Category: শিক্ষাঙ্গন

  • জবিতে মশাল মিছিল

    জবিতে মশাল মিছিল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত মব জাস্টিস ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মশাল মিছিল করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা পাহাড়ে সংঘটিত অরাজকতারও সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

    শুক্রবার রাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে বিজ্ঞান অনুষদ ঘুরে প্রধান ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। এসময় শিক্ষার্থীরা মব জাস্টিসের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।

    সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও পাহাড়ে সংঘটিত সহিংসতায় আমরা মর্মাহত। এসব ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার করতে হবে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হতে হবে। স্বৈরাচার হটিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়তে আমরা রক্ত দিয়েছি, জীবন দিয়েছি। নতুন বাংলাদেশ গড়ার সেই স্বাধীনতা আমরা ভূলুণ্ঠিত হতে দেবো না।

    এসময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাসান সজীব বলেন, হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তারা শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে এমন কেউ কি ছিল না যে এটার প্রতিবাদ করবে? হল প্রোভোস্ট কোথায় ছিল? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও এ হত্যার দায় এড়াতে পারে না। আমরা পাহাড়ে সংঘটিত সহিংসতারও বিচার দাবি করছি।

    প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নওশিন বলেন, যারা হত্যা করেছে আমরা সুধু তাদের বিচার চাই না, যারা এই হত্যাকাণ্ড বসে বসে দেখেছে, ভিডিও করেছে কিন্তু প্রতিবাদ করেনি তাদেরও বিচার করতে হবে। পাহাড়ের ঘটনারও আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই। এসব ঘটনা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাকি ষড়যন্ত্র তা বের করতে হবে।

    পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, ঢাবির তোফাজ্জেল হত্যার সাথে জড়িত সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাঁচ আগস্ট পর্যন্ত যারা স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে কাজ করেছে, দেশকে অস্থিতিশীল করতে এটা তাদের নতুন ষড়যন্ত্র। আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের মতো তোফাজ্জল ভাইয়ের হত্যাকারীদেরও বিচার করতে হবে। দেশে কোনো নৈরাজ্য সৃষ্টি করা চলবে না।

    প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও পাহাড়ে গণপিটুনিতে হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি করছেন সারাদেশের মানুষ। এদিন দুপুরে একই দাবিতে মানববন্ধন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস সোসাইটি’।

  • ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শামসুল আলম

    ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক শামসুল আলম

    অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামসুল আলমকে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে আগামী চার বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

    মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. শাহিনুর ইসলামের সইসহ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১৩-এর ১১১ ধারা অনুসরণ করে রাষ্ট্রপতি ও আচার্যের অনুমোদনক্রমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক শামসুল আলমকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

  • একাদশের রেজিস্ট্রেশন শুরু, করতে হবে যেভাবে

    একাদশের রেজিস্ট্রেশন শুরু, করতে হবে যেভাবে

    একাদশ শ্রেণিতে ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে অনলাইনে ভর্তি শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম রোববার থেকে শুরু হয়েছে। চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

    এ সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শেষ না করতে পারলে বোর্ড দায়ী থাকবে না বলে জানানো হয়েছে।

    ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এ–সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রকাশ করেছে।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, উল্লেখিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শেষ না করতে পারলে শিক্ষা বোর্ড দায়ী থাকবে না। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম ১৫ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। শিক্ষা বোর্ডসমূহের আওতাধীন দেশের সকল উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভর্তি ওয়েবসাইটের https://xiclassadmission.gov.bd এর College Login প্যানেলে (কলেজের ইআইআইএন নম্বর ও পাসওয়ার্ড) ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টার মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষ করতে হবে।

    এ কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ে শেষ করার অনুরোধ জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজ অনলাইনে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে পরবর্তীতে উদ্ভূত জটিলতার জন্য বোর্ড কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।

  • জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীহলে ছাত্রলীগ অবাঞ্চিত ঘোষণা

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীহলে ছাত্রলীগ অবাঞ্চিত ঘোষণা

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রী হলের ৯ ছাত্রলীগ কর্মীকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে শিক্ষার্থীরা।

    শনিবার ছাত্রীহলের সামনে নাম, ব্যাচ ও ছবিসহ ব্যানার ঝুলিয়ে তাদের অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

    ব্যানারে লেখা হয়, জুলাই বিপ্লবের বিপক্ষে থাকা ও গণহত্যাকে সমর্থনকারি ছাত্রলীগ কর্মীদের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে থেকে স্থায়ীভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হল।

    অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা ছাত্রলীগ কর্মীরা হলেন- ১১তম ব্যাচের মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ইভা রহমান, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ১৩ ব্যাচের স্বর্ণা পাটোয়ারী, ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন বিভাগের ১৩ ব্যাচের মৈত্রী বাড়ৈ, বাংলা বিভাগের ১৪ ব্যাচের আফিয়া আনঞ্জুম সুপ্তি, গণিত বিভাগের ১৩ ব্যাচের নিপুণ ইসলাম, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ১৪ ব্যাচের মুনিয়া আক্তার যুথি, দর্শন বিভাগের ১৪ ব্যাচের রিশাত আরা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১৬ ব্যাচের সৃজা, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারহানা ঐশী।

    অবাঞ্ছিত ঘোষিত বাংলা বিভাগের ১৪তম ব্যাচের আর্বতনের শিক্ষার্থী আফিয়া আনঞ্জুম সুপ্তি বলেন, আমি হলে যাচ্ছিনা ৪-৫ মাস হচ্ছে। আমার গ্রাজুয়েশন (স্নাতক) শেষ। আমি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্স্টাস করব না। বাহির থেকে করব। আমার হলের সিট অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছে এটা মেনে নেওয়া যায়, কারণ আমার গ্রেজুয়েশন শেষ। কিন্তু ১৭তম আর্বতনের আরও দুইটা মেয়ের সিট অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছে। এই অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার একমাত্র অধিকার আছে হল প্রভোস্ট ও ভিসি স্যারের। এই অবাঞ্ছিত ঘোষণা কোনদিন বৈধ হবে না। এটাই সবচেয়ে বড় বৈষম্য।

    এ বিষয়ে জানতে অবাঞ্ছিত আরও দুই ছাত্রলীগ কর্মী স্বর্ণা পাটোয়ারী ও ইভা সরকারকে ফোন করা হলে তার ফোন কেটে দেন।

    ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী স্বার্না রিয়া বলেন, হলের প্রভোস্ট না থাকার কারণে আমরা অফিসিয়াল কোন আবেদন করতে পারিনি। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এই ৯ জন ছাত্রলীগ কর্মীকে হল থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। পরে নতুন প্রভোস্ট আসলে ছাত্রী হল থেকে বহিস্কারের জন্য আবেদন করব।

  • বৃহস্পতিবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    বৃহস্পতিবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ

    আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি এ বিষয়টি জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে অবহিত করা যাচ্ছে যে, আগামীকাল ৫ সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার অনিবার্য কারণবশত সকল বিভাগের ক্লাস ও পরীক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে উল্লেখ্য যে, অফিসসহ ও অন্যান্য কার্যক্রম যথারীতি চলমান থাকবে।

    বুধবার গভীর রাতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। আহতদের শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। এ অবস্থায় বরিশাল নগরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

  • বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-প্রক্টরের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের আনন্দ মিছিল

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য-প্রক্টরের পদত্যাগ, শিক্ষার্থীদের আনন্দ মিছিল

    আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. বদরুজ্জামান ভুঁইয়া। আজ মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় তিনি এই পদত্যাগপত্র পাঠান। ববি রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম এ তথ্যের সত্যতা আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন। এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগে ক্যাম্পাসে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে বদরুজ্জামান ভুঁইয়া ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের কথা উল্লেখ করেছেন।

    এদিকে উপাচার্যের পদত্যাগে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তাঁরা সকাল থেকে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছিলেন। শিক্ষার্থী সিহাব, মেহেদী বলেন, অবশেষে স্বৈরাচারের দোসর ভিসি পদত্যাগ করায় ববি স্বাধীন হলো।

    উল্লেখ্য, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বদরুজ্জামান ভূঁইয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এবং শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া প্রক্টর ড. আব্দুল কাইউম বরিশাল সিটি নির্বাচনে নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

