Author: banglarmukh official

  • ইয়েমেনের মানুষ! ক্ষুধার জ্বালায় গাছের পাতা সিদ্ধ করে খাচ্ছে

    ইয়েমেনের মানুষ! ক্ষুধার জ্বালায় গাছের পাতা সিদ্ধ করে খাচ্ছে

    প্রায় তিন বছর ধরে দেশটি যুদ্ধবিধ্বস্ত। কম-বেশি সবাই প্রায় সেই যুদ্ধে ভুক্তভোগী। জাতিসংঘের হিসাব বলছে, ইয়েমেনে অন্তত দুই কোটি মানুষের অনাহারে দিন কাটে। গত তিন বছরের যুদ্ধে দেশটির অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে।

    ছবিটি গত ২৫ আগস্ট তোলা বলে জানানো হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, হাজ্জাজ প্রদেশের জেলা আসলামে একটি পরিবার কিছু পাতা সংগ্রহ করে সিদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত করছে। তাদের পাশে আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে ক্ষীণকায় কয়েকটি শিশু।

    এপির প্রতিবেদক জানিয়েছেন, এ রকম অবস্থা স্থানীয় অনেকের। সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের অব্যাহত হামলা এবং ইরানের মদদপুষ্ট হুথি বিদ্রোহীদের প্রতিরোধের কারণে ইয়েমেনে বহু এলাকায় আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থাগুলো ত্রাণ পৌঁছাতে পারছে না।

    আবার এত বিপুল পরিমাণ ত্রাণের চাহিদা মেটাতে জাতিসংঘসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো হিমশিম খাচ্ছে।

  • নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ: বার্নিকাট

    নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ: বার্নিকাট

    ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শিয়া বার্নিকাট বলেছেন, ‘বাংলাদেশে শান্তি, পারস্পরিক সহনশীলতা ও অংশগ্রহণমূলক মনোভাব- এ সবকিছুরই রয়েছে এক জোরালো ঐতিহ্য। একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিশেষ করে মধ্যম আয়ের দেশ হওয়ার পথে থাকা একটি রাষ্ট্রের জন্য।’

    সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইউএসএআইডি-ইউকেএআইডির যৌথ সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচার বিষয়ক কর্মসূচি ‘শান্তিতে বিজয়’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    বার্নিকাট বলেন- ‘হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার মাধ্যমে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলায় অবদান রাখতে পারবো। সরকার, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, মিডিয়া ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা-বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে মিলে এ কাজ করতে সক্ষম হবো।’

    তিনি বলেন- ‘রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মী-সমর্থকদের অবশ্যই নিজেদের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ, প্রচারণা চালানো এবং ভয়ভীতি, প্রতিশোধ বা জবরদস্তিমূলক বিধিনিষেধ ছাড়া শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ করার স্বাধীনতা থাকা উচিত।’

    তিনি আরও বলেন- ‘ইস্যু বা নীতির বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও রাজনৈতিক দলগুলোকে অবশ্যই তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার বৈধ অংশগ্রহণকারী এবং পরবর্তী সরকারের সম্ভাব্য নেতা হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত।’

    মার্শিয়া বার্নিকাট বলেন- ‘বাংলাদেশিদের অবশ্যই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি পর্যায়ে- নির্বাচনের আগে, চলাকালে ও পরে- সংশ্লিষ্ট প্রত্যেককে অহিংস আচরণ করার আহ্বান জানাতে হবে। সহিংসতা শুধু তাদেরই কাজে আসে যারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং বাংলাদেশ ও তার নাগরিকদের স্বার্থহানি করতে চায়।’

    অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচারণা বিষয়ক কর্মসূচি ‘শান্তিতে বিজয়’র অনুষ্ঠানটি যুক্তরাষ্ট্র সরকার, যুক্তরাজ্য সরকার এবং সবার অর্থাৎ বাংলাদেশি সহযোগীদের অনন্য সহযোগিতার ফসল।

  • বাংলাদেশ বিধ্বস্ত করল ১০-০ গোলে বাহরাইনকে

    বাংলাদেশ বিধ্বস্ত করল ১০-০ গোলে বাহরাইনকে

    বাহরাইনের জালে রীতিমতো গোল উৎসব করেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের ‘এফ গ্রুপে স্বাগতিকদের জয় বিশাল ব্যবধানে, ১০-০ গোলে। অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা, আনুচিং মোগিনী ও শামসুন্নাহার জুনিয়রের জোড়া গোলে নির্মিত বাংলাদেশের সহজ জয়।

    কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই ছিল বাংলাদেশের আধিপত্য। ১২ মিনিটে আনাই মোগিনির লক্ষ্যভেদে শুরু লাল-সবুজ দলের গোল উৎসব। চার মিনিট পর মারিয়ার জোরালো শটে দ্বিগুণ হয়ে যায় ব্যবধান।

    ১৯ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রের পাস থেকে বক্সের ভেতরে থাকা আনুচিং মোগিনীর প্লেসিং শটে স্কোরলাইন হয় ৩-০।

    ৩৫ মিনিটে আবার গোল। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা ঋতুপর্ণার ক্রস বাহরাইনের গোলকিপার ফেরালেও আনুচিংয়ের শট কেউ ঠেকাতে পারেনি। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে আনাই মোগিনীর ডান প্রান্তের ক্রসে হেড করে পঞ্চম গোল করেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। এরপর মারিয়ার জোরালো শট বারে লেগে ফিরে এলে ৫-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

    দ্বিতীয়ার্ধেও স্বাগতিকদের আক্রমণে ভাটা পড়েনি। ৫৫ মিনিটে আঁখি খাতুনের পাস ধরে বক্সে ঢুকে গোল করেন সাজেদা খাতুন। দুই মিনিট পর শামসুন্নাহার জুনিয়রের জোরালো শটে আবার গোল।

    ৫৮ মিনিটে শামসুন্নাহার জুনিয়রকে বক্সের মধ্যে ফাউল করে ডানা বাসিম বাংলাদেশকে পেনাল্টি তো দিয়েছেনই, পেয়েছেন লাল কার্ডও। পেনাল্টি থেকে গোল করেছেন শামসুন্নাহার সিনিয়র। ম্যাচের শেষ দুটি গোল মারিয়া এবং তহুরা খাতুনের।

    দিনের প্রথম ম্যাচে লেবানন ৬-৩ গোলে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়েছে। জাহরা আসাফ হ্যাটট্রিক সহ চার গোল করে টানা দ্বিতীয় জয় এনে দিয়েছেন দলকে।

  • ঢাবিতে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৯ শতাংশই ফেল

    ঢাবিতে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৯ শতাংশই ফেল

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ৮৯ দশমিক ০২ শতাংশ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। এ বছর পাশের হার মাত্র ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

    আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কেন্দ্রীয় ভর্তি অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

    আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই ইউনিটে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    জানা যায়, চলতি বছর ‘গ’ ইউনিটে এক হাজার ২৫০টি আসনের বিপরীতে আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ২৬ হাজার ৯৬৩ জন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ২৫ হাজার ৯৫৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন এক হাজার পাঁচ জন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন দুই হাজার ৮৫০ জন। অনুত্তীর্ণ হয়েছে ২৩ হাজার দুই জন।

    পাশকৃতদের মধ্যে এক থেকে ১২৭৫ মেধাক্রম পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০১৮ পর্যন্ত তারিখের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে দেওয়া বিস্তারিত ফরম ও বিষয়ের পছন্দক্রম ফরম পূরণ করতে বলা হয়েছে।

    পরীক্ষার বিস্তারিত ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (admission.eis.du.ac.bd) থেকে জানা যাবে। এছাড়া যে কোনো অপারেটরের মোবাইল ফোন থেকে DU GA roll no টাইপ করে ১৬৩২১ নম্বরে send করে ফিরতি SMS এ ফলাফল জানা যাবে।

  • সানির ভাংড়া নাচের ভিডিও ভাইরাল

    সানির ভাংড়া নাচের ভিডিও ভাইরাল

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় বলিউড অভিনেত্রীদের একজন সানি লিওন। এখানে প্রায় তাকে এমনই সব ভিডিও শেয়ার করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার মুম্বাই বিমানবন্দরের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন সাবেক এই পর্নস্টার।

    ভিডিও দেখা যাচ্ছে, সানি তার দলের সাথে পাঞ্জাবি গানের সঙ্গে ভাংড়া নাচ করছেন। সুপারস্টার দালের মেহেদীর গান “বোলো তারা রারা” গানে জমিয়ে নাচ করছেন তিনি। সানিকে দেখে শেষ পর্যন্ত তাঁর দলের অন্য সদস্যরাও নেচেছেন এই গানে। একই সঙ্গে এই ভিডিওটি পোস্ট করে, সানি ঘোষণা করেছেন যে তিনি এবং তাঁর দল পাগলামি করতে পারলে আর কিছু চান না।

