Category: রাজণীতি

  • বরিশালে “বঙ্গবন্ধুর সাইকেল যাত্রা” অনুষ্ঠিত

    বরিশালে “বঙ্গবন্ধুর সাইকেল যাত্রা” অনুষ্ঠিত

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর সাইকেল যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

     

    আজ বুধবার (১৭ মার্চ) বিকেল ৪ টায় বরিশাল নগরের জিলা স্কুল মোড় থেকে এ সাইকেল যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

     

    উদ্বোধন শেষে মেয়র নিজে শিশু-কিশোর-বৃদ্ধসহ সকল বয়সী মানুষদের সাথে সহস্রাধিক বাইসাইকেল নিয়ে বর্ণাঢ্য সাইকেল যাত্রা বা র‌্যালিটি বের করেন। কয়েক কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এ যাত্রোচরদ বিভিন্ন বয়সের ও শ্রেনী পেশার মানুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী লোগো সংবলিত সাদা টি শার্ট পরে বাইসাইকেল নিয়ে স্বতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহন করতে দেখা গেছে।

     

    সাইকেল যাত্রা নগরের পুলিশ লাইন রোড, বাংলাবাজার রোড, আমতলা পানির ট্যাংকি রোড, সিএন্ডবি রোড, চৌমথা, নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড, বিএম কলেজ রোড, নতুনবাজার, হাসপাতাল রোড, জেলখানার মোড়, সদর রোড হয়ে পুনরায় জিলা স্কুল মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

     

    এদিকে সড়কের দুইপাশে দাড়িয়ে থেকে সাধারণ মানুষ মেয়রের নেতৃত্বে এ সাইকেল যাত্রাকে স্বাগত জানান।

     

    উল্লেখ্য ৩০ মার্চ বিকেল ৪ টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী লোগোর সর্ববৃহৎ মানব প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু উদ্যানো। মেয়র জানিয়েছেন এটি হবে ১ লাখ ৬০ হাজার স্কয়ারফিটের এ যাবৎকালের সবথেকে বড় মানব প্রদর্শনী।

  • সেদিন জন্ম হয়েছিল একটি মুজিবের

    সেদিন জন্ম হয়েছিল একটি মুজিবের

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    দিনটি ছিল ১৭ই মার্চ ১৯২০। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় শেখ লুৎফুর রহমান এবং সায়রা বেগমের ঘরে জন্ম নেন একটি শিশু।তখনও বাংলাদেশ নামক দেশটি ছিল পরাধীন। সেদিন কে ভেবেছিলো একদিন এই শিশু হবে একটি স্বাধীন মানচিত্রের কর্নধর। কে ভেবেছিলো একদিন এই শিশুর হাত ধরে আসবে বাংলার স্বাধীনতা। কে ভেবেছিলো একদিন এই শিশুর তর্জনীর ইশারায় ৭ কোটি স্বাধীনতা পিপাসু বাঙালি ছিনিয়ে আনবে স্বাধীনতা। সেই শিশুটি একদিন পরিনত হবে একজন শেখ মুজিবুর রহমানে।

    ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুল ও কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে পড়াশনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ করেন। ১৮ বছর বয়সে বেগম ফজিলাতুন্নেসার সাথে তাঁর বিয়ে হয়। তাদের ২ মেয়ে – শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং তিন ছেলে- শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল। অল্পবয়স থেকেই তাঁর রাজনৈতিক প্রতিভার প্রকাশ ঘটতে থাকে। ১৯৪০ সালে তিনি নিখিল ভারত মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেন। কট্টরপন্থী এই সংগঠন ছেড়ে ১৯৪৩ সালে যোগ দেন উদারপন্থী ও প্রগতিশীল সংগঠন বেঙ্গল মুসলিম লীগে। এখানেই সান্নিধ্যে আসেন হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন সময়ে রক্ষণশীল কট্টরপন্থী নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনের কর্তৃত্ব খর্ব করতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ। ভাষা আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক নেতা হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শেখ মুজিব। ১৯৪৮ সালে ভাষার প্রশ্নে তাঁর নেতৃত্বেই প্রথম প্রতিবাদ এবং ছাত্র ধর্মঘট শুরু হয় যা চূড়ান্ত রূপ নেয় ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে। পঞ্চাশের দশক তাঁর রাজনৈতিক উত্থানের কাল। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠেন দূরদর্শীতা এবং প্রজ্ঞাসম্পন্ন এক কুশলী রাজনৈতিক নেতা। এসময় শেখ মুজিব মুসলিম লীগ ছেড়ে দেন এবং হোসেন সোহরাওয়ার্দী এবং মাওলানা ভাসানীর সাথে মিলে গঠন করেন আওয়ামী মুসলিম লীগ। তিনি দলের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান। ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষি মন্ত্রী হন মুজিব। ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান তিনি।
    ১৯৬৩ সালে হোসেন সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিব। তিনি ছিলেন আইয়ুব খানের ‌মৌলিক গণতন্ত্র তত্ত্বের কট্টর সমালোচক। ১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন। এই ছয় দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা।
    মুজিবের ৬ দফার প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থনে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার শেখ মুজিবকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বাংলার সমস্ত জনগণ। জনরোষের কাছে নতি স্বীকার করে এক পর্যায়ে তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় শোষকগোষ্ঠী। ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে শেখ মুজিবুর রহমানকে গণসম্বর্ধনা দেওয়া হয়৷সেখানেই উত্থাপিত হয় এগার দফা দাবি যার মধ্যে ছয় দফার সবগুলোই দফাই অন্তর্ভুক্ত ছিল। লাখো মানুষের এই জমায়েতে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়৷১৯৬৯ সালের ৫ ডিসেম্বর আয়োজিত এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পূর্ব বাংলার নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, “একসময় এদেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে ‘বাংলা’ কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে। … একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোন কিছুর নামের সঙ্গে ‘বাংলা’ কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই। … জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি- আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম পূর্ব পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধুমাত্র বাংলাদেশ”।১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বরে সাধারণ নির্বাচনে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক আইনসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আওয়ামী লীগ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩১০টি আসনের মধ্যে ৩০৫টি আসন লাভ করে। কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মুজিবের স্বায়ত্বশাসনের নীতির পুরোপুরি বিপক্ষে ছিলো। আওয়ামী লীগের সরকার গঠন ঠেকাতে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সংসদের অধিবেশন ডাকা নিয়ে টালবাহানা শুরু করেন। শেখ মুজিব তখনই বুঝে যান যে, পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের দুঃশাসনের অবসান ঘটাতে লড়াইয়ের কোনো বিকল্প নেই। ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। রেসকোর্সের জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেন “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”। ঐতিহাসিক এ ভাষণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে শৃংখল মুক্তির আহ্বান জানিয়ে ঘোষণা করেন, “রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেবো। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ্। … প্রত্যেকে ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তোলো। যার যা কিছু আছে তাই নিয়েই শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে”।
    বঙ্গবন্ধুর ডাকে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা বাংলা। মুজিবের নেতৃত্বে বাঙ্গালি জাতির এই জাগরণে ভীত ইয়াহিয়া খান সামরিক আইন জারি করেন, নিষিদ্ধ করেন আওয়ামী লীগকে এবং শেখ মুজিবকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। এরপর আসে ২৫ মার্চ, ১৯৭১। রাতের অন্ধকারে নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালীর ওপর শকুনের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনারা; শুরু করে অপারেশন সার্চলাইট নামে ইতিহাসের জঘন্যতম হত্যাকান্ড।অশীতিপর বৃদ্ধ থেকে কোলের শিশু- কেউ রক্ষা পায়না পাক হায়েনাদের নারকীয়তা থেকে। মুজিবকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়া হয় পশ্চিম পাকিস্তানে। অবশ্য তার আগেই, পাক বাহিনীর অভিযান শুরু হলে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন এবং জনগণকে সর্বাত্মক আন্দোলনে সামিল হতে আহ্বান জানান।

