ইসলামে যে কারনে মদ ও জুয়াকে হারাম করেছেন

ইসলাম ডেস্ক:

আদীযুগ  থেকে বিশ্ব মানবতার জন্য ‘এলকোহল’ তীব্র যন্ত্রনার কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। মদ অসংখ্য অগনীত মানুষের অকাল মৃত্যুর কারণ এবং বিশ্ব জুড়ে কোটি কোটি মানুষের ভয়ঙ্কর দুর্দশার কারণ। মানুষের সমাজে অসংখ্য সমস্যার মধ্যে আসল হল এই ‘এলকোহল’ বা মদ।

আল্লাহ বলেন হে ঈমান গ্রহণকারী লোকেরা । মদ ও জুয়া, পাশা খেলা, তীর ছুঁড়ে ভাগ্র জানা এগুলো শয়তানের নিকৃষ্ট ধরনের জঘন্য কারসাজি। এসব পরিহার করো যেন তোমরা উন্নত মানবতার পথে এগিয়ে আসতে পারো।

মদ কাকে বলে –

হযরত আব্দুল্লাহ বিন উমর রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে প্রতিটি মাতাল করে দেয়া বস্তুই হচ্ছে মদ। আর প্রতিটি মদই হারাম।

মদখোরের দুনিয়াবী শাস্তি –

হযরত আনাস বিন মালেক রাঃ থেকে বর্ণিত। একদিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে মাদ পান করা এক ব্যক্তি আসল। তখন তাকে খেজুর গাছের দু’টি ডাল দিয়ে চল্লিশ বেত্রাঘাত করা হয়।[এক বেতে চল্লিশ হলে, দুই বেতের দ্বারা হচ্ছে আশি ।  একই পদ্ধতিতে আবু বকর রাঃ ও এ অপরাধের শাস্তি দিতেন।

যখন হযরত উমর রাঃ এর সময় আসল। তিনি লোকদের সাথে এ বিষয়ে পরামর্শ করলেন। তখন আব্দুর রহমান পরামর্শ দিলেন যে, কমপক্ষে আশি বেত্রাঘাত। দুই ডাল একসাথে নয়, বরং আলাদা করে আশিটি তখন হযরত উমর রাঃ আশিটি বেত্রা ঘাতের হুকুম দিলেন।

মদপানের আখেরাতে শাস্তি –

ইবনু উমার (রাঃ) বলেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন – মদ,  পানকারী, পরিবেশনকারী  ক্রেতা ,বিক্রেতা,, উৎপাদক ও সেবনকারী, উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী এবং যার জন্য সরবরাহ করা হয়- এদের সকলকে আল্লাহ লা‘নত ঘোষনা করেছেন।

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *