ঘুম হয়নি। তুরস্কে ঠাণ্ডা ছিল, দুবাইয়ে তাপমাত্রা বেশি ছিল, এসব কারণে তিনি অসুস্থবোধ করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে সিএমএইচে নিয়ে যাওয়া হয়।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাভাবিক আছেন। পরিবারের সিদ্ধান্তে তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হয়েছেন বলে জানান তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাই পল্লী শিশু ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ও ঢাকা ডেল্টা হসপিটাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান এ এস এ মুয়িয সুজন জানান, ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর চিকিৎসার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবেন চিকিৎসকরা। তবে বর্তমানে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

    শারীরিক সুস্থতার জন্য সিলেটবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

    সেখান থেকে তুরস্কে দ্বিতীয় আন্তালিয়া ডিপ্লোমেসি ফোরামের এক গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিতে শুক্রবার আমিরাত থেকে আঙ্কারায় পৌঁছান ড. মোমেন।

  • নিরব টুটুল’র মায়ের আত্তার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    নিরব টুটুল’র মায়ের আত্তার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বরিশাল মহানগর শাখার শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মা মমতাজ বেগম এর আত্তার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।  রবিবার আসর বাদ বরিশাল ক্লাবে এ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ,বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এড.এ.কে.এম জাহাঙ্গীর,মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু,মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান সহ মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ সহ  অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের  নেতৃবৃন্দরা।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মাতা মমতাজ বেগম অসুস্থ তার কারনে দীর্ঘদিন ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চেন্নাইয়ের ঐ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন। এরপর শুক্রবার আসরবাদ বরিশাল হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

    তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ,  বরিশাল মহানগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর সভাপতি, সাবেক বাকসু সদস্য, বাংলার মুখ ২৪.কম ও দৈনিক বরিশাল সংবাদ এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী সহ অন্যান্য রাজনৈতিক, সাংবাদিক, সেচ্ছাসেবি সংগঠন ও বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ।

  • আধিপত্য নিয়ে জবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৫

    আধিপত্য নিয়ে জবি ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৫

    আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জগন্নাত বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

    শনিবার (১২ মার্চ) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, টিএসসি ও মালিটোলায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের গ্রুপের কয়েকজন কর্মী প্রথমবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের দলে ভেড়ানোকে কেন্দ্র করে সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি গ্রুপের ১৫ ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে জবির টিএসসিতে মারধর করেন। পরে সভাপতি গ্রুপের সিনিয়র কয়েকজন এসে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের দুইজনকে মারধর করেন। এ ঘটনার পর সভাপতি গ্রুপের কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছেড়ে মালিটোলায় অবস্থান নেন। পরবর্তীকালে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মীরা মালিটোলায় সভাপতি গ্রুপের কর্মীদের ধাওয়া করলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

    এতে সভাপতি গ্রুপের নৃবিজ্ঞান বিভাগ ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থী গাজী মো. শামসুল হুদা ও খাইরুল আমান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ২০১৫-১৬ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল বারেক, ফিন্যান্স বিভাগ ২০১৯-২০ বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাঈদ আহত হন। এছাড়া সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ২০১৫-১৬ বর্ষের শিক্ষার্থী মেরাজ হোসাইন আহত হন। সবাইকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গাজী মো. সামসুল হুদা গুরুতর আহত হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দুই গ্রুপের কর্মীদের লাঠি হাতে শোডাউন দিতে দেখা যায়।

    আহত ছাত্রলীগ কর্মী আব্দুল বারেক বলেন, আমরা ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে মালিটোলা পার্কের সামনে সভাপতির জন্য অপেক্ষা করার সময় ১২ ব্যাচের ছাত্রলীগকর্মী সিফাত, শিশির ও মারুফের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি বলেন, আমি এ বিষয়ে এখনো অবগত নেই। আমি দূরে অবস্থান করছি। এ বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি।

    বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা ছাত্রলীগকে বিতর্কিত করার জন্য ব্যক্তিস্বার্থে এসব কর্মকাণ্ড করছে। যারা মারামারি করেছে তারা ছাত্রলীগের কেউ নয়।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ঘটনা সম্পর্কে আমার অবগত হয়েছি। মারামারিতে জড়িত ছাত্রদের চিহ্নিত করে রেখেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তাদের বিরিুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    সংঘর্ষের বিষয়ে রাজধানীর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে আমাদের জানা নেই। আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ আসেনি।

  • আগামী বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে এশিয়ার প্রতি আহ্বান মোমেনের

    আগামী বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে এশিয়ার প্রতি আহ্বান মোমেনের

    বাংলাদেশ প্রবর্তিত শান্তির সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে আগামী বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতে এশিয়ার দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।

    শনিবার (১২ মার্চ) তুরস্কের আন্তলিয়ায় আয়োজিত দ্বিতীয় আন্তলিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে ‘এশিয়া এনিউ: ফর সাসটেইনেবল রিজিওনাল গ্রোথ’শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ আহ্বান জানান তিনি।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও সুযোগ নিতে নেতৃত্বের ভূমিকা পালনের জন্য এশীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

    বিশ্বে সাম্প্রতিক বিভিন্ন সংঘাতের কথা তুলে ধরে ড. মোমেন গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে একটি টেকসই ও বাসযোগ্য বিশ্ব উপহার দেওয়ার জন্য পারস্পরিক সহনশীলতা ও সহানুভূতি অতি জরুরি।

    রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১১ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত মিয়ানমারের নাগরিককে আশ্রয় দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী সিদ্ধান্ত। এ আঞ্চলিক সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রয়োজন।

    ড. মোমেন পুনরুল্লেখ করেন যে, সাউথ-সাউথ ফোরাম অব ফরেন মিনিস্টার্সের জন্য বাংলাদেশ একটি প্রস্তাব দিয়েছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর অভিজ্ঞতা বিনিময় করবে ও অর্থনৈতিক ইস্যুগুলো তুলে ধরার জন্য সর্বোত্তম উপায় আয়ত্ত করবে।

    তিনি সব দেশের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে সবুজ প্রযুক্তি নিশ্চিতের গুরুত্ব এবং লাভজনক নিয়োগ নিশ্চিতের জন্য বিনিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

    ড. মোমেন, কোভিড-১৯ এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও আগামী দুইদশকের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত দেশেগুলোর কাতারে নিয়ে যেতে সরকার কীভাবে তার নীতিগুলো বাস্তবায়ন করছে তা বর্ণনা করেন।

    উচ্চ পর্যায়ের এ গোলটেবিল বৈঠকে এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যোগ দেন। ফোরাম বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুৎ কাভুসোগলুর একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠককালে, দুই পররাষ্ট্র মন্ত্রীর মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানসহ বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

  • দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ছয়দিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের (বিজি-১৩০২) একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট শনিবার (১২ মার্চ) দিনগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

    এর আগে স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে ফ্লাইটটি। সেখানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

    শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

    ইহসানুল করিম বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের (বিজি-১৩০২) একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে রাত ১২টা ১০ মিনিটে (স্থানীয় সময়) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।’

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে গত ৭ মার্চ উপসাগরীয় দেশটিতে পৌঁছান শেখ হাসিনা। এই সফরে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে।

    সেগুলো হলো- বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং এমিরেটস সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের (ইসিএসএসআর) মধ্যে সহযোগিতার জন্য এমওইউ দুই দেশের বৈদেশিক পরিসেবা একাডেমি, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এবং দুবাই ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারের মধ্যে সহযোগিতার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক এবং দুই দেশের মধ্যে একটি যৌথ ব্যবসায়িক কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার জন্য এফবিসিসিআই ও ইউএই চেম্বারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক।

    এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। গত ৯ মার্চ দুবাই প্রদর্শনী কেন্দ্রে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেন।