     

    ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং শেখ মুজিবকে রাষ্ট্রপতি করা হয়। তাঁর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। এ সরকারের অধীনেই গঠিত হয় মুক্তিবাহিনী এবং শুরু হয় পাক সেনাদের প্রতিহত করার পালা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর, ৩০ লক্ষ বাঙ্গালীর প্রাণের বিনিময়ে অবশেষে আসে বিজয়। ১৬ ডিসেম্বর সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান যেখান থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, সেখানেই বাংলাদেশ-ভারত মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী। পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামের নতুন একটি দেশ। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ফিরে আসেন তাঁর প্রিয় মাতৃভূমিতে, তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন দেশে। স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, জাতির জনককে বরণ করতে লাখো মানুষের ঢল নামে বিমানবন্দরে। দেশে ফিরেই যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে ঝাঁপিয়ে পড়েন বঙ্গবন্ধু । মানবিক বিপর্যয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন জানান বঙ্গবন্ধু এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সাহায্য আসতে শুরু করে। শুরু হয় বাংলাদেশ পুনর্গঠনের এক নতুন যুদ্ধ। এরই মধ্যে সক্রিয় হয়ে ওঠে স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র। মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রের প্রত্যক্ষ ইন্ধনে রাজনৈতিক অস্থিতশীলতা সৃষ্টি করতে উঠেপড়ে লাগে এই চক্রটি। এসময় বঙ্গবন্ধু বুঝতে পারেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১৯৭৪ সালে তিনি সকল রাজনৈতিক দলকে এক ছাতার নীচে আনতে প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা ‘বাকশাল’। একই সাথে অন্যান্য সকল রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়। উল্লেখ্য, প্রথম যে দলটি নিষিদ্ধ করা হয় তার নাম বাংলাদেষ আওয়াশী লীগ, শেখ মুজিবের নিজের দল।
    এর ফলে দেশে স্থিতিশীলতা আসতে শুরু করে। সমস্ত দেশ যখন ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, ঠিখ তখনই আসে আরেকটি আঘাত।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মধ্যরাতে একদল বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা হত্যা করে শেখ মুজিব এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের।নেমে আসলো বাংলার রাজনীতিতে একটি কালো অধ্যায়। কেবল তাঁর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সেই সময় দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান। সদ্য স্বাধীন জাতির জীবনে এক অপূরণীয় ক্ষতি নিয়ে আসে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড, তৈরি করে রাজনৈতিক শূণ্যতা, ব্যাহত হয় গণতান্ত্রিক উন্নয়নের ধারা।

    এই মহান ব্যাক্তির জন্মশতবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।

    তানজিম হোসাইন রাকিব 

    01742165941

  • বরিশালে সাইকেল র‍্যালীর মাধ্যমে উৎযাপিত হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী

    বরিশালে সাইকেল র‍্যালীর মাধ্যমে উৎযাপিত হবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী

    ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাইকেলে করে নির্বাচনী প্রচারনা করেছিলেন। সে জন্য আগামীকাল ১৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বরিশাল মহানগরীর রাজপথে এক বিশাল দৃষ্টিনন্দন বর্ণাঢ্য সাইকেল যাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

    বিকেল ৩ টায় বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ,জনপ্রিয় ব্যাক্তিত্ব , সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালীর আয়োজন করা হয়েছে।
    যেখানে তিনি নিজেই সাইকেল চালিয়ে সাইকেল রেলির নেতৃত্ব দিবেন। র‍্যালীটি জিলা স্কুল/শিশুপার্ক থেকে শুরু করে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। বরিশালের সকল কিশোর তরুন ও যুব সমাজ নাগরিককে এই সাইকেল রেলীতে অংশগ্রহন করার জন্য সাদরে নিমন্ত্রণ করা হয়।

  • সারাদেশের ন্যায় বরিশালে একযোগে সম্প্রচারিত হল বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষন

    সারাদেশের ন্যায় বরিশালে একযোগে সম্প্রচারিত হল বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষন

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    সারাদেশের ন্যায় বরিশালে একযোগে সম্প্রচারিত হল বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের সেই ঐতিহাসিক ভাষন। বরিশালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ ভাষন সম্প্রচারিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক এড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সভাপতি এড. এ.কে.এম জাহাঙ্গীর,মহানগর আওয়ামীলীগ এর সহ-সভাপতি ও বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, বরিশাল মহানগর আওয়ামিলীগ এর সহ-সভাপতি ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্যানেল মেয়র নাইমুল গাজী লিটু,  বরিশাল সিটি কর্পোরেশন প্যানেল মেয়র এড. রফিকুল ইসলাম খোকন, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর কার্যকরী কমিটির সদস্য শেখ আরাফাত জামান বাবু, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইদ মান্না সহ আওয়ামীলীগ ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • বরিশালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বিসিসি মেয়রের ফুলের শুভেচ্ছা

    বরিশালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি বিসিসি মেয়রের ফুলের শুভেচ্ছা

    বিভাগীয় শহর বরিশালে যথাযোগ্য মর্যদায় ঐতিহাসিক জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বর্জে কন্ঠের ৭ই মার্চ ভাষন দিবস উপলক্ষে সিটি কর্পোরেশন,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সকল অঙ্গগঠন,মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসক, মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বরিশাল রেঞ্জ পুলিশ, বরিশাল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

     

    আজ রোববার (৭ই) মার্চ সকাল নয়টায় নগরীর শহীদ সোহেল চত্বর জেলা ও মহানগর দলীয় কার্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাতের অস্থায়ী ম্যুরালে পূস্পার্ঘ অর্পণ করে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হক লিটু, প্যানেল মেয়র এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন, প্যানেল মেয়র আয়শা তৌহিদা লুনা সহ কাউন্সিল ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর এবং কর্মকর্তা-কর্মচারী গণ।

     

    এর পরপরই বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ্যাড. একে এম জাহাঙ্গীর হোসাইন, সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সহ দলীয় নেতৃবৃন্দরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

     

    এসময় আরো শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক (সাবেক) সংসদ এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুসের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

     

    পরবর্তীতে বরিশাল জেলা ও মহানগর কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ, স্বেচ্ছা সেবক লীগ,মহিলা লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সহ বিভিন্ন দলীয় অঙ্গ সংগঠনের পক্ষ থেকে পর্যায়ক্রমে একে এক সৃশৃঙ্খল ভাবে জতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

     

    অপর দিকে নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বিভাগীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

     

    এছাড়া এখানে বরিশাল রিপোর্টর্স ইউনিটিসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

    ৭ই মার্চ উপলক্ষে বিকালে বিসিসি ও মহানগর আওয়ামী লীগের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে নগরীর ছয়টি এলইডি স্ত্রিনের মাধ্যমে ও নগরীর ত্রিশটি ওয়ার্ডে বঙ্গবন্ধু ভাষন প্রচারিত হবে।

     

    এর উদ্ধোধন করবেন বিসিসি মেয়র। অন্যদিকে বরিশাল জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহ র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র‌্যাবের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন।

  • দেশের সর্ববৃহৎ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর লোগো’র মানব প্রদর্শনী হবে বরিশালে

    দেশের সর্ববৃহৎ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর লোগো’র মানব প্রদর্শনী হবে বরিশালে

    বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উপলক্ষে ব্যতিক্রমী নানা কর্মসূচীর আয়োজন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। আওয়ামী লীগ, বঙ্গবন্ধু সংস্কৃতিক জোট ও চারুকলা’র সহযোগীতায় এ কর্মসুচীগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।
    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ শনিবার দুপুরে তার বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, ৭ মার্চ নগর ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসুচী শুরু হবে। ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মসূচীর শেষ হবে।

