বরিশালে ৬৯৮ জন প্রবীণদের মাঝে বয়ষ্ক ভাতার বই বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল নগরের চৌমাথা এলাকায় এ লক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ও সমাজসেবা অধিদপ্তর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিসির প্যানেল মেয়র, রফিকুল ইসলাম খোকন, আয়েশা তৌহিদা লুনা, কাউন্সিলর সাঈদ আহমেদ মান্না, মেহেদী পারভেজ খান, সাইদুর রহমান জাকির মোল্লা, এনামুল হক বাহার, লিয়াকত হোসন খান, কবির হোসেন, শহর সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আল মামুন তালুকদার, শহর সমাজসেবা অফিসার জাবের আহমেদ প্রমুখ। সিটি কর্পোরেশনের ৩০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১১টি ওয়ার্ডের ৬৯৮ জনের মধ্যে সোমবার এই বই দেয়া হয়। জেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, বরিশাল নগরের ৩০ ওয়ার্ডে ১৪ হাজার ১জন এই বয়স্ক ভাতা পাবেন। প্রতিজনে বছরে পাবেন ৬ হাজার টাকা। আর বরিশাল জেলায় ৮৬ হাজার ৪,শ ৬৮ জনকে বয়স্ক ভাতা দেয়া হবে।
Day: September 2, 2019
-

বিভাগ প্রতিষ্ঠার ২৯ বছর পর বরিশালে হচ্ছে শ্রম আদালত
স্টাফ রিপোর্টার:
বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার ২৯ বছর পর শ্রম আদালতের সুবিধা পাবে বৃহত্তর বরিশাল বিভাগের বাসিন্দারা। শ্রম আইনে দায়ের হওয়া মামলা নিস্পত্তিতে বরিশালে স্থাপিত হচ্ছে শ্রম আদালত।
ইতোমধ্যে আইন মন্ত্রণালয় বরিশাল শ্রম আদালতের জন্য চেয়ারম্যান পদমর্যাদায় একজন বিচারক নিয়োগ দিয়েছে। তবে কবে নাগাদ এ আদালতের কার্যক্রম শুরু হবে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ২০১৯ সালে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার ২৯ বছর পর শ্রম আদালতের সুবিধা পাবে বৃহত্তর বরিশালের জনগোষ্ঠী।শ্রম মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর বরিশালের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিমন কুমার সাহা বরিশালে শ্রম আদালত স্থাপনের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মন্ত্রণালয় থেকে তার দফতরে প্রেরিত একটি চিঠির মাধ্যমে তিনি জানতে পেরেছেন বরিশাল শ্রম আদালতের জন্য চেয়ারম্যান পদমর্যাদায় একজন বিচারক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। অন্য জনবল এখনও নিয়োগ দেয়া হয়নি। আদালত স্থাপনের স্থানও নির্ধারণ করা হয়নি। ডিআইজি হিমন কুমার সাহা আরও জানান, আদালতের পুরো বিষয়টি আইন মন্ত্রণালয় দেখভাল করে। জনবল নিয়োগসহ অন্য কার্যক্রম শেষ করে কবে এ আদালতের কার্যক্রম শুরু হবে তা পুরোটাই আইন মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ার। তবে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতের কার্যক্রম শুরু করতে আরও কয়েকমাস সময় লাগতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্রমতে, বরিশাল শ্রম আদালতের জন্য নিযুক্ত চেয়ারম্যান হলেন জেলা ও দায়রা জজ পদধারী বেগম শাহনাজ সুলতানা। তিনি বাগেরহাট জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক ছিলেন। তাকে বরিশাল শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রাণালয়। অবশ্য তিনি এখনও বরিশালে আসেননি।
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের ডিআইজি হিমন কুমার সাহা জানান, বর্তমানে তার দফতর থেকে দায়ের হওয়া ৫০টি মামলা খুলনা শ্রম আদালতে বিচারধীন রয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চলমান মামলাগুলোর নিস্পত্তি খুলনা শ্রম আদালতেই হবে। বরিশালে আদালত কার্যক্রম শুরুর পর নতুন মামলার নিস্পত্তি হবে এখানকার আদালতে।
উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালে দক্ষিণাঞ্চলের ছয় জেলা নিয়ে বরিশাল বিভাগ গঠিত হয়। কয়েক বছর আগেও বরিশালের শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিক ও ব্যবসায়ীদের শ্রম মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সব কাজের জন্য খুলনায় যেতে হতো। সস্প্রতি বরিশালে স্থাপিত হয়েছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর এবং শ্রম অধিদফতরের কার্যালয়। এখানে শ্রম আদালত না থাকায় ১০০ টাকা সমমানের জরিমানার একটি মামলা নিম্পত্তি করতে কয়েক হাজার টাকা ব্যয় করে কয়েকবার খুলনায় আসা-যাওয়ার খরচ গুণতে হয়। পদ্মা সেতু ও পায়রা সমুদ্রবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পর এ অঞ্চলে শিল্প কলকারখানা বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে এখানে শ্রম আদালত স্থাপন করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো উল্লেখ করেছেন।
-

বরিশাল ডিবেটিং সোসাইটির সহ সভাপতি নির্বাচিত হলেন রেজওয়ানা হিমেল
নিজস্ব প্রতিবেদক ::
বরিশাল বিভাগীয় কেন্দীয় বিতর্ক সংগঠন বরিশাল ডিবেটিং সোসাইটি (বিডিএস) এর সভাপতি শামীম মাহামুদের সভাপতিত্বে বরিশাল ডিবেটিং সোসাইটির বিশেষ বর্ধিত সভায় সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে চিফ মডারেটর ফিরোজ মোস্তফার অনুমতিক্রমে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি বিতার্কিক রেজওয়ানা হিমেলকে বরিশাল ডিবেটিং সোসাইটির সহ-সভাপতি হিসাবে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
-

খুলনায় ওষুধ তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে দুদকের অভিযান
খুলনা প্রতিনিধি/ জান্নাতুল ফেরদৌস:
খুলনায় ওষুধ তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের হট লাইন-১০৬ এ অভিযোগ পেয়ে সোমবার দুপুর ২টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।
অভিযান চলাকালে টানা দুই ঘণ্টা বিভিন্ন নথিপত্র খতিয়ে দেখেন দুদক কর্মকর্তারা। দুদক খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক ফয়সাল কাদের বলেন, দুদকের হট লাইন-১০৬ এ অভিযোগ পেয়ে ওষুধ তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। খুলনা ওষুধ প্রশাসনের অফিসের অধীন বিভিন্ন ধরণের ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৮০টি।
এছাড়া ওষুধ বিক্রয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৩ হাজার ৫৩৬টি। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়নে অনিয়ম ও নতুন লাইসেন্স প্রদানে আর্থিক সুবিধা নেওয়াসহ দুর্নীতি পাওয়া গেছে। অনুসন্ধান প্রতিবেদন দ্রুত দুদকের সদর দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। পরে দুদক কর্মকর্তারা ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভিযান চালান।
-

ডাবে ওষুধ মিশিয়ে যেভাবে সর্বস্ব লুটে নেয় ওরা ৪ জন
পরনে লুঙ্গি এবং গলায় থাকে গামছা। আগে থেকেই নেশা জাতীয় ওষুধ মিশিয়ে টার্গেট ঠিক করে ডাব বিক্রেতা বৃদ্ধ। পাশে চক্রের আরেকজন সদস্য ওঁৎ পেতে থাকে ডাব ক্রেতা সেজে। কোনো যাত্রী বা পথচারীকে ডাব কিনতে আসতে দেখলে ওই সদস্য ভালো ডাবটা কিনে পান করার অভিনয় করে যাতে পথচারী বা ওই ক্রেতা কোনো ধরনের সন্দেহ না হয়।
এরপর টার্গেটকৃত ব্যক্তি কিংবা পথচারী ডাব পান করে বাসে/অটোরিকশায় উঠলে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য তাদের অনুসরণ করে। ওই যাত্রী যদি বাসে উঠে তাহলে পেছনের কিংবা পাশের আসনে বসে পড়ে অজ্ঞান পার্টির ওই সদস্যরা।
যাত্রী অজ্ঞান হয়ে গেলে এ চক্রের সদস্যরা তাদের আত্মীয় কিংবা পরিচিত বলে হাসপাতালে নেওয়ার কথা বলে সবার সামনে থেকে তুলে নিয়ে সুবিধামতো স্থানে মূল্যবান জিনিসপত্র ও টাকা ছিনিয়ে নেয় অথবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ব্যক্তির পাশে বসেই সর্বস্ব লুটে নেয়।
মঙ্গলবার দুপুরে মোমিন রোডের চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) এসএম মেহেদী হাসান।
এসময় অজ্ঞান পার্টির সদস্য- শহিদুল ইসলাম (৩০), মো. বাবুল (৩৬) রতন মিয়া (৮৫) এবং মো. হারুনের (৩১) কর্মকাণ্ড ও তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।
সোমবার সন্ধ্যায় নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় বিভিন্ন লোকজন থেকে ছিনিয়ে নেওয়া নগদ টাকা এবং ১০০টি নেশাজাতীয় ওষুধ ও ১৫টি সিরিঞ্জ।
সংবাদ সম্মেলনে এসএম মেহেদী হাসান বলেন, যাত্রী উঠানামার স্থানে চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি সক্রিয়। বাকলিয়াও কোতোয়ালী থানার যৌথ অভিযানে অজ্ঞান পার্টি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের চারজনের একজন ডাব বিক্রেতা, একজন ক্রেতা ও বাকি দুজন টার্গেটের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মূল্যবান জিনিসপত্র ও টাকা নিয়ে কৌশলে সটকে পড়ত।
তিনি আরও বলেন, এ চক্রের প্রধান সদস্য বৃদ্ধ রতন মিয়া, তিনিই ডাব বিক্রেতা হিসেবে কাজ করেন। মেহেদী হাসান রকি নামে চবির এক শিক্ষার্থী ২৪ আগস্ট রাতে নিউমার্কেট ল টেম্পলের সামনে বাসে উঠে বসলে এক বৃদ্ধ তাকে ডাব কেনার জন্য অনুরোধ করেন।
বৃদ্ধকে দেখে অসহায় মনে হওয়ায় রকি অনিচ্ছা সত্ত্বেও একটি ডাব কিনে খান। পরে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। তার কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল সেট ও মূল্যবান জিনিস লুটে নিয়ে সরে পড়ে চারজনের এ চক্রটি।
সর্বশেষ ২৫ আগস্ট সোমবার নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে মামুনুর রশিদ নামে এক ফল বিক্রেতাকে অজ্ঞান করে তার কাছ থেকে নগদ টাকা লুটে নেয় চক্রটি।
পরে ফল বিক্রেতার পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে ফল বিক্রেতা মামুনুর চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উপ-কমিশনার আরও জানান, বর্তমানে এই চক্রটির সদস্যদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নগরীতে অজ্ঞান পার্টির অন্য সদস্যদেরও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, এসব অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা নগরীর বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করে। শহরের বাস-অটোরিকশা স্টেশনে টার্গেট ঠিক করে। বিশেষ করে একা ব্যক্তিকে বেশি অনুসরণ করে। সাধারণত ফার্মেসি থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে তারা ডাবে মিশিয়ে মানুষকে অজ্ঞান করে।
সংবাদ সম্মেলনে সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) শাহ মুহাম্মদ আবদুর রউফ, চকবাজার জোনের সহকারী কমিশনার মুহাম্মদ রাইসুল ইসলাম, বাকলিয়া থানার ওসি নেজাম উদ্দিন, কোতোয়ালী থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীনসহ অভিযান পরিচালনাকারী টিমের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
-

