Author: banglarmukh official

  • কাউন্সিলর লুনার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম এর অকাল মৃত্যু

    কাউন্সিলর লুনার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম এর অকাল মৃত্যু

    শামীম ইসলাম:

    ১০,১১ ও ১২নং ওয়ার্ড এর সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর আয়েশা তৌহিদ লুনার স্বামী, ও পটুয়াখালী পৌরসভার ০৫নং ওয়ার্ড এর নির্বাচিত কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম আজ দুপুরে মৃত্যুবরন করেছেন।পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, সকাল ১১টার সময়  তিনি আলেকান্দাস্থ নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পরলে, শেরেবাংলা মেডিকেল এ ভর্তি হন।

    দুপুর ১ঃ৩০মিনিট এ তিনি হাসপাতালেই শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন, মরহুম এর জানাজা আসর বাদ নুরিয়া স্কুল এর প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়, জানাজা শেষে, মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী তে নেয়া হয়। মৃত্যু কালে,তিনি স্ত্রী ও এক ছেলে এক মেয়ে রেখে যান,তার মৃত্যুতে আলেকান্দায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

    মহিলা কাউন্সিলর আয়েশা তৌহিদ লুনার স্বামী, মরহুম কাউন্সিলর তৌহিদ ইসলামের মৃত্যুতে তার পরিবার এর প্রতি সমবেদনা ও শোক প্রকাশ করেছেন বাংলার মুখ ২৪ ডট কম এর প্রকাশক ও সম্পাদক এবং আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মলীগ বরিশাল মহানগর সভাপতি,মুহাঃ পলাশ চৌধুরী।

  • বরিশালে তাতবস্ত্র মেলার উদ্ভোধন

    বরিশালে তাতবস্ত্র মেলার উদ্ভোধন

    শামীম ইসলাম:

    বরিশাল বি এম স্কুল মাঠে, তাত বস্ত্র হস্ত ও কুটিরশিল্প মেলা ২০১৮ এর শুভ উদ্বোধন হলো, মেলার প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ও বিশেষ অতিথি নবনির্বাচিত বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এসময় উপস্থিত থেকে মেলার শুভ উদ্বোধন করেন এসময় প্রশাসনিক, সাংস্কৃতিক রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    মেলার মাঠে শতাধিক এর উপরে স্টল নির্মান করা হয়েছে,এবং দেশের বিভিন্ন্য জেলা হতে দেশীয় সংস্কৃতির উপর এ নির্মিত হস্তশিল্প ও কুটিরশিল্প এখানের স্টল গুলোতে প্রদর্শন করা হয়েছে,নগর বাসীর মধ্যে মেলা টি ব্যাপক সাড়া পেয়েছে।

  • জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত

    জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত

    মিজানুর রহমান:

    জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভা জাতীয় স্কাউড ভবন এর ১২তলায় জামুকা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  হয়।

    উক্ত সভা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সেলের চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম.মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত  হয়।

    উক্ত সভায় পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ্ এমপি,  গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী ইন্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, আব্দুস শহীদ এমপি, মোঃ মোতাহার হোসেন এমপি, সাবেক সচিব রশীদুল আলম সহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ত্রিশ গোডাউন রক্ষার দাবীতে বধ্যভূমি সংরক্ষন পরিষদের জেলা প্রশাসকের সাথে বৈঠক

