Category: রাজণীতি

  • তদন্ত কমিটির সুপারিশ আমরা বাস্তবায়ন করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তদন্ত কমিটির সুপারিশ আমরা বাস্তবায়ন করব : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, পুলিশের গুলিতে মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আজ সোমবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ নিহত হওয়ার ঘটনা তদন্তে যে কমিটি করা হয়েছে, সে কমিটি আমাদের কাছে রিপোর্ট দিয়েছে। আমরা এটা এখনো খুলে দেখিনি। আমরা এ তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেব। আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ এর আগে কমিটির প্রধান মিজানুর রহমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

    এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কমিটিকে কিছু গাইডলাইন দিয়েছি। হত্যার কারণ উদঘাটন করে এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য সুপারিশ দিতে বলা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ আমরা বাস্তবায়ন করব।’

    এর আগে আজ বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তদন্ত কমিটির সদস্যরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল আসার পর তাঁর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন কমিটির প্রধান।

    চার সদস্যের এ কমিটির অন্যরা হলেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম সাজ্জাদ হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক জাকির হোসেন খান ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী।

    এ সময় ৮০ পৃষ্ঠার মূল প্রতিবেদনের সঙ্গে ৫৮৬ পৃষ্ঠার সংযুক্তিও জমা দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রতিবেদনে ১৩টি সুপারিশ করেছে এ কমিটি।

    এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, ‘মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের নিহতের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৬৮ জনের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁদের বক্তব্য গ্রহণ করেছে কমিটি। এসব কথা ও বক্তব্য এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ করে কমিটির সব সদস্যের সর্বসম্মতিক্রমে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। ঘটনার ৩৫ দিনের মাথায় রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।’

    এর আগে মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের কমিটির তদন্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ ঘটনায় আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আইনি প্রক্রিয়ায় ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এ হত্যার ঘটনার জন্য কারা দোষী, তা আদালত নির্ধারণ করবেন। দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেওয়ার এখতিয়ারও আদালতের। আমাদের কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রয়োজন মনে করলে বিচারকাজে ব্যবহার করার এখতিয়ার আছে আদালতের। তদন্ত প্রতিবেদন সম্পূর্ণ লেখা হয়ে গেছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্তে সংবলিত প্রতিবেদনটির ৮০ পৃষ্ঠা হয়েছে। প্রতিবেদনের সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর যাতে না ঘটে, সে জন্য করণীয় সম্পর্কে ১৩টি সুপারিশ করা হয়েছে।’

    এর আগে গত ২ আগস্ট এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি কার্যক্রম শুরু করে গত ৩ আগস্ট। সাত কর্মদিবস, অর্থাৎ ১০ আগস্ট কমিটিকে প্রতিবেদন জমাদানের সময় বেঁধে দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর প্রথমবার কমিটির সময় বাড়ানো হয় ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। পরে কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আবারও সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয় ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

    এ সময়ের মধ্যে ঘটনার অন্যতম অভিযুক্ত টেকনাফ থানার বহিষ্কৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করতে না পারায় কমিটির মেয়াদ সর্বশেষ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২ সেপ্টেম্বর কমিটি কক্সবাজার জেলা কারাগার ফটকে প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য গ্রহণ করে। এরপরই এ কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন তৈরি সমাপ্ত করে। এবং নির্ধারিত সময়ে তা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

    গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। ঘটনার পর পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় দুটি মামলা করে। আর রামু থানায় একটি মামলা করে।

    পরে ৫ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। এতে নয়জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহার হওয়া পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিত, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, পুলিশ কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. মোস্তফা ও এসআই টুটুল। এদের মধ্যে আসামি মোস্তফা ও টুটুল পলাতক।

    এর মধ্যে রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া পুলিশের চার সদস্য এবং এ ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলায় তিন সাক্ষীকে গত শুক্রবার থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে র‌্যাব। যাঁদের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর রহমান, কামাল হোসেন ও আবদুল্লাহ আল মামুন, পুলিশের দায়ের করা মামলার সাক্ষী মো. নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াছ।

  • মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত মেয়র সাদিক, ইট ভাঙ্গার ভিডিও ভাইরাল

    মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত মেয়র সাদিক, ইট ভাঙ্গার ভিডিও ভাইরাল

    তানজিম হোসাইন রাকিবঃ

    চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া মহামারী করোনা এবং নদনদীর পানি নগরীর নিম্নঅঞ্চল এলাকা গুলোতে প্রবেশ করলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।দুই মিলে নগর উন্নানয়ন ধমকে ছিলো। করোনার মধ্যেও সড়ক সংস্কারে কাজের মান নিশ্চত করতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন’র মেয়র ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ ।

    সংস্কার কাজের ঢালাইয়ের আগে তিনি হাতুড়ি দিয়ে লেবারের ভুমিকায় ইট ভাঙ্গতে দেখা যায়। সব ঠিক আছে কিনা সরেজমিনে যাচাই বাচাই করেন।

    ফেসবুক লাইভে মেয়র বলেন, পাঁচ বছরের গ্যারান্টিতে নগরীর সকল রাস্তা সংস্কার করা হবে।অফিসের অযোগ্য কিছু কর্মকর্তার গাফলতি কারনে প্রোজেক্ট নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। অচিরে তার সমস্যা সমাধান হবে তিনি ব্যক্ত করেন।

    তিনি আরও বলেন, নিজে দুর্নীতি করি না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেব না। এছাড়াও বৃষ্টি কমলে ভাঙ্গাচুরা রাস্তা সংস্কার কাজে হাত দেয়া হবে বলে তিনি জানান।

    সড়কে হাতুড়ি হাতে ইট ভাঙ্গা দেখে সিটি মেয়রের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যাম ফেসবুকে প্রকাশ হলে নগরবাসীর মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়। অনেকেই সড়কের কাজের মান নিশ্চিত করতে তার এ সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন।

    তিনি গতকাল বিকালে বান্দরোড এলাকার সড়কের সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন। এবারও সড়কে ব্যবহৃত ইট নিজেই ভেঙে পরীক্ষা করে আলোচনায় আসাসহ যোগাযোগ মাধ্যামেও তাকে নিয়ে ভূয়সী প্রশংসা ভাসছেন।

    একজন মেয়র হয়ে শ্রমিকদের বেশে হাতুরি দিয়ে ইট ভাঙ্গা শুধু মাত্র একজন সাদিকের দ্বারাই সম্ভব। দ্বায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এক একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত জনগনের কাছে দিয়ে রাখছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। সত্যি তুমি মহান মেয়র সাদিক।

  • বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে পাঠানো চিকিৎসা ও সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান

    বরিশালে প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে পাঠানো চিকিৎসা ও সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ত্রাণ তহবিল হতে পাঠানো করোনা চিকিৎসা ও সুরক্ষা সামগ্রী বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাননীয় মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র বাস ভবনে থেকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ পরিচালক ডাঃ বাকির হোসেনের হাতে তুলে দেন এডভোকেট একেএম জাহাঙ্গীর, সভাপতি, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ও এডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস, সাধারণ সম্পাদক, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ এবং সুমন সেরনিয়াবাত, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বরিশাল জেলা।

  • নলছিটি উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আমির হোসেন আমুর পিতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত !

    নলছিটি উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আমির হোসেন আমুর পিতার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত !

     

    আরিফুর রহমান আরিফ:

    নলছিটিতে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ১৪ দলীয় জোটের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র,আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও ঝালকাঠি-২ আসনের সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর পিতা মোয়াজ্জেম হোসেনের ৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

    রবিবার (৩০ আগস্ট) জোহরের নামাজের পর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    দোয়া অনুষ্ঠানে জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহম্মদ ওয়াহেদ কবির খান,নলছিটি উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক মোহম্মদ হোসেন আকন খোকন, কুলকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান ও আ’লীগ’র সাংগঠনিক সম্পাদক এইচ এম আকতারুজ্জামান বাচ্চু,যুবলীগ নেতা খান মনিরুজ্জামান বিপ্লব, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিক সরদার,সাধারন সম্পাদক দিদারুল আলম রায়হানসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কুয়াকাটার ভাঙ্গন কবলিত সমূদ্র সৈকত পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    কুয়াকাটার ভাঙ্গন কবলিত সমূদ্র সৈকত পরিদর্শন করলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

