Author: banglarmukh official

  • ১২ রমজান | ২৯ মে ২০১৮

    ১২ রমজান | ২৯ মে ২০১৮

    জাতীয় অনলাইন দৈনিক বাংলার মুখ ২৪ ডটকম এর সৌজণ্যে প্রতিদিনের সেহরী ও ইফতারের সময়সূচী

  • মাকে গোয়ালঘরে বেঁধে বেত্রাঘাত করলো ছেলে

    মাকে গোয়ালঘরে বেঁধে বেত্রাঘাত করলো ছেলে

    জমি লিখে না দেয়ায় বৃদ্ধা মাকে গোয়ালঘরে বেঁধে নির্যাতন করেছে ছেলে সবুজ মিয়া ও পুত্রবধূ সাহেদা খাতুন। এতে বৃদ্ধা মায়ের শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম হয়েছে।

    নেত্রকোনার কলমাকান্দার বড়খাপন ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার বৃদ্ধা মা ফসর বানুর (৮৫) শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

    এলাকাবাসী জানায়, কলমাকান্দা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের আমজাদ আলী ও তার স্ত্রী ফসর বানুর জমি ২০১১ ও ২০১৬ সালে একটি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে দখল করে নেয় ছেলে সবুজ মিয়া। এ ব্যাপারে ফসর বানু বাদী হয়ে দুর্গাপুর জজ আদালতে দলিল বাতিল চেয়ে মামলা করেন। এরপর থেকে শুরু হয় তার ওপর ছেলে ও পুত্রবধূর নির্যাতন।

    নির্যাতনের শিকার ফসর বানু জানান, তার স্বামী আমজাদ আলী প্রায় ১০ বছর আগে মৃত্যুবরণ করেন। তার ৫ মেয়ে ও ৩ ছেলে। তারা হলেন- আবদুল হান্নান, আক্কাছ আলী, সবুজ মিয়া ও মেয়ে রহিমা খাতুন, আফরোজা আক্তার, মিনা আক্তার, স্বপ্না আক্তার এবং শাবানা আক্তার।

    তিনি বলেন, মেয়ে মিনা আক্তার তার ভাই সবুজের কাছে পৈতৃক সম্পত্তি দাবি করলে সবুজ আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। পাশপাশি সবুজ আমার জমির বাকি অংশটুকুও লিখে নিতে চায়। জমি লিখে দিতে না চাইলে আমাকে মারধর করে ছেলে সবুজ। একপর্যায়ে সবুজ ও তার স্ত্রী সাহেদা আক্তার আমাকে গোয়ালঘরে বেঁধে মারধর করে। আমার বয়স্কভাতার কার্ড নিয়ে গেছে তারা। ওই কার্ডের টাকা উত্তোলন করে নেয় সবুজ ও তার বউ।

    সর্বশেষ গত রোববার মায়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে বেত দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করে ছেলে ও পুত্রবধূ। প্রতিবেশীরা বৃদ্ধাকে রক্ষা করতে এলে তাদের খুনের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় তারা। বৃদ্ধার মেয়েরা খবর পেয়ে মাকে উদ্ধার করে চিকিৎসা করাতে চাইলেও হাসপাতালে নিতে দেয়নি সবুজ ও তার স্ত্রী সাহেদা।

    প্রতিবেশী জরিনা খাতুন জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে জমি-সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। এ নিয়ে মাকে প্রায়ই মারপিট করে। রাতে গোয়ালঘরে তালাবদ্ধ করে সকালে তালা খুলে দেয় সবুজ। এ ব্যাপারে শুধু জরিনাই নয় গ্রামের অনেকেই এই নির্যাতনের কথা তুলে ধরে সবুজের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

    বড়খাপন ইউপি সদস্য মঞ্জুরুল হক বলেন, বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। সবুজ এলাকার কোনো মানুষকেই তোয়াক্কা করছে না। ছেলে ও পুত্রবধূর হাতে ওই বৃদ্ধা মায়ের নির্যাতনের কথা এলাকার সবার জানা।

    ফসর বানুর বড় ছেলে আবদুল হান্নান বলেন, আমরা তিন ভাই, পাঁচ বোন। বসতবাড়িসহ ৬৬ শতাংশ পৈত্রিক সম্পত্তি রয়েছে। তার মধ্যে ছোট ভাই সবুজ বিভিন্ন কৌশলে দলিল করে বাড়িসহ ৪২ শতাংশ জমি দখল নেয়ার চেষ্টায় আছেন। এর প্রতিবাদ করতে গেলেই আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও মারপিট করে। কিছুদিন আগে মায়ের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদ করায় আমার পরিবার সাজেদা খাতুনকে মারপিট করে হাত ভেঙে দেয় সবুজ ও তার স্ত্রী।

    ফসর বানুর কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, জমির লাইগ্যা ওরা আমারে মারধর করছে। গরুর ঘরে বাইন্দা রাখছে। ছেলে ও পুত্রবধূ আমারে মারে। কাকে জানাবো এমন লজ্জার কথা।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ছেলে সবুজ মিয়া তার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

    এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। আমরা খতিয়ে দেখছি। সবুজ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার মা ফসর বানুর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা:চলছে উচ্ছেদ অভিযান

    ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা:চলছে উচ্ছেদ অভিযান

    বরিশাল নগরীর চকবাজার, ফলপট্টি, কাটপট্টি, গির্জা মহল্লায় আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বিসিসি’র উচ্ছেদ শাখা।
    ফুটপাতসহ মূল সড়ক দখল করে রাখা ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদে এ অভিযানে অসংখ্য পুলিশ অংশ নেয়। এক পর্যায়ে বুলডোজারের সাহায্যে দোকানের সামনের অংশে থাকা সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হয়। এ উচ্ছেদ অভিযানে এসব মার্কেটের কয়েকশ’ দোকানের ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন।
    কোতোয়ালি মডেল থানার এসি শাহনাজ পারভীন জানান, গতকাল রবিবার রাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটগুলোতে সড়ক দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা করেছেন তাদেরকে তা অপসারণের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়। আজ সোমবার বেলা ১১টা পর্যন্ত তাদেরকে সময়ও দেয়া হয়। তাতে তারা কর্ণপাত না করায় বিসিসি ও পুলিশ তা উচ্ছেদ করে। এসময় বিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম রউফ, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুল্লাহ মোহাম্মদ নাসের উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ব্যবসায়ী নেতারা এসময় পুলিশের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, উচ্ছেদ অভিযানের নামে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলা হচ্ছে। তারা ফুটপাত খালি রেখে ব্যবসা পরিচালনা করলেও অহেতুক তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। দুপুর ১টার দিকে এ উচ্ছেদ অভিযান শেষ হলে ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে ফেলে।
    চকবাজার ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মৃণাল কান্তি সাহা বলেন, আগের কোনো নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ করেই উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এতে ব্যবসায়ীদের দোকান-পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতনদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন বলে ব্যবসায়ীরা নেতারা জানান।

  • বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ দিনে গ্রেফতার ৫০৭

    বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১০ দিনে গ্রেফতার ৫০৭

    বরিশাল জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) মাদক বিরোধী অভিযানে গত ১০ দিনে বরিশালে ৫০৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার(২৮ মে) বিকেলে স্ব-স্ব দফতর থেকে প্রেরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    রেঞ্জ পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৮ মে প্রথম মে থেকে দশম রমজান পর্যন্ত বরিশাল রেঞ্জের অধীনে ৬ জেলায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হয়। যা এখনো চলমান রয়েছে। রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম-বিপিএম, পিপিএম এর নির্দেশনা ও সরসরি তদারকিতে এই ১০ দিনে বরিশাল, পটুয়াখালী, ঝালকাঠী, ভোলা, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলায় মাদকের সাথে সংশ্লিষ্টতার জন্য মোট ৪৩৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি ৫ হাজার ৪৭৪ পিস ইয়াবা, ৩৩ কেজি ১২২ গ্রাম গাঁজা, ফেন্সিডিল ২৪ বোতল, বিদেশী বিয়ার ২৩ ক্যান ও ৪৯১ লিটার ৩০০ মিলিলিটার দেশী মদ উদ্ধার করা হয়। যার প্রেক্ষিতে ৬ জেলার বিভিন্ন থানায় ৩৪৭ টি মামলা রুজু করা হয়েছে।

    অপরদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অপতৎপরতা রোধে বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে প্রেরিত খুদে বার্তায় জানানো হয়, মাদক বিরোধী অভিযানে প্রথম রমজান থেকে ১০ ম রমজান পর্যন্ত মোট ৭২ জনকে গ্রেফতার হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ২ হাজার ৬১১ পিস ইয়াবা, ১২কেজি ৫ শত গ্রাম গাঁজা, ৭৫০ মিলিলিটার দেশীয় মদ উদ্ধার করা হয়। যার অনুকুলে মেট্রোপলিটনের ৪ থানায় ৫৮ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • খালেদার জামিন স্থগিত : রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি মঙ্গলবার

    খালেদার জামিন স্থগিত : রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন শুনানি মঙ্গলবার