    জানা গেছে, ছাত্র আন্দোলনের কারণে গতকাল সোমবার দুপুর থেকে ড. বদরুজ্জামান ক্যাম্পাস ছেড়ে আত্মগোপনে যান। তিনি এর মধ্যে সোমবার সন্ধ্যায় ১০ মিনিট সিন্ডিকেট সভা এবং আজ মঙ্গলবার শিক্ষক-কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করেন। দুটিই ছিল ভার্চুয়ালি সভা।

  • এইচএসসির বাকি পরীক্ষা বাতিল

    এইচএসসির বাকি পরীক্ষা বাতিল

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে চলমান এইচএসসি ও সমমানের বাকি বিষয়গুলোর পরীক্ষা বাতিল করে অটোপাসের দাবি মেনে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

    মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আব্দুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অবশ্য এ বিষয়ে এখনো প্রজ্ঞাপন জারি করেনি মন্ত্রণালয়।

    এদিন পরীক্ষার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সভাপতিত্বে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের বাকি বিষয়গুলোর পরীক্ষা অর্ধেক প্রশ্নোত্তরে অনুষ্ঠিত হবে। পুনরায় পরীক্ষা শুরুর তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর থেকে আরও দুই সপ্তাহ পেছাবে।

    তবে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে বাকি বিষয়গুলোর পরীক্ষা বাতিল করে অটোপাসের দাবি মেনে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

    এর আগে, পরীক্ষা বাতিলের এক দফা দাবিতে বিকেলে সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভেতরে ঢুকে পড়েন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা ‘আমাদের দাবি একটাই-পরীক্ষা বাতিল চাই’, ‘দাবি মোদের একটাই-পরীক্ষা বাতিল চাই’, ‘আপস না সংগ্রাম-সংগ্রাম-সংগ্রাম’, ‘পরীক্ষা না বিকল্প, বিকল্প-বিকল্প’, ‘যুক্তি দিয়ে আন্দোলন-বন্ধ করা যাবে না’, ‘চলছে লড়াই-চলবে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

    সকাল থেকে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো হন পরীক্ষার্থীরা। দাবি আদায়ে দুপুরের দিকে তারা সচিবালয়ে ঢুকে পড়েন।

    পরে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল শিক্ষা উপদেষ্টা বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান এবং আলোচনার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন। সে সময় বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের বিষয়টির শান্তিপূর্ণ সমাধানের আশ্বাস দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

  • মুক্তি পেয়েছেন আসিফ মাহতাব

    মুক্তি পেয়েছেন আসিফ মাহতাব

    মুক্তি পেয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক আসিফ মাহতাব। কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে মাঠে নামায় সম্প্রতি তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাজধানীর সেতুভবনে আগুন দেওয়ার মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে।

    বিস্তারিত আসছে….।

  • এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু আগামীকাল

    নিউজ ডেস্কঃঃ আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ ১১টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় গ্রহণ নেবে। সারাদেশে ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মোট ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে এসএসসি, দাখিল ও এসএসসি (ভকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেবে।

    এ বছর এসএসসি পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও সার্বিক দিক বিবেচনা করে যানজট এড়াতে তা পিছিয়ে বেলা ১১টা থেকে শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    গত ১৯ জুন এসএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও সিলেটসহ দেশের অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে যায়। এবার সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাসে ৩ ঘণ্টার পরিবর্তে ২ ঘণ্টা পরীক্ষা নেওয়া হবে।

    প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হলেও করোনার কারণে এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার।

    করোনার কারণে দ্বিতীয় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস বন্ধ করা হয় চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি। এক মাস পর ২২ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত শিক্ষাঙ্গন খুলে দেয় সরকার।

    ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর পর দুই দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করা হয়। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর প্রথম দফায় গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ধীরে ধীরে খুলতে শুরু করে শিক্ষাঙ্গন।

    এদিকে সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির কারণে পেছানো ২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ৬ নভেম্বর। এবার সকাল ও বিকেল দুই ধাপে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সকালের পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা এবং বিকেলের পরীক্ষা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। গত সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার সূচি প্রকাশ করেছে।