    ভাঙ্গন কবলিত কুয়াকাটা সমূদ্র সৈকত পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীম (এমপি) ।

    পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক এর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন কালে বলেন, ‘কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে আর্ন্তজাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। ইতিমধ্যে পাউবো’র সচিব ও মহাপরিচলকসহ একটি প্রতিনিধি দল নেদারল্যান্ড ভ্রমন করেছেন। সেখানে জনগনের জন্য নদী ও সমুদ্র ভাঙন রোধে যে ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। একইভাবে ওই দেশের প্রযুক্তি ব্যবহার করে টেঁকসই বেড়িবাঁধসহ কুয়াকাটা সৈকত ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প নেয়া হবে। শনিবার শেষ বিকালে কুয়াকাটা সৈকতের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্ণেল (অবঃ) জাহিদ ফারুক এমপি এসব কথা বলেন।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, নদী ও সমুদ্রের চারিত্রিক বৈশিষ্ট নির্ণয় করে ভাঙন রোধে একটি প্রকল্প তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় পাঠানে হবে। সেখানে সম্ভাব্যতা যাচাই বাছাই শেষে একনেকে পাঠানোর হবে। এছাড়া উপকূলীয় বেড়িবাঁধ উন্নয়নে একটি প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পের কাজ শেষ হলেই কুয়াকাটা সৈকত ভাঙ্গন রক্ষার কাজ শুরু হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৈকতে অস্থায়ীভাবে দেয়া জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ছিল ততদিন সৈকত ভাঙ্গেনি। স্থানীয় মানুষকে সচেতন হবে এগুলো যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে ।

    এর আগে প্রতিমন্ত্রী সড়ক পথে কুয়াকাটায় আসেন। এর পর তিনি অস্বাভাবিক জোয়ারের প্রভাবে বিধ্বস্ত-বিপর্যস্ত পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করেন। এসময় পটুয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মহিব্বুর রহমান মহিব এমপি, পাউরো’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. হাবিবুর রহমান, বরিশাল বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী মো.হারুন অর রশীদ, পাউবো’র প্রকল্প পরিচালক (সিইআইপি-১) মোহাম্মদ আলী, পাউবো’র পটুয়াখালী নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালীউজ্জামান, কলাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম রাকিবুল আহসান, কুয়াকাটা পৌর মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লাসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে কুয়াকাটা সৈকত রক্ষায় ট্যুরিজম ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে প্রতিমন্ত্রীর সামনেই মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয় ।

  • সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ’র ৩৮ তম জন্মদিন

    সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ’র ৩৮ তম জন্মদিন

    আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র পুত্র জেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ’র ৩৮ তম জন্মদিন আজ। এ উপলক্ষে শোকাহিত মাসকে স্মরন করে আনন্দ-উৎসব কর্মসূচি বাতিল করে ছাত্রলীগ নেতা মাহামুদুল ইসলাম সাগর সেরনিয়াবাতের উদ্যোগে উপজেলার সকল এতিমখানা, গৈলায় অবস্থিত বরিশাল বিভাগীয় ছোটমনি নিবাস ও কেন্দ্রীয় মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মিলাদ এবং গৌরনদী-আগৈলঝাড়াসহ বিভিন্ন মহাসড়কের দু’পাশে ৫ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপন করার কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। বাদ আসর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া মিলাদের মধ্যে দিয়ে সেরনিয়াবাত আশিক আব্দুল্লাহ’র ৩৮ তম জন্মদিন পালন করা হবে।

