কলাপাড়ায় সংঘর্ষে চীনা নাগরিকের শেবাচিমে মৃত্যু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শ্রমিক নিহতের ঘটনায় সংঘর্ষে আহত নাজাং ইয়াং ফাং নামে এক চীনা নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

মৃত চীনা নাজাং ইয়াং ফাং পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে চাকরি করতেন।

জানা যায়, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে মঙ্গলবার দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত শ্রমিকদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় সেখানে কর্মরত চীনা নাগরিকদের। এতে আট চীনা নাগরিক আহত হন। এদের মধ্যে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হেমায়েত উদ্দিনের তত্ত্বাবধায়নে মঙ্গলবার ছয় চীনা নাগরিককে শেবাচিম হাসপাতালে আনা হয়।

শেবাচিম হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মাহাবুবুর রহমান জানান, মঙ্গলবার দিনগত রাত ১টার দিকে হাসপাতালে ছয় চীনা নাগরিককে ভর্তি করা হয়। এদের বয়স ২৬ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। এর মধ্যে একজনকে অর্থোপেডিক্স ও পাঁচজনকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। পরে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন থেকে মারা যান চীনা নাগরিক নাজাং ইয়াং ফাং। অন্যরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. হেমায়েত উদ্দিন জানান, আহতরা সবাই পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত এবং চীনের নাগরিক। পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের নির্দেশে আহত ছয়জনকে প্রথমে পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকালে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার নিশানবাড়িয়া ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুর্ঘটনায় সাবিন্দ্র দাস (৩২) নামে এক বাঙালি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। তিনি সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার জয়নগর গ্রামের নগেন্দ্র দাসের ছেলে।

এ নিয়ে বাঙালি ও চীনা শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং সংঘর্ষ হয়।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *