Category: অন্যান্য

  • সিগারেট তৈরির একটি মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা!

    সিগারেট তৈরির একটি মূল উপাদান ইঁদুরের বিষ্ঠা!

    সিগারেটের পেছনে মাসে কারো কারো হাজার হাজার টাকা ব্যয় হয়। জানেন কি এই সিগারেট কি থেকে তৈরি হয়? হ্যাঁ, অবশ্যই তামাক পাতা সুন্দর করে কেটে পরিশোধন করার পর তার সঙ্গে আনুষঙ্গিক কয়েকটি উপাদান মিশিয়ে কাগজে মোড়ানো সিলিন্ডারের ভেতর পুরে সিগারেট তৈরি করা হয়।

    তবে সম্প্রতি একটি গবেষণা থেকে জানা গেছে, সিগারেটের মুল উপাদান গুলির একটি ইঁদুরের বিষ্ঠা। অবাক হওয়ার কিছুই নেই। কারণ সম্প্রতি অপর একটি গবেষণায় জানানো হয়েছে, পৃথিবী বিখ্যাত আইভরি কফি তৈরি নাকি তৈরি হয় হাতির বিষ্ঠা থেকে। যেমনটি ভারতে কফি তৈরি হয় বিড়ালের মল থেকে!

    যাই হোক এসব তাও মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু পরবর্তী যে তথ্যটি একেবারেই ঘৃন্যকর, সেটি হল সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। নেদারল্যান্ডস এর এক গবেষণায় দেখা গেছে- ১৮৫টি সিগারেট উৎপাদনকারী কারখানায় ব্যবহার করা হয় শূকরের রক্ত। কারণ সিগারেটের ফিল্টারে রক্তের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিমোগ্লোবিন ব্যবহার করা হয়।

    নেদারল্যান্ডসের ওই গবেষণায় আরও দেখা গেছে, শূকরের রক্ত থেকে হিমোগ্লোবিন নিয়ে তা সিগারেটের ফিল্টারে ব্যবহার করা হয়। গ্রিসের একটি সিগারেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান শূকরের হিমোগ্লোবিন ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেছে। তারও আগে জানা গিয়েছিল, সস্তা সিগারেটের মধ্যে অ্যাজবেস্টস এবং মৃত মাছিও থাকে।

  • শোবিজ নয়, এবার অন্য ভুবনের বাসিন্দার সাথে জীবন বাঁধব: শাকিব

    শোবিজ নয়, এবার অন্য ভুবনের বাসিন্দার সাথে জীবন বাঁধব: শাকিব

    ঢালিউডের নবাব শীর্ষনায়ক শাকিব খান এখন শান্তির সন্ধানে ছুটছেন। তার কথায়, দেখতে দেখতে বেলা ঢের গড়াল। পৃথিবীর উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিম আর ঈশান কোণেও কম ঘোরা হলো না। সৃষ্টিকর্তা আমাকে যশ, খ্যাতি, অর্থ, বিত্ত সবই দিয়েছেন। বলতে পারেন তার ইচ্ছায় আমার জীবন এখন পূর্ণতায় ভরা। তারপরও একটা শূন্যতা আর একাকিত্ব আমাকে গ্রাস করছে। সময় তো কারও জন্য অপেক্ষা করে না। মানুষের জীবনের পরিধি বড়ই ছোট। সেই ছোট জীবনে কিছু বড় কাজ মানুষকে মৃত্যুর পরও অমর করে রাখে।

    শীর্ষ নায়কের কথায়, আমি এখন আমার জীবনকে নতুন করে সাজাতে চাই। স্থির মানুষ হতে চাই। এর জন্য দরকার একজন রিয়েল লাইফ পার্টনার। ক্ষোভ ঝরা কণ্ঠে তিনি বলেন, আগেও যে আমি এই চেষ্টা করিনি তা কিন্তু নয়। মিডিয়াকে ভালোবাসি বলে এই জগতের মানুষের সঙ্গে চিরদিনের বাঁধনে নিজেকে বেঁধেছিলাম। না, শান্তি পাইনি, প্রতারিত হয়েছি। যাদের বেশি বিশ্বাস করেছি তারাই আমার পিঠে ছুরি বসিয়েছে। হৃদয়ে রক্ত ঝরিয়েছে।

