Author: banglarmukh official

  • শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেষ্ঠ অফিসার বাউফলের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে শ্রেষ্ঠ অফিসার বাউফলের আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    রাকিব সিকদার :

    সম্প্রতি এসএসসি পরীক্ষায় নকল বা যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে উপজেলার কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যাবহার করে দারুন প্রশংসিত হয়েছেন জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

    পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষায় প্রযুক্তি ব্যবহার করে সফলতা পাওয়ায় পটুয়াখালীর মাননীয় জেলা প্রশাসক ড. মাছুমুর রহমান ইউএনও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে ঘোষনা করেন।

    জেলা প্রশাসকের ঘোষনার পরই খবর ছড়িয়ে পড়লে বাউফলবাসীর মধ্যে আনন্দ, উৎসাহ বিরাজ করছে। ভালো কাজে ভালো ফল বাস্তবতার কথা এখন উপজেলার সব শ্রেনি পেশার মানুষের মুখে মুখে। ভবিষ্যতে ইউএনও মহোদয় আরো নতুন নতুন চমকপ্রদ কাজের দ্বারা উচ্চ আসনলাভ করবেন বলে সকলেই প্রত্যাশা করছেন ।

  • শেবাচিমের অচল অবস্থায় পরে আছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি

    শেবাচিমের অচল অবস্থায় পরে আছে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি

    তানজীল শুভ :

    দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল শেরে ই বাংলা মেডিকেল হাসপাতাল। যেখানে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে হাজার ও অসহায় রোগী।কিন্তু প্রকৃত সেবা তারা পাচ্ছেনা বলে জানান এই হাসপাতাল এ ভর্তি হওয়া রোগীরা। কিন্তু কেন?

    যেখানে জনগণের দোরগোড়ায় চিকিৎসাসেবা পৌছেঁ দেওয়ার জন্য সরকারের আন্তরিকতার অভাব নেই। এই লক্ষ্যে রয়েছে বিশাল অবকাঠামো এবং পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ। এখন দেশের প্রান্তীয় এলাকায়ও সরকারের উদ্যোগে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। তবুও মাঝেমধ্যে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুলোয় ব্যবস্থাপনাগত ক্রটির কথা শোনা যায়।

    বরিশাল শেরেবাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে রোগীদের রোগ নির্ণয়ের অধিকাংশ যন্ত্রপাতি অচল হয়ে আছে। ফলে হাসপাতালে ভর্তি থাকা এবং বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে রোগ নির্ণয়ে সব ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য যেতে হয় বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয়।যার কারণে তারা প্রতিনিয়ত প্রতারণার স্বীকার হচ্ছেন।

    আরও বলা হয়, কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে বরাবরই যন্ত্রাংশ সচল করার আশ্বাস দিলেও রোগী ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যন্ত্রপাতিগুলো সচল রাখার চেষ্টা ঢিমেতালে চলছে। জনস্বাস্থ্যের প্রেক্ষাপটে দেশের অন্যতম সেরা একটি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের পরিস্থিতি কিছুতেই প্রত্যাশিত হতে পারে না।

    জানা যায়, শেবাচিম হাসপাতালে রেডিওলজি বিভাগের সিটিস্ক্যান মেশিন দুটি অচল রয়েছে গেল বছরের ২৪ নভেম্বর থেকে। ২০১৬ সালের নভেম্বর থেকে অচল রয়েছে এমআরআই মেশিন দুটি। হাসপাতালে এক্সরে মেশিন রয়েছে আটটি। তার মধ্যে শুধু অর্থোপেডিক্স বিভাগের মেশিনটি সচল রয়েছে। আলট্রাসনোগ্রাম করানোর পাঁচটি মেশিনের সবক’টি অচল গেল বছরের নভেম্বর থেকে। এক বছর ধরে অচল রয়েছে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহৃত কোবাল্ট-৬০ মেশিনটি। এ অবস্থা নিঃসন্দেহে বিস্ময়কর এবং রোগীদের জন্য বিড়ম্বনার। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব যন্ত্রপাতি অচল থাকার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান যন্ত্রপাতিগুলো সরবরাহ করেছে মেরামতের জন্য, তাদের অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব যন্ত্রপাতির গ্যারান্টি মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলো নতুন করে কেনার কথা ভাবা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো এর জন্য এত সময়ক্ষেপণ কেন?

