Author: banglarmukh official

  • বাবা-চাচার নির্বাচনে যেভাবে খাটতা সেভাবে কি আমার জন্য খাটবা

    বাবা-চাচার নির্বাচনে যেভাবে খাটতা সেভাবে কি আমার জন্য খাটবা

    নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, ড. কামাল হোসেনসহ কিছু ডক্টর বাংলাদশের বিরুদ্ধে দেশে ও বিদেশে নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছেন। ড. কামাল হোসেন নোবেল বিজয়ী এক ডক্টরসহ দেশের কিছু ডক্টর আছেন, যারা চান না বাংলাদেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাক। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারসহ গোটা দেশের বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করছেন। উনারা জোট করে ক্যান্টনমেন্টের দিকে আছেন কিছু করা যায় কিনা? যদিও ভোট হলে এই জোটের জামানত থাকে না। তারপরও ওইসব লোকজন রাষ্ট্র পরিচালনা করার স্বপ্ন দেখে।

    রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের ইসদাইর এলাকাস্থ সামসুজ্জোহা স্টেডিয়ামে নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শামীম ওসমান বলেন, দেশের একমাত্র শক্তি হচ্ছে ছাত্র। ছাত্ররা কখনও মিথ্যা বলে না। কারণ ওদের কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। এই শক্তিটা হচ্ছে লড়াই করার শক্তি। বাংলাদেশে যত আন্দোলন হয়েছে সব কিছুর নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্ররা। আমি তাই তোমাদের কাছে একটি অনুমতি চাই। সততার সঙ্গে বলবা। আগামীতে নির্বাচন হবে। আমি জানি না, আমি নির্বাচন করবো কীনা? আমি মনে করি তোমাদের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া দরকার। এই যে নির্বাচনটা আসছে, সেখানে কি তোমরা মনে করো আমার নির্বাচন করা উচিত? এ সময় শিক্ষার্থীরা হাত উঁচু করে সমর্থন জানালে শামীম ওসমান বলেন, তাহলে তোমার বাবা কিংবা চাচা নির্বাচনে দাঁড়ালে যেভাবে খাটতা সেভাবে কি আমার জন্য খাটবা? যদি যোগ্য মনে করো তাহলে খাটবা। আর তিনি দেশের যেখানে অন্যায় অত্যাচার হবে সেখানেই প্রতিবাদ করে রুখে দাঁড়ানোর জন্য তোলারাম কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

    Narayanganj-Photo

    তিনি বলেন, এখানে দাবি উঠেছে তোলারাম কলেজে বাস চাই। এই দাবি বড় কোনো দাবি না। এই বাসের সমস্যা সমাধান হবে। আমি গতবার এমপি থাকা অবস্থায় ২৬শ কোটি টাকার কাজ করেছি। এবার কাজ করেছি ৭ হাজার ৪শ কোটি টাকার। তবুও আমি সেটিসফাইড না। আগামীতে আবারও নির্বাচিত হতে পারলে নারায়ণগঞ্জের মানুষের জন্য আরও নতুন কিছু করার ইচ্ছার কথা জানান তিনি।

    নারায়ণগঞ্জ সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ বেলা রানী সিংহ এর সভাপতিত্বে ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান রিয়াদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শামীম ওসমানের সহধর্মিনী ও নারায়ণগঞ্জ জেলা মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান সালমা ওসমান লিপি, উপাধ্যক্ষ শাহ আমিনুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নিজাম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়া, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, হোসিয়ারী সমিতির সভাপতি নাজমুল আলম সজল, সাবেক জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এহসানুল হক নিপু, সাফায়াত আলম সানী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সুজন, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান আজিজ, সাধারণ সম্পাদক রাফেল প্রমুখ।

  • আওয়ামী লীগকে জনগণ আবারো ভোট দিয়ে  নির্বাচিত করবে :  শেখ হাসিনার

    আওয়ামী লীগকে জনগণ আবারো ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবে : শেখ হাসিনার

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করে বলেছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্যই জনগণ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে পুনরায় নির্বাচিত করবে।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের মাঝে এখনও আওয়ামী লীগের বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে, কারণ জনগণ বিশ্বাস করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেই দেশ এগিয়ে যাবে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার জরিপেও এটা উঠে এসেছে।’

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রাতে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রথম সভায় সভাপতিত্বকালে এ কথা বলেন।
    সততাকেই আওয়ামী লীগের মূল শক্তি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটি স্বার্থান্বেষী মহল যারা অপেক্ষা করেই থাকে কখন দেশে অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতা দখল করবে আর তাদের অবস্থার উন্নতি হবে।’

