Author: banglarmukh official

  • রাজশাহীতে মেডিকেল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার

    রাজশাহীতে মেডিকেল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার

    রাজশাহীতে ডেন্টাল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নগরীর ব্যাংক কলোনী এলাকা থেকে মিতু নামের এক ডেন্টাল শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় শনিবার সন্ধ্যায় ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে।

    ছাত্রীর পুরো নাম জান্নাতুল ওয়াদিয়া মিতু। সে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিডিএস তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগরীর রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান।

    আত্মহত্যাকারী মিতুর বাবার নাম মতিউর রহমান। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালুগ্রামে। মতিউর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ বালুগ্রাম আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ।

    পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি হাফিজুর রহমান জানান, শনিবার মিতুর তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা খারাপ হয়েছে বলে বাড়িতে সে জানায়। এসময় বাড়ির লোকজন তাকে বকাবকি করে। পরে তার নিজ ঘরে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়।

    দীর্ঘ সময় তারা সারা না পেয়ে দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সাথে লাশ ঝুলতে দেখে। নিজের ওড়নার সাহায্যে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দেয়।

  • যেসব খাবারে দৈহিক শক্তি কমে

    যেসব খাবারে দৈহিক শক্তি কমে

    খাদ্যাভাসের মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে সম্প্রতি অধিকাংশ পুরুষই দৈহিক শক্তি হারানোর সমস্যায় ভুগছেন। এক গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যাভাস লিবিডোতে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

    বিশেষ করে যখন বয়স বাড়তে থাকে তখন এই ক্ষতিকর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই যেসব খাবার দৈহিক শক্তি কমিয়ে দেয় সেসব খাবার তালিকা থেকে বাদ দেওয়াই ভালো। জেনে নিন এমন খাবারের নাম-

    অ্যালকোহল : অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। শরীর দুর্বল করে, চেহারা-সুরতেও ফেলে বাজে ছাপ। এছাড়া দৈহিক শক্তিতেও মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। আর তাছাড়া অ্যালকোহল আর রিচ ফুড সবসময় আপনাকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করে রাখে। ফলে সঙ্গীকে সময় দেওয়ার ব্যাপারে আর উৎসাহ বোধ হয় না।

    সয়া: সয়াবিন থেকে তৈরি বেশিরভাগ পণ্যই সাইটোয়েস্ট্রোজেন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ থাকে। এটি পুরুষ ও নারীর দেহে হরমোনের ভারসাম্যে বিরূপ প্রভাব ফেলে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী যারা সয়া পণ্য ভোগ করে তাদের মধ্যে মিলনের আগ্রহ কম। তাই যেসব পুরুষ সন্তান গ্রহণের কথা ভাবছেন তারা খাদ্য তালিকা থেকে সয়া একদম বাদ দিয়ে দিন। কারণ সয়া শুক্রাণুর পরিমাণও কমিয়ে দেয়।

    পুদিনা পাতা: সুগন্ধির জন্য পুদিনা পাতা অনেক বেশি জনপ্রিয়। কিন্তু এটি মোটেও ভালো নয়। এটি শরীরিক শক্তি সৃষ্টিকারী হরমোন টেসটোসটের মাত্রা কমিয়ে দেয় যা শরীরকে ঠাণ্ডা করে দিয়ে আগ্রহ কমিয়ে দেয়। তাই সুগন্ধির জন্য পুদিনা বাদ দিয়ে আদা খাওয়ার অভ্যাস করা যেতে পারে। আদা অনেক ভালো।

    কফি : কফি আপনার শরীরিক সম্পর্কের ইচ্ছা বাড়ানোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা আপনার মুড কার্যকর রাখে। তবে অতিমাত্রায় কফি খেলে হতে পারে বিপত্তি! এটি মূত্রথলির ক্ষতি করে এবং থাইরয়েড হরমোনে ভারসাম্যহীনতা তৈরি করে।

    পনির : গরুর দুধ থেকে তৈরি পনির এখন সুপার মার্কেটে খুবই সহজলভ্য। পনির ছাড়া অনেকের নাশতাই যেন জমে না। পনিরকে হরমোন ও অ্যান্টিবডি তৈরির কৃত্রিম উৎসও মনে করা হয়। তবে বেশি মাত্রায় পনির খেলে শরীরে এস্ট্রোজেন-জাতীয় পদার্থের নিঃসরণ হয়, যা মানুষের আকর্ষণ শক্তি নষ্ট করে দেয়। এমনকি এর প্রভাবে দৈহিক শক্তি লোপ পেতে পারে।

  • বগুড়ায় ঝুলছে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের সাইনবোর্ড

