Category: রাজণীতি

  • হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত

    হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত

    ছয়দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন সাবেক অর্থমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আবুল মাল আবদুল মুহিত। শুক্রবার (১১ মার্চ) বাসায় ফেরেন তিনি।

    শনিবার (১২ মার্চ) আবুল মাল আবদুল মুহিতের ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, ‘স্যার শুক্রবার জুমার নামাজের পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বনানীর বাসায় আসেন। সোমবার (১৪ মার্চ) তিনি সিলেটে যাবেন। নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে দেখা করে আবার ঢাকায় ফিরবেন তিনি।’

    সিলেটে নিজ জন্মভূমিতে যাওয়ার জন্য তিনি ব্যাকুল হয়ে আছেন বলে পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।

    মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘বাসায় ফিরলেও এখনও শক্ত কোনো খাবার খেতে পারছেন না সাবেক অর্থমন্ত্রী মুহিত। চিবিয়ে ফেলে দিচ্ছেন। তার লিভারে সমস্যা দেখা দিয়েছে। খাবারের প্রতি রুচি না থাকায় ৮৮ বছর বয়সী মুহিত শারীরিকভাবে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। লিভারের সমস্যা নিরসনে এখন অপারেশন করার মতো শারীরিক পরিস্থিতিও নেই।

    এর আগে গত ৫ মার্চ রাজধানীর গ্রিনলাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

  • ১৫ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরোদমে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী

    ১৫ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুরোদমে ক্লাস: শিক্ষামন্ত্রী

    আগামী ১৫ মার্চ থেকে স্বাভাবিক শিক্ষাকার্যক্রমে ফিরছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ওইদিন থেকে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে সশরীরে পুরোদমে ক্লাস শুরু হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

    শনিবার (১২ মার্চ) রাজধানীর টিকাটুলিতে শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়ের ভবন উদ্বোধন শেষে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় গত ২১ জানুয়ারি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় ২২ মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়

    তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস শুরু হয় গত ২ মার্চ। এছাড়া আগামী ১৫ মার্চ থেকে প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের সশরীরে ক্লাস শুরু হবে।

    তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হলেও এতদিন বিভিন্ন শর্তারোপ করা ছিল। এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ছাড়া অন্য শর্তগুলো তুলে দেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

    বিস্তারিত আসছে…

  • জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই আ’লীগের সৃষ্টি: কাদের

    জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতেই আ’লীগের সৃষ্টি: কাদের

    জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই আওয়ামী লীগ সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ঘিরেই পরিচালিত হয়েছে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংগ্রাম।

    শুক্রবার (১১ মার্চ) গণমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতেই এ বিবৃতি দেন তিনি।

    ‘সরকার জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায়!’ বিএনপি মহাসচিবের এমন অভিযোগের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আওয়ামী লীগ জনগণের রাজনৈতিক দল, জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই আওয়ামী লীগ সৃষ্টি হয়েছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ঘিরেই পরিচালিত হয়েছে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংগ্রাম।

    তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপির মতো বন্দুকের নলের মুখে কিংবা পেছনের দরজা দিয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেনি, করবেও না।

    সেতুমন্ত্রী বলেন, এদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্যদিয়ে এদেশের মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদেশের মানুষের স্বাধিকার, স্বাধীনতা, মুক্তি, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী প্রাণ দিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপির সৃষ্টি এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে হত্যার মধ্যদিয়ে স্বৈরশাসনের পটভূমিতে। তাদের নেতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের আখরে রচিত পবিত্র সংবিধানকে ক্ষত-বিক্ষত করে ও ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে জাতির পিতাসহ জাতীয় চার নেতার খুনিদের সুরক্ষা দেয়।

    তিনি বলেন, এদেশের স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নের চক্রান্তে আবর্তিত হয়েছে বিএনপির রাজনীতি। বিএনপির শাসনামলে সংখ্যালঘু নির্যাতন ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের ভয়াবহ নজির স্থাপন হয়েছিল। উগ্র-সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশকে বিএনপিই ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল।

    এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় গিয়েছে তখনই মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কার্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে এবং পাকিস্তানি ভাবধারায় দেশ চালিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে ভূলুণ্ঠিত করার পাশাপাশি স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বার বার হুমকির মুখে ফেলেছে। তারা সবসময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। দেশপ্রেমের বহ্নিশিখায় ঐক্যবদ্ধ প্রজন্ম গঠনে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বিএনপি।

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগঠন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার আপসহীন নেতৃত্বেই দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটেছে ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র একমাত্র আওয়ামী লীগের হাতেই নিরাপদ।

    তিনি বলেন, এদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আওয়ামী লীগ সর্বদা বদ্ধপরিকর। আমরা স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধী অপশক্তি, দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষকদের হাতে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে তুলে দিতে পারি না।

    কাদের বলেন, মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন, গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির অভিযাত্রাকে কাঙ্ক্ষিত অভিষ্টে পৌঁছাতে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি উদার প্রগতিশীল-গণতান্ত্রিক উন্নত-আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

  • গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই দেশে উন্নয়ন হচ্ছে

    গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই দেশে উন্নয়ন হচ্ছে

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘টানা ১৩ বছর গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। দেশকে কেউ আর পেছনে টানতে পারবে না। ’৭৫-এর পর একটা কালো অধ্যায় ছিল, সেই কালোমেঘ কেটে গেছে। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।’

    শুক্রবার (১১ মার্চ) রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসীদের দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা তার সফরকালীন আবাসস্থল থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর ১৩ বছর পূর্ণ করছি। দেশের মানুষের ভোট এবং সহযোগিতায় রাষ্ট্র পরিচালনা করার সুযোগ পেয়েছি। আমার দৃষ্টিতে এটা হচ্ছে, জনগণের সেবা করার সুযোগ। ক্ষমতাটা আমার কাছে কোনো ভোগের বস্তু নয়, জনগণের সেবা করার সুযোগ। যে আদর্শ নিয়ে জাতির পিতা দেশ স্বাধীন করেছেন, সেটা পূর্ণ করা।’

    সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ হবে উন্নত, সমৃদ্ধ, দারিদ্র্যমুক্ত একটি দেশ। যে দেশ সম্মানের সঙ্গে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলবে। বাঙালি জাতি মাথা উচু করে চলবে। জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা আমরা গড়ে তুলবো।’

    শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে যদি একটু দেখেন, লক্ষ্য করবেন- ’৭৫-এর পর এ দেশে ১৯টা ক্যু হয়েছে। একেকটা ক্যু হয়েছে সেনাবাহিনীর বহু সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে, বিমানবাহিনীর সদস্যদের হত্যা করা হয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা, গুম করা হয়েছে। অস্থিরতা ছিল, বার বার ক্ষমতা বদল হয়েছে। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছিল, গণতান্ত্রিক ধারা কখনোই অব্যহত ছিল না।’

    দেশের জনগণ ও প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যারা প্রবাসী আপনাদের কাছ থেকেও আমরা সমর্থন পেয়েছি, সহযোগিতা পেয়েছি। সেই কারণেই আজকে দেশকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পেরেছি। আমাদের লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এটা সম্মানজনক অবস্থানে নিয়ে আসবো। আজকে অন্তত এটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশ আজকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে মর্যাদা পেয়েছে, স্বীকৃতি পেয়েছে।’

    শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘এ দেশে কোনো দরিদ্র থাকবে না। আজকে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি যে, দেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, ভূমিহীন থাকবে না। সরকার থেকে তাদের ভূমি ও জমি নিয়ে ঘরবাড়ি করে দিচ্ছে। তাদের জীবনটাই পাল্টে যাচ্ছে। তাদের এখন অসহায় হয়ে ঘুরে বেড়াতে হয় না। আমরা সেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। কাজেই প্রত্যেকটা মানুষের জীবনমান উন্নত করার পদক্ষেপ আমরা নিচ্ছি।’

    jagonews24

    সরকারপ্রধান বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর পুষ্টি নিরাপত্তাও আমরা দিচ্ছি। আমাদের আয়ুষ্কালও বেড়ে এখন ৭২ থেকে ৭৩ বছরে দাঁড়িয়েছে। এখন হতদরিদ্র ভাবটা মানুষের মাঝে নেই, থাকবেও না। তার জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সবাইকেই অবদান রাখতে হবে। একদিনে এটা সম্ভব না। একটা গাছ লাগালেও ফল খেতে সময় লাগে।’

