Category: রাজণীতি

  • বরিশাল নগরের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কা‌র করা হবে: মেয়র সাদিক

    বরিশাল নগরের ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কা‌র করা হবে: মেয়র সাদিক

    বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেছেন, নগরবাসীর যাতায়া‌তের সু‌বিধার্থে সড়ক সংস্কার কাজ শুরু হ‌য়ে‌ছে। সরকারের জলবায়ু প‌রিবর্তন মোকাবিলা প্রক‌ল্পের অ‌ধী‌নে ১০ কো‌টি টাকা ব্যয়ে ভা‌টিখানা, বউ বাজার, এ ক‌রিম আই‌ডিয়াল ক‌লেজ সড়ক সংস্কা‌রের কাজ করা হ‌বে।

    দ্রুত যা‌তে কাজ সম্পন্ন হয় সেজন্য নি‌র্দেশ দেওয়া হ‌য়ে‌ছে। নগরের ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগু‌লোও দ্রুত সংস্কা‌র করা হবে।

    বুধবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় নগরের ভা‌টিখানা বাজার এলাকায় সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রসঙ্গত, গত দুই বছরে বিসিসির বড় ধরনের কোনো বরাদ্দ হয়নি।

    আবার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো কোনো প্রকল্পও পাস হয়নি। তবে নাগরিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো সমাধানে নগরের আয় দিয়েই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন মেয়র সা‌দিক আব্দুল্লাহ।
    এছাড়া বিসিসির উন্নয়নে নগর পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি নগরবাসীর বিশুদ্ধ পানির সংকট নিরসনে ২৫ হাজার গ্যালন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন গভীর নলকূপ ও পাম্প হাউস স্থাপন করা হয়। সেই সঙ্গে নগরের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো গ্যারান্টিসহকারে নির্মাণ ও সংস্কারের কাজও চলমান রেখেছেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

  • আধুনিক বরিশালের রূপকার শওকত হোসেন হিরন’র ৭ম মৃত্যুবাষির্কী আজ

    আধুনিক বরিশালের রূপকার শওকত হোসেন হিরন’র ৭ম মৃত্যুবাষির্কী আজ

    দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক সচেতন বলেখ্যাত বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য, আধুনিক বরিশাল নগরী গড়ার একমাত্র রূপকার, সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আ’লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শওকত হোসেন হিরনের ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী আজ।

     

     

    ২০১৪ সালের ৯ এপ্রিল সকালে মাত্র ৫৮ বছর বয়সে টানা ৩২ বছরের রাজনৈতিক জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটিয়ে ১৯ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে সকল প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে তিনি (হিরণ) পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন। মৃত্যুর পরে দলমত নির্বিশেষে লাখো জনতার শ্রদ্ধায় সিক্ত হয়ে পরপারে চলে যান তিনি। ৯ই এপ্রিল ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি শওকত হোসেন হিরন।

     

     

    তার মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে নানান কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে। বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন জানান, মহানগর ছাত্রলীগের উদ্যোগে জোহরবাদ সাবেক মেয়র হিরনের কবর জিয়ারত, পুর্স্পাঘ্য অপর্ণ ও আসর বাদ বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে।

     

     

    উল্লেখ্য ২০১৪ সালের ২২ মার্চ রাত ৯টায় শওকত হোসেন হিরণ বরিশাল ক্লাব মিলনায়তনের মেঝেতে পড়ে গিয়ে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ হয়ে জ্ঞান হারান। তাকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৪ মার্চ সিঙ্গাপুরের গে¬নগলস মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ৪ এপ্রিল তাকে ঢাকায় ফিরিয়ে এনে আবারও এ্যাপোলো হাসপাতালে রাখা হয়।

     

     

    সেখানে ৯ এপ্রিল সকাল ৭টায় চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত বিসিসির দ্বিতীয় নির্বাচনে শওকত হোসেন হিরণ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনে তিনি সদর আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

  • একটি মামুনুল হক ভবিষ্যত দেশ ও জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ

    একটি মামুনুল হক ভবিষ্যত দেশ ও জাতির জন্য হুমকিস্বরূপ

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ শনিবার সন্ধায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক কে সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে নারী সহ আটক করা হয়।তবে কথিত এই হেফাজত নেতা মামুনুল হক সেই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করলেও এ ব্যাপারে তিনি কোনো অকাট্য প্রমাণ দিতে পারিনি।

    মামুনুল হকের দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা জান্নাত ওরফে ঝরনার পরিচয় মিলেছে। তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের কামারগ্রাম-কুলধর গ্রামে। তার বাবার নাম ওয়ালিয়ার রহমান। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কামারগ্রাম ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

    আলফাডাঙ্গা উপজেলাজুড়ে এখন ঝরনাকে নিয়েই চলছে আলোচনার ঝড়। তবে জান্নাতের আগে বিয়ে হয়েছে ও দুটি সন্তান আছে। এ কথা সবাই জানলেও দ্বিতীয় বিয়ের কোনো খবরই জানে না এলাকাবাসী।

    সংবাদ পেয়ে সংবাদকর্মীরা শনিবার রাতে ঝরনার গ্রামের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার বাবা-মায়ের মোবাইল ফোনগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। রাত সোয়া ১২টার দিকে বাড়িতে গিয়েও যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

    কামারগ্রামের বাসিন্দা ও আলফাডাঙ্গা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ‘আমাদের আলফাডাঙ্গা’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক সেকেন্দার আলম জানান, এ ঘটনা প্রচারের পর অনেকেই জানার জন্য মোবাইলে ফোন করেন। জান্নাত আরা নাম হলেও আমাদের এলাকায় তিনি ঝরনা নামে পরিচিত। বিয়ে হয়েছে খুলনায়। দুটি ছেলেও আছে। তবে পরের বিয়ের খবর জানা নেই। আজ শুনলাম ও খবরে দেখলাম।

    শনিবার বিকালে রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও সংবাদকর্মীরা তাকে নারীসহ অবরুদ্ধ করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। জিঞ্জাসাবাদের এক পর্যায়ে সোনারগাঁয়ের ঐ রিসোর্টে হামলা ভাংচুর চালিয়ে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়েছে তার অনুসারী এবং স্থানীয় হেফাজত নেতাকর্মীরা।

    এরপরে একের পর এক অডিও বার্তায় মামুনুল হকের অপকর্ম বেড়িয়ে আসে।

    দেশে অরাজকতা বিরাজকারী এই হেফাজত  নেতা মামুনুল হক এর উষ্কানিতে বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্য ভাংচুর, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আগুন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলাসহ বিভিন্ন অপকর্ম সংগঠিত হয়েছে।

    মরহুম শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক এর কনিষ্ঠ পুত্র, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশের মহাসচিব এবং যুব মজলিশের সভাপতি মামুনুল হক হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের নতুন কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ঢাকার সাতমসজিদ রোডে অবস্থিত জামি’আ রহমানিয়া আরাবিয়া কওমী মাদ্রাসা একটি দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু, এই মাদ্রাসা বর্তমানে দখল করে আছে অবৈধ দখলদার, যার মূল ক্রীড়ানক মাওলানা মামুনুল হক গং। দীর্ঘদিন ধরেই মাদ্রাসার মোতওয়াল্লীসহ মালিকগণের মামলা ও দাবির প্রেক্ষিতে ওয়াকফ্; প্রশাসন অবৈধ দখলদারকে স্থান ছেড়ে দেওয়ার নোটিশ জারি করে। কিন্তু মামুনুল হক গং উক্ত মাদ্রাসাটিতে জোর করেই দখলদারিত্ব বজায় রেখেছে এবং অন্যান্য মাদ্রাসা দখলের সুক্ষ্ম পায়ঁতারা করছে। অথচ দখলদার মামুনুল হকই বর্তমান সময়ের একজন নীতিবাগিশ এবং ইসলামী মোটিভেশনাল বক্তা।