    বগুড়ায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের নামে একটি সাইনবোর্ড ঝুলছে। বগুড়া শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে গাবতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তরফসরতাজ গ্রামের দাড়াইল বাজারের তরফসরতাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের সাইনবোর্ডটি দেখা যায়। সাইনবোর্ডের খুঁটি দুটি পুরনো হলেও বোর্ডের লেখাটি নতুন রং করা। কারা এই সাইনবোর্ডটি লাগিয়েছে সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারছেন না।

    গাবতলীর দাড়াইল বাজারের বাসিন্দাদের কাছে সাইনবোর্ড সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা কেউ কিছু বলতে পারেনি। স্থানীয় বাসিন্দারা অনেকেই এড়িয়ে যান। নাম না প্রকাশের শর্তে স্থানীয়রা জানান, প্রায় সাড়ে ৯ বিঘা জমির ওপর সাইনবোর্ডটি টানানো হয়েছে। সাইন বোর্ডের নিচে জমির মধ্যে চাষবাস করা হয়েছে। সরিষার চাষ চলমান রয়েছে। ধান চাষের পর তার ফলন ঘরে তোলার চিহ্ন রয়েছে। কিছু জমিতে বেগুন ও বীজতলা রয়েছে। বেশকিছু জমি পতিত রয়েছে। জমির দুই দিক ফাঁকা।

    স্থানীয়রা বলছেন, ১৯৯৪ সালে এই প্রতিষ্ঠানের নামে বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় দাড়াইল মৌজায় স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৯ বিঘা জমি ক্রয় করা হয়েছে। তৎকালীন বিএনপির এক এমপি এই জমি ক্রয় করেন। কিন্তু এরই মধ্যে প্রায় ২৪ বছর পার হতে চললেও সেখানে একটি সাইনবোর্ড ছাড়া আর কিছুই করা হয়নি। সময়ের ব্যবধানে সাইনবোর্ড মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। পরে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায় ঘোষণার মাসখানেক আগে সেখানে আরেকটি নতুন সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়। গাবতলীর তরফসরতাজ গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মুসা আলম জানান, ৪৭ হাজার টাকা দিয়ে ৩২ শতাংশ জায়গা কিনেছিলাম। সেই জায়গা একরকম জোরপূর্বক দলিল করে নিয়ে প্রতি শতকের দাম ১ হাজার করে দিয়েছে তৎকালীন উপজেলা প্রশাসনের প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। কিন্তু জমিটি কার নামে দলিল করা হয়েছে তা তিনি বলতে পারেননি। তবে তিনি জানান, এই জায়গার ওপর একটি এতিমখানা করা হবে বলে তাকে জানানো হয়।

  • বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

    বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

    জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।

    কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সোমবার সারা দেশে মানববন্ধন, মঙ্গলবার অবস্থান ও বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত অনশন।

    শনিবার বিকালে নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    রায়ের প্রতিবাদে শুক্রবার ও শনিবার সারা দেশে কর্মসূচি পালন করেছে দলটি।

    উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

    এছাড়া একই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

    রায়ের পর পরই খালেদা জিয়াকে আদালতের পাশে নাজিমউদ্দিন রোডের লালদালানখ্যাত ২২৮ বছরের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে : মওদুদ

    খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে : মওদুদ

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি, সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

    শনিবার বিকালে নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    মওদুদ বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি। তাকে একজন সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে নেত্রীকে। সেখানে অন্য কোনও কারাবন্দি নেই। এটি অন্যায়, আমরা এ বিষয়ে আদালতে যাব।

    মওদুদ আরও বলেন, রায়ের সত্যায়িত কপি পেলে আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবার জামিনের জন্য আপিল করা হবে।

    খালেদা জিয়ার সার্বিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ম্যাডাম স্বাভাবিক আছেন, ভালো আছেন তবে তার শরীরের অবস্থা ভালো না।

    খালেদা জিয়ার ডিভিশন পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলকোড অনুযায়ী তিনি ডিভিশন পান। তিনি যেহেতু তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং সিনিয়র নাগরিক তাই তার এ সুবিধা পাওয়া উচিত।

    তিনি বলেন, গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, সরকার বলেছে ম্যাডামকে তার গৃহপরিচারিকা ও ডিভিশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা আজ দেখে এসেছি, এসব মিথ্যা। তাকে একটা নির্জন ভাঙা বাড়িতে রাখা হয়েছে। উনার খাবারের ক্ষেত্রেও কোনও পরিবর্তন নেই। সাধারণ বন্দিরা যে খাবার পান, তাকেও সেই খাবার দেওয়া হচ্ছে। ম্যাডাম এসব খাবারে অভ্যস্ত না।

    এর আগে বিকালে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে আইনজীবীদের একটি দল কারা ফটকে পৌঁছান।

    মওদুদের সাথে থাকা অন্য আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান।

    উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

    একই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

    রায়ের পর পরই খালেদা জিয়াকে আদালতের পাশে নাজিমউদ্দিন রোডের লালদালানখ্যাত ২২৮ বছরের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • খালেদা জিয়াকে সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে : মওদুদ

    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি, সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ।

    শনিবার বিকালে নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

    মওদুদ বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ডিভিশন দেয়া হয়নি। তাকে একজন সাধারণ কয়েদি হিসেবে রাখা হয়েছে। নির্জন কারাবাসে রাখা হয়েছে নেত্রীকে। সেখানে অন্য কোনও কারাবন্দি নেই। এটি অন্যায়, আমরা এ বিষয়ে আদালতে যাব।

    মওদুদ আরও বলেন, রায়ের সত্যায়িত কপি পেলে আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবার জামিনের জন্য আপিল করা হবে।

    খালেদা জিয়ার সার্বিক অবস্থার বিষয়ে তিনি বলেন, ম্যাডাম স্বাভাবিক আছেন, ভালো আছেন তবে তার শরীরের অবস্থা ভালো না।

    খালেদা জিয়ার ডিভিশন পাওয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জেলকোড অনুযায়ী তিনি ডিভিশন পান। তিনি যেহেতু তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং সিনিয়র নাগরিক তাই তার এ সুবিধা পাওয়া উচিত।

    তিনি বলেন, গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি, সরকার বলেছে ম্যাডামকে তার গৃহপরিচারিকা ও ডিভিশন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা আজ দেখে এসেছি, এসব মিথ্যা। তাকে একটা নির্জন ভাঙা বাড়িতে রাখা হয়েছে। উনার খাবারের ক্ষেত্রেও কোনও পরিবর্তন নেই। সাধারণ বন্দিরা যে খাবার পান, তাকেও সেই খাবার দেওয়া হচ্ছে। ম্যাডাম এসব খাবারে অভ্যস্ত না।

    এর আগে বিকালে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদের নেতৃত্বে আইনজীবীদের একটি দল কারা ফটকে পৌঁছান।

    মওদুদের সাথে থাকা অন্য আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, অ্যাডভোকেট এ জে মোহাম্মদ আলী ও অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান।

    উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বৃহস্পতিবার বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন।

    একই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সলিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়।

    একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

    রায়ের পর পরই খালেদা জিয়াকে আদালতের পাশে নাজিমউদ্দিন রোডের লালদালানখ্যাত ২২৮ বছরের পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সোমবার ‘রোজা’ পালনের আহ্বান বিএনপির

    খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য সোমবার ‘রোজা’ পালনের আহ্বান বিএনপির

    বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ নেতাকর্মীদের মামলা এবং হয়রানি থেকে রেহায় পেতে রোজা পালন করবে বগুড়া জেলা বিএনপি। আগামী সোমবার রোজা শেষে শহরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে ইফতারে অংশ নিবে দলের নেতাকর্মীরা। আজ জেলা বিএনপির বিক্ষোভ-সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম।

    এসময় তিনি নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের বগুড়াবাসীকে রোজা পালনের আহবান জানান। দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সাবেক এমপি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন, কেন্দ্রীয় সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মাদ শোকরানা, সাবেক এমপি এড. হাফিজার রহমান .আলী আজগর হেনা, লাভলী রহমান, ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, রেজাউল করিম বাদশা, আহসানুল তৈয়ব জাকির, ডা. শাহ মো. শাজাহান, ডা; মামুনুর রশিদ মিঠু, পরিমল চন্দ্র দাস, তৌহিদুল আলম মামুন, আবুল বাশার, ফারুকুল ইসলাম ফারুক, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম শফিক, নাজমা আক্তার প্রমুখ।

    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে কাঁটাতারের বেড়ার মধ্যে বিএনপির  নেতাকর্মী শহরের নবাববাড়ী রোডে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেন।  সমাবেশে ভিপি সাইফুল বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে আরো একটি ভোটার বিহীন নির্বাচন চায় আ’লীগ। একারণেই দেশের মানুষের আস্থার ঠিকানা খালেদা জিয়াকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ পরিচালনা করছে অবৈধ সরকার। তারা ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতেই অগণতান্ত্রিক পন্থা বেছে নিয়ে মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ আজ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে, এ সরকারের সময় ফুরিয়ে এসেছে। সুষ্ঠ নির্বাচন হলে ভোট বিপ্লব ঘটবে ধানের শীষের পক্ষে। তিনি নেতাকর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার আহ্বান জানান।

  • কারাগারে স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া

    কারাগারে স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া

    নাজিম উদ্দিন রোডের পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সুপারের সাবেক অফিস কক্ষেই কাটছে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার। ডিভিশন পাওয়ার আগ পর্যন্ত ২৫০-৩০০ স্কয়ার ফুটের একটি কক্ষেই কাটবে তার সময়।

