Author: banglarmukh official

  • তুমব্রু সীমান্ত থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়েছে মিয়ানমার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    তুমব্রু সীমান্ত থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়েছে মিয়ানমার :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বান্দরবানের তুমব্রু সীমান্তে যেসব ভারী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নিয়েছিল মিয়ানমার সেগুলো সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

    আগের চুক্তি অনুযায়ী আগামী ২৭ মার্চ থেকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে যৌথ টহল দেবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)।

    শনিবার রাজধানী তেজগাঁওয়ে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের একটি অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

    বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা শিগগিরই দেশে ফিরে যেতে পারবেন বলে মনে করছি।

  • মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করছে :বরিশালে শিল্পমন্ত্রী ।

    মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের মনে ভীতি সঞ্চারের চেষ্টা করছে :বরিশালে শিল্পমন্ত্রী ।

    পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা যাতে নিজ দেশে আর ফিরে যেতে আগ্রহী না হয় সেজন্য তাদের মনে ভীতির সঞ্চার করে মিয়ানমার একটা অবস্থার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

    শনিবার বেলা ১১টায় বরিশালে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) আয়োজিত বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা কনফারেন্সের উদ্ধোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

    আমির হোসেন আমু বলেন, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ভিটেমাটি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এটা বুঝতে কারোরই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের সহজে ফেরত নিতে চাইবে না। আজকে আন্তর্জাতিক চাপ এবং বাংলাদেশের লবিংয়ের কারণে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে বাধ্য হচ্ছে। কিন্তু যাদেরকে ফেরত নেওয়া হবে, সেই রোহিঙ্গারা যাতে ফিরতে আগ্রহী না হয় সেজন্য মিয়ানমার সীমান্তে ভীতি প্রদর্শন করে রোহিঙ্গাদের মনে ভীতির সঞ্চার করে একটা অবস্থার সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

    এ সময় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেনসহ অন্যান্যরা মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

  • বিদেশি উপদেশের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই: কাদের

    বিদেশি উপদেশের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই: কাদের

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিদেশি কোনো উপদেশ খয়রাতের দিকে আওয়ামী লীগ তাকিয়ে নেই।

    ৭ মার্চ আওয়ামী লীগের জনসভা সফল করতে আজ শনিবার সকালে রাজধানীর নিউমার্কেট কাঁচাবাজার এলাকায় লিফলেট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে অনুষ্ঠেয় আগামী জাতীয় নির্বাচনে সব দলকে আনতে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাটকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

    এক প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটি ঐতিহ্যবাহী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা জনগণের চাপকে গুরুত্ব দিই। আমাদের দেশের গণতন্ত্র আমরাই পরিচালনা করব।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি, কেউ ধোয়া তুলসীপাতা নয়। যারা আমাদের উপদেশ দিচ্ছে, তাদের দেশের গণতন্ত্রের চেহারা, তাদের দেশের নির্বাচনের চেহারা, সেটা সারা দুনিয়া জানে, আমরাও জানি। কাজেই আমাদের উপদেশ দিতে হবে না।’

    সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা কারও উপদেশ-খয়রাতের দিকে তাকিয়ে নেই। আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের দেশের গণতন্ত্র চলবে। আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের নির্বাচন চলবে। কাজেই এ নিয়ে বাইরে থেকে কে চাপ দিল, সেটা আমাদের বিবেচ্য বিষয় নয়। আমরা আমাদের নিয়ম অনুযায়ী, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী একটা অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এগিয়ে যাচ্ছি।’

    সরকারি অর্থ ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী ভোট চাইছেন—এই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, জনগণের কাছে যাওয়ার অধিকার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর আছে। এখনো নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা হয়নি। এই প্রশ্নটি হতে পারে তখন, যখন নির্বাচন কমিশন নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করবে। এই মুহূর্তে দেশের প্রধানমন্ত্রী, তিনি যেসব উন্নয়ন করেছেন, সেসব নিয়ে জনগণকে অবহিত করার অধিকার তাঁর আছে।

    ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘যেহেতু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী; আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে নৌকায় ভোট চাওয়ার অধিকার প্রধানমন্ত্রীর আছে। তাতে এখানে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।’ তিনি আরও বলেন, এবার ৭ মার্চে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ হবে। এ লক্ষ্যে তাঁরা কাজ করছেন।

    বিএনপির আন্দোলনের কৌশল মোকাবিলায় আওয়ামী লীগের অবস্থান বিষয়ে কাদের বলেন, ‘তাদের কৌশল সেটা তাদের ব্যাপার। এটা নিয়ে আমাদের কোনো বক্তব্য নেই। তারা কী কৌশল প্রয়োগ করবে, সেটা তাদের ব্যাপার।’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি রাজনীতি দিয়ে মোকাবিলা করব, সহিংসতা মোকাবিলার জন্য আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আছে। তারা যখন যেটা দরকার সেটাই করবে।’

    ৭ মার্চের সমাবেশ বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সমাবেশে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন এবং এ সময়ের ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের মুখে আমাদের করণীয়, দেশবাসীর করণীয়, নির্বাচন সামনে রেখে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানাবেন।’

  • দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার

    দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাতির জনকের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বর্তমান সরকারও দুর্নীতি-সন্ত্রাস-মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে খুলনার খালিশপুরের ঈদগাহ ময়দানে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের (আইইবি) জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে জাতির পিতা এই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মতো স্বল্প সময়ে পিছিয়ে থাকা একটি প্রদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্রে উন্নত করেছিলেন জাতির জনক। তখন তাকে বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহযোগিতা করেছিলেন প্রকৌশলীরা।

    কৃষক-মজদুর নয়, শিক্ষিত শ্রেণীই দুর্নীতি করে বলে এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর একটি মন্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনকের নির্দেশিত পথ মেনেই আমরা চলছি। আমাদের সরকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মানুষ যেন আইনের শাসনের সুযোগ-সুবিধা পায়, সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছি।

    বিশ্বসভায় উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকাকালে আইনের শাসনের অভাবে পাঁচ পাঁচবার সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছিল বাংলাদেশ। আজ দুর্নীতি উৎখাত করে দুই ধাপ এগিয়েছি আমরা।

    এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে খুলনায় পা রাখেন। বিকালে প্রধানমন্ত্রী খুলনা সার্কিট হাউজে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।

  • বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবে : খুলনায় প্রধানমন্ত্রী

    বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং যাবে : খুলনায় প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমাদের এই অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেটি হবে ক্ষুধা-দারিদ্র্য, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক, সমৃদ্ধ, নিরাপদ, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির বাংলাদেশ। এ কাজে আপনারাই হচ্ছেন অগ্র সৈনিক।

    শনিবার সকালে খুলনার খালিশপুরে আইইবির খুলনা কেন্দ্রে ৫৮তম কনভেনশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন ।

    তিনি বলেন, আমরা উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে চাই। এ উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আপনারা পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করুন।

    বিভিন্ন খাতে তার সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। গত বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭.২৮ শতাংশ। দারিদ্র্যের হার ২২ শতাংশে নেমে এসেছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের উপরে। মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৬১০ মার্কিন ডলার। সকল ক্ষেত্রে আমরা ব্যাপক উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ মহান স্বাধীনতার মাসেই আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হচ্ছি।

    বিদ্যুৎ সেক্টরের উন্নয়ন প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, ভারতের সঙ্গে আন্তঃগ্রীড নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। যার মাধ্যমে আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা বলয় গড়ে উঠবে।