    দৃঢ়প্রত্যয়ী শাকিব বলেন, এভাবে আর নিজের রক্তক্ষরণ হতে দিতে পারি না। এবার পার্সোনাল আর প্রফেশনাল লাইফের মধ্যখানে দৃশ্যমান বিভক্তি টানতে চাই। কাজের জন্য শোবিজ দুনিয়া আর ব্যক্তিজীবনে অন্য ভুবনে বাস করতে চাই। এবার আমি যার সঙ্গে জীবন বাঁধব সে হবে শোবিজ নয়, অন্য ভুবনের বাসিন্দা। তার সুখের জন্য আমার সব প্রাচুর্য আর ভালোবাসা নিংড়ে দেব। বিনিময়ে চাইব একটু শান্তি আর সুখ। হতাশা নিয়ে নবাব শাকিব বলেন, হয়তো ফেলে আসা জীবনে উচ্ছৃঙ্খলতাকে প্রশ্রয় দিতে গিয়ে কখন কোথায় গতিরোধ করতে হবে তা বুঝে উঠতে পারিনি। আর এই না পারার দুর্ঘটনা আমাকে অনেকটা আহত আর পঙ্গু করেছে। সেই ক্ষত সারাতে চাই। এ জন্য প্রয়োজন বুদ্ধিদীপ্ত মন আর উজাড় করা ভালোবাসায় ভরা জীবনসাথী। যে আমার পথচলাটা শুধরে দেবে। দিনশেষে আমাকে একবিন্দু শান্তি দেবে, ভালোবাসায় আমার ভুবনটা ভরিয়ে দেবে। আমার পাশে বসে হাতপাখার বাতাসে পরম মমতায় সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে দেবে। আমি কি পাব না এমন ভালোবাসার মানুষের সন্ধান? আমি তো বড় বেশি অপরাধ করিনি। যা হয়েছে সবই দুর্ঘটনা।

    শান্তি সন্ধানী শাকিবের প্রশ্ন, নাটোরের বনলতা সেনের মতো কেউ কি আমাকে একদণ্ড শান্তি দেবে না। আগামী দিনের পরিকল্পনার ছক এঁকে শীর্ষনায়ক বলেন, বর্তমান সময়ে আমার হাতে থাকা সব কাজ গুছিয়ে এনে আগামী বছর নতুনরূপে নিজেকে সাজাতে চাই। অন্য এক শাকিব খানে পরিণত হতে চাই। এর জন্য দরকার মন বোঝার মতো একজন পথচলার সাথী। যে সারাদিন আমার মনটাকে শান্তিতে ভরিয়ে রাখবে। আবারও শাকিবের প্রশ্ন, কোথায় পাব তারে? আমি এখন সেই শান্তির সন্ধানে আছি। সেই শান্তির হাত ধরে নতুন বছরে নতুন করে পথচলার হিসাব-নিকাশটা করতে চাই। অভিনয় নিয়ে দিনরাত এক নিঃশ্বাসে আর দিগ্বিদিক ছোটাছুটি নয়। এবার স্থির হব। নিজের প্রযোজনার ঘর থেকে একনাগাড়ে মানগত ছবি নির্মাণ দিয়ে দেশীয় চলচ্চিত্র ভাণ্ডারকে পূর্ণতা দিয়ে যাব। আর সবই সম্ভব হবে যদি মনের মতো একজন পথচলার সাথী পেয়ে যাই। আল্লাহর কাছে এখন আমার এই একটিই প্রার্থনা—

  • সুপারহিরোদের প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস কেন?

    সুপারহিরোদের প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস কেন?

