Category: রাজণীতি

  • বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের নৌকার হাল ধরতে চান ছাত্রলীগ নেতা খন্দকার হাফিজ

    বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের নৌকার হাল ধরতে চান ছাত্রলীগ নেতা খন্দকার হাফিজ

    বরিশাল সদর উপজেলার ০৯ নং টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়নে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে মাঠে নেমে পড়ছে বরিশাল সদর উপজেলা সহ সব কয়টি ইউনিয়ন ও টুঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন এর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচনী মাঠ এখন সরগরম। কেউ কেউ ৬ মাস ১ বছর আগ থেকে পাড়া-মহল্লায় ঘুরে-ঘুরে জনসমর্থন যাচাই করেছেন। এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা একটু বেশিই পরিলক্ষিত হচ্ছে। টুঙ্গীবারিয়া ইউনিয়নের নির্বাচনী সময় ঘনিয়ে আসার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে উৎসব মুখরতা। চায়ের টেবিলের আড্ডায় গল্পকথাসহ পথে প্রান্তরে সর্বত্রই ঘুরেফিরে প্রচার হচ্ছে নির্বাচনী আলোচনা।

    এই আলোচনায় অনেকের মধ্যে অন্যতম প্রার্থী হতে পারেন টুংঙ্গীবাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমানে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার হাফিজ। খন্দকার হাফিজ-এর নাম সর্বত্র প্রচার করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। সরোজমিন তদন্তকালে জানা যায় যে খন্দকার হাফিজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সহ সংগঠনের সকল নেতা কর্মীর সাথে ভাল সম্পর্ক গড়ে তোলার কারণে তাকে এবারের নির্বাচনে বেছে নিতে পারেন ইউনিয়ন সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    অপরদিকে বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব বাহাউদ্দিন আহমেদ, গত ১০ বছর ইউনিয়নের দায়িত্ব পালনের সময় সাধারণ মানুষের সাথে তার বাজে আচারন , দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে কোন সম্পর্ক না রাখায় , এবং এলাকায় কোন রকম উন্নায়ন মুলক কাজ না করার কারনে দলীয় লোকজন থেকে শুরু করে সাধারণ জনগন মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন ।

    নির্বাচনের বিষয়ে খন্দকার হাফিজের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তিনি বলেন , আমার নেতা আমার রাজনৈতিক অভিবাবক বরিশালের জননন্দিত মেয়র জননেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ভাই যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন, ও যেহেতু আমি বয়সে তরুন আমি এবং তরুন হিসেবে বেশি পরিশ্রম করতে পারবো , আমি সাধারণ মানুষের পাসে বেশি সময় দিতে পরবো, আর আমার নেতা তরুনদের বেশি অগ্রাধিকার যদি দেয়,আর দল আমাকে নৌকার মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি দলীয় নেতা কর্মী ও সাধারণ জনগনকে সাথে নিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবো । তবে আমি এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে সবসময় ছিলাম এবং থাকব ইনশাআল্লাহ ।।

    খোজ নিয়ে জানা গেছে তরুন এই ছাত্রলীগ নেতার সামাজিক কর্মকান্ড এবং তৃনমূলের নেতৃবৃন্দের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার কারণে মনোনয়ন দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে থাকবেন বলে অনেকেই ধারণা করেন। তবে বরিশাল সদর উপজেলার সবকটি ইউনিয়নের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সবাই দক্ষিনাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর আর্শিবাদ চাচ্ছেন সকল প্রার্থী। সেক্ষেত্রে কে মনোনয়ন পাবেন সেটা এখনই বলা কঠিন।

    ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এক সিনিয়র নেতা তার ক্ষোভ থেকে বলেন আমরা দলীয় এমন একজন চেয়ারম্যান পেয়েছি যার কথা পরিচয় দিতে আমরা লজ্জা পাই তিনি সালাম দিলে পর্যন্ত সালাম নেয় না ,বরং বিভিন্ন সময় ধর্মীও অনুভূতিতে আঘাত হেনে কথা বলে। এবারে নির্বাচনে আমাদের অভিভাবক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ভাই এবং মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর কাছে এমন লোককে যেন দলীয় মনোনয়ন না দেয় আমার অনুরোধ। আর খন্দকার হাফিজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন ছেলেটা অত্যান্ত ভদ্র ও নম্র আমাদের সবার সাথেই তার ভাল সম্পর্ক তাকে যদি দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয় তাহলে দলীয় নেতাকর্মীসহ ইউনিয়নের সকল লোকজন এর তাদের মনের আশা পূরণ হবে। হাফিজের জন্য প্রয়োজনে যদি আমাদের সবাইকে হাসানাত ভাই অথবা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর কাছে অনুরোধের জন্য যেতে হয় তাহলে আমরা সেখানে যেতে প্রস্তুত।