    বর্তমানে সানি লিওন তার ওয়েব সিরিজ ‘করণজিৎ কৌর’ সিজন টু-এর প্রচারে ব্যস্ত। সানি লিওনের আগের জীবনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই শোয়ের প্রথম পর্ব সফল হয়েছে। সিজন টু-এর প্রচারও খুব আকর্ষণীয়। আগামীকাল জি-৫ এ প্রিমিয়ার হবে এই শোয়ের।

  • নার্সকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ডাক্তারকে জুতাপেটা!

    নার্সকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ডাক্তারকে জুতাপেটা!

    বা:মু:প্র: শেখ সুমন

    শ্লীলতাহানির অভিযোগ এক ডাক্তারকে জুতাপেটা করলেন নার্সেরা। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের বিহারের কাটিহার জেলার এক হাসপাতালে। জানা গেছে, কর্তব্যরত অবস্থায় দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া এক নার্সকে শ্লীলতাহানি করেন ওই চিকিত্সক। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফুঁসতে থাকেন ওই হাসপাতালের নার্সেরা।

    ওই চিকিত্সক জাভেদকে কাছে পেয়ে জুতাপেটা শুরু করেন তারা। পালানোর চেষ্টা করেও রেহাই পাননি ওই চিকিত্সক। ভিডিও দেখা গেছে, নার্সদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাকে। হাতে মারের সাথে কেউ কেউ জুতাপেটাও করছেন।

    এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত হবে। অভিযুক্ত দোষী সাব্যস্ত হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  জাভেদকে ওই হাসপাতালেই গুরুতর আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয়। নার্সেদের হাতে চিকিত্সকের এই পেটানোর ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। চিকিত্সকের এমন আচরণে নিন্দায় সরব হয়েছেন নেটিজেনরা।

  • টাইগার শিবিরে ইনজুরির হানা, ব্যথা নিয়েই খেলবেন মুশফিক

    টাইগার শিবিরে ইনজুরির হানা, ব্যথা নিয়েই খেলবেন মুশফিক

    বা:মু:প্র/ শেখ সুমন :

    এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে চমকের শেষ ছিল না। লঙ্কান বোলাররা দুর্দান্ত সূচনার পরও বাংলাদেশের কাছে ১৩৭ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। এক হাতে ব্যাট করে এরই মধ্যে ক্রিকেট বিশ্বের প্রশংসায় ভাসছেন তামিম, অন্যদিকে মুশফিক খেলেছেন ১৫০ বলে ১৪৪ রানের অপ্রতিরোধ্য এক ইনিংস।

    তবে ইনজুরির কারনে এশিয়া কাপ থেকে ছিটকে পড়েছেন তামিম। তাই মুশফিকের উপর দায়িত্বটা যেন আরও বেড়ে গেছে। তবে তাতে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে পাঁজরের ব্যথা। তবু দায়িত্ব পালন থেকে একচুলও নড়ছেন না মুশফিক। ব্যথা নিয়েই আগামী ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল।

    এ ব্যাপারে বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, তামিমকে হারানো দলের জন্য বড় ধাক্কা। মুশফিকেরও হালকা চোট রয়েছে। পরের ম্যাচের আগে চারদিন সময় পাওয়ায় কিছুটা সুবিধা হয়েছে। এই ক’দিনের বিশ্রামে ছোটখাটো সমস্যা হয়তো ঠিক হয়ে যাবে। পাঁজরের ব্যথা থাকলেও পরের ম্যাচে খেলবে মুশফিক।

    শনিবার উদ্বোধনী ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই হোঁচট খায় টাইগাররা। দলীয় ২ রানেই ফিরে যান লিটন-সাকিব। এরপর সুরঙ্গা লাকমলের বাউন্স লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে বাঁহাতের কব্জিতে আঘাত পান তামিম। এতে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন ড্যাশিং ওপেনার। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন মুশফিক। প্রথমে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে ১৩১ রানের অবিশ্বাস্য জুটি গড়েন তিনি। শেষদিকে তামিমের সঙ্গে ৩২ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়েন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। যার সবক’টি রানই এসেছে তার ব্যাট ব্যাট থেকে।