    কুমিল্লায় হত্যা ও নাশকতার দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেয়া ছয় মাসের জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালতে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

    রাষ্ট্রপক্ষের করা স্থগিত আবেদনের ওপর আগামীকাল মঙ্গলবার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর চেম্বারজজ আদালতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

    আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন প্রমুখ।

    ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. মো. বশির উল্লাহ বলেন, চেম্বার আদালতে স্থগিতের আবেদনের শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    এর আগে সকালে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ কুমিল্লার দুই মামলায় জামিন মঞ্জুর করে আদেশ দেন। তবে, নড়াইলের মানহানির মামলায় আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দেন।

    রোববার কুমিল্লায় নাশকতার দুই মামলা ও নড়াইলের মানহানির মামলার ওপর শুনানি শেষ হয়। হাইকোর্টে আদেশের পর কুমিল্লার মামলার বিষয়ে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, একটিতে ছয় মাসের জামিন দিয়ে রুল দিয়েছেন, অন্যটিতে ছয় মাসের জামিন দিয়েছেন।

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির অভিযোগের মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। সেই থেকে তিনি কারাবন্দি রয়েছেন পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে। ওই মামলায় আপিলের পর খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। যেটি গত ১৭ মে বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ।

    কিন্তু তার আইনজীবীরা বলছেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অন্তত আরও ছয়টি মামলা রয়েছে; যেগুলোতে জামিন পেলেই কেবল তিনি মুক্তি পেতে পারেন। এর মধ্যে কুমিল্লায় তিনটি ও নড়াইলে একটি, বাকিগুলো ঢাকার।

  • ধূমপানের নেশায় আসক্ত যেসব বলিউড অভিনেত্রী

    ধূমপানের নেশায় আসক্ত যেসব বলিউড অভিনেত্রী

    আমরা বহু বলিউড অভিনেত্রীকে অভিনয়ের খাতিরে বহুবার অনস্ক্রিন ধূমপান করতে দেখা যায়। কিন্তু বেশ কিছু অভিনেত্রী আছেন যারা পর্দায় নয়, বাস্তবেও ধূমপানে আসক্ত। এদের কেউ কেউ আবার চেইন স্মোকারও। বহুবার ঘোষণা দিয়েও রিয়েল লাইফে স্মোকিং ছাড়তে পারেননি তারা। আসুন চিনে নিই বলিউডের সেই কয়েকজন নামিদামি অভিনেত্রীকে যারা অফস্ক্রিনেও ধূমপান করেন।

    ১। সুস্মিতা সেন-

    ধূমপানে বহুদিন ধরেই আসক্ত সুস্মিতা সেন। চেইন স্মোকার হিসাবেও তিনি পরিচিত ঘনিষ্ঠমহলে। তবে বহুদিন ধরেই তিনি এই কু অভ্যাস ছাড়ার চেষ্টা করছেন।

    ২। কঙ্গনা রানাওয়াত-

    পর্দায় বহুবার সিগারেট হাতে দেখা মিলেছে কঙ্গনার। তবে রিয়েল লাইফেও সিগারেটে আসক্ত এই অভিনেত্রী। তাই যখন ভারতে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হবে এমন কথা উঠেছিল, তখন প্রকাশ্যে কঙ্গনা বলেছিলেন, ‘ধূমপান ব্যক্তিগত ইচ্ছা, এটার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত নয়’।

    ৩। কঙ্কনা সেনশর্মা-

    ধূমপান করতে গিয়ে ক্যামেরায় ধরা পড়েছেন একাধিকবার। তবে নিজের মুখেই এক সাক্ষাৎকারে এই নায়িকা জানিয়েছিলেন, ‘আমি ধূমপান করি’।

    ৪। রানি মুখার্জি-

    চেন-স্মোকার নন কিন্তু সিগারেটের নেশা আছে রানির। এক সাক্ষাৎকারে রানি জানিয়েছিলেন, ‘সবসময় নয় কিন্তু রাতে আমার একটা সিগারেট চাই’।

    ৫। মনীষা কৈরালা-

    একসময়ের নামী বলিউড স্টার মনীষা কৈরালাও নাকি ছিলেন ধূমপানের নেশায় বুঁদ। তবে ক্যানসারের কঠিন পথ পাড়ি দেওয়ার পর আর এই কুঅভ্যাসের দিকে পা বাড়ান না তিনি।

    ৬। দীপিকা পাড়ুকোন

    দীপিকা পাড়ুকোনের ভক্তরা শুনলে অবাক হবেন, কিন্তু দীপিকার ঘনিষ্ঠমহল সূত্রের দাবি, তিনিও নাকি ধূমপানের নেশা ছেড়ে বেরোতে পারেন না। সূত্র-ওয়েবসাইট

  • স্কুলের পাশে সিগারেট বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার’

    স্কুলের পাশে সিগারেট বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার’

    শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন, স্কুলের আশপাশের দোকানে সিগেরেটসহ তামাক ও তামাকজাত পণ্য বিক্রি বন্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে। একই সঙ্গে আগামীতে পাঠ্যপুস্তকে আলাদাভাবে তামাকের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরা হবে বলেও তিনি।

    রবিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স- আত্মা’র যৌথভাবে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

    শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২০ সালের জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের হাতে যেসব পাঠ্যপুস্তক যাবে তাতে সিগেরেটসহ তামাকের ক্ষতিকর দিক নিয়ে আলাদাভাবে লেখা থাকবে। বর্তমানে মাদক নিয়ে লেখা থাকলেও তামাক নিয়ে আলাদা ভাবে কোনো লেখা নেই

    এর আগে, বাংলাদেশের স্কুলের আশপাশের ৯০ শতাংশ দোকানে সিগারেটসহ বিভিন্ন তামাক ও তামাকজাত পণ্য বিক্রি করা হয় বলে জানায় তামাকবিরোধী সংগঠন প্রজ্ঞা। তামাকের ব্যবহার কমাতে পাবলিক প্লেসে ধূমপান বন্ধে কঠোর আইনের সঠিক বাস্তবায়নের পাশাপাশি সিগারেটের দাম বাড়ানোর দাবি জানায় সংগঠনটি।

    তামাক নিয়ন্ত্রণ সাংবাদিকতা পুরস্কার এবং বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘তামাক ও হৃদরোগ’ বিষয়ক এক উপস্থাপনায় এ তথ্য জানান প্রজ্ঞার কো-অর্ডিনেটর মো. হাসান শাহরিয়ার।

  • জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় নম্বর ও বিষয় কমছে: সচিব

    জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষায় নম্বর ও বিষয় কমছে: সচিব

    ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চাপ কমাতে আগামী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা থেকে নম্বর ও বিষয় কমানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

    রবিবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এনসিসিসি’র সভা শেষে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভগের সচিব মো. সোহরাব হোসোইন সাংবাদিকদের একথা জানান। তবে এবছর পরীক্ষায় এমসিকিউ থাকবে বলেও তিনি জানান।

    সোহরাব হোসোইন বলেন, শিশু শিক্ষার্থীদের উপর চাপ কমানোর উদ্যোগ নিয়েছি। আপাতত কিছু বিষয় কমানো যায় কি-না, কমালে এবছর থেকে বাস্তবায়ন করা হবে বলেও তিনি জানান।

    বিষয় কমানো কেমন হবে তারও একটা ধারণা দেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভগের সচিব বলেন, এমন হতে পারে যে সিলেবাসের পুরোটাই থাকবে, কিন্তু এক বছর এক অংশ থাকবে, পরের বছর অপর অংশ।

  • পেন ড্রাইভে ১২০০ নারীর অশালীন ছবি, অতঃপর…

    পেন ড্রাইভে ১২০০ নারীর অশালীন ছবি, অতঃপর…

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা। আর এই শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি অঞ্চল বেহালা। সেখানকার এক যুবক, নাম কৃশানু বিশ্বাস। বয়স প্রায় ৩০ বছর। সম্প্রতি তাকে ঘিরেই হঠাৎ সরগরম হয়ে উঠেছে ওই এলাকা। কৃশানুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নারীদের অশালীন ছবি ধারণ করতেন। কারও বাথরুমের ছবি। কারও নিছক রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার ছবি। তার পেন ড্রাইভে এ রকম প্রায় ১২০০ ছবির হদিস মিলেছে। দীর্ঘ অনেক বছর ধরে এই কাজ করলেও কেউ কোনো দিন বুঝতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত পেন ড্রাইভ হারানোর পর তার কুকীর্তি ফাঁস হয়েছে। এরপর এলাকাবাসী তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে। অবশ্য অবস্থা বেগতিক দেখে গা-ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্ত কৃশানু।