    অথচ সময়মতো তদারকি করলে মেরামত কিংবা চাহিদা মতো ক্রয় করার বিষয়টি সহজেই সম্পন্ন করা যেত। তাহলে এ ধরনের বিড়ম্বনাকর পরিস্থিতির উদ্ভব হতো না। উল্লেখ্য, শেবাচিম হাসপাতাল দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রধান চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান। এই হাসপাতাল ঘিরে তৈরি হচ্ছে আগামী দিনের মেধাবী চিকিৎসক। সেখানে যখন যন্ত্রপাতির অচলজনিত কারণে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হয়, তা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না। এ অবস্থায় সরকারের অন্য চিকিৎসাকেন্দ্রগুলোর সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

    সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সত্বর শেবাচিম হাসপাতালের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পাশাপাশি দেশের অন্য হাসপাতালগুলোর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কর্তৃপক্ষেরও যথেষ্ট দায়িত্ব রয়েছে। উন্নত ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি তদারকি ও নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে।

  • সিলেটে ওয়াজ মাহফিল নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১

    সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ওয়াজ মাহফিল নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনায় অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। নিহত যুবক হরিপুর মাদ্রাসার ছাত্র মোজাম্মেল হোসেন।

    সোমবার দিবাগত রাত ১১টা থেকে শুরু হয়ে রাত ৩টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষের জেরে স্থানীয় আমবাড়ি, ঝিঙ্গাবাড়ি ও কাঠাল বাড়ি নামের তিনটি গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    জৈন্তাপুর থানার ওসি খান মো. ময়নুল জাকির সাংবাদিকদের জানান, ওয়াজকে কেন্দ্র করে ওই সমাবেশের মধ্যে ওয়াহাবি মতাদর্শের লোকদের সঙ্গে সুন্নি মতাদর্শের লোকদের সংঘর্ষ হয়। এতে আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই ওই ছাত্রের মৃত্যু হয়। তবে আহতদের নাম এখনো জানা যায়নি। তাদের সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

  • ওবায়দুল কাদেরের মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    ওবায়দুল কাদেরের মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার রাতে এক বার্তায় এ শোক প্রকাশ করেন তিনি।

    শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেগম ফজিলাতুন্নেসা ছিলেন রত্নগর্ভা মহীয়সী নারী।‍ তার মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ গভীর শোকাহত। এসময় তিনি মরহুমা বেগম ফজিলাতুন্নেসার রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

    সোমবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বেগম ফজিলাতুন্নেসা।

    মঙ্গলবার জোহর নামাজের পর কোম্পানীগঞ্জ সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

  • ওবায়দুল কাদেরের মা আর নেই

    ওবায়দুল কাদেরের মা আর নেই

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা (৯২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৯২ বছর।

    মঙ্গলবার জোহর নামাজের পর কোম্পানীগঞ্জ সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে মরহুমার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

    মৃত্যুকালে তিনি ৪ পুত্র, ৬ কন্যাসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিফোনে ওবায়দুল কাদেরের সাথে কথা বলেন এবং মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

  • বাবার যৌন হয়রানি নিয়ে প্রশ্ন, ক্ষুব্ধ ইভাঙ্কা ট্রাম্প

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহকারী হিসেবে কাজ করছেন তার বড় মেয়ে ইভাঙ্কা।  প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগ থেকেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।  যা এখনো অব্যাহত আছে। বিভিন্ন মডেল, অভিনেত্রীসহ ঘটনার স্বীকার সবাই জনসমক্ষে মুখ খুলছেন।  সম্প্রতি এসব অভিযোগকারীকে বিশ্বাস করেন কি না-এমন প্রশ্ন করা হয় ইভাঙ্কাকে।

