Author: banglarmukh official

  • কথা দিয়েছিলাম, আপনার কাছেই প্রথম আসবো: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    কথা দিয়েছিলাম, আপনার কাছেই প্রথম আসবো: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

    ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বাংলাদেশে আসবেন। সোমবার বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জবাবে তিনি বলেন, ‘কথা দিয়েছিলাম, আপনার কাছেই প্রথম আসবো’।

    এর আগে বিকেল পৌনে ৫টায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আখাউড়া-আগরতলা রেল প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

    জানা যায়, ২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করেন। প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকার এ প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থের যোগান দিচ্ছে ভারত।

    আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ মোট ১৫ কিলোমিটার। এরমধ্যে আগরতলা অংশে পাঁচ কিলোমিটার আর বাকি ১০ কিলোমিটার আখাউড়া অংশে।

  • ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার সংখ্যা ১৬৩টি : বাণিজ্যমন্ত্রী

    ঝুঁকিপূর্ণ কারখানার সংখ্যা ১৬৩টি : বাণিজ্যমন্ত্রী

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শক, রাজউক/সিডিএ/কেডিএ এর সদস্য ও বুয়েট এর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত রিভিউ প্যানেল ১৬৩টি কারখানাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসাবে চিহ্নিত করেছে।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের ২২তম অধিবেশনে সোমবার প্রশ্নোত্তর পর্বে মো. মামুনুর রশিদ কিরণের (নোয়াখালি-৩) প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

    বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ ১৬৩টি কারখানার মধ্যে ইতোমধ্যে ৩৯টি কারখানা বন্ধ ও ৪৭টি কারখানাকে আংশিক বন্ধ করা হয়েছে। বাকি কারখানাগুলোর সংস্কার কাজ চলছে।

    বর্তমানে একর্ড এর সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির হার ৮৬ শতাংশ এবং এলায়েন্সের হার ৯০ শতাংশ বলে জানান তিনি।

    মন্ত্রী বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২০১৩ সালের ২৪ নভেম্বর ইউরোপীয় ক্রেতা সংগঠন একর্ড, উত্তর আমেরিকার ক্রেতা সংগঠন এলায়েন্স ও জাতীয় উদ্যোগের আওতায় তিন হাজার ৭৮০টি কারখানার এসেসমেন্ট সম্পন্ন করেছে।

    রফতানির তুলনায় আমদানি তিন গুণ দাবি নাকচ করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী : 

    সরকার দলীয় সদস্য সামশুল আলম চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের অর্থনীতি চমৎকার গতিতে এগুচ্ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের রফতানি ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

    রফতানির তুলনায় আমদানি তিন গুণ বেশী এমন দাবি নাকচ করে দিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, কথাটি সত্য নয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ৫৮ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং রফতানির পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত অর্থবছরে আমদানিতে রফতানির অবদান ছিল ৬৯ দশমিক ২৫ ভাগ।

    তিনি আরও বলেন- চীন, ভারত ও সিঙ্গাপুরের সঙ্গে আমাদের বড় বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমরা প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার রফতানি করি, কিন্তু ওই দেশটি আমাদের দেশে এক বিলিয়ন ডলারও রফতানি করতে পারে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নে আমরা প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার রফতানি করি, সেক্ষেত্রে তারা আমাদের দেশে এক বিলিয়ন ডলারও রফতানি করতে পারে না। সে কারণে বাণিজ্য ঘাটতি থাকলেই যে খারাপ এটা বলা যাবে না। পাশ্ববর্তী দেশ হওয়ার কারণে চীন ও ভারত থেকে বেশি পণ্যে আমদানি হয়। কিন্তু এখন চীনে তৈরি পোশাকসহ অনেক কিছু রফতানি করি।

    মেগাপ্রকল্পের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে : 

    সরকারি দলের সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভোক্তার সক্ষমতা বাড়ার কারণে ভোগ্যপণ্যের আমদানি বেড়েছে। খাদ্যশস্য আমদানি ও সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত মেগাপ্রকল্পের কারণে দেশে আমদানি ব্যয় বেড়েছে।

    তিনি বলেন, বাণিজ্যঘাটতি বাড়ার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। গত বছর বন্যায় বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় ঘাটতিপূরণে বিপুল পরিমাণে খাদ্যশস্য আমদানি করতে হয়েছে। সরকারের বড় বড় কয়েকটি প্রকল্প, বিশেষ করে পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎ প্রকল্প ও পায়রা বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য যন্ত্রপাতি ও প্লান্ট আমদানির কারণে বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে।