  • বন্ধ হতে পারে মাধ্যমিকের শিক্ষকদের বেতন

    বন্ধ হতে পারে মাধ্যমিকের শিক্ষকদের বেতন

    নিউজ ডেস্কঃ  নিয়ম অনুযায়ী সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ৫০ ভাগ সিনিয়র শিক্ষক ও ৫০ ভাগ সহকারী শিক্ষক থাকার কথা। কিন্তু এ নিয়ম মানছে না কোনো বিদ্যালয়। এর ফলে সরকারি মাধ্যমিকে সিনিয়র শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বিভাজন না থাকায় বেতন বন্ধ হতে যাচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। মাউশি কর্মকর্তারা বলছেন, সম্প্রতি সহকারী প্রধান শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক করা হয়েছে। এরফলে সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে সিনিয়র শিক্ষকদের পদোন্নতি দেয়া হবে। এর ফলে সিনিয়র শিক্ষক কম হওয়ায় ৪১৩ জন নতুন সিনিয়র শিক্ষককে পদোন্নতি দিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের আপত্তি থাকায় প্রস্তাবনাটি ঝুলে আছে।


    জানা যায়, সহকারী শিক্ষক থেকে সিনিয়র শিক্ষক পদোন্নতি দেয়ায় দেখা যাচ্ছে একটি স্কুলে ৭০ ভাগ এখন সিনিয়র শিক্ষক। অন্যদিকে সহকারী শিক্ষক মাত্র ৩০ ভাগ।


    দেশের জেলা উপজেলা পর্যায়ে এই সংকট তীব্র না থাকলেও রাজধানীর একটি স্কুলে ৮০ শতাংশের বেশি সিনিয়র শিক্ষক। এর মধ্যে সমস্যা আরো প্রকট হয়েছে। একারণে বিভাজন নীতিমালা অনুসরণ না করায় শিক্ষকদের বেতনের বিষয়ে আপত্তি দেয় অর্থ মন্ত্রণালয়। কিন্তু মাউশির তদবিরে এখন পর্যন্ত বেতন বন্ধ হয়নি। তবে এ অবস্থা চলতে থাকলে এসব শিক্ষকদের বেতন বন্ধ করে দেবে সরকার। এরই মধ্যে সাবজেক্ট সমস্যার কারণে বহু নতুন শিক্ষক যোগদান করার পরও সরকারি বেতন পায়নি।

    তবে এ বিষয়ে মাউশি পরিচালক (বিদ্যালয়) মো. বেলাল হোসাইন বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, বেতন বন্ধ হওয়ার মতো কোনো আশঙ্কা দেখছি না। এ বিষয়ে একটা জটিলতা তৈরি হয়েছে এটা সত্যি। আমরা সমস্যাটি মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপন করেছি। শিক্ষা মন্ত্রণায়ের নির্দেশনা পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হলে সংকট কেটে যাবে।


    মাউশি সূত্র জানায়, সম্প্রতি সিনিয়র শিক্ষকদের নিয়ে আরো একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে। কে কোন বিষয়ের শিক্ষক এটি তারা উল্লেখ করছে না। যেকারণে ধর্ম বিষয়ের শিক্ষক গণিত পড়াচ্ছেন। আবার বাংলার শিক্ষক পড়াচ্ছেন বিজ্ঞান। এমন অবস্থারও পরিবর্তন চাইছে মন্ত্রণালয়।

    মাউশি কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের কাছে যে পিডিএস আছে সেখানে কে কোন বিষয়ের শিক্ষক তা উল্লেখ আছে। কিন্তু বাইরে তারা নিজের বিষয়ে লুকিয়ে অনেকেই শ্রেণিক্লাস ও প্রাইভেট পড়াতে বাড়তি সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করছেন। আমরা চাইছি সিনিয়র শিক্ষক হলেও কে কোন বিষয়ের শিক্ষক তা উল্লেখ থাকতে হবে।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাউশি মাধ্যমিক শাখার এক কর্মকর্তা বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় সিনিয়র শিক্ষক বেশি হওয়ায় ৭০০ নতুন শিক্ষকের নিয়োগের চিন্তা করা হচ্ছে। যেহেতু শিক্ষক নিয়োগ বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে হয় সেকারণে এই পরিমাণ নিয়োগের প্রয়োজনীয়তা দিয়ে আমরা চিঠি দিয়েছি। আশা করছি নতুন শিক্ষক নিয়োগ হলে শিক্ষক সংকট থেকে সব ধরণের সমস্যা কেটে যাবে।