    রবিবার এনবিসি নিউজের পিটার আলেক্সান্ডারকে সাক্ষাৎকার দেন ইভাঙ্কা। সেখানেই এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।  ইভাঙ্কা যেন জানতেনই এমন প্রশ্নের মুখোমুখি তাকে হতে হবেই।  একটু সময় নিয়ে তিনি বলেন, ‘বাবার যৌন হয়রানির শিকার মানুষদের অভিযোগগুলো বিশ্বাস করেন কী না?’-  এমন প্রশ্ন তার মেয়েকে করা উচিত নয়।  কারণ তিনি (ডোনাল্ড ট্রাম্প)  দৃঢ়ভাবেই বলেছেন এতে কোনো সত্য নেই।’ সূত্র : পলিটিকো

  • বাংলার বধূ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্রীদেবী

    বাংলার বধূ হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন শ্রীদেবী

    মিঠুনদার সঙ্গে অনেকদিন আমার কোনো যোগাযোগ নেই।  তবে আজ শ্রীদেবীর মৃত্যুসংবাদ শোনার পর থেকে মনে হচ্ছে মানুষটা কষ্ট পাচ্ছে। ছটফট করছে। মুখফুটে কতটা বলতে পারবে আমি জানি না। কিন্তু আজ যার হৃদয়ে প্রবল রক্তক্ষরণ, তার নাম মিঠুন চক্রবর্তী।

    মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক ছিল। টান ছিল। ভালোবাসা ছিল। হিন্দু রীতিতে বিয়ে ছিল। কিন্তু জীবনের অবাক যাত্রাপথ দুজনকে আলাদা করেছে। মিলিত হতে না পারলেও পরস্পরকে সম্মান দিয়েছেন। কোনো তিক্ততা আসতে দেন নি। পরম যত্নে দৈনন্দিন জীবন থেকে আড়ালে রেখেছেন সম্পর্ক। যোগাযোগ না থাকলেও গভীর অনুভূতিটা হারিয়ে যেতে দেননি।

    মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই মিডিয়ায়। কিন্তু এটা যে শুধু তারকাজনিত টাইম-পাস ছিল না, বুঝেছি অনেক পরে। মিঠুনদার সঙ্গে ভালোমত আলাপের পর।

    আজ শ্রীদেবীর মৃত্যুসংবাদ শুনেই কেন জানি না হঠাৎ মনে পড়ল ২০০২ সালের এক মধ্যরাত। সল্ট লেকের ফ্ল্যাটের ঘর। মিঠুনদা আর আমি। অকপট মিঠুনদা সেদিন শ্রীদেবী সম্পর্কে মনের দরজা খুলে দিয়েছিল। সবটা লেখার নয়। সবটা মনেও নেই। কিন্তু, সেদিন তারকার মোড়কের ওপাশে দেখেছিলাম এক রক্তমাংসের পুরুষকে। যে কাতর প্রেমিক। যে রোজকার জীবনের ব্যস্ততা, বিলাস, বৈভবের মধ্যেও সযত্নে বাঁচিয়ে রেখেছে কিছু মুহূর্ত, তার মনের মণিকোঠায়। বাস্তবকে মানতে গিয়ে নিজে হাতে হত্যা করেছে এক মনের টানের সম্পর্ককে।

    শ্রীদেবীর সঙ্গে মিঠুনদার যখন সম্পর্ক, তখন মিঠুনদা যোগিতাভাবীকে বিয়ে করেছে। বড় ছেলে মিমো এসেছে।