    ২৩ সেপ্টেম্বর ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন : 

    নবী নেওয়াজের (ঝিনাইদহ-৩) প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকা দুই দেশের পণ্যে বিক্রির উদ্যোগ হিসেবে বর্ডার হাট বসানো হয়। সরকার আরও কয়েকটি জায়গায় বর্ডার হাট বসানোর পরিকল্পনা করছে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে আসবেন। ওই সফরেই বর্ডার হাটের বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।

  • আপনি জিতুন, আমরা আসব: মমতা বন্দোপাধ্যায়

    আপনি জিতুন, আমরা আসব: মমতা বন্দোপাধ্যায়

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জবাবে মমতা বলেন, ‘আপনি জিতুন, আমরা আসব।’

    সোমবার বিকেলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আখাউড়া-আগরতলা রেল প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের কাজের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    অনুষ্ঠানের শেষের দিকে ভিডিও কনফারেন্সে মমতা ব্যানার্জী শেখ হাসিনাকে পূজোর শুভেচ্ছা জানান। শেখ হাসিনাও মমতা বন্দোপাধ্যায়কে জন্মাষ্টমী ও পূজার শুভেচ্ছা জানান। এ সময় শেখ হাসিনা মমতাকে বাংলাদেশে আসার আমন্ত্রণ জানান। শেখ হাসিনার আমন্ত্রণ গ্রহণ করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি জিতুন, আমরা আসব।’

    জানা যায়, ২০১০ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করেন। প্রায় ৪৭৭ কোটি টাকার এ প্রকল্পের সিংহভাগ অর্থের যোগান দিচ্ছে ভারত।

    আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ মোট ১৫ কিলোমিটার। এরমধ্যে আগরতলা অংশে পাঁচ কিলোমিটার আর বাকি ১০ কিলোমিটার আখাউড়া অংশে।

  • বরিশালে কেরিং’র ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিতে নির্মান শ্রমিকরা

    বরিশালে কেরিং’র ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিতে নির্মান শ্রমিকরা

    বরিশালে কোন রকম কেরিং বা মেশিনারিজ ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন উঁচু দালানকোঠায় কাজ করে যাচ্ছে খেটে খাওয়া অনেক নির্মান শ্রমিকরা। সামান্যতম রশি ও বাঁশের তৈরি দোলনা বানিয়ে উঁচু বিল্ডিং এ কাজ করে যাচ্ছে শ্রমিকরা।

    যার থেকে ৯৫শতাংশ মৃত্যু ঝুঁকি বিরাজমান। বরিশাল শহরের ব্যাংঙের ছাতার মত গড়ে উঠছে অনেক উঁচু উঁচু দালান ও শপিং কমপ্লেক্স। যেখানে প্রতিনিয়ত মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কাজ করে যাচ্ছে নির্মান শ্রমিকরা। কিন্তু এসব শ্রমিকরা তাদের শ্রম দিয়ে কাজ করে গেলেও তাদের সামান্যতম মৃত্যর চিন্তা করছে না ভবন মালিকরা।

    প্রতিদিনের হাজিরা দিয়েই দায় সারছে তারা। কেননা বিল্ডিং থেকে কোন শ্রমিকের মৃত্যু হলে কিছু টাকা পরিবারকে ধরিয়ে দিয়েই সব শেষ। জীবনের মুল্য কি তাহলে সামান্য কিছু টাকা ! নির্মান শ্রমিক মোঃ সোহলে রানা জানান, আমরা পেটের দায়ে কিছু টাকার বিনিময়ে এসব বড় বড় বিল্ডিং এ কাজ করি। বাহিরের দেয়ালে প্লাস্টার দেয়ার সময় রশিতে খুব শক্তভাবে ঝুলে থাকতে হয়। আর কোন ভাবে পা ফসকে কিংবা অন্যমনস্ক হলেই সব শেষ।

