Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশাল বোর্ডে সেরা ঝালকাঠি, পিছিয়ে পটুয়াখালী

    বরিশাল বোর্ডে সেরা ঝালকাঠি, পিছিয়ে পটুয়াখালী

    এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হারে সবার শীর্ষে রয়েছে ঝালকাঠি জেলা। এ জেলায় মোট পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী।

    তিনি বলেন, দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ভোলা জেলার পাসের হার ৮৪ দশমিক ৩৬। আর গত বছর দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরিশাল জেলা ৮৩ দশমিক ৯৪ পাসের হার নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে এবার।

    এ ছাড়া চতুর্থ অবস্থানে থাকা পিরোজপুর জেলার পাসের হার ৮২ দশমিক ৯৪। পঞ্চম অবস্থানে থাকা বরগুনা জেলার পাসের হার ৭৯ দশমিক ০২। আর সবার শেষে থাকা পটুয়াখালী জেলার পাসের হার ৭৪ দশমিক ৮২। তবে বিগত বছরের থেকে এবারে সব জেলায় গড় পাসের হার বেড়েছে।

    অপরদিকে এ বছর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাসের হার সব থেকে বেশি। এ বিভাগে পাসের হার ৯২ দশমিক ৫১। এরপর মানবিক পাসের হার ৭৯ দশমিক ১৮ ও ব্যবসায়ী বিভাগে পাসের হার ৭৭ দশমিক ২০।

    এ ছাড়া জিপিএ-৫ সবচেয়ে বেশিও পেয়েছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ বিভাগে মোট ২ হাজার ২৯২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। আর মানবিক বিভাগ থেকে ১ হাজার ৫৮২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ২৯৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

  • কোন বোর্ডে জিপিএ-৫ কত?

    কোন বোর্ডে জিপিএ-৫ কত?

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৯টি সাধারণ ও মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

    এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সারা দেশে মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন।

    এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে ৪৮ হাজার ৫৪৮, রাজশাহী বোর্ডে ২৪ হাজার ৯০২, কুমিল্লা বোর্ডে ৭ হাজার ৯২২, যশোর বোর্ডে ৯ হাজার ৭৪৯, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ হাজার ৭৫৯, বরিশাল বোর্ডে ৪ হাজার ১৬৭, সিলেট বোর্ডে ৬ হাজার ৬৯৮, দিনাজপুর বোর্ডে ১৪ হাজার ২৯৫, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৪ হাজার ৮২৬, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯ হাজার ৬১৩, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪ হাজার ৯২২ জন জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

    চলতি বছরের ৩০ জুন থেকে সারা দেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। এবার সারা দেশে পরীক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সহিংসতার কারণে গত ১৮, ২১, ২৩ ও ২৫, ২৮ জুলাই এবং ১ ও ৪ আগস্টের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। সবশেষে ১১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। এরপর অবশিষ্ট পরীক্ষা না নেওয়ার দাবি করে পরীক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফলাফল ঘোষণার দেয় সরকার।

    এরপর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয় সাবজেক্ট ম্যাপিং করে স্থগিত পরীক্ষার ফলাফল দেওয়া হবে। আর যেসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে সেসব পরীক্ষার মূল্যায়ন করা হবে। প্রস্তাবে বলা হয়েছিলো, জেএসসির বিষয়ভিত্তিক প্রাপ্ত নম্বরের ২৫ শতাংশ এবং এইচএসসির ৭৫ শতাংশ যোগ করে যে নম্বর পাবে সেই নম্বরের ভিত্তিতে পরীক্ষার ফল নির্ধারণ করা হবে।

    প্রস্তাবের পর মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত দেয়, স্থগিত পরীক্ষাগুলো শুধু এইচএসসি পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে ফলাফল দিতে হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করে শিক্ষা বোর্ডগুলো থেকে ফল ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশ কাল, যেভাবে জানা যাবে

    এইচএসসির ফল প্রকাশ কাল, যেভাবে জানা যাবে

    চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামীকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে।

    বেলা ১১টায় সারা দেশের শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট ও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন। এছাড়া ঘরে বসেও জানা যাবে ফল। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হল-

    প্রার্থীরা অনলাইনে বা মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে তাদের ফলাফল জানতে পারবেন। এক্ষেত্রে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

    উদাহরণ—HSC DHA 123456 2024 লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। ফিরতি এসএমএসে জানা যাবে ফলাফল।

    এ ছাড়া, http://www.educationboardresults.gov.bd, http://www.eduboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল জানা যাবে। রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে প্রবেশ করে ফলাফল শিট ডাউনলোড করা যাবে।

