Author: banglarmukh official

  • দায়িত্ব পালনকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মৃত্যু

    দায়িত্ব পালনকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার মৃত্যু

    বাগেরহাটের উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার দাস (৪৯) দায়িত্বরত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে কচুয়া উপজেলা হাসপাতালে তার অফিস রুমে চেয়ারে বসা অবস্থায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এসময় দ্রুত বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ডা. তাপসকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. অরুণ চন্দ্র মন্ডল দুপুরে বলেন, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সকালে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কুমার দাস তার কার্যালয়ে আসেন। সেখানে দাফতরিক কাজ করার সময়ে হঠাৎ তিনি তার সহকর্মীদের ডেকে তার বুকে ব্যাথা অনুভূত হচ্ছে বলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। এসময় তার সহকর্মীরা তার চিকিৎসা শুরু করেন। তার অবস্থার কোন উন্নতি না হওয়ায় তাকে দ্রুত বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। দুপুর একটায় তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় হ্নদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

    ডা. তাপস কুমার দাস বরিশাল মেডিকেল কলেজে থেকে তিনি এমবিবিএস পাশ করে ২১তম বিসিএসে কৃতকার্য হন। ২০০৩ সালের ২১ মে মেডিকেল অফিসার হিসেবে স্বাস্থ্য বিভাগে যোগদান করেন। সর্বশেষ তিনি ২০১৬ সালে পদোন্নতি পেয়ে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    তিনি বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চরকাঠী দাসপাড়া এলাকার মৃত. শরৎচন্দ্র দাসের ৭ ছেলে-মেয়ের মধ্যে সবার ছোট ছিলেন।জয়িতা দাস (১৫) নামে তার একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রায় ৩ বছর আগে তার স্ত্রী ডা. তপোতি পোদ্দার মারা যান।

  • মা হলেন নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    মা হলেন নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী

    নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডান প্রথমবারের মতো মাতৃত্বের স্বাদ পেয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে সন্তান জন্মের খবর জানিয়েছেন তিনি। অকল্যান্ড সিটি হাসপাতালে আজ বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৪.৪৫ মিনিটে তার মেয়ের জন্ম হয়।

    পার্টনার ক্লার্ক গেফোর্ডের সঙ্গে সন্তান কোলে ইনস্টাগ্রামে নিজের ছবি পোস্ট লিখেছেন, ‘খুব স্বাস্থ্যবতী একটি মেয়েকে পেয়ে ভাগ্যবান। ওজন হয়েছে ৩.৩১ কেজি। আপনাদের শুভকামনা ও  দয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমরা ভালো আছি।’

    ক্ষমতায় থাকাকালে সন্তানের জন্ম দেয়া দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি। এর আগে ১৯৯০ সালে প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালনকালেই সন্তানের জন্ম দেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।

    প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের দুই মাস পর গত জানুয়ারি অনাগত সন্তানের বিষয়টি জানান আর্ডান। সেসময় তিনি বলেন, আমরা সত্যিই আনন্দিত যে আগামী জুনে আমাদের টিম দুই থেকে বেড়ে তিন হচ্ছে। আমরা সেসব বাবা-মার দলে যোগ দিচ্ছি যারা একই সঙ্গে দুই ধরনের দায়িত্ব পালন করেন। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মায়ের দায়িত্বও পালন করবো।সূত্র: গার্ডিয়ান

  • খুলনায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৫, আহত ২০

    খুলনায় বাস খাদে পড়ে নিহত ৫, আহত ২০

    খুলনার ডুমুরিয়ায় যাত্রীবাহী একটি বাস খাদে পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    দুর্ঘটনায় নিহতরা হচ্ছেন কয়রার কালনা এলাকার শাহিনুর গাজি (৪০), শরিফুল ইসলাম (৩৫), মোস্তফা গাজি (৩৫)সহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরও দু’জন।

    ডুমুরিয়া উপজেলার বরাতিয়া নামক স্থানে একটি ট্রাককে জায়গা দিতে গিয়ে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই বাসটি উল্টে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে উদ্ধার ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন।

    বাসের যাত্রীরা জানায়, বৃহস্পতিবার সকালে কয়রা থেকে রওনা দিয়ে মৌমিতা পরিবহনের বাসটি (সাতক্ষীরা জ ০৪-০০৮৮) খুলনায় আসছিল। এই সড়কটি খানা-খন্দে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই বাসটি সড়কে একটি ট্রাককে সাইড দিতে গিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

    ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিল হোসেন জানান, আহতদের উদ্ধার করে ডুমুরিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

  • প্রেমিকার গণধর্ষণ নিরুপায় হয়ে দেখল হাত-পা বাঁধা প্রেমিক, ভিডিও ধারণ

    প্রেমিকার গণধর্ষণ নিরুপায় হয়ে দেখল হাত-পা বাঁধা প্রেমিক, ভিডিও ধারণ

    প্রেমিককে গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে রাখলো। এরপর তারই চোখের সামনে প্রেমিকাকে একে একে ধর্ষণ করলো তিন লম্পট। গণধর্ষণের সেই দৃশ্য চেয়ে চেয়ে দেখলো প্রেমিক। কিন্তু তার কিছুই করার ছিল না। একই সঙ্গে বখাটেরা সেই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখে বলেও অভিযোগ উঠেছে। গত মঙ্গলবার রাতে নড়াইল সদর উপজেলার হবখালি ইউনিয়নের সুবুদ্ধিডাঙ্গা গ্রামে এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে। পরদিন ৩ ধর্ষণের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

    মামলায় বলা হয়, মঙ্গলবার রাতে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে যশোর থেকে নড়াইলে আসছিলো অষ্টম শ্রেণীর ওই শিক্ষার্থী। পথিমধ্যে রাত ৯টার দিকে হবখালী আদর্শ কলেজ এলাকায় পৌঁছালে ৮-৯ জন লোক তাদের পথরোধ করে। এ সময় তারা স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নেয়ার কথা বলে তাদের হবখালী বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এক তারা প্রেমিককে হবখালী কলেজের পাশে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর তার চোখের সামনে তার প্রেমিকাকে ধর্ষণ করে একে একে তিনজন। ধর্ষকরা মেয়েটির বুক, মুখ ও হাতের বিভিন্ন অংশে জখম করে। এ সময় ভিডিও-ও ধারণ করা হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে তারা ইন্টারনেটে নগ্ন ভিডিও ছাড়ার হুমকি দেয়।

    ধর্ষণের এক পর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত যুবকরা তাকে পাট ক্ষেতে ফেলে চলে যায়। রাত ১২টার দিকে প্রেমিক স্থানীয় তিন ব্যক্তিকে নিয়ে প্রেমিকাকে উদ্ধার করে। পরে পুলিশ গিয়ে প্রেমিক-প্রেমিকাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর থানায় নিয়ে যায়।

    এ ব্যাপারে নড়াইল সদর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, পুলিশ গিয়ে ওই প্রেমিক-প্রেমিকা উদ্ধার করে। বুধবার দুপুরে নড়াইল সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান।

  • বিবস্ত্র অবস্থায় যৌনকর্মীদের সেই ৩৬ ঘণ্টা

    বিবস্ত্র অবস্থায় যৌনকর্মীদের সেই ৩৬ ঘণ্টা

    ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থায় রয়েছে রাশিয়া। এক্ষেত্রে মাথায় রাখা হয়েছে যৌনব্যবসাও। দেশটিতে এই ব্যবসা অবৈধ হলেও বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে, গোপনে রয়েছে যৌনপল্লী। তা সেটা হোক কোনো অভিজাত এপার্টমেন্টে বা কোনো প্রত্যন্ত অঞ্চলে। দেশটিতে যৌন ব্যবসায় জড়িতের বিরাট একটি অংশ নাইজেরিয়ান।

    বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে পাচারকারিরা সুবিধা নিতে চেষ্টা করতে পারে এজন্য ইতোমধ্যে নাইজেরিয়া সীমান্তে নিরাপত্তা কড়াকড়ি করেছে রাশিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় সপ্তাহখানেক আগে পাচার বিরোধী কর্তৃপক্ষ রিপোর্ট করেছে যে, তারা রাশিয়া পাঠানোর চেষ্টাকালে ১০ নাইজেরীয় শিশুকে উদ্ধার করেছে।

    রাশিয়ায় বাধ্য হয়ে যারা যৌন পেশায় নামেন তাদেন জীবনযাপন খুব কষ্টের। এছাড়া তারা নানা ধরনের সামাজিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হন। রাশিয়ার যৌনকর্মীদের নিয়ে যখন কথা উঠে তখন চলে আসে ২০১৬ সালের একটি ঘটনা। দুই বছর আগের এই ঘটনায় খাবার ও পোশাক ছাড়া আটকে রাখা হয় ১০ যৌনকর্মীকে।

    বিদেশি গণমাধ্যমে খবর, ওই সময় কিছু পুরুষ একটি পতিতালয়ে ঢুকে ভাঙচুর করে। এরপর তারা সেখান থেকে ১০ যৌনকর্মীকে পুরো নগ্ন করে রাস্তায় হাঁটিয়ে থানায় নিয়ে যায়। এরপর পুলিশ স্টেশনে ওই নাীদের খাদ্য, পানি ও পোশাক ছাড়া ৩৬ ঘণ্টা আটকে রেখেছিল পুলিশ।

    ১৫ বছর ধরে রাশিয়ায় পতিতাবৃত্তিকে অপরাধের বাইরে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন ইরিনা মাসলোভা নামের নারী। তিনি বলেন, যেহেতু যৌনকর্ম কোনো নিয়মিত পেশা বা নিয়ন্ত্রিত পেশা নয় তাই এ জন্য এ পেশায় নিয়োজিতদের জন্য স্বাস্থ্যসেবায় ঘাটতি আছে। খদ্দেররা কনডম ব্যবহার করতে চান না। এ জন্য তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয় না। তাই দেশের বাকি অংশের চেয়ে এ পেশায় লিপ্তদের মধ্যে এইচআইভিতে সংক্রমণের হার ১০ থেকে ১৪ গুণ বেশি। সরকারের অনুপস্থিতিতে তাদের কাছে শেষ আশ্রয় হিসেবে এগিয়ে যান কিছু স্বেচ্ছাসেবী সেবাদানকারী।

  • মা নাকি বাবার দলকে সাপোর্ট করবে, বেকায়দায় ছেলে!

    মা নাকি বাবার দলকে সাপোর্ট করবে, বেকায়দায় ছেলে!

    রাশিয়া বিশ্বকাপে গতকাল রাতে মরক্কোর মুখোমুখি হয় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। ম্যাচটি রিয়াদ মাদ্রিদ তারকার একমাত্র গোলে জিতে নেয় পর্তুগাল। মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচ দেখতে এসে বেকায়দায় পড়ে এক তরুণ। কাকে সমর্থন করবেন এটা বুঝতে পারছিল না সে।

    স্টেডিয়ামের গ্যালারি ছিলো পরিপূর্ণ। প্রায় ৭৮ হাজার দর্শক গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে উপভোগ করেছে পর্তুগাল-মরক্কো ম্যাচটি। প্রায় সকলের হাতেই ব্যানার-ফেস্টুন-পতাকা-খাবার-জার্সি ছিলো। নিজ নিজ দলকে সমর্থন যুগিয়েছেন ফুটবলপ্রেমীরা। এর মধ্যে ওই তরুণই যা ছিল একটু ব্যতিক্রম। দুটি দেশের সঙ্গে বংশগত সম্পর্ক থাকায় কাকে সমর্থন করবে সে তা বুঝে উঠতে পারছিল। অতঃপর তার এই সমস্যার কথাটিই ব্যানারে লিখে গ্যালারিতে তুলে ধরে। যে ছবি ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।

    ব্যানারে ওই তরুণ লিখেন, ‘মা মরক্কান, বাবা পর্তুগিজ। মা ও বাবার মধ্য থেকে আমি কাউকে বেছে নিতে পারছি না।’

  • লড়াই করতে হবে: ফখরুল

    লড়াই করতে হবে: ফখরুল

    লড়াই করতে হবে বলে মন্তব্য করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, হতাশাই শেষ কথা হতে পারে না। লড়াই করতে হবে, লড়াই করতে করতে আমরা একটা জায়গায় গিয়েই পৌঁছাবোই।  আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আমরা অবশ্যই নির্বাচন চাই। কিন্তু সেই নির্বাচন অবশ্যই নির্বাচনের মতো হতে হবে। যদিও বর্তমান সরকার চায়, বিএনপি নির্বাচনে না আসুক। অন্যান্য দল দুই-একটা যা আছে তারাই থাকুক।  আমরা এ দেশে কিন্তু বাকশালও দেখেছি। মানুষ জেগে উঠেছে। এই বাংলাদেশের মানুষই কিন্তু ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো উড়ে গেছে। আমাদের সেভাবেই এগোতে হবে। নির্বাচন হবে, আমরা ক্ষমতায় যাবো, এটা মনে করার কারণ নেই। আপনাদের আদায় করে নিতে হবে। এজন্য জনগণের কাছে যেতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই।

    বিএফইউজে’র সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ, বিএফইউজে’র মহাসচিব এম আবদুল্লাহ, ডিইউজে’র সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী প্রমুখ।

  • ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গুরুতর অসুস্থ

    ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গুরুতর অসুস্থ

    যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট গুরুতর অসুস্থ। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি (স্কয়ার) হাসপাতালে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অসুস্থ মাকে স্কয়ার হাসপাতালে দেখতে গিয়ে বুধবার রাত ৮টার দিকে তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েন।

    ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মতিঝিলের কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ জানান, ‘বুধবার রাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাকে দেখতে এসে হঠাৎ স্টোক করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট। এরপর থেকে ডা. তৌহিদুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে সিসিইউতে চিকিৎসা চলছে তার। আজ বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার আগে তার শারীরিক অবস্থা সর্ম্পকে ভাল কিছু বলা যাচ্ছে না বলে ডাক্তার জানিয়েছেন।’

    সম্রাটের অসুস্থতার খবর পেয়ে সকালে হাসপাতালে দেখতে যান যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ।

    ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান জানান, সংগঠনের সভাপতি সম্রাট ও তার মায়ের দ্রুত সুস্থতার জন্য আজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর এবং শুক্রবার বাদ জুম্মা যুবলীগের নেতাকর্মীদের দোয়ার আয়োজন করতে বলা হয়েছে। পরিবারের বরাত দিয়ে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট এবং তার মায়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • কাউনিয়া থানা পুলিশের সহযোগীতা পরিচয় পেতে যাচ্ছে নবজাতক সপ্তর্শী

    কাউনিয়া থানা পুলিশের সহযোগীতা পরিচয় পেতে যাচ্ছে নবজাতক সপ্তর্শী

    গত বছরের জানুয়ারী মাসে ধর্ষণের শিকার হন অঞ্জনা (২৫) নামের এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী।  পিতা- অতুল চন্দ্র শিকদার, সাং- কাউনিয়া ১ম গলি দিঘীর দক্ষিণ পশ্চিম কোনায়, থানা- কাউনিয়া, বিএমপি, বরিশাল কে বা কাহারা ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে উক্ত অঞ্জনা গর্ভবতী হয়। তাহার অন্তঃসত্বার বয়স ২২ সপ্তাহ ছিল।

    উক্ত ঘটনা কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম পিপিএম জানা মাত্রই ভিকটিমকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। ভিকটিমের বাবাকে খবর দিয়েথানায় এনে অভিযোগ নিয়ে বাদী করে কাউনিয়া থানার মামলা নং-০২, তারিখ- ০২/১০/১৭ ইং, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১) রুজু করেন। নিয়মানুযায়ী অনুযায়ী ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হয়। ভিকটিম অঞ্জনা জন্মগত ভাবে একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধি। তাহার এবং তাহার গর্ভের সন্তানের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি নিয়ে ভিকটিম অঞ্জনাকে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অধীন সেইফ হোমে রাখা হয়। পরবর্তীতে উক্ত ভিকটিম ১ টি কন্যা সন্তান প্রসব করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভূতপূর্ব কমিশনার জনাব এসএম রুহুল আমীন তার নাম রাখেন সপ্তর্শী।

    মামলার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ভিকটিম কখোনই বলে নাই যে, কে তাকে ধর্ষন করেছিল। এরকম একটি প্রতিকূল পরিবেশ থেকে সম্পূর্ণ নিজের মেধা বুদ্ধি পেশাদারিত্বের কারণে এবং ঊর্ধক্ষতন পুলিশ কর্মকর্তাগণের সার্বক্ষনিক নিবিড় পর্যবেক্ষন ও দিক নির্দেশনার ফলে একজন মাত্র সন্দিগ্ধ ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সেপোর্দ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে উক্ত সন্দিগ্ধ ব্যাক্তির ডিএনএ নমুনা নিয়ে ভিকটিম অঞ্জনার কন্যা সন্তান সপ্তর্শীর সংঙ্গে ডিএনএ তুলানামূলক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে ডিএনএ এনালিষ্ট মতামত প্রদান করেন যে, ডিএনএ পরীক্ষায় সুদৃঢ় ভাবে প্রমাণিত হয়েছে। গ্রেফতারকৃত সন্ধিগ্ধ আসামী মিঠুন বাড়ৈ, পিতা- মৃত পরেশ বাড়ৈ, সাং- কাউনিয়া প্রধান সড়ক, সিলেট ফ্যাক্টরী, খ্রিষ্টান কলোনী, থানা- কাউনিয়া, বিএমপি, বরিশাল ভিকটিম অঞ্জনার কন্যা সন্তান সপ্তর্শীর জৈবিক পিতা বা জন্মদাতা। অর্থাৎ আসামী মিঠুন বাড়ৈ এর ধর্ষণের ফলেই ভিকটিম অঞ্জনা গর্ভবতী হয় এবং কণ্যা সন্তান সপ্তর্শীর জন্ম দেয়। উক্ত মামলার সবচেয়ে উল্লেখ যোগ্য সাফল্য হলো- মামলার এজাহারে কোন আসামীর নাম নাই। অধিকন্তু মামলার ভিকটিমও বলে না কে তাকে ধর্ষণ করেছিল। এমনিই একটি সম্পূর্ন কঠিন অবস্থা থেকে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই/সেলিম রেজা এর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পেশাদারিত্ব মনোভাবের কারণে এবং অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম পিপিএম এবং উধর্ক্ষতন সকল অফিসারদের নিবিড় তদারকির ও সম্পূর্ণ বিজ্ঞান ভিক্তিক তদন্তের কারণে মামলা তদন্তে এতবড় সাফল্য হয়েছে। এ জাতীয় ঘটনায় এরকম সাফল্য খুব বিরল। বিষয়টি নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য এবং শিক্ষনীয়। মামলাটি তদন্ত শেষে কাউনিয়া থানার অভিযোগপত্র নং-১৩৬, তারিখ- ৩১/৫/২০১৮ ইং, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯(১) বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করা হইয়াছে। মামলায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো কোন লোক অযথা এই মামলায় হয়রানী হয় নাই। অথচ এ ধরনের মামলায় হয়রানী হওয়ার মত সুযোগ ছিল। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তা এতসুক্ষ এবং আন্তরিকতার সহিত তদন্ত করেছেন ফলে একমাত্র সন্দিগ্ধ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পরই মামলার ঘটনার প্রমাণিত হয়ে যায়। বিষয়টি খুবই প্রশংসার যোগ্য এবং সফলতার দাবী রাখে।

  • মাদক মামলায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

    মাদক মামলায় সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড: প্রধানমন্ত্রী

    মাদক ব্যবসায়ী ও পৃষ্ঠপোষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, মাদকের হাত থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

    বুধবার সংসদে টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে একথা জানান প্রধানমন্ত্রী। স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকালে শুরু হয় সংসদ অধিবেশন।

    দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়। এতে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও মাদক বিষয়ক সাংসদদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    সাংসদ রুস্তুম আলী ফরাজীর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর। মাদকের সাথে জড়িতদের শাস্তি আরও কঠোর করা হচ্ছে। মাদকের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডের বিধান করে বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনকে সংশোধন করা হবে বলে সংসদকে জানান প্রধানমন্ত্রী।

    তিনি জানান, গত মে মাস থেকে চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে মোট ১৫ হাজার ৩৩৩টি মামলা হয়েছে। আটক হয়েছে ২০ হাজার ৭৬৭ জন।

    পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে, প্রধানমন্ত্রী জানান, পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি স্থাপনে শান্তি চুক্তির অনেক ধারা এরই মধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে, বাকিগুলোও বাস্তবায়নের পথে। অবহেলিত ও অনুন্নত পার্বত্য অঞ্চলে নানা উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    অপর এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানান, প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকার সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।