    ১৪৪ রানের ইনিংসটি ওয়ানডে ক্যারিয়ারে মুশফিকের সেরা।

  • তামিম ছাড়াও এক হাতে ব্যাট করেছেন যারা

    তামিম ছাড়াও এক হাতে ব্যাট করেছেন যারা

    বা:মু:প্র/ শেখ সুমন :

    বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। লাল-সবুজের জার্সিধারীদের বহু জয়ের নায়ক এই বাঁ-হাতি ওপেনার। দলের প্রতি তার দায়িত্ব ও দেশপ্রেম দিয়ে তিনি জায়গা করে নিলেন ক্রিকেটপ্রেমীদের হৃদয়ে। টাইগার এই ড্যাশিং তারকা আবারও প্রমাণ করলেন, একজন আদর্শ ক্রিকেটারের জন্য দলের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কিছুই নয়। তাই তো দলের প্রয়োজনে এক হাতেই ব্যাট করলেন তিনি।

    কেবল দলের প্রয়োজনে আর স্বদেশ প্রেমের তাগিদেই ক্যারিয়ারের ঝুঁকি নিয়ে একহাতে আগুনের গোলা মোকাবেলা করতে নেমেছিলেন এই ড্যাশিং ব্যাটসম্যান। এদিন, ভাঙা আঙুল নিয়ে শেষ উইকেটে মুশফিকের সঙ্গে একহাতে ব্যাট করে পুরো ক্রিকেট বিশ্বকে অবাক করেন তামিম। একটি শর্টবল ডিফেন্সও করেন। বাকি বলগুলো থেকে মুশফিক তুলে নেন ৩২ রান। বাংলাদেশ পায় ২৬১ রানের লড়াইয়ের স্কোর। আর জয় পায় ১৩৭ রানের।

    তবে তামিমই প্রথম ব্যাটসম্যান নন, যিনি এক হাতে ব্যাট করতে মাঠে নেমেছেন। তার আগে এমন সাহসী পদক্ষেপ যারা নিয়েছিলেন তাদের মধ্যে তিনজনের কীর্তিও বেশ আলোচিত। এ ব্যাপারে একটি প্রতিবেদন করেছে বিবিসি বাংলা।

    গ্রায়েম স্মিথ (সাউথ আফ্রিকা), ২০০৯, সিডনি

    ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনিতে একটি টেস্ট ম্যাচ বাঁচাতে ভাঙ্গা হাত নিয়ে মাঠে নামেন গ্রায়েম স্মিথ। প্রোটিয়া তারকার যখন মাঠে নামেন তখন ম্যাচের ৮ ওভার ২ বল বাকি ছিল। স্মিথ মিচেল জনসন, ডগ বলিঞ্জারের মতো গতিতারকাদের একের পর এক বল ঠেকিয়ে যাচ্ছিলেন এক হাতে ভর করে। কিন্তু ঠিক ১০ বল বাকি থাকতে জনসনের একটি বল ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক গলে বেড়িয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বাঁচাতে না পারলেও স্মিথের এই ইনিংস বহুদিন ক্রিকেট ভক্তরা মনে রেখেছেন।

    ম্যালকম মার্শাল, ১৯৮৪, হেডিংলি

    ১৯৮৪ সালে হেডিংলিতে বাঁ-হাত ভাঙ্গা থাকলেও ডান হাত নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেট নেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ম্যালকম মার্শাল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টের প্রথম দিনে ইংল্যান্ডের ক্রিস ব্রডের ব্যাট থেকে ছুটে আসা একটি বল ঠেকাতে গিয়ে মার্শালের বাঁ-হাতের বুড়ো আঙ্গুলে দু’টি চিড় ধরে।

    যদিও তিনি ডান হাতি বোলার ছিলেন, চিকিৎসকরা তাকে পরামর্শ দেন যাতে তিনি ওই টেস্ট তো বটেই, আরও অন্তত ১০ দিন ক্রিকেট থেকে দূরে থাকেন।

    কিন্তু তৃতীয় দিন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ল্যারি গোমেজ যখন ইংলিশদের বিরুদ্ধে একাই লড়ছিলেন তখন, সফররতদের ৯ উইকেটের পতন ঘটে। অপরাজিত গোমেজ ৯৬ রানে প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা শুরু করলে মারশাল ব্যাট হাতে মাঠে নামেন। তাকে দেখে সবাইকে অবাক! পরবর্তীতে মারশাল অবশ্য বলেন, ব্যাট করার ইচ্ছা ছিল না তার। কিন্তু গোমেজ সেঞ্চুরির এত কাছে ছিল যে তাকে নামতে হয়।