    এছাড়া উল্লেখযোগ্য কর্মসূচী হচ্ছে- ৭ মার্চ বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে একযোগে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন প্রচার, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সাইকেল যাত্রা, ২৫ মার্চ ওয়াপদা কলোনী টর্চার সেলে গণহত্যা বিষয়ক চিত্র প্রদর্শনী। এছাড়া সবচেয়ে ব্যতিক্রমি আয়োজন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর লোগো’র মানব প্রদর্শনী। ৩০ মার্চ বিকালে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেন, লোগো প্রদর্শনীটি হবে দেশের সর্ববৃহৎ মানব প্রদর্শনী। তিনি আরও বলেন, কৃষক নেতা শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের জন্মশতবার্ষিকী ২৮ মার্চ। ওই দিন পবিত্র শবেবরাত থাকায় আগের দিন ২৭ মার্চ জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। সেদিন কীর্তণখোলা নদীতে অনুষ্ঠিত হবে নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ দিনব্যাপী কর্মসূচীতে উল্লেখিত কর্মসূচী ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, শিশুদের চিত্রাকংন প্রতিযোগীতা, গণহত্যা বিষয়ক চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

    কর্মসূচী ঘোষনার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর, সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র- ১ গাজী নঈমুল ইসলাম লিটু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আহম্মেদ প্রমুখ।

  • বরিশালে ঐতিহাসিক ৭ই মর্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষন ও জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি

    বরিশালে ঐতিহাসিক ৭ই মর্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষন ও জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি

    বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উপলক্ষে ব্যতিক্রমী নানা কর্মসূচীর আয়োজন করেছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। স্থানীয় আওয়ামীলীগ, বঙ্গবন্ধু সংস্কৃতিক জোট ও চারুকলা’র সহযোগীতায় এ কর্মসুচীগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।

    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ শনিবার দুপুরে তার বাসভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, ৭ মার্চ নগর ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসুচী শুরু হবে। ৩১ মার্চ সন্ধ্যায় নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মসূচীর শেষ হবে।

    এছাড়া উল্লেখযোগ্য কর্মসূচী হচ্ছে- ৭ মার্চ বিকাল ৩টা ২০ মিনিটে একযোগে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষন প্রচার, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সাইকেল যাত্রা, ২৫ মার্চ ওয়াপদা কলোনী টর্চার সেলে গণহত্যা বিষয়ক চিত্র প্রদর্শনী।

    এছাড়া সবচেয়ে ব্যতিক্রমি আয়োজন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর লোগো’র মানবপ্রদর্শনী। ৩০ মার্চ বিকালে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

    সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এ প্রসঙ্গে বলেন, লোগো প্রদর্শনীটি হবে দেশের সর্ববৃহৎ মানব প্রদর্শনী।

    তিনি আরও বলেন, কৃষক নেতা শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাতের জন্মশতবার্ষিকী ২৮ মার্চ।

    ওইদিন পবিত্র শবেবরাত থাকায় আগেরদিন ২৭ মার্চ জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। সেদিন কীর্তণখোলা নদীতে অনুষ্ঠিত হবে নৌকা বাইচ প্রতিযোগীতা।

    বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্নজয়ন্তী উপলক্ষে ২৪ দিনব্যাপী কর্মসূচীতে উল্লেখিত কর্মসূচী ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হবে প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, শিশুদের চিত্রাকংন প্রতিযোগীতা, গণহত্যা বিষয়ক চিত্র প্রদর্শনী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

     

    কর্মসূচী ঘোষনার সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস, মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর,সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র- ১ গাজী নঈমুল ইসলাম লিটু, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আহম্মেদ প্রমুখ।

  • বরিশালে আওয়ামীলীগের আনন্দ মিছিল

    বরিশালে আওয়ামীলীগের আনন্দ মিছিল

    বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের মর্যাদা লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে বরিশালে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

    রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় দলীয় নেতাকর্মী এবং সমর্থকদের অংশগ্রহণে আনন্দ মিছিলটি জনস্রতে পরিনত হয়।