    সুপারম্যান, ব্যাটম্যান, অরণ্যদেব, ফ্লাশ গর্ডনের মতো সুপারহিরোদের প্যান্ট বা লেগিংসের ওপর অন্তর্বাস দেখা যায়। কিন্তু কেন? মহাতারকাদের ক্ষেত্রে এমন পোশাক স্বাভাবিক। যদি সাধারণ কোনো ব্যক্তি এমনটি করে তাহলে নির্ঘাত সবাই হাসবে। তবে কেন এমন বিচিত্র স্টাইল চালু হলো? আসুন জেনে নেই এর কারণ-

    জানা যায়, ত্রিশের দশক থেকে বিভিন্ন চরিত্রের কস্টিউম ডিজাইনের মধ্যে এ প্রবণতা শুরু হতে থাকে। এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে বলে মনে করা হয়।

    ঝকঝকে ছাপা
    এর পেছনে ছাপার প্রযুক্তিরও বড় ভূমিকা রয়েছে। সে সময়ে সস্তায় ঝকঝকে ছাপা অতোটা সহজ ছিল না। নানা সমস্যা দেখা দিত। সেসব এড়াতেই সচেতন থাকতে হতো। সাদামাটা ডিজাইনেও চরিত্রটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ দেখাতে এমন কৌশল প্রয়োগ করা হতে পারে। প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস চাপিয়ে দেওয়া হয়তো তেমনই এক প্রচেষ্টা।

     

    শারীরিক দক্ষতা
    শারীরিক দক্ষতা ও পৌরুষের দিকটিও ধরা পড়ে এ ধরনের পোশাক ব্যবহারে। কারণ সুপারহিরোকে হতে হবে ‘সুপার-মাসকুলিন’! তাই তার অন্তর্বাসও থাকবে মানুষের চোখের ওপরে।

    সার্কাসের অনুরূপ
    বিশ-ত্রিশ দশকের কুস্তিগির বা সার্কাসের ট্র্যাপিজ খেলোয়াড়দের খাটো ও টাইট পোশাকের অনুকরণেই সুপারম্যানের এ পোশাকের শুরু। এমনকি অ্যাক্রোব্যাটিক স্কিলও সুপারহিরোদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য! তাই তাদের পোশাক হিসেবেও প্যান্টের ওপর অন্তর্বাস ঠাঁই পেয়ে গেল।

    সুপ্যারম্যানের সমর্থক
    সুপ্যারম্যানের পোশাকের পর থেকে বাকি সুপারহিরোদের মধ্যে এ প্রবণতা ছড়িয়ে যায়। প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস পরার প্রবণতা ডিসি কমিকসে যতটা, মার্ভেল কমিকসের ক্ষেত্রে ততটা নয়। চরিত্রগুলো সিনেমায় দেখানোর ক্ষেত্রেও তা লক্ষণীয় ভাবে কমছে।

    in

    বাংলা সুপারহিরো
    পুরোপুরি সুপারহিরো না হলেও সাধারণের চেয়ে অনেক গুণ শক্তিধর ‘বাটুল দ্য গ্রেট’। এ চরিত্রের নিম্নাঙ্গে না হোক ঊর্ধ্বাঙ্গে কিন্তু অন্তর্বাসই। যাকে বলে স্যান্ডো গেঞ্জি। যেন দেহচর্চার পোশাক।

    ব্যতিক্রমী শক্তিমান
    এক সময় ঝড় তুলেছিল ‘শক্তিমান’। অনেকটা বিদেশি সুপারহিরোদের মতো হলেও গুণগত মানে তাদের সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারেনি। তবে শক্তিমানের প্যান্ট ছিল, প্যান্টের ওপরে অন্তর্বাস ছিল না

  • দেখা মিলল সাদা কাকের!

    দেখা মিলল সাদা কাকের!