পংকজ নাথের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, হিজলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কর্মিটির সাধারন সম্পাদক, গণমানুষের নেতা পংকজ নাথ এমপি’র বিরুদ্ধে তথাকথিত মিথ্যা ভিডিও প্রচারের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে অপপ্রচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোমবার বরিশালের হিজলা উপজেলায়বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজন করেন হিজলা উপজেলার আওমীলীগ ও সহযোগী সংগঠন ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বেলায়েত হোসেন ঢালী ,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন ,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম সহ আওমীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন ।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ এমপি-কে নিয়ে অশ্লীল প্রচারণায় আমরা ক্ষুব্ধ। একজন সফল ছাত্রনেতা, সংসদ সদস্য সর্বোপরী নিবেদিত প্রাণ দক্ষ সংগঠককে জন সমক্ষে হেয় ও বিতর্কিত করার হীন উদ্দেশ্যে যারা এসব অপকর্ম করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাচ্ছি ।
-

বরিশালে মোবাইল ফোন চালাতে নিষেধ করায় কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা
নিজস্ব প্রতিবেদক ::
বরিশালের উজিরপুরে মায়ের সাথে অভিমান করে গঙ্গা মন্ডল (১৭) নামে এক কলেজ ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রোববার দুপুরে উপজেলার জল্লা ইউনিয়নের কারফা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গঙ্গা ওই গ্রামের সৈলান মন্ডলের মেয়ে ও স্থানীয় জল্লা ইউনিয়ন আইডিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানা গেছে, শিক্ষার্থী গঙ্গা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পর থেকেই লেখাপড়ায় আগের তুলনায় অনেকটা অমনোযোগী হয়ে পড়ে। সারাক্ষণ শুধু মোবাইল ফোন নিয়ে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াতো। এসব বিষয় নিয়ে রোববার দুপুরে ওই কলেজ ছাত্রীকে তার মা গালমন্দ করে ও মেবাইল ফোন চালাতে নিষেধ করলে একপর্যায়ে মায়ের সাথে ঝগড়া হয় গঙ্গার। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পরিবারের সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে গোঁয়ালঘরের আঁড়ার সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে শিক্ষার্থী গঙ্গা মন্ডল।
কিছুক্ষণ পরে গোঁয়ালঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে মেয়ে গঙ্গাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে তার মা ডাক-চিৎকার দেয়। এ সময় প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে গঙ্গাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
উজিরপুর মডেল থানার এসআই আব্দুর রব বলেন, ‘কলেজ ছাত্রী গঙ্গার আত্মহত্যার প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। তবে সে লেখাপড়ায় অমনোযোগী হওয়ায় মা বকাঝকা করেছিলো এবং সেজন্য মায়ের সাথে অভিমান করে ওই শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবার থেকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা-মা থানায় কোনো অভিযোগ করবে না বলে জানিয়েছেন।’
-

দর্শক নেই নোবেলের কনসার্টে
যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে অনুষ্ঠিত হলো ‘সা রে গা মা পা’র দ্বিতীয় রানারআপ বিজয়ী মাঈনুল আহসান নোবেলের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান। বাংলাদেশি ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির আয়োজনে শনিবার (৩১ আগস্ট) ম্যানচেস্টারের ইস্ট ক্যাথলিক হাইস্কুলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তবে সঙ্গীতানুষ্ঠানে আশানুরূপ লোক সমাগম না হওয়ায় হতাশ হয়েছেন শিল্পীসহ আয়োজকরা।
নোবেলের ‘একক সঙ্গীত সন্ধ্যা’ হিসেবে প্রচার করা হলেও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে অনুষ্ঠানে আরও দুজন শিল্পী সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। যা ‘দৃষ্টিকটু’ বলে মন্তব্য করেছেন অনেকেই। নির্দিষ্ট সময়ের ২ ঘণ্টা বিলম্বে শুরু হয়ে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলে এ অনুষ্ঠান। জনপ্রতি ২০ ও ভিআইপি ৫০ ডলার হারে টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
আয়োজকরা চার শতাধিক দর্শক আশা করেছিলেন কিন্তু মাত্র দুইশোর মতো টিকিট বিক্রি হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশি ফ্রেন্ডস অ্যান্ড ফ্যামিলির অন্যতম কর্মকর্তা সাদ চৌধুরী বাবু।

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি বাংলায় গানের রিয়েলিটি শোতে বাবার প্রতি ভালোবাসার জেমসের সেই বিখ্যাত ‘বাবা গান’ দিয়েই শুরু করেন নোবেল।
‘সা রে গা মা পা’র দ্বিতীয় রানারআপ বিজয়ী হবার পর মাঈনুল আহসান নোবেলের দেশের বাইরে এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটাই প্রথম সঙ্গীতানুষ্ঠান। দর্শক উপস্থিতি কম দেখে আয়োজকবৃন্দের পাশাপাশি শিল্পী নিজেও হতাশ হয়ে পড়েন। এ প্রসঙ্গে দর্শকদের উদ্দেশে নোবেল বলেন, ‘আগামীতে আবারও কানেকটিকাটে আসব, তখন যেন দর্শক সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়।’ উপস্থিত অনেক দর্শক নগর বাউল জেমসের গাওয়া ‘বাংলাদেশ’ গানটি গাওয়ার অনুরোধ করলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গানটি নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে, তাই তিনি এ গানটি আর গাইবেন না।’
জি বাংলার ‘সা রে গা মা পা’ তে অংশ নিয়ে দুই বাংলার মানুষের মন জয় করেছেন বাংলাদেশের ছেলে মাঈনুল আহসান নোবেল। দর্শক ভোটে বারবার সেরা হওয়ার পাশাপাশি বিচারকদের কাছ থেকে সবসময় উচ্ছ্বসিত প্রশংসা পেয়েছেন।
‘সা রে গা মা পা’র এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন অঙ্কিতা। যৌথভাবে প্রথম রানারআপ গৌরব ও স্নিগ্ধজিৎ এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন প্রীতম ও মাঈনুল আহসান নোবেল।

গোপালগঞ্জের সন্তান নোবেল ছোটবেলা থেকেই গানের সঙ্গে মিতালি গড়েছেন। কোনো গুরুর কাছে শিক্ষা না নিলেও আগে বাংলালিংক নেক্সট টিউবার প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সেরা ৬-এ এসেছিলেন তিনি।
আয়েশা দেওয়ান লিপির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মরিয়ম মারিয়া ও রাশিদা আখন্দ লাকী সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এ ছাড়াও নৃত্য পরিবেশন করেন রোকাইয়া রেখা।
শিল্পীদের যন্ত্রে সহযোগিতা করেন গিটারে শুভম মিত্র, ড্রামে সাইদুজ্জামান রিড ও কীবোর্ডে জুয়েল। অনুষ্ঠান সহযোগিতায় ছিলেন সাদ চৌধুরী বাবু, হারুন আহমেদ, জাহেদ চৌধুরী লিটন, মোহাম্মদ শরীফুল আহসান হেলাল, কবির আখন্দ, মোল্লা বাহাউদ্দিন পিয়াল, নিরা বাহাউদ্দিন, রাশিদা আখন্দ লাকী, মামুন সরকার ও লাইলাক আহমেদ।
-

পর্নো জগতের করুণ গল্প শোনালেন মিয়া খলিফা
