Author: banglarmukh official

  • স্বাস্থ্যসেবায় ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

    স্বাস্থ্যসেবায় ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার মান ভারত ও পাকিস্তানের চেয়ে উন্নত’ এক সময় এমন তথ্য শুনলে অনেকেই আষাঢ়ে গল্প ভেবে বাঁকা চোখে তাকাতেন। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এখন আন্তজার্তিক সংস্থার গবেষণায়ও এ তথ্য প্রমাণিত যে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান ওই দুটি দেশ থেকে উন্নত।

    বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন মেডিকেল জার্নাল দ্য লানসেটের গত বুধবার (২৩ মে) প্রকাশিত এক গবেষণা জরিপে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বিশ্বের মোট ১৯৫ দেশের সংক্রামক ও অসংক্রামক ব্যাধি, মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যু ও পুষ্টি অবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্যসেবার মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয়।

    বিশ্বের ১৯৫টি দেশের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবার মান ও সহজপ্রাপ্যতার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩তম। এক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান ১৪৫ ও পাকিস্তানের ১৫৪তম। এ দুটি দেশ ছাড়াও নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও মায়ানমারের অবস্থানও পিছনের সারিতে।

    প্রতিবেদন অনুসারে গত বছরের ১৯ মে প্রকাশিত তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৯তম। অর্থাৎ, বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় এবার আরও ৬ পয়েন্ট উন্নতি করেছে। আর ভারতের বর্তমান অবস্থান ১৪৫। গত বছর তাদের অবস্থান ছিল ১৫৪। অর্থাৎ গত বছরের তুলনায় ভারত ৯ পয়েন্ট এগিয়েছে।

    তালিকায় সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসেবা ও গুণগত মানে আইসল্যান্ড প্রথম, দ্বিতীয় নরওয়ে, তৃতীয় নেদারল্যান্ড, চতুর্থ লুক্সেমবার্গ, পঞ্চম অস্ট্রেলিয়া, ষষ্ঠ ফিনল্যান্ড, সপ্তম সুইজারল্যান্ড, অষ্টম সুইডেন, নবম ইতালি এবং দশম এনডোরা।

    এরপরে অবস্থান যথাক্রমে আয়ারল্যান্ড, জাপান, অস্ট্রিয়া, কানাডা, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, জার্মানি, স্পেন ও ফ্রান্স। তালিকায় ২০তম তালিকায় রয়েছে সিঙ্গাপুর। চীনের অবস্থান ৪৮তম। শ্রীলংকা রয়েছে ৭১তম অবস্থানে। বাংলাদেশ ১৩৩তম ও ভুটান ১৩৪তম। তবে নেপাল (১৪৯তম), পাকিস্তান (১৫৪তম) ও আফগানিস্তানের (১৯১তম) চেয়ে ভাল অবস্থানে আছে ভারত।

    তালিকায় সবার নিচে রয়েছে সেন্টাল আফ্রিকান রিপাবলিকান।

  • ১০ জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১২

    ১০ জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১২

    সারাদেশে র‌্যাব ও পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আজও ১২ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে মাদকবিরোধী অভিযানে গেলে এসব বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এদের মধ্যে কুমিল্লায় ২, ময়মনসিংহে ১, চাঁদপুরে ১, দিনাজপুরে ২, জয়পুরহাটে ১, বরগুনায় ১, ঠাকুরগাঁওয়ে ১, ফেনীতে ১, পাবনায় ১ ও কুড়িগ্রামে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের সবার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রয়েছে। গতকাল শুক্রবারও সারাদেশে বন্দুকযুদ্ধে ১১ মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

    কুমিল্লা

    কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবুল (৪০) ও আলমাস (৩৬) নামের দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বাগরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

