Category: শিক্ষাঙ্গন

  • বরিশালে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    বরিশালে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত

    হুজাইফা রহমান

    গতকাল শুক্রবার বরিশালের বগুড়া রোডস্থ আম্বিয়া হাসপাতালের পাশে অবস্থিত জীবনানন্দ অঙ্গনে “আড্ডা ধানসিড়ি”র ৫৯ তম সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “আড্ডা ধানসিড়ি”র আড্ডারুদের উপস্থিতিতে বিকেল চারটা থেকে আড্ডা শুরু করে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত একটানা দু’ঘন্টা প্রাণবন্ত একটি সাহিত্য আড্ডা চলে। সেখানে ড. মুহম্মদ মুহসিন’র সঞ্চালনায় এবারের আড্ডার অতিথি ছিলেন কবি হুমায়ুন কবির।

    শুরুতেই “আড্ডা ধানসিড়ি”র আড্ডারু কবি আসমা চৌধুরী’র একটি কবিতা আবৃত্তি করেন কবি ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। এরপর আড্ডায় নিজেদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন আড্ডারু শফিক আমিন, জয়নাল আবেদীন, ছোটন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, আবদুর রহমান, অনিন্দ্য দ্বীপ, মাহমুদ অর্ক্য, সামছুল আলম, সাইমুন ইসলাম, এসকে লুনা ও হুজাইফা রহমান। তাদের পাঠ করা কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন ড. মুহম্মদ মুহসিন ও কবি হুমায়ুন কবির। পরিশেষে চা চক্রের মধ্য দিয়ে আড্ডার পরিসমাপ্তি ঘটে।

    উল্লেখ্য যে, “আড্ডা ধানসিড়ি” বরিশালের একটি সাহিত্য সংগঠন। প্রতি মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শুক্রবার বরিশালের বগুড়া রোডস্থ আম্বিয়া হাসপাতালের পাশে অবস্থিত জীবনানন্দ অঙ্গনে সাহিত্য প্রেমীদের নিয়ে সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।

  • এসএসসি পরীক্ষা- বরিশালে ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

    এসএসসি পরীক্ষা- বরিশালে ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়

    এসএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণের নামে জেলার সর্বত্র বাড়তি অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে বোর্ড নির্ধারিত ফি’র চেয়ে দ্বিগুন টাকা নেয়া হচ্ছে। আবার কোনো কোনো স্কুলে কোচিং ফি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এ অবস্থায় কোন ধরনের রশিদ ছাড়াই ফরম পূরণে তিন থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সন্তানদের পরীক্ষার কথা চিন্তা করে দরিদ্র পরিবারের অভিভাবকদের ধারদেনা করে ফরম পূরণের টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও বাড়তি অর্থ নেয়ার কথা স্বীকার করে নানাখাতের অজুহাত দেখাচ্ছে। শিক্ষাবোর্ড থেকে ফরম পূরণের ফি নির্ধারণ করে দেয়া সত্ত্বেও তা মানছে না স্কুলগুলো। এক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষকদের দাবি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সিদ্ধান্তক্রমেই এ অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে। সচেতন নাগরিকদের মতে, শিক্ষাবোর্ডের নির্দেশ অমান্য করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সিদ্ধান্তকে বাস্তবায়ন করছে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। গত কয়েকদিন থেকে এনিয়ে প্রতিদিনই স্কুলের শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বাগ্বিতন্ডা লেগেই রয়েছে। বিভিন্ন স্কুলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসএসসি’র ফরম পূরণের জন্য শিক্ষাবোর্ড থেকে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫৬৫ টাকা। এরসাথে স্কুলগুলো থেকে বাধ্যতামূলক কোচিং ফি ধরা হয়েছে ৫০০ টাকা, কোচিং চলাকালীন বেতন ৩৬০টাকা, স্কুল উন্নয়ন ফি ২০০ টাকা, সেশন ফি ১২৫ টাকা, মিলাদ ১০০ টাকা, ব্যবহারিক ৫০ টাকা, পরীক্ষার সময় কেন্দ্রে শিক্ষকদের যাতায়াত ফি বাবদ ১০০ টাকা, স্কুলের চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের জন্য ৫০ টাকা ও অনলাইন ফি বাবদ ২৫ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে। সে হিসেবে প্রতিজন পরীক্ষার্থী বাবদ ৩ হাজার ৭৫ টাকা করে ধার্য করা হয়েছে। এরসাথে পরীক্ষার্থীদের স্কুলের বকেয়া বেতন ও টেস্ট পরীক্ষায় অকৃকার্য হওয়া প্রতিটি বিষয়ে ২০০ টাকা করে যোগ করা হচ্ছে। এরপর পরীক্ষার আগমুহুর্তে প্রবেশপত্র বিতরণের নামে হাতিয়ে নেয়া হবে মোটা অংকের অর্থ। সূত্রমতে, উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের স্কুলের বেতন ফ্রি হওয়ার নিয়ম থাকলেও তা মানছে না অধিকাংশ স্কুলগুলো। এমনকি টেস্ট পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে কৃতকার্য হওয়া পরীক্ষার্থীদের জন্যও ৩ হাজার ৭৫ টাকা করে ধার্য করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার আগৈলঝাড়া, বাবুগঞ্জ, মুলাদী, বাকেরগঞ্জ, হিজলা, মেহেন্দীগঞ্জ, গৌরনদী, বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলার কয়েকটি বিদ্যালয়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে। গৌরনদীর নলচিড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক পরীক্ষার্থীর অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, তাদের কাছ থেকে একপ্রকার জোরজুলুম করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন শিক্ষকরা। গেরাকুল আখতারুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ম্যানেজিং কমিটির ব্যর্থতার কারণে শিক্ষকরা মনগড়াভাবে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। এ ঘটনার যে প্রতিবাদ করবে তার ফরম পূরন করা হবেনা বলেও কতিপয় শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির কয়েকজন সদস্যরা পরীক্ষার্থীদের হুমকি প্রদর্শন করেছেন। তাই বাধ্য হয়েই তারা অতিরিক্ত টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করতে বাধ্য হচ্ছে। মাহিলাড়া এএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক প্রণয় কান্তি অধিকারী বলেন, বোর্ড যেটা নির্ধারণ করেছে তার সাথে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সিদ্ধান্ত মোতাবেক টাকা নিয়ে ফরম পূরণ করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে দুঃস্থ পরিবারের পরীক্ষার্থীদের বেলায় অবশ্যই ছাড় দেয়া হচ্ছে। তবে কতো টাকা নিয়ে ফরমপূরণ করা হচ্ছে তা তার মনে নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, প্রায় প্রতিটি স্কুলের বিরুদ্ধেই অতিরিক্ত অর্থ নিয়ে ফরমপূরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শিক্ষা বোর্ডের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, ফরম পূরণের নামে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হলে অভিভাবকরা অভিযোগ দায়ের করবেন। অভিযোগের প্রমান পেলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • আন্তর্জাতিক হিসাব বিজ্ঞান শিক্ষা দিবস পালিত