  • মহানুভবতার অনন্য উদাহারন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

    মহানুভবতার অনন্য উদাহারন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ

    মানুষ মানুষের জন্য। যুগে যুগে মানুষের প্রয়োজনে মানুষই পাশে দাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু মানুষ রয়েছেন যারা নিজেদের শেষটুকো দিয়ে হলেও মানুষের জন্য কাজ করেছেন। কোন বাধাই তাদের কে থামাতে পারেনি। তারা সকল বাধা অতিক্রম করে মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করেছেন। ফলে আজও তারা মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছেন এবং আজীবন বেঁচে থাকবেন।
    নদীঘেরা এই বরিশাল অঞ্চলেও এমন অনেক মহান মানুষ রয়েছেন যারা পুরোটা জীবন মানুষের পাশে থেকে কাটিয়েছেন।। যখনই কোন মানুষের বিপদের কথা শুনেছেন তখনই তার কাছে ছুটে গিয়েছেন। তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিয়েছেন।

    যেকোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা বিপর্যয়ে এ অঞ্চলের মানুষের অপূরনীয় ক্ষতি হয়। সেই ক্ষতি মোকাবিলা করে উঠে দাড়াতে দাড়াতে আবারো কোন না কোন বিপর্যয় তাদের উপর আঘাত হানে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের বছরের বেশীরভাগ সময়ই জীবনযুদ্ধে কেটে যায়। স্বাভাবিক জীবনে টিকে থাকার জন্য অনবরত প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। একদিকে যেমন বন্যায় ফসলাদি নষ্ট হয়, ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট ডুবে যায় অন্যদিকে সাইক্লোন ঘূর্নিঝর বসবাসের জায়গাটুকো কেড়ে নেয়। যুগে যুগে যখনই এই অসহায় দরিদ্র মানুষগুলো কোন বিপদের সম্মুখিন হয়েছে তখনই এ অঞ্চলের কেউ না কেউ তাদের পাশে দাড়িয়েছেন। তাদের খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন, ঘরবাড়ি তৈরী করার জিনিসপত্র দিয়েছেন, সর্বপরি তাদের উঠে দাড়াতে সাহায্য করেছেন।

    সময়ের পরিবর্তনে বিশেষ করে ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে পুরো দেশের সাথে সাথে বরিশালের পরিস্থিতিরও অনেক উন্নতি হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা, শিক্ষা ব্যবস্থা সহ সর্বদিকে উন্নতি হয়। বরিশালবাসী নতুন দিনের স্বপ্নে দিন যাপন করছিল। একদিকে পায়রা সমুদ্র বন্দর, রেল লাইন, আইটি পার্ক সবকিছু মিলে নতুন এক বরিশালের অপেক্ষায় প্রহর গুনছিল।

    কিন্তু হঠাৎ করে করোনা ভাইরাসের আক্রমনে সারা বিশ্বের মত এ অঞ্চলের মানুষেরও সাধারন জীবন যাপন থেমে যায়। লকডাউনের কারনে কর্মহীন অবস্থায় ঘরে দিন কাটাতে হয়। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশী বিপাকে পরে দিনমজুর মানুষগুলো। যাদের সঞ্চয় বলতে প্রতিদিনের কাজই সম্বল। সকাল থেকে শুরু করে সন্ধাবদি শ্রমদিয়ে মজুরী হিসাবে যা পায় তা দিয়ে সংসার চালায়। কিন্তু করোনার কারনে তাদের দৈনিক রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। দুবেলা দুমুঠো খেয়ে পরে বেঁচে থাকাটাই বড় কঠিন হয়ে পরে।
    এমন দুঃসময়ে শুধু বরিশাল নয় বরং সারা বাংলাদেশের কোন মানুষ যাতে খাদ্যর অভাবে না ভোগে সে জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা মহামারীর শুরু থেকেই সারা বাংলাদেশ ব্যাপী অসহায়, দুস্থ মানুষের জন্য বিভিন্ন খাদ্য সহযোগিতা, রেশন কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুসারে ১০ টাকা কেজী ধরে চাল , আর্থিক সহযোগিতা সহ বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিত্তবানদের সাধারন মানুষের পাশে দাড়ানেরা জন্য অনুরোধ করেছেন।