    ব্রাহ্মণপাড়া থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাম্মদ শাহ জাহান কবির জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মাদক উদ্ধার ও মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করতে ব্রাহ্মণপাড়া-দেবিদ্বার সার্কেলের এএসসি শেখ মোহাম্মদ সেলিম ও তিনি (ওসি) সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বাগরা এলাকায় অবস্থান নেন। রাত দেড়টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী বাবুল ও আলমাস তাদের সহযোগীদের নিয়ে সেখানে পৌঁছালে তাদের আটকের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে ১৬ রাউন্ড গুলি চালায়। উভয় পক্ষের গুলি বিনিময়ে মাদক ব্যবসায়ী বাবুল ও আলমাস গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে উভয়ের মৃত্যু হয়। নিহত বাবুলের বিরুদ্ধে ১৬টি ও আলমাসের বিরুদ্ধে ৮টি মাদকের মামলা রয়েছে।

    ময়মনসিংহ

    ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের আঠাবাড়ি এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শাহজাহান মিয়া (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহত শাহজাহানের বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে ৮টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি বদরুল আলম খান জানান, শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জের আঠাবাড়ি তেলওয়ারী গন্ডিমোড়ে আবুল খায়েরের গ্যারেজের পশ্চিমে ফাঁকা রাস্তায় কয়েকজন মাদক বিক্রেতা মাদক ভাগাভাগি করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও ঈশ্বরগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথভাবে মাদক বিরোধী অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা সদস্যরা প্রথমে ইটপাটকেল নিক্ষেপ পরে এবং পরে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। এসময় ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শাহজাহানকে আটক করা হয়। গুরুতর আহত শাহজাহানকে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ২০০ গ্রাম হেরোইন, ৫টি গুলির খোসা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

    চাঁদপুর

    চাঁদপুরের কচুয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবলু (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বাবলু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

    কচুয়া থানার ওসি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান জানান, রাতে একাধিক মামলার আসামি ও চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী বাবলুকে উপজেলার ১১নং দক্ষিণ গোহাট ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রাম থেকে আটক করা হয়। থানায় নিয়ে আসার পথে একই উপজেলার ১০নং উত্তর গোহাট ইউনিয়নের ব্রিক ফিল্ডের কাছে বাবলুর সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং ককটেল নিক্ষেপ করে তাকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে গোলাগুলি হয়। এ সময় বাবলু গুলিবিদ্ধ হলে তাকে কচুয়া হাসপাতালে নেয়া হয় কিন্তু সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    দিনাজপুর

    দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ একজন ও সদর উপজেলার রামসাগরে দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গুলি বিনিময়ে আরও এক মাদক বিক্রেতা নিহত হয়েছেন।

    নিহতরা হলেন, বীরগঞ্জ উপজেলার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা সাবদারুল ইসলাম (৪২) ও নিহত আবদুস সালাম ওই এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে।

    র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন ১৩ দিনাজপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক (সিও) মেজর তালুকদার নাজমুছ সাকিব জানান, শুক্রবার ভোরে বীরগঞ্জে বিপুল মাদক পাচারের খবর পেয়ে র‌্যাব অভিযান চালায়। এ সময় র‌্যাবকে লক্ষ্য করে সাবদারুল গুলি ছুড়লে র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। পরে তার কাছে একটি বিদেশি পিস্তল, চার রাউন্ড তাজা গুলি, এক রাউন্ড গুলির খোসা, প্রায় দুই কেজি গাঁজা ও ১০০ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আহত হন দুই র‌্যাব সদস্য।

    এদিকে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ওসি রেদওয়ানুর রহিম জানান, রাতে রামসাগর এলাকায় দুই দল মাদক বিক্রেতার মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে গেলে আবদুস সালামকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। এ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক আবদুস সালামকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে ফেনসিডিল, চারটি হাত বোমা, একটি পিস্তল ও দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

    জয়পুরহাট

    জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ রেন্টু মিয়া (৩৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে র‌্যাব। রেন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে ৭ টি মাদক মামলা রয়েছে।