    অনেক ঝুকি নিয়ে কাজ করতে হয়। কোন রকম কেরিং এর ব্যবস্থা নেই আমাদের বরিশালে। মাঝে মাঝে কিছু কিছু মালিকদের কেরিং ব্যবস্থা করতে দেখা যায় যা অতিদূর্লভ। কিন্তু সব মালিকরা যদি কেরিং সুবিধা দিত তাহলে আমাদের জীবনের ঝুকি নিয়ে কাজ করতে হতো না। এদিকে রং মিস্ত্রি আলমগীর জানান, আমাদের বিল্ডিং এর রংঙের কাজ পুরোটাই রশি ও বাঁশের তৈরি দোলনা দিয়ে চালিয়ে যেতে হয়। দেখা গেছে অনেক সময় রং ছিটকে চোখে পড়ে তখন দেখার সময় থাকেনা কোথায় পাড়া দিচ্ছি। এমনকি তখন পড়ে যাওয়ারও ভয় থাকে। এ ব্যপারে কেরিং এর কথা মালিকদের জানালে তারা বলেন এভাবে কাজ করতে পারলে করো নয়তো চলে যাও।

    আলাদা কেরিং এর ব্যবস্থা করতে হলে বাড়তি টাকার প্রয়োজন। সরেজমিনে খোজ নিয়ে দেখা গেছে নগরীর বেশিরভাগ নির্মানধীন সব ভবনেই কেরিং ছাড়া কাজ করছে শ্রমিকরা। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভবন মালিকের কাছে কেরিং এর বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, আমাদের বরিশালে কেরিং’র ব্যবহার নাই বললেই চলে। তাছাড়া বরিশালে উন্নতমানে কেরিং পাবো কোথায়। আর এসব কেরিং এর ব্যবস্থা করতে গেলে বাড়তি টাকার প্রয়োজন। যে টাকা দিয়ে কেরিং’র ব্যবস্থা করবো তা দিয়ে অতিরিক্ত ৫ জন শ্রমিক খাটানো যাবে।

    তবে এ ব্যপারে সচেতন মহল বলছেন শ্রমিকদের জীবন বিপন্ন করে উচু উচু ভবন তৈরি করছে। তাই এদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে কেরিং’র ব্যবস্থা অতিব জরুরি। তাই বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সচেতন মহল ও সাধারন শ্রমিকরা।

  • পিরোজপুরে মামীর সাথে ভাগিনার অনৈতিক সম্পর্ক, নেপথ্যে

    পিরোজপুরে মামীর সাথে ভাগিনার অনৈতিক সম্পর্ক, নেপথ্যে

    পিরোজপুরের নেছারাবাদ মামীর সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কারন ছিলো জমি বিক্রি করা পাঁচলক্ষ টাকা। আর সাংবাদিকের কাছে এ রকম অভিযোগ করেছেন হারুন মিয়া তার আপন ভাগিনা রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ।

    গত কয়েক বছর ধরে আমার আপন ভাগিনা আমার স্ত্রীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক আসছে আমার অগোচরে। গনমান নিবাসী ভগ্নিপতি কালামের ছেলে রাজ্জাক। আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে গত একবছর ধরে নিয়মিত আমার বাসায় আসা যাওয়া করতো রাজ্জাক। মিথ্যে প্রলবন দেখিয়ে সুখে সংসার করার কথা বলে দীর্ঘ একটি বছর আমার স্ত্রীর সাথে দিনের পর দিন নিঃলজ্জের মত শারীরিক সম্পর্ক করেছে।

    লজ্জায় ঘৃনায় মাথা নত করে কান্নাভরা মন নিয়ে তিনি মিডিয়াকে আরও বলেন আমি বিচারের আসায় থানায় গিয়েছিলাম সেখানে বিচার পাইনি ,নেছারাবাদ থানা অফিসার অভিযুক্ত দুজনেরই কথা সুনে আমার চোখের সামনেই দুই চারটি চরথাপ্পর দেন রাজ্জাককে।আমি সুবিচারের আশায় বুক বেধেছিলাম।হটাৎ কোন অদৃশ্যেও ইশারায় কি হলো আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না।

    আমি মান সন্মানের ভয়ে লোক সমাজের ভয় দেখানো হয় এবং আমি মাথা নত করে ওখান থেকে চলে যেতে বাধ্য হই।আসলে বিচারের নামে প্রহসন হয়েছে আমার সাথে।অর্থের বিনিময়ে লম্পট ও লুচ্চা রাজ্জাকের কঠিন বিচার না করে প্রহসন করেছে সমাজের কিছু অসৎ ভদ্র মানুষ । আমার ভাগিনা রাজ্জাকে আগামীতে আরও অপরাধ করার সুযোগ করে দিয়েছে প্রশাসন ও বিচারকরা।

    এ ব্যাপারে হারুনের স্ত্রীর শিল্পির কাছে এর সত্যতা জানতে চাওয়া হলে সে তা শ্বিকার করেন,রাজ্জাকের মামী আরো বলেন ও সুধু আমার সাথেই না আরো অনেক মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে।টাকার জন্য ও সবকিছু করতে পারে আমার সাজানো সংসার ভেঙ্গেছে ওর কারনে।আমাকে মিথ্যে আশা দেখায় আমি জমি বিক্রি করা পাঁচ লক্ষ টাকা ওর হাতে তুলে দিয়েছি ।এখন ও আরো দুই লক্ষ টাকা চায়।

    বর্তমানে সে উদয়কাঠী জাহিদের মেয়ের সাথে নতুন খেলায় মেতে উঠেছে।
    এ ব্যাপারে রাজ্জাকে মামীর সাথে একাধিকবার অনৈতিক সম্পর্কের কথা শ্বিকার করেন থানায় বসে সকলের সামনে। পরবর্তিতে রিপোর্ট লেখার পূর্ব মুহুর্তে টাকার কথা জানতে চাওয়া হলে সে কৌশলে বলে আমি খানা খাচ্ছি একটু পরে কথা বলি এর পরে তাকে কয়েকবার ফোন করা হলে সে মোবাইল রিসিভ করেনি।

  • ডিই.সি.বি র সভাপতি শেখ সুমন,সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান,সাধারণ সম্পাদক হুজাইফা রহমান নির্বাচিত।

    ডিই.সি.বি র সভাপতি শেখ সুমন,সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান,সাধারণ সম্পাদক হুজাইফা রহমান নির্বাচিত।

    প্রিন্স মুন্সি:

    বরিশাল বিভাগের বিতার্কিকদের সংগঠন ” ডিবেটার্স কমিউনিটি অফ বরিশাল ” ( ডিই.সি.বি )এর কার্যনির্বাহী কমিটি আজ গঠন করা হয়। সংগঠনের সকল সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে দুই বছর মেয়াদি পনেরো সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

    সদস্যদের প্রদত্ত ভোটে বিনা প্রতিদন্ধিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ সুমন। সিনিয়র সভাপতি মো: আবু সুফিয়ান শেখ , সহ সভাপতি সামিয়া তিষা এবং সাধারণ সম্পাদক পদে হুজাইফা রহমান নির্বাচিত হন।

    যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আরিফুর রহমান, সানজিদা শিফা , সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সানজিদ আলম সিফাত , যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সাদিয়া নিশা , দপ্তর সম্পাদক পদে মোঃ পারভেজ হাসান, কোষাধ্যক্ষ পদে মোঃ ফয়সাল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোঃ ইমতিয়াজ , কলেজ প্রতিনিধি মাহফুজুর রহমান , স্কুল প্রতিনিধি পলাশ রয় এবং কার্যনির্বাহী সদস্য পদে তাসমিয়া তাসনিম নির্বাচিত হন।

  • শহীদ ছাত্রনেতা সেলিম ইব্রাহিমের পরিবারের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    শহীদ ছাত্রনেতা সেলিম ইব্রাহিমের পরিবারের সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    ১৯৮৪ সালে স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনের শহীদ ছাত্রনেতা এইচ এম সেলিম ইব্রাহিমের পরিবারের সদস্যদের সাথে গনভবনে সাক্ষাৎ করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাক্ষাৎকালে তিনি এই শহীদ পরিবারের সদস্যদের খোজ খবর নেন।

    স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য সেলিম ইব্রাহিমের আত্মদানের কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এই সময়ে সেলিম ইব্রাহিমের স্ত্রী নাছিমা ইব্রাহিম ও কন্যা ডরথী ইব্রাহিমকে ১৫ শতাংশ জমির দলিল প্রদান করেন।এছাড়াও কন্যা জামাই কামরুজ্জামানকে ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পত্র প্রদান করেন।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান, বাউফল পৌরসভার মেয়র,পটুয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল হক জুয়েল এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার ড. বাহাউদ্দিন গোলাপ।

    উল্লেখ্য যে,১৯৮৪ সালে স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলন চলাকালে রাজধানীর গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল এলাকায় স্বৈরশাসকের পুলিশের ট্রাক সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের মিছিলের ওপর উঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে ছাত্রনেতা সেলিম ইব্রাহিম ও দেলোয়ার ঘটনাস্থলেই শহীদ হন। ওই সময় সেলিম ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ পর্বের ছাত্র ছিলেন।