    মামুনুল হক বিভিন্ন সভা-সমাবেশে সাম্প্রদায়িক, সরকারবিরোধী, উস্কানিমূলক এবং বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রদান করে সাধারণ মানুষজন, বিশেষ করে তরুণ সমাজকে ক্ষেপিয়ে তুলছেন। এক্ষেত্রে সরকারের সহনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দিন দিন লাগামহীন হয়ে যাচ্ছেন। আলেম সমাজের চোখে ধুলা দেওয়া বর্ণচোরা মামুনুল হক আলেম সমাজের সামগ্রিক অগ্রগতি কখনোই কামনা করেন না, বরঞ্চ নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করছেন। এক্ষেত্রে, তার মরহুম পিতা শায়খুল হাদিস মাওলানা আজিজুল হক এর প্রতি সহানুভূতিশীল লোকজনকেও বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছেন এবং তার দলে ভিড়াচ্ছেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য তিনি পাশে পেয়েছেন কিছু অসাধু ব্যক্তিবর্গ ও অনুসারীদের। একদিকে, তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নামাজের ছবি পোস্ট করেন, অন্যদিকে, প্রশিক্ষিত ও সুসংগঠিত সাইবার ইউনিট গড়ে তোলার মাধ্যমে বিভিন্ন রকম ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমে মেতে থাকেন ।

    আল্লামা শাহ আহমদ শফীর ইন্তেকালের পর জানাযার দিন লক্ষাধিক অনুসারীর মধ্যে জামায়াত-শিবিরের কৌশলী উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। জানাযার সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। এছাড়া, আহমদ শফীর লাশ বহনকারী খাটিয়া জামায়াতের আমীর ও সাবেক এমপি শাহজাহান চৌধুরী, সাবেক শিবির নেতা ও বর্তমান এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, শিবিরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আইয়ুবি, শিবিরের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল আলিমসহ আনুমানিক ৩০/৪০ জন বেষ্টন করে রাখে। বিষয়টি নিয়ে ক্বওমী আলেমসহ সারাদেশের মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। জানা যায়, মাওলানা মামুনুল হক সুকৌশলে জামায়াত-শিবিরের নেতৃবৃন্দকে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ করে দিয়ে জামায়াতের সাথে হেফাজতের একটি সেতুবন্ধন তৈরির প্রচেষ্টা চালায়। শুধু তাই নয়, বর্তমান সময়ে হেফাজতে ইসলামের সাথে জামায়ত-শিবিরের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে হেফজতে ইসলামকে জামায়াতের ছত্রছায়ায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। মামুনুল হকের স্ত্রী একসময় শিবিরের সক্রিয় সদস্য ছিল। শুধু তাই নয়, তার শ্বশুরকুলের আত্মীয় স্বজনদের অনেকেই এখনো জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

    অতি সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটিতে যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন মামুনুল হক। কথিত আছে যে, বর্তমান কমিটির আমীর জুনায়েদ বাবুনগরী এবং মহাসচিব নূর হোসেন কাসেমীকে ব্যবহার করে তিনি অনেক বয়োজ্যৈষ্ঠ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত হেফাজত নেতাদের ডিঙ্গিয়ে এ পদটি বাগিয়ে নেন। এ নিয়ে অনেক হেফাজত নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এছাড়াও, নিজ উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বাবুনগরী ও কাসেমীকে ব্যবহার করছেন। বাবুনগরী ও কাসেমীকে সামনে রেখে হেফাজতের ব্যানারে বিভিন্ন জেলায় বিচরণ করলেও তার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজেকে হেফাজতের শক্তিশালী নেতা হিসেবে জাহির করা।

    শায়খুল হাদীসের বড় ছেলে মাওলানা মাহফুজুল হক সম্প্রতি বেফাকের মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশ এর মহাসচিব পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। যে পদে বর্তমানে মামুনুল হক দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন। জনশ্রুতি রয়েছে যে, দলের মহাসচিবের পদটি দখল করতে তার ভাইকে শর্তানুযায়ী দলীয় পদ ছেড়ে বেফাকের মহাসচিব পদে বসাতে কলকাঠি নাড়েন। মাহফুজুল হক সাম্প্রদায়িক এবং ষড়যন্ত্রমূলক কার্যক্রমে নিরব ভূমিকা রাখলেও মামুনুল হক যেন ঠিক তার উল্টোটি।