    র‌্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্প কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামীম হোসেন জানান, একদল মাদক ব্যবসায়ী জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ভীমপুর এলাকায় অবস্থান করছে খবর পেয়ে শুক্রবার মধ্যরাতে ওই এলাকায় র‌্যাব অভিযান চালায়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীরা র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে র‌্যাবও পাল্টা গুলি চালায় এবং মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে রেন্টু মিয়াকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পাঁচবিবি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বরগুনা

    বরগুনায় ছগির খান নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে  সদর উপজেলার ৪ নম্বর কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের জাকিরতবক এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    বরগুনা থানার ওসি মাসুদুজ জামান জানান, মাদক ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে ছগির খান মারা গেছেন।

    ঠাকুরগাঁও

    ঠাকুরগাঁওয়ে পুলিশের সঙ্গে‌‌ ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মোবারক হোসেন কুট্টি (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ সময় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। শনিবার ভোরে সদর উপজেলার ১৯নং বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। মোবারক হোসেনের বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মাদকের প্রায় ১৫টির মামলা রয়েছে।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সদর উপজেলার পশ্চিম বেগুনবাড়ি ইউনিয়নে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় কুট্টিসহ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে মোবারক হোসেন ঘটনাস্থলে নিহত হয়। ঘটনাস্থল বিস্ফোরিত ৫টি ককটেল, বন্দুকের কার্তুজ ও বেশকিছু দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    ফেনী

    ফেনীর রুহিতিয়া এলাকা থেকে কবির হোসেন (৫০) নামে এক ব্যক্তির গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কবির রুহিতিয়া ব্রিকফিল্ড এলাকায় নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন বলে দাবি পুলিশের।

    ফেনী মডেল থানার ওসি রাশেদ খাঁন চৌধুরী বলেন, ভোর ৪টার দিকে সদর উপজেলার কাজিরবাগ ইউনিয়নের রুহিতিয়া ব্রিকফিল্ড এলাকায় গোলগুলির খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাকে ফেনী সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার পরিচয় মেলে। নিহত কবির একজন ডাকাত। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, মাদকসহ অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, একটি গুলি ও গুলির খোসা উদ্ধার করেছে।

    পাবনা

    পাবনা সদর থানা পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আব্দুর রহমান নামে একজন নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত আব্দুর রহমান চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।

    পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, আব্দুর রহমানকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য নেয়। পরে শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে তাকে নিয়ে শহরের দোগাছী ইউনিয়নের মহেন্দ্রপুর এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল নিক্ষেপ ও গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় আব্দুর রহমান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

    মাদক ব্যবসায়ীদের ছোড়া ককটেলের আঘাতে ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দেশি শাটারগান, তিন রাউন্ড গুলি, চার রাউন্ড গুলির খালি খোসা ও দুইশ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে।

    কুড়িগ্রাম

    কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দক্ষিণ বাঁশজানি সীমান্তে শনিবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইব্রাহিম হোসেন (৩৭) নামে এক মাদক চোরাকারবারী নিহত হয়েছেন। পুলিশ এ সময় ৫ কেজি গাঁজা, দেশীয় অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে। এ সময় এএসআই নাদের ও আইয়ুব নামে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

    ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির জানান, ভোরে ভারতীয় সীমান্তঘেষা দক্ষিণ বাঁশজানী গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য উদ্ধারে গেলে মাদক চোরাকারবারীরা পুলিশের উপর হামলা চালায়। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পরে মাদক পাচার সিন্ডিকেট প্রধান ইব্রাহীমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে পাঠান। সেখানে সকাল সোয়া ৯টায় তার মৃত্যু হয়।

  • বেকার ছেলেকে বাড়ি থেকে তাড়াতে আদালতে বাবা-মা!

    বেকার ছেলেকে বাড়ি থেকে তাড়াতে আদালতে বাবা-মা!

