Author: banglarmukh official

  • বরিশালে ইয়াবাসহ আটক ৩

    বরিশালে ইয়াবাসহ আটক ৩

    শামীম ইসলাম:

    আটকরা হলেন বরিশাল নগরের ২২নং ওয়ার্ডের কাজীপাড়া এলাকার মো. বেল্লাল হোসেন মিঠু (২২), ২৮ নং ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক এলাকার মো. সুজন সিকদার (২৪) ও গোপালগঞ্জ জেলা সদরের মারকাস মহল্লা এলাকার সোনিয়া আক্তার প্রিয়া (২২)।

    বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপরে বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. নাসির উদ্দিন মল্লিকের নেতৃত্বে নএয়ারপোর্ট থানাধীন ২৮নং ওয়ার্ডের কাশিপুর চৌহুতপুর শেরে বাংলা সড়কে অভিযান চালানো হয়।

    অভিযানে মো. বেল্লাল হোসেন মিঠুকে ৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী কাশিপুর চৌহুতপুর ফিশারি রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. সুজন সিকদারকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয় এবং নগরের ২২নং ওয়ার্ডের জিয়া সড়ক ১ম গলিতে অভিযান চালিয়ে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ সোনিয়া আক্তার প্রিয়াকে আটক করা হয়।

  • ভারতীয় হাইকমিশনার কে সংবর্ধনা দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    ভারতীয় হাইকমিশনার কে সংবর্ধনা দিলেন মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ

    ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাকে বরিশাল বিমান বন্দর এর ভিআইপি লাউন্চে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান,বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ , এসময়ে পারস্পরিক সুসম্পর্ক বৃদ্ধি ও সকল ধরনের উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের সহযোগিতার ব্যাপার একমত প্রকাশ করেন উভয় নেতৃবৃন্দ

    উভয়ে কিছুসময় একান্ত আলাপচারিতা করেন, বরিশাল এর মাটিতে পাড়া দিয়ে খুবই আন্তরিক ও আতিথেয়তা মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।

    ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এ সময় ,মহানগর আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলো।সংবর্ধনা দিতে বিমান বন্দরে হাজারো মানুষের উপস্থিতি ছিলো চোখে পরার মতো।

  • ভারতীয় হাইকমিশন এর উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা চেক বিতরন

    ভারতীয় হাইকমিশন এর উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধা চেক বিতরন

    ভারতীয় হাই কমিশন এর উদ্যেগে শেবাচিম অডিটোরিয়ামে, মুক্তিযোদ্ধা বৃত্তি চেক বিতরন করছেন প্রধান অতিথি, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর নব নির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।

    এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধাগন, সংসদ সদস্য, বিএমপি পুলিশ কমিশনার, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা।

  • ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বরিশালে আগমন

    ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বরিশালে আগমন

    বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা এখন বরিশালে সফর করছেন। ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইটে আজ দুপুর একটার সময় বিসিসির নবনির্বাচিত মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সঙ্গে বরিশাল বিমান বন্দরে তিনি অবতরণ করেন।

    এসময় স্থানীয় আ’লীগ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের নের্তৃবৃন্দ হাইকমিশনারকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পক্ষে হাইকমিশনার ও বরিশাল সিটির নবনির্বাচিত মেয়র সাদিককে ফুলের শুভেচ্ছা জানান।

    এসময় মেয়র হিসেবে সাদিকের প্রথম বাবুগঞ্জ সফর উপলক্ষ্যে তাকে মিষ্টিমুখ করান বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপন।

    অভ্যর্থনা ও শুভেচ্ছা বিনিময় কালে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বিসিসি কাউন্সিলর রফিকুল ইসলাম খোকন, কালাম মোল্লা, মহানগর আ’লীগ নেতা শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হাসান মাহমুদ হোসেন বাবু, বরিশাল জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সুমন সেরনিয়াবাত সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বি চৌধুরীর মুখে শেখ হাসিনার গুণগান

    বি চৌধুরীর মুখে শেখ হাসিনার গুণগান

    কিছুটা বিরল এই ঘটনাই ঘটেছে শনিবার; রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কয়েকটি গুণের কথা তুলে ধরেছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