    ‘কিন্তু, সেই আশা করে আর লাভ নেই। উত্তরপাড়া আর আসবে না তাদের ক্ষমতায় বসাতে,’ বলেন তিনি।
    প্রধানমন্ত্রী এ সময় নির্বাচনকেন্দ্রিক বিভিন্ন জোট গঠনকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তারা যেখানে চাইবে সেখানেই সরকার তাদের সভা করতে দেবে।
    নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন দুটি ঐক্য ফোরাম গঠনকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরকম হওয়া উচিত। আরো নতুন নতুন পলিটিক্যাল অর্গানাইজেশন তৈরি হোক।

    তিনি বলেন, তাঁরা আগামীতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মিটিং করতে চেয়েছেন, তাঁরা যদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে চান, আমরা করতে দেব। আমাদের কোন আপত্তি নাই, আমি স্পষ্ট বলে দিচ্ছি। পুলিশ কমিশনারকে অনুরোধ করবো আপনারা বাধা দেবেন না।

    আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দরকার হলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি স্থায়ী মঞ্চ করে দেব। যার যত খুশি সেখানে বক্তৃতা দিতে পারবে। আমি বলবো একটি কর্ণার ঠিক করে দিতে সেখানে বক্তৃতা দিক, আন্দোলন করুক, যা খুশী করুক। কারণ আমরা কারো গলা চেপে ধরিনি, আমরা কারো মুখ বন্ধ করিনি।

    ‘কিন্তুু যারা মিথ্যাচার করবে, উস্কানিমূলক কাজ করবে এবং সংঘাত সৃষ্টি করতে চাইবে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।

  • ‘লাখ টাকা বেতন দিলেও কেউ কেউ বলবে আরও লাগবে’

    ‘লাখ টাকা বেতন দিলেও কেউ কেউ বলবে আরও লাগবে’

    শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, সরকার তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন মজুরি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে। এ নিয়ে নানা মহলে সমালোচনা থাকলেও তা পাত্তা দিচ্ছেন না শ্রম মন্ত্রণালয়। এই মজুরি নিয়ে অসন্তোষের কোনো ‘সুযোগ’ নেই।

    তিনি বলেন, ভালো কাজ করলে কেউ না কেউ বিরোধী তো থাকেই। এক লাখ টাকা বেতন দিলেও কেউ কেউ বলবেন এতে হয় না, আরও লাগবে।

    রবিবার সচিবালয়ে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বিএসআরএম-এর লভ্যাংশ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

    শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাধারণ শ্রমিকদের সমর্থন আমাদের সঙ্গে আছে। তাই কোনও সমস্যা হবে না। আর কোনও ধরনের অসন্তোষ যাতে না হয় সেজন্যই প্রধানমন্ত্রীর কমিটমেন্ট অনুযায়ী মজুরি ঘোষণা করেছি।

    তবে কিছু সংগঠনের ‘উদ্দেশ্য ভালো নয়’ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়নি নিয়ে খুবেই সতর্ক। উদ্দেশ্যমূলকভাবে যদি কিছু করতে চায় তবে তারা কিছু করতে পারবে না।

    গত বৃহস্পতিবার গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা করে সরকার। সর্বনিম্ন ৮ হাজার টাকা রেখে এই মজুরি ঘোষণা করা হয়। যা আগামী ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

    বর্তমানে পোশাক শ্রমিকরা ২০১৩ সালে ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি ৫ হাজার ৩০০ টাকা পেয়ে আসছেন।
    এ দফায় তা ১৬ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছিল বিভিন্ন সংগঠন।

    চুন্নু বলেন, সর্বনিম্ন মজুরি ঘোষণার আগে আমি শ্রমিক, শ্রমিক ফেডারেশন, ইউনিয়নের অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, সর্বনিম্ন মজুরি ৮ হাজার টাকা করা হলে হয়তো সবাই সেটা গ্রহণ করবে।

  • জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংবিধান অনুযায়ী: ওবায়দুল কাদের

    জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে সংবিধান অনুযায়ী: ওবায়দুল কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব পালন করবেন এবং নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা করবে। এর ব্যত্যয় হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
    আজ রবিবার দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আইডিইবি’র ২২তম জাতীয় সম্মেলন ও ৪১তম কাউন্সিল অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত ‘৪র্থ শিল্প বিপ্লবের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।
    আইইডিবি’র সভাপতি প্রকৌশলী এম এ হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. শামসুর রহমান।
    ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশ কোনো যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ নয় যে এ দেশের নির্বাচন জাতিসংঘের অধীনে হতে হবে। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, স্বাধীন সার্বভৌম দেশ। এ দেশের সংবিধানই নির্বাচন পরিচালনা করবে।
    এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, সোমালিয়া ও কঙ্গোর মতো অবস্থায় নেই। তাই আমাদের দেশে জাতিসংঘের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
    জাতীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদ ভেঙ্গে দেওয়ার বিএনপির দাবিকে অবান্তর ও অপ্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আর মাত্র এক-দেড় মাস সময় রয়েছে। এমন সময়ে বিএনপির এ ধরনের দাবি মামার বাড়ির আবদার ছাড়া আর কিছুই নয়।
    তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য সংসদীয় গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, আমাদের দেশেও সেভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকালীন সময়ে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে, এ সময় তারা গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে না। জাতীয় সংসদ সদস্যরাও কোনো মর্যাদা ভোগ করবে না। তাই সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া আর না দেওয়ার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।
    জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবির বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হবে না, তা আমরা কখনো বলিনি। প্রয়োজন হলে সেনা মোতায়েন করা হবে।
    এ বিষয়ে তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতি যদি বলে দেয় সেনা মোতায়েন করা দরকার, নির্বাচন কমিশন (ইসি) চাইলে সরকার সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
  • ধর্ষণের দায়ে কিশোরীকে গ্রেফতার খালু

    ধর্ষণের দায়ে কিশোরীকে গ্রেফতার খালু

    নারায়নগঞ্জ সদর উপজেলার সিদ্ধিরগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে খালুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতের নাম মো. জামিল (২৮)। সে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার দক্ষিণ সতানন্দপুর গ্রামের মৃত সামছুজ্জামানের ছেলে। এ বিষয়ে আজ রবিবার সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ধর্ষিতা ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতা ওই কিশোরীর মা সাত-আট বছর পূর্বে দাউদকান্দি নিজ গ্রামে মারা যায়। পরে তার খালা সোনিয়া আক্তার ওই সময় কিশোরীকে লালন-পালনের জন্য তার কাছে সিদ্ধিরগঞ্জে নিয়ে আসে। তখন থেকে কিশোরীটি তার খালা সোনিয়া ও খালু জামিলের সংসারে বড় হতে থাকে। এদিকে কিশোরিটি বড় হতে থাকলে তার দিকে কু-নজর পরে খালু জামিলের। বিভিন্ন সময় সে কিশোরীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিত।

    বিষয়টি ওই কিশোরীর বাবা জানতে পেরে গত ঈদুল আযহার কিছুদিন পূর্বে মেয়েকে তার গ্রামের বাড়ি দাউদকান্দি নিয়ে যায়। পরে গত বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ কিশোরীটিকে বাসায় খুজে পাচ্ছিলোনা তার বাবা। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারে কিশোরীটিকে তার খালু জামিল ফুসলিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা এলাকার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসে। ওইদিন সন্ধ্যায় কিশোরীটির খালা সোনিয়া বাড়িতে ছিল না। এই সুযোগে জামিল কিশোরীটিকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরে ওই রাতেই আবার কিশোরীটিকে গাড়িতে তুলে দেয় জামিল এবং ঘটনাটি কাউকে না বলার জন্য তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে কিশোরীটিকে।

    এদিকে বাড়ি ফেরার পর গত শনিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কিশোরীটি ধর্ষণের ঘটনাটি তার বড় বোনকে জানায়। পরে ওইদিনই কিশোরীর বাবা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দেয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ জামিলকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।

    এ বিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আজিজুল হক জানায়, স্ত্রীর বড় বোনের কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আমরা ধর্ষক খালুকে গ্রেফতার করেছি। তার বিরুদ্ধে নারী ও শিুশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে

  • দেশ থেকে মঙ্গা চিরবিদায় নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    দেশ থেকে মঙ্গা চিরবিদায় নিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

    উত্তরবঙ্গের অবহেলিত থাকার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,  এক সময় উত্তরবঙ্গের বহু এলাকার মত গঙ্গাচড়াও মঙ্গা প্রবণ এলাকা ছিল। কিন্তু সরকারের পরিকল্পিত উন্নয়নে আজ আর মঙ্গা নেই। এই শব্দটিই যেন হারিয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের শাসনেই দেশ থেকে মঙ্গা চির বিদায় নিয়েছে।