    এছাড়া ২০০২ সালে অনিল কুম্বলে অ্যান্টিগা টেস্টে ভাঙ্গা চোয়াল নিয়ে বল করতে নামেন। সে অবস্থাতে ব্রায়ান লারার উইকেটও পান তিনি।

    ব্রিস্টলে ২০০৯ সালে ইংল্যান্ডের ইয়ান বেল বাংলাদেশের বিপক্ষে ভাঙ্গা পায়ের পাতা নিয়ে খেলতে নামেন। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পায়।

  • নিউইয়র্কে শেখ হাসিনার সফরের পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল উত্তেজনা

    নিউইয়র্কে শেখ হাসিনার সফরের পক্ষে-বিপক্ষে তুমুল উত্তেজনা

    বা:মু:প্র/ শেখ সুমন :

    নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের সমর্থনে আওয়ামী লীগের প্রস্তুতি র‌্যালির পাশাপাশি ‘যেখানে হাসিনা সেখানেই প্রতিরোধ’ কর্মসূচির সমর্থনে বিএনপির মানববন্ধন, আলোচনা সভা ঘিরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

    জাতিসংঘে ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে আসবেন শেখ হাসিনা। ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতিসংঘে ভাষণ প্রদানের পর লন্ডন হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা নিউইয়র্ক ত্যাগ করবেন। ৫ দিনের এই সফরের সময়ে ২৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায়ই ‘প্রবাসী নাগরিক সংবর্ধনা’ সমাবেশে বক্তব্য দেবেন শেখ হাসিনা। এটি অনুষ্ঠিত হবে মিডটাউন ম্যানহাটানে হোটেল হিল্টনের বলরুমে। এই সমাবেশের বাইরেও বিক্ষোভ ও কাল পতাকা দেখাবে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের লোকজন। এজন্যে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ। এর আগে জেএফকে এয়ারপোর্টে শেখ হাসিনাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে হাজারো নেতা-কর্মীর সমাগম ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগসহ যুবলীগ, শ্রমিক লীগ। একইসময়ে শেখ হাসিনাকে কালো পতাকা দেখানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি, যুবদল, জাসাস। এসব সংগঠনের পক্ষে যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা এম এ বাতিন এ সংবাদদাতাকে জানান, বিনা চ্যালেঞ্জে কিছুই করতে দেয়া হবে না শেখ হাসিনাকে। আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করবো।

    জাতিসংঘে শেখ হাসিনার ভাষণের সময়ে বাইরে আওয়ামী লীগ করবে শান্তি সমাবেশ, অপরদিকে বিএনপি ঘোষণা দিয়েছে প্রতিবাদ সমাবেশের। বিএনপির কর্মসূচির জন্যেও কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানান বিএনপি নেতা গোলাম ফারুক শাহীন। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান আগেই এয়ারপোর্ট, জাতিসংঘসহ সর্বত্র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির জন্যে কর্তৃপক্ষের অনুমতি সংগ্রহ করেছেন।

    আওয়ামী লীগের পক্ষে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, প্রতিবাদের নামে জামায়াত-শিবিরের প্ররোচনায় বিএনপি যদি কোন অসভ্য-অগণতান্ত্রিক আচরণের চেষ্টা করে তাহলে তার সমুচিত জবাব দেয়া হবে। নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগ ও যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের নেতা-কর্মীরা আগের মতো এবারও শেখ হাসিনার নিরাপত্তায় অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় থাকবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ সম্মেলন থেকে।

    পক্ষ ও বিপক্ষের কর্মসূচির সমর্থনে ১৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে আওয়ামী লীগ আর যুবলীগের ব্যানারে দুটি র‌্যালি এবং বিএনপির ৩ গ্রুপের ৩টি র‌্যালি হয়েছে কাছাকাছি দূরত্বে। সকলেই পরস্পরের বিরুদ্ধে স্লোগান আর বক্তব্য দিলেও তা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়নি। নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির র‌্যালি চলাকালে তা থেকে ৪/৫ গজের মধ্যেই প্রদীপ রঞ্জন করের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছিলেন কিন্তু কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। বিএনপির কর্মসূচি শেষ হলেই প্রদীপ কর ও আব্দুর রহিম বাদশা’র নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের র‌্যালি শুরু হয় ডাইভার্সিটি প্লাজায়।