    রবিবার সন্ধ্যায় সদর রোডস্থ শহীদ সোহেল চত্ত্বরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটির নেতৃত্ব দেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র গাজী নঈমুল হোসেন লিটু, প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম খোকন, আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসাইন, গোলাম সরোয়ার রাজিব, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল, মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস,

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সুমন সেরনিয়াবাতসহ মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক, ওয়ার্ড কাউন্সিলর, বিভিন্ন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌর মেয়রসহ আওয়ামী লীগ ও সঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

     

    এর আগে দলীয় কার্যালয় থেকে বের হওয়া মিছিলটি সদর রোড, লাইন রোড, চকবাজার এবং ফজলুল হক এভিনিউ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

    এসময় মিছিলের অগ্রভাগে ছিলেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এর আগে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও পৌরসভার নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল সহকারে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হয়।

    উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ জাতিসংঘের ‘কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (পিসিপি) এর ত্রি-বার্ষিক মূল্যায়নের পর এলডিসি থেকে উত্তরণের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করে বাংলাদেশ।

    সিডিপি তিনটি সূচকের ভিত্তিতে এলডিসি দেশ থেকে উত্তরণের বিষয়টি পর্যালোচনা করে। আর বাংলাদেশ তিনটি সূচকেই শর্ত পূরণ করে এগিয়ে যাওয়ায় জাতিসংঘের সিডিপি এ সিদ্ধন্ত গ্রহণ করে।

  • বরিশালে মহিলা আ’লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কেক কাটলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে মহিলা আ’লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে কেক কাটলেন মেয়র সাদিক

    বরিশালে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। প্রথমে আজ শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারী বিকেল ৪ টায় শহীদ জননী মরহুমা শাহানারা আবদুল্লাহর কবর জিয়ারত করেন মহিলা আওয়ামীলীগের সদস্যরা।

    পরে ৫ টায় বরিশাল নগরীর কালীবাড়ি রোডস্থ সেরিনয়াবাত ভবনে স্থানে কেক কেটে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সদস্য ও বরিশাল মহিলা আওয়ামীলীগের সদস্য মোসাঃ লিপি আবদুল্লাহ।

    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও গৌরনদী উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিনুর নাহার মেরি, জেলার সহ-সভাপতি খালেদা হক। মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মিসেস মমতা কায়সার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক কহিনুর বেগম, যুগ্ম সম্পাদক নিগার সুলতানা হনুফা, গায়িত্র সরকার পাখি, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগেরে মহিলা বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসার শাহানাজ মিতাসহ বরিশাল মহানর আওয়ামীলীগের অনেক সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ১১নং ওয়ার্ডে স্মার্ট কার্ড বিতরনে নতুন ভোটারদের প্রতি বিসিসি মেয়র এর ফুলের শুভেচ্ছা

    ১১নং ওয়ার্ডে স্মার্ট কার্ড বিতরনে নতুন ভোটারদের প্রতি বিসিসি মেয়র এর ফুলের শুভেচ্ছা

    আজ ২৫ই ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ ঘটিকার সময় বরিশাল ব্যপ্টিষ্ট মিশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ১১ নং ওয়ার্ডের স্মার্ট কার্ড বিতরন করা হয়, উক্ত স্মার্ট কার্ড বিতরন এর সময় বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে ১১নং ওয়ার্ডের প্রতিটি নতুন ভোটারদেরকে রজনীগন্ধা ফুল দিয়ে সিটি মেয়র এর শুভেচ্ছা বার্তা পৌছে দেন,১১ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্না,এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মজিবর রহমান,,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা মানিক সরদার,মহানগর যুবলীগ সাবেক সদস্য শহীদুল্লাহ রেজভী,এবং সাবেক বিএম কলেজ( বাকসু )সদস্য ও আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর সভাপতি,মুহাঃপলাশ চৌধুরী ও হাজি সোহেল সহ অন্যান্য নেতা কর্মীবৃন্দ।