    আনন্দবাজার পত্রিকার খবর, পর্ণশ্রীর অক্ষয় পাল রোডের বাসিন্দা কৃশানু একটি কেন্দ্রীয় সরকারি দফতরে কাজ করে। কয়েক দিন আগে তার অফিসেরই এক সহকর্মী একটি পেন ড্রাইভ খুঁজে পান। সেটা কার জানতে, সেই পেন ড্রাইভ কম্পিউটারে লাগাতেই একটি ফোল্ডারের হদিশ পাওয়া যায়। সেই ফোল্ডার খুলতেই বেরিয়ে একের পর এক নারীর ছবি। প্রথমে তার সহকর্মীরা বিষয়টি বুঝতে না পারলেও অন্য এক নারী সহকর্মী রহস্যর পর্দা ফাঁস করেন। তিনি ওই ছবির মধ্যে কয়েকজন পরিচিত নারীকে শনাক্ত করেন যারা কৃশানুর প্রতিবেশী। সেই নারী সহকর্মীর মাধ্যমেই খবর এবং সেই পেন ড্রাইভ পৌঁছায় কৃশানুর প্রতিবেশী প্রীতম শূরের কাছে। তিনি বলেন, “পেন ড্রাইভ খুলে আমরা রীতিমতো হতবাক। এই পাড়া, পাশের পাড়ার এমন কোনো নারী নেই যার ছবি নেই এই পেন ড্রাইভে। কেউ বাড়ির পোশাকে, কেউ বাথরুমে— সেই অবস্থায় এই ছবি তোলা হয়েছে। লুকিয়ে নিজের আত্মীয়দেরও প্রায় নগ্ন ছবি তুলেছে কৃশানু।”

    গোটা বিষয়টি জানাজানি হতেই পর্ণশ্রী থানায় কৃশানুর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান পাড়ার লোকজন। অবস্থা বেগতিক দেখে গা-ঢাকা দিয়েছে অভিযুক্ত যুবক। তাকে না পেয়ে তার বাড়িতে চড়াও হয় এলাকার মানুষ। যদিও অভিযুক্তের বাবা-মার দাবি তাদের ছেলে নির্দোষ।

    তদন্তকারীরা কৃশানুর খোঁজ চালানোর সঙ্গে সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করেছে ওই পেন ড্রাইভও। শুধু মোবাইল ক্যামেরা না অন্য কোনো ক্যামেরা ব্যবহার করে সে ওই ছবি তুলেছে সেটা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। এক তদন্তকারী বলেন, “অভিযুক্ত এই সব ছবি নিজের পেন ড্রাইভে রাখত, না এই ছবি বিভিন্ন পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইটে ব্যবহার করত, সেটা জানা এখন বেশি প্রয়োজন।”

  • দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরী, ফের উত্তেজনা

    দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন রণতরী, ফের উত্তেজনা

    দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে ফের নজরদারি শুরু করেছে মার্কিন নৌ-বাহিনীর দু’টি রণতরী। রবিবার বেইজিংয়ের দাবি, দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে প্যারাশেল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দ্বীপ ‘ট্রি’, ‘লিঙ্কন’, ‘ট্রাইটন’ ও ‘উডি’-র লাগোয়া এলাকায় দু’টি মার্কিন রণতরী ‘হিগিন্স গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার’ ও ‘অ্যান্টিয়েটাম’কে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে।

    শান্তি ফেরাতে যখন উত্তর কোরিয়ার দিকে হাত বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন, তখন দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে দু’টি মার্কিন রণতরীর এই নজরদারিতে বেইজিং উদ্বিগ্ন।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, দক্ষিণ চীন সাগরের কাছে মার্কিন রণতরীর এই অভিযান পূর্ব নির্ধারিত ছিল। এমন রুটিন অভিযান এর আগেও হয়েছে। তবে এই অভিযান নিয়ে বেইজিংয়ের বাড়তি উদ্বেগের কারণ, কিছুদিন আগেই বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নৌ-বাহিনীর যৌথ মহড়ায় আমেরিকা অন্য কয়েকটি দেশকে আমন্ত্রণ জানালেও চীনকে ডাকেনি। যা চীন-মার্কিন সম্পর্কের ‘শৈত্য’-এরই প্রমাণ।

    দু’টি মার্কিন রণতরীর নজরদারি নিয়ে বেইজিংয়ের উদ্বেগ প্রকাশের প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের দুই অফিসার জানিয়েছেন, এটা রুটিন নজরদারি। এলাকাটা বিতর্কিত (চীনের দাবি অনুযায়ী, তাদের এলাকা নয়) বোঝাতেই এই নজরদারি। ওই দু’টি মার্কিন রণতরী প্যারাশেল দ্বীপপুঞ্জের ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে চলে এসেছিল। অভিযান চালানো হয়েছে প্যারাশেল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দ্বীপ ‘ট্রি’, ‘লিঙ্কন’, ‘ট্রাইটন’ ও ‘উডি’-র লাগোয়া এলাকায়।