    ত্রিশ গোডাউন রক্ষার দাবীতে বধ্যভূমি সংরক্ষন পরিষদের জেলা প্রশাসকের সাথে বৈঠক

    স্টাফ রিপোর্টার
    বরিশালে ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন বধ্যভূমিতে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ার অনুমতি না দেয়া, দখলমুক্ত করা ও এর পবিত্রতা রক্ষার দাবীতে জেলা প্রশাসকের সাথে বৈঠক করেছেন বিশিষ্ট কলামিস্ট ও ইতিহাসবীদ অধ্যাপক ড: মুনতাসির মামুন। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদ এর নেতৃবৃন্দসহ শতাধিক কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
    সভায় আলোচনা প্রসঙ্গে বরিশালে বধ্যভূমি এলাকায় নির্মিত বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অপসারণসহ নির্ধারিত এলাকার সংরক্ষন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে সংগতিপূর্ন অবকাঠামো নির্মানের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে ড: মুনতাসির মামুন বলেন- যেহেতু জমিটি সরকারি খাস জমি এবং নদী তীরবর্তী তাই হাইকোর্টের রায় মোতাবেক এখানে কোন স্থাপনা করা সর্ম্পূন বেআইনি। এই জায়গায় সরকারিভাবে ৩’শ কোটি টাকার সাইলো নির্মান প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বন্ধ করার বিষয়টি তুলে ধরেন।
    জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বিষয়টি সম্পর্কে মুনতাসির মামুনকে আসস্থ করে বলেন তিনি এ বিষয়ে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অস্তিত্ব রক্ষায় কাউকে কোন ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানান।
    মতবিনিময় সভায় বধ্যভূমি সংরক্ষন পরিষদের নেতৃবৃন্দদের মধ্যে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আক্কাস হোসেন, এ্যাডভোকেট এস এম ইকবাল, প্রবীন শিশু সংগঠক জীবনকৃষ্ণ দে, মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন মানিক বীর প্রতীক, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদ এর সভাপতি কাজল ঘোষ, মুক্তিযোদ্ধা এম,জি কবীর ভুলু, মুক্তিযোদ্ধা মোখলেছুর রহমান, নাট্য সংগঠক সৈয়দ দুলাল, অধ্যক্ষ শ ম ইমানুল হাকিম, অধ্যক্ষ বিমল চক্রবর্তী, অধ্যাপিকা শাহ সাজেদা, অধ্যাপিকা টুলু কর্মকার, পাপিয়া জেসমিন, মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, উন্নয়ন সংগঠক আনোয়ার জাহিদ, কাজী জাহাংগীর কবীর, এনায়েত হোসেন শিবলু প্রমূখ।
  • দেশে আসছে আফ্রিকান ‘খাট’  মৃত্যুর নতুন ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

    দেশে আসছে আফ্রিকান ‘খাট’ মৃত্যুর নতুন ফাঁদে তরুণ প্রজন্ম

    আফ্রিকান ভয়ংকর মাদক ‘খাট’ বা এনপিএস এবার বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে ধ্বংস করতে কালো থাবা বাড়িয়ে দিয়েছে। রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানের নতুন ধরনের আটকের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা কাস্টম হাউস ও জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার যৌথ অভিযানে এবার প্রায় ১৬০ কেজি ‘খাট’ আটক করা হয়। শনিবার বেলা দুইটার দিকে বিমানবন্দরের কার্গো ইউনিটের ফরেন পোস্ট অফিস থেকে খাটের চালানটি জব্দ করা হলেও এর সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি।

    ঢাকা কাস্টম অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেট এয়ারওয়েজে করে ইথিওপিয়া থেকে ভারত হয়ে কয়েক দিন আগে খাটের চালানটি ঢাকায় আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ইউনিটের ফরেন পোস্ট অফিস এলাকা থেকে নয়টি কার্টন জব্দ করা হয়। এসব কার্টনের ভেতর ১৬০ কেজি খাট পাওয়া যায়। পরে এগুলো মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মাত্র একসপ্তাহ আগে ৩১ আগস্ট দুপুরে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো এলাকা-সংলগ্ন রানওয়ের পাশে ৪৬৭ কেজি খাটের চালান জব্দ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

    এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নাজিমউদ্দিন (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যার দিকে নাজিমউদ্দিনের শান্তিনগরের কার্যালয়ে ‘নওশিন এন্টারপ্রাইজ’ থেকে আরও ৩৯৪ কেজি খাট জব্দ করা হয়। ৮৬১ কেজি খাটের চালান বাংলাদেশে পাঠিয়েছিল ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবার জিয়াদ মুহাম্মদ ইউসুফ নামের এক ব্যক্তি। আজ জব্দ হওয়া খাটের চালানটির রপ্তানিকারক জিয়াদ মুহাম্মদ। তবে আমদানিকারক হিসেবে তুরাগ এলাকার এশা এন্টারপ্রাইজ। ধারণা করা হচ্ছে, বেশ কিছু দিন ধরেই বাংলাদেশে বাজার ‘খাট’-এর বাজার বিস্তৃত করতে সুকৌশলে কাজ করছে দেশি-বিদেশি একাধিক চক্র।

    পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া থেকে আসা নতুন ধরনের এই মাদকের প্রচলিত নাম ‘খাট’। আর এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘এনপিএস’ (নিউ সাইকোট্রফিক সাবসটেনসেস)। সারা বিশ্বে ইয়াবাকে ছাড়িয়ে গেছে এই ‘এনপিএস’। বিশ্বে মাদক সেবনপ্রবণ ৮০টি দেশ এবং অঞ্চলে জরিপ করে ৭০টিতেই এনপিএসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। গত বছর জাতিসংঘ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ইউনাইটেড নেশন্স অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম (ইউএনওডিসি) এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এনপিএস’ সেবনকারীর শেষ গন্তব্য ধীরে ধীরে আত্মহননের পথ বেছে নেওয়া। ‘এনপিএস’ সেবনের পর তা মানবদেহে ইয়াবার চেয়ে ভয়ঙ্কর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

    নতুন এই মাদকটি ফেনসিডিল-ইয়াবার মতো সীমান্তপথে নয়, আকাশপথে পাচার হয়ে এসেছে। গত শুক্রবার দুপুরে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৮৬১ কেজি ওজনের একটি চালান ধরা পড়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। যার বাজার মূল্য ১ কোটি ২৯ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা। এ ঘটনায় পাচারকারীকেও আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর (ডিএনসি)। চালানটি পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া থেকে কয়েক দিন আগে গ্রিনটির (সবুজ চা) প্যাকেটের আড়ালে আনা হয়েছিল। যা বাংলাদেশ থেকে খালাস হয়ে ভারতের যাওয়ার কথা ছিল। এদিকে ডিএনসির রাসায়নিক পরীক্ষক আবু হাসান বলেন, বাংলাদেশে এই ধরনের মাদক নতুন।

    আফ্রিকার দেশগুলোতে এই ধরনের মাদক সেবন করার কথা শোনা যায়। এখানে ক্যাথিনিন জাতীয় পদার্থ থাকে যা ইয়াবার মিথাইন এমফিটামিনের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। এটি সাধারণত যৌন আকাক্সক্ষা বাড়াতে, রাত জেগে থাকতে এই মাদক ব্যবহার হলেও এটি সেবনে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। মাদকবিষয়ক আন্তর্জাতিক জার্নালগুলো বলছে, ‘এনপিএস’ বিষয়ে স্পষ্ট করে পরিভাষা বিশ্লেষণ করা কঠিন। তবে এনপিএসকে সংজ্ঞায়িত করা হয়, অপব্যবহারের পদার্থ, যা ১৯৬১ সালের প্রচলিত মাদক আইন অথবা ১৯৭১ সালের ওষুধ আইনে নিয়ন্ত্রণযোগ্য নয়।

    কিন্তু এটা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। অনেক এনপিএস প্রথমবারের মতো সংশ্লেষণ বা সমন্বয় হয় ৪০ বছর আগে। কিন্তু সম্প্রতি এটি বাজারে ক্ষতিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যা আইনের মধ্যে পড়ে না বা যা নিয়ে আইন তৈরিও হয়নি। এতে করে পুলিশ প্রশাসনও হিমশিম খাচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ‘খাট’ অনেকটা চায়ের পাতার গুঁড়োর মতো দেখতে। পানির সঙ্গে মিশিয়ে তরল করে এটি সেবন করা হয়। সেবনের পর মানবদেহে এক ধরনের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। আসক্তিটা অনেকটা ইয়াবার মতো। এক ধরনের গাছ থেকে এই ‘খাট’ বা এনপিএস তৈরি হয়। এটি ‘খ’ ক্যাটাগরির মাদক।

    আফ্রিকার দেশ জিবুতি, কেনিয়া, উগান্ডা, ইথিওপিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেনে খাটের গাছ উৎপাদন করা হয়। খাট সেবক করলে অনিদ্রা, অবসাদ, দৃষ্টিভ্রম, ক্ষুধামান্দ্যসহ মানবদেহে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এ ছাড়া ইন্দ্রিয় শক্তি এবং যৌনক্ষমতা হারিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি খাট জীবনীশক্তিও কমিয়ে দেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ১৯৮০ সালে এনপিএসকে মাদকদ্রব্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।বে এর আসক্তি খুব ভয়ঙ্কর। খাটের কারণে অবসাদ, দৃষ্টিভ্রম, অনিদ্রা, ক্ষুধামন্দাসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে?। বেশি রস চিবিয়ে নেশা করলে বিপদও মারাত্মক। বিশেষজ্ঞদের বলছেন, ‘দাঁত এবং মাড়িতে ঘা হতে পারে।