    এমন সময়ে মিঠুন-শ্রীদেবী সম্পর্ক। সুপারহিট জুটি। পরপর হিট। দক্ষিণ থেকে আসা শ্রীদেবী ঝড় তুলেছেন। আর বঙ্গতনয় মিঠুন বলিউডে প্রতিষ্ঠার সব ব্যাকরণ ভেঙে নিজস্ব অভিধান চালু করেছেন। পর্দার জুটি ক্রমশঃ পর্দার বাইরেও।

    সব জানতেন মিঠুনদার বন্ধু তথা দাদা অধুনাপ্রয়াত গৌতমদা আর শ্রীদেবীর বোন। দুই নক্ষত্রের একান্তে দেখার আয়োজন সম্ভবত তারাই করতেন।

    এখান থেকেই আরও গভীরতা। এবং শেষে একটি বিশেষ মন্দিরে হিন্দুমতে বিয়ে। তিনদিনের মধুচন্দ্রিমা।
    এর পরেই আশ্চর্য ধর্মসংকট। স্বাভাবিকও বটে।

    শ্রীদেবীর বক্তব্য, মিঠুনদাকে পরিবার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। শ্রীদেবীর দিক থেকে এটা সঠিক দাবি।

    কিন্তু মিঠুন স্ত্রী, পুত্রকে ছেড়ে বেরোতে পারলেন না। বাবা, মাও মিঠুনকে সমর্থন করলেন না। মিঠুন সময় চাইলেন শ্রীদেবীর কাছে।

    প্রবল মিঠুনপ্রেমে পাগলপারা শ্রীদেবী মিঠুনকে সময় দিলেন মাত্র ৪৮ বা ৭২ ঘন্টা। বাড়ি ছেড়ে আসার। অন্যথায় শ্রীদেবী অপেক্ষা করবেন না।

    শ্রীদেবীর এই চাপটা ছিল গভীর প্রেম থেকেই। মিঠুনকে নিজের মতো করে পাওয়ার জন্য। কিন্তু এই সময়সীমাটাই যেন ব্যক্তিগত সম্পর্কের সীমা ছাড়িয়ে দুই সুপারস্টারের ইগোর সংঘাতে পরিণত হল। মিঠুন সময়ের চাপ মানতে পারলেন না। শ্রীদেবী সরে গেলেন।

    শুনেছি, যখন ‘অন্যায় অবিচার’ ছবির শ্যুটিং চলছে দীঘার কাছে, তখনও শ্রীদেবীর বোন কলকাতা এসে মিটমাটের চেষ্টা করেছিলেন।
    কিন্তু তখন দুই মহাতারকাকে আর মেলানো সম্ভব হয়নি।
    এরপর মিঠুন মুম্বাই ছেড়ে উটিতে সাম্রাজ্য বসান।
    মিঠুন-শ্রীদেবী প্রেম অসম্পূর্ণ থেকে রাজকাপুর-নার্গিস বা অমিতাভ-রেখার জুটির তালিকায় ঢুকে যায়।

    এই সম্পর্কে কিছু ঠিক, কিছু ভুল, কিছু প্রশ্ন যে কেউ তুলতে পারেন। কিন্তু ঘটনা হল, সম্পর্ক আর মনের মিল নীতিকথা মেনে হয় না, এটা বাস্তব।
    মিঠুনদা মনেপ্রাণে ভালোবেসেছিল শ্রীদেবীকে, বাস্তব।
    শ্রীদেবী মিঠুনদাকে চেয়েছিলেন, এটাও বাস্তব।
    আর সবচেয়ে কঠিন বাস্তব, যে কোন কারণেই হোক, দুজনকে থমকে দাঁড়াতে হয়েছে।

    দুজনে ব্যস্ত থেকেছেন আলাদা বৃত্তে। মিঠুন পেশাগত লড়াইতে, নানা কাজে, পারিবারিক কর্তব্যপালনে। শ্রীদেবী বনি কাপুরকে বিয়ে করে দূরের সংসারে।