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে গত ৭ মার্চ সন্ধ্যায় পাঁচদিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আবুধাবি যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরদিন ৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক করেন আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী।

    বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে চারটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। সফর শেষে ১২ মার্চ দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন আবাসস্থল উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রান্তে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, আবুধাবি প্রান্তে ছিলেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা, এফবিসিআইআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

    এসময় রাস আল খাইমার প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়কমন্ত্রী ইমরান আহমেদ, বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি তাজ উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর। এরপর প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রাদেশিক শহর রাস আল খাইমার বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

  • নিরব টুটুল’র মায়ের সামধীতে বরিশাল মহানগর যুবলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

    নিরব টুটুল’র মায়ের সামধীতে বরিশাল মহানগর যুবলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বরিশাল মহানগর শাখার শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মা মমতাজ বেগম এর সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল মহানগর যুবলীগ। শুক্রবার আসর বাদ জানাজা শেষে দাফনের পর এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্যানেল মেয়র ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. রফিকুল ইসলাম খোকন, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও যুবলীগ নেতা শেখ আরাফাত জামান বাবু, যুবলীগ নেতা মিজান চৌধুরী সহ মহানগর যুবলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মাতা মমতাজ বেগম অসুস্থ তার কারনে দীর্ঘদিন ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চেন্নাইয়ের ঐ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন। এরপর শুক্রবার আসরবাদ বরিশাল হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

    তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ,  বরিশাল মহানগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর সভাপতি, সাবেক বাকসু সদস্য, বাংলার মুখ ২৪.কম ও দৈনিক বরিশাল সংবাদ এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী সহ অন্যান্য রাজনৈতিক, সাংবাদিক, সেচ্ছাসেবি সংগঠন ও বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ।

  • নিরব টুটুল’র মায়ের সমাধীতে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

    নিরব টুটুল’র মায়ের সমাধীতে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বরিশাল মহানগর শাখার শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মা মমতাজ বেগম এর সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ। শুক্রবার আসর বাদ জানাজা শেষে দাফনের পর এ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের অন্যতম নেতা রইজ আহমেদ মান্না, ছাত্রলীগনেতা মাইনুল ইসলাম, আরিফুর রহমান শাকিল, সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা উত্তম বাবু সহ মহানগর ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মাতা মমতাজ বেগম অসুস্থ তার কারনে দীর্ঘদিন ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি চেন্নাইয়ের ঐ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন। এরপর শুক্রবার আসরবাদ বরিশাল হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

    তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল মহানগর মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ এর সভাপতি, সাবেক বাকসু সদস্য, বাংলার মুখ ২৪.কম ও দৈনিক বরিশাল সংবাদ এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী সহ অন্যান্য রাজনৈতিক, সাংবাদিক, সেচ্ছাসেবি সংগঠন ও বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ।

  • বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হবে: মোমেন

    বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হবে: মোমেন

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করতে বিদেশে বাংলাদেশের ৮০টি মিশনকে সংযুক্ত করে একটি ভার্চুয়াল ব্যবসা ও বিনিয়োগ প্ল্যাটফর্ম চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) দুবাইয়ে বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম ২০২২-এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের দেশে আপনাদেরকে (বিদেশি বিনিয়োগকারীদের) স্বাগত জানাতে পারলে খুশি হবো, যাতে আপনারা বাংলাদেশের ব্যবসার সুযোগগুলো থেকে আপনার অংশীদারদের খুঁজে পেতে পারেন।’