    কাকের সঙ্গে কালো রংটাই যেন মানানসই। কারণ কালো কাকই এখন পর্যন্ত দেখে এসেছে মানুষ। তবে এবার দেখা মিলল ধবধবে সাদা একটি কাকের। কাকটির পা এবং ঠোঁট গোলাপি রঙের। বিরল এই কাকটি ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার নন্দ মার্কেটে।

    crow-in-(1)

    জানা যায়, রামকৃষ্ণ মাইতি নামের এক ব্যবসায়ী দোকানের বাইরে একটি নারিকেল গাছের নিচে সাদা রঙের একটি পাখি দেখতে পান। সম্ভবত নারিকেল গাছের মাথায় থাকা বাসা থেকেই পড়ে গিয়েছে পাখিটি। কিন্তু দেখতে অবিকল কাকের মতো! তবে গায়ের রং ধবধবে সাদা।

    crow-in-(2)

    রামকৃষ্ণ মাইতি পাখিটিকে পানি ও বিস্কুট খেতে দেন। এরপর খবর দেন বন দফতরে। কিছুক্ষণের মধ্যে বন দফতরের একটি দল এসে পাখিটি উদ্ধার করে। বন দফতরের কর্মীরা জানান, এটি সাদা কাক। পাখি বিশেষজ্ঞরা জানান, পাখিটির পালকে পিগমেন্টের অভাবে রং সাদা হয়েছে। ঠিক যেভাবে সাদা বাঘ দেখা যায়।

     

  • আগামী নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই : এ্যানী

    আগামী নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই : এ্যানী

    কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচন বিএনপির জীবন-মরণের লড়াই। সেই নির্বাচনে জয়লাভ করতে হবে।

    তিনি বলেন, গাজীপুরে আওয়ামী লীগ নির্বাচন হতে দেয়নি। খুলানায় নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে। কিন্তু ৩০০ আসনে নির্বাচন হলে ভোট ডাকাতির সুযোগ হবে না। চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রতিহত করবে।

    বুধবার সন্ধ্যায় জিয়াউর রহমানের ৩৭তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির একাংশের আয়োজনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল তিনি এসব কথা বলেন।

    লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক এমপি এ্যানী বলেন, শুধু আইনিভাবে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এটি রাজনৈতিক মামলা, তা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবেলা করতে হবে। এজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে নেতাকর্মীদের খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

    এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল খায়ের ভূঁইয়া, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুল আলম, বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম, নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, হাফিজুর রহমান ও মাইন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ।

    এদিকে, একই সময় জেলা বিএনপির অপরাংশের উদ্যোগে পৃথক শহরের উত্তর তেমুহনীতে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাহাবুদ্দিন সাবু, সিনিয়র সহ-সভাপতি ছাইদুর রহমান চুট্টো, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বেপারি ও সাংগঠনিক সম্পাদক হাছিবুর রহমান প্রমুখ। এ সময় প্রয়াত জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

     

  • আট জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯

    আট জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ৯

    দেশের ৮ জেলার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দকযুদ্ধে ৯ জন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহতরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী।

    মঙ্গলবার দিবাগত রাত ও বুধবার ভোরে ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, জামালপুর, রংপুর, কুমিল্লা, ফেনী, গাইবান্ধা ও কুষ্টিয়ায় এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

    জামালপুর 
    শহরতলীর ছনকান্দা মাদ্রাসা বালুঘাট এলাকায় পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক অজ্ঞাত মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

    জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাশেদুল ইসলাম জানান, ভোরে একদল মাদক ব্যবসায়ী মাদক ক্রয় বিক্রয় করছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছুড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে এক মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়। এ সময় অন্য মাদক ব্যবসায়ীরা ব্রহ্মপুত্র নদ পার হয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাসিমুল ইসলামসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা, ১০০ গ্রাম হেরোইন, একটি পিস্তল ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

    ঠাকুরগাঁও
    সদর উপজেলার ভাতারমাড়ী ফার্ম নামক স্থানে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আলতাফুর নামে একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, সে একজন মাদক ব্যবসায়ী। বুধবার ভোর ৪টার দিকে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে বলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে টেলিফোনে জানানো হয়েছে।

    জেলা পুলিশ জানায়, পীরগঞ্জ ও বালিয়াডাঙ্গী দুই থানার পুলিশের এক যৌথ অভিযানের সময় মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের গুলিতে আহত হয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমানসহ দুই পুলিশ সদস্য।

    গাইবান্ধা
    পলাশবাড়ী উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রাজু মিয়া নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালে গাইবান্ধার র‌্যাব-১৩ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নিহত রাজু পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের রাইগ্রামের মৃত আব্দুল জোব্বারের ছেলে।

    র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে উপজেলার বিশ্রামগাছি গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালান রাজু। এ সময় র‌্যাবও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে রাজু নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন র‌্যাবের দুই সদস্যও। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও গাঁজা জব্দ করা হয়েছে। রাজুর বিরুদ্ধে পলাশবাড়ী থানায় মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানায় র‌্যাব।

    কুমিল্লা
    জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর ব্রিজ সংলগ্ন সামারচর এলাকায় ডিবি ও থানা পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইসহাক ওরফে ইছা নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় কোতয়ালী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সালাহউদ্দিন, এসআই মারুফ ও কনস্টেবল মিজানসহ ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর ব্রিজ সংলগ্ন সামারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ৪০০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ইছা একই উপজেলার গাজীপুর গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে।

    কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, পুলিশের মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চলাকালে মঙ্গলবার বিকালে ইসহাককে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী সদর উপজেলার সামারচর এলাকা থেকে ফেনসিডিল উদ্ধার শেষে ফেরার পথে ইছার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এ সময় পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি ছুড়ে। এক পর্যায়ে ইছার সহযোগীদের এলোপাথাড়ি গুলিতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত ইছার বিরুদ্ধে মাদক আইনে ১১টি মামলা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

    ফেনী
    জেলা শহরের কালিপাল নামক স্থানে র‌্যাবের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মোহাম্মদ ফারুক (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। সে চট্টগ্রামের চন্দনাঈশ এলাকার অলি আহম্মদের ছেলে। র‌্যাবের দাবি, তার বিরুদ্ধে থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

    ফেনীস্থ র‌্যাব ক্যাম্পের অধিনায়ক সাফায়াত জামিল ফাহিম জানান, মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব ফেনী ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনীর শহরের কালিপাল এলাকায় চেক পোস্ট স্থাপন করে। এসময় মাদক ব্যবসায়ী ফারুক চট্টগ্রাম থেকে মাদক নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিল। ফারুক র‌্যাবের চেক পোস্ট ভেঙে প্রাইভেটকার নিয়ে চলে যাওয়ার সময় র‌্যাবের সাথে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ফারুক গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে ফেনী জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। র‌্যাব পরে তার গাড়ি তল্লাশি করে ২২ হাজার পিস ইয়াবা, একটি ওয়ান শুটারগান, ১০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

    কুষ্টিয়া
    মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায় ও ভেড়ামারা উপজেলার হাওয়াখালী ইটভাটা মাঠে পুলিশের সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধে ফটিক ওরফে গাফফার (৩৭) ও লিটন শেখ (৪০) নামে দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ফটিক কুমারখালী উপজলার এলেঙ্গীপাড়ার মৃত ওসমান গণির ছেলে এবং লিটন শেখ উপজেলার নওদাপাড়া এলাকার মৃত গোলবার শেখের ছেলে।

    কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, মাদক ব্যবসায়ীরা লাহিনীপাড়ার গড়াই নদীর পাড় সংলগ্ন ব্রিজের নিচে অবস্থান করছে এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য কর গুলি ছুড়ে। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ফটিক ওরফে গাফফার গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ওসি আরও জানান, ফটিক ওরফে গাফফার পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। বন্দুকযুদ্ধে পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি, ৭শ’ পিস ইয়াবা ও ৫শ’ গ্রাম গাজা উদ্ধার করা হয়েছে।

    এদিকে ভেড়ামারা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, ভেড়ামারা উপজেলার হাওয়াখালী ইটভাটা মাঠে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী লিটন নিহত হন। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, ৩ রাউন্ড গুলি, ৫০০ পিস ইয়াবা ও ২ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করেছে।