    সময় পেরিয়েছে। দুজনে আলাদা কক্ষপথে রেখেছে নিজেদের। দায়িত্বশীলভাবে। অতীতকে প্রকাশ্যে এনে বর্তমানের চৌম্বকীয় ক্ষেত্রটির ভারসাম্য নষ্ট করেনি কেউ। শুধু মনের মধ্যে রয়ে গেছে পরস্পরের প্রতি সম্মান আর ফেলে আসা মুহূর্ত।

    আজ যখন মিঠুনদা হঠাৎ খবর পাবে “শ্রী” নেই, আমি নিশ্চিত, এক অব্যক্ত যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে উঠবে ও।
    অসম্পূর্ণ সম্পর্কের অভিমানী সহযাত্রীর চিরবিদায়ের ধাক্কা সামলাতে খুব কষ্ট হবে মিঠুনদার।

    লেখক : তৃণমূল সাংসদ, সাংবাদিক এবং একসময় মিঠুন চক্রবর্তীর বাণিজ্যিক সহযোগী

    (লেখকের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

  • কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের সম্মেলণ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র আহসান হাবিব কামাল।

    এসময় তিনি বলেছেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রমেই আন্দোলন করা যায় না। তবে তারা নিয়ম ভেঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে। যারা নগরবাসীর সমস্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে ব্যবস্থা নিলেই আবার নতুন করে ঝামেলার উৎপাত হবে।

    তিনি আরো বলেন, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই চেয়ার ছাড়েন। এরপর আমি মেয়র থাকাকালীণ সময় দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে তাতে আমরা কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করতে পারব। তবে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে স্টাফ রয়েছে প্রায় ২২’শ। যাদের বেতন পরিশোধ করা খুবই কষ্টকর। তবুও আমরা বলেছি জুন মাসের মধ্যে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করে দেয়া হবে কিন্তু তারা সেই সকল বকেয়া ১ মাসের মধ্যেই দিতে বলছে। এটা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর আগে যে তারা আন্দোলনে নেমেছিল সেই সময় আলোচনায় যে কথা তারা মেনে নিয়েছিল এখন সেই কথাই তারা না মেনে অহেতুক আন্দোলনে নেমেছে।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকেয়া বেতন দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গুটি কয়েক আন্দোলনরত নেতা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন নিতে দেয়নি। কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য ৩০জন কাউন্সিলর এবং আমি মেয়রও ১ বছর যাবৎ সম্মানী ভাতা নেয়নি। সেখানে অদৃশ্য হাতের জোড়ে কর্পোরেশন অচল করে দেওয়া নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন যাতে ভালো ভাবে চলে সেই লক্ষ্যে উন্নয়ন খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বেতনাদী দেয়া হয়েছে। এখন তারা টের পেয়েছে কর্পোরেশনের একাউন্টে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। এখন সেখান থেকে তাদের বেতনাদী পরিশোধের দাবী জানানো হচ্ছে। তবে যে টাকা এসেছে সেটা এসেছে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের গুলিতে নিহত স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু’র নামে শিশু পার্ক করার জন্য। তারা এটা জানার পরও ওই খাত থেকে টাকা চাচ্ছে। এই আন্দোলনে নগরবাসীর ক্ষতি হচ্ছে বলে আন্দোলনকারীদের বলা হলেও তারা আমাদের বলেছে ক্ষতি করার জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বিগত দিনের সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, শওকত হোসেন হিরণ অস্থায়ী বা স্থায়ী অনেক লোকের প্রবেশ ঘটিয়েছে কর্পোরেশনে। শুধু মেয়র হিরণই প্রায় সাড়ে ৮’শ স্টাফ ঢুকিয়েছেন কর্পোরেশনের মধ্যে। অতিরিক্ত লোকবলই বিসিসির সমস্যা। এখন ১২ কোটি টাকা হলেই এই সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র এ কে এম শহীদুল্লাহ জানান, সিটিতে আমাদের ১২ কোটি ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। যা এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই উত্তলোন করতে পারছেন না। এই ট্যাক্স উত্তোলণ করতে পারলে বেতন বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা স্থায়ীভাবে কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ জনকে চেয়েছি। সেটা মন্ত্রনালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে বাকিদের ছাটাই করলেই সমস্যার সমাধাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