    তিনি বলেন, আমরা ভারত থেকে ৫০০মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করছি। পর্যায়ক্রমে এ আমদানির পরিমাণ একহাজার মেগাওয়াট হবে। নেপাল ও ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির পরিকল্পনা করছি।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন বিশ্ব একটি গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। এ বৈশ্বিক গ্রামে এককভাবে উন্নতি করা প্রায়ই দুঃসাধ্য। অর্থনৈতিকভাবে উন্নতি লাভ করতে হলে আন্তঃমহাদেশীয়, আন্তঃদেশীয় এবং আঞ্চলিক সংযোগ ও সহযোগীতা বাড়াতে হবে।

    উল্লেখ্য, সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নিতে খুলনায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার বেলা পৌনে ১১টায় হেলিকপ্টারযোগে খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে তিতুমীর নৌ-ঘাঁটির ভিভিআইপি হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে নৌবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা অভিনন্দন জানান।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে গোটা শিল্পনগরী। পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দারা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে জনসভাস্থলসহ আশপাশের এলাকায়। প্রধানমন্ত্রীর আগমনে পুরো খুলনা নগরীজুড়ে তৈরি করা হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা বেষ্টনি। পাশাপাশি তৎপর রয়েছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।

    দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটি খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় সফর। এর আগে ২০১৫ সালে তিনি খুলনা শিপইয়ার্ডে এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

  • ধর্ষণ মামলায় আটক ৭৬ বছর বয়সী বৃদ্ধ , কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা

    ধর্ষণের শিকার ১৩ বছরের এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় ৭৬ বছর বয়সী আবদুল ওয়াহাব নামে এক বৃদ্ধকে আটক করেছে পুলিশ।
    গত বৃহস্পতিবার তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদের হাবিব নগরের আঘাপুরার। ওই বৃদ্ধের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি ২০১৭ সালের জুনের দিকে কিশোরীকে ধর্ষণ করেছেন।

    পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর অভিভাবকরা ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তার পরই ওয়াহাবকে আটক করা হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, কিশোরীর বাবা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, তার মেয়েকে চকলেট ও চিপসের লোভ দেখিয়ে বাসায় নিয়ে গিয়ে ২০১৭ সালের জুন মাস থেকে নভেম্বর পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে। বর্তমানে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে সাত মাসের গর্ভবতী সে।

  • বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমারের অতিরিক্ত সেনা, সতর্ক বিজিবি

    বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমারের অতিরিক্ত সেনা, সতর্ক বিজিবি

    বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্তের ওপারে ভারী অস্ত্রসহ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এতে তুমব্রু সীমান্তে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তুমব্রু সীমান্তের এক কিলোমিটার মধ্যে দুই শতাধিক সেনা সদস্য সশস্ত্র অবস্থান নিয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের সরে যাওয়ার জন্য সকাল থেকে চারটি গাড়ি নিয়ে মাইকিং করে মিয়ানমারের সেনা সদস্যরা। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর এমন আচরণে নো ম্যান্স ল্যান্ডে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনেক রোহিঙ্গা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলে চিৎকার করতে থাকেন। তবে বিকেল থেকে ভারী অস্ত্র সরিয়ে ফেলা হলেও এখনও সীমান্তে অবস্থান করছে সেনা সদস্যরা ।এদিকে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা মোকাবেলায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি সদস্যরা।

    নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সরোওয়ার কামাল বলেন, নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের ভয়ভীতি দেখানোর জন্য মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এমন কাজ করেছে। কেউ যেন অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য সীমান্তে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

    এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মিয়ানমার কেন সমরাস্ত্র প্রদর্শন করছে তা জানার চেষ্টা করেছি। তারা জানিয়েছে, রোহিঙ্গারা নিজ গ্রামে ফেরত যাচ্ছে- এমন খবরে বিজিপি নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেছে। আমরা তাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর আগেও বলেছি আপনাদের সীমানায় থাকা রোহিঙ্গাদের আপনারা যে কোনো সময় ফেরত নিতে পারেন।