    আন্তর্জাতিক হিসাব বিজ্ঞান শিক্ষা দিবস পালিত

    দেশে প্রথমবারের মত ‘আন্তর্জাতিক হিসাব বিজ্ঞান শিক্ষা দিবস’ পালন করলো দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। শুক্রবার রাজধানীর  হাতিরঝিল থেকে আইসিএবি একটি র‌্যালি বের করে, যেটি সিএ ভবন কাওরান বাজারে এসে শেষ হয়।
    আইসিএবি’র সদস্য ছাডাও, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিএ ফার্ম থেকে  হিসাবশিক্ষাথীবৃন্দ র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে। ১০ নভেম্বর দিবসটি সারা বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। এরই আলোকে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের হিসাববিদদের সংগঠন (সাফা) হিসাব পেশার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য এ বছর দিবসটি জাঁকজমকমপূর্ণভাবে পালন করছে।
    সাফা’র সভাপতি এএসএম নাইম, আইসিএবি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তফা কামাল, সাফা এডুকেশন কমিটির সদস্য মহমুদুল হাসান খসরু, আইসিএবি ঢাকা রিজিওনাল কমিটি’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল হক, কমিটির সদস্যবৃন্দ, আইসিএবি’র সচিব মেজর জেনারেল মুহাম্মদ ইমরুল কায়েস (অব) এবং সাফা’র নির্বাহী সচিব মাহবুব আহমেদ সিদ্দিকী র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন।
    আয়োজকরা জানান, এই দিনটি হিসাব পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গের কাছে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ইতালীয় গাণিতিক লুকা পেসিওলি ‘সুমা ডি এরাথমেটিকা, জিওমেট্রিকা, প্রোপরশনি-এট-প্রোপরশনালিটা’- নামক একটি বই রচনা করেন যেটি ১৪৯৪ সালে ১০ নভেম্বর সর্বপ্রথম ইটালির ভেনিস থেকে প্রকাশিত হয়। এই বইটি তখনকার সময়ে গাণিতিক জ্ঞানের সারমর্ম তুলে ধরে। এটিকে ডাবল এন্ট্রি বুক কিপিং উপর প্রথম মুদ্রিত বই হিসাবে গণ্য করা হয়, যাকে বলা হয় মেথড অব ভেনিস।