  • কর্মচারীদের আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    কর্মচারীদের আন্দোলন, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন মেয়র’র সংবাদ সম্মেলন

    বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আজ সোমবার বিকেলে নগর ভবনের সম্মেলণ কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র আহসান হাবিব কামাল।

    এসময় তিনি বলেছেন, সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে কোনো ক্রমেই আন্দোলন করা যায় না। তবে তারা নিয়ম ভেঙ্গে আন্দোলনে নেমেছে। যারা নগরবাসীর সমস্যা করছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারি। তবে ব্যবস্থা নিলেই আবার নতুন করে ঝামেলার উৎপাত হবে।

    তিনি আরো বলেন, সাবেক মেয়র শওকত হোসেন হিরণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখেই চেয়ার ছাড়েন। এরপর আমি মেয়র থাকাকালীণ সময় দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। কর্পোরেশনের যে আয় রয়েছে তাতে আমরা কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন নিয়মিত ভাবে পরিশোধ করতে পারব। তবে স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে স্টাফ রয়েছে প্রায় ২২’শ। যাদের বেতন পরিশোধ করা খুবই কষ্টকর। তবুও আমরা বলেছি জুন মাসের মধ্যে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করে দেয়া হবে কিন্তু তারা সেই সকল বকেয়া ১ মাসের মধ্যেই দিতে বলছে। এটা কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। এর আগে যে তারা আন্দোলনে নেমেছিল সেই সময় আলোচনায় যে কথা তারা মেনে নিয়েছিল এখন সেই কথাই তারা না মেনে অহেতুক আন্দোলনে নেমেছে।

    মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, আমরা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বকেয়া বেতন দিয়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু গুটি কয়েক আন্দোলনরত নেতা পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বেতন নিতে দেয়নি। কর্পোরেশনের উন্নয়নের জন্য ৩০জন কাউন্সিলর এবং আমি মেয়রও ১ বছর যাবৎ সম্মানী ভাতা নেয়নি। সেখানে অদৃশ্য হাতের জোড়ে কর্পোরেশন অচল করে দেওয়া নগরবাসীকে ভোগান্তিতে ফেলা ছাড়া আর কিছুই নয়। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন যাতে ভালো ভাবে চলে সেই লক্ষ্যে উন্নয়ন খাত থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা দিয়ে বেতনাদী দেয়া হয়েছে। এখন তারা টের পেয়েছে কর্পোরেশনের একাউন্টে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকা এসেছে। এখন সেখান থেকে তাদের বেতনাদী পরিশোধের দাবী জানানো হচ্ছে। তবে যে টাকা এসেছে সেটা এসেছে ১৫ই আগস্ট ঘাতকের গুলিতে নিহত স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর শিশু সন্তান সুকান্ত বাবু’র নামে শিশু পার্ক করার জন্য। তারা এটা জানার পরও ওই খাত থেকে টাকা চাচ্ছে। এই আন্দোলনে নগরবাসীর ক্ষতি হচ্ছে বলে আন্দোলনকারীদের বলা হলেও তারা আমাদের বলেছে ক্ষতি করার জন্য আন্দোলন করা হচ্ছে।