    বাবা মার্ক ও মা ক্রিস্টিনা রোতোন্ডো, তাদের একমাত্র ছেলে মাইকেল। এই একমাত্র ছেলেটি কোনো ধরনের কাজকর্ম না করেই আট বছর ধরে বেকার হয়ে বসে আছেন। এতে বিরক্তির শেষ সীমায় চলে গেছেন বাবা-মা।

    ছেলেকে বাড়ি ছাড়তে দিয়েছেন নোটিশ। তবে ছেলে বাড়ি না ছাড়ায় শেষমেশ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন বাবা-মা।

    নিউইয়র্কের ক্যামিলাস শহরে ঘটেছে এমন ঘটনা। আদালত রায় দিয়েছে, অর্থ দিয়ে বাবা-মাকে সাহায্য না করলে বাড়িতে থাকতে পারবে না মাইকেল।

    মার্ক ও ক্রিস্টিনা রোতোন্ডোর অভিযোগ করে বলেন, তাদের ছেলে মাইকেল সংসারের কোনো দায়-দায়িত্ব নেন না। তার উপরে আট বছর ধরে সে বেকার।

    এক বাড়িতে থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে ছেলের সাথে কথা বলেন না তারা। গত ফেব্রুয়ারি থেকে মাইকেলকে পাঁচবার বাড়ি ছাড়ার জন্য লিখিত আবেদন জানিয়েছেন তারা। মাইকেল তাতে সারা না দেয়ায় শেষে আদালতে যান বাবা-মা।

    এদিকে ছেলেকে দেয়া নোটিশে মার্ক লিখেছিলেন, আমি আর তোমার মা ঠিক করলাম, তোমার আর আমাদের বাড়িতে জায়গা হবে না। তোমার হাতে ১৪ দিন সময় আছে।

    মার্কের অভিযোগ, সেই নোটিশ পাঠানোর পরেও কেটে গেছে চার মাস। আরও চারটি লিখিত নোটিশ গেছে ছেলের কাছে।

    মার্ক জানান, মাইকেলকে চাকরি খোঁজার জন্য ১,১০০ ডলার দিয়ে সাহায্যের প্রস্তাবও দেন তিনি। কীভাবে একা থাকতে হবে, সেই পরামর্শও দেন চিঠিতে। যদিও তাতে কোনো কাজ হয়নি মাইকেলের।

    ৫ মার্চ শেষ চিঠিতে মার্ক সাফ জানান, এবার তিনি এমন ব্যবস্থা নেবেন যাতে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হবেন মাইকেল।

    মঙ্গলবার আদালত কক্ষে মুখোমুখি হন দু’পক্ষ। মার্ক ও ক্রিস্টিনার পক্ষে আইনজীবী থাকলেও নিজের মামলা একাই লড়েন মাইকেল। রায় যায় তার বিরুদ্ধে।

    নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডোনাল্ড গ্রিনউড মাইকেলকে তার বাবার বাড়ি ছাড়ার নির্দেশ দেন।

  • সৌদি যুবরাজ সালমানের সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

    সৌদি যুবরাজ সালমানের সঙ্গে ফিফা প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

    সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে বৈঠক করেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফানতিনো।

    শুক্রবার সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত হওয়া ওই বৈঠকে ফিফা ও জেনারেল স্পোর্টস অথরিটির মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা করেছেন যুবরাজ সালমান ও ফিফা প্রেসিডেন্ট।

    ওই বৈঠকে জেনারেল স্পোর্টস অথরিটি চেয়ারম্যান তুর্কি আল-শেখও অংশগ্রহণ করেন।

    এর আগে গেলো মাসে ২১ তারিখ রিয়াদে একটি রাজপ্রাসাদের বাইরে গোলাগুলোর খবর প্রকাশ করে কিছু মিডিয়া। অনেক মিডিয়াই তখন দাবি করে যে তখন সেনা অভ্যুত্থানের ঘটনায় সৌদি যুবরাজ হয়তো নিহত হয়েছেন। যদিও সৌদি মিডিয়া জানায়, ওইদিন এমন কিছুই ঘটেনি। বরং রাজপ্রাসাদের কাছে বিনা অনুমতিতে চালানো একটি ড্রোন ভূপাতিত করে নিরাপত্তা বাহিনী।