    বাংলাদেশ বিষয়ে ইতিবাচক পরিকল্পনা নিয়ে গুলশানের একটি ক্লাবে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ‘প্রজন্ম বাংলাদেশ’ একটি সংগঠন, যেই সংগঠনের চেয়ারম্যান তার ছেলে মাহী বি চৌধুরী।

    শুরুতেই মাহী জানিয়ে দেন এই অনুষ্ঠানে কোনো ‘নেগেটিভ’ কথা চলবে না। কেউ বললে সঙ্কেত দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হবে।

    অনুষ্ঠানের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক দর্শকের প্রশ্ন ছিল, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার কী কোনো পজেটিভ দিক নেই?

    প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত যারা ক্ষমতায় ছিলেন তাদের সম্পর্কে কোনো পজেটিভ কথা বলব না।

    পরে বদরুদ্দোজা বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গুণের কথা…। তিনি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। তারপর দেশে ফিরেছেন। দেশপ্রেম না থাকলে ফিরে আসতেন না। তার পিতার প্রতি যে অবিচার হয়েছে তার প্রতিকার তিনি করার চেষ্টা করেছেন।

    “আওয়ামী লীগ অসংগঠিত একটি দল ছিল। দেশে ফিরে সেই দলকে সংগঠিত করেছেন- এটাও তার গুণ। আর হ্যাঁ, উনি ভালো ছড়া বলেন- এটা জানতাম না। গুণী মানুষ তিনি; ছড়া বলেছেন, ‘মান্না জুড়ে দেয় কান্না’।”

    শেখ হাসিনা সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, “পত্রিকায় দেখেছি তার আরও একটা গুণ আছে। শুনেছি তিনি রান্না করেন। প্রধানমন্ত্রী হয়ে রান্না করা…। তাও ইলিশ ভাপি। পত্রিকায় দেখলাম।”

    এসময় মাহী খালেদা জিয়ার গুণের কথা বলতে স্মরণ করিয়ে দিলে বি চৌধুরী বলেন, “উনি গৃহিনী ছিলেন। রাজনীতি ঢুকে অবদান রেখেছেন। তাকে স্বার্থত্যাগ করতে হয়েছে। কারাবরণ করেছেন; এটাও তার রাজনীতির অংশ।

    কয়েকদিন আগে কামাল হোসেনের গণফোরামের সঙ্গে বি চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টের ঐক্যবদ্ধ হওয়াকে স্বাগত জানালেও তারা ‘অগণতান্ত্রিক পথে’ ক্ষমতায় যেতে চান বলে টিপ্পনী কাটেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

    বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে দলীয় চাপে রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়তে বাধ্য হওয়া বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব বদরুদ্দোজাকে এর আগে ‘বদু কাকা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন শেখ হাসিনা।

    ওই ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে কয়েকদিন আগেও শেখ হাসিনা বলেন, “খালেদা জিয়াও ওনাকে সম্মান দেননি। ওনাকে বঙ্গভবন থেকে বের করে রেললাইনের ওপর দিয়ে দৌড় দেওয়ালো।

    বি চৌধুরীর বাবার আওয়ামী লীগ করার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর তাকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘আপনার ডাক্তার’ নামে স্বাস্থ্য সচেতনতা মূলক একটি অনুষ্ঠান করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, যে অনুষ্ঠানটি জনপ্রিয় হয়।

    এরপর বিএনপিতে যোগ দিয়ে মহাসচিব হওয়ার পর খালেদা জিয়ার আমলে রাষ্ট্রপতি হলেও টিকতে পারেননি বি চৌধুরী।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দিতে উঠে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের-জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন নাগরিক ঐক্যের মান্নাকে ভুল করে বিকল্প ধারার আহ্বায়ক বলেন। তখন দর্শক সারি থেকে ধরিয়ে দেওয়া হয়। মঞ্চের সামনে বসে থাকা বি চৌধুরী তখন বলে ওঠেন, “বিকল্পধারার আহ্বায়ক হলে সমস্যা নেই।

    ‘প্লান বি পজেটিভ’ শিরোনামে ওই অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জেএসডি সভাপতি আসম আব্দুর রব, বিকল্পধারার মহাসচিব এম এ মান্নান।

  • প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    সেমিফাইনালে ওঠার দারুণ হাতছানি। জয় প্রয়োজন নেই, কোনোমতে ড্র করতে পারলেও চলবে। তাহলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই উঠে যাবে সেমিফাইনালে। তবে হারের কোনো অবকাশ নেই। নেপালের কাছে যে কোনো ব্যবধানেই হার মানে বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত। দিনের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে পাকিস্তানের ৩-০ গোলে জয়ের পরই এই সমীকরণ দাঁড়িয়ে যায় বাংলাদেশের সামনে।

    সেই সমীকরণ সামনে নিয়েই নেপালের বিপক্ষে খেলতে নামে জেমি ডে’র শিষ্যরা। আগের দুই ম্যাচে ভুটান এবং পাকিস্তানকে হারানোর কারণে দারুণ উজ্জীবিত ছিল বাংলাদেশ দল। শুরু থেকেই তপু বর্মণরা আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে কাঁপন ধরিয়ে দেয় নেপালের রক্ষণভাগে।

    কিন্তু দুর্ভাগ্য সঙ্গী হলে যা হয় আরকি! ৩৩ মিনিটে গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেলের অ-মার্জনীয় ভুলের খেসারত দিয়ে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। রাইট উইংয়ে ফ্রি-কিক পায় নেপাল। শট নেন নেপালের বিমল ঘার্তিমাগার। তার নেয়া দুর্দান্ত শটটি চলে আসে সোজা গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেলের হাতে। দুই হাত মাথার ওপর বাড়িয়ে বলটি লুফে নেন গোলরক্ষক। কিন্তু হাতে আর বলটি জমিয়ে রাখতে পারলেন না। তার হাত গলে বল চলে গেলো জালে।

    যেখানে হারা যাবে না- এমন কঠিন সমীকরণ বাংলাদেশের সামনে, সেখানে গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেলের অ-মার্জনীয় ভুল বাংলাদেশকে ঠেলে দিলো ব্যাকফুটে। নীলফামারীতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচেও এই গোলরক্ষক শহিদুল আলম সোহেলের ভুলের কারণে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে এসেও একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করলেন তিনি।

  • শেখ হাসিনার পদত্যাগ না, সুুষ্ঠু নির্বাচন চাই : কাদের সিদ্দিকী

    অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে নির্বাচনে অংশ নেবেন জানিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম বলেছেন, ‘আমি শেখ হাসিনার সরকারের পদত্যাগ চাই না। আমি সুষ্ঠু-অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আমার স্পষ্ট কথা, রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই।’

    শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জাতীয় ঐক্য এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলের বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরাও নির্বাচনে যাইনি। তার মানে এই নয় যে, বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে তাদের সঙ্গেই আছি। আর আগামী নির্বাচনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে কি যাবে না, সেটি তাদের বিষয়। আমরা নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে নির্বাচনে যাব।’

    কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, জাতীয় ঐক্য এখনও গঠন হয়নি। এ নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে। জাতীয় ঐক্যের স্তম্ভ কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগ তৈরি করেছে। আমাদের বাদ দিয়ে জাতীয় ঐক্য গঠন হতে পারে না।

    ড. কামাল হোসেনসহ যুক্তফ্রন্টের নেতাদের বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চেয়ে দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের নিজস্ব বক্তব্য। জাতীয় ঐক্যই গঠন হয়নি। জাতীয় ঐক্য গঠন হলে তখন বক্তব্য বা সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। তবে সীমা ছাড়িয়ে গেলে জাতীয় ঐক্য হবে না, ঐক্য থাকবে না।’

    কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সমদূরত্বে রেখে জাতীয় ঐক্য গঠন করা হোক। এখানে যদি বিএনপিকে টানা হয়, তাহলে আওয়ামী লীগও চলে আসতে পারে। এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যথার্থই বলেছেন (আওয়ামী লীগকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য হবে না)।’

    তিনি বলেন, ‘আমার স্পষ্ট বক্তব্য, যতদিন বেঁচে থাকব বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে বেঁচে থাকব। দুঃখ হয়, বর্তমান আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে না।’

    এদিকে সম্প্রতি অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবীর বলেন, ‘আবুল মাল আবদুল মুহিত হলেন রান্নায় দেওয়া হলুদের মতো। উনি স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানে ছিলেন, পরে তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন। বিএনপি আমলে সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন, এরশাদের আমলে জাতীয় পার্টির মন্ত্রী ছিলেন। এখন আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছেন।’

  • পোশাকের দাম নিয়ে আলোচনায় প্রিয়াঙ্কা

    পোশাকের দাম নিয়ে আলোচনায় প্রিয়াঙ্কা

    নিউ ইয়র্ক ফ্যাশান উইক এর শোয়ে হাজির ছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়াও। নিউ ইয়র্ক ফ্যাশান উইক’স ডেইলি ফ্রন্ট রো ফ্যাশান মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার ডিয়ন লি ব্ল্যাক ক্রিয়েশনের পোশাকে দেখা গেল প্রিয়াঙ্কা চোপড়াকে।

    স্লিভলেস টপ ও গাউন টাইপ কালো স্কার্টে সবার নজর কেড়েছেন তিনি। প্রিয়াঙ্কার এই পোশাকের দামও জানা গেছে।

    নায়িকার পোশাকের দাম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে রিতিমত। জানা গেল প্রিয়াঙ্কার এই পোশাকের দাম নাকি ১ লক্ষ ২০ হাজার ২৫০ টাকা। সাধারণ অল্প আয়ের মানুষের কাছে এই পোশাকের দাম অনেক মনে হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু এর চেয়েও দামি পোশাকে হর হামেশায় পাওয়া যায় নায়িকাদের।

    বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক ফ্যাশান উইক’স ডেইলি ফ্রন্ট রো ফ্যাশান মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে হলিউডের বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে প্রথম সারিতে বসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। এদিকে নিউ ইয়র্ক ফ্যাশান উইক’স ডেইলি ফ্রন্ট রো ফ্যাশান মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে আরও একটি দিন হলুদ রঙের টপ ও মাল্টি প্রিন্টেট প্যাচওয়াক স্কার্ট পরে হাজির হয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। জানা যাচ্ছে, ভেরোনিকা বেয়ার্ড স্কার্ট ৩৯ হাজার ৫০০ টাকা।

    প্রসঙ্গ মার্কিন পপ গায়ক নিক জোনাসের সঙ্গে বাগদান সারা হয়ে গিয়েছে দেশি গার্ল প্রিয়াঙ্কার। চলতি মাসই নিকের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কা বিয়ের অানুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে বলে শোনা যাচ্ছে।

  • উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাণিজ্য করতে সক্ষম বাংলাদেশ

    উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাণিজ্য করতে সক্ষম বাংলাদেশ

    বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে বাণিজ্য করতে বাংলাদেশ সক্ষমতা অর্জন করেছে। তিনটি শর্ত পূরণ করে ইতোমধ্যে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে প্রবেশের প্রথম ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করেছে।

    তিনি বলেন, ২০২৪ সালে পরিপূর্ণভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। ২০২৭ সালের পর বাংলাদেশ আর এলডিসিভুক্ত দেশের বাণিজ্য সুবিধা পাবে না। বিশ্ব বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যাবে। এজন্য বাংলাদেশ প্রস্তুতি শুরু করেছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রয়োজনীয় সক্ষমতা অর্জন করবে।

    শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় মাইডাস সেন্টারে মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্টেন্স অ্যান্ড সার্ভিস (মাইডাস) এর ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মাইডাস পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি পারভীন মাহমুদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত এইচ হেরি ভারউইজি, ইউএসএইড এর বাংলাদেশ মিশন পরিচালক ডেরিক এস. ব্রাউন, পাম নেদারল্যান্ডের সিনিয়র বিশেষজ্ঞ আকি ওকমা, মাইডাস পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক রোকেয়া এ রহমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এ এস এম মশিউর রহমান।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শূন্যহাতে যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন। সোনার বাংলা গড়ার কাজ শুরু করলেও তা তিনি শেষ করতে পারেননি। আজ তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ করছেন।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। বাংলাদেশের রফতানি ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার থেকে গত বছর মোট রফতানি দাঁড়িয়েছে ৪১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। রফতানি দিনে দিনে বাড়ছে। পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, কর্ণফুলী টানেল, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বৃহৎ প্রকল্পগুলো বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন ২০২১ অর্জিত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন ডিজিটাল মধ্য আয়ের দেশ। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত দেশ।

    অনুষ্ঠানে মাইডাসের সহযোগিতায় ব্যবসায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য কৃতিত্ব অর্জনের জন্য আটজন বিশিষ্ট উদ্যোক্তাকে মাইডাসের পরিচালনা পরিষদ ‘মাইডাস উদ্যোক্তা পুরস্কার-২০১৮’ প্রদান করে। বাণিজ্যমন্ত্রী তাদের হাতে ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন।

  • নিজের দাম বোঝাচ্ছেন তপু বর্মণ

    নিজের দাম বোঝাচ্ছেন তপু বর্মণ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে এসে কথায় কথায় আটখানা হাসি হাসছিলেন তপু বর্মণ। নির্মল সেই হাসিতে বোঝার উপায় নেই মাঠে কতটা মারমুখো হয়ে থাকেন তিনি। দলের সহকারী কোচ যিনি কিনা দলের ডিফেন্স অর্গানাইজেশন দেখারও মূল দায়িত্বে, সেই স্টুয়ার্ট পল ওয়াটকিসের চোখে তপুর মূল শক্তির জায়গাই হলো তাঁর আক্রমণাত্মক মনোভাব, ‘এর জোরেই ও স্ট্রাইকারদের সামলাতে ভয় পায় না। এই কারণেই প্রতিপক্ষ বক্সের মধ্যেও সে অপ্রতিরোধ্য।’

    বয়স কতই বা, ২৩ ছাড়িয়েছেন মাত্র। ডাচ কোচ লোডউইক ডি ক্রুইফের হাতে এক ঝাঁক তরুণ খেলোয়াড়ের অভিষেক হয়েছিল নেপাল সাফের পর। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ফুটবলে তপুর নিজেকে চেনানো তখন থেকেই। স্টপার ব্যাক পজিশনে খুব দ্রুত ‘তরুণ প্রতিভার’ তকমা ঝেড়ে ফেলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন দলে। যে কারণে এরই মধ্যে ২৩ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে তাঁর। মোহামেডানের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে শেখ রাসেল হয়ে ঢাকা আবাহনীতেও খেলে ফেলেছেন। জাতীয় দল এবং আকাশি-নীল জার্সিতে তাঁর নির্ভরতা দেখে নতুন ক্লাব সাইফ স্পোর্টিং গত মৌসুমে রেকর্ড ট্রান্সফারে তাঁকে দলে নেয়। সাম্প্রতিক সময়ে কোনো ডিফেন্ডারের পেছনে ৫৮ লাখ টাকা খরচ বিস্ময় জাগালেও তপুর সামর্থ্য নিয়ে কেউ সন্দেহ করেননি। যদিও সাইফে সময়টা কেটেছে হতাশায়।

    ক্লাবের অভিযোগ অর্থের যথাযথ মূল্যায়ন করতে পারেননি এই ডিফেন্ডার। লিগ ম্যাচে একাধিক এবং টিসি স্পোর্টসের বিপক্ষে এএফসি কাপেও তাঁর লাল কার্ড দেখায় যারপরনাই হতাশ ছিলেন সাইফের কর্মকর্তারা। কিন্তু জাতীয় দলে তাঁর পারফরম্যান্স দেখুন। এমন বাজে একটা মৌসুম কাটিয়ে এসেছেন কে বলবে! এশিয়ান গেমসে তিন সিনিয়র খেলোয়াড়ের একজন হিসেবে জেমি ডে’র দলের অন্যতম স্তম্ভ ছিলেন তিনি। এশিয়াডের পর সাফেও খেলছেন আক্রমণাত্মক অথচ নিখুঁত ফুটবল। বাংলাদেশ দলের এত দিন যে মাথাব্যথা ছিল বক্সের আশপাশে বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রিকিক উপহার, জেমির এই দলে সেই প্রবণতা নেই বললেই চলে। এশিয়াডে চার ম্যাচ খেলেছেন, সাফেও খেলে ফেলেছেন দুই ম্যাচ। তাঁর মধ্যে পাকিস্তানের বিপক্ষে গোলের পর ওই জার্সি খোলার কারণে শুধু একবার হলুদ কার্ড দেখেছেন, লাল কার্ড তো দূরের কথা। তবে কি সাইফই জহরতের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারেনি? লাল-সবুজ জার্সিতে কিন্তু তপু দেখাচ্ছেন তিনি সত্যিই কতটা দামি।