    আওয়ামীলীগের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে সরব থাকলেও অনেকটাই নীরব বিএনপি এবং চরমোনাই ইসলামী আন্দোলন। তাদের কোন প্রার্থী এখনও নির্বাচনী প্রচারে নামেনি। সম্প্রতি আওয়ামী লীগে গ্রুপিং-দ্বন্দ্ব না থাকলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবার শুরু হতে পারে গ্রুপিং।

    রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, নীতি -নৈতিকতা, দৃঢ়চেতা, এমনকী ব্যক্তি জীবনের আদর্শের গরিমায় প্রায় সকল শ্রেনি -পেশার মানুষের মনে অনঢ় ঠাই করে নিয়েছেন খন্দকার হাফিজ। সবমিলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে অদম্য ইচ্ছা নিয়ে বসে আছেন ঐক্যবদ্ধ জনতা। এখন শুধু সময়ের পালা। সাধারন জনতা বলেন – এই নেতা মহামারী covid-19 এর সময় ইউনিয়নের সাধারণ ও গরিব কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং গভীর মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাতের আধারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা তার এই মহানুভব কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি যদি আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তাহলে তাকেই বেছে নিব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

    টুঙ্গীবারিয়া ইউনিয়ন কে একটি আধুনিক ও মডেল রূপ দেয়ার জন্য তাকেই প্রয়োজন। পাশাপাশি ইউনিয়নের সকল সেবা নিশ্চিত করতে বিরামহীনভাবে কাজ করে চলেছেন তিনি।

    আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের নেয়া উন্নয়নের সকল ছোঁয়া এই ইউনিয়ন বাসিকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলস চেষ্টা করে যাবো আমার অবস্থান থেকে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা ও ইউনিয়ন কে মাদকমুক্ত রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো, মা ও শিশুর উন্নত স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করবো, এবং ইউনিয়ন বাসীর সকল সেবা নিশ্চিত করতে আমি আজীবন কাজ করে যাব ইনশাআল্লাহ।

  • প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মায়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

    প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মায়ের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের মা মাজেদা বেগমের (৮৫) নামাজে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার তারাবুনিয়া নিজ গ্রামের ঈদগাহ ময়দানে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয় তাকে।

    মরহুমার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
    সোমবার রাত ১১টা ৫৩ মিনিটে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন মাজেদা বেগম।

    তিনি বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুর সময় তিনি চার ছেলে, এক মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গত বছরের এপ্রিল মাসে মারা যান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের বাবা আব্দুল খালেক।

  • বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

    বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

    বরিশালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মসূচিতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার বিকাল পাঁচটায় বিএনপির দলীয় কার্যালয় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আমিনুল ইসলাম লিপন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক পদ পাওয়ায় শুকরানা দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিতর্কিত বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। কয়েক দফা হাতাহাতি করে এক পর্যায়ে ব্যাপক সংঘর্ষের মাধ্যমে দোয়া মিলাদ পালিত হয়। বহু অনিয়ম-দুর্নীতি কারণে প্রায় একবছর স্থগিত থাকা বিতর্কিত বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কার্যক্রম ফিরে পাওয়ার পরে জেলার সভাপতি জে এম আমিনুল ইসলাম লিপন কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্তি হওয়ায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিতর্কিত জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে সভাপতির অনুসারী প্রিন্স
    রিমন (ওরফে দাও রিমন) মাসুম হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জনির অনুসারী বাপ্পি শামীম সংঘর্ষে কথা কাটাকাটি এবং হাতাহাতিতে লিপ্ত হয় পরবর্তীতে প্রোগ্রাম শেষে সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে জানা যায় সদর উপজেলা কমিটির নিয়ে সভাপতি লিপন এবং সাধারণ সম্পাদক জনি অনুসারীদের ভিতরে এই সংঘর্ষ হয়। এতে সভাপতি লিপন অনুসারী প্রিন্স এবং সাধারণ সম্পাদক জনি অনুসারী বাপ্পি, শামীম আহত হয় বলে জানা গেছে