  • গুলশান পুলিশের জালে মাদক সম্রাজ্ঞী ইডেন ডি’সিলভা

    গুলশান পুলিশের জালে মাদক সম্রাজ্ঞী ইডেন ডি’সিলভা

    গুলশান অভিজাত পাড়ায় মধ্যরাতে দেখা মেলে সুন্দরীদের। যারা টাকার বিনিময়ে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হন। মাদক সেবন, মাদক বিক্রি, দেহ ব্যবসা অনেকটা ওপেন সিক্রেট হয়ে উঠেছে। এই চক্রে নাম লেখাচ্ছেন টিনেজার থেকে শুরু করে বৃদ্ধ নারীরাও।

    তাদেরই একজন ১৯ বছর বয়সী ইডেন ডি’সিলভা ওরফে রামিসা সিমরান। অনেকে তাকে ইয়াবা সুন্দরী নামেও ডেকে থাকেন। ভার্চুয়াল জগতে তার ইয়াবা সেবনের ছবিও রয়েছে।

    তিনি থাকেন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়। আড্ডা দেন গুলশান অভিজাত পাড়ায়। ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচিত হয়ে বিভিন্ন সময় তাদের থেকে নানা সুবিধা নিয়ে থাকেন। সুযোগ পেলে ব্ল্যাকমেইলও করেন।

    মূলতঃ মাদকের সঙ্গে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা থাকলেও গুলশান থানা পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন চুরির মামলায়।

    ২ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় ৩৮০/৫০৬ ধারায় ( মামলা নং-১, তারিখ ২/৯/১৮ইং) মামলার প্রেক্ষিতে তাকে শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে আটক করা হয়।

    পুলিশের কাছে অভিযোগ রয়েছে, এই ইয়াবা সুন্দরী প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে অনেক ব্যক্তির কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

    পুরান ঢাকার এক সংসদ সদস্যের ছেলে তার ফাঁদে পড়ে অনেক কিছু হারিয়েছেন এবং মাদকের খপ্পড়ে পড়েছেন বলেও পুলিশের কাছে অভিযোগ এসেছে।

    রাজধানীর গুলশান, বনানী ও মিরপুরসহ একাধিক থানায় তার নামে মামলা ও জিডি রয়েছে। তার চক্রের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও ইডেন ডি সিলভা বরাবরই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাগালের বাইরে থেকে গেছেন। অবশেষে শুক্রবার পুলিশের জালে তিনি গ্রেফতার হন।

    এ ব্যাপারে গুলশান থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম  বলেন, গুলশানে প্রায় সময় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি আসেন। সারারাত বিভিন্ন জাগায় সময় কাটান। শুক্রবার ভোর ৫টায় গুলশান ১৭ নম্বর সড়ক থেকে তাকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

    তিনি বলেন, গ্রেফতার করেই তাকে কোর্টে পাঠিয়ে রিমান্ডের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর তাকে কোর্টে তোলা হবে এবং আমরা আবারও রিমান্ড চেয়ে আবেদন করে রেখেছি।

    জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। মামলার নথিগুলো আমরা শিগগির সংগ্রহ করব।

    চুরির মামলার বিবরণীতে জানা গেছে, গুলশানের এক ধনাঢ্য পরিবারের সঙ্গে গত বছর জুলাই মাসে ইডেন ডি’সিলভার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুবাদে তিনি বিভিন্ন সময় ওই পরিবারে আসা-যাওয়া করতেন।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওই বাসা থেকে তিন লাখ টাকা মূল্যের একটি ডায়মন্ডের আংটি হারিয়ে যায়। এরপর মার্চ মাসে ২৮ লাখ টাকা মূল্যের সুইজারল্যান্ডের তৈরি হাবলট ব্র্যান্ডের ঘড়িও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    মামলার বাদী জানান, ঘড়ি সম্পর্কে ইডেন ডি’সিলভাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি অস্বীকার করেন। পরে গুলশানের বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ইডেন ডি’সিলভার হাতে ঘড়িটি তিনি দেখতে পান।

    এ বিষয়ে তখন জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, ঘড়িটি ব্যবহার করার জন্য নিয়েছিলেন, পরে ফেরত দিয়ে দেবেন বলে জানান ডি’সিলভা।