    রবিবার দুপুরে গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুটি সেতুর উদ্বোধনের সময় এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    এলজিআরডি ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান ভিডিও কনফারেন্সটি সঞ্চালনা করেন। এ সময় সরকারি কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাদ্র-আশ্বিন মাসে এই এলাকার জনগণের যখন কাজ থাকে না তখনকার সময়ের জন্য সরকার সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ের কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে, যা দারিদ্র বিমোচনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন মানে পরিবর্তন এনেছে।

    শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করার লক্ষ্যে একটি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, একটি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যত উন্নত হবে ততই জনগণের অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নয়ন ঘটবে, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে মাথায় রেখেই সরকার দেশের সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে।

    ‘গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতু’ সেতু চালুর ফলে লালমনিরহাট জেলার চার উপজেলাসহ বৃহত্তর রংপুরের কোটি মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হল।

    যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকা এবং বিভাগীয় শহর রংপুরের সঙ্গে লালমনিরহাটের কয়েকটি উপজেলার দূরত্ব কমিয়ে আনতে কাকিনা-মহিপুর এলাকায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।

    বাঞ্ছারামপুরের সেতুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সেতুর একটা অংশ বাঞ্ছারামপুর থেকে চলে যাবে মুরাদনগর, আরেকটা অংশ চলে যাবে হোমনায়। তাহলে সেতুটি দেখতেও অন্যরকম হবে, যা এখন ওয়াই সেতু নামে পরিচিতি পেয়েছে।

  • হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা

    হাসানাত আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা

    ১০ম জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির ২১তম সভা জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ মন্ত্রী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় কমিটির সদস্য স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি,সাবের হোসেন চৌধুরী এমপি, রাজি উদ্দীন আহমেদ এমপি, এ কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, ফজলে হোসেন বাদশা এমপি সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • শাওমির পোকো এফ-১ স্মার্টফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    শাওমির পোকো এফ-১ স্মার্টফোনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    নানা জল্পনা কল্পনার পর বাজারে আসা শাওমির নতুন ফোন পোকো এফ-১ এর বিরুদ্ধে বেশ গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। দাম কম হলেও এ ফ্ল্যাগশিপ ফোনটি যারা বেশি মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার করেন তাদের হতাশ করতে পারে। কেননা এ ফোনে ওয়াইড ভাইন এল১ ডিআরএম (Widevine L1 DRM নেই)।

    এ কারণে এইচডি ভিডিও স্ট্রিমিং এ সমস্যা দেখা দিচ্ছে ফোনটি। ফলে এ বাজেট ফ্ল্যাগশিপে নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন বা গুগল প্লে থেকে এইচডি স্ট্রিম করা যাচ্ছে না।

    জানা গেছে, ৮ জিবি র‌্যাম ও স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ চিপসেটের এ ফোনে রয়েছে ওয়াইড ভাইন এল৩ যা শুধু স্ট্যান্ডার্ড ডেফিনেশন (SD) স্ট্রিম করতে সক্ষম। ওয়াইড ভাইন এল১, এল২, এল৩ এর মধ্যে সবচেয়ে পুরোনো টেকনোলজি ওয়াইড ভাইন এল৩ ব্যবহার হয়েছে এ ফোনে।

    আর এ খবর যাচাই করে দেখেছে ভারতীয় প্রযুক্তি সাইট গ্যাজেট ৩৬০। যে সব ফোনে ওয়াইড ভাইন এল১ থাকে সেই ফোনে নেটফ্লিক্সের সব ভিডিওর উপরে এইচডি আইকন দেখা যায়। পোকো এফ-১ ফোনে কোনো নেটফ্লিক্স ভিডিও এইচডিতে দেখা সম্ভব হয়নি।

    শাওমির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • কুপিয়ে হত্যা! ভিন্ন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করায়

    কুপিয়ে হত্যা! ভিন্ন ধর্মের মেয়েকে বিয়ে করায়

    ভারতে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী তরুণীকে বিয়ে করায় দিনে দুপুরে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে এক ব্যক্তিকে। শুক্রবার ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের নালগোন্দা জেলায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত ব্যক্তি ছয় মাস আগে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী ওই তরুণীকে বিয়ে করেছিলেন।