    গতবছর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের বার্ষিক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সরকারি অনুমোদনের প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরণ না করে অনুষ্ঠানের তারিখ ঘোষণা করে সে নিজ দল ও সমর্থকদের কাছে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। পরিস্থিতি সামাল দিতে মামুনুল হক সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ধর্না দিয়ে সবশেষে অনুমতি প্রাপ্ত হন। অথচ, এই মামুনুল হকই সরকার এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষদগার করে বেড়াচ্ছেন।

  • সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

    সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গোলাম রাব্বানী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

    সফেন আব্দুল্লাহঃ

    ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার পর ফলাফল পজিটিভ আসে তার। বুধবার (৩১ মার্চ) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    পরীক্ষার ফলাফলের তালিকাসহ ফেসবুক স্ট্যাটাসে গোলাম রাব্বানী লিখেছেন, ‘করোনা দুর্যোগের প্রথম ধাপে মানবিক সহায়তা নিয়ে দেশজুড়ে লাখো মানুষের সংস্পর্শে গিয়েও আল্লাহর অশেষ রহমতে সুস্থ ছিলাম। দ্বিতীয় ধাপে এসে বিধিবাম, (সিরিয়াল নং- ০৭)। সবাই দোয়া করবেন এবং পূর্বের তুলনায় আরো বেশি সতর্ক থাকবেন। মাস্ক ছাড়া ভুলেও বের হবেন নাহ। আক্রান্তের সংখ্যা কিন্তু আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে! আল্লাহ সহায়।’
    বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ২০১৯ সালের ১ অক্টোবর বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে গোলাম রাব্বানীকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এর পর থেকে তিনি নানা সা্মাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। করোনার প্রথম দুর্যোগের সময় তিনি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

  • বরিশালে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শন

    বরিশালে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শন

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শনী করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এক লাখ ৬০ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা জুড়ে বঙ্গবন্ধুর লোগো প্রদর্শন করা হয়।

    ৯ হাজার ৪০৮ জন মানুষ এই বঙ্গবন্ধুর লোগো প্রদর্শনীতে অংশ নেয়।

    আয়োজকদের দাবি, এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ মানব লোগো। মানব লোগো প্রদর্শনের জন্য গত একমাস ধরে প্রস্তুতি চলালিয়ে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আজ প্রদর্শনের করা হয় এই বঙ্গবন্ধুর লোগো প্রায় ২ লাখ স্কয়ার ফিট আয়তনের ঐতিহ্যবাহী বঙ্গবন্ধু উদ্যানের এক লাখ ৬০ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা জুড়ে বঙ্গবন্ধুর লোগো প্রদর্শন করে ৯ হাজার ৪০৮ জন মানুষ। তাদের সহায়তার জন্য মাঠের চারপাশে প্রস্তুত রাখা হয়েছে আরও ২ হাজার ৫৯২ জন ব্যক্তিকে।

    বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী লোগোতে মুজিব শতবর্ষ, একশত এবং বঙ্গবন্ধুর চেহারা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই লোগোতে।

    প্রতিটি ১৬ বর্গফুটের প্রিন্ট করা ৯ হাজার ৪০৮টি পিভিসি কাঠের ফ্রেমে যুক্ত করে প্রদর্শনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয় এই লোগো।

    এক হাজার ৩৫০ ফিট দৈর্ঘ্য এবং এক হাজার ৮০০ ফিট প্রস্থ বিশিষ্ট মানব লোগোতে বঙ্গবন্ধুর চশমার ফ্রেম করা হয়েছে ২ হাজার ৪০০ স্কয়ার ফিট জুড়ে।

    এছাড়া বঙ্গবন্ধুর বাম গালের তিলক করা হয়েছে ৪৮ স্কয়ার ফিট এবং মুজিব কোট করা হয়েছে এক হাজার ৯২০ স্কয়ার ফিট জায়গা জুড়ে।

    এই প্রদর্শনীতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র নাম এবং সিটি কর্পোরেশনের শ্লোগান ‘আমরাই গড়ব আগামীর বরিশাল’ যুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় শুরু হয় প্রদর্শনীর মহড়া। তবে বিকেল ৪টায় মূল মানব লোগো প্রদর্শনের করা হয়।