    কিন্তু মূলত এরপর থেকেই যুবরাজ মোহাম্মদকে আর জনসম্মুখে দেখা না যাওয়ায় জোর জল্পনা-কল্পনা শুরু হয় যে, তিনি হয়তো সত্যিই মারা গেছেন। এমন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সৌদি রাজপরিবারের সদস্য তুর্কি বিন সালমান আল সৌদের মালিকানাধীন আরব নিউজ দাবি করে যে, যুবরাজ মোহাম্মদ এখন মিশর আছেন।

    এর আগে বুধবার দেশটির বার্তা সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) যুবরাজ মোহাম্মদের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে। তাদের দাবি মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। আর ওইদিনই তোলা হয় এই ছবি।

  • গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে

    গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ বলেছেন, একদিকে জনগণকে ভয় পাইয়ে দিতে সরকারি চক্রান্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে অন্যদিকে নিরীহ লোকদের ধরে হত্যা ও হত্যার ভয় দেখিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চলছে ঈদের আগে রমরমা বাণিজ্য। প্রত্যেক ঈদ মওসুমে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে এ ধরনের রমরমা বাণিজ্য করার সুযোগ করে দেয়া হয়, এখন গ্রেফতার বাণিজ্যের পাশাপাশি হত্যা-বাণিজ্য চলছে।’

    আজ দুপুর পৌনে ১২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    এসময় রিজভী আহমেদ বলেন, এখন দেশজুড়ে মাদকবিরোধী যে অভিযান চলছে সেখানে পুলিশ তাদের ইচ্ছামতো সাধারণ মানুষের বিশেষ করে কোথাও কোথাও বিএনপিসহ বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ধরে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করছে, হয়রানি করছে এবং দাবিকৃত টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাদেরকে নির্মমভাবে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হচ্ছে, হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। যদিও বলা হচ্ছে তালিকা করে প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরা হচ্ছে, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথা। আসলে মাদক ব্যবসায় যারা গডফাদার তারা মূলত আওয়ামী লীগেরই লোক, আর সেই কারণেই তারা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।

    সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে রিজভী বলেন, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণের সুযোগ দিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধিমালা সংশোধন করেছে ইসি, যা গভীর ষড়যন্ত্রমূলক এবং ভোটের ময়দান ধ্বংসের সামিল। এর ফলে ভোটের মাঠে সমান সুযোগ থাকবে না। এটি ভোটারদের প্রতি চরম বিশ্বাসঘাতকতা।’

  • জীবিত অবস্থায় কেউ তাজিন আহমেদের খবর রাখেনি

    জীবিত অবস্থায় কেউ তাজিন আহমেদের খবর রাখেনি

    অভিনেত্রী হুমাইরা হিমু দাবি করেছেন, অধিকাংশ পত্রিকায় প্রয়াত অভিনেত্রী তাজিন আহমেদকে নিয়ে মিথ্যে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ দাবি করেছেন। তাজিন আহমেদকে আপুনি সম্বোধন করে হুমায়রা হিমু বলেন, তাকে আমি কিছুটা দিন কাছে পেয়েছি, মৃত্যুর আগে কিছু সময়, কয়েকটা দিন মাত্র তার পাশে থাকতে পেরেছি। আপুনির দুঃখকষ্টগুলো শেয়ার করতে পেরেছি। তিনি আমার কাছে দুঃখকষ্টের কথাগুলো বলতেন। আমাদের স্বার্থপর মিডিয়ায়, মানুষজন যেভাবে অভিনয় করছে, যেভাবে খবর প্রচার হচ্ছে, তা দেখে বসে থাকতে পারলাম না। ভেবেছি আপুনিকে নিয়ে কোনো কথাই বলব না। কিন্তু একজন মৃত ব্যক্তিকে নিয়ে যেভাবে ব্যবসা শুরু হয়েছে আমার মনে হয়েছে কথাগুলো আসলে বলা উচিত। আমি যদি না বলতে পারি আপুনির আত্মা উপরে গিয়ে শান্তি পাবে না।