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র আহসান হাবিব কামাল বলেন, বিগত দিনের সাবেক মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার, শওকত হোসেন হিরণ অস্থায়ী বা স্থায়ী অনেক লোকের প্রবেশ ঘটিয়েছে কর্পোরেশনে। শুধু মেয়র হিরণই প্রায় সাড়ে ৮’শ স্টাফ ঢুকিয়েছেন কর্পোরেশনের মধ্যে। অতিরিক্ত লোকবলই বিসিসির সমস্যা। এখন ১২ কোটি টাকা হলেই এই সমস্যা নিরসন করা সম্ভব।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেল মেয়র এ কে এম শহীদুল্লাহ জানান, সিটিতে আমাদের ১২ কোটি ট্যাক্স বকেয়া রয়েছে। যা এই কর্মকর্তা-কর্মচারীরাই উত্তলোন করতে পারছেন না। এই ট্যাক্স উত্তোলণ করতে পারলে বেতন বকেয়া পরিশোধ করা সম্ভব হবে। এছাড়া আমরা স্থায়ীভাবে কর্পোরেশনের জন্য ১১’শ জনকে চেয়েছি। সেটা মন্ত্রনালয় থেকে পাশ হয়ে আসলে বাকিদের ছাটাই করলেই সমস্যার সমাধাণ হবে। সংবাদ সম্মেলনে কর্পোরেশনের বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন।

  • ভেতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- বাইরে আ.লীগের সংঘর্ষ

    ভেতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী- বাইরে আ.লীগের সংঘর্ষ

    সুধী সমাবেশে স্লোগান দেওয়া নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার পটুয়াখালীর বাউফল থানা চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। ওই সময় থানা ভবনের মধ্যে অবস্থান করছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
    সমাবেশের শুরুতে এক পক্ষ স্লোগান দেয় চিফ হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজের পক্ষে এবং আরেক পক্ষ স্লোগান দেয় বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক জুয়েলের পক্ষে। এ নিয়ে ওই দুই পক্ষের সংঘর্ষ শুরু হয়।

    সংঘর্ষের সময় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এর আগেই ছাত্রীরা আতঙ্কে ওই স্থান ছেড়ে চলে যায়। বাউফল থানার নতুন চারতলা ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সকাল নয়টা থেকেই স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত হতে থাকেন। বেলা পৌনে ১১টার দিকে থানার অদূরে হেলিকপ্টারে করে বাউফল সরকারি পাবলিক মাঠে নামেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    পরে ১১টার দিকে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও বিশেষ অতিথি চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ যৌথভাবে ভবনের উদ্বোধন করেন। এ সময় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষ তাঁদের নেতাদের পক্ষে প্রধান অতিথিকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। প্রধান অতিথি নতুন থানা ভবনের মধ্যে ঢুকলে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও চেয়ার দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটানোতে অংশ নেয় দুই পক্ষই। প্রায় ১৫-২০ মিনিটের মতো চলে ওই সংঘর্ষ। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মো. জহিরুল (৩০), মো. কামাল হোসেন (২৫), আলতাফ উদ্দিন (৬৫), মিজানুর (৪৫), মো. খোকনকে (৩৫) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আসার পর দুপুর ১২টার দিকে সমাবেশ স্থলে উপস্থিত হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মইনুল হাসানের সভাপতিত্বে সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয়। এ সময় বক্তৃতা করেন চিফ হুইপ ও স্থানীয় সাংসদ আ স ম ফিরোজ, বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন, বরিশাল বিভাগের পুলিশের ডিআইজি মো. শফিকুল ইসলাম ও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আজাদ মিয়া, জেলা প্রশাসক মাছুমুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান, বাউফল পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক প্রমুখ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৭৮ টি দেশের মধ্যে আমেরিকার একটি সংস্থা সমীক্ষা চালিয়েছে, কারা দুর্নীতিমুক্ত দেশ প্রধান এবং কারা দেশের নেতৃত্বে সফল। সেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃতীয় স্থানে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী না হয়ে যদি তিনি অন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হতেন, তাহলে তিনিই প্রথম হতেন। আর এটাই বাস্তবতা। তাঁর হাতে বাংলাদেশ। সে জন্যই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের মহাসড়কে উঠেছে। এটা সবাইকে ধরে রাখতে হবে। আগামী নির্বাচনে নৌকার বিকল্প নেই।