    মন্ত্রী বলেন, ‘দৃঢ়তা ও সংকল্পের মাধ্যমেই বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের অগ্রগতির মূলে রয়েছে উদ্ভাবনী ও অদম্য চেতনা, ২০২৪ সালের মধ্যে উন্নয়নশীল দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ হতে উত্তরণের জন্য অবিচলিত প্রবৃদ্ধির গতিপথকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে

    তিনি বলেন, ‘দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশের যাত্রায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যথাযথ ভূমিকা পালন করছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যকূটনীতি অনুসরণ ও জোর দেওয়ার দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে আমরা সক্ষমতাকে শক্তিশালী এবং এ বিষয়ে প্রচেষ্টা তীব্রতর করেছি।’

    মোমেন বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি মন্ত্রণালয়ের সব কর্মকর্তাকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে তাদের প্রচেষ্টা দ্বিগুণ করার নির্দেশ দিয়েছি। বিদেশে আমাদের রাষ্ট্রদূতদেরও এ বিষয়ে তাদের প্রচেষ্টা জোরদার করার জন্য চিঠি লিখেছি এবং সেই সঙ্গে বিদেশিদের মধ্যে আমাদের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য আমরা কীভাবে আরও ভালো এবং সবচেয়ে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারি, সে বিষয়ে তাদের মতামত চেয়েছি।’

    তিনি আরও বলেন, বিডা, বেজা, বিএসইসি এবং হাই-টেক পার্ক অথরিটিসহ সংশ্লিষ্ট সব জাতীয় কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়কে সহায়তা করতে এবং তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য সব বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিষয়গুলো মোকাবিলা ও সমন্বয় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘ওয়ান গর্ভমেন্ট’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি উইং প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যেই অর্থনীতির সব ক্ষেত্রে সাধারণভাবে এবং বিশেষ করে উৎপাদনশীল সক্ষমতার জন্য প্রচুর প্রশংসামূলক অ্যাসেট পোর্টফোলিও স্থাপন করেছে। আমরা স্বল্পমেয়াদে এসএমই পর্যায়ের কনফিগারেশনে আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মধ্যমেয়াদে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার বাজারে প্রবেশের পরিকল্পনা করছি।

    আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যমান বাজার শক্তিগুলোকে কাজে লাগাতে এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে আমাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চায়। আমি আপনাদের সবাইকে আমাদের এসএমই উদ্যোগে অংশ নিতে এবং আপনাদের ব্যবসায়িক চাহিদা পূরণে সক্ষমতা বাড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি। আপনাদেরকে আশ্বস্ত করতে পারি আপনি দক্ষ হাত খুঁজে পাবেন যারা বিশ্বের যে কোনও জায়গা অপেক্ষা দ্রুত কর্ম সম্পাদন করতে পারে।

    তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের উপাদানগুলোকে চিহ্নিত করার এবং সেদিকে মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করেছেন। বঙ্গবন্ধুর পথ অনুসরণ করে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা এবং দারিদ্র্য ও বৈষম্যের অনুপাত হ্রাস করা আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও গতিশীল নেতৃত্বে অর্জিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং আর্থ-সামাজিক মাপকাঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ একটি ‘অলৌকিক উন্নয়ন’ হয়ে উঠেছে। আগামী কয়েক বছরে ঢাকা ন্যায়সঙ্গত বাজার প্রবেশাধিকার, রপ্তানি খাত সম্প্রসারণ সম্প্রসারণ, উল্লেখযোগ্য পরিমাণে এফডিআই প্রবাহ, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং বিদেশে পেশাজীবী ও শ্রমিকদের কর্মসংস্থান লাভের প্রত্যাশা করে। আমি এটাকে ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি প্যাকেজ’ বলছি।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, এফবিসিসিআইয়ের চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা।

  • বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায়: ঠাকুরগাঁওয়ে তথ্যমন্ত্রী

    বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায়: ঠাকুরগাঁওয়ে তথ্যমন্ত্রী

    বুধবার (৯ মার্চ) দুপুরে ঠাকুরগাও জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগ দিতে এসে এই সব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, যেহেতু বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সুতরাং তাদের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ নেই। সে জন্য তারা তাদের দলকে নির্বাচন মুখী করতে চায় না। তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আগামী নির্বাচনে তাদের পরাজয় হবে সেটিও তারা নিশ্চিত বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

    তথ্য মন্ত্রী আরও বলেন, গত বার বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে, প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিটি মানুষ ভালো আছে। কিন্তু এই উন্নয়ন অগ্রগতি যাদের পছন্দ হয় না। সেই বিএনপি এবং তাদের দোসরেরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। দেশে ও দেশের বাইরে এবং দেশের মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

    মন্ত্রী বলেন গত ১৩ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, সে জন্য দেশের মানুষ আওয়ামীলীগের সাথে আছে। সেই কারণেই বিএনপিসহ তাদের দোসরেরা সংকিত। তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এবং আগামী নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কায় তারা এখন নানা ধরনের বিভ্রান্ত ছড়াছে বলে জানান তিনি।

    আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশ পৃথিবীর ৯২তম দেশ। কিন্তু খাদ্য উৎপাদনে পৃথিবীতে ৩য়, ধান উৎপাদনে ৩য়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে ২য়, আলু উৎপাদনে ৭ম। এটা সম্ভব হয়েছে কোন যাদুর কারণে নয়, শেখ হাসিনার যাদুর রাজনীতির নেতৃত্বে।

    দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে। সেই অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে। এই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। দেশের বেশীর ভাগ বড় বড় ব্যবসায়ী বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত, মির্জা ফখরুল ইসলামের সাথে অনেকেই যুক্ত। মির্জা ফখরুল ইসলামের যে চক্রান্ত তাদের হাত মিলিয়ে পণ্য মজুত করে মূল্য বাড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

    গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যে কথা গুলো বলেছেন, শুধু মির্জা ফখরুল নয় রেজভি সাহেবও অনেক কথা বলেছেন। আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমন করেও কথা বলেছেন। তিনি বলেন আমি কিন্তু গ্রামের এমপি। আমি বিশ বাইশ বছর ধরে প্রতি সপ্তাহে আমার নির্বাচনী এলাকায় যাই। রেজভি সাহেব তো নয়া পল্টনে তাদের কার্যালয়ে বসে থাকেন। ওখানেই খায়, ওখানেই ঘুমায়। সে কারণেই তিনি দেশের অবস্থা জানেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, কেন্দ্রয় সদস্য সাবেক এমপি এ্যাড. হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, এ্যাড. সফুরা বেগম রুমি, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুহা. সাদেক কুরাইশী, সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবন্দ।

    তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনকে ভয় পায়, তাদের যে সন্ত্রাসী রাজনীতি, জ্বালাও পোড়াও রাজনীতি, মানুষ পুড়িয়ে হত্যার রাজনীতি। তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বেগম জিয়া ও তারেক রহমান দুজনই শাস্তিপ্রাপ্ত দণ্ড প্রাপ্ত আসামী। সে জন্য তারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

    বুধবার (৯ মার্চ) দুপুরে ঠাকুরগাও জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগ দিতে এসে এই সব কথা বলেন তিনি।

    তিনি বলেন, যেহেতু বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সুতরাং তাদের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ নেই। সে জন্য তারা তাদের দলকে নির্বাচন মুখী করতে চায় না। তারা জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। আগামী নির্বাচনে তাদের পরাজয় হবে সেটিও তারা নিশ্চিত বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

    তথ্য মন্ত্রী আরও বলেন, গত বার বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে, প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। প্রতিটি মানুষ ভালো আছে। কিন্তু এই উন্নয়ন অগ্রগতি যাদের পছন্দ হয় না। সেই বিএনপি এবং তাদের দোসরেরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। দেশে ও দেশের বাইরে এবং দেশের মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

    মন্ত্রী বলেন গত ১৩ বছরে যে উন্নয়ন হয়েছে, সে জন্য দেশের মানুষ আওয়ামীলীগের সাথে আছে। সেই কারণেই বিএনপিসহ তাদের দোসরেরা সংকিত। তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এবং আগামী নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কায় তারা এখন নানা ধরনের বিভ্রান্ত ছড়াছে বলে জানান তিনি।

    আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশ পৃথিবীর ৯২তম দেশ। কিন্তু খাদ্য উৎপাদনে পৃথিবীতে ৩য়, ধান উৎপাদনে ৩য়, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে ২য়, আলু উৎপাদনে ৭ম। এটা সম্ভব হয়েছে কোন যাদুর কারণে নয়, শেখ হাসিনার যাদুর রাজনীতির নেতৃত্বে।

    দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতি প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে। সেই অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে। এই অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে। দেশের বেশীর ভাগ বড় বড় ব্যবসায়ী বিএনপির সাথে সম্পৃক্ত, মির্জা ফখরুল ইসলামের সাথে অনেকেই যুক্ত। মির্জা ফখরুল ইসলামের যে চক্রান্ত তাদের হাত মিলিয়ে পণ্য মজুত করে মূল্য বাড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

    গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব যে কথা গুলো বলেছেন, শুধু মির্জা ফখরুল নয় রেজভি সাহেবও অনেক কথা বলেছেন। আমাকে ব্যক্তিগত আক্রমন করেও কথা বলেছেন। তিনি বলেন আমি কিন্তু গ্রামের এমপি। আমি বিশ বাইশ বছর ধরে প্রতি সপ্তাহে আমার নির্বাচনী এলাকায় যাই। রেজভি সাহেব তো নয়া পল্টনে তাদের কার্যালয়ে বসে থাকেন। ওখানেই খায়, ওখানেই ঘুমায়। সে কারণেই তিনি দেশের অবস্থা জানেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, কেন্দ্রয় সদস্য সাবেক এমপি এ্যাড. হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, এ্যাড. সফুরা বেগম রুমি, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুহা. সাদেক কুরাইশী, সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবন্দ।

  • নিরব টুটুল’র মাতার মৃত্যু ; বাংলার মুখ ২৪.কম এর শোক প্রকাশ

    নিরব টুটুল’র মাতার মৃত্যু ; বাংলার মুখ ২৪.কম এর শোক প্রকাশ

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের এর শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল এর মাতা আজ রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।

    তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থতার কারনে ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ ৯ ই মার্চ রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযুদ্ধা প্রজন্মলীগ, বরিশাল মহানগর এর সভাপতি, সাবেক বাকসু সদস্য, বাংলার ২৪.কম এবং দৈনিক বরিশাল সংবাদ এর প্রকাশক ও সম্পাদক মুহাঃ পলাশ চৌধুরী। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম(ফেসবুক) সহ বিভিন্ন বার্তায় শোক প্রকাশ করেন।

  • বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আন্ধারমানিক ইউনিয়ন শাখার সাধারন সম্পাদক হলেন মোঃ ছায়েম হোসেন শাওন

    বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, আন্ধারমানিক ইউনিয়ন শাখার সাধারন সম্পাদক হলেন মোঃ ছায়েম হোসেন শাওন

    কাজীরহাট থানাধীন ১ নং আন্ধারমানিক ইউনিয়নের বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক হলেন মোঃ ছায়েম হোসেন শাওন।আজ সোমবার কাজীরহাট থানার বাংলাদেশ আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোঃ রাকিব হোসেন ও সাধারন সম্পাদক কাজী জুলফিকার এর সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই আংশিক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    নবগঠিত কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ ছায়েম হোসেন শাওন দীর্ঘদিন সন্মানের সহিত রাজপথ কাপিয়ে আসছিলেন।তিনি কাজীরহাট থানা সেচ্ছাসেবকলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এর দ্বায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নবগঠিত কমিটির মাধ্যমে নতুন একটা দ্বায়িত্বে যুক্ত হলেন।

    নবগঠিত কমিটির সাধারন সম্পাদক মোঃ ছায়েম হোসেন শাওন বলেন, নতুন দ্বায়িত্ব পেয়ে আমি সত্যি খুব আনন্দিত। আমার উপর যে দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা আমি সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করবো।