    সরকারের আমন্ত্রনে করোনার প্রাদূর্ভাবের প্রথম দিকে কিছু মানুষ সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সহযোগিতার হাত বাড়ালেও সময়ের সাথে তাদের অনেকেই থেমে গেছেন। হারিয়ে গেছেন কোন অজানা ঠিকানায়। কিন্তু সবাই থেমে গেলেও সারা বাংলাদেশ ব্যাপী সরকারি খাদ্য সহযোগিতা অব্যহত রয়েছে। তবে একা সরকারের পক্ষে কোটি কোটি মানুষের খাদ্য সহায়তা প্রদান করা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার, তারপরও সরকার তার সাধ্যমত সাহায্য, সহযোগিতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    কিন্তু সারা বাংলাদেশের তুলনায় বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ভিন্ন চিত্র দেখো গেছে। এখানে করোনা মহামারীর প্রথমদিন থেকেই সরকারের পাশাপাশি বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র জননেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের অসহায় দরিদ্র মানুষের বাড়ি বাড়ি নিজ উদ্যোগে খাদ্য সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন। তার ব্যক্তিগত ও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে এই খাদ্য সহযোগিতা প্রদান করছেন এবং তিনি ঘোষনা দিয়েছেন, যতদিন কেরানা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হবে ততদিন পর্যন্ত তার এই সহযোতিা অব্যহত থাকবে। তাই প্রতি রাতে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, মহানগর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিবৃন্দ মেয়রের পাঠানো খাদ্য সহায়তা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পৌছে দিচ্ছেন।

    এরই মধ্যে গত ০৭ জুন, ২০২০ বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র পরম প্রিয় মাতা, বরিশাল রাজনৈতিক অঙ্গনের ছায়া, শহীদ জননী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহান আরা বেগম সবাইকে কাদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান। যার মৃত্যুতে সমস্ত বরিশালে শোকের ছায়া নেমে আসে। মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরেন বিসিসি মেয়র ও তার পরিবার। সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। মা হারানোর শোকে নিস্তব্দ হয়ে পরেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। কোন অবস্থাতেই তিনি স্বাভাবিক হতে পারছিলেননা। ঘরে বসে একা একা মায়ের জন্য কাদতেন আর বলতেন,“মা তুমি কোথায় গেলে”, বুকের ভিতর এত কষ্ট কেন ???।সবকিছু যেন থমকে গিয়েছিল। কেউই তার এই শোককে স্বাভাবিক করতে পারছেনা। এমন পরিস্থিতিতে তার সহধর্মীনি, বাচ্চারা আমিরিকা থাকায় তাকে কোন ভাবেই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যাচ্ছিলনা।

    কিন্তু এত শোকের মধ্যেও তিনি তার বরিশালবাসীর কথা ভুলে যাননি। ভুলে যাননি করোনায় অসহায় মানুষগুলোর কথা। ফলে যারা মেয়রের খাদ্য সহযোগিতা পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন তাদের স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, কোনভাবেই যেন একদিনের জন্যও এই খাদ্য সহযোগিতা থেমে না থাকে। যেভাবে প্রতিদিন ট্রাকে ভরে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে খাদ্য সহায়তা পৌছে যেত ঠিক একই ভাবে যেন চলমান থাকে। ফলে বর্তমানে প্রায় সবার সহযোগিতা থেমে গেলেও আজ পর্যন্ত একদিনের জন্যও থেমে থাকেনি মেয়রের খাদ্য সহায়তা । আজও প্রতি রাতে ট্রাক ভরে ভরে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে মেয়রের খাদ্য সহায়তা পৌছে যাচ্ছে।