     

    এ ব্যাপারে জানার জন্য জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি জে এম আমিনুল ইসলাম লিপন এর মুঠোফোনে ফোনে কল করলে তিনি তা রিসিভ করেননি উভয় গ্রুপের ভিতর উত্তেজনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে।

  • বরিশালে রাস্তা নির্মাণে: সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র চমক

    বরিশালে রাস্তা নির্মাণে: সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ’র চমক

    বরিশালে রাস্তা নির্মাণের কাজে চমক দেখাচ্ছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশাল নগরীর বান্দ রোডের আমতলার মোড় থেকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত রাস্তায় আধুনিক পেভার মেশিন দিয়ে রাস্তা নির্মাণে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি।

    এর আগে এত সুন্দর রাস্তা দেখেনি নগরবাসী। যা উপহার দিয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। নগরীর অভ্যন্তরে আধুনিক মেশিন দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে সবার মুখে প্রশংসায় ভাসছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। দেশে মহামারীর কারণে গত কয়েক মাসে নগরীর মধ্যে দৃশ্যমান বড় ধরনের কোন অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ চোখে না পড়লেও সদ্য নির্মিত রাস্তায় চোখ পড়েছে সবার।

    নির্মিত রাস্তার ৫ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছেন তিনি। ৫ বছরের মধ্যে যে কোন ধরনের সংস্কার কিংবা মেরামত প্রয়োজন হলে ঠিকাদার নিজ দায়িত্বে সেগুলো মেরামত করে দেবেন বলে জানিয়েছেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ। বরিশাল নগরীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এটি। ২০০২ সালে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতি বছর অন্তত ২-৩ বার মেরামত-সংস্কার করা হতো গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি।

    প্রতি বারই হতো অর্থের অপচয়। মেরামতের কিছুদিন পরই খানাখন্দে ভরে যেত সড়কটি। আর ভোগান্তিতে পড়তে হতো নগরবাসীসহ দূর-দূরান্ত থেকে আগত লাখো মানুষকে। বর্ষায় ভোগান্তির মাত্রা আরও বেড়ে যেত। এবার সেই সড়কে ডেঞ্চ কার্পেটিং করছেন সাদিক আবদুল্লাহ। চাঁদমারী এলাকার বাসিন্দা রেজাউল কবির জানান,মহাসড়কের আদলে সিটির মধ্যে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে দির্ঘ মেয়াদী ফল পাওয়া যাবে।

    নগরবাসী ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবে। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান আমাদের মেয়র মহোদয়ের নির্দেশে বরিশালে সড়ক বিভাগের সব চেয়ে বড় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ রাস্তা নির্মাণ কাজ চলছে তারা ৫ বছরের গ্যারান্টি দিয়ে সড়ক নির্মান করছেন। এই সময়ের মধ্যে সড়কে যে কোন প্রকার সংস্কারের প্রয়োজন হলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান করে দেবে।

  • বরিশাল ছাত্রলীগে বিয়ের হিড়িক: ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগ

    বরিশাল ছাত্রলীগে বিয়ের হিড়িক: ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগ

    বরিশালে ছাত্রলীগের ছাত্রলীগের প্রধান ও আলোচিত নেতাদের মধ্যে শুরু হয়েছে বিয়ের হিড়িক। কেউ ইতোমধ্যে বিয়ে করেছেন, কেউ আছেন শীঘ্রই বিয়ে করার অপেক্ষায়। অন্যদিকে প্রধান পদধারীদের কেউ কেউ দীর্ঘদিন করছেন সংসার।

    প্রায় এক দশক ধরে পরিচালিত হওয়া বর্তমান কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গঠনের গুঞ্জন ওঠে প্রায়শই। নতুন কমিটিতে প্রধান পদে আসতে পারেন এমন সম্ভাবনাময় কয়েকজন নেতার বিয়ে হয়েছে সম্প্রতি। বিবাহিত কেউ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসতে পারবেন না এমন নিয়ম থাকায় প্রশ্ন উঠেছে কারা দেবেন পরবর্তী নেতৃত্ব? তবে বড় দল হিসেবে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব খুঁজে পেতে খুব একটা সমস্যা হবে না বলেও জানান বর্তমান ও সাবেক নেতারা।