    এ ছাড়াও, ইন্দ্রিয় শক্তি এবং যৌনক্ষমতা হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খাট জীবনী শক্তিও কমিয়ে দেয়।’ ১৯৮০ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) একে মাদকদ্রব্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। কানাডা, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রে এটি অবৈধ না হলেও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণযোগ্য। ইসরাইলে এই উদ্ভিদের পাতা ওষুধ তৈরিতে ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে। তবে মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা- ডিইএ একে ক্ষতিকারক হিসেবে সতর্ক করেছে।অপরদিকে আফ্রিকার দেশ জিবুতি, কেনিয়া, উগান্ডা, ইথিওপিয়া, সোমালিয়া এবং ইয়েমেনে এর উৎপাদন, ক্রয়-বিক্রয় এবং অবাধে সেবনের বৈধতা রয়েছে।সোমালিয়ার স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল সোমালিল্যান্ডের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ ‘খাট’ এ আসক্ত। তাদের মতে, ‘খাট মদের চেয়েও ভালো। এই নেশা শক্তি যোগায়। এটা নেয়ার পর স্বাভাবিকভাবে কাজ করা যায়।’ সোমালিল্যান্ডের অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং জনজীবনকে নি

  • যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে ছাত্রীকে চাকরির আশ্বাস ববি রেজিস্ট্রারের

    যৌন সম্পর্কের বিনিময়ে ছাত্রীকে চাকরির আশ্বাস ববি রেজিস্ট্রারের

    শেখ সুমন:

    চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্রীর কাছে ভিডিও কলে যৌন সম্পর্কের আবেদন করার অভিযোগ উঠেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ছাত্রী বরিশালের একটি সরকারি কলেজের স্নাতকে অধ্যয়নরত। চাকরি পাইয়ে দিতে সহযোগীতার আশ্বাস দিয়ে ওই ছাত্রীকে গভীর রাতে নির্জন বাসায় ডাকার অভিযোগ উঠেছে রেজিস্ট্রার মনিরুলের বিরুদ্ধে।

    শুধু তাই নয়, গভীর রাতে ওই ছাত্রীর মুঠোফোনে ভিডিও কল দিয়ে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন যৌন হয়রানির অভিযোগে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বরিশালের সুশীল সমাজ। এদিকে একের পর এক নৈতিক স্খলনের ঘটনায় অভিযুক্ত রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত বৃহস্পতিবার উপাচার্যের কাছে গিয়েছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

    তখন উপাচার্য তাদের লিখিত অভিযোগ করতে বলেন। অন্যদিকে শুধু এই ছাত্রীকেই নয়, এর আগে গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে যৌন হয়রানিসহ তাকে তার সাথে ঢাকা যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ আছে রেজিস্ট্রার মনিরুলের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় ওই নারী শারীরিক শিক্ষা কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তখন তদন্ত কমিটিও গঠন করেছিলো কর্তৃপক্ষ।

    কিন্তু তদন্ত কমিটির রিপোর্ট ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চকর্তা উপাচার্যের বিরুদ্ধে। একজন নারী কর্মকর্তাকে যৌন হয়রানির ঘটনা চেপে যাওয়ায় উপাচার্যের প্রশ্রয়ে দিন দিন রেজিস্ট্রার মনিরুল আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ অনেকের। এছাড়াও রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে এলাকাপ্রীতিসহ লাখ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী জানান, তিনি বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। এক বছর বয়সে তার বাবা মারা যায়। মা অনেক কষ্ট করে তাকে গ্রামের স্কুল-কলেজ থেকে এসএসসি এবং এইচএসসি পাশ করিয়ে বরিশাল নগরীর একটি সরকারি কলেজে ভর্তি করিয়েছেন। মাকে একটু স্বস্তি দিতে স্নাতক অধ্যায়নের পাশাপাশি তিনি একটি মুঠোফোন অপারেটর কোম্পানীর বিভিন্ন প্যাকেজ প্রকল্পে পার্টটাইম চাকরি করতেন। একই সাথে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চাকরির আবেদন করতে থাকেন তিনি।

