Category: রাজণীতি

  • প্রধানমন্ত্রীর শপথ বাক্য অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    প্রধানমন্ত্রীর শপথ বাক্য অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে মহাবিজয়ের মহানায়ক প্রতিপাদ্যে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষীন প্লাজায় আয়োজিত ২দিন ব্যাপী রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান মালার প্রথম দিনে বক্তৃতা ও দেশবাসীকে শপথ বাক্য পাঠকরান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    এসময় পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষন কমিটির আহবায়ক( মন্ত্রী) আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি, বিরোধী দলীয় নেতা গোলাম কাদের এমপি, রাশেদ খান মেনন এমপি উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশালে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

    বরিশালে বিজয় দিবসের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা

    বরিশালে ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রথম প্রহরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

    রাত ১২টা ১ মিনিটে নগরীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্য‌ে সংরক্ষিত টর্চার সেলের ৭১ স্মৃ‌তিস্তম্ভ ও বধ্যভূ‌মিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    পরে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগসহ অঙ্গসহযোগি সংগঠন ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন।

    এ সময় মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস উপস্থিত ছিলেন।

    তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে এবং ক্ষুদামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠনে কাজ করছেন সরকার। আগামীতে দেশ আরও এগিয়ে যাবে

  • বরিশাল মহানগর যুবলীগ এর উদ্যোগে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর জন্মদিন পালিত

    বরিশাল মহানগর যুবলীগ এর উদ্যোগে মেয়র সাদিক আবদুল্লাহর জন্মদিন পালিত

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক ও বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এর ৪৮ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে, বরিশাল মহানগর যুবলীগ এর আয়োজনে ১৯ই নভেম্বর রাত ১২ টা ১ মিনিট এ কেক কাটার ও আতশবাজির আয়োজন করা হয়,নগরীর মুন্সিগ্যারেজ এই জন্মদিন পালন উৎসবটি আয়োজন করা হয়।

    এ সময়ে উপস্থিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামীলীগ কার্যকরী সদস্য যুবলীগ নেতা শেখ আরাফাত জামান বাবু, ও ১৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগ আহবায়ক ইব্রাহিম কামাল,মহানগর যুবলীগ সাবেক সদস্য আলতাফ আবদুল্লাহ,বরিশাল মহানগর আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ সভাপতি ও সাবেক বাকসু সদস্য মো:পলাশ চৌধুরী, ১৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগ যুগ্ন আহবায়ক সুজন ভুইয়া,যুবলীগ নেতা শফিক খান,কামরুজ্জামান লিখন,মিজান চৌধুরী,ডনি,রিয়াজ ভুইয়া,ফয়সাল,শাওন শেরওয়ানী,সুফল,রুকু,খোকন দাস,রুবেল মোল্লা,হেমায়েত উদ্দিন,জসিম, সবুজ সহ শতাধিক যুবলীগ নেতাকর্মী জন্মদিন পালন অনুস্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতির পিতার ম্যুরাল উম্মোচন

    বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতির পিতার ম্যুরাল উম্মোচন

    স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী ও বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির (বিআরইউ) দুইদশক পূর্তি উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ম্যুর‌্যাল উন্মোচন করা হয়েছে।

    আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয় ভবনে এ ম্যুর‌্যাল উম্মোচন করেন অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ও প্রধান অতিথি বরিশাল সিটি করপোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এসময় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্যালয়ে শহীদ জননী সাহান আরা বেগম স্মৃতি মিলনায়তনেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

    পরে অনুষ্ঠিত সভায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মিথুন সাহার সঞ্চালনায় এসময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন মানিক-বীর প্রতীক, বীর মুক্তিযোদ্ধা পুতুল ঘোষ , বিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ স. ম ইমানুল হাকিম, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি আনিসুর রহমান খান স্বপন, বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সাংবাদিক আলম রায়হান, বরিশাল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনিরুল আলম স্বপন খন্দকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাহফুজ খান।

    বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাবেক সভাপতি কাজল ঘোষ, শিশু সংগঠক পঙ্কজ রায় চৌধুরী, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দেবাশীষ চক্রবর্তী, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি সুশান্ত ঘোষ, বর্তমান সহ-সভাপতি গাজী শাহরিয়াজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাহাউদ্দিন গোলাপ প্রমুখ।

    এরআগে সভার শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জননী সাহান আরা বেগম এর সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য অনিমেষ সাহা লিটু।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল মালেক, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহামুদ বাবু, গোলাম সরোয়ার রাজিব, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া প্রমুখ।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি আলী খান জসিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল মাসুদুর রহমান, বাপ্পী মজুমদার, কামরুল আহসান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক রবিউল ইসলাম, বর্তমান যুগ্ম সম্পাদক মুশফিক সৌরভ, সাবেক কোষাধাক্ষ্য আরিফ সুমন, কোষাধাক্ষ্য বশির আহম্মেদ, সাবেক দপ্তর সম্পাদক অলিউল ইসলাম, আলামিন জুয়েল, দপ্তর সম্পাদক রাসেল হোসেনসহ সকল সদস্যবৃন্দ।

  • পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সাথে বিসিসির ৯ কাউন্সিলর’র সাক্ষাত

    পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সাথে বিসিসির ৯ কাউন্সিলর’র সাক্ষাত

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন ওয়ার্ড এর ৯ কাউন্সিলর ও ২৫ নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর সহ বরিশাল মহানগর যুবলীগের সদস্যগন বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, জাহিদ ফারুক এর ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবনের অফিসে আসেন এবং তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন।

    তারা হলেন ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: আমির বিশ্বস, ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৈহিদুল ইসলাম বাদশা,১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন ভুলু,২০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউর রহমান বিপ্লব,২২ ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনিচুর রহমান দুলাল,২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এনামুল হক বাহার,২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শরীফ আনিছুর রহমান আনিচ,২৬নং মো: হুমায়ন কবির,২৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো: ফরিদ আহামেদ প্রমুখ।

    বরিশাল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য,প্রতিমন্ত্রী, জাহিদ ফারুক এর সাথে যুবলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং ২৫ নং ওয়ার্ড‘র সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহামুদ সিকদার সেসময় উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতকালে বরিশাল জেলা এবং ওয়ার্ড’র রাজনীতিক সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়।

    প্রতিমন্ত্রী ও কাউন্সিলরদের এই বৈঠক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত কে সাংগঠনিক কার্যক্রমের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আলোচনা হয় বলে জানান একটি বিশ্বস্থ সুত্র।

  • ব্যানার অপসারণ কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দায়েরকৃত দুটি মামলায় সকল আ.লীগ নেতাকর্মীর জামিন

    ব্যানার অপসারণ কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দায়েরকৃত দুটি মামলায় সকল আ.লীগ নেতাকর্মীর জামিন

    বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমানের ও পুলিশের মামলায় গ্রেফতার ১২ জনের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

    এর আগে এই মামলায় আরও ৯ আসামির জামিন হয়। এনিয়ে এ মামলার ২১ আসামির জামিন আবেদনই মঞ্জুর হলো।

    বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুনানি শেষে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

    অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের কোতয়ালী থানার জেনারেল রেজিস্ট্রার কর্মকর্তা (জিআরও) এসআই খোকন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, দুই মামলায় গ্রেফতার ১২ আসামির জামিন চেয়ে গত ২৯ আগস্ট আবেদন করা হয়। তখন অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মো. আনিচুর রহমান।

    তিনি জামিন আবেদন গ্রহণ করে, ২ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন। আজ শুনানি শেষে আবেদন করা ১২ আসামির জামিন মঞ্জুর করা হয়।

    আজ জামিন পেয়েছেন-বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এর আহবায়ক হাসান মাহমুদ বাবু,বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড বরিশাল মহানগর এর আহবায়ক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাঈদ আহমেদ মান্না,মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন ফিরোজ, রূপাতলী বাস টার্মিনালের পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ শাহরিয়ার বাবু, লিটন ঘোষ, মো. রাকিব, শুভ হাওলাদার, শাহিনুল ইসলাম শাহিন, শুভ ঘোষ,বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো. অলিউল্লাহ, মিরাজ গাজী ও হারুন অর রশিদ।