    স্টেট বিএনপির এ র‌্যালিতে শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও বেগম জিয়ার মুক্তি দাবিতে স্লোগানের পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন ছাড়া বিএনপি কখনো সে নির্বাচনে যাবে না বলে মন্তব্য করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসীম ভূইয়া, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা জসীমউদ্দিন, সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, সেক্রেটারি সাইদুর রহমান, মহানগর বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, শ্রমিক দলনেতা রফিকুল মাওলা প্রমুখ।

    অপরদিকে আওয়ামী লীগের শোভাযাত্রায় বক্তব্য দেন ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, আব্দুর রহিম বাদশা, এডভোকেট শাহ বখতিয়ার, কাজী কয়েস, মিসবাহ আহমেদ, ফরিদ আলম, কায়কোবাদ খান, হিন্দাল কাদির বাপ্পা, শাহীন আজমল, মুক্তিযোদ্ধা আর আমিন, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

    প্রায় একইসময়ে শেখ হাসিনাকে কাল পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি সফল করার প্রস্তুতি সভা হয় নিকটস্থ কাবাব কিং পার্টি হলে। বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান জিল্লু এবং পুরো অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএনপি নেতা পারভেজ সাজ্জাদ।

    নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বিলুপ্ত কমিটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মঞ্জুর আহমেদ চৌধুরী ও মোহাম্মদ বশির, প্রতিষ্ঠাতা আহবায়ক ডা. মজিবর রহমান মজুমদার, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন, আনোয়ার হোসেন এবং ফিরোজ আহমেদ, মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সভাপতি রাফেল তালুকদার, বিএনপি নেতা শামসুল ইসলাম মজনু, বাসিত রহমান, শাহাদৎ হোসেন রাজু, হেলালউদ্দিন, এমলাক হোসেন ফয়সল, কাজী আমিনুল ইসলাম, যুবদল নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী, আবু সাঈদ আহমেদ প্রমুখ।

    অধ্যাপক দেলোয়ার বলেন, বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরকার নির্বাচিত করতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিকল্প নেই। এ দাবির সমর্থনে বিশ্বজনমত গড়তেই জাতিসংঘের সামনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে হবে।

    বিএনপির অপর অংশের আরেকটি প্রস্তুতি সভা হয় ইত্যাদি পার্টি হলে। ডা. মজিবর রহমান, সৈয়দ এম রেজা, মোহাম্মদ বশীর প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।

  • ২০৪৭ সালে আবার ভাগ হবে ভারত: বিজেপি নেতা

    ২০৪৭ সালে আবার ভাগ হবে ভারত: বিজেপি নেতা

    বা:মু:প্র: শেখ সুমন

    ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা গিরিরাজ সিং টুইটারে লিখেছেন, ধর্মের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালে বিভক্ত হয়েছিল ভারত। ২০৪৭ সালে একই ঘটনা ঘটবে। গত ৭২ বছরে জনসংখ্যা ৩৩ কোটি থেকে ১৩৫.৭ কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। জনসংখ্যার এ বিস্ফোরণ খুবই ভীতিকর। সংবিধানের ৩৫ এ ধারা (এ ধারায় মুসলিম অধ্যুষিত) জম্মু–কাশ্মীর রাজ্যকে বিশেষ মর্যাদা দেয়া হয়েছে) নিয়ে বর্তমানে বিতর্ক চলছে। একটা সময় আসবে যখন ভারতকে এ নামে ডাকাই কঠিন হয়ে পড়বে।

    সম্প্রতি দেয়া সাক্ষাৎকারে ক্ষমতাসীন দলের নেতা গিরিরাজ সিং বলেছিলেন, ‘জনসংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলা ভারতের এক বড় সমস্যা। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সড়ক থেকে সংসদ পর্যন্ত আলোচনা হওয়া উচিত। ভারতে বসবাসরত সংখ্যালঘুদের সংজ্ঞাও নির্ধারণ করতে হবে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কঠোর আইন প্রণয়ন না করলেও দেশকে ভুগতে হবে। তাই আইন প্রণয়নের দাবিতে আমাদের সোচ্চার হতে হবে।’ সূত্র: জিনিউজ