বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে জাঁকজমক প্রস্তুতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

রোববার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী। দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দিনটি উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এ নির্দেশনা সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে দিনটি জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে উদযাপনে শনিবার থেকে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নানা প্রস্তুতি শুরু করে। বিদ্যালয় ও কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবার বিদ্যালয় পর্যায়ে চিত্রাঙ্কন ও শিশু কণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃতি, রচনা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ দোয়া-মোনাজাতের আয়োজন করা হবে।

অন্যদিকে কলেজ পর্যায়ে রচনা, আবৃতি, আলোকচিত্র ও বির্তক প্রতিযোগিতা, প্রবন্ধ পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, দোয়া মাহফিলসহ বিভিন্ন আয়োজন করা হবে।

রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোববার বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

এদিন সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিকেলে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান, জন্মবার্ষিকীর কেক কাটা ও দোয়া মোনাজাত করা হবে।

তারা জানান, জন্মবার্ষিকীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান তুলে ধরা হবে। তার জীবনীর উপর আলোকপাত করা হবে। এছাড়া শিশুকণ্ঠে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ প্রতিযোগিতাসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। পরে বঙ্গবন্ধুর রূহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করা হবে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক মান্নান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী পালন করতে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয় ও কলেজ পর্যায়ে আলাদা আলাদা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, এসব আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধু সর্ম্পকে জানতে পারবে। বঙ্গবন্ধুর জীবনী জানতে আগ্রহ তৈরি হবে। তারা বাংলাদেশ স্বাধীন করতে বঙ্গবন্ধুর অবদান জানতে পারবে।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *