সালমানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের ছিনতাই মামলা

সালমানের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের ছিনতাই মামলা

ঘটনা দুই মাস আগের। বলিউড তারকা ও ‘সাইক্লিং লাভার’ সালমান খান মুম্বাইয়ের রাস্তায় গভীর রাতে সাইকেল চালাচ্ছিলেন। এ সময় অশোক পান্ডে নামের একজন টেলিভিশন সাংবাদিক জুহু থেকে কান্দিবলী যাচ্ছিলেন। সঙ্গে ছিলেন ফটোসাংবাদিক সৈয়দ ইরফান। সালমান খানকে সাইকেল চালাতে দেখে তিনি মুঠোফোনে ভিডিও করতে শুরু করেন। গোলমালের শুরু সেখান থেকেই।

এমনিতেই সালমান খান নিজেকে একটু আড়ালে রাখতে ভালোবাসেন। সব সময় গাড়িতে কালো কাচ তুলে সবকিছু থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে রাস্তায় চলাফেরা করেন। তাই কেউ অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করছেন দেখে সালমান খান রেগে যান। অভিযোগে বলা হয়েছে, এ সময় তিনি, একজন দেহরক্ষী ও অন্য আরেকজন মিলে অশোক পান্ডের কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেন। তাঁরা ওই টিভি সাংবাদিককে মারধর করেন, হুমকি দেন ও গালিগালাজ করেন। শুধু তা-ই নয়, মোবাইল থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

অশোক পান্ডেও কম যান না। তিনি ডিএন নগর থানায় সালমানের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেন। অনুমতি না নিয়ে ভিডিও করার জন্য সালমানের দেহরক্ষী উল্টো অভিযোগ করেছেন অশোকের বিরুদ্ধে। অশোক অভিযোগে লিখেছেন, ভিডিও করার আগে তিনি সালমানের দেহরক্ষীর কাছ থেকে মৌখিক অনুমতি নিয়েছিলেন। কিন্তু সালমানের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগ ধোপে টেকেনি। থানা থেকে জানানো হয়, তারা সালমানের বিরুদ্ধে আনা কোনো অভিযোগের সত্যতা পায়নি।

গতকাল মঙ্গলবার ওই সাংবাদিক আদালতে যান। ডেকান ক্রনিকলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সেখানে তিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির (আইপিসি) ৩২৩, ৩৯২ ও ৫০৬- এই তিনটি ধারায় যথাক্রমে মারধর, ছিনতাই ও হুমকির অভিযোগে মামলা করেন। মামলার আসামিরা হলেন সালমান খান, তাঁর দেহরক্ষী গুরমিত সিং জলি ও নাম না জানা তৃতীয় আরেকজন।

সালমান খানের পক্ষ থেকে নাকি একজন ফোন করে বিষয়টি মীমাংসা করার প্রস্তাব করেছেন। কিন্তু মামলাকারী অশোক পান্ডে সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। আগামী ১২ জুলাই আন্ধেরির আদালতে এই মামলার শুনানি হবে।

এর আগে ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে একটি ফিল্মের শুটিংয়ে গিয়ে অস্ত্র রাখা ও বিরল প্রজাতির হরিণ শিকারের অভিযোগে অস্ত্র আইনে সালমান খানের বিরুদ্ধে মামলা হয়। দীর্ঘদিন পর ২০১৭ সালে সেই মামলা সিনথেকে রেহাই পান তিনি।

banglarmukh official

banglarmukh official

এই সাইটের লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *