সংবিধানকে সমুন্নত রাখতে হবে: স্পিকার

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে জনগণের মৌলিক অধিকারগুলো সংরক্ষণ করে ও নিশ্চয়তা দেয় সংবিধান। বাংলাদেশের সংবিধানে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং জাতীয়তাবাদ- এ চারটি মূলনীতিকে সমুন্নত রাখা হয়েছে- যার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধানগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের সংবিধান অন্যতম। উত্তরাধিকার কিংবা সমঝোতার সূত্রে নয়, বরং লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এ সংবিধান। এ সংবিধানকে সমুন্নত রাখতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ আয়োজিত ‘সংবিধান, গণপরিষদ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক সেশনে তিনি এসব কথা বলেন।

১৫টি দেশের ২৯ জন বিদেশিসহ ৮৪ জন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল/যুগ্মসচিব পদ মর্যাদার সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ পরিচালিত এনডিসি ২০১৯ কোর্সের এই সেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ- নির্বাহী বিভাগ, আইন সভা ও বিচার বিভাগ-সংবিধান অনুযায়ী জনগণের স্বার্থেই কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ’ উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, জনগণের কল্যাণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের কার্যাবলির মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে।

স্পিকার আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়। স্বাধীনতার অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর জাতিকে তিনি উপহার দিয়েছেন এ অনন্য সংবিধান।

এ সময় ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্সের অংশগ্রহণকারীবৃন্দ, ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও স্টাফ অফিসাররা উপস্থিত ছিলেন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *