Author: banglarmukh official

  • তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    তিন সিটিতে নৌকা প্রত্যাশী ১০ জন

    বরিশাল, সিলেট ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন দশজন।

    বুধবার (২০ জুন) রাত ৯টায় পর্যন্ত বরিশালের পাঁচজন, সিলেটের চারজন ও রাজশাহীর একজন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

    রাজশাহী থেকে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন।

    লিটন বলেন, রাজশাহী মহানগর কমিটি বৈঠকের মাধ্যমে রেজুলেশন করে একক প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে আমাকে প্রস্তাব করা হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন বোর্ডও আমাকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করবে বলে আশা করি।

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক আবদুল্লাহ। তার পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম আব্বাস চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মো. ইউনুস ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক এ কে এম জাহাঙ্গীর।

    গোলাম আব্বাস চৌধুরী বলেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ সর্বসম্মতিক্রমে সাদিক আবদুল্লাহকে মনোনয়নের জন্য প্রস্তাব করেছে।

    এ ছাড়াও বরিশাল সিটির মেয়র প্রার্থী হতে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি খান আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ ফারুক, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, সহ-সভাপতি মীর আমিন উদ্দিন ও সদস্য মাহমুদুল হক খান।

    সিলেট থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদরুদ্দিন আহমদ কামরান।

    কামরান ছাড়াও মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক কাউন্সিলর ফয়জুল আনোয়ার এবং অধ্যাপক জাকির হোসেন।

  • বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রির ৪র্থ দিন বুধবার (২০ জুন) তিনি মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। দুপুরে দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবাহান গোলাপের কাছ থেকে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড: তালুকদার মো: ইউনুস, বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এ্য়াড: গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সহ- সভাপতি এ্যাড: আফজালুল করীম,সাইদুর রহমান রিন্টু, সাধারন সম্পাদক এ্যাড: একেএম জাহাঙ্গীর সহ নেতৃবৃন্দ।

    আগামী ২১ জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিক্রি করবে আওয়ামী লীগ। এরপর ২২ জুন দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কিত বোর্ড প্রার্থী ঠিক করবে। মনোনয়ন ফরমের দাম ঠিক করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা।

  • দুই নদী

    দুই নদী

    শাহানা সিরাজী :

    কাজল রেখা রজত রেখা ঘুমিয়ে আছে যেখানে

    তুমি আমি এক জীবনে যাইনি কভু সেখানে।

    ভালোবাসার এমন জল বয়ে চলে দুই নদী

    তোমার আমার প্রেমের জলে ভাসেনি তো সেই নদী!

    কাজল রেখা দিলো ডুব রজত রেখার অন্তরে

    রজত রেখা উঠলো কেঁপে সমাজ নামের বন্দরে

    রক্তের নাচন একই রকম তবু তারা ভিন্ন জাত

    প্রেমের ঘ্রাণে দিশেহারা অকালে তাই প্রাণপাত!

    কাজল রেখার কাজল রঙ পালটায় নিতো শোকের জল!

    রজত রেখার ধবল রঙ ভাঙা বুকে নামলো ঢল

    দুই নদীতে দুইটি ধারা কাজল-রজত একই সাড়া

    তোমার আমার ভালোবাসায় কোথায় বলো এমন তারা!

    যুগে যুগে প্রেমের হাল উড়িয়ে ছিলো জয়ের পাল

    ছাড়লো সেলিম সিংহাসন  প্রলয়-প্রণয় কালে কাল

    উপাখ্যান তো হয় না আর  ভালো লাগার অভিসার

    কেমন ভালো বাসো বলো  ফেরি ঘাটে হৃদয় যার!

    কপোট্রনিক হৃদয় দিয়ে যায় কী আরো বাসা ভালো

    ফুলের ঘ্রাণে নকল সুবাস নকল অলির ডানা কালো।

    ফুল ফুটিয়ে রঙ লাগিয়ে কে থাকে আর মন বাড়িয়ে

    ক্ষণে ক্ষণে উল্টে পাতা নতুন পাতায় যায় ছড়িয়ে।

    কাজল- রজত শোন শোন প্রেমে এখন আসে ব্রেক আপ

    স্বার্থের স্রোতে নিমজ্জিত তোমাদের প্রেমের নেই যে ছাপ!

    সত্যি কথা বলে যায় প্রেমে এখন সুখ নাই

    অনুরাগে গাঢ চোখে তাকানোর সেই সময় কই!!

  • বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে জাতীয় পার্টির ঝুনুকে দলীয় মনোনয়ন না দিলে গন পদত্যাগ করার ঘোষনা

    বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে জাতীয় পার্টির ঝুনুকে দলীয় মনোনয়ন না দিলে গন পদত্যাগ করার ঘোষনা

    আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টি যুগ্ম আহবায়ক ও জাতীয় পার্টি বরিশাল সদর উপজেলা সভাপতি বসির আহমেদ ঝুনুকে মেয়র পদে জাতীয় পার্টি থেকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া না হলে গন পদত্যাগ করা সহ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিবে বলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষনা করেন।
    আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শহীদ আঃ রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত ভাবে পাঠ করে ও বিভিন্ন সংবাদ কর্মীদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।
    তিনি আরো বলেন বরিশালের সুযোগ সন্দানী স্বার্থপর নেতা মহসিন-উল-ইসলাম হাবুল জাতীয় পার্টি থেকে তাপস নামের এক ব্যাক্তিকে মেয়র প্রার্থী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
    বসির আহমেদ ঝুনু আরো বলেন মহসিন-উল-ইসলাম হাবুল এমন এক ব্যাক্তিকে নিয়ে মেয়র নির্বাচন করতে চায় বরিশালের মানুষ তাকে চেনেনা,জানে না এমনকি কখনো সামাজিক সেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলনা।
    ঝুনু বলেন ১৯৮৩ সাল থেকে জাতীয় পার্টির ছাত্র সমাজ থেকে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরুর পর থেকে গত ২২টি বছর জাতীয় পার্টির জন্য সে অনেক কিছুই করেছে বিনিময়ে সে কি পেল? তাই তাকে মেয়র পদে মনোনয়ন পাওয়া থেকে বঞ্চিত করা হলে যে কোন সময়ে গনপদত্যাগ করতে পারে বলে ঘোষনা করেন।
    এসময় তার কাছে জানতে চাওয়া হয় দল থেকে মনোনয়ন দেয়া না হলে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করবেন কিনা তার জবাবে বলেন সে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রাথী হিসাবে নির্বাচন করবে।
    সংবাদ সম্মেলনে বসির আহমেদ ঝুনুর সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি মোঃ মহসিন,যুগ্ম সম্পাদক ওবায়দুল হক বাদল,উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক নুরে আলম সাজু,উপজেলা ছাত্র সমাজের যুগ্ম আহবায়ক আল-আমিন,সদস্য মোঃ রাসেল প্রমুখ।

    বরিশাল সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি বসির আহমেদ ঝুনুর সংবাদ সম্মেলনের জবাবে কেন্দ্রীয় জাপা ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলা জাপা সভাপতি অধ্যাপক মহসিন-উল-ইসলাম হাবুলের কাছে ইকবাল হোসেন তাপসের বিষয় জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন জাতীয় পার্টির সাম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস কোন অতিথি পাখি নয় সে জাতীয় পার্টির একজন পরিক্ষিত নেতা। তাপস ১৯৮৪ সালে বর্তমান সরকারী বরিশাল কলেজে তাপস ও মাই টিভি চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন সাথি এক সাথে জাতীয় পাটির রাজনীতি করেছে।
    পরবর্তীতে জগন্নাথ বিশ্ব বিদ্যালয়ে ছাত্র সমাজ করেছে। মাঝে পড়াশুনা শেষ করে উচ্চতর শিক্ষার জন্য দেশের বাহিরে ছিল।
    পুনরায় দেশে ফিরে চাকুরীর পাশাপাশি বরিশাল জাতীয় পার্টির সকল বিষয়ে খোঁজ-খবর রাখতেন।
    দলের প্রয়োজনে তাপস সব সময় পাশে থেকে কাজ করেছে। আর বসির আহমেদ ঝুনু নিজেই ৯০ সালের পর দলের বাহিরে ছিল।
    আবার পুনরায় দলে এসে কাজ কর্ম শুরু করলে তাকে সদর উপজেলা সভাপতি করা হলেও আজ পর্যন্ত একটি ওয়ার্ড কমিটি গঠন করতে পারেনি।
    ঝুনু একটা কাজ সব সময় ভাল পারে সাংবাদিকদের কাছে গিয়ে নিজের গুন কির্তন আর ছবির তুলে প্রকাশ করার কাজে সে এগিয়ে রয়েছে।
    সেখানে তাপস ছবি তোলার রাজনীতি করে নাই বলে ঝুনুর কাছে অপরিচিত হতে পারে।
    আর আমাকে স্বার্থপর বলা হয়েছে আমি ৩০বছর জাতীয় পাটিতে কাজ করছি আমি কথনো দলকে ব্যাবহার করে কারো কাছ থেকে সুবিধা-লুঠ-পাট করার কাজে জড়িত ছিলাম না।

    আমি যে খানে অবস্থান করছি সেখানে ঝুনুর সাথে কোন তুলনা চলেনা আমার সাথে তুলনা চলে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ্ ও মজিবর রহমান সরোয়ারের সাথে।

    এদিকে জাতীয় পার্টি সাম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেন আমি শহরে পরিচিত অর্জন করার আগেই ঝুনু আমার পরিচিতি মানুষের কাছে তুলে ধরছেন।
    তিনি আমার ও জাতীয় পার্টির প্রচার কাজ করছেন এজন্য আমি তাকে ধন্যবাদ জানাই এবং সে জাতীয় পার্টির হয়ে কাজ করবে আমার বিশ্বাস।

  • বরিশাল সিটি নির্বাচনে আ’লীগ-বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তই মূল চ্যালেঞ্জ

    বরিশাল সিটি নির্বাচনে আ’লীগ-বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্তই মূল চ্যালেঞ্জ

    ক্রমশ বাড়ছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের উত্তাপ। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বইছে নির্বাচনী হাওয়া । নগরবাসী, ভোটার, দলীয় নেতাকর্মী-সবার মুখে নির্বাচনী আলাপ।

    বিশেষ করে কোন দল থেকে মেয়র পদে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন এই নিয়ে চলছে নানামুখী আলোচনা। সরকারের শেষ সময়ে নিজেদের জনপ্রিয়তা প্রমাণে মরিয়া আওয়ামী লীগ। পিছিয়ে নেই বিএনপিও। তারাও জয় নিশ্চিত করতে চায়। তাই জনপ্রিয় ও যোগ্য প্রার্থীর সন্ধান করছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির হাইকমান্ড।

    এদিকে তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন নিশ্চিত করতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন দুই দলের সম্ভাব্য মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা। মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী মাঠে আছেন। মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী সংখ্যা কিছুটা কম হলেও কাউন্সিলর পদে প্রার্থীর ছড়াছড়ি। প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক প্রার্থী এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। দলীয় সমর্থন পেতে চালাচ্ছেন লবিং তদবির।

    স্থানীয় নেতাদের পাশাপাশি অনেকে কেন্দ্রেও দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। খুলনার মতো এ বরিশাল সিটিতেও একক কাউন্সিলর প্রার্থী দিতে হিমশিম খেতে হবে দুই দলের নীতিনির্ধারকদের। দল সমর্থন না দিলেও অনেকে নির্বাচন করতে অনড়। প্রয়োজনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এতে চিন্তিত দুই দলের নীতিনির্ধারকরা।

    মেয়র পদ নিয়ে রাজশাহী ও সিলেটে অনানুষ্ঠানিক ঘোষণার কথা শোনা গেলেও বরিশালের প্রার্থিতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে আওয়ামী লীগ। এখানে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে জয় নিশ্চিত করার মতো প্রার্থীর অভাব দেখছে দলটি। আওয়ামী লীগের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে সেরনিবাত সাদিক আবদুল্লাহর মেয়র পদে মনোনয়নের বিষয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে আছে।

    তবে জয় নিশ্চিতের জন্য নানা কৌশলের অংশ হিসেবে তা এখনই দৃশ্যমান করা হচ্ছে না। বরিশালে আওয়ামী লীগের অন্য প্রার্থীদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম ও আ.লীগ নেতা খান মামুন জোর লবিং করে যাচ্ছেন।

    এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান মঙ্গলবার বলেন, জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে এমন প্রার্থীর সন্ধান করছি। জনপ্রিয় একাধিক প্রার্থীর মধ্য থেকেই একজনকে চূড়ান্ত করা হবে। সামনে দলের মনোনয়ন বোর্ডের সভা আছে। সেখানে নাম প্রকাশ করা হবে।

    এদিকে বরিশালে বিএনপির ছয়জন প্রার্থী মনোনয়ন দৌড়ে আছেন। তারা মনোনয়ন পেতে নানা মাধ্যমে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এরা হলেন, বর্তমান মেয়র আহসান হাবীব কামাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ওবায়দুল হক চাঁন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম শাহীন, মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন শিকদার ও ছাত্রদলের সাবেক নেতা আফরোজা খানম নাসরিন।

    তবে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা গেছে, খুলনার মতো বরিশালেও মনোনয়নে চমক থাকতে পারে। প্রকাশ্যে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিলেও সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান সরোয়ারের হাতে ধানের শীষ তুলে দিতে পারে দলটির হাইকমান্ড। দলের নীতিনির্ধারকের সিদ্ধান্ত মেনে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব সরোয়ারই হতে পারেন বরিশালের বিএনপির মেয়র প্রার্থী।

    জানতে চাইলে মজিবুর রহমান সরোয়ার বলেন, আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে চাই। তারপরও দলের হাইকমান্ড যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেব।

    জানা গেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন ৩০টি ওয়ার্ডের প্রতিটিতে দুই দলের একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী রয়েছে। ৭ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে নিগার সুলতানা হনুফা, এ্যাড. রফিকুল ইসলাম খোকন, আব্দুল খালেক কায়সার বিশ্বাস- বিএনপি থেকে সৈয়দ আকবর হোসেন মাঠে রয়েছেন। ২০নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে- এসএম জাকির হোসেন, জিয়াউর রহমান বিপ্লব ও বিএনপি থেকে মো. বাতেন (ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক), ৮নং ওয়ার্ডে বিএনপি থেকে সেলিম হাওলাদার, মো. আল আমিন- আওয়ামী লীগ থেকে শেখ মনি, বশির আহম্মেদ মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। ১৯নং ওয়ার্ডে গাজী নইমুল হোসেন লিটু, মো. সুনহাম-বিএনপি থেকে জাহিদ হোসেন, কাজী বশির ও মোস্তাফিজুর রহমান বাবু আওয়ামী লীগের প্রার্থী। ২১নং ওয়ার্ডে বিএনপি থেকে আলতাফ মাহামুদ সিকদার, খন্দকার আবুল হাসান লিমন- আওয়ামী লীগ থেকে শেখ সাঈয়েদ আহম্মেদ মান্না, এসএম সুজন মাঠে আছেন।

  • নির্বাচন: মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন প্রার্থীরা

    নির্বাচন: মেয়র পদে বিএনপির মনোনয়ন কিনলেন প্রার্থীরা

    বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীক পেতে মনোনয়পত্র সংগ্রহ করেছেন বর্তমান তিন মেয়রসহ ১১ জন। সিলেট, রাজশাহী ও বরিশালের বর্তমান মেয়ররা সবাই বিএনপির। রাজশাহীতে মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, সিলেটে আরিফুল হক চৌধুরী ও বরিশালে আহসান হাবীব কামাল। ২০১৩ সালে একই দিনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তারা সবাই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতাদের হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।

    সকাল ১০টায় নয়াপল্টনের কার্যালয় থেকে সিলেটের আরিফুল হক চৌধুরী নিজেই তার মনোনয়ন ফরম দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর কাছে থেকে সংগ্রহ করেন।

    বরিশালে আহসান হাবীব কামাল ছাড়াও দক্ষিণ জেলা সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, ছাত্রদল সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আফরোজা খানম নাসরিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    রাজশাহীর মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও বরিশালের মেয়র আহসান হাবীব কামালের পক্ষে দলের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    সিলেটে আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়া মহানগর সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সহ সভাপতি প্যানেল মেয়র রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও মহানগর নেতা ছালাহউদ্দিন রিমন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

    ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিরা।

    আগামী ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হবে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ জুন। প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে ৯ জুলাই পর্যন্ত।

    মেয়রপ্রার্থী ঠিক করতে বুধবার দলীয় কার্যালয়ে থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার মধ্যে মনোয়নপত্র জমাদান এবং সেদিন রাতে গুলশান কার্যালয়ে প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার হবে।

    মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের পর এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘সিটি নির্বাচনকে নিয়ে সরকার কী করছে -সেটা গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দেখার পরে আমরা সিলেট, রাজশাহী ও বরিশালের নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। তবে প্রাথমিক প্রক্রিয়া হিসেবে আমরা মনোনয়ন ফরম বিক্রি, জমাদান ও সাক্ষাৎকারের কাজ গুলো সম্পন্ন করে রাখব।’

    তিনি জানান, মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময়ে প্রার্থীরা জামানত হিসেবে ২৫ হাজার টাকার প্রদান করবে।

    এ সময়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতা এ বি এম মোশাররফ হোসেন, তাইফুল ইসলাম টিপু, আসাদুল করীম শাহিন, গাজী কামরুল ইসলাম সজল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন সাদিক আবদুল্লাহ

    বিসিসি নির্বাচনে মেয়র পদে আ’লীগের মনোনয়ন কিনলেন সাদিক আবদুল্লাহ

    বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র বিক্রির ৪র্থ দিন বুধবার (২০ জুন) তিনি মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। দুপুরে দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবাহান গোলাপের কাছ থেকে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
    আগামী ২১ জুন পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিক্রি করবে আওয়ামী লীগ। এরপর ২২ জুন দলের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কিত বোর্ড প্রার্থী ঠিক করবে। মনোনয়ন ফরমের দাম ঠিক করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা।

  • মেহেরপুরে ১০ বছরের শিশুকে রাতভর ধর্ষণ

    মেহেরপুরে ১০ বছরের শিশুকে রাতভর ধর্ষণ

    মেহেরপুর জেলা শহরের তাঁতি পাড়ায় (হঠাৎ পাড়া) ১০ বছরের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষিত শিশু (১০) তাঁতি পাড়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ৩য় শ্রেণির ছাত্রী। তার পিতার নাম কলিমউদ্দিন। একই পাড়ার কাসেদের ছেলে দাউদ তাকে ধর্ষণ করেছে বলে ধর্ষিতার পরিবার অভিযোগ করেছে।

    জানা যায়, সোমবার রাত ১০টার দিকে প্রতিদিনের ন্যায় ধর্ষিতা (১০) বড়চাচা জাহাঙ্গীরের বাড়িতে ঘুমানোর জন্য বের হয়।  এসময় পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা প্রতিবেশী দাউদ তাকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে তার বাড়িতে রাতভর ধর্ষণ শেষে সকালে ছেড়ে দেয়। সাবিনার পরিবারের লোকজন রাতভর অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে অবশেষে আজ সকালে সাবিনাকে তারা খুঁজে পায়।

    এদিকে, এঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে তাঁতি পাড়া। ধর্ষক দাউদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করছে এলাকাবাসীরা।

    এ ব্যাপারে মেহেরপুর সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ধর্ষিতার পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী মেহেরপুর সদর থানায় অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

    মেহেরপুর সদর থানার ওসি তদন্ত মেহেদী হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযুক্ত দাউদকে এখনও আটক করা সম্ভব হয়নি। আটকের চেষ্টা চলছে।

    এদিকে, অভিযুক্ত ধর্ষক দাউদের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি।  ধারণা করা হচ্ছে, অবস্থা বেগতিক দেখে সকলে পালিয়ে গেছে।

  • খন্দকার মোশাররফের গাড়িবহরে বাসের ধাক্কা, ছাত্রদল নেতা নিহত

    খন্দকার মোশাররফের গাড়িবহরে বাসের ধাক্কা, ছাত্রদল নেতা নিহত

    কুমিল্লায় বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের গাড়িবহরে বাসের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতা জুয়েল প্রধান রায়হান নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। হতাহতরা সবাই গাড়িবহরের সাথে ছিলেন। তবে খন্দকার মোশাররফ হোসেন অক্ষত আছেন বলে জানা গেছে।

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি আমিরাবাদ এলাকা মঙ্গলবার দুপুরে  দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবদুন নূর জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ইউট্রান দিয়ে মহাসড়ক পারাপারের সময় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের গাড়িবহরে কুমিল্লা থেকে আসা একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে একজন নিহত হন। দুর্ঘটনায় আরও ১২ জন আহত হন।

    আহত আটজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ এবং খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ তিনজনকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

  • বরিশালে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

    বরিশালে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

    বরিশালের সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়ন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ জুন ) দুপুরে ইউনিয়েনের বিশ্বাসের হাট ট্রলার ঘাট সংলগ্ন কড়ইতলা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

    কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইদুল হক জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ৩/৪দিন আগে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তার পরনে রয়েছে নীল রঙের জিন্সের প্যান্ট ও টি-শার্ট। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলাও দায়ের করা হয়েছে।মরদেহটি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।