    বৃহস্পতিবার সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টারে ৯১তম রিক্রুট ব্যাচের সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি মিয়ানমার যা বলে তা করে না। আমাদের সীমান্তে বিজিবি অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।

  • ইতালী প্রবাসী জামায়াত নেতার বাসায় নৈশভোজে আ.লীগের এমপি

    ইতালী প্রবাসী জামায়াত নেতার বাসায় নৈশভোজে আ.লীগের এমপি

    ইতালী প্রবাসী জামায়াত নেতার বাসায় নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেছেন টাঙ্গাইল-(৪) কালিহাতী আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় এমপি হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী।

    এমপি সোহেল হাজারীর এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ ও তোলপাড় চলছে ইতালি প্রবাসীদের মাঝে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় সফরে গত (১১ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি) ইতালিতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

    এ সময় এমপি সোহেল হাজারী জার্মানি হয়ে ইতালিতে অবস্থান করেন। এমপি সোহেল হাজারী ইতালিতে টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও বর্তমানে ঢাকা মহানগর জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. সফিকুর রহমানের ছোট ভাই ইতালি প্রবাসী জামায়াত নেতা এমকে রহমান লিটনের বাসায় অবস্থান করেন। সেইসঙ্গে রাতে নৈশভোজে অংশ নেন। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে ইতালি প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    এমপি সোহেল হাজারীর এমন ঘটনায় ইতালি প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে তোলপাড় চলছে। স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম, ফেসবুক, টুইটারে এমপি সোহেল হাজারীর সঙ্গে ইতালি প্রবাসী জামায়াত সমর্থক এমকে রহমান লিটনের ছবি দিয়ে বিভিন্ন সংবাদ ও মন্তব্য প্রকাশিত হচ্ছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে এমপি সোহেল হাজারী হাসিমুখে সংবর্ধনার ফুল গ্রহণ করছেন। এ রকম বহু ছবি ইতালি প্রবাসীসহ বাংলাদেশি আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এমপি সোহেল হাজারীর এমন কর্মকাণ্ডে বিক্ষুব্ধ হয়ে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন ইতালির রোমা নর্দ শাখা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতিসংঘের কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় অংশগ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতালি যান। সেখানে কাউন্সিলের সভা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসব অনুষ্ঠানে দেশের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ের ইতালি প্রবাসীরা অংশ নেয়।

    ইতালির রোমা নর্দ শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান মিয়া জানান, টাঙ্গাইল-(৪) কালিহাতী আসনের এমপি হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারীকে ইতালির রোমা নর্দ শাখা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। কিন্তু এমপি সোহেল হাজারী আমাদের সংবর্ধনা না নিয়ে টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও বর্তমানে ঢাকা মহানগর জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ডা. সফিকুর রহমানের ছোট ভাই ইতালিতে বসবাসরত জামায়াত নেতা এমকে রহমান লিটনের বাসায় অবস্থান করেন। সেইসঙ্গে তাদের সংবর্ধনায় অংশ নেন। এমপি সোহেল হাজারীর এ ঘটনায় আমরা চরম বিক্ষুব্ধ।

    ইতালির রোমা নর্দ শাখা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাহিদ হাসান করিম জানান, এমপি সোহেল হাজারীর এমন কর্মকাণ্ড আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হচ্ছে। আর কিভাবে এমপি স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতের নেতার বাসায় আতিথেয়তা ও সংবর্ধনায় অংশ নেন। এ ঘটনায় আমরা চরমভাবে লজ্জিত।

    ইতালির রোমা নর্দ শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রমজান রানা জানান, এমপি সোহেল হাজারী আমাদের সংবর্ধনা না নিয়ে জামায়াত নেতা লিটনের বাসায় থাকেন এবং তাদের সংবর্ধনা গ্রহণ করেন। বিষয়টি আমরা প্রবাসী আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না।

    এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল-(৪) কালিহাতী আসনের এমপি হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী বলেন, লিটন আমাকে সংবর্ধনা দেবে কেন? টাঙ্গাইল জেলা সমিতি আমাকে সংবর্ধনা দিয়েছে। লিটনকে আমি ব্যক্তিগত ভাবে চিনি না। আমি জানি না তিনি কার ভাই বা কার ছেলে। আর সেই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমার সঙ্গে আরও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ছিলেন। তারা কেউ আমাকে এ বিষয়ে কিছু বলেননি। আর আমি সেখানে রাত্রিযাপন করিনি। তারা আমাদের জন্য একটি ডিনারের (নৈশভোজ) আয়োজন করেছিল। আমরা ডিনার করে চলে এসেছি। জামায়াতের বিরুদ্ধে আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম। জামায়াতের কাছে আমরা কেন যাব? আমরা সবসময় জামায়াতের ব্যাপারে সিরিয়াস।

  • শেখ হাসিনাকে নিয়ে গবেষণা করছে হার্ভার্ড

    শেখ হাসিনাকে নিয়ে গবেষণা করছে হার্ভার্ড

    দক্ষ নেতৃত্বের কারণে বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিমধ্যেই স্থান পেয়েছেন। বিশ্বের বরেণ্য ব্যক্তিত্ব ও চিন্তাশীল ব্যক্তিদের মতে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক অবস্থান এখন অনেক উপরে।

    সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে চর্চা হচ্ছে বলে জানা গেছে। যেখানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি, বিচক্ষণতা এবং কৌশল নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার বিষয়ক অধ্যাপক গ্রাহাম অ্যালিসন বলেন, হার্ভার্ডের কেনেডি স্কুলের ক্লাসরুমে শিক্ষকদের বক্তৃতায় বার বার উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উচ্চ রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গ।

    হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুল হচ্ছে সরকার ও রাজনীতি বিভাগ। যেখানে কেবলমাত্র সরকার ও রাজনীতি নিয়ে চর্চা করা হয়। সেখানে অনেকদিন ধরেই শিক্ষকদের লেকচারে গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাজ এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বদলে যাওয়া নিয়ে চর্চা হয়ে আসছে বলেও জানা যায়। গ্রাহাম অ্যালিসনের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় দারিদ্র্য থেকে উঠে আসা দেশগুলোতে সরকারের ভূমিকা বিষয়ে উদাহরণ হিসেবে ‘বাংলাদেশ এবং শেখ হাসিনা’র প্রসঙ্গে উঠে এসেছে।

    তিনি তার লেকচারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বশান্তির মডেল, যিনি জনগণের ক্ষমতাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। গবেষণায় বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তনের ধারা সূচিত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। তিনি উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের সমন্বয় করেছেন। কেনেডি স্কুলের পলিটিক্যাল লিডারশিপ এবং ডেমোক্রেটিক ভ্যালুস বিষয়ক প্রফেসর অধ্যাপক আর্থার অ্যাপলবাম তার সাম্প্রতিক লেকচারগুলোতেও শেখ হাসিনার প্রশংসা করছেন। তার নেতৃত্বে একদল পিএইচডি শিক্ষার্থী রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং শরণার্থী সমস্যা নিয়ে গবেষণা করছে। সেই গবেষণায় রোহিঙ্গা শরণার্থী গ্রহণে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাহসিকতার বর্ণনা করা হয়েছে।

    অধ্যাপক আর্থারের গবেষণায় বলা হয়েছে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঠিক সিদ্ধান্ত একটি জাতিকে নতুন উচ্চতা দেয়, তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ সম্ভবত বাংলাদেশ এবং শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা সামরিক স্বৈরতন্ত্র থেকে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটিয়েছেন। এজন্য তাকে দীর্ঘ সংগ্রাম করতে হয়েছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর অনেক সমালোচনা সত্ত্বেও তিনি শান্তিবাদী এবং ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির ধারাকে বেগবান করেছেন। তিনি সাম্প্রতিক এক নিবন্ধতে বলেছেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা সারা বিশ্বে উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। পাবলিক লিডারশিপ এবং ম্যানেজমেন্টের উপর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় শেখ হাসিনার উন্নয়ন কৌশলকে জনপ্রিয় নেতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে উল্লেখ করেছেন কেনেডি স্কুলের পাবলিক পলিসি বিষয়ক অধ্যাপক ক্রিস্টোফার অ্যাভেরি।