    চলতি মাসে জেলা ছাত্রলীগের দুজন সহ-সভাপতি আতিকুল্লাহ মুনিম ও সাজ্জাদ সেরনিয়াবাত বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা ছাত্রলীগের তিনজন দায়িত্বশীল নেতা নিশ্চিত করেছেন নতুন কমিটিতে এই দুজনই ছিলেন প্রধান পদের দাবিদার। তারা আরো জানান, ছাত্রলীগের ব্যানারে বিশাল মিছিল নিয়ে দলীয় অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণ করতেন এমন আরো দু’জন ছাত্রনেতা শীঘ্রই বিয়ে করছেন।

    এছাড়া কদিন আগে সংগঠনটির সভাপতি ধুমধাম করে সেরেছেন বিয়ের কাজ। আর সাধারণ সম্পাদক বর্তমানে একাধিক সন্তানের পিতা। তাদেরও আগে বিয়ে বিয়ের কাজটি শেষ করেছেন মহানগর ছাত্রলীগ নেতা অনিক সেরনিয়াবাত। এতদিন যারা ভবিষ্যৎ জেলা ছাত্রলীগের কর্ণধার হিসেবে বিবেচিত হতেন তাদের বিয়ের পরে কারা নতুন নেতৃত্ব দেবেন এমন আলোচনা এখন সর্বত্র।

    বিবাহিতরা নতুন কমিটি গঠনের সময় বাদ পড়বেন বলে নিশ্চিত করেছেন জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সুমন সেরনিয়াবাত। তিনি বলেন, ‘গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিত কেউ ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসতে পারবেন না। যারা বর্তমানে বিয়ে করছেন তারা দীর্ঘদিন ছাত্রলীগ করেছেন। সামনে তারা যুবলীগ – স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ আওয়ামীলীগের অঙ্গ সংগঠন গুলোর সঙ্গে যুক্ত হবেন’।

    তবে এই নেতা আরো জানান, জেলা ছাত্রলীগে অনেক নেতা তৈরি হয়েছেন, যারা খুব বেশি আলোচনায় নেই। তাদের মধ্যে থেকে ত্যাগী ও যোগ্যদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন হবে। এক্ষেত্রে পদপ্রার্থীদের অভাব হবে না বলেও জানান সংগঠনটির বর্তমান সভাপতি।

    এদিকে নতুন কমিটি গঠন করতে গিয়ে যোগ্য পদ প্রার্থীর কোন সংকট হবে না বলে মনে করেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তারিক বিন ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এশিয়ার অন্যতম বড় ছাত্রসংগঠন।

    তাঁর কন্যা বর্তমান আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় দেশব্যাপী ছাত্রলীগের জনপ্রিয়তা অনেক। সেই ধারাবাহিকতায় প্রচুর ছেলে-মেয়ে বরিশাল জেলা ছাত্রলীগে জড়িত’। তাদের মধ্যে থেকে যোগ্য নেতৃত্ব বের করতে খুব বেশি সমস্যা হবে না বলেও জানান সংগঠনটির সাবেক এই নেতা।

  • বাকেরগঞ্জের চরামদ্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন যুবলীগ নেতা নাজমুল মঈন

    বাকেরগঞ্জের চরামদ্দী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন যুবলীগ নেতা নাজমুল মঈন

    বাকেরগঞ্জের চরামদ্দী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন যুবলীগ নেতা মোঃ নাজমুল হাসান মঈন।সেরকমই গ্রিন সিগন্যাল পেলেন মঈন।যদিও মৌখিকভাবে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিসিসি মেয়র।মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র বাসভবনে তার বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন কর্মী নাজমুল হাসান মঈনকে ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১নং চরামদ্দী ইউনয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সার্বিক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    এদিকে আসন্ন ২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ও বরিশাল মহানগরের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, বরিশাল মহানগ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগের ১নং সাংগঠনিক সম্পাাদক, ও বরিশাল মহানগর যুব লীগ নেতা এবং চরামদ্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে ১ নং সিনিয়র সদস্য মোঃ নাজমুল হাসান মঈনকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান বাকেরগঞ্জের চরামদ্দী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।

    বিগত দিনে তিনি নিজ এলাকা চরামদ্দী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মাঝে নিজ অর্থায়নে এলাকার অসংখ্য কর্মহীন পরিবারে মাঝে খাদ্য সামগ্রী উপহার দেন।এছাড়াও তিনি এলাকার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও মসজিদ-মাদ্রাসায় অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছেন।