    গতকাল বিসিসি মেয়রের বাসায় গিয়ে দেখাযায় পাঁচ হাজার ব্যাগ খাদ্য সহায়তা পৌছে দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং আরো নতুন করে চাল, ডাল, আলু,পিয়াজ, সাবান ইত্যাদি আনা হচ্ছে। বিসিসি মেয়রের বিশ্বস্ত সূত্রমতে, ইতোমধ্যে পঁচাশী হাজার ব্যাগ খাদ্য সহায়তা মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে পৌছে দেয়া হয়েছে এবং আরো প্রায় বিশ হাজার ব্যাগ নতুন করে প্রস্তুত করা হচ্ছে। তহবিল প্রসঙ্গে বলেন, বিসিসি মেয়র নিজের দুই বছরের সম্মানী ভাতা পয়ত্রিশ লাখ (৩৫,০০,০০০) টাকা, সিটি কর্পোরেশনের তহবিল থেকে বিশেষ বরাদ্দ, এবং তার নিজ উদ্যোগে গঠিত ত্রান তহবিল থেকে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় কোটি টাকার খাদ্য সহায়তা মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌছে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, বরিশালবাসী আমাকে, আমার পরিবার কে যে ভালবাসা দিয়েছে, আমি তার সামান্য প্রতিদান দেয়ার চেষ্টা করছি মাত্র। আমি এই দূর্যোগ মোকাবিলায় শেষ পর্যন্ত সাধারন খেটে খাওয়া মানুষের পাশে থাকব ইনশাআল্লাহ। এছাড়া এই বরিশাল নগরী এবং বরিশালবাসী যাতে ভাল থাকতে পারে আমি প্রতিনিয় সেই চেষ্টা করছি। আমার জন্য দোয়া করবেন, আমার মা-বাবার জন্য করবেন।

    সত্যিই মা হারানোর মতো এমন বেদনা বুকে নিয়ে সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করা মহানুভবতা অনন্য উধাহারন ব্যতীত আর কিছু নয়। তার এই মহানুভবতা তাকে বরিশালবাসীর হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে। বরিশাল নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘুরে সাধারন মানুষের সাথে কথা বললে তারা বলেন, সরকারি সাহায্য এবং মেয়রের সাহায্য ব্যতীত এখন পর্যন্ত তারা আর কারো কোন সহায়তা পাননি। ইতোমধ্যে তারা একাধিকবার মেয়রের খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন। তারা মন দিয়ে মেয়রের জন্য দোয়া করেন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১৫ নং ওয়ার্ডের খ্রিষ্টান কলোনীর বাসিন্দা রতœা অধীকারী বলেন, সরকারি সাহায্য এবং মেয়রের সাহায্যের কারনে আমাদের অনেক উপকার হয়েছে। না হলে কিভাবে দিন কাটাতাম ভাবতে পারছিনা। সবাই ঘরে বসে আছি, কোন আয় রোজগার নাই। ১০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, মেয়র ছাড়া আর কেউ তাদের কোন খোজ নেয়নি। ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কবির হাওলাদার বলেন, বাপ-মা সহ সাত জনের পরিবারে আমি একলা ইনকাম করি। ছোট একটা দোকান দিয়ে চলতাম। কিন্তু করোনায় কারনে আজ তিনমাস দোকান বন্ধ। মেয়রের ত্রান না পেলে না খেয়ে থাকা লাগত। অন্য কারো সহযোগিতা পেয়েছে কিনা জিজ্ঞেস করলে বলেন, সহযোগিতা তো দূরের কথা কাউকে চোখেও দেখিনি।