    এবার এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ জুন। মোট পরীক্ষার্থী সাড়ে ১৪ লাখের মতো। সাতটি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। এ ছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষাও বাকি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়।

    পরে সিদ্ধান্ত হয় যে ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদিও তা হয়নি। সচিবালয়ের ভেতরে ঢুকে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও ঘেরাও করলে এবারের এইচএসসি বা সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিল করতে বাধ্য হয় শিক্ষা বিভাগ।

    মাঝপথে বাতিল করা এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে বিষয় ম্যাপিং করে।

  • এইচএসসির ফল প্রকাশ ১৫ অক্টোবর

    এইচএসসির ফল প্রকাশ ১৫ অক্টোবর

    এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী ১৫ অক্টোবর বেলা ১১টায় ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানদের সংগঠন আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার সোমবার এই তথ্য জানিয়েছেন।

    আগেই সিদ্ধান্ত হয়েছে এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে (বিষয় ম্যাপিং) হবে মাঝপথে বাতিল করা এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফল।

    এ প্রক্রিয়ায় একজন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে একটি বিষয়ে যত নম্বর পেয়েছিল, এইচএসসিতে সেই বিষয় থাকলে তাতে এসএসসিতে প্রাপ্ত পুরো নম্বর বিবেচনায় নেওয়া হবে। আর এসএসসি ও এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় বিষয়ে ভিন্নতা থাকলে বিষয় ম্যাপিংয়ের নীতিমালা অনুযায়ী নম্বর বিবেচনা করে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

    এবার এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ৩০ জুন। মোট পরীক্ষার্থী সাড়ে ১৪ লাখের মতো। সাতটি পরীক্ষা হওয়ার পর সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে কয়েক দফায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। তখন পর্যন্ত ছয়টি বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। এছাড়া ব্যবহারিক পরীক্ষাও বাকি।

    একপর্যায়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন সরকার পতনের এক দফায় রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। পরে সিদ্ধান্ত হয় যে ১১ আগস্ট থেকে নতুন সময়সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যদিও তা হয়নি। অবশিষ্ট পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়।

  • শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় সমন্বয়ে জবিতে কমিটি

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছয় শিক্ষকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় সমন্বয়ের মাধ্যমে সুরাহা করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এই কমিটি গঠন করা হয়।

    কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রইস উদ্দীনকে আহ্বায়ক ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হককে সদস্যসচিব করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

    আদেশে বলা হয়, এ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট সব বিষয়াদি সমন্বয় করবে। জকসু গঠনের আইনগত দিক পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত নীতিমালা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (সেন্ট্রাল) অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠন ও কার্যকর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ কমিটি প্রয়োজনে নিজ তত্ত্বাবধানে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে।

    কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ড. রিফাত হাসান, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. নাসির উদ্দীন আহমেদ ও ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ বিলাল হোসাইন।

  • একাদশ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল তিন দিন

    একাদশ শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়ল তিন দিন

    ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের চলমান রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রমের সময়সীমা তিন দিন বাড়ানো হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা আগামী তেসরা অক্টোবর পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে। এর আগে রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময় ছিল ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

    শিক্ষার্থীদের তেসরা অক্টোবরের বিকেল পাঁচটার মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ করতে হবে।

    রোববার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজ অনলাইনে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত জটিলতার জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

    শিক্ষা বোর্ডগুলোর আওতাধীন দেশের সব উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভর্তি ওয়েবসাইট এর College Login প্যানেলে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ করতে হবে।

  • স্কুলে ভর্তি লটারিতে নাকি পরীক্ষায়, সিদ্ধান্ত কাল

    স্কুলে ভর্তি লটারিতে নাকি পরীক্ষায়, সিদ্ধান্ত কাল

    দেশের সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোতে কয়েক বছর ধরে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করে আসছে সরকার। এবার তাতে পরিবর্তন আনা হবে কিনা, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

    পাশাপাশি বয়স নিয়ে প্রতি বছর যে জটিলতার সৃষ্টি হয়, সেখানেও বড় পরিবর্তন আনা হতে পারে। আলোচিত বিষয়গুলো সামনে রেখে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা সংশোধনে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সভা ডাকা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। সভায় মাউশিসহ রাজধানীর নামিদামি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষসহ ১৫ সদস্য অংশ নেবেন।

    বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলীর সই করা সভার নোটিশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। সভার সদস্যরা হলেন—মাউশির মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের প্রতিনিধি, মাউশির একজন যুগ্ম-সচিব, উপসচিব/সিনিয়র সহকারী সচিবদের একজন, ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, মাউশির কলেজ ও প্রশাসন বিভাগের পরিচালক, মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক, উপ-পরিচালক, ঢাকা অঞ্চলের উপ-পরিচালক, ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মধ্যে থাকবেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের অধ্যক্ষ, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ এবং সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আব্দুর রশীদ এ বিষয়ে বলেন, ‘কী পরিবর্তন আসবে, সেটা কাল ঠিক হবে। আমরা প্রথমে বেসরকারি বিদ্যালয়ের নীতিমালাটা করব। তারপর সরকারি বিদ্যালয়ের নীতিমালাটাও সংশোধন করা হবে।’

    লটারির মাধ্যমে ভর্তির বিষয়টিতে কোনো পরিবর্তন আসবে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা এখন আমি বলতে পারব না। কাল বৈঠকে বসি, সবার কথা শুনি। মাউশি বা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, তারপর বলা যাবে। তবে খুব যে পরিবর্তন আসবে, সেটা বলা যায় না।’

  • গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তির তারিখ ঘোষণা

    গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ পর্যায়ের ভর্তির তারিখ ঘোষণা

    চলতি বছর সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছ ভুক্ত ২৪ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক প্রথম বর্ষের চতুর্থ ধাপের প্রাথমিক ভর্তি শুরু হবে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর।

    মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গুচ্ছের ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চতুর্থ পর্যায়ের প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া ২৮ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জিএসটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে। প্রাথমিক ভর্তি ও ফি প্রদান করতে হবে ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা হতে ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মূল কাগজপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে। ইতিপূর্বে প্রাথমিক ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে থাকলে জিএসটির অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে মাইগ্রেশন হলেও শিক্ষার্থীর করণীয় কিছু নেই। মূল কাগজপত্র প্রাথমিক ভর্তিকৃত বিশ্ববিদ্যালয়েই জমা থাকবে।

  • প্রথম নারী উপাচার্য পেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    প্রথম নারী উপাচার্য পেল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিন। তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম এবং প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

    সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উপসচিব মো. শাহীনুর ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ দেওয়া হয়। উপাচার্য নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৬-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে পাঁচ শর্তে নিয়োগ প্রদান করা হলো।

    নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর হবে। উপযুক্ত পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করবেন।

    শুচিতা শারমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি এবং এমএসসি সম্পন্ন করে ২০০৩ সালে প্রভাষক পদে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজে পিএইচডি করছেন। এ ছাড়াও তিনি ডক্টরাল রিসার্চ স্কলার হিসেবে কর্পোরেট কমিউনিটি ইনভলভমেন্টে ও সুইজারল্যান্ড এবং ভারতের দ্বারা যৌথভাবে পরিচালিত দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে গবেষণায় অংশ নেন।

    শুচিতা শারমিন জাপানের কিউশু ইউনিভার্সিটির রিসার্চ স্কলার ছিলেন এবং সেখানে তিনি ইনটেনসিভ জাপানিজ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স সম্পন্ন করেন। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে আচরণ ও স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বিভাগে গবেষণা পরিচালনা করেন। বাংলাদেশ, জাপান, সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, নেপাল, মালয়েশিয়া এবং ভারতে তার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে নিমন্ত্রিত হয়ে বক্তৃতা ও গবেষণা করেছেন। আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ৪৫টিরও বেশি নিবন্ধ এবং তিনটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

    উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের আল্টিমেটামের মুখে ২০ আগস্ট বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া পদত্যাগ করেন।

  • শহিদদের স্মরণে ঢাবিতে এক মিনিট নীরবতা পালন

    শহিদদের স্মরণে ঢাবিতে এক মিনিট নীরবতা পালন

    ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রোববার এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ফেসবুক পেইজ ‘ডিইউ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন-এ পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    ওই পোস্টে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাবির ক্লাস শুরু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের ক্লাস ব্যতীত অন্য সকল বর্ষের ক্লাস আজ রোববার থেকে শুরু হয়েছে।

    এতে আরও বলা হয়, ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ১ম বর্ষের ক্লাস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করা হবে। ক্লাস শুরুর প্রাক্কালে রোববার সকাল সাড়ে নয়টায় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন চত্বরে ২০২৪’র ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা কর্মসূচি পালন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।

    প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ এবং বিভিন্ন অনুষদের ডিন এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। এ সময় শান্তির প্রতীক হিসেবে পায়রা উড়ানো হয়।

    এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও কার্যকরভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যম কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা এক ধরনের মানসিক ট্রমার মধ্যে রয়েছে। এই ট্রমা নিরসন এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনের লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ঘাটতি পুষিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এরপর, সকাল সাড়ে ১০টায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বিভিন্ন অনুষদের ক্লাসরুম পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ, হৃদ্যতাপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ক্লাস অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।