    হিমু বলেন, আসলেই আমরা অনেক স্বার্থপর। আমরা প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যাই। আমরা যে কত বড় অভিনেতা সেটা আসলে আমরা ভুলেই যাই, আমাদের সবার অস্কার পাওয়া উচিত। প্রত্যেকটা মানুষের মন্তব্য দেখছি আর হাসছি, আমরা এটা ভুলে যাচ্ছি মৃত্যুটা সত্য, সবার জীবনে আসবে। আপুনির দুঃখ-কষ্টের কথাগুলো আমরা সবাই জানতাম। কিন্তু কেউ আমরা সাহায্য করলাম না। সবার ওপরে অভিমান নিয়ে চলে গেল। সবার ওপর অভিমান ছিল আপুর, আমাদের প্রত্যেকটা মানুষের ওপরে। আজকে আমরা বলছি আমরা তার সহশিল্পী, আমরা তার কতকিছু, বন্ধু… কেন ভাই? এই বন্ধু, সহশিল্পী, বেঁচে থাকতে আমরা তার পাশে এগিয়ে আসতে পারিনি? পাশে আসা তো তো উচিত ছিল আমাদের। কিন্তু আমরা আসতে পারিনি।

    হিমু বলেন, এখন মিডিয়ার অনেক মানুষ তাজিন আপুর বন্ধু দাবি করে নানা রকম কথা বলছেন। কিন্তু তিনি জীবিত থাকা অবস্থায় কেউ তার খবর রাখেনি। আর যে দাড়িয়েছে সর্বদা তার সাথে থেকেছেন তিনি মেকাপ আর্টিস্ট মিহির মহন। অথচ কোথাও কেউ তার নামটিও বলছেন না। কেন রে ভাই তারও তো একটা নাম আছে!

    ভিডিওতে কথা বলেন মিহির মহন নিজেও। তাজিন আহমেদ তাকে ছেলের মতো দেখতেন দাবি করে তিনি জানান, অনেকেই বলছেন দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গেও তাজিনের ডিভোর্স হয়েছে। কিন্তু তাজিনের সঙ্গে তার দ্বিতীয় স্বামীর ডিভোর্স হয়নি। তবে সম্পর্ক ভালো ছিল না। মৃত্যুর দিন সকালেও তাজিন তার স্বামীকে বারবার ফোন দিতে বলেছিলেন। কিন্তু মহন বারবার ফোন করেও তাকে পায়নি। তাজিনের নম্বর সে ব্লক করে রেখেছিল।

    ২২ মে দুপুর সোয়া ৩টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাজিন আহমেদকে উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর বলে শুরুতেই নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। এরপর ইলেকট্রিক শক ও ইসিজি রিপোর্ট দেখার পর বেলা ৪টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক নূর হোসেন তাজিন আহমেদকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • মোহাম্মদপুরে র‌্যাবের মাদকবিরোধী অ‌ভিযান, আটক শতাধিক

    মোহাম্মদপুরে র‌্যাবের মাদকবিরোধী অ‌ভিযান, আটক শতাধিক

    রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিহারি ক্যাম্পকে (জেনেভা ক্যাম্প) ঘিরে মাদকবিরোধী অ‌ভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব। শনিবার সকাল ১১টা থেকে ক্যাম্পটি ঘিরে র‌্যাবের বেশ কয়েকটি ইউনিট এ অভিযান পরিচালনা করে।