    অন্যদিকে করোনা মহামারীর মধ্যে হঠাৎ করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশের অন্যন্য জায়গার মত বরিশালেও ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারন মানুষের কথা চিন্তা করে বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারিদের নিয়ে কয়েকবার জরুরী বৈঠক করেন। নিজে কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে শহড়ে জমে থাকা পানি নিষ্কাশনের জন্য কাজ করছেন। কিন্তু নদীতে পানির স্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় শহড়ের পানি নামতে পারছেনা। তাই জোয়ারের সময় পানি না নেমে উল্টো নদীর পানি শহড়ে ঢুকে শহড় তলিয়ে দিচ্ছে। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয় বরিশালবাসীর কাছে নতুন নয়। কিন্তু এই বিপর্যয়ের হাত থেকে শহড় কে বা নগরবাসীকে রক্ষা করার জন্য একজন মানুষ দিনরাত পরিশ্রম করছেন। তিনি হলেন বিসিসি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। এই বিষয়ে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, শহড়ের যে কয়টি পয়েন্ট দিয়ে পানি নদীতে প্রবাহিত হয় সেই পয়েন্টগুলো পরিষ্কার আছে কিন্ তা আমাদের মেয়রমহোদয় নিজে স্পীডবোডে গিয়ে তদারকি করছেন। এছাড়া তিনি রাতের বেলা শহড়ের যে সমস্ত রাস্তা পানিতে ডুবে আছে সেগুলো থেকে কিভাবে পানি অপশারন করা যায় সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেন। কিন্তু চ্যানেলগুলো পরিষ্কার থাকলেও নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি নামছেনা। তবে আশাকরি নদীর পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে শহড় থেকেও পানি নেমে যাবে। তিনি সিটি কর্পোরেশনের সকল কর্মকর্তাদের বন্যার পরিস্থিতি সার্বক্ষনিক তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছেন। কোন জায়গায় কোন ড্রেন বা খাল কোনভাবে বন্ধ হয়ে আছে কিনা তা পর্যবেক্ষনে নির্দেশ দিয়েছেন।

    এভাবেই নগরবাসীর পাশে সুখে দুখে জড়িয়ে আছেন বিসিসি মেয়র, মহানুভবতার অনন্য উদাহারন সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।

  • শেখ হাসিনাকে হত্যাই ছিল ২১ আগস্টের মূল লক্ষ্য: আমু

    শেখ হাসিনাকে হত্যাই ছিল ২১ আগস্টের মূল লক্ষ্য: আমু

    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের হত্যার মাধ্যমে দলটিকে নিশ্চিহ্ন করাই ছিল ২১ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের মূল লক্ষ্য।

    শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভয়াল ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার স্মৃতি স্মরণ করতে গিয়ে এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আমির হোসেন আমু বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা দেশে না থাকার কারণে ষড়যন্ত্রকারীদের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতেই বারবার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে টার্গেট করা হচ্ছে হত্যার জন্য।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পরে যেভাবে জেলখানায় জাতীয় চারনেতাকে হত্যা করে আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল ২১ আগস্টেও একই উদ্দেশ্য ছিল খুনীচক্রের। ওই দিন স্রষ্টার অশেষ রহমতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে যান।

    তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ ধর্মপ্রাণ ও অলি-আউলিয়ার দেশ হওয়ার কারণে দেশের মানুষের সেবা, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত ও বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি সমৃদ্ধশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতেই মহান সৃষ্টিকর্তা রাব্বুল আলামিন তাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় সব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে দেশকে এগিয়ে নিতে তিনি শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

    ভিডিও বার্তায় আমির হোসেন আমু ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় নিহত মহিলা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী আইভী রহমানসহ অন্যান্য শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও গ্রেনেড হামলায় নিহত এবং আহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

  • বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    বরিশালে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

    বরিশালে আলোচনা সভা এবং দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

    আজ বুধবার সকাল ১১টায় নগরীর সদর রোডের জেলা ও মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে পৃথক আয়োজনে ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করেন জেলা ও মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা।

    মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি মাহবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মঞ্জু, মো. মতিউর রহমান মিঠু, ফয়সাল আহমেদ ও আরিফুল ইসলাম শাহান সহ অন্যান্যরা। আলোচনা সভা শেষে বিএনপি চেয়ারপার্সনের রোগমুক্তি ও প্রয়াত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শফিউল বারী বাবুর রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    পরে একই স্থানে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা করে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল। জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আবদুল্লাহ সাদি’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল ইসলাম সুজন, মাজেদ সিকদার সুজন, আসাদুজ্জামান খান ও মাসুদ রানা প্রমুখ।
    আলোচনা সভা শেষে বেগম জিয়া ও প্রয়াত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শফিউল বারী বাবুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    এর আগে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও সাংগঠনিক পতাকা উত্তোলন করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

  • মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ্’র শোক

    মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ্’র শোক

    বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ ১৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ বশির আহম্মেদ এর বোন সুলতানা রাজিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।

    তাঁর মৃত্যুতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।