    লালমনিরহাট 
    সদর উপজেলার কুলাঘাট ধরলা সেতুর কাছে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নুর আলম এশা (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। বুধবার ভোর রাতে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেনসিডিল, ৬টি রামদা ও কিছু গুলির খোসা উদ্ধারের দাবি করেছে।

  • সাকিবের হায়দারাবাদের প্রতিপক্ষ আজ বেঙ্গালুরু

    সাকিবের হায়দারাবাদের প্রতিপক্ষ আজ বেঙ্গালুরু

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চলতি আসরে দারুণ ছন্দে আছে সাকিব আল হাসানের সানরাইজার্স হায়দারাবাদ।  ৯ ম্যাচে ৭ জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে দলটি।  টুর্নামেন্টের চলতি আসরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বিপক্ষে আজ রাতে প্রথমবারের মতো মাঠে নামছে হায়দ্রাবাদ।

    নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের হাত ধরে দুর্দান্ত খেলছে সানরাইজার্স হায়দারাবাদ।  আর ব্যাটে বলে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে দলের এ অগ্রযাত্রায় দারুণ ভূমিকা রাখছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা অল রাউন্ডার সাকিব।  এরই মধ্যে টি-টোয়েন্টির বিরল এক রেকর্ডের অধিকারী হয়েছেন তিনি।  ক্যারিবিয় অল রাউন্ডার ডোয়াইন ব্রাভোর পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এ সংস্করণে ৪ হাজার রান ও ৩০০ উইকেটের ‘ডাবল’ স্পর্শ করেছেন তিনি।  এছাড়া আইপিএলে ৫০ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন সাকিব।

    অন্যদিকে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ৯ ম্যাচে মাত্র ৩টি জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

    হায়দ্রাবাদের মাঠে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮.৩০ মিনিটে ।

  • বরিশালে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় পুলিশের তল্লাশী, আটক ২

    খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিসহ নিরপেক্ষ সহায়ক সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচনের দাবিতে নগরীতে সমাবেশের ঘোষনা দিয়েছে বিএনপি। পুলিশের অনুমতি না পেলেও আগামী ৭ এপ্রিল বরিশাল নগরীতেই বিএনপির মহাসমাবেশ করা হবে বলে হুশিয়ারী দেয় বিএনপির যুগ্ম মাহাসচিব এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার। যার ফরে বৃহস্পতিবার থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় তল্লাশী অভিযান শুরু করে পুলিশ। পুলিশের তল্লাশী অভিযান টের পেয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা রয়েছেন পলাতক।

    সূত্র জানায়, নগরীতে পুলিশের তল্লাশী অভিযানে বরিশাল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মশিউর আলম মঞ্জুকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে নগরীর অক্সফোড মিশন রোড এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে। মঞ্জুর আটকের সংবাদে বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়লে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা। এছাড়া সন্ধায় বরিশাল কোতোয়ালী বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন লাবুকে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে আটক করা হয়। আটকের বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের এসআই শামিম জানায়, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহামান মঞ্জুর নামে রাজনৈতিক বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। মামলার আসামি বিধায় তাকে আটক করা হয়েছে।

  • শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    আমাদের শরীরের ৬০ শতাংশই জলীয় পদার্থ। আর যখন শরীরের পানির পরিমাণ কমে যায়, তখনই আমাদের ডিহাইড্রেশন হয়। শরীর থেকে সাধারণত প্রস্রাব, ঘাম এবং মলমূত্রের মাধ্যমে পানি নির্গত হয়।

    পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করতে তাই আমাদের প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া দরকার। অল্প মাত্রায় পানিশূন্যতা হলে তা প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে ঠিক হয়ে গেলেও, গুরুতর পানিশূন্যতা হলে চিকিৎসার প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

    কী কী কারণে হয় পানিশূন্যতা?

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ডায়রিয়া, অতিরিক্ত সুর্যের তাপে থাকা, অতিরিক্ত শরীর চর্চার সময় প্রচুর পরিমাণে ঘাম নির্গত হলে এবং ডায়াবিটিসের কারণেও হতে পারে পানিশূন্যতা।

    পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো কী কী?