    বরিশালে বঙ্গবন্ধু লোগোর প্রকল্প প্রকৌশলী মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, গত এক মাস ধরে প্রায় এক হাজার শ্রমিক বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বঙ্গবন্ধু লোগো প্রস্তুত করা হয়েছে।

    বরিশালে বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শনী গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে স্থান করে নিতে পারবে বলে আশা করছেন তারা।

    বঙ্গবন্ধুর সর্ববৃহৎ লোগো মানব প্রদর্শনী এর সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ আনিস,

    মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর, সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনসহ ওয়ার্ড কাউন্সিলর,

    জেলা ও মহানগর আ.লীগের নেতৃবৃন্দ, জেলা ও মহানগর শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ, মহানগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদক বৃন্দ এবং বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

  • নিপুণ রায় গ্রেপ্তার ‘নাশকতার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে: র‌্যাব

    নিপুণ রায় গ্রেপ্তার ‘নাশকতার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে: র‌্যাব

    বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ শাখার সভাপতি নিপুণ রায়কে ‘নাশকতার ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে গ্রেপ্তার করার কথা জানিয়েছে র‌্যাব।

    এ বাহিনীর মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আশিক বিল্লাহ বলছেন, আরমান নামে কেরানীগঞ্জের এক বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিকাল ৪টায় নিপুণ রায়কে তার রায়েরবাজারর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এর আগে পরিবারের বরাত দিয়ে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করেছিলেন, নিপুণ রায়কে বিকালে তার রায়েরবাজারের বাসা থেকে আটক করে নিয়ে গেছে ‘সাদা পোশাকের পুলিশ’। তবে পুলিশ কর্মকর্তারা সে সময় এ বিষয়ে কোনো কথা বলেননি।

    পরে সন্ধ্যায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে নিপুণ রায়কে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়; বলা হয়, হেফাজতে ইসলাম হরতাল ডাকার পর আরমানকে ‘বাসে আগুন দিতে’ বলেছিলেন নিপুণ

    আশিক বিল্লাহ বলেন, “হেফাজত হরতাল ঘোষণার পর রাজধানীতে বাসে আগুনের ঘটনা ঘটলে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এর ভিত্তিতে আজ সকালে কেরানীগঞ্জ থেকে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিপুণ রায়কে গ্রেপ্তার করা হয়।”

    নিপুণ ও আরমানের কথিত ‘টেলি কথোপকথনের’ একটি অডিও ইন্টারনেটেও ছড়িয়েছে। সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে র‌্যাব কর্মকর্তা আশিক বিল্লাহ বলেন, “আমরা এই অডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুনেছি। তবে এটা আমাদের সূত্র নয়। আমরা গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করি।”

  • বরিশালে বঙ্গবন্ধু’র ছোট বোন আমেনা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    বরিশালে বঙ্গবন্ধু’র ছোট বোন আমেনা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট বোন মরহুমা আমেনা বেগমের ১৬ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (২৪ মার্চ) আসর নামাজবাদ নগরীর সেরনিয়াবাত ভবনে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় বরিশাল সিটি করপোরেশন মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর, সিটি করপোরেশন প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনসহ ওয়ার্ড কাউন্সিলর, জেলা ও মহানগর আ’লীগের নেতৃবৃন্দ, জেলা ও মহানগর শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ, মহানগর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সম্পাদক বৃন্দ এবং বিভিন্ন উপজেলার আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, নগরীর চকবাজার এবায়দুল্লাহ জামে মসজিদের খতিব হযরত মাওলানা মির্জা নুরুর রহমান বেগ।

    উল্লেখ, মরহুমা আমেনা বেগম সাবেক ভূমি মন্ত্রী শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের সহধর্মিনী, পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন পরীবিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক (মন্ত্রী), বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি’র মাতা ও বরিশাল সিটি করপোরেশন মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর দাদী।

  • বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বরিশালে ১১৫ জনকে আর্থিক সহায়তা

    বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে বরিশালে ১১৫ জনকে আর্থিক সহায়তা

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে বরিশালে ১১৫ জন অসহায়কে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (১৭ মার্চ) দুপুরে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে বরিশাল সিটি করপোরেশনের আয়োজনে আর্থিক সহায়তার চেক অসহায়-দুস্থদের হাতে তুলে দেন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ও সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মো. ফারুক।

    সিটি করপোরেশনের হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ১১৫ জনকে মোট ২৬ লাখ টাকার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ অসহায়কে চিকিৎসা সহায়তার জন্য অনুদান দেওয়া হয়েছে, এছাড়া শিক্ষা খাত ও স্বাবলম্বী হওয়ার জন্যও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

    চেক বিতরণ শেষে মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামের দেয়ালে চিত্রাঙ্কন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এসময় তার সহধর্মিণী লিপি আব্দুল্লাহ ও ছোট ছেলেসহ কাউন্সিলরবৃন্দ এবং আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    বরিশাল চারুকলায় আয়োজিত এ চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে শিশু থেকে কিশোর বয়সী ছেলে-মেয়েরা অংশ নেয়।

    চিত্রাঙ্কন কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করে মেয়র বলেন, বাংলার স্বাধীনতার ইতিহাস যেন আগামী প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারি সেজন্য আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

    আমরা বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের কথা মুখে মুখে না বলে যেন বুকে ধারণ করি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছে। বেঁচে থাকেলে যে সোনার বাংলা আমরাও দেখে যাব, আর না পারলে আগামীর প্রজন্ম সেই সোনার বাংলা পাবে।
    তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামটি এখনো আমরা বুঝে পাইনি, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে এ অডিটোরিয়ামটির নীচতলার দেয়ালে চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে স্মরণীয় করা হলো। আমার আমলে তো শিশু-কিশোরদের হাতে আঁকা চিত্রগুলো দেয়ালে সঠিকভাবে রাখার ব্যবস্থা তো করা হবেই, প্রয়োজনে আইন করে চিত্রগুলোকে স্থায়ীভাবে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। যাতে আজকের শিশুরা বড় হয়ে এখানে এসে আজকের দিনের সেই স্মৃতিচারণ করতে পারে।

    দেয়ালে চিত্রাঙ্কন কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী শিশ-কিশোররা জানান, বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামের দেয়ালে চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে তারা সেই ৬ দফা থেকে দেশ স্বাধীনের ইতিহাস পর্যায়ক্রমে তুলে ধরেছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন, গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলামসহ কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

  • বরিশালে সাইকেল র‍্যালীর শোভাযাত্রায় ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ

    বরিশালে সাইকেল র‍্যালীর শোভাযাত্রায় ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ

    হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী ,স্বাধীন বাংলার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে,

    বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মাননীয় মেয়র’ সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র  নেতৃত্বে বরিশাল এর ইতিহাসে স্বরন কালের ঐতিহাসিক বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালির শোভাযাত্রায় ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক অতিককুর রহমান মুন্না,সাবেক মহানগর যুবলীগ সদস্য এস এম শহীদুল্লাহ রেজভী ও সাবেক বাকসু সদস্য ,আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর সভাপতি মুহাঃ পলাশ চৌধুরী সহ হাজারো নেতাকর্মীরা এই সাইকেল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন।

  • বরিশালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর  শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন

    বরিশালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর  শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন

    হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী,স্বাধীন বাংলার স্থপতি,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর জন্ম শতবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১০ ঘটিকায় দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন,বরিশাল মহানগর ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল ১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্না,জেলা শ্রমিক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবির মোতালেব,সাবেক মহানগর যুবলীগ সদস্য এস এম শহীদুল্লাহ রেজভী ও সাবেক বাকসু সদস্য,আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর এর সভাপতি,মুহাঃপলাশ চৌধুরী,সাবেক সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর ও মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদা আক্তার মিতু সহ সকল নেতাকর্মীরা স্বতস্ফূর্ত ভাবে অংশগ্রহণ করেন।