    অধ্যাপক অ্যাভেরির নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় শুধু নেতার জনপ্রিয়তার কারণে একটি দল কীভাবে ক্ষমতায় দীর্ঘদিন টিকে থাকে, তার উদাহরণ হিসেবে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রসঙ্গ এসেছে। এ ব্যাপারে হার্ভার্ডে অধ্যাপনারত সরকারের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, হার্ভার্ডের কেনেডি স্কুলে পাঠ্যবইয়ের চেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয় সমসাময়িক রাজনীতি এবং বিশ্ব পরিস্থিতিকে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগে পড়াশোনা করেন আগামী দিনের বিশ্বনেতারা। শেখ হাসিনা আজ বিশ্বের রোল মডেল। তাই আগামী দিনের বিশ্বনেতারা তাকে নিয়ে চর্চা করবে এটাই স্বাভাবিক। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। শেখ হাসিনা এখন শুধু বাংলাদেশের নন, তিনি এখন বিশ্বের সম্পদ।

  • এবার বরিশাল নগরীকে ডিজাইন করবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ

    এবার বরিশাল নগরীকে ডিজাইন করবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগ

    ৫৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের এলাকা এবার ডিজাইন করার উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিন বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা। বরিশালের সুশীল সমাজ, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের মানুষের সমন্বয়ে এই ডিজাইন করা হবে। ইতোমধ্যে বরিশালের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সাথে মতবিনিময় করেছেন তারা। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় কালে তারা এসব তথ্য জানান।

    কুয়েট স্থাপত্য ডিসিপ্লিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শিবু প্রসাদ বসু জানান, ২০১০ সালে পাশ হওয়া মাস্টার প্লানটি স্থানীয় মানুষের অনুপস্থিতিতে করা হয়েছে। সেখানে স্থানীয় কোন মতামত নেয়া হয়নি। যে কারণে এর বাস্তবায়ন ঘটছে না। কিন্তু বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে জনসম্পৃক্ততা নিয়ে এখন আমরা একটি ডিজাইন করতে চাই। তাই বিভিন্ন মানুষের সাথে তারা কথা বলছেন। তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

    জলাবদ্ধতা, মশা-মাছি রোধ ও যানজট মুক্ত করার দিয়ে দৃষ্টি দিয়ে ডিটেইল ডিজাইনটি করছি। যা আগামী ২ মাসের মধ্যে বরিশালবাসীর মাঝে উপস্থাপন করা হবে। জানা গেছে, ১৮৬৯ সালে বরিশাল টাউন কমিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭৬ সালে বরিশাল মিউনিসিপ্যালিটিতে উন্নীত হয়। ১৯৮৫ সালে একে একটি প্রথম শ্রেনীর পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে ২০০২ সালে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (সংশোধন) আইন ২০০২ এর মাধ্যমে পৌরসভা বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। বর্তমানে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী জনসংখ্যা প্রায় ৫ লক্ষ। বর্তমানে ৩০টি ওয়াার্ড নিয়ে গঠিত সিটি কর্পোরেশনে ৩০ জন সাধারণ আসনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হন এবং ১০ জন সংরক্ষিত আসনে মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। সর্বোশেষ ২০১০ সালে বরিশাল সিটি মাস্টার প্লান পাশ করা হয়। সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ মাস্টার প্লান অনুযায়ী নগরায়ন হচ্ছে বললেও সাধারণ মানুষ এবং সুশিল সমাজ দাবী করেছে এখানে মাস্টার প্লান শুধু কাগজে কলমে।