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর,সহসভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু,সহ সভাপতি ও প্যানেল মেয়র-১ গাজি নঈমুল লিটু,বরিশাল আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক,মহানগর আওয়ামীলীগ এর সদস্য,প্যানেল মেয়র-২ এ্যাডঃরফিকুল ইসলাম খোকন, মহানগর আওয়ামীলীগ এর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, সহ সহস্র নেতাকর্মীরা জেলগেটে উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য গত ১৮ই আগস্ট রাত এ ব্যানার অপসারণ কে কেন্দ্র করে বরিশালে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষে সদর উপজেলা ইএনও এবং পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা দায়ের করে,পর্যায়ক্রমে ২১ জন আওয়ামীলীগ এর নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়,উক্ত মামলায় বরিশাল আদালত প্রাঙ্গনে আজ মামলার শুনানি শেষে,দুপুর এ জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃতালুকদার মোঃ ইউনুস জানান,,বিজ্ঞ আদালত সকল আসামীদের জামিন বিবেচনা ও মনজুর করেছেন, আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও তালুকদার মোঃ ইউনুস কে জামিনদার হিসেবে দশ হাজার টাকার বেলবন্ড এ জামিন মনজুর করেছেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, সঙ্কটে নিজেকে প্রমাণ করলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত, সঙ্কটে নিজেকে প্রমাণ করলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    বরিশালের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। জল ঘোলা হওয়ার আগেই সঙ্কটময় সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটেছে।

    দু’পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে যবনিকাপাত ঘটেছে উত্তাপের। আরও একটি দূরদর্শী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিরাজমান অস্থিরতার নিরসন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সরকারপ্রধানের নির্দেশে সঙ্কটময় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। হাসিমুখের ছবি প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে।

    মন্ত্রীর নরম-গরম কৌশলে উদ্ভুত পরিস্থিতির হাসিমুখে সমাপ্তি ঘটেছে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর আস্থা যেমন ধরে রেখেছেন তেমনি নিজেকে সঙ্কটে প্রমাণও করেছেন মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, এমনটিই মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল।

    ৯৬’র আওয়ামী লীগ সরকারে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও একাদশ সংসদে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মো.তাজুল ইসলাম। তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা ও জবাদিহিতার আওতায় আনতে উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করেন।

    স্বাধীনতার পর করোনা সঙ্কটে দেশজুড়ে সবচেয়ে বড় ত্রাণ কর্মসূচি পরিচালিত করেছেন। ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে কোন অনিয়ম হলেই সাহসী ও নিরপেক্ষ ভূমিকা গ্রহণ করেছেন।

    জনপ্রতিনিধিরা যে দলেরই হোক না কেন অভিযুক্ত হলেই কাউকে ছাড় দেননি। সবার সঙ্গেই সমান আচরণ করেছেন। আবার ভালো কাজ করা জনপ্রতিনিধিদের প্রশংসাও করেছেন।

    কেউ কেউ বলছেন, বরিশালের ঘটনাকে পুঁজি করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা হয়েছে। কিন্তু শুরু থেকেই স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বিষয়টিকে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হিসেবে অভিহিত করেন।

    রোববার (২২ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ঘটনাটি এখন বেশি মাত্রায় নেই, এটি সমাধানের দিকে চলে যাচ্ছে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

    সমঝোতার ভিত্তিতে কঠিন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের ‘ছক’ কষে মন্ত্রী সব পক্ষের সঙ্গেই দফায় দফায় কথা বলেন। পথ খুলে দেন সমাধানের।এরপরই বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদলের বাসভবনে সব পক্ষের আলোচনায় বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটে।

    সূত্র জানায়, বরিশালের ঘটনায় সমঝোতার আবহ তৈরি করতে বিষয়টিকে খুবই দক্ষতার সঙ্গেই সামাল দিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। কঠোর ভাষায় বক্তব্যের বদলে তিনি স্বস্তির বার্তা দিয়েছেন বারবার।