    চরামদ্দী ইউনিয়নের মরহুম মজিবুর রহমান (জমাদ্দার) এর ছেলে নাজমুল মঈন ১৯৯৬ সাল হতে ছাত্র রাজনীতিতে পা রাখেন। সেখান থেকেই ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল, মিটিং ও আন্দোলন সংগ্রামের সাথে নিজেকে যুক্ত রাখেন। ২০০১ সালে বরিশাল নগরীর ফলপট্টি এলাকায় ছাত্রদলের ক্যাডার বাহিনী তাকে কুপিয়ে জখম করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়।এমনকি সেই সময় হামলার শিকার হয়েও বিএনপির করা তিনটি মিথ্যে মামলার আসামী হতে হয় তাকে।এছাড়াও সেরনিয়াবাত পরিবারের রাজনীতি করার অপরাধে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ও বরিশাল মহানগর আ’লীগের কন্দলের শিকার হয়ে মামলার আসামী হতে হয়েছিল।

    নাজমুল হাসান মঈন জানান,আমার রাজনৈতক অভিভাবক বরিশাল সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ ভাই আমার প্রতি আন্তরিক ভালোবাসা ও আস্থাভাজন মনে করে ২০২১ সালের মার্চের ইউনিউওন পরিষদ নির্বাচনে বাকেরগঞ্জের ১ নং চরামদ্দী ইউনিয়নে নির্বাচন করার জন্য আমাকে মেয়র মহদয় নির্বাচনী কার্যক্রম করার অনুমতি দিয়েছেন। আমি চরামদ্দী ইউনিয়নের সাধারন জনগনের পাশে থেকে আজীবন সেবা করার চেস্টা করবো। সে আমাকে তার আস্থাভাজন মনে করে এই মহান দায়িত্ব দিয়েছেন আমি তার এই আস্থার জায়গা থেকে আমি আমার সবটুকু উজার করে দিয়ে সাধারন মানুষের পাশে থাকার চেস্টা করবো।

  • বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির ইন্তেকাল

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির ইন্তেকাল

    বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।

    সাদ্দামের মৃত্যুতে বরিশালে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তরুণ এ নেতার মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তার সহকর্মীরা আহজারি করতে থাকেন। এদিকে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। এক বিবৃতিতে তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র শোক

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র শোক

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি শহীদুল ইসলাম সাদ্দাম আজ সন্ধ্যার পরে নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ।

    তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

  • মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র শোক

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ’র শোক

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মজিবর রহমান, বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক আজিজুর রহমান শাহীন ও বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক জিয়াউর রহমান জিয়ার মাতা মোসাঃ জহুরা খাতুন আজ ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাই ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মুরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

  • সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়র সাদিকের মানহানিতে মরিয়া একটি মহল

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মেয়র সাদিকের মানহানিতে মরিয়া একটি মহল

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ 

    বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বরিশাল মহানগর এর সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুকে) কয়েকটি পেইজ খুলে ভিত্তিহীন কথা প্রকাশ করা হচ্ছে।কে বা কারা এমনটা করছে তা খতিয়ে দেখা না হলে একপর্যায় তারা বৃহৎ রুপ নিতে পারে।

    চিনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রানঘাতী নোভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে গোটা বিশ্ব যখন হাপিয়ে বেড়াচ্ছিল ঠিক তখনো বরিশালের জনগনের কাছে অমূল্য অবদান রেখে ছিল মেয়র সাদিক। অর্ধলক্ষাধিক মানুষের ঘরে ত্রান পৌছে দিয়ে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন মেয়র সাদিক। ঘুর্ণিঝড় আম্পানের সময় সবার দরজায় গিয়ে খোজ নিয়ে ছিলেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।বরিশালবাসীর দীর্ঘ ভোগান্তির পর বান্দ রোডের কাজ শুরু হওয়ার পর সর্বমহলে প্রশংসিত ছিলেন মেয়র সাদিক। তার মহৎ কাজ গুলা হয়ত লিখে শেষ করা যাবে না।

    এত কাজ করার পরও তার মানহানিতে কাজ করছে একটি মহল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) “Barishal with a mission” নামে একটি পেইজ সহ আরো কয়েকটি ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। একজন যোগ্য নেতাকে অপমান করা আইনত অপরাধ। বিষয়টি এখনি খতিয়ে না দেখলে একপর্যায় এরা বৃহৎ আকার ধারন করতে পারে।

    এ ব্যাপারে বাংলার মুখ ২৪.কম এর প্রতিবেদক ফেসবুক পেইজে দেওয়া মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।