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী ৮ মার্চ দুবাই প্রদর্শনী কেন্দ্র (ডিইসি) পরিদর্শন করেন। ওইদিন আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় যোগ দেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী ডিইসিতে বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন ও ইউএই প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন। এছাড়াও তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেন।

    প্রধানমন্ত্রী এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এফএও আঞ্চলিক সম্মেলনেও যোগ দেন। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের যৌথ আয়োজনে বিজনেস ফোরামে যোগ দেন তিনি।

    শুক্রবার (১১ মার্চ) শেখ হাসিনা প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায় আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন।

    এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী রাস আল খাইমায় বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

  • বিএনপির কথায় কান দেবেন না: আইনমন্ত্রী

    বিএনপির কথায় কান দেবেন না: আইনমন্ত্রী

    বিএনপি আইন ও সংসদ মানে না বলে অভিযোগ করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, তাদের কথায় কান দেবেন না।

    শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

    বক্তব্যের শুরুতে আইনমন্ত্রী বলেন, ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলনা ভাসানীকে নিয়ে এই আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। এর আগে তিনি ১৯৪৮ সালে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধু মানুষকে অধিকার আদায়ের বিষয়ে বুঝিয়েছিলেন এবং শিখিয়েছিলেন। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এই বাংলাদেশে তাকে কিছু বিপথগামী ইতর ও বেইমানের হাতে প্রাণ দিতে হয়।

    তিনি আরও বলেন, বিএনপি আইন মানে না, সংসদ মানে না। তারা ক্ষমতায় গেলে দেশ বিরানভূমি হয়ে যাবে। তাদের কোনো কথায় আপনারা কান দেবেন না।

    আখাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক মো. জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ মাঠে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান বক্তা ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল-মামুন সরকার।

  • টিকাকরণে ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    টিকাকরণে ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অষ্টম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    করোনা প্রতিরোধী টিকাকরণে ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

    শনিবার (১২ মার্চ) দুপুরে মানিকগঞ্জের কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ সম্মেলন কক্ষে একটি বেসরকারি ওষুধ কোম্পানির উদ্যোগে ফুসফুসীয় পুনর্বাসন সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এ কথা জানান মন্ত্রী।

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৭৫ ভাগ মানুষকে করোনা টিকার আওতায় আনা হয়েছে। ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রামে (টিকাকরণ) ২০০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় ও তার সহযোগিতায় এটা সম্ভব হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশে করোনা নিয়ন্ত্রণে সফলতার পেছনে ওষুধ কোম্পানিগুলোরও ভূমিকা আছে। অন্য দেশের তুলনায় করোনায় বাংলাদেশে মৃত্যুহার অনেক কম; ৩২ হাজার লোক মারা গেছেন। ভারতে ৫ লাখ ও শক্তিধর যুক্তরাষ্ট্রেও ১০ লাখ মানুষ করোনায় মারা যায়। সেই তুলনায় বাংলাদেশ অনেক ভালো আছে। এখন ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সবকিছু স্বাভাবিকভাবে চলছে।

    অনুষ্ঠানে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মো. জাকির হোসাইন, সহকারী অধ্যক্ষ ডা. সাইফুদ্দিন আলমগীর, মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমানসহ চিকিৎসক ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • নিরব টুুটুল এর মায়ের দাফন সম্পন্ন

    নিরব টুুটুল এর মায়ের দাফন সম্পন্ন

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মাতা মমতাজ বেগম এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার হেমায়েত  উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে নগরীর মুসলিম গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এড. এ.কে এম জাহাঙ্গীর,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান রিন্টু, প্যানেল মেয়র এড. রফিকুল ইসলাম খোকন,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হাসান মাহমুদ বাবু, প্রচার সম্পাদক গোলাম সরওয়ার রাজিব, কোষাদক্ষ তহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাঈদ আহমেদ মান্না, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুর রাজ্জাক সহ বরিশাল মহানগর ও জেলা আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ,যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ সহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।