    হায়দরাবাদ থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মিরইয়ালগুদা শহরে দিবালোকে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পুলিশের ভাষ্য, প্রণয় কুমার এবং তার স্ত্রী আমরুথা ভারশিনি হাসপাতাল থেকে ফেরার সময় রাস্তায় অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি চাপাতি নিয়ে তাদের ওপর আক্রমণ চালায়।

    সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, এক যুবক পেছন থেকে প্রণয় কুমারের গলায় আঘাত করছে। এ সময় প্রণয় মাটিতে পড়ে গেলেও তাকে চাপাতি দিয়ে আঘাত করতে থাকে ওই হামলাকারী। এমনকি ওই নারী তার স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার।

    ঘটনার পর নিহত ব্যক্তির স্ত্রী যখন তার স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য চেয়ে চিৎকার করতে থাকেন; তখন ওই হামলাকারী চাপাতি ফেলে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মারা যান প্রণয় কুমার।

    প্রণয় এবং আমরুথা আলাদা আলাদা ধর্মের। পরিবারের বাধা স্বত্বেও বিয়ে করেন তারা। এ হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারের কেউ জড়িত বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

  • মুশফিকের অসাধারণ সেঞ্চুরি

    মুশফিকের অসাধারণ সেঞ্চুরি

    দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে তামিম ইকবাল রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়ার পরই মাঠে নামেন মুশফিকুর রহীম। অর্থাৎ, বাংলাদেশের ইনিংসের সূচনা তখন। স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ না হতেই ৩ জন ব্যাটসম্যান নেই। ওই সময় প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের একটি ধৈর্যশীল জুটির। লাসিথ মালিঙ্গা যেভাবে আগুন ঝরাচ্ছিলেন, সঙ্গে সুরাঙ্গা লাকমাল কিংবা থিসারা পেরেরারা যেভাবে নিখুঁত লাইন-লেন্থে বোলিং করছিলেন, তাতে ধৈর্যশীল জুটি স্বপ্নছাড়া আর কিছুই নয়।

    এমন সময়ই মোহাম্মদ মিঠুনকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন মুশফিক। যেন খাঁটি একজন কান্ডারি। শক্তিশালী স্নায়ুর অধিকারী একজন নাবিক। যিনি সব ঝড়-ঝঞ্জার মাঠেও শক্ত হাতে হাল ধরে রেখেছিলেন। দলের তরীকে সঠিকভাবে তিরে পৌঁছে দেয়ার যে গুরু দায়িত্ব মুশফিক নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন, সেটার একটা সুন্দর পরিসমাপ্তি তো প্রয়োজন।

    মিঠুনের সঙ্গে ১৩১ রানের অনবদ্য এবং অসাধারণ এক জুটি গড়লেও সেই মালিঙ্গার তোপেই তাদের জুটিতে ভাঙন ধরে। মালিঙ্গার তোপে টিকতে পারেননি মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তার আগে আমিলা আলফোনসোর ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গেই উইকেট হারিয়েছিলেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

    মেহেদী হাসান মিরাজ আর মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে ছোট ছোট দুটি জুটি গড়েন। লঙ্কান বোলারদের তোপের মুখে ১৫ রান করে মিরাজ এবং ১১ রান করে বিদায় নেন মাশরাফিও। রুবেল হোসেনের ২ রানের ইনিংস মুশফিককে একটু শঙ্কায় ঠেলে দেয়। ইনিংসটাকে তিন অংকে নিতে পারবেন কি না সে চিন্তায় ব্যস্ত তখন সমর্থকরাও।

    শেষ ব্যাটসম্যান মোস্তাফিজকে সঙ্গে নিয়ে অবশেষে তিন অঙ্কে পৌঁছালেন মুশফিক। ৪৪তম ওভারের তৃতীয় বলে সুরঙ্গা লাকমালকে বাউন্ডারি মেরেই ক্যারিয়ারে ৬ষ্ঠ সেঞ্চুরির মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন মুশফিক। সঙ্গে সঙ্গে দাঁড়িয়ে গেল পুরো বাংলাদেশ শিবির। এমনকি কোর্টনি ওয়ালশ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে মুশফিকের এই সেঞ্চুরিকে অভিনন্দন জানালেন।

    ১২৩ বলে ৭টি বাউন্ডারি এবং ১টি ছক্কার সাহায্যে দুর্দান্ত এই সেঞ্চুরিটি করেন মুশফিক। এশিয়া কাপে এ নিয়ে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি এলো মুশফিকের ব্যাট থেকে। আর এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের এই আসরে সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সেঞ্চুরি হলো ৫টি।