    এ ব্যাপারে র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের প্রধান মুফতি মাহমুদ খান জানান, অভিযানে কোনো ধরনের বাধার সম্মুখীন হইনি। মাদক ব্যবসায় জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    অভিযানে শতাধিক মাদক বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • ‘স্যাটেলাইটের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দিতে পারত বিএনপি’

    ‘স্যাটেলাইটের জন্য সরকারকে ধন্যবাদ দিতে পারত বিএনপি’

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম বলেছেন বাংলাদেশি চ্যানেলগুলো প্রতিবছর ১৪০ মিলিয়নের মতো খরচ করে। নিজস্ব স্যাটেলাইট হওয়ার কারণে এটি এখন থেকে সাশ্রয় হবে। এটি একটি জাতীয় গৌরবের বিষয়। আর একটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এই জাতীয় গৌরবের অংশিদার হতে পারতেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি ধন্যবাদ জানিয়ে। কিন্ত সেই গৌরবের অংশিদার হতে পারেননি। এটি একটি অদ্ভুত রাজনৈতিক কালচার।

    আজ সকালে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি কথা বলেন।

    তিনি বলেন, ৭-৮ বছরের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নির্মাণ খরচ উঠে আসবে। এরপর থেকে যা হবে তা লাভ। ইতিমধ্যেই যে সকল দেশে ফুট প্রিন্টিং আছে সে সব দেশের সাথে ব্যবসায়ীক আলাপ চলছে। এটাতো দৃশ্যমান লাভ। আরেকটি লাভ হলো আমরা বিশ্বে স্যাটেলাইটের জন্য ৫৭তম দেশ হয়েছি।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, নবম ওয়েজবোর্ডের মধ্যে ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকদের অর্ন্তভুক্ত করার জন্য কাজ ইতিমধ্যে শুরু করা হয়েছে। আগামী দুই তিন মাসের মধ্যে অনলাইন পত্রিকার রেজিষ্ট্রেশন কাজ সম্পন্ন করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বাড়নোর জন্য তথ্য মন্ত্রণালয় সারাদেশে তথ্য অভিযান পরিচালনা করেছে।

    টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় এবং জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

    তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে প্রতিবেদন সংবাদপত্র ও টিভিতে বেশী বেশী প্রচারের জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহবান জানান। মতবিনিময় কালে সাংবাদিকরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার চিত্র তুলে ধরলে তথ্য প্রতিমন্ত্রী সেসব সমস্যা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

  • ডি-লিট ডিগ্রি গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    ডি-লিট ডিগ্রি গ্রহণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    সম্মানসূচক ডক্টর অব লিটারেচার (ডি-লিট) উপাধি পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আসানসোলে অবস্থিত কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমাবর্তনে তাকে সম্মানসূচক এ ডিগ্রি দেয়া হয়।

    শোষণমুক্ত ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে এবং গণতন্ত্র, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং অার্থ সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অসাধারণ ভূমিকা রাখায় তার স্বীকৃতি হিসেবে শেখ হাসিনাকে এ উপাধি দেয়া হয়।

    বিশেষ সমাবর্তন ও ডি-লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, গওহর রিজভী, তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীসহ বাংলাদেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অঙ্গনের কয়েকজন প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন।

  • স্টিভ জবসের দশ উক্তি যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

    স্টিভ জবসের দশ উক্তি যা আপনার জীবনকে বদলে দিতে পারে

    কর্পোরেট জগতের শীর্ষ সফল ব্যক্তিত্ব স্টিভ জবসকে নিশ্চয় আর নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে না। ব্যবসায়িক সাফল্যের পাশাপাশি তিনি এক মহা দার্শনিক হিসেবেও পরিচিতি পেয়ে ছিলেন। যা তার নানা উক্তিতেই ফুটে উঠেছে। তার অন্তত শ’খানেক উক্তি বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আর যারা তার উক্তিগুলোকে অনুসরণ করেছেন তাদের অনেকেই দাবি করেছেন তারা স্টিভ জবসের মাত্র একটি উক্তি মেনে চলেই জীবনে সাফল্য পেয়েছেন।