    জানা গেছে, কারাগারে স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটাচ্ছেন খালেদা জিয়া। তিনি কারাগারের দেওয়া খাবারই খেয়েছেন। বিশ্রামের পাশাপাশি তিনি নামাজ পড়েছেন।

    কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেল কোড অনুযায়ী সাধারণ বন্দীর সব সুযোগ-সুবিধাই দেওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে।

    যদিও নির্ভরযোগ্য সূত্র বলছে, খালেদার পছন্দ অনুযায়ী খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। তার ব্যক্তিগত গৃহপরিচারিকা ফাতেমা বেগমকে খালেদা জিয়ার সেবা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

    এর আগে গত বৃহস্পতিবার গুলশানের বাসা থেকে ফাতেমাকে নিয়ে একই গাড়িতে করে আদালতে উপস্থিত হন খালেদা জিয়া। রায় পড়ার সময়ও তার সাথেই ছিলেন ফাতেমা। আদালতের রায় পড়া শেষ হলে বিচারকরা কক্ষ ত্যাগ করেন।

    এরপর খালেদা জিয়ার অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে, পরিচর্যার জন্য ফাতেমাকে তার সাথে কারাগারে রাখার আবেদন জানান আইনজীবীরা। আবেদনে স্বীকৃতি দিয়ে এ বিষয়ে একটি আবেদনপত্র দেওয়ার জন্য আইনজীবীদের নির্দেশ দেন বিচারক। আদালতের স্বীকৃতি পেলে, ফাতেমাকে নিয়ে নাজিমউদ্দিন রোডের কারাগারে যান খালেদা জিয়া।

    এদিকে, বিকাল বেগম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করতে কারাগারে গিয়েছেন ৫ আইনজীবী। তার সাথে দেখা করতে যাওয়া আইনজীবীরা হলেন- ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার আবদুর রেজ্জাক খান ও এ জে মোহাম্মদ আলী।

    এর মধ্যে প্রথম দিন খালেদা জিয়ার সাথে তার ভাই-বোনসহ পরিবারের সদস্যরা দেখা করে। তারা তার জন্য কাপড় চোপড় নিয়ে যায়। এছাড়া বিএনপির নেতাকর্মীরাও কিছুক্ষণ পর পর কারাগারের সামনে ভিড় করে। কেউ কেউ খাবারও নিয়ে আসে। তবে পুলিশের ব্যারিকেডের কাছেই তাদের আটকে দেওয়া হয়। খাবারও ভেতরে পাঠানোর অনুমোদন মেলেনি।

  • ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    ‘আপোস করিনি বলেই জেলে থাকতে হচ্ছে’- সরোয়ার

    খালেদা জিয়া আজ যদি গণতন্ত্র রক্ষা আর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের কথা না বলতেন তবে তাকে জেলে যেতে হতো না। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে সরকার জেলে পাঠিয়েছে। তাই এখন আমাদের লক্ষ্য খালেদা জিয়ার মুক্তি আর গণতন্ত্র রক্ষায় সহায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের।

    দলীয় প্রধানকে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরের সদর রোডস্থ বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও নগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার এসব কথা বলেন।

    যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আমরা আপোস করিনি বলে আজ আমাদের জেলে থাকতে হচ্ছে। কিন্তু এখন যারা ক্ষমতায় রয়েছেন তাদের মামলাগুলোর হদিস নেই। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সাড়ে সাত হাজার মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়াকে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।

    তিনি সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, মামলা-হামলা করে বিএনপি নেতাকর্মীদের আন্দোলন থেকে দূরে রাখা যাবে না। এসময় নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আন্দোলনে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    বরিশাল মহানগর বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-বরিশাল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আবুল হোসেন খান, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামন ফারুক, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউদ্দিন সিকদারসহ অন্যরা।

  • বিকেএসপিতে মাশরাফি ঝড়

    ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন বাংলাদেশ ওয়ানডে দলপতি মাশরাফি বিন মর্তুজা। শুক্রবার বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে কলাবাগানের বিপক্ষে আবাহনীর হয়ে ৫৪ বলে ৬৭ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেন তিনি। পাশাপাশি বল হাতে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ জয়ের নায়কও তিনি।

    এদিন, টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৯.৫ ওভারে ২১৭ রান করে আবাহনী। মাশরাফি ছাড়াও আবাহনীর হয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৫ ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৪০ রান করেন।

    জবাব দিতে নেমে মাশরাফির বোলিং তোপে ১৮১ রানে গুটিয়ে গেছে কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। মুক্তার আলীর ব্যাট থেকে আসে সর্বোচ্চ ৪০ রান। আবাহনীর হয়ে মাশরাফি ৪টি, তাসকিন আহমেদ ৩টি উইকেট নেন।