মানুষ এক জীবনে অনেক ভুল করে। সে সব ভুল শুধরেও নেয় অনেকে। কিন্তু কিছু ভুল থাকে যার ক্ষমা হয় না। মানুষ সেই ভুলের অনুশোচনা বুকে বয়ে চলে নীরবে নিভৃতে। তেমনি অনুশোচনায় জ্বলছেন প্রাক্তন পর্নো তারকা মিয়া খলিফা।
নীল ছবি থেকে অনেক আগেই নিজেকে বের করে এনেছেন। আপাত দৃষ্টিতে সাদামাটা জীবন তার। উপস্থাপনাসহ নানা রকম পেশায় জীবন চালানোর চেষ্টা করছেন। তবে নিজের জীবনের ভয়াবহ তিন মাসের অভিজ্ঞতা ভুলতে পারেন না তিনি।
তিনি যতোই সুন্দর জীবনের চেষ্টা করুন না কেন গোটা দুনিয়ায় তার পরিচিতি নীল ছবির তারকা হিসেবেই। এখনো লোকে তাকে সে চোখেই দেখে। তিনি বুঝতে পারেন এ পরিচয়টা কাটাতে তার সময় লাগবে। কিংবা হয়তো কোনো দিনই মুছবে না।
সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিজ্ঞতার অনেক করুণ গল্প শোনান মিয়া খলিফা। তিনি বলেন, অল্প বয়সে অনেক টাকা রোজগার, অজানা রঙিন জগতে হারিয়ে যাওয়ার হাতছানি থেকেই এই পেশায় যান তিনি। অথচ মোহভঙ্গ হয় মাত্র তিন মাসেই। সম্মান ও সময়ের বিনিময়ে সেভাবে টাকাও রোজগার করতে পারেননি মিয়া।
২০১৫ সালে তিন মাস কাজ করার পরই এই পর্নো ছবির জগৎ থেকে বেরিয়ে এসেছেন। অথচ হারানো সম্মান ফিরে পাননি তিনি। পর্নো জগতের নীল আলো থেকে বেরিয়ে আজও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি মিয়া।
তার ব্যক্তিগত জীবনটা তছনছ হয়ে গেছে। ‘আজও রাস্তাঘাটে লোকজনের মাঝে নিজেকে নিয়ে ভীষণ হীনমন্যতায় ভুগি আমি’- এভাবেই বললেন আবেগপ্রবণ মিয়া।
তিনি বলেন, নীল ছবির জগৎ থেকে বের হওয়াটা সহজ নয় কখনোই। এই ইন্ডাস্ট্রিতে ঢোকার পর একের পর এক পাকচক্রে জড়িয়ে পড়েন অল্প বয়সী মেয়েরা। পর্নো ইন্ডাস্ট্রির ব্ল্যাকহোল টেনে নেয় অল্প বয়সী মেয়েদের। নারী পাচারকারীদের মাধ্যমেও কীভাবে ছোট ছোট মেয়েরা পর্নো ইন্ডাস্ট্রিতে আসতে বাধ্য হয়, সে বিষয়েও জানিয়েছেন মিয়া।
তিনি বলেন, ‘বহু মেয়ে অপরিণত মনে, ভুল সিদ্ধান্ত ও কিছু মানুষের পাল্লায় পড়ে নিজের জীবন নষ্ট করে দিয়েছে। আমায় এ ধরনের অনেক মেয়েই মেইল করে সেকথা জানিয়েছে। সেগুলো ভয়াবহ।’
মিয়ার কথায়, পর্নো ইন্ডাস্ট্রির আসল রূপ বুঝতে পেরেই কোনো মতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। মিয়া জানান, তার পর্নো ছবি করার কথা জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গেই তাকে তার বাবা-মা ও পরিবারের লোকজন ত্যাগ করেছেন। পর্নো ছেড়ে দেওয়ার পরেও আর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি তাদের সঙ্গে। তবে সময়ের সঙ্গে ক্ষত কমে যাবে সেই বিশ্বাস বুকে ধরে আছেন তিনি।
-

দক্ষিণাঞ্চলবাসীর স্বপ্ন পূরণে আরও একধাপ এগিয়ে সরকার
বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার একাধিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। পায়রা সমুদ্র বন্দরের পরে সর্বশেষ তাদের উন্নয়নকর্মে যুক্ত হয়েছে ফরিদপুরের ভাঙা টু পটুয়াখালীর পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেল সংযোগ স্থাপন। ইতিমধ্যে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে কাজও শুরু হয়ে গেছে। বহুল প্রত্যাশিত এই প্রকল্পটি বাস্তবে রুপ দিতে সরকারের পাশাপাশি এই অঞ্চলের মানুষেরও আগ্রহের কমিতি নেই। প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে পাশে থাকার অঙ্গীকারও করেছে অনেকে। গত বুধবার ভাঙা-পায়রা রেললাইন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বরিশালে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার চিত্র জানিয়ে দিয়েছে স্বপ্নের রেল সংযোগ বাস্তবায়ন প্রশ্নে এ অঞ্চলের মানুষ কতটা আন্তরিক।