    বলেছেন, ‘মতপার্থক্য থাকতে পারে, এটা থাকবেই। পরিবারের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যেমনি মতপার্থক্য থাকে, বাবা-সন্তানের মধ্যেও মতপার্থক্য থাকে। আমরা যারা কাজ করি, আমার অধীনস্থদের সঙ্গে আমার কথায় মতপার্থক্য থাকলেও আবার আমরা একসঙ্গে কাজও করি।’

    জানতে চাইলে স্থানীয় সরকার বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘জনপ্রতিনিধি এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা একে অন্যের পরিপূরক।

    বরিশালের ঘটনাটি মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর বিচক্ষণতায় আলোচনার ভিত্তিতেই সমাধান হয়েছে। তিনি দক্ষতার সঙ্গেই উদ্ভুত পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধান করেছেন।

  • অপরাধি না হয়েও আজ আমি অপরাধি – মেয়র সাদিক

    অপরাধি না হয়েও আজ আমি অপরাধি – মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি কপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, অপরাধ না করেও আজ আমি অপরাধি। আমি আজ লজ্জিত, আমি যদি অপরাধি হই তবে বরিশালের এতবড় একটা দায়িত্বে থাকার কোন অধিকার আমার নাই।

    আমি পদত্যাগ পত্র দিতে চেয়েছি কিন্তু আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের অনুরোধে দেই নাই। আমি প্রধানমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ চাই একই সাথে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাই।

    আর আমি যদি অপরাধি হই তাহলে আমি এই গুরুত্ব দায়িত্ব থেকে সরে যাবো। বৃহস্পতিবার বেসরকারি একটি টিভি চ্যানেলের টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় মেয়র সাদিক বলেন, আমি লজ্জা পাই এই কারনে একজন মেয়র হয়ে বরিশাল সদর উপজেলা চত্বরে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজেকে মেয়র পরিচয় দেওয়ার পরও তারা আমার উপর গুলি করেছে। আমর নেতাকর্মীরা আমাবে সেখান থেকে বাসায় পাঠিয়ে দেয়।

    আজ আমার নেতাকর্মীরা হাসপাতালের বেডে অথচ সরকার ক্ষমতায় থাকতেও আমি নেতাকর্মীদের সু চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারিনি।

    আমি দূর্নীতি মুক্ত বরিশাল সিটি কপোরেশন গড়ে তুলেছি। এখানে নেই কোন টেন্ডারবাজী, মারামারি। আমি নিজে জীবনে অনেক কষ্ট করে বড় হয়েছি। তাই আমি আমার কর্মচারীদের দুঃখ বুঝি।

    আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অনুদান না পেলেও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সহ সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করেছি।

    বিসিসি’র সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত বেতন প্রদান করছি। আজ আমরা চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি বরিশাল সিটি কপোরেশন একটি পরিচ্ছন্ন সিটি কপোরেশন।

    তিনি বলেন, ইউএনও’র বাসার ঘটনা সময় যারা বরিশালে ছিলেন না তাদেরকেও আসামী করা হয়েছে। এরমধ্যে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাকসহ আরো বেশ কয়েকজন আছে।

    এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তৃতীয় পক্ষ যারাই থাকুকনা কেন তাদের বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া দাবি করেন তিনি। আর এতে যদি আমি নিজেও দোষি হই তবে আমি পদত্যাগ পত্র দিয়ে চলে যাবো।

  • গায়ে জ্যাকেট থাকায় গুলিতে আহত হইনি: মেয়র সাদিক

    গায়ে জ্যাকেট থাকায় গুলিতে আহত হইনি: মেয়র সাদিক

    সরকারি বাসভবনে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনায় বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনিবুর রহমানকে দায়ী করেছেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    তিনি দাবি করেন, ‘চালানো গুলিতে আমিও আঘাত পেয়েছি। তবে গায়ে জ্যাকেট থাকায় আহত হইনি। তবে আমার অনেক নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।’