    ওয়াটকিস বলছিলেন দলের ডিফেন্ডারদের ফাউল করার প্রবণতা কমেছে অর্গানাইজেশন ঠিকঠাক হওয়াতেই, তার পেছনে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি ফিটনেসের। তপু নিজেও বলেছেন শক্তিশালী পাকিস্তানিদের বিপক্ষেও ‘মাথা খাটিয়ে খেলেই’ তাঁরা সফল। ৯৫ মিনিট পর্যন্ত সেই মাথা খাটিয়ে পারফরম করে যেতে পেরেছেন যে তাঁরা, সেই জ্বালানি আবার জুগিয়েছে ফিটনেস। আজ নেপালের বিপক্ষে আরেকটি কঠিন পরীক্ষায় নামতে তাই ভীত নন তপু কিংবা বাংলাদেশ ডিফেন্সের কেউ। পাকিস্তানের বিপক্ষে যাঁরা বেঞ্চে ছিলেন এবং শেষ দিকে বদলি নেমেছিলেন যে তিনজন তাঁদের নিয়েই কাল বিকেলে ঘাম ঝরিয়েছেন জেমি ডে ও তাঁর সহকারীরা। তপুরা হোটেলেই ছিলেন বিশ্রামে। আজ আবার সজীব হয়ে মাঠে নামার কথা তাঁদের। দলের সিনিয়র স্টপার ব্যাক নাসিরউদ্দিন চৌধুরী এখনো মাঠে নামার সুযোগ পাচ্ছেন না তপু ও টুটুল হোসেন বাদশা সমান তালে পারফরম করছেন বলেই। জুনিয়র টুটুলকে গাইডও করছেন তপু, নিজে যেমন দারুণ ভক্তি করেন লেফট ব্যাক ওয়ালি ফয়সালকে। দুজনই নারায়ণগঞ্জের। মোনেম মুন্নার সাহচর্যও পেয়েছেন ওয়ালি। কিংব্যাকের সেই ধারাটাই যেন তাঁরা ধরে রেখেছেন জাতীয় দলে। গত মৌসুমে তপুর রেকর্ড পারিশ্রমিকই তো মুন্নাকে স্মরণ করিয়েছে। এখন পারফরম্যান্সেও সেই পথে হাঁটার দাবি। এই সাফ বড় উপলক্ষ হয়েই এসেছে তপুর জন্য, রক্ষণ সামলানোর মূল কাজটা করে দুই ম্যাচে দুই গোলও যে করে ফেলেছেন তিনি। আরেক বর্মন রজনী কান্তের হাত ধরে ২০০৩-এর সাফের শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছিল বাংলাদেশ। তপু এত দূর এখনই ভাবতে চাইছেন না, ‘সেমিফাইনালে ওঠা নিয়েও এখনো অনেক সমীকরণ। অত দূর তাই আমরা ভাবতে চাই না। নেপালিদের হারানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। ওরাও দারুণ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে। ডিফেন্সে আমাদের ছয়জনের তাই আরো একাত্ম হয়ে খেলতে হবে।’ হ্যাঁ, ডিফেন্সে ছয়জনের কথাই বলেছেন তপু। জেমি ডে’র একাদশে দুই হোল্ডিং মিডফিল্ডার যে থাকবেই। ডিফেন্ডিংয়ের সময় সেই দুজনকে নিয়েই বাংলাদেশের ছয়। এভাবেই এখনো পর্যন্ত কঠিন বাধাগুলো পেরিয়ে যাচ্ছে লাল-সবুজ। যেকোনো একজনের ভুলচুকেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে সব। তবে তা হচ্ছে না, বরং তপুর মতো একজনের পারফরম্যান্স গোটা দলকেই করছে উজ্জীবিত।