যদিও অনেক স্থানে ভ‚মি অধিগ্রহণ নিয়ে কিছুটা জটিলতার কথা শোনা গেছে। কিন্তু এতে এ উন্নয়ন প্রকল্পে তেমন একটা প্রভাব ফেলবে না দাবি করেছে সংশ্লিষ্টরা।
সরকারের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়- ২১২ কিলোমিটার রেললাইনে মধ্যে ১২টি প্রধান স্টেশন হবে। এর মধ্যে বরিশাল নগরীর মধ্যে থাকবে দুটি এবং বিমানবন্দর এলাকায় একটি। এছাড়া বড় ধরনের আটটি ব্রিজ এবং কয়েক শ’ ছোট ও মাঝারি আকারের ব্রিজ-কালর্ভাট নির্মাণ করা হবে। ভাঙা টু পায়রা রেললাইন প্রকল্পের প্রশস্ততা হবে ১০০ মিটার। দুটি রেললাইনের বিষয়টি মাথায় রেখে ১০০ মিটার জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়- গত বুধবার বরিশাল শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাথে মতবিনিময় করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে একটি লাইন নির্মাণ করা হবে। এতে কী পরিমাণে পরিবার বা মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে। এ সমীক্ষা শেষ হতে আরও কিছুদিন দিন লাগবে।
কিন্তু জটিলতা হচ্ছে- অধিগ্রহণ করতে যাওয়া ভ‚মিতে মসজিদ মন্দির বসতবাড়িসহ জনগুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থাপনা পড়েছে। এসব ভূমি মালিকদের পর্যাপ্ত ক্ষতিপুরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখারও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এরপরেও মসজিদ মন্দির ধর্মীয় অনুভুতির স্থান হওয়ায় অনেকে তা ছাড়তে চাইছেন না।
অবশ্য ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্ট কম্পানি লিমিটেডের সিনিয়র পরামর্শক আকতারুল ইসলাম খান বরিশালটাইমসকে বলেন, এই ২১২ কিলোমিটারের মধ্যে মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান, শ্মশানসহ যেসব ধর্মীয় উপাসনালয় থাকবে সেগুলো প্রকল্পের ব্যয়ে অন্যত্র পুনঃস্থাপন ও স্থানান্তর করে দেওয়া হবে। এমনকি ভূমি অধিগ্রহণ আইন অনুযায়ী সব মালিককে পাওনা পরিশোধ করা হবে। সেখান থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না। এমন প্রতিশ্রুতি পেয়ে ভুমি মালিকেরা সরকারের পাশে থাকার অঙ্গীকারও করেছেন বলে দাবি করেছেন এই কর্মকর্তা।
এমতাবস্থায় পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত- বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়ন বরিশাল তথা গোটা দক্ষিণাঞ্চলের চিত্রপট পাল্টে দিয়েছে। এখন পদ্মা সেতুর পাশাপাশি রেল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা তাদের একধরণের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। এই প্রকল্পটি দুটি বাস্তবায়নে সরকারের অধিক তৎপরতা দক্ষিণাঞ্চলবাসী ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করায় স্বপ্ন পূরণ যেন আরও একধাপ এগিয়ে গেছে।
তবে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যেনে ব্যক্তি বিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত না হল সেই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে জানিয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক এসএম অজিয়র রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন- রেল প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাওয়া ভূমি মালিকদের নিয়ে সংশ্লিষ্ট কাজ করে যাচ্ছে। প্রত্যেক মালিককে ভূমির সঠিক কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের অন্যত্র পুনঃস্থাপন ও স্থানান্তর করে দেওয়া হবে।’