    মামলার বিবরণীতে আরও অভিযোগ করে লেখা হয়েছে, মামলার বিবাদী বিভিন্ন সময় ব্যবহারের কথা বলে অনেক মূল্যমান ব্র্যান্ডের জুতা, কাপড়-চোপড় ইত্যাদি নিয়ে আর ফেরত দেয়নি।

    যার আনুমানিক মূল্য পাঁচ লাখ টাকা। সব মিলে ৩৬ লাখ টাকার মালামাল ‘লুণ্ঠন’ করা হয়েছে বলে মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

    মামলার বাদী শেষাংশে উল্লেখ করেছেন, বর্ণিত বিবাদী একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সদস্য।

    তারা দীর্ঘদিন ধরে গুলশানে ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক করে কৌশলে মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নিয়ে যায়। তাদের থেকে আমার মালামাল ফেরত চাইলে আমাকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

    মামলায় ইডেন ডি’সিলভা ও নিশাত মিমের নাম উল্লেখ করা হলেও পুলিশ শুধুমাত্র ইডেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।

    মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম  বলেন, ইডেন ডি’সিলভা যেসব জিনিসপত্র নিয়েছেন সেগুলো উদ্ধার করার চেষ্টা করছি। সে খুব চতুর। কোনো কিছুই সহজে স্বীকার করতে চাচ্ছেন না।

  • খালেদার মুক্তির দাবীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ

    খালেদার মুক্তির দাবীতে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ

    আকিব:

    বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে গতকাল জজ কোর্টে বিক্ষোভ করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম।

    উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন, এ্যাডঃআলী হায়দার বাবুল, জেলা বিএনপি সেক্রেটারি আবুল কালাম শাহীন, এ্যাডঃমহসিন মন্টু ও এ্যাডঃবাচ্চু সহ অন্যান্য আইনজীবীরা।

  • রণবীরের দাবি দীপিকা ঝগড়াটে!

    রণবীরের দাবি দীপিকা ঝগড়াটে!

    দীপিকা-রণবীরের রসায়নটা অনেক পুরনো। তবে এ জুটি সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এলেও তাদের মধ্যে যে একসময় গভীর রসায়ন ছিল তা হরহামেশাই চোখে পড়ে। তবে পর্দায় দীপিকার রসায়নটা যেমনই হোক না কেন-জানা গেছে দীপিকা নাকি ঝগড়াটে। আর এ মন্তব্য করেছেন স্বয়ং রণবীর!

    সম্প্রতি এক পত্রিকার হয়ে এক ফটোশুট করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। পাশাপাশি, সেই পত্রিকা দীপিকার ক্যারিয়ারের প্রথম পরিচালক ফারহা খানকে দিয়ে একটা সাক্ষাৎকারও নিয়েছে।

    ফারহা খান কথোপকথনের একপর্যায়ে সোজাসাপটা জানতে চেয়েছিলেন নায়িকার কাছে- ঝগড়ুটে বলে তার যে দুর্নাম রয়েছে, সেটাকে কীভাবে ব্যাখা করবেন তিনি! দেখা গেল, দীপিকা বিশেষ ভাঙলেন না! মচকালেনও না এমনকি! বরং এক গাল হেসে জানালেন- ‘ঝগড়াটে তো আমি বটেই! আর এই কথাটা পৃথিবীতে স্রেফ এক জন মানুষই আমার মুখের উপরে বলেছিল, সে রণবীর কাপুর!’

    Deepika

    সহজ সম্পর্কের জায়গা থেকে রণবীর তো কথাটা বলতেই পারেন! তবে প্রশ্ন হলো- কখন তিনি এ কথাটা বলেছিলেন নায়িকার মুখের উপরে? সম্পর্ক ভাঙার সময়ে নয় তো?

    সে প্রশ্নের উত্তর না দিলেও এর পরে বলা নায়িকার একটা কথা কিন্তু ভাবাচ্ছে! তা হলো-‘আমি এখন জীবনের যে জায়গায় রয়েছি, সেখানে ব্যক্তিগত হোক বা পেশাদার- কোনো কিছুই আর মিস করি না!’

    দীপিকার এ কথা থেকে কী বোঝা যায়? এটা কি রণবীরের ঝগড়াটে বলার শোধ তোলা? যদি তাই হয়, তবে কি রণবীর কথাটা ঠিকই বলেছিলেন?