    ইতোপূর্বে দুইবার প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরির আবেদন করেন এবং লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু তার চাকরি হয়নি। এরপর তৃতীয় দফায় গত মে মাসে আবারও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির আবেদন করেন তিনি। কিন্তু নিয়োগ পরীক্ষার হলে এন্ড্রয়েড মুঠোফোন ব্যবহারসহ নানা সুবিধার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ মাস্টাররোল কর্মচারীদের নিয়োগ দিয়ে চাকরি স্থায়ী করায় তার চাকরি হয়নি বলে অভিযোগ ওই ছাত্রীর।

    এই সময়ে ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলামের সাথে পরিচয় হয় তার। প্রথমদিকে ফেসবুক মেসেঞ্জারে সালাম ও কুশল বিনিময় হতো মাত্র। সময় গড়ানোর সাথে সাথে নম্বর চেয়ে নিয়ে ওই ছাত্রীর মুঠোফোনে কল দিতে থাকেন মনিরুল। জানতে চান ছাত্রীর বিস্তারিত পরিচয়। ওই ছাত্রীও বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পাওয়ার নিয়মকানুন জানতে চান। ওই ছাত্রীর দুর্বলতার সুযোগে রেজিস্ট্রার মনিরুল গত রমজানের শুরুর দিকে এক পর্যায়ে তাকে রাতে ভিডিও কল দিতে শুরু করেন। তিনি রূপাতলী হাউজিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাড়া করা বাসায় একা থাকেন এবং সরকারি কলেজে চাকুরে তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে ঢাকায় থাকেন বলে জানিয়ে নিজের একাকিত্ব প্রকাশ করেন।

    নিজের একাকিত্বের কথা বলে ওই ছাত্রীর অনুগ্রহ পাওয়ার আশা করেন এবং তাকে রূপাতলী হাউজিংয়ের বাসায় যাওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় আমন্ত্রণ জানান। ফেসবুক মেসেঞ্জারে এবং ভিডিও কলে ওই ছাত্রী ভয়ে তার বাসায় যেতে চায়না বলে তার ভয় ভাঙানোর চেষ্টা করেন। শুধু রাতে ভিডিও কল দিয়েই নয়, রমজান মাসের শেষের দিকে দিনেও বিভিন্ন স্থানে দেখা করার জন্য ডাকতেন ওই ছাত্রীকে।

    কিন্তু ওই ছাত্রী নানা কারণ-অজুহাতে এড়িয়ে চলতেন। এতে বিমুখ হয়ে রেজিস্ট্রার মনিরুল ওই ছাত্রীকে মুঠোফোনে ভিডিও কলে বলেন, ‘তুমি আমার জন্য কিছুই করোনি, একা থাকি জেনে তুমি এড়িয়ে চলো’। এসব কথা বলতে বলতে রেজিস্ট্রার মনিরুল নিজের আবেগ সংবরণ করতে না পেরে নিজেই নিজের গোপনাঙ্গ প্রদর্শন করেন বলে জানান ওই ছাত্রী। ওই ছাত্রী বলেন, রেজিস্ট্রার মনিরুল গোপনাঙ্গ দেখিয়ে সুযোগ পেলেই তাকে মাস্টাররোলে চাকরি দেওয়ার কথা বলেন। কোন ধরনের উস্কানীমূলক কথাবার্তা ছাড়া ভিডিও কলে গোপনাঙ্গ দেখানোয় ওই ছাত্রী বিস্মিত এবং হতবাক হন। গোপনাঙ্গ দেখিয়ে বাসায় ডাকায় সম্ভ্রম হারানোর ভয়ে রেজিস্ট্রার মনিরুলের বাসায় যাননি ওই ছাত্রী। তবে মনিরুল তার ক্ষতি না করার জন্য অনুরোধ করেন ওই ছাত্রীকে।

    এর আগে গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী ফিজিক্যাল ইন্সট্রাক্টরকে বিভিন্ন সময় যৌন সঙ্গমের প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ রেজিস্ট্রার মনিরুলের বিরুদ্ধে। ওই সময় সেলিনা বেগম এ ঘটনার বিচার চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় তখন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু ওই কমিটির প্রতিবেদন আলোর মুখ দেখেনি। এমনকি অভিযুক্ত মনিরুলের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাও নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

    সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল মহানগর কমিটির সভাপতি নারী নেত্রী অধ্যাপক শাহ্ সাজেদা বলেন, চাকরিপ্রত্যাশী এক ছাত্রীর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের মতো দায়িত্বশীল পদে থেকে মনিরুল ইসলামের অনৈতিক আচরণ দুঃখজনক। তিনি বলেন, গত বছর রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে এক নারী কর্মকর্তার দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে উপাচার্য কঠোর উপাচার্য কঠোর ব্যবস্থা নিলে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতো না। এই ধরনের ঘটনার প্রতিরোধ এবং প্রতিবাদ হওয়া উচিত। সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী নৈতিক স্খলনের দায়ে রেজিস্ট্রার মনিরুলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি অধ্যাপক শাহ্ সাজেদা।

    টিআইবি’র আদলে গঠিত বরিশাল জেলা সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মানবেন্দ্র বটব্যাল বলেন, চাকরিপ্রত্যাশী ছাত্রীকে ভিডিও কলের মাধ্যমে যৌন প্রস্তাব কিংবা গোপনাঙ্গ প্রদর্শন করে রেজিস্ট্রার মনিরুল আইসিটি এ্যাক্ট অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তিনি ফেসবুকে একজন নারীর সাথে যে আচরণ করেছে তা কোন শিক্ষিত ও ভদ্র মানুষ করতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিলে ওই ছাত্রী কিংবা তার পরিবারের মনিরুলের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

    বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মিয়া বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা রেজিস্ট্রারের এমন অনৈতিক কর্মকান্ড মেনে নেওয়া যায় না। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে  রবিবার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির জরুরি সাধারণ সভা ডাকা হয়েছে। ওই সভার পর প্রমাণসহ উপাচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলে জানান আবু জাফর মিয়া।

    এদিকে রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনীত নৈতিক স্খলনের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, একটি কুচক্রি মহল সব সময় তার পেছনে লেগে আছে। তারা বিভিন্নভাবে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। একটি মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে একটা এডিট করা ভিডিও ক্লিপ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছে বলে দাবি করেন রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম। ঢাকায় অবস্থানরত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এসএম ইমামুল হক জানান, রেজিস্ট্রার সম্পর্কিত একটা আনসাইনড অভিযোগ এবং একটা সিডি বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন।

    কিন্তু তার কাছে কেউ অভিযোগ দেয়নি। শিক্ষক সমিতির নেতারা এ বিষয়ে তার কাছে বিচার চাইতে গিয়েছিলেন। তিনি তাদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলেছেন। এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন তিনি। গত বছর নারী কর্মকর্তাকে রেজিস্ট্রারের যৌন সঙ্গম প্রস্তাবের বিচার না হওয়া প্রসংগে উপাচার্য বলেন, তাদের (নারী কর্মকর্তা ও রেজিস্ট্রার) রেকর্ড করা ফোনালাপ বিশ্লেষণ দেখা দেখা গেছে ওই ঘটনায় দুইজনেরই দোষ ছিলো। শাস্তি দিলে দুইজনকেই দিতে হতো। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তির ব্যাপার। তাই দুইজনকেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিল।

  • নিথর কিশোরীর পাশে রক্তাক্ত যুবক, রহস্যের জট খুলেনি

    নিথর কিশোরীর পাশে রক্তাক্ত যুবক, রহস্যের জট খুলেনি

    কিশোরীটির পরনে স্কুল ড্রেস। তাতে ছোপ ছোপ রক্ত। তাকে জড়িয়ে ধরে যুবকটিও ছিল রক্তাক্ত। নির্জন রেললাইনের পাশের ঝোপের ভেতর তাদের এভাবে পড়ে থাকতে দেখে দিশেহারা এলাকাবাসী।

    বুদ্ধি না হারিয়ে কয়েকজন ছুটলো থানায়। পুলিশ এসে যখন তাদের উদ্ধার করে, ততোক্ষণ মেয়েটির হৃদ-স্পন্দন থেমে গেছে। তীব্র রক্ত রক্তক্ষরণের পর মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে টিকেছিল ছেলেটি।

    শনিবার বিকেলে এই হৃদয়বিদার ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়নের বেলতল রেললাইনের পাশে। খবর পেয়ে পটিয়া থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই স্কুলছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। আর মুমুর্ষ অবস্থায় থাকা যুবকের চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে (চমেক) নিয়ে যান।

    জরুরী বিভাগে মুমূর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করে নেন। গণমাধ্যমকে ওই চিকিৎসক জানান, মেয়েটির পেটে একাধিক ছুড়িকাঘাত রয়েছে। ছেলেটিরও ক্ষতবিক্ষত, তার গলার একাংশে ধারালো ছুড়ির আঘাত করা রয়েছে। অল্পের জন্য রক্ষ পেয়েছে শ্বাসনালী। তাকে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে।

    ঘটনাটির তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে মাঠে নেমেছেন পটিয়া থানার এসআই আলমগীর হোসেন। তিনিবলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিষয়টি প্রেমঘটিত। তবে এর পেছনে অন্য কোনা হাত আছে কিনা তা জানতে ছেলেটি সুস্থ্ হয়ে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে।

    এরই মধ্যে পুলিশ তাদের পরিচয় উদ্ধার জানতে পেরেছে জানিয়ে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, মৃত কিশোরীর নাম রিমা আকতার (১৩)। সে উপজেলার পূর্ব হাইদগাঁও গ্রামের মাহদাম পাড়ার মঞ্জুরুল আলমের কন্যা। সে হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী বলে জানা গেছে। আর মারাত্মক আহত যুবকের নাম নজরুল ইসলাম মাসুদ (২২)। সে পৌর এলাকার উত্তর গোবিন্দারখীল গ্রামের (ফইল্ল্যাতলী) মৃত আবুল কালামের পুত্র।

    পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহ বলেন, ঘটনাটি প্রেমঘটিত নাকি অন্যকিছু। তা দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বললে জানা যাবে।

    ওসি আরো জানান, আহত নজরুল ইসলাম মাসুদ চমেক হাসপাতালের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। তার গলায়ও ধারালো ছুরির আঘাত থাকায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

  • নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ড রেইন্ট্রিতলা পাম্পের পানি সরবরাহের শুভ উদ্বোধন

    নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ড রেইন্ট্রিতলা পাম্পের পানি সরবরাহের শুভ উদ্বোধন

    রাকিব সিকদার নয়নঃ-

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনাধীন নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডের কলাডেমা রেইন্ট্রিতলা পাম্পের পানি সরবরাহের শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় মেয়র জনাব আহসান হাবিব কামাল। সকাল ১১ঃ০০টায় উদ্বোধন কার্যক্রম শুরু করেন ।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ৩০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ খায়রুল মাুমুন শাহিন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর বেগম রাশিদা পাড়ভিন আরও অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গগন ।

    পাম্পটি’র উত্তোলন শুরু হওয়ায় নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডের গ্রাহকবৃন্দ আগামিকাল থেকে পর্যাপ্ত পানি পাবেন, এ রকম আশ্বাস দিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • সংসদ অধিবেশন শুরু, চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

    সংসদ অধিবেশন শুরু, চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

    দশম জাতীয় সংসদের ২২তম অধিবেশন শুরু হয়েছে রবিবার বিকাল ৫ টায়। এর আগে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই অধিবেশন পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া বৈঠকে নির্বাচনের আগে আগামী অক্টোবর মাসের সুবিধাজনক সময়ে আরেকটি অধিবেশন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত হয় ।

    স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে রবিবার কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।  সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ডেপুটি স্পিকার  মো: ফজলে রাব্বী মিয়া, আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও ওর্য়াাকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, চিফ হুইপ আ.স.ম. ফিরোজ, জাসদের নির্বাহী সভাপতি মইন উদ্দীন খান বাদল বৈঠকে অংশ নেন।

    বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই অধিবেশন প্রতিদিন বিকাল ৫টায় শুরু হবে। তবে স্পিকার প্রয়োজনবোধ করলে অধিবেশনের দিন বৃদ্ধি করতে ও সময় পরিবর্তন করতে পারবেন। বৈঠকে আগামী অক্টোবর মাসের সুবিধাজনক সময়ে পরবর্তী অধিবেশন আহ্বান করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে সংসদ সচিবালয়ের জনসংযোগ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    বৈঠকে জানানো হয়, এ অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য নতুন ১১টি সরকারি বিলের নোটিশ পাওয়া গেছে। এছাড়া সংসদে পাসের অপেক্ষায় ৩টি, কমিটিতে পরীক্ষাধীন ৯টি ও উত্থাপনের অপেক্ষায় আরো ১১টিসহ মোট ২৩টি সরকারি বিল পাসের অপেক্ষায় রয়েছে। এ অধিবেশনে উত্থাপনের জন্য কোন বেসরকারি বিলের নোটিশ পাওয়া যায়নি। তবে আগের ৭টি বেসরকারী বিলের মধ্যে উত্থাপনের অপেক্ষায় আছে একটি, কমিটিতে বিবেচনাধীন রয়েছে ৩টি ও পরীক্ষাধীন রয়েছে ৩টি বিল। বৈঠকে আরো জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮৪টি ও সাধারণ প্রশ্ন ১৫০৪টিসহ মোট ১৫৮৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া ১০৩টি সিদ্ধান্ত  প্রস্তাব সম্পর্কিত নোটিশ পাওয়া গেছে।
    উল্লেখ্য, আগামী ২৮ জানুয়ারি দশম সংসদের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে। সংবিধানে সংসদের পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার বিধান রয়েছে। সেই হিসেবে আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে ৯০ দিনের দিনক্ষণ গণনা শুরু হবে।

    সভাপতিমণ্ডলী নির্বাচন
    অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী চলতি অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সংসদে স্পিকারের দায়িত্ব পালনের জন্য ৫ জন সভাপতিমণ্ডলীর নাম ঘোষণা করেন। এরমধ্যে রয়েছেন ইমরান আহমেদ, এ বি তাজুল ইসলাম, মাহবুব উল আলম হানিফ, ফখরুল ইমাম এবং নূরজাহান বেগম। পরে তিনি দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিদের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

  • কেন শতাধিক নারী হয়েছেন তার শয্যাসঙ্গী?

    কেন শতাধিক নারী হয়েছেন তার শয্যাসঙ্গী?

    চেহারায় মিল থাকায় কামিয়ে নিচ্ছেন প্রচুর অর্থ। শয্যাসঙ্গী করছেন অসংখ্য নারীকে। বলছি হাওয়ার্ড এক্স (৩৮) এর কথা। তিনি দেখতে একেবারেই কিম জং উনের মতো। আর তাকে দেখে মজে যান অনেক নারী, যুবতী। যার শেষ পরিণতি ঘটে বিছানায়। এমনই সঙ্গ নিয়েছেন কমপক্ষে ১০০ নারী।
    এছাড়া তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পারফরমেন্স করেন। যার প্রতিটি থেকে পান ১০ হাজার পাউন্ড করে।
    হাওয়ার্ড এক্স এর উদ্বৃতি দিয়ে বৃটেনের অনলাইন দ্য সানের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমি হংকংয়ের নাগরিক। দেখতে হুবহু কিম জং উনের মতো হওয়ায় সব নারীই আমার সঙ্গে ছবি তুলতে চান। আমার সঙ্গে ডজন ডজন নারীর সম্পর্ক আছে। ৫ বছর আগে এমন সম্পর্কের শুরু। এখনও চলছে। থামেনি। আমি এসব নারীকে কৌতুক করে বলি তাদেরকে আমি দুই নম্বর, তিন নম্বর, চার নম্বর মন্ত্রী বানাতে পারি।

    তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মতো দেখতে ডেনিস অ্যালেন (৬৬)। দু’জনে মিলে অর্থ আয়ের পথ ধরেছেন।  বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তারা পারফরম করেন। তাতে আয় হয় মোটা অংকের অর্থ।

    হাওয়ার্ড এক্স জানান, যখন আমরা যুবতীতের চুমু খাই আবার তাদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করি তখন তারা তা লুফে নেন। সিঙ্গাপুরে তারা যেন এটাই চান। রেস্তোরাঁগুলোতে তো আমাদের জন্য পানীয় ও খাবার ফ্রি। সান গ্লাস থেকে শুরু করে ফ্রাইড টিকেনের মতো পণ্যের বিক্রিতে সহায়তা করে আমরা অর্থ উপার্জন করি।