    ১. প্রচণ্ড পানি তেষ্টা পাওয়া।

    ২. মুখ শুকিয়ে যাওয়া।

    ৩. মাথা যন্ত্রণা।

    ৪. মেজাজ খারাপ হওয়া।

    ৫. দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যাওয়া।

    ৬. পেশিতে টান ধরা।

    ৭. চামড়া শক্ত হয়ে যাওয়া।

    ৮. বারবার মিষ্টি খেতে চাওয়া।

  • পাইলসের প্রাথমিক উপসর্গ ও চিকিৎসা

    পাইলসের প্রাথমিক উপসর্গ ও চিকিৎসা

    পাইলস হলে বা পায়ুপথের কোনো রোগ হলে অনেক রোগী সহজে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। কারণ তারা মনে করেন ডাক্তারের কাছে গেলেই বুঝি অপারেশন করে দেবেন। পাইলস হলেই অপারেশন করতে হবে কথাটি সঠিক নয়। আর একবার করলে বার বার করতে হবে সেটি পুরোপুরি মিথ্যা। পাইলসকে কয়েক স্তরে ভাগ করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ের পাইলসে শুধু রক্ত যায়। পরবর্তীতে আস্তে আস্তে একটু একটু করে মাংসপিণ্ড বের হয় এবং চলে যায়, তৃতীয় পর্যায়ে মাংসপিণ্ডটি যেতে চায় না, ঠেলে ঢুকিয়ে দিতে হয়, আর চতুর্থ পর্যায়ে সেটি সবসময় বাইরেই থাকে। প্রথম দুই পর্যায়ে অর্থাৎ যখন শুধু রক্ত যায় আর মাংসপিণ্ড বেরিয়ে চলে যায়, এ সময়ে সাধারণত অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে না। অপারেশন ছাড়া চিকিৎসার কয়েকটি পদ্ধতি আছে। এর মধ্যে রিং লাইগেশন কার্যকর এবং জনপ্রিয়। পাইলসের গুচ্ছসূমহের গোড়ায় একটি আংটির মতো রিং পরিয়ে দেওয়া হয়। রিং পাইলসের গুচ্ছকে চেপে ধরে রাখে এতে এর রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে কয়েক দিন পর পাইলসটি পড়ে যায়। এজন্য হাসপাতালে থাকতে হয় না। আর একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে ইনজেকশন স্ক্লেরথেরাপি। এই প্রক্রিয়ায় পাইলসের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইনজেকশন দেওয়া হয়, ফলে পাইলসটি আস্তে আস্তে শুকিয়ে যায়। এটিও ব্যথামুক্ত এবং এজন্যও রোগীকে হাসপাতালে থাকতে হয় না। আরও কয়েকটি পদ্ধতি আছে, যেমন ইনফ্রারেড কোয়াগুলেশন, লেজার থেরাপি ইত্যাদি। কিন্তু এসবে ফলাফল তেমন সন্তোষজনক না হওয়ায় সেগুলো জনপ্রিয় নয়।

    অপারেশন ছাড়াই অধিকাংশ পাইলসের চিকিৎসা সম্ভব, তবে তার জন্য প্রয়োজন সচেতনতা। রোগীদের প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসকের কাছে আসতে হবে। কিন্তু  দেখা যায় অধিকাংশ রোগীই চিকিৎসকের কাছে আসেন অনেক দেরিতে। অনেক সময় ১৫/২০ বছর রোগে ভোগার পর। এ সব ক্ষেত্রে আসলেই অপারেশন ছাড়া আর কোনো গত্যন্তর থাকে না।

    চিকিৎসকের কাছে গেলেই অপারেশন করে দেবে কথাটা ঠিক নয়, বরং যথাসময়ে চিকিৎসকের কাছে না যাওয়ার কারণেই বাধ্য হয়ে পাইলসের অপারেশন করতে হয়।

    অধ্যাপক ডা. এসএমএ এরফান

    জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হসপিটাল, ধানমণ্ডি, ঢাকা।