    মেয়র বলেন, ইউএনও’র সরকারি বাসভবন এলাকায় জনগণের ব্যবহৃত পুকুর, মসজিদ ও সড়ক রয়েছে। এ কারণে সেখানকার মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    এটা বিসিসির নিয়মমাফিক কাজ। বিসিসির কর্মীরা আমাকে জানান, ব্যানার অপসারণ করতে গেলে ইউএনও তাদের গালিগালাজ করেছেন। তবে তিনি তা করেছেন কিনা আমি নিশ্চিত নই। বিষয়টি জানার পর মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের সমস্যার সমাধানে সেখানে পাঠাই।

    সাদিক আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেন, ‘মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র তাদের ওপর গুলি ছোড়া হয়। জানতে পেরে আমি দ্রুত সেখানে উপস্থিত হই। আমি যাওয়ার পরও গুলি ছোড়া অব্যাহত ছিল।

    তখন আমি হাত উঁচিয়ে আমার পরিচয় দেই। আমি মেয়র মেয়র বলে ডাক-চিৎকার করলেও কেউ কর্ণপাত করেননি। গুলি ছুড়তে থাকলে আমি অল্পের জন্য রক্ষা পাই।

    এরপর আমি পুলিশ কমিশনার, র‌্যাবের সিইও, আনসার প্রধানের সঙ্গে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করি। আমি শুনেছি তারা ঘটনাস্থলে এসেছিলেন।’

    মেয়র বলেন, ‘এভাবে দায়িত্ব পালন করা যায় না। আমার অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী এবং আমার বাবা আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ। তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ’

    তিনি আরও বলেন, প্যানেল মেয়রসহ দলের নেতাকর্মীরা গুলিবিদ্ধ হয়ে মেডিক্যালে ভর্তি আছেন। তাদেরকে সেখানে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি।

    কী কারণে এমন ঘটনা ঘটলো, এর উত্তরে মেয়র সাদিক বলেন, আমি মেয়র, আমার প্রশাসনের কাছে কোনও কাজ নেই। আমি নিজে স্বয়ংসম্পূর্ণ। মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার পর তিন বছর অতিবাহিত হয়েছে, এখনও কোনও অনুদান মেলেনি সরকার থেকে।

    কিন্তু এরপরও আমি দুর্নীতিমুক্ত বিসিসির কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। এটা আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি। কারো বেতন-ভাতাও বকেয়া নেই। পাঁচ বছরের গ্যরান্টি দিয়ে সড়ক করেছি। এটা কারো সমস্যার কারণ হতে পারে বলে ধারণা করছি।

    তবে কার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব সে বিষয়টি এড়িয়ে যান মেয়র।

    এদিকে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল সদর আসনের এমপি জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামিমের সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে সিটি মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিক আব্দুল্লাহর।

    এর জের ধরে বুধবার রাতে প্রতিমন্ত্রীর ছবি সংবলিত ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণ করতে গেলে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

  • রক্তাক্ত আগষ্টে রক্তাক্ত বরিশাল

    রক্তাক্ত আগষ্টে রক্তাক্ত বরিশাল

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    বরিশাল থানা কাউন্সিল কম্পাউন্ডে ব্যানার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ কর্মকর্তাদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধসহ ৩৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
    বুধবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়রসহ অন্তত ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিম ও সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত।

    খবর পেয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে থানা কাউন্সিল ঘেরাও করে।

    তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসার দিকে অগ্রসর হতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে হট্টগোল বেধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে। সেইসঙ্গে দফায় দফায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটছে।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম জানান, সিটি করপোরেশনের স্টাফদের সঙ্গে ঝামেলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। শুনেছি আনসাররা গুলি চালিয়েছে। আর এ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে হলে তা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

    এদিকে থানা কাউন্সিলের সামনের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের ওপর ময়লা ও ময়লাবহনকারী গ‌াড়ি দিয়ে রাস্তা আটকে দিয়েছে করপোরেশনের কর্মচারীরা। এতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।