    এখানে স্টিভ জবসের এমন দশটি উক্তি উল্লেখ করা হলো যেগুলোর গভীরতা উপলব্ধি করতে পারলে আপনার মধ্যে ইতিবাচক অনুভুত এনে দেবে।

    ১.
    ‘আপনার সময় সীমিত, সুতরাং অন্য কারো জীবন যাপন না করে বরং নিজের জীবনটাই যাপন করুন। ’

    ২.
    ‘কখনোই নিজের মতামতকে অন্যের মতামত দ্বারা প্রভাবিত হতে দেবেন না এবং আপনার ভেতরের স্বরটি থেকে অন্যের আওয়াজ বের হতে দেবেন না। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের হৃদয় এবং স্বজ্ঞাকে অনুসরণের সাহস ধারণ করুন।

    ৩.
    ‘গত ৩৩ বছর ধরেই প্রতিদিন সকালে আয়নার দিকে তাকিয়ে আমি নিজেকে জিজ্ঞেস করে আসছি: ‘আজ যদি আমার জীবনের শেষদিন হয় তাহলে আমি আমার আজ যা করনীয় তা করতে চাইব? আর যখনই এই প্রশ্নের জবাবে আমি একাধারে বেশ কয়েকদিন ‘না’ উত্তর শুনেছি তখনই আমার মনে হয়েছে এবার হয়তো আমার মধ্যে কিছু একটা পরিবর্তন আনতে হবে। ’

    ৪.
    ‘গোরস্থানের শীর্ষ ধনী হওয়াটা আমার কাছে কোনো অর্খথ বহন করে না। বরং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় এই কথা বলতে পারাটাই আমার কাছে বেশি আকাঙ্খিত যে, আমরা আজ বিস্ময়কর কিছু একটা করতে পেরেছি। ’

    ৫.
    ‘আপনার জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই আপনার ভবিষ্যতকে রুপদানে কাজ করে। সুতরাং জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকেই সঠিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করুন।

    ৬.
    ‘নিজের চিন্তাকে সরল করার জন্য পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কারণ পরিষ্কারভাবে চিন্তা করতে পারাটাই সবচেয়ে বড় কথা। ’

    ৭.

    ‘উদ্ভাবনই একজন নেতা ও একজন অনুসরণকারীর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে দেয়। ’

    ৮.
    ‘অসাধারণ সব কাজ করুন এবং সামনে এগিয়ে যান। আমি মনে করি আপনি যদি এমন কোনো কাজ করেন যা প্রশংসা কুড়ায় তাহলে আপনা উচিত আরো ভালো কোনো কাজ করা। একটি প্রশংসার কাজ নিয়েই বেশি দিন পড়ে থাকবেন না। সবসময়ই এরপর কী করা যায় তা নিয়ে ভাববেন। ’

    ৯.
    ‘সামনের দিকে তাকিয়ে আপনি বিন্দুগুলোকে যোগ করতে পারবেন না। আপনি শুধু পেছন দিয়ে তাকিয়েই সেগুলিকে যুক্ত করতে পারেন। সুতরাং আপনাকে সেই বিন্দুগুলোর ওপর আস্থা স্থাপন করতে হবে যে সেগুলো কোনো না কোনোভাবে আপনার ভবিষ্যতে যুক্ত করবে। আপনাকে নিজের শক্তি, নিয়তি, জীবন, কর্ম এসবের ওপর আস্থা রাখতে হবে। ’

    ১০.
    ‘এই মুহূর্তে আপনিই হলেন নতুন। কিন্তু সেদিন খুব বেশি দূরে নয় যেদিন আপনি বুড়িয়ে যাবেন এবং দূরে সাফ হয়ে যাবেন। খুক বেশি নাটকীয়তার জন্য দু:খিত, কিন